সর্বশেষ সংবাদ বেতন বাড়ছে জাতীয় দলের ক্রিকেটারদের নন্দীগ্রামে হেরে হাইকোর্টে মমতা, শুনানি আজ চীনের সিনোফার্মের টিকা চট্টগ্রামে পৌঁছেছে অবশেষে ফিরে এসেছেন আবু ত্ব-হা করোনা ভাইরাস থেকে বাঁচতে আর্জেন্টিনা সমর্থকদের নিয়ে মেয়র মনিরুলের মাস্ক ও হ্যান্ড স্যানিটাইজার বিতরণ চাঁপাইনবাবগঞ্জে ফের গুচ্ছগ্রাম উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী মদ-ক্লাব-জুয়া নিয়ে উত্তপ্ত সংসদ দ্বিতীয় পর্যায়ে ঘর পাচ্ছে আরও ৫৩ হাজার পরিবার চাঁপাইনবাবগঞ্জে কঠোর বিধিনিষেধের মেয়াদ বাড়ল ৭ দিন সংসারের বোঝা কমাতে রাজমিস্ত্রীর কাজে গিয়ে প্রাণ হারালো স্কুলছাত্র

চাঁপাইনবাবগঞ্জে ৪৬ দিন পর যুবকের লাশ উদ্ধার

নিজস্ব প্রতিবেদক

চাঁপাইনবাবগঞ্জে ৪৬ দিন পর এক যুবকের লাশ উদ্ধার করেছে সদর মডেল থানা পুলিশ। সোমবার (৩১ মে) বিকালে চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌর এলাকার আজইপুর বিল থেকে যুবকের লাশটি উদ্ধার করা হয়েছে। সে মাঝপাড়ার এলাকার মৃত আক্তার শেখের ছেলে সোহেল (৩৬)। এ বিষয়টি নিশ্চিত করেছে ওসি মোযাফফর হোসেন।

ওসি জানান; গতমাসের বৃহঃস্প্রতিবার (১৫ এপ্রিল) গোসল করতে গিয়ে বাড়ি ফিরে আসেনি ওই যুবক। সেদিন ৯৯৯ কল দেয় পরিবারের লোকজন। তাৎক্ষণিক ঘটনাস্থলে ফায়ারসার্ভিস ও রাজশাহীর ডুবুরী দল আসেন। সেদিন অনেক খোঁজাখুঁজি করার পরেও তার মরদেহ খুঁজে পাওয়া যায় নি। হাঠাৎ আজ সোমবার (৩১ মে) বিলের কচুরি পানা পরিষ্কার করার সময় পরিছন্ন কর্মীরা তার মরদেহ দেখতে পায়। এবং থানা পুলিশকে জানায়।

ওসি আরোও জানায়; দীর্ঘদিন থেকে মরদেহটি পানিতে থাকার কারনে মুখ বিকৃত হয়ে নষ্ট হয়ে গেছিলো। ওই লাশের কোমরে গামছা দেখে তার ভাই জহুরুল চিহ্নিত করেন। কোন ধরনের ময়নাতদন্ত ছাড়ায় তার লাশ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়। গতমাসের মঙ্গলবার (২০ এপ্রিল) ওই যুবকের পরিবার থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেন। ১২০৮ নং।

দৃষ্টি প্রতিবন্ধী মিজান কলস বাজিয়ে গান শুনিয়ে গিনেস বুকে নাম লিখাতে চাই

গোমস্তাপুর (চাঁপাইনবাবগঞ্জ) প্রতিনিধি:
জীবন মানে যুদ্ধ। মানুষকে দিনের পর দিন প্রকৃতির সাথে যুদ্ধ করে জীবন জীবিকা নির্বাহ করতে হয়। তেমনি চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুর উপজেলার চৌডালা ইউনিয়নের নন্দলালপুর গ্রামের এক দৃষ্টি প্রতিবন্ধী মাঠে-ঘাটে বাজারে কলসকে বাদ্যযন্ত্র করে দর্শকদের গান শুনিয়ে জীবিকা নির্বাহ করছে।তার স্বপ্ন কলস বাজিয়ে মানুষ কে গাণ শুনিয়ে হয়ত একদিন তার নাম উঠবে গিনেস বুকে। সে উপজেলার ওই ইউনিয়নের আব্দুল জব্বারের ছেলে মিজানুর রহমান (৩৫)।

