সর্বশেষ সংবাদ চাঁপাইনবাবগঞ্জে ‘মাদল’এর মোড়ক উন্মোচন চাঁপাইনবাবগঞ্জে আন্তর্জাতিক আদিবাসী দিবস উদযাপন প্রেমের গান গায়লেন পুলিশ সার্জেন্ট  পশ্চিমতীরে ইসরায়েলি হামলায় ৪২ ফিলিস্তিনি হতাহত ট্রেনের ভাড়া বাড়ানোর সিদ্ধান্ত হয়নি: রেলমন্ত্রী চাঁপাইনবাবগঞ্জে পুলিশের উপর  হামলা ও ভাঙচুরের অভিযোগে আরো ১৭ বিএনপি নেতাকর্মী  গ্রেফতার চাঁপাইনবাবগঞ্জে বিদেশি মদ ও গাঁজা সহ গ্রেফতার একঃ মাইক্রোসহ উদ্ধার বঙ্গবন্ধু ও বঙ্গমাতা গোল্ডকাপ প্রাথমিক বিদ্যালয় ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত চাঁপাইনবাবগঞ্জে কৃষকদল-পুলিশ সংঘর্ষ ঘটনায় শতাধিক ব্যক্তিকে আসামী করে মামলা দায়ের: গ্রেফতার ১২ চাঁপাইনবাবগঞ্জে আগ্নেয়াস্ত্রসহ আটক ১

চাঁপাইনবাবগঞ্জে ট্রাকের ধাক্কায় সাইকেল আরোহী নিহত

চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি

চাঁপাইনবাবগঞ্জে ট্রাকের ধাক্কায় এক বাই-সাইকেল আরোহীর মৃত্যু হয়েছে। নিহত বাই-সাইকেল আরোহী মো. নজরুল ইসলাম (৫৫) সদর উপজেলার বারঘোরিয়া ইউনিয়নের লক্ষীপুর মহাজন-পাড়ার মৃত বাকের আলির ছেলে। সোমবার(১ আগষ্ট) সন্ধ্যা  রাত ৮ টার  দিকে ঝিলিম ইউনিয়নের আতাহারে সাগর অটো রাইস মিলের সামনে এ দুর্ঘটনা ঘটে। স্থানীয়রা জানান আমনুরা থেকে বাইসাইকেল যোগে বাড়ি ফিরছিলেন দুর্ঘটনায় নিহত নজরুল। এ সময় একই দিকে যাওয়া ট্রাক পিছন থেকে ধাক্কা দিলে সে ঘটনাস্থলেই মারা যায়।

এ ব্যপারে সদর থানার ওসি মোজাফফর হোসেন  জানান, পুলিশ ট্রাকটি আটক করেছে, চালক পলাতক রয়েছে। এ বিষয়ে সদর থানায় আইনগত বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন।

গোমস্তাপুরে জাতীয় শোক দিবসের প্রস্তুতি সভা

গোমস্তাপুর প্রতিনিধিঃ চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুরে জাতীয় শোক দিবসের প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার উপজেলা পরিষদ সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত এ সভায় সভাপতিত্ব করেন ইউএনও আসমা খাতুন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন সাবেক সাংসদ জিয়াউর রহমান, উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান হুমায়ুন রেজা, রহনপুর পৌর মেয়র মতিউর রহমান খান, গোমস্তাপুর থানার ওসি আলমাস আলী সরকার, রহনপুর পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ নাজমুল হক, ভাইস চেয়ারম্যান হাসানুজ্জামান নুহু, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান মাহফুজা খাতুন, ইউপি চেয়ারম্যান মোয়াজ্জেম হোসেন ও গোলাম কিবরিয়া হাবিব , সরকারি কর্মকর্তা, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রধান, সাংবাদিকসহ অন্যরা।সভায় বঙ্গবন্ধুর জেষ্ঠ্যপুত্র শেখ কামাল ও বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিবের জন্মবার্ষিকী এবং বঙ্গবন্ধু শেখ মজিবুর রহমানের শাহাদাত বার্ষিকী যথাযথ ভাবে উদযাপনের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

