সর্বশেষ সংবাদ স্থগিত হওয়া আইপিএলেও ফিক্সিংয়ের অভিযোগ! বাংলাদেশসহ ৪ দেশের নাগরিকদের মালয়েশিয়ায় প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা নেদারল্যান্ডসের প্রেমিকাকে বিয়ে করলেন দিতির ছেলে খালেদা জিয়ার করোনা নেগেটিভ: খোকন Bangladesh sees fresh 1,822 Covid cases, 41 more deaths ‘ঈদে ছোটাছুটি নয়, বেঁচে থাকলে তো স্বজনদের সঙ্গে দেখা’ জনসংখ্যা বাড়লেও খাদ্য নিরাপত্তায় চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করা সম্ভব হচ্ছে- কৃষিমন্ত্রী ড. মোঃ আব্দুর রাজ্জাক চাঁপাইনবাবগঞ্জে ট্রাকের ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহী নিহত অমুক্তিযোদ্ধাকে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফনের অভিযোগ  স্থানীয় বীর মুক্তিযোদ্ধাদের তরমুজের পর এবার চাঁপাইনবাবগঞ্জে ১২০ টাকা কেজি দরে বিকাচ্ছে আনারস

Fakhrul says Nipun’s audio record ‘fabricated’

BNP secretary general Mirza Fakhrul Islam Alamgir has said the audio conversation of its central executive committee member Nipun Roy Chowdhury’s order to set fire on cars is fabricated.

He made the claim at a virtual press conference on Friday at 4.00 pm.

On March 29, a Dhaka court placed Nipun Roy on three-day remand for plotting subversion activities including torching passenger buses. Rapid Action Battalion (RAB) members arrested Nipun on March 28 from her Rayer Bazar home.

Mirza Fakhrul said, “BNP leader Nipun Roy Chowdhury was arrested on March 28, on the day of the strike called by Hefazat-e-Islam. On that day, a private TV channel broadcast a fabricated audio of her conversation with one Arman, which was made entirely through technology and fabricated and baseless one.”

“Nipun Roy Chowdhury is a lawyer, active human rights activist. The question of his involvement in terrorist activities cannot be raised,” he added.

Fakhrul said, “From March 26 to April 2, several thousand people were accused in six cases in Dhaka, while no case was filed in Chittagong (Hathazari). But about 50 people were injured in the police attack on the peaceful protest rallies and processions of the BNP and the convener of the Chittagong city unit BNP Dr Shahadat Hossain and 23 others were arrested.”

He further said, “Since Awami League came to power in 2008, they repealed the provision of caretaker government by changing the constitution in a very well-planned manner. But this was their demand.”

 

Bangladesh women cricket team get Test status

 

The ICC Cricket Committee has granted Test and ODI status to all Full Member women’s teams in their recent meeting, which means Bangladesh women’s team have attained the Test status.

The ICC Cricket Committee, led by former Indian captain Anil Kumble, considered various current issues in the international game, and presented its recommendations which were approved, confirmed a media release from ICC.

The media release stated as, “It was decided that Test and ODI status shall be permanently awarded to all Full Member women’s teams. Additionally, it was agreed that all matches at the Birmingham 2022 Commonwealth Games be classified as women’s T20 Internationals.”

Meanwhile the Women’s U-19 World Cup 2021, which was due to be held in Bangladesh, has been postponed due to the outbreak of the novel coronavirus across the world.

“The Board agreed to postpone the inaugural Women’s U-19 World Cup which was due to be held in Bangladesh at the end of the year. Covid-19 has had a significant impact on the establishment and subsequent development of the U-19 programs in many countries and teams would not be able prepare appropriately for a global event later this year. As such, the inaugural event will now take place in January, 2023,” said the press release.

Ten women’s teams have played Test cricket so far – Australia, England, New Zealand, South Africa, India, West Indies, Sri Lanka, Pakistan, Ireland and Netherlands.

Ireland and Netherlands are the only Associate teams to play Test cricket.