সোমবার বিকেলে রাস্তার পাশে কলস বাজিয়ে গান গায়ছিলেন মিজান।চোখে ভাল মত দেখতে না পেলেও গানের কণ্ঠ বেশ মধুর।গান শেষে মিজানের সাথে কথা বলার সময় তিনি বলেন, জন্ম থেকে আমি দৃষ্টিভঙ্গি।আমার দুটি ছেলে ও একটি মেয়ে আর স্ত্রী আছে। দৃষ্টি প্রতিবন্ধী হিসেবে আমি মাসিক ৭০০ টাকা প্রতিবন্ধী ভাতা পায় আর যে টাকা উপার্জন করি তা দিয়ে কোন রকমে আমার সংসারটা চলে।আমাকে দেখার মত কেউ নেই। হাটে-বাজারে দর্শকদের মাঝে গান শুনিয়ে যা টাকা পায় তা দিয়ে আমার সংসার চলে। আমি খুব কষ্টে দিনযাপন করি। আমার দুইটা ছেলে ও একটি মেয়ে।বড় ছেলেটি ৬ষ্ঠ শ্রেনীতে পড়ে,২য় মেয়েটি ৩য় শ্রেণীতে ও ছোট ছেলের বয়স ৫ বছর। তাদের চাওয়া-পাওয়া আমি কখনো পূরণ করতে পারিনা।কারণ আমার আয় রোজগার তো সেই রকম আর কি? পাড়া প্রতিবেশীর কাছে সাহায্য সহযোগিতা চাইলে তেমন সাড়া পাওয়া যায় না। কি করবো? মহান আল্লাহ আমাকে দৃষ্টি প্রতিবন্ধী করে এই পৃথিবীতে পাঠিয়েছেন! আমি সবার সাথে মিলেমিশে চলাফেরা করি। তিনি যেহেতু দুটি চোখে দেখতে পায় না এইসব গান কেমন করে আয়ত্ত করে? এমন প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, মহান আল্লাহ আমাকে দু’টা চোখের দৃষ্টি না দিলেও, সেই মেধায় আমি একটি গান ১ থেকে ২ বার শোনার পরে আয়ত্ত করে ফেলি।আর সেই গান দর্শকদের মাঝে পরিবেশন করে টাকা পাই।এখন পর্যন্ত আমি ২০০-২৫০টি গান এভাবে আয়ত্ত করেছি।আমি বাস ও যানবাহনে গাণ বাজনা করি। এবং রেডিও মহানন্দাতে ২বছর আগে একটি গাণ করেছিলাম।আমি সোনাচন্ডী ,নাচোল, কানসাট,খাসেরহাট ও মনাকষাসহ অনেক হাটে গাণ করি এবং জেলার বাইরেও কুয়াকাটা দর্শনাতে ১৬ডিসেম্বরের একটি সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের প্রোগ্রামে গিয়েছিলাম।

প্রতিবেশী আতাজুল ইসলাম বলেন, জন্ম থেকেই আমি এরকম তাকে দেখে আসছি। সে হাটবাজারে কলস বাজিয়ে গান শুনিয়ে দর্শকদের মাঝে আনন্দ দিয়ে এক টাকা, দুই টাকা,পাঁচ টাকা,দশ টাকা করে যে টাকা পাই তাতে তার সংসার চলে। ছোট একটা ভাঙ্গাচোরা বাড়ি আছে সেই বাড়িতে তার ছেলে ও স্ত্রী নিয়ে জীবিকা নির্বাহ করছে। গ্রামের মানুষ আমরা তাকে যতটুকু পারি সাহায্য সহযোগিতা করে থাকি।

অপরদিকে মাইনুল ইসলাম বলেন, মিজান আমাদের খুব সুন্দর সুন্দর গান শোনায়!কেমন করে যে এইসব গান আয়ত্ত করে সেই প্রশ্ন আমাদের জনসাধারণের মনে জাগে?’ কিন্তু তার মুখ থেকে শুনেছি যে গানটি সে একবার শোনে সে গান নাকি তাকে আর সোনা লাগে না।আর তার কন্ঠটাও খুব সুন্দর !তাই আমরা তাকে খুশি হয়ে টাকা দিয়ে থাকি। প্রতিদিন সে হাট-বাজারে গান শুনিয়ে ২৫০/৩’শ টাকা উপার্জন করে। রাস্তা দিয়ে যানবাহনে গেলে তাকে ভাড়া লাগে না।কারণ তিনি সবার সাথে অনেক মিশুক হয়ে গেছেন। ওল্ট তাকে মানুষজন ডেকে হাটে নিয়ে যায় তার মধুর আচরণের জন্য।

এ বিষয়ে চৌডালা ইউপি চেয়ারম্যান শাহ আলম বলেন, মিজানুর রহমান একজন দৃষ্টি প্রতিবন্ধী।তার একটি প্রতিবন্ধী ভাতা কার্ড করা আছে।আমরা তাকে পরবর্তীতে একটি কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করে দেওয়ার চিন্তা করছি।

গোমস্তাপুর উপজেলা সমাজসেবা অফিসার নুরুল ইসলাম বলেন, আমাদের সমাজসেবা অফিস থেকে মিজানকে দেওয়ার মত এখন কোন বরাদ্দ নেই।আসলে পরবর্তীতে দেওয়া হবে।