নাচোলে আয়বর্ধক মূলক প্রশিক্ষণ প্রকল্পের প্রশিক্ষনার্থীদের মাঝে চেক বিতরণ

অলিউল ডলার, নাচোলঃ
চাঁপাইনবাবগঞ্জের নাচোলে আয়বরধক মূলক প্রশিক্ষণ প্রকল্পের প্রশিক্ষনার্থীদের মাঝে চেক বিতরণ করা হয়েছে। আজ সোমবার বেলা ১১ টায় উপজেলা মিনি কনফারেন্স রুমে ইউএনও মোহাইমেনা শারমিনের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন উপজেলা চেয়ারম্যান আব্দুল কাদের। বিশেষ অতিথি বক্তব্য রাখেন ভাইস চেয়ারম্যান মশিউর রহমান বাবু, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান জান্নাতুন নাঈম মুন্নি। অনুষ্ঠানের স্বাগত বক্তব্য রাখছেন উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা প্রভাতি মাহাতো। মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তার কার্যালয় সুত্রে জানাগেছে, দুই ট্রেডের 75জন প্রশিক্ষনার্থীদের মাঝে ৯লক্ষ টাকার চেক বিতরণ করা হয়েছে।

মঙ্গলবার থেকে পণ্য বিক্রি করবে টিসিবি

 

ঢাকা: শোকাবহ আগস্ট মাসে সারা দেশব্যাপী এক কোটি ফ্যামিলি কার্ডধারী নিম্ন আয়ের পরিবারের মধ্যে পর্যায়ক্রমে ভর্তুকি মূল্যে পণ্য বিক্রয় করবে ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি)।

সোমবার (০১ আগস্ট) টিসিবির ডিলারগণ পণ্য নিয়ে যাবে দোকানে।

রাতে পণ্য প্যাকেট করবে এবং মঙ্গলবার (০২ জুলাই) মন্ত্রী ভোক্তা পর্যায়ে বিক্রয় উদ্বোধন করবেন বলে জানা গেছে।

এরআগে রোববার (৩১ জুলাই) টিসিবি থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, নিম্ন আয়ের এক কোটি উপকারভোগী পরিবারের মধ্যে ভর্তুকি মূল্যে টিসিবির পণ্য (তেল, চিনি, ডাল ও পিঁয়াজ) পৌঁছে দেওয়ার লক্ষে টিসিবি কর্তৃক ঢাকা মহানগরীসহ সারাদেশে শোকাবহ আগস্ট মাসের বিক্রয় কার্যক্রম ১ আগস্ট  হতে শুরু হবে। এই বিক্রয় কার্যক্রম ডিলারের দোকান/নির্ধারিত স্থায়ী স্থাপনা হতে সিটি করপোরেশন, জেলা-উপজেলা প্রশাসনের সার্বিক সহযোগিতায় ও তাদের নির্ধারিত তারিখ ও সময় পরিকল্পনা অনুযায়ী পরিচালনা করা হবে।

এই দফায় নিম্ন আয়ের পরিবার কার্ডধারী ভোক্তা সর্বোচ্চ দুই লিটার সয়াবিন তেল, দুই কেজি মসুর ডাল, এক কেজি চিনি ও দুই কেজি পেঁয়াজ কিনতে পারবেন। প্রতি লিটার সয়াবিন তেল ১১০ টাকা, প্রতি কেজি চিনি ৫৫ টাকা, এক কেজি মসুর ডাল ৬৫ টাকা ও প্রতি কেজি পেঁয়াজ ২০ টাকা দরে বিক্রি হবে। তবে পেঁয়াজ বিক্রি হবে শুধু সিটি করপোরেশন এলাকা ও টিসিবির আঞ্চলিক কার্যালয়–সংশ্লিষ্ট জেলাগুলোতে।

শুধু সার্টিফিকেট অর্জন নয়, দক্ষতা গড়তে হবে

 