Along with Bangladesh, Afghanistan and Zimbabwe have also been granted Test status.
Pakistan have played three Tests while Sri Lanka have taken part in only one Test. Netherlands and Ireland are the only associate nations to play Test cricket. Ireland played in 2000 against Pakistan and won by an innings in Dublin.

The Netherlands played hosts to South Africa seven years later. Back in 2017, Afghanistan and Ireland were inducted into the ICC’s full-member club.

পাহাড়ে নতুন প্রজাতির কলা

কলার নাম সূর্যমুখী। মোচা সূর্যের মতো ফুটে। লাল হয় বলে এর নাম সূর্যমুখী কলা। দেখতে যেমন সুন্দর, খেতেও তেমন সুস্বাদু। দেশে বিভিন্ন জাতের কলা চাষ হয়। এরমধ্যে রয়েছে চম্পা, সাগর, অমৃত সাগর, দুধসর, দুধসাগর, শবরি, চন্দন কবরী, জব কাঠালী, আইটা, সবজি কাঁচকলা, বাংলা কলা ইত্যাদি।
চট্টগ্রাম বিভাগের চট্টগ্রাম জেলা ও পার্বত্য রাঙ্গামাটি এবং পার্বত্য বান্দরবান জেলায় বেশীর ভাগ ক্ষেত্রে চম্পা, বাংলা, জবকাঁঠালী, আইটা ও সবজি কাঁচকলা উৎপাদন হয়। বছরে বিক্রি হয় কোটি কোটি টাকার কলা। নাটোর, নওগাঁ, রাজশাহী, নরসিংদী, ঠাকুরগাঁও, পঞ্চগড় জেলায় অন্যান্য জাতের কলার চাষ হয়।
সূর্যমুখী একটি নতুন জাতের কলা। এই কলা দুই পার্বত্য জেলা বান্দরবান ও রাঙ্গামাটির কিছু কিছু জায়গায় সাম্প্রতিক সময়ে স্বল্প সংখ্যক চাষ হচ্ছে। সূর্যমুখী কলা চারা রোপণের ৬ মাসের মধ্যে গাছ বড় হয় এবং মোচা আসে। প্রতিটি গাছ প্রায় ৮ ফুট লম্বা হয়।

মোচা আসার ৯০ দিনের মধ্যে কলা বড় হয়ে পাক ধরে। পাকলে লাল রঙের মধ্যে কিছুটা হলদে দেখায়। পাকা কলা অন্য জাতের কলার চেয়ে বেশী মিষ্টি এবং সুস্বাদু। একটি ছড়িতে প্রায় ৪০ থেকে ৫০টি কলা থাকে। এই কলার গাছ পাহাড় টিলাভ‚মিতে রোপন করলে বেশী ফলন পাওয়া যায়।
এর বাইরেও বাড়ির আঙ্গিনাতেও এই কলার গাছ রোপন করে সুষ্ঠু পরিচর্যার মাধ্যমে ভাল ফল পাওয়া যায়। চট্টগ্রামের পটিয়া উপজেলার খরনা গ্রামের পূর্ব পাশ্বে টিলাভ‚মিতে আবদুল কাদের নামের একজন চাষি পরীক্ষামূলকভাবে সূর্যমুখী কলার চাষ করেছেন। পটিয়া পৌরসভার ৪ নম্বর ওয়ার্ড তুলাতলা এলাকায় প্রবাসী শফিউল আলম সূর্যমুখী কলার চাষ করে সাফল্য পেয়েছেন।

শফিউলের স্ত্রী কোহিনুর আকতার জানান, পটিয়া উপজেলার পূর্বদিকে পাহাড়ি এলাকা হাইদগাঁও গ্রাম থেকে তার বোন সূর্যমূখী কলার চারা সংগ্রহ করে দেন। চারা বাড়ির পাশে খালী জায়গায় রোপন করা হয়। কোহিনুর জানান, ৬ মাসের মধ্যে গাছে মোচা আসে এবং মোচা আসার তিন মাসের মধ্যে কলা পাকে।
খরনা গ্রামের চাষি আবদুল কাদের জানান, তিনি টিলাভ‚মিতে বাণিজ্যিকভাবে উৎপাদনের জন্য ২০০ সূর্যমুখী কলার চারা রোপন করেছেন। চলতি মাসের শেষ দিকে কলার ফলন আসবে। তিনি আরও জানান, পটিয়া উপজেলার পূর্বাঞ্চলের পাহাড় ও টিলা ভ‚মি কলা চাষের জন্য খুবই উপযোগী। বাণিজ্যিকভাবে চাষ করা হলে লাখ লাখ টাকা আয় করা সম্ভব হবে।