করোনার চোখ রাঙ্গানীতে বিপাকে চাঁপাইনবাবগঞ্জের আম

চাপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি ঃ
৪শ মণ আম কি করব। আম পাকার সময় হয়ে গেল,কিন্তু লকডাউনের ভয়ে পাড়তে পারছিনা।এক ভ্যান পেরে আনলাম বাজারে কিন্তু ৫ ঘন্টা পর কম দামে বেচে দিলাম।এভাবেই গনমাধ্যম কর্মী পরিচয় পাবার পর আক্ষেপ করে বলছিলেন চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ উপজেলার শ্যামপুর গ্রামের আমচাষী আমিনুল ইসলাম।
শুক্রবার(২৮ মে) দুপুরে কানসাট আমবাজারে তিনি ২ হাজার টাকা কেজির আম ১৬শ টাকা মন দরে বিক্রির পর এসব বলছিলেন। শুধু তাই নয় একই এলাকার আম ব্যবসায়ী বেনাউল ইসলাম বেনুও ক্ষোভের সাথে জানান, আমরা জনস্বাস্থ্য বিবেচনায় বিশেষ লকডাউন মেনে নিয়েছি।কিন্তু প্রশাসন তো শহরে লকডাউন পালন করছে।গ্রামে ও সীমান্তে পালন করতে ব্যর্থ হচ্ছে। গ্রামের মোড় গুলোতে মাক্স বিহীন আড্ডা চলছে।যদি এ অবস্থা চলে লকডাউন সফল না হয় তবে আম- ছালা ২ টোয় যাবে।
শিবগঞ্জ ম্যাঙ্গো প্রডিউসার ও কো- অপারেটিভ এর সাধারন সম্পাদক ইসমাঈল খাঁন শামিম জানান, আম লকডাউনের অওতামুক্ত থাকলেও চাষীরা আম ভাঙ্গতে সাহস পাচ্ছেনা।
শুক্রবার সকাল থেকে দেশের বৃহত্তম কানসাটের আমবাজাওে গিয়ে দেখা যায় বাজাওে শুনসান নিরাবতা।বিশাল বাজারের এক কোনে ২ ভ্যানে ৮ ডালি আম নিয়ে দাঁড়িয়ে মাক্স পরিহিত ৪ জন আমচাষী ও ভ্যানচালক দাঁড়িয়ে। পাশে আমগুলো নিয়ে দও কষাকষি করছেন ৩ জন আড়ৎদার।তবে বাইরের ক্রেতা না থাকায় আড়ৎদারগনও আম কেনা নিয়ে ছিলেন সংশয়ে।

এ ব্যাপারে আম আৎড়দার সমিতির সাধারন সম্পাদক ওমর ফারুক টিপু জানান, কানসাট বাজারে অন্যান্য বছর এ সময় অন্তত শতাধিক ট্রাক আম পরিবহনের জন্য লোড হয়,কিন্তু এবছর দিনে সর্ব্বোচ্চ ৫/৭ টি ট্রাকে আম লোড করা সম্ভব হচ্ছে।তিনি স্বাস্থ্য বিধি মেনে আড়ৎগুলো চালু করতে বাইরের ক্রেতাদেও আসার জন্য ব্যাপক প্রচারনা ও নিরাপদ আবাসিক হোটেলে থাকা এবং নিরাপদে চাঁপাইনবাবগঞ্জে চলাফেরা করতে দেয়ার দাবী জানান।
অপরদিকে কানসাট হাট ইজারাদার কমিটির সাধারন সম্পাদক রফিকুল ইসলাম বাবু, জানান, তিনি কানসাটের ৩ টি হাট প্রায় কোটি টাকা দিয়ে কিনে পথে বসার মত অবস্থা।গরু ও সাপ্তাহিক হাট বন্ধ থাকলেও তিনি আশাবাদি ছিলেন আমের হাট টি নিয়ে কিন্তু চাঁপাইনবাবগঞ্জে গত ২১ মে আমার উদ্ধোধনের পরও কানসাট আম বাজারটি ফাঁকা।চাষীরা লকডাউনের ভয়ে বাজাওে আম নামাতে সাহস পাচ্ছেননা।এতে করে তিনি পুঁজি হারিয়ে পথে বসার পাশাপাশি চাঁপাইনবাবগঞ্জের অর্থনীতি পঙ্গু হয়ে যাবে।
এ ব্যাপারে চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা প্রশাসক মঞ্জুরুল হাফিজ জানান, আম শিল্পকে রক্ষার জন্য ট্রেন চালুর পাশাপাশি আম বাগানগুলোতে এবংব ড় বড় আড়ৎ গুলোতে স্বাস্থ্য বিধি মেনে আম বাজারজাত ও পরিবহনের ব্যবস্থা করা হয়েছে।পাশাপাশি কানসাট আম বাজার কে বিস্তৃত কওে দেয়া হয়েছে স্বাস্থ্য বিধি নিশ্চিত করার জন্য।এরপরও ক্রেতা না আসলে প্রশাসনের কিছু করার নেয়।তবে তিনি অনলাইনে আম বিক্রিতে চাষীদের অভ্যস্ত হবার পরামর্শ দেন।

কমল তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস বা এলপিজির দাম

দেশের বাজারে কমল তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস বা এলপিজির দাম। আগামীকাল সোমবার থেকে ১২ কেজি সিলিন্ডার বিক্রি হবে ৮৪২ টাকায়, যা গতমাসেও ছিল ৯০৬ টাকা। বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) এলপি গ্যাসের দাম পুনঃনির্ধারণ করেছে।

সোমবার বিইআরসি চেয়ারম্যান আবদুল জলির এক অনলাইন সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে নতুন এই আদেশ ঘোষণা করেন। ভার্চুয়াল এ অনুষ্ঠানে যুক্ত ছিলেন বিইআরসির সদস্য মকবুল ই-এলাহী চৌধুরী, মোহাম্মদ আবু ফারুক, বজলুর রহমান, সচিব রুবিনা ফেরদৌস, উপ-পরিচালক কামরুজ্জামান প্রমুখ।

বিইআরসি চেয়ারম্যান বলেন, মূল্য সমন্বয়ে তিনটি বিষয় যুক্ত, সৌদি সিপির দর, ডলারের বিনিময় দর, আর সৌদি সিপির ভিত্তিতে ভ্যাটের কিছুটা পরিবর্তন হয়। এ কারণে তিনটি বিষয় সমন্বয় করা হয়।

এলপি গ্যাসের পাশাপাশি অটোগ্যাসের নামও পুনঃনির্ধারণ করেছে বিইআরসি। অটোগ্যাস লিটার প্রতি ৪১.৭৪ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। আগামীকাল ১ জুন থেকে এটি কার্যকর হবে।