নিজস্ব প্রতিবেদক

কোনো মতে সার্টিফিকেট অর্জনের জন্য পড়াশোনা না করে নিজেকে দক্ষ করে গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেছেন, তার সরকার চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের প্রযুক্তিগত অগ্রগতির সঙ্গে খাপ খাইয়ে নেয়ার লক্ষ্যে সক্ষমতা লাভের জন্য তরুণ প্রজন্মকে দক্ষ কর্মশক্তি হিসেবে গড়ে তুলতে কাজ করছে।

রোববার প্রধানমন্ত্রী তার কার্যালয়ে জাতীয় দক্ষতা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (এনএসডিএ) প্রথম বৈঠকে বক্তৃতাকালে আরো বলেন, আমরা প্রথমে চাই আমাদের দেশের তরুণ প্রজন্মকে একটি দক্ষ কর্মশক্তি হিসেবে গড়ে তোলা হোক।

তিনি বলেন, যুব সমাজকে তাদের নিয়মিত অধ্যয়নের পাশাপাশি প্রযুক্তিগত অগ্রগতির সাথে পরিবর্তনশীল বিশ্ব পরিস্থিতি মাথায় রেখে নিজেকে প্রস্তুত করতে হবে। যাতে তারা প্রজন্মের পর প্রজন্ম সমাজে তাদের অবস্থান যথাযথ মর্যাদার সাথে বজায় রাখতে পারে।

বৈঠক শেষে প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ইহসানুল করিম সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন।

কোনো মতে সার্টিফিকেট অর্জনের জন্য পড়াশোনা না করে নিজেকে দক্ষ করে গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, অনেকে শুধু কোন মতে ঘষে-মেজে বিএ, এমএ পাস করেই চাকরির পেছনে ছুটে বেড়ায়। তারা যেন স্বপ্রণোদিত হয়। আমাদের দলের পক্ষ থেকে গড়ে তোলা প্রতিষ্ঠান সিআরআই উদ্যোগ নিয়েছে এবং তার মাধ্যমে ইয়াং বাংলা সেদিকে বিশেষ দৃষ্টি দিয়ে উৎসাহিত করার পদক্ষেপ নিয়েছে।

সরকার প্রধান বলেন, এখন চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের যে আভাসটা পাচ্ছি, আমরা পিছিয়ে থাকতে চাই না, বাংলাদেশ পিছিয়ে থাকবে না, সেদিকে লক্ষ্য রেখেই আমাদের জনশক্তিকে আমরা গড়ে তুলতে চাই।

শেখ হাসিনা এ প্রসঙ্গে জাতির পিতার ভাষণের উদ্ধৃতি তুলে ধরে বলেন, জাতির পিতা বলেছিলেন, ‘শুধু বিএ, এমএ পাশ করে লাভ নেই। আমি চাই কৃষি কলেজ, কৃষি স্কুল, ইঞ্জিনিয়ারিং স্কুল ও কলেজে যাতে সত্যিকারের মানুষ পয়দা হয়। বুনিয়াদি শিক্ষা নিলে কাজ করে খেয়ে বাঁচতে পারবে।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমরা এমন ব্যবস্থা চাই যাতে আমাদের দেশের যুব সমাজ সুদক্ষ কারিগর হিসেবে গড়ে উঠে এবং দেশে ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে যথাযথ প্রশিক্ষণ নিয়েই কর্মক্ষেত্রে প্রবেশ করতে পারে। যার যে মেধা আছে, দক্ষতা আছে সেটাও যেন বিকশিত হতে পারে।

শেখ হাসিনা বলেন, আমার কাজ আমি করে খাবো। আমি চাকুরীর পেছনে ছুটবো না, নতুন চাকুরী দিবো। এভাবেই তাদেরকে কিন্তু আমরা উৎসাহিত করে যাচ্ছি। আমাদের যুব সমাজকে সেটাই অনুধাবন করাতে হবে। যত বেশি দক্ষ জনশক্তি আমরা গড়তে পারবো আমাদের দেশের কাজেও যেমন লাগবে আবার বিদেশেও লাগবে। আমরা চাই আমাদের দেশটা এগিয়ে যাক।