পটিয়া উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা কল্পনা রহমান জানান, পটিয়ার পূর্বাঞ্চলের পাহাড় টিলা, সমতলভ‚মি খুবই উর্বর। সূর্যমুখী কলার চাষ বাণিজ্যিকভাবে করা হলে চাষিরা যে লাভবান হবেন তা নিশ্চিত করে বলা যায়।

রমজানে বাংলাদেশকে ৪০ টন খেজুর উপহার

আসন্ন রমজানে দেশের প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর মাঝে ইফতার সামগ্রীর অংশ হিসেবে দুই হাজার কার্টুন খেজুর দিয়েছে সৌদি সরকার । এর পরিমাণ প্রায় ৪০ মেট্রিক টন ।

 

আজ বৃহস্পতিবার ( ১ এপ্রিল) সচিবালয়ে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে মন্ত্রণালয়ের সচিব মোঃ মোহসীনের কাছে বাংলাদেশস্থ সৌদিআরবের রাষ্ট্রদূতের পক্ষে ইসলামিক এফেয়ার্সের দায়িত্বশীল প্রধান আহমেদ বিন হাসান হামাদি এই খেজুর হস্তান্তর করেন‌ । এসময় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের অন্যান্য কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।

হস্তান্তর অনুষ্ঠানে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব মোঃ মোহসীন বলেন, ‘আসন্ন রমজানে দেশের প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর মাঝে ইফতার সামগ্রীর অংশ হিসেবে বিতরণের জন্য সৌদি সরকার বন্ধুত্বের নিদর্শন হিসেবে বাংলাদেশকে দুই হাজার কার্টুন খেজুর প্রদান করেছে। সৌদিআরব আমাদের অত্যন্ত ভ্রাতৃপ্রতিম একটি দেশ । এছাড়া মুসলমান হিসেবে তাদের সাথে আমাদের সম্পর্কটা ভিন্ন। সেদেশে আমাদের বিপুল সংখ্যক লোক হজ্জ ও ওমরা করতে যায়।’

সচিব আরো বলেন, ‘আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি এই ৪০ মেট্রিকটন খেজুর, যারা ইফতারের সময় খেজুর কিনতে পারে না এ ধরনের জনগণের কাছে পৌঁছানোর জন্য আমরা জেলা প্রশাসনের কাছে পাঠাবো। আমরা চাচ্ছি যাতে রোজার প্রথম দিন থেকেই এই খেজুর দিয়ে দেশের প্রান্তিক জনগোষ্ঠী ইফতার করতে পারেন। আমরা দৃঢ়ভাবে জেলা প্রশাসকদের বলবো যারা খেজুর কিনতে অসমর্থ তাদের মাঝে যেন এই খেজুর বিতরণ করা হয়। এই খেজুরের কোন অংশ মন্ত্রণালয় বা অধিদপ্তরের না। এই ৪০ টন খেজুর দেশের প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর মাঝে বিতরণ করা হবে। এজন্য আমি বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে সৌদি সরকারকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি’ ।

হামাদি বলেন, ‘সৌদি আরবের সাথে বাংলাদেশের সম্পর্ক অত্যন্ত ভ্রাতৃত্বপূর্ণ। এই সম্পর্ককে সামনে এগিয়ে নেয়ার জন্য সৌদি সরকার আন্তরিক। তার নিদর্শন স্বরূপ সামান্য কিছু খেজুর আজকে আমরা রাষ্ট্রদূতের পক্ষ থেকে আমি আহমেদ বিন হাসান হামাদি ইসলামিক এফেয়ার্সের দায়িত্বশীল প্রধান হিসেবে অফিসিয়ালি এই খেজুর হস্তান্তর করলাম। এখানে উপস্থিত হতে পেরে আমি আনন্দিত ও নিজেকে ধন্য মনে করছি।’