এছাড়া রাষ্ট্রায়ত্ত কোম্পানির এলপিজির দাম পরিবর্তন করা হয়নি। সরকারি সাড়ে ১২ কেজি এলপিজির দাম আগের ৫৯১ টাকাই থাকছে। আর গাড়িতে ব্যবহৃত এলপিজির নতুন দাম প্রতি লিটার ৪১ টাকা ৭৪ পয়সা হয়েছে। আগে যা ছিল ৪৪ টাকা ৭০ পয়সা।

সংবাদ সম্মেলনে মো. আবদুল জলিল আরো বলেন, কেউ নির্ধারিত দামের কমে বিক্রি করতে পারে। কিন্তু বেশি দামে বিক্রি করা যাবে না।

কমিশন ঘোষিত মূল্যহার বাস্তবায়নে স্থানীয় প্রশাসন যাতে ভূমিকা রাখতে পারে সে জন্য বাণিজ্যসচিব ও জ্বালানি সচিবকে চিঠি দেয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি।

বাংলাদেশের শীর্ষ ১০ ধনী ক্রিকেটার যারা

স্পোর্টস ডেস্ক
বর্তমানে সময়ে ২২ গজের যুদ্ধে ক্রিকেট উন্মাদনার চেয়ে অর্থই যেন বেশি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। টেস্ট, ওয়ানডে, টি-২০, আইপিএল, বিপিএল কিংবা বিগ ব্যাশ থেকে প্রচুর অর্থ আয় করছে বিশ্বের ক্রিকেটাররা। তবে ক্রিকেট থেকে আয়কৃত অর্থের পরিমাণ বিজ্ঞাপন থেকে আয়কৃত অর্থের তুলনায় কোনো অংশে কম নয়।

বর্তমানে বাংলাদেশের ক্রিকেটারদের বেতনভাতা, জীবনযাত্রার মান, কিংবা খেলার ধরনেও বেশ পরিবর্তন এসেছে। এছাড়া জাতীয় দলের খেলোয়াড়দের পারিশ্রমিক এবং ব্যাক্তিগত সম্পদের পরিমাণ ও বৃদ্ধি পেয়েছে। এমন ১০ শীর্ষ বাংলাদেশী ধনী খেলোয়াড়দের নিয়েই আজকের আলোচনা- সাকিব আল হাসান

২০২১ সালে বাংলাদেশের এক নম্বর ধনী ক্রিকেটার হলেন বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসান। তার মোট সম্পদের পরিমাণ আনুমানিক ৪০ মিলিয়ন ডলার। বাংলাদেশি টাকায় যার পরিমাণ দাঁড়ায় ৩৩৯ কোটি টাকা। ক্রিকেট ছাড়াও বিভিন্ন ব্র্যান্ড, ফ্যাঞ্জাইজি লীগ এবং ব্যক্তিগত ব্যবসা থেকে এই আয় করেন তিনি।

তামিম ইকবাল

তামিম ইকবাল এই তালিকায় রয়েছেন দুই নম্বরে। ২০২১ সালে পর্যন্ত তার মোট আয় আনুমানিক ৩০ মিলিয়ন ডলার (২৫৪ কোটি টাকা)। জাতীয় টিমের বাইরে বিভিন্ন লীগ এবং বিজ্ঞাপন থেকে আসে এই অর্থ।

মুশফিকুর রহীম

ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই বিভিন্ন প্রতিকূলতার সাথে লড়াই করে নিজেকে অন্য এক উচ্চতায় নিয়ে গেছেন তিনি। মুশফিকের আয় আনুমানিক ২৫ মিলিয়ন ডলার (২১২ কোটি টাকা)। তার মূল আয় মূলত জাতীয় দল থেকে। এছাড়া তার একটি দাতা সংস্থা রয়েছে।

মোস্তাফিজুর রহমান

২০১৫ সালে অভিষেক হওয়া মোস্তাফিজুর রহমান তার ভিন্নধর্মী বোলিং স্টাইলের জন্য বিশ্ব ক্রিকেটে খুব সুনাম অর্জন করেছেন। এই বোলারের আয় আনুমানিক ১৩ মিলিয়ন ডলার (১১০ কোটি টাকা)।

তাসকিন আহমেদ

তরুণ বয়সেই জনপ্রিয়তা পাওয়া তাসকিন আহমেদের আয় আনুমানিক ৫মিলিয়ন ডলার(৪২ কোটি টাকা)। জাতীয় দল, বিভিন্ন লীগ, বিজ্ঞাপন এবং ব্যক্তিগত ব্যবসা থেকে তার এই আয়।

মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ

মাহমুদুল্লার মোট আয় আনুমানিক ৩মিলিয়ন ডলার বা ২৫ কোটি টাকা। বিভিন্ন ম্যাচ ফি, বোনাস এবং বিজ্ঞাপন থেকে আসে এই অর্থ।

মাশরাফি বিন মর্তুজা

বাংলাদেশের অন্যতম সেরা অধিনায়ক মাশরাফি বিন মর্তুজা এই তালিকায় রয়েছেন ৭ নম্বরে। তার আয় আনুমানিক ১৩ কোটি টাকা। বিভিন্ন ব্রান্ডের এম্বাসাডর হিসেবে যুক্ত আছেন তিনি।