সরকার প্রধান বলেন, বাংলাদেশ বর্তমানে অনুকূল জনমিতিক সুবিধা ভোগ করছে, যা আগামী ২০৩৩ সাল পর্যন্ত বলবৎ থাকবে। প্রতি বছর ২২ লক্ষ কর্মক্ষম যুবগোষ্ঠী শ্রমবাজারে যুক্ত হচ্ছে। কিন্তু শ্রম বাজারে যুক্ত হওয়া যুবশক্তিকে দক্ষ করে গড়ে তোলা সম্ভব না হলে এ জনমিতিক সুবিধাকে জনমিতিক লভ্যাংশে রূপান্তর করা সম্ভব হবে না। তাই এ সুবিধাকে কাজে লাগিয়ে ‘রূপকল্প ২০৪১’ এ পৌঁছানোর পথ সুগম করতে হবে। সেই পথেই বাংলাদেশ যেন এগিয়ে যায়।

বিভিন্ন দেশের শ্রম বাজারে দক্ষ জনশক্তির চাহিদার কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, অনেক দেশ এখন বয়োবৃদ্ধের দেশে পরিণত হয়ে গেছে। সেখানে আমাদের বড় বিষয় হলো আমাদের বিপুল সংখ্যক যুব শ্রেণি আছে। কাজেই আমরা চাই শ্রম বাজারে যে সম্ভাবনা দেখা যাচ্ছে সেই সাথে তারা নিজেদেরকে উপযুক্তভাবে গড়ে তুলবে। শুধু শ্রম বাজার না, শ্রম শিল্প সব দিক থেকেই। আমি মনে করি বিশ্ব একটা গ্লোবাল ভিলেজ, কাজেই সব দিকেই উন্মুক্ত হচ্ছে। সেখানে আমাদের অনেক কর্মী বিদেশে কাজও করে। তাদেরকে আমরা চাই দক্ষ জনশক্তি হিসেবে গড়ে তুলতে।

দক্ষতা সনদ প্রদান এবং দেশে-বিদেশে দক্ষতা মেলা আয়োজন করার কথা তুলে ধরে শেখ হাসিনা বলেন, দক্ষ জনবল তৈরি হয়েছে বা সম্ভাবনা রয়েছে তা নিয়ে দেশে ও বিদেশে দক্ষতা মেলার আয়োজন করা যেতে পারে। দক্ষতা সনদায়নের ক্ষেত্রে একক সনদায়নের ব্যবস্থা প্রবর্তন ও কার্যকর করতে হবে, যা বিদেশে বাংলাদেশের দক্ষতার ব্র্যান্ডিং হিসেবে কাজ করবে এবং বিদেশের শ্রমবাজারে বাংলাদেশী কর্মীদের গ্রহণযোগ্যতা বৃদ্ধি করবে।

পণ্য বহুমুখীকরণ, রপ্তানি বৃদ্ধি এবং দেশে-বিদেশে বিনিয়োগ প্রসঙ্গে সরকার প্রধান বলেন, আমরা যে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করি সেখানে শুধুমাত্র রেমিট্যান্সের ওপর নির্ভর করলে আমাদের হবে না। আমাদের এখানে উৎপাদন বাড়াতে হবে এবং বহুমুখীকরণ করতে হবে। রপ্তানির বাস্কেটটাও আমাদের বাড়াতে হবে। সেখানে আরও কি কি পণ্য আমরা রফতানি করতে পারি তার জন্য নতুন বাজার আমাদের খুঁজে বের করতে হবে। সে পণ্য আমরা কিভাবে উৎপাদন করতে পারি অথবা আমরাও কিভাবে বিদেশে বিনিয়োগ করতে পারি সেই চিন্তাও থাকতে হবে। শুধুমাত্র আমরা বিনিয়োগ আনবো তা নয়, আমরা বিনিয়োগ করতেও পারবো। সব কিছুর মাঝে আমার সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন দক্ষ জনশক্তি।