যুক্তরাজ্য বাদে ইউরোপসহ আরও ১২ দেশের যাত্রীদের প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা

করোনাভাইরাসের বিস্তার নতুন করে আশঙ্কাজনক পর্যায়ে পৌঁছে যাওয়ায় যুক্তরাজ্য বাদে পুরো ইউরোপ এবং আরও ১২টি দেশ থেকে যাত্রীদের বাংলাদেশে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (বেবিচক) বলেছে, আগামীকাল থেকে ১৮ এপ্রিল পর্যন্ত এই নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হবে।

ইউরোপের বাইরে নিষেধাজ্ঞার বাকি ১২টি দেশ হলো- আর্জেন্টিনা, বাইরাইন, ব্রাজিল, চিলি, জর্ডান, কুয়েত, লেবানন, পেরু, কাতার, দক্ষিণ আফ্রিকা, তুরস্ক ও উরুগুয়ে। গতকাল বেবিচকের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, যেসব এয়ারলাইনস এসব দেশ থেকে বাংলাদেশে নিয়মিত যাত্রীবাহী ফ্লাইট পরিচালনা করে, তারা নিষেধাজ্ঞার এই সময় কেবল ট্রানজিট প্যাসেঞ্জার আনতে পারবে। তবে সে ক্ষেত্রে ওই যাত্রীদের সেসব দেশে ট্রানজিটের সময় অবশ্যই বিমানবন্দরের টার্মিনাল ভবনের মধ্যে থাকতে হবে। যে কোনো দেশ থেকে বাংলাদেশে আসার সময় বিমানবন্দরে যাত্রীদের সঙ্গে অবশ্যই কভিডমুক্ত সনদ থাকতে হবে এবং বিমানবন্দরে তা দেখাতে হবে। টিকা দেওয়া থাক বা না থাক, এ নিয়ম সবার জন্য প্রযোজ্য হবে। বিমানে ওঠার ৭২ ঘণ্টা বা তার কম সময়ের মধ্যে নমুনা দিয়ে পিসিআর টেস্টের মাধ্যমে এই কভিডমুক্ত সনদ পেতে হবে।

বাংলাদেশে পৌঁছানোর পর বিমানবন্দরে যাত্রীদের মধ্যে করোনাভাইরাসের কোনো লক্ষণ-উপসর্গ না থাকলে তাদের বাধ্যতামূলকভাবে ১৪ দিন হোম কোয়ারেন্টাইনে থাকতে হবে। তবে বিমানবন্দরে কারও লক্ষণ-উপসর্গ দেখা গেলে তাকে বাধ্যতামূলকভাবে সরকার নির্ধারিত প্রতিষ্ঠানে বা হোটেলে নিজ খরচে ১৪ দিন আইসোলেশনে থাকতে হবে।

গোমস্তাপুরে পুকুরে ডুবে শিশুর মৃত্যু

গোমস্তাপুর (চাঁপাইনবাবগঞ্জ) প্রতিনিধি ঃ চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুরে নানার বাড়ি বেড়াতে এসে পুকুরে ডুবে আরাফাত আলী (৭) নামে এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। আরাফাত ভোলাহাট উপজেলার চকধরমপুর গ্রামের শফিকুল ইসলামের ছেলে। শুক্রবার দুপুরে গোমস্তাপুর উপজেলার পার্বতীপুর ইউনিয়নের দায়েমপুর গ্রামে পুকুরে গোসল করতে নেমে এ ঘটনা ঘটে।
পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার সকালে আরাফাত মায়ের সাথে নানার বাড়ী গোমস্তাপুর উপজেলার পাবর্তীপুর ইউনিয়নের দায়েমপুর গ্রামে বেড়াতে আসে। দুপুর প্রায় ২টার দিকে নানার বাড়ির সংলগ্ন পুকুরে গোসল করতে নেমে ডুবে যায়। অনেক খুঁজাখোজির পর ওই পুকুরে তার ভাসমান লাশ দেখতে পায়। পরে তার মরদেহ উদ্ধার করে তার পিতার বাড়ি ভোলাহাট উপজেলার চকধরমপুর গ্রামে দাফন করা হয়েছে বলে জানা গেছে।