মোহাম্মদ আশরাফুল

আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে নিষিদ্ধ হওয়ার পর তিনি ঘরোয়া ক্রিকেটে অবদান রাখছেন। তার আনুমানিক আয় ১১ কোটি টাকা। বিভিন্ন লীগ, বিজ্ঞাপন এবং ব্যবসা তার আয়ের অন্যতম উৎস।

আব্দুর রাজ্জাক

সাবেক বাহাতি স্পিনার আব্দুর রাজ্জক বাংলাদেশের অন্যতম বোলার এবং প্রথম বাংলাদেশী হিসেবে আইপিএলে অংশগ্রহণ করেছিলেন। তার আয় আনুমানিক ৮৪ লাখ টাকা।

সৌম্য সরকার

২০১৪ সালে জাতীয় দলে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে ক্যারিয়ার শুরু করা সৌম্য সরকারের আয় প্রায় ৮৪ লাখ টাকা।

যদিও বাংলাদেশী ক্রিকেটারদের আয় বৃদ্ধি পেয়ছে তবে বৈশ্বিক খেলোয়াড়দের আয় হিসেবে এটা খুব নগণ্য।

ক্ষমতা হারাতে চলেছেন নেতানিয়াহু

সরকার গঠনে ইসরায়েলে ইয়েশ আতিদ দলের প্রধান ইয়ায়ির লাপিদের হাতে থাকা ২৮ দিন মেয়াদ শেষ হচ্ছে আগামী বুধবার।

রোববার (৩০ মে) ইসরায়েলের সংবাদমাধ্যমে প্রচার করেছে, সম্ভাব্য জোট সরকার গঠনের একদম কাছাকাছি চলে এসেছেন সাবেক এই ইসরায়েলি সাংবাদিক।এর মধ্য দিয়ে প্রধানমন্ত্রী ও লিকুদ দলের প্রেসিডেন্ট বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর ১২ বছরের শাসন শেষ হতে চলছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

ইসরায়েলি পার্লামেন্টে ছয় আসন পাওয়া রক্ষণশীল ইয়ামিনা পার্টির প্রধান নাফাতলি বেনেটের সঙ্গে লাপিদ জোট সরকার গঠনের জন্য আলোচনা করছিলেন। লাপিদের সঙ্গে জোট সরকার গঠনে সম্মতির বিষয়ে বেনেট রোববার অবস্থান জানিয়েছেন। তবে এর আগে বেনেটকে নিজ দলীয় নেসেট সদস্যদের লাপিদের সঙ্গে জোট গঠনের বিষয়ে সম্মত করাতে হবে।

জোট সরকার গঠনে বেনেট সম্মতি দিলেও নির্ধারিত সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করতে পারছেন না ইয়ায়ির লাপিদ। সরকার গঠনের জন্য নেসেটের আরব-ইসরায়েলি সদস্যদের সমর্থনের প্রয়োজন হচ্ছে তার। ইসরায়েলে চলমান রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতায় গত ২৩ মার্চ দুই বছরের মধ্যে চতুর্থ সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। কিন্তু এই নির্বাচনেও কোনো দল বা জোট নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনে ব্যর্থ হয়।

ইসরায়েলে সরকার গঠনের জন্য ১২০ আসনবিশিষ্ট আইন পরিষদ নেসেটের ৬১ সদস্যের সমর্থনের প্রয়োজন হয়। প্রথম দফা আলোচনার পর নেসেটের ৫২ সদস্য প্রধানমন্ত্রী পদে নেতানিয়াহুর সুপারিশ করায় এপ্রিলের শুরুতে তাকে সরকার গঠনের জন্য প্রথম মনোনয়ন দেন রিভলিন। সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জিত না হলেও ওই সময় এটিই ছিল সর্বোচ্চ মনোনয়ন।

কিন্তু সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনে নেতানিয়াহুকে সমর্থন করা জিউনিস্ট পার্টি কোনো আরব দলের সঙ্গে সরকার গঠনের অস্বীকৃতি জানানোয় তিনি সরকার গঠনে ব্যর্থ হন। নেতানিয়াহুর ব্যর্থতার পর ৫ মে নতুন করে নেসেট সদস্যদের সঙ্গে আলোচনা করেন প্রেসিডেন্ট রিভলিন। নতুন আলোচনায় রক্ষণশীল ইয়ামিনা পার্টির প্রধান নাফতালি বেনেটের সঙ্গে ক্ষমতা ভাগাভাগির এক প্রস্তাবনার পরিপ্রেক্ষিতে মোট ৫৬ সদস্যের সুপারিশ পান লাপিদ।

ক্ষমতা ভাগাভাগির এই প্রস্তাবনায় লাপিদ ও বেনেট পর্যায়ক্রমে প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করবেন। প্রস্তাবনা অনুসারে প্রথম দফায় লাপিদ প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করবেন।

২৮ দিনের মেয়াদে লাপিদ ও বেনেট নেতানিয়াহুর বিরোধী ‘পরিবর্তনের সরকার’ গঠনে আলোচনা করছেন। সরকার গঠনে লাপিদের হাতে থাকা ২৮ দিনের মেয়াদ বুধবার শেষ হচ্ছে। এই মেয়াদের মধ্যে যদি লাপিদ সরকার গঠনে ব্যর্থ হন, তবে দুই বছরের মধ্যে ইসরাইলে পঞ্চম দফায় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