রহনপুরে মাস্ক না পড়ায় জরিমানা

গোমস্তাপুর (চাঁপাইনবাবগঞ্জ) প্রতিনিধি ঃ চাঁপাইনবাবগঞ্জের রহনপুরে মাস্ক না পড়ার দায়ে একাধিক ব্যক্তিকে জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমান আদালত। শুক্রবার দুপুরে রহনপুর পৌর এলাকার খোয়াড়মোড়ে ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করে এ জরিমানা করা হয়।
আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) শাহরিয়ার নজির জানান, করনা ভাইরাসের সংক্রমণ প্রতিরোধে ও সচেতনতা বৃদ্ধির অংশ হিসেবে শুক্রবার দুপুরে রহনপুর পৌরসভার খোয়াড়মোড় এলাকায় মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হয়। এ সময় মাস্কবিহীন অবস্থায় সেবা প্রদান করায় ফার্মেসি, নার্সিং হোমসহ একাধিক ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা করা হয়। এছাড়া জনসাধারণের মাঝে মাস্ক বিতরণ করা হয়।

 

চাঁপাইনবাবগঞ্জের সাবেক ডিসি জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী মিশন নিউইয়র্কের ইকোনমিক মিনিষ্টার

 

ডেক্স : চাঁপাইনবাবগঞ্জের সাবেক জেলা প্রশাসক ডিসি মো. মাহমুদুল হাসান জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী মিশন নিউইয়র্কের ইকোনমিক মিনিষ্টার হিসেবে পদোন্নতি পেয়েছেন।

ন্যায়পরায়নতা, সততা, নম্রতা-ভদ্রতা সর্বোপরি মেধা ও মননের সম্মান পেলেন রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ এ ব্যক্তি। চাঁপাইনবাবগঞ্জের ডিসি থাকা কালীন সবার হৃদয়ে স্থান করে নিয়েছিলেন সাবেক ডিসি মাহমুদুল হাসান।

তিনি চাঁপাইনবাবগঞ্জ থাকাকালীন গণশুনানি, বৃক্ষ রোপন, গরীব অসহায় মানুষদের ঘরের ব্যবস্থা করা, খেলাধুলার উন্নয়নসহ নানা রকম উন্নয়ন মূলক কাজের সাক্ষী হয়ে থাকবেন মাহমুদুল হাসান।

আমের রাজধানী খ্যাত চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলাকে ব্র্যান্ড হিসেবে আমকে জেলার প্রধান লগো ও ফল হিসেবে বিশ্বের কাছে তুলে ধরতে তার অবদান অপরিসীম। জেলায় প্রথম বারঘরিয়া দৃষ্টি নন্দন পার্কে আম কেন্দ্রিক বড় অনুষ্ঠান এ ম্যাংগো ফেস্টের আয়োজন সাবেক ডিসি মাহমুদুল হাসানের উদ্যোগে আয়োজন করেছিলেন। তার পদন্নোতি হওয়ায় চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার মানুষ শুভেচ্ছা জানিয়েছেন মাহমুদুল হাসান কে।

চাঁপাই সংবাদের উপদেষ্টা ও জেলা যুবলীগের সভাপতি আলহাজ্ব সামিউল হক লিটন, বার্তা প্রধান শুভেচ্ছা অভিনন্দন জানিয়েছেন জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী মিশন নিউইয়র্কের ইকোনমিক মিনিষ্টার হিসেবে পদোন্নতি পাওয়া মাহমুদুল হাসানকে।

প্রকাশিত/কপোত নবী/০২/০৪/২০২১।

শিবগঞ্জে পানির তীব্র সংকট: একমাত্র ভরসা বৃষ্টি

নিজস্ব প্রতিবেদক

চৈত্র মাসের শুরুতেই পানির তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ পৌরসভায়। প্রায় ৩ সপ্তাহ থেকে এ সংকটের শুরু হয়েছে। ১৯৯২ সালে প্রতিষ্ঠিত পৌরসভাটিতে এবারই প্রথমবার সবচাইতে বেশি সংকট লক্ষ্য করা গেছে। সরকারী নলক’পগুলোও বেশিরভাগ অকেজো হয়ে গেছে। এতে বিপাকে পড়েছেন নিম্ন ও মধ্যবিত্তরা। খাবার পানি ও ব্যবহারের পানির জন্য তাদের ছুটতে হচ্ছে উৎপাদক নলকূপ স্থাপন করা উচ্চবিত্ত প্রতিবেশীদের বাড়িতে।নি¤œ ও মধ্যবৃত্তদের এখন একটায় ভরসা পর্যাপ্ত বৃষ্টির মাধ্যমে পানির স্থর বৃদ্ধি পাওয়া।

এদিকে পৌর এলাকায় পাইপলাইনে পানি সরবারাহের জন্য উদ্যোগ নেয়া হলেও পাইপলাইন স্থাপনে টেন্ডার বিজ্ঞপ্তি দিয়েও সাড়া না পাওয়ায় প্রকল্পটি নিয়ে সংশয় দেখা দিয়েছে। সেসাথে শহরের ৬টি পয়েন্টে ৬ টি পাম্প স্থাপন করা হলেও বৈদ্যুতিক সংযোগ এখনও দেয়া সম্ভব হয়নি। 
স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, শুস্ক মৌসুমে শিবগঞ্জ পৌরসভায় মানুষের পানির কষ্ট চলছে গত ৩ বছর থেকে। প্রতিবছরই কষ্ট বাড়ছে।তবে এবছর শুষ্ক মৌসুমের শুরুতেই পানি সংকট দেখা দেয়ায় গরীবদের এখন একটায় ভরসা বৃষ্টি।বৃষ্টি হলে পানির স্তর বাড়লে আবার নলক’পগুলো সচল হবে এ আশায় পৌরবাসী। বৈদ্যুতিক সংযোগ সমস্যা ও পাইপলাইন স্থাপনে কোন ঠিকাদার না পাওয়া যাওয়ায় পানি সমস্যা চলতি বছর সমাধান নিয়ে আশংকায় পৌরবাসী।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, বর্তমানে পৌরবাসী হস্তচালিত নলকূপের ওপর এবং অধিকাংশ পরিবারই নলকূপে মোটর সংযোজন করে উত্তোলিত পানির উপর নির্ভরশীল। কিন্তু গত বছর গ্রীষ্মের শুরু থেকেই মোটরে পানি ওঠা বন্ধ হয়ে পড়ে।তবে গত বছর গরমের শুরুতে পর্যাপ্ত বৃষ্টিপাতের কারনে সমস্যা না হলেও এবছর বিপাকে পড়েছে নি¤œ ও মধ্যবৃত্ত আয়ের মানুষ। তবে  উচ্চবিত্ত পরিবারগুলো বাড়িতে মিনি উৎপাদক নলকূপ (সাবমার্সিবল পাম্প) স্থাপন শুরু করায় যেসব নলক’পগুলোতে পানি পাওয়া যেত সেগুলোও অকেজো হয়ে পড়েছে।