বলিউডের সবচেয়ে দামি পরিচালকদের পারিশ্রমিক কত

একটি সিনেমার সাফল্যের পিছনে সবচেয়ে বেশি অবদান থাকে পরিচালকের। উপমহাদেশের শীর্ষ চলচ্চিত্র অঙ্গণ বলিউডের চিত্রপরিচালকদের পারিশ্রমিক কত তা জানলে রীতিমতো হতবাক হবেন অনেকেই।অভিনেতাদের কৌশল শেখানো থেকে সিনেমার বিভিন্ন দৃশ্যে আলো-শব্দসহ যাবতীয় প্রভাব কেমন হবে তা পরিচালকই ঠিক করে দেন। আর এর জন্য মোটা অঙ্কের টাকা পারিশ্রমিক নেন তারা। জেনে নিন বলিউডের সর্বোচ্চ পারিশ্রমিক পাওয়া ১০ পরিচালককে।

ফারহান আখতার
ফিল্ম ব্যাকগ্রাউন্ড থেকে উঠে আসা ফারহান একজন বলিষ্ঠ অভিনেতা এবং গায়কও। সহ-পরিচালক হিসেবে পরিচালনায় হাত পাকানো ফারহান একটি চলচ্চিত্র পরিচালনার জন্য ৮ কোটি রুপি নেন।

কবীর খান
চলচ্চিত্র পরিচালক হওয়ার আগে তিনি মূলত তথ্যচিত্র বানাতেন। ‘নিউ ইয়র্ক’ সিনেমাতেই তার বলিউড হাতেখড়ি। একটি চলচ্চিত্র পরিচালনা করতে পারিশ্রমিক নেন ৮ কোটি রুপি।

অনুরাগ কাশ্যপ
অনেকের মতে ভারতে বাণিজ্যিক সিনেমার ভোল বদলেছেন এই পরিচালক। যতটা সম্ভব কম বাজেটে সিনেমা বানানোর চেষ্টা করেন তিনি। একটি সিনেমার জন্য পারিশ্রমিক নেন ৮ কোটি রুপি।

মনি রত্নম
বলিউডের পাশাপাশি দক্ষিণী চলচ্চিত্রেও বিপুল জনপ্রিয় তিনি। তার পরিচালনায় নির্ভুল চলচ্চিত্র বেরিয়ে আসে এমনটা মনে করেন অনেকেই। ২০০২ সালে তিনি পদ্মশ্রী সম্মানে ভূষিত হয়েছিলেন। একটি সিনেমার জন্য এই পরিচালকের পারিশ্রমিক ৯ কোটি রুপি।

করণ জোহর
রোম্যান্টিক সিনেমার রাজা বলা হয় করণকে। প্রেম এবং তাকে ঘিরে সামাজিক জটিলতাই মূলত ফুটিয়ে তোলেন নিজের সিনেমাতে। তিনি পরিচালকের পাশাপাশি জনপ্রিয় সঞ্চালকও। তার শো ‘কফি উইথ করণ’ অত্যন্ত জনপ্রিয়। তার পারিশ্রমিক ১০ কোটি রুপি।

রাজকুমার হিরানি
ইন্ডাস্ট্রিতে তিনি রাজু নামেই বেশি পরিচিত। শাহরুখ খান তাকে ‘বলিউডের নিখাদ ব্যক্তি’ বলে সম্মোধন করেছিলেন। তার চলচ্চিত্র মানেই ব্লকবাস্টার। নিজের চলচ্চিত্র নিয়ে এ রকমই আত্মবিশ্বাসী রাজকুমার। একটি সিনেমার জন্য পারিশ্রমিক নেন ১০ কোটি রুপি।

এআর মুরুগাডস
অনুরাগ কাশ্যপের ভালো বন্ধু। তার ছবি ‘আকিরা’-তে অনুরাগ ভিলেন হতেও রাজি হয়ে যান। তার এক কথাতেই ‘গজনি’-তে অভিনয় করতে রাজি হয়েছিলেন আমির খান। একটি ছবি বানাতে ইনি কত পারিশ্রমিক নেন জানেন? তার পারিশ্রমিক ১২ কোটি রুপি।

এস শঙ্কর
১৯৯৩ সালের ‘জেন্টলম্যান’ সিনেমাতে হাতেখড়ি তার। বড় বাজেট ছাড়া তিনি চলচ্চিত্র পরিচালনাতে হাত দেন না। হিন্দি সিনেমা খুব কমই তার ঝুলিতে রয়েছে। মূলত দক্ষিণী সিনেমার এই পরিচালকের পারিশ্রমিক ১৫ কোটি রুপি।

রোহিত শেঠি
বলিউডের অ্যাকশন পরিচালক। তিনিই ‘গোলমাল’ সিরিজ উপহার দিয়েছেন। পরিচালক রোহিত শেঠি একটি সিনেমা পরিচালনার জন্য ২৫ কোটি রুপি পারিশ্রমিক নেন।

এস এস রাজামৌলি
ভারতীয় সিনেমার মাইলস্টোন চলচ্চিত্র ‘বাহুবলী’। এই সিনেমার জন্য খুব বেশি পারিশ্রমিক নেননি পরিচালক রাজামৌলি। কিন্তু শোনা যায়, এ সিনেমার অতুলনীয় সাফল্যের পর পরিচালক ‘বাহুবলী ২’ তৈরির জন্য তিনি ১০০ কোটি রুপি পারিশ্রমিক নেন।