শহরের দেওয়ানজাইগীর এলাকার বাসিন্দা দিলীপ কুমার দাশ জানান , নলকূপে আগের মতো পানি উঠছে না। রাতে অথবা ভোরে মোটর চালালে পানি কয়েকদিন ওঠার পর সেটাও অকেজো হয়ে গেলে তিনি কষ্টে সাবমার্সিবল পাম্প স্থাপনের পর পানি সমস্যা থেকে রেহায় পেয়েছেন।তবে প্রতিবেশিদের পানি সরবরাহ করতে গিয়ে তিনি হিমসিম খাচ্ছেন।
মাষ্টারপাড়ার মধ্যবৃত্ত সিহাব জানান, গত ৮ মার্চের পর থেকে মোটরে পানি উঠছে না। বাধ্য হয়ে অন্য এলাকা থেকে খাবার পানি আনার জন্য লোক রাখতে হয়েছে।
অন্যদিকে শিবগঞ্জ ¯œাতক মহাবিদ্যালয়ের প্রভাষক গোলাম মোস্তফা মামুন জানান,দীর্ঘদিন ধরেই শোনা যাচ্ছে পৌরবাসীর পানি সমস্যা সাধানে একটি প্রকল্প হাতে নেয়া হয়েছে,কিন্তু অধ্যবধি বাস্তবায়ন হয়নি।শুষ্ক মৌসুমে বিষয়টি নিয়ে তোড়জোড় হলেও বছরের অন্য সময় আবারো বিষয়টি ধামাচাপা পড়ে যায়। আর সেলিমাবাদ গ্রামের আলমগীর জয় জানান, গত ৩ বছর ধরে প্রকল্পটি বাস্তবায়নের কথা শুনলেও এখনও পাইপলাইন বসানোর কাজই শুরু করেনি কর্তৃপক্ষ।
কয়েকদিন ধরে বাজারপাড়া,কুমারপাড়া,চতুরপুর, বাবুপাড়া সহ বিভিন্ন এলাকায় খোঁজ নিয়ে একই ধরনের সমস্যার কথা জানা গেছে।
এদিকে সাবমার্সিবল পাম্প বিক্রিকারী একটি প্রতিষ্ঠানের স্বত্তাধিকারী রোজবুল হক জানান, এবছর পানির স্থর আগেভাগেই নেমে যাবার কারনে প্রতিদিনই একাধিক সাবমার্সিবল পাম্প বিক্রি হচ্ছে।কোম্পানিগুলো পাম্প সরবরাহে হিমসিম খাচ্ছে।
অন্যদিকে পাম্প স্থাপনকারী মিস্ত্রি নোমান জানান, তিনি গত ১ বছরে ১০ থেকে ১৫ টি সাবমার্সিবল পাম্প স্থাপন করলেও এবছর গত ২০ দিনেই তিনি ২৫ টি পাম্প স্থাপন করেছেন।
এ ব্যাপারে শিবগঞ্জ পৌরসভার নবনির্বাচিত মেয়র সৈয়দ মনিরুল ইসলাম পানি সংকটের কারনে পৌরবাসীর কাছে দু:খ প্রকাশ করে বলেন , গরমের শুরুতে ভূগর্ভস্থ পানির স্তর নিচে নেমে যাওয়ায় অনেক এলাকার নলকূপে পানি পাওয়া যাচ্ছে না। সাবমার্সিবল পাম্প স্থাপনের কারনে এ সংকট আরো প্রকট হয়েছে।
তবে পানি সরবরাহ প্রকল্পটি আরো আগে বাস্তবায়নের উদ্যোগ না নেওয়া হওয়ায় পৌরবাসীকে আরও একটু ধৈয্য ধরতে হবে। প্রকল্পের ৮০ ভাগ কাজ সম্পন্ন হয়েছে।
বৈদ্যুতিক সংযোগ সমস্যার ব্যাপারে তিনি বলেন,দায়িত্ব নেয়ার পর জলাবদ্ধতা নিরসনে ড্রেনেজ প্রকল্পের কাজ ও গভীর নলকুপের কাজ অগ্রাধিকার ভিত্তিতে মনিটরিং করা হচ্ছে। আগামী ২০ দিনের মধ্যে পাম্পগুলোতে সংযোগ স্থাপনের জোড় তৎপরতা চালানো হচ্ছে।আর পাইপলাইন স্থাপনের জন্য যে টেন্ডার হয়েছিল সেখানে একটি মাত্র প্রতিষ্ঠান অংশ নেয়ায় স্বচ্ছতা আনতে আবারো টেন্ডার দ্রুত সম্পন্ন করার জন্য সংশ্লিষ্ট বিভাগে তদবীর করা হচ্ছে।
পানি সমস্যা সমাধানে প্রকল্পটি দ্রুত আলোর মুখ দেখুক এমনটি প্রত্যাশা সদ্য নির্বাচিত মেয়রের কাছে পৌরবাসীর।