চাঁপাইনবাবগঞ্জে আবারো ৭ দিনের লকডাউন ঘোষণা

সম্প্রতি চাঁপাইনবাবগঞ্জে করোনা পরিস্থিতি বেশ উদ্বেগজনক হওয়ায় আবারো ১লা জুন থেকে ৭জুন পর্যন্ত এক সপ্তাহের জন্য পুরো জেলায় লকডাউন ঘোষণা করেছে জেলা প্রশাসন। সোমবার দুপুর সাড়ে ১২টায় জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে এক সংবাদ সম্মেলনে জেলা প্রশাসক মোঃ মঞ্জুরুল হাফিজ এই লকডাউন ঘোষণা করেন।

এসময় পুলিশ সুপার এ এইচ এম আব্দুর রকিব, সিভিল সার্জন ডাক্তার জাহিদ নজরুল চৌধুরী, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) জাকিউল ইসলাম, সদর হাসপাতালের আর.এম.ও ডাক্তার জাহাঙ্গীর কবিরসহ স্থানীয় সাংবাদিকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। লকডাউন চলাকালে সকল প্রকার যানবাহন বন্ধ থাকবে তবে রোগী পরিবহনে অ্যাম্বুলেন্স, জরুরি পণ্যবাহী ট্রাক ও জরুরি সেবা দানের ক্ষেত্রে এ আদেশ প্রযোজ্য হবে না ।

লকডাউন চলাকালীন কোন প্রকার যানবাহন রাজশাহী -নওগাঁ থেকে চাঁপাইনবাবগঞ্জের প্রবেশ করতে পারবে না এবং চাঁপাইনবাবগঞ্জ থেকেও কোনো যানবাহন জেলার বাইরে যাবে না। সকল ধরনের দোকানপাট ও সাপ্তাহিক হাট বন্ধ থাকবে। কাঁচাবাজার ও নিত্যপ্রয়োজনীয় মুদি দোকান ও ফার্মেসি খোলা থাকবে। তবে প্রয়োজন ছাড়া কেউ এসব স্থানে যেতে পারবে না । আমের আ‍ড়ৎ /বাজার পৃথক পৃথক জায়গায় ছড়িয়ে আড়ৎদারের মাধ্যমে বিক্রয় করা যাবে । এছাড়াও বাগান থেকে আম ট্রাকে করে প্রেরণ করা যাবে। এছাড়া কুরিয়ার সার্ভিসের মাধ্যমে আম পরিবহন চালু থাকবে। উপজেলা প্রশাসন এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণ করবেন।

জরুরী প্রয়োজনে চলাচলকারী সকলকে মাস্ক পরিধান করতে হবে। শিল্প-কারখানায় স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ করে নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় চালু থাকবে। তবে শ্রমিকদের নিজ নিজ প্রতিষ্ঠান কর্তৃক নিজস্ব পরিবহনে আনা নেয়া ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতে হবে। আইনশৃঙ্খলা ও জরুরী পরিষেবা যেমন কৃষি উপকরণ সার বীজ কীটনাশক কৃষি যন্ত্রপাতি ইত্যাদি খাদ্যশস্য ও খাদ্য দ্রব্য পরিবহন, ত্রাণ বিতরণ, স্বাস্থ্যসেবা প্রদান বিদ্যুৎ, পানি ,ফায়ার সার্ভিস, স্থলবন্দরের কার্যক্রম টেলিফোন, ইন্টারনেট, সরকারি-বেসরকারি গণমাধ্যমকর্মীদের সরকারি নিরাপত্তা ব্যবস্থা ডাকসেবা সহ অন্যান্য অত্যাবশ্যকীয় পণ্য ও সেবার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অফিস সমূহ তাদের কর্মচারী ও যানবাহন এ নিষেধাজ্ঞা আওতা বহির্ভূত থাকবে।

অতি জরুরী প্রয়োজন ব্যতীত ওষুধও নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্য বিক্রয় চিকিৎসাসেবার মৃতদেহ /সৎকার ইত্যাদি কোনভাবেই বাড়ির বাইরে বের হওয়া যাবেনা। তবে টিকা কার্ড প্রদান সাপেক্ষে টিকা গ্রহণের জন্য যাতায়াত করা যাবে। খাবারের দোকান ও হোটেল-রেস্তোরাঁয় কেবল খাদ্য বিক্রয় সরবরাহ করা যাবে। স্বাস্থ্য বিধি অনুসরণ করে জুম্মার নামাজ সহ প্রতি ওয়াক্তে নামাজ এর সর্বোচ্চ ২০জন মুসল্লি অংশ গ্রহন করতে পারবে। অন্যান্য ধর্মীয় উপাসনালয়ে সমসংখ্যক ব্যক্তি উপাসনা করতে পারবে ।

ঐ সাত ব্যক্তির বাড়িতে উড়ানো হল ডাবল লাল পতাকা

চাঁপাই নবাবগঞ্জ ঃ

চাঁপাইনবাবগঞ্জে ভারতীয় ধরন সনাক্ত হওয়া ঐ ৭ ব্যক্তি দ্বিতীয়বার করোনা পরীক্ষার মাধ্যমে নেগেটিভ সনদ নিয়ে ছাড়পত্রের মাধ্যমে নিজ বাড়িতে অবস্থান করছেন। তারা স্বাভাবিক জীবন যাপনও করছেন। কিন্তু বর্তমানে তাদের দেহে সনাক্ত হওয়া ভারতীয় ধরন নিয়ে আতঙ্কে জেলা বাসী। আবার এ ৭ জন ভারত ভ্রমণ সম্প্রতি না করলেও তারা আক্রান্ত হওয়ায় স্বাস্থ্য বিভাগের ধারনা কমিউনিটি ট্রান্সমিশনের মাধ্যমে এরা আক্রান্ত হয়েছেন। অার এ কারনেই ঐ 7 জনের বাড়িতে রবিবার টাঙ্গানো হলো ডবল লাল পতাকা।
রবিবার বিকেলে শহরের একটি বাড়িতে উড়তে দেখা গেছে 2 টি পতাকা।পড়ে খোঁজ নিয়ে জানা যায় প্রতিটি ভারতীয় ধরন সনাক্ত হওয়া বাড়িগুলোতে এ পতাকা টাঙ্গানো হয়েছে।
এই ব্যাপারে শিবগঞ্জ উপজেলা নির্বাহি অফিসার সাকিব আল রাব্বি সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান যেহেতু করোনা ভাইরাস এর এই ধরনটি অতি সংক্রামক তাই এ বিষয়টি বিবেচনা করে আপাতত তাদের বাড়িতে টাঙিয়ে দেওয়া হচ্ছে লাল পতাকা মূলত সচেতনতা সৃষ্টির জন্যই এ কাজটি করা হচ্ছে।

এ ব্যাপারে চাঁপাইনবাবগঞ্জ সিভিল সার্জন ডা: জাহিদ নজরুল চৌধুরি জানান, গত ১৯ মে চাঁপাইনবাবগঞ্জ ও রাজশাহী তে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাদের নমুনা সংগ্রহ করে পাঠানোর পর ২৯ মে প্রাপ্ত ফলাফলে ভারতীয় করোনার ধরনটি সনাক্ত হয়েছে।কিন্তু তারা চিকিৎসা নেয়ার পর সুস্থ্য হয়ে যাওয়ায় আবারো তাদের নমুনা নেয়া হয়।২য় দফায় তাদের সবার নমুনার ফলাফল নেগেটিভ আসায় তাদের ছাড়পত্র দেয়া হয়।তবে যেহেতু তাদের দেহে করোনার ভারতীয় ধরন পাওয়া গেছে সেহেতু তাদের আবারো নমুনা সংগ্রহ করে ঢাকায় আইইডি সি আর এ পাঠানো হয়েছে এবং তাদের বাড়িতেই থাকতে অনুরোধ করা হয়েছে।

১ বছরের মাথায় ভেঙ্গে পড়েছে রহনপুর পৌরসভার সীমানা প্রাচীর

ঃ নির্মাণের ১ বছরের মাথায় ভেঙ্গে
পড়েছে চাঁপাইনবাবগঞ্জের রহনপুর পৌরসভার সীমানা প্রাচীর। শুধু তাই নয় মূল
ভবনের বেশ কিছু জায়গায় ফাটল দেখা দিয়েছে। এ নিয়ে রহনপুর পৌরসভার
কর্মকর্তা-কর্মচারী বেশ শঙ্কায় রয়েছে।
রোববার দুপুরে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, রহনপুর পৌরসভার নবনির্মিত ভবনের
উপর হেলে পড়েছে সীমানা প্রাচীর।
রহনপুর পৌরসভা সূত্রে জানা যায়, ২০১৮ সালে নভেম্বর মাসে ৩ কোটি ৩৬ লক্ষ
৫৩ হাজার ৫ শত ৪৬ টাকা ব্যয়ে নতুন এ ভবনটির কার্যাদেশ পাই বরিশালের
মেসার্স আমীর ইঞ্জিনিয়ারিং করপোরেশন। কিন্তু ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান কাজ না
করলেও সাব ঠিকাদার হিসেবে কাজ সর্ম্পন্ন করে করে মেসার্স আনসারী
কনষ্ট্রাকশন। গত বছর মে মাসে ভবনটির কাজ শেষ হয়। কিন্তু ১ বছর পার হতে না
হতেই ভবনটির সীমানা প্রাচীরসহ বিভিন্ন ওয়ালে দেখা দিয়েছে ফাটল।
এ বিষয়ে সাব ঠিকাদার মেসার্স আনসারী কনষ্ট্রাকশন পরিচালক শরিফ আনসারী
বলেন, গত কয়েকদিন অতিবৃষ্টি হবার কারনে এই সীমানা প্রাচীর ভেঙ্গে
পড়েছে।
এ বিষয়ে রহনপুর পৌরসভার সহকারী প্রকৌশলী সাগর মন্ডল জানান, যেহেতু
অতিবৃষ্টি হয়েছে সে কারনে প্রাচীরগুলো পড়ে থাকতে পারে। তবে কি কারনে
প্রাচীরগুলো পড়েছে তা অনুসন্ধান করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।
ভেঙ্গেপড়া প্রাচীর ও ভবনের বিভিন্ন অংশে ফাটলের বিষয়ে রহনপুর পৌর মেয়র
মতিউর রহমান খাঁন জানান, নিন্মমানের নির্মানসামগ্রী ব্যবহারের কারনে এ
অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। তবে বিষয়গুলো স্থানীয় সরকার বিভাগকে জানানো হয়েছে।
উল্লেখ্য, রহনপুর পৌরসভার নবনির্মিত এ ভবনটির কাজ শেষ হবার আগেই ভবনটি
নির্মাণে নিন্মমানের নির্মাণ সামগ্রী ব্যবহারের চিত্র বিভিন্ন সংবাদ
মাধ্যমে ওঠে আসলেও ব্যবস্থা নেয়া হয়নি।