সাংবাদিককে বালু ব্যবসায়ীর হুমকি

সংবাদ প্রকাশের জেরে সাংবাদিককে মারার হুমকি দিয়েছে এক বালু ব্যবসায়ী। বৃহস্পতিবার রাতে মোবাইলে দৈনিক চাঁপাই দর্পণ এর স্টাফ রিপোর্টার সাংবাদিক টুটুল রবিউলকে যেখানে পাবে সেখানেই মারার হুমকি দেয় বালু ব্যবসায়ী ও ট্রাক্টর মালিক বাবর। বাবর-চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌরসভার ৬ নং ওয়ার্ডের জোড়গাছী এলাকার বাসিন্দা।
‘মদ্যপ চালকের কারণে দূর্ঘটনা-আহত ১’ সংবাদটি অনলাইন পোর্টাল চাঁপাই শিক্ষা বার্তা, বাংলা জেনিউজসহ বিভিন্ন অনলাইন পোর্টালে প্রকাশিত হয় ২৭ মার্চ। নেশাগ্রস্থ ট্রাক্টর চালক আব্দুল হাই ২৭ মার্চ হরিপুর ভাঙ্গা ব্রিজ এলাকায় এক অটো রিক্সাকে চাপা দেয়। তাতে অটোর বডি ক্ষতিগ্রস্থ হয় এবং অটোচালক আহত হয়।
সেই মর্মে স্থানীয় ব্যক্তি, অটো চালক, ট্রাক্টর মালিক বাবর, সদর মডেল থানার ওসি মোঃ মোজাফফর হোসেনের বক্তব্য নিয়ে সংবাদটি প্রকাশ করা হয়। সংবাদে দূর্ঘটনা কবলিত ট্রাক্টরটির ছবি ব্যবহার করা হয়।
সেই সংবাদ প্রকাশের জেরে ১ এপ্রিল সন্ধ্যার পর ট্রাক্টর মালিক ও বালু ব্যবসায়ী বাবর সাংবাদিক টুটুল রবিউলকে মোবাইলে (০১৭৭২-৯৭৩৫১০ এই নম্বর হতে) মারার হুমকি দেয়। বাবর জেলা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব রুহুল আমিনের নাতি এবং পৌর আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি ও গ্রামীণ ট্রাভেলস এর চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মোখলেসুর রহমানের ছোট ভাই দাবি করে বলেন, আমি কি জিনিস তোকে দেখিয়ে দিব, তোর বাড়ি কোথায়, বল? তোকে দেখে নেব। ২ হাজার চেয়েছিল তা দিয়নি বলে তুই আমার ছবিসহ সংবাদ প্রকাশ করলি। আমার জামাই আর অনেক বন্ধু সাংবাদিক আছে। তুই কত বড় সাংবাদিক? তুই ভুয়া সাংবাদিক? তোকে যেখানে পাবো, সেখানেই মারবো।
এমর্মে সাংবাদিক টুটুল রবিউল বলেন, সংবাদটি প্রকাশের আগে সব পক্ষের বক্তব্য নেয়া হয়েছে। ট্রাক্টর মালিক বাবরের বক্তব্য নেয়ার পর সে আবার মোবাইল করে আমার সাথে দেখা করতে চায়। সে বিশ্বরোডে আমার সাথে দেখা করে এবং নিউজ না করার জন্য অনুরোধ জানায় এবং টাকা দিতে চায়। আমি টাকা নিবোনা বলে সাফ জানিয়ে দিই। তারপর সংবাদটি প্রকাশ করি। বাবরের সাথে মোবাইলে সব কথোপকথনের রেকর্ড আছে। এমনকি সে মোবাইলে হুমকি দিয়েছে তারও রেকর্ড রয়েছে। হুমকির বিষয়ে থানায় জিডি করবেন বলে জানান সাংবাদিক টুটুল রবিউল।