বৈঠকে শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি, অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল, শিল্পমন্ত্রী নুরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ুন, প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ উপদেষ্টা সালমান ফজলুর রহমান, শ্রম ও কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী বেগম মন্নুজান সুফিয়ান, জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন, মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম, মুখ্য সচিব ড. আহমদ কায়কাউস ও এফবিসিসিআই সভাপতি মো. জসিম উদ্দিন অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন।

৫ থেকে ১২ বছর বয়সি শিক্ষার্থীদের টিকা দিতে ১২ নির্দেশনা

 

নিজস্ব প্রতিবেদক

আগস্ট মাসে ৫ থেকে ১২ বছরের (১১ বছর ৩৬৪ দিন) শিশুদের করোনার টিকার আওতায় আনার পরিকল্পনায় করছে সরকার। টিকা পেতে এসব শিক্ষার্থীর জন্ম নিবন্ধন লাগবে। ১৭ ডিজিটের জন্ম নিবন্ধন নম্বর দিয়ে এসব শিক্ষার্থীদের টিকা পেতে সুরক্ষা অ্যাপ বা ওয়েবসাইটে নিবন্ধন করতে হবে। আর যাদের জন্ম নিবন্ধন নেই তাদের ১৭ ডিজিটের জন্ম নিবন্ধন করে টিকা পেতে সুরক্ষা অ্যাপ বা ওয়েবসাইটে নিবন্ধন করতে হবে। এসব শিক্ষার্থীকে টিকা দিতে বিভিন্ন স্কুলের শিক্ষার্থী, শিক্ষক এবং মাঠ পর্যায়ের শিক্ষা কর্মকর্তাদের জন্য ১২ দফা নির্দেশনা জারি করেছে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর। অধিদপ্তর থেকে এসব নির্দেশনা মাঠ পর্যায়ের আঞ্চলিক পরিচালক এবং উপ-পরিচালকদের পাঠানো হয়েছে।

অধিদপ্তর বলছে, সরকার এ বছর ৫ থেকে ১১ বছর ৩৬৪ দিন বয়সী শিক্ষার্থীদের ভ্যাকসিনেশনের আওতায় আনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এ কার্যক্রম সফলভাবে সম্পন্নের লক্ষ্যে নির্ধারিত শর্ত পূরণ ও নির্দেশনা পালন করতে হবে।

নির্দেশনায় অধিদপ্তর বলছে, শিক্ষার্থীদের বয়স সীমা হবে ৫ বছর থেকে ১১ বছর ৩৬৪ দিন)। এ বয়সসীমার শিক্ষার্থীদের ভ্যাকসিন গ্রহণ করতে হলে অবশ্যই সুরক্ষা অ্যাপ-সুরক্ষা ওয়েবসাইটের মাধ্যমে নিবন্ধিত হতে হবে। শিক্ষার্থীদের জন্ম নিবন্ধন নম্বর অবশ্যই ১৭ ডিজিটের হতে হবে।

যেসব শিক্ষার্থীর ১৭ ডিজেটের জন্ম নিবন্ধন নম্বর নেই তাদের অবশ্যই ১৭ ডিজিটের জন্ম নিবন্ধন করিয়ে নিতে হবে। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান প্রধান ও অভিভাবকদের জানিয়ে বিষয়টি নিশ্চিত করবেন। তবে, বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন শিক্ষার্থীদের জন্য সুরক্ষা অ্যাপ-সুরক্ষা ওয়েবসাইটে রেজিস্ট্রেশন বাধ্যতামূলক নয়।

বিদেশি পাসপোর্টধারী শিক্ষার্থীরা সুরক্ষা অ্যাপ/সুরক্ষা ওয়েবসাইটের মাধ্যমে নিবন্ধিত হওয়ার আগে স্ব-স্ব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে নির্ধারিত ‘এক্সেল ছকে’ নির্ধারিত ফরম্যাটে তথ্য ইমেইলে (student.dshe.vaccination@gmail.com) অধিদপ্তরে পাঠাতে হবে।

 

নির্দেশনায় স্কুলগুলোকে অধিদপ্তর বলছে, প্রত্যেক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সব শিক্ষার্থীকে ভ্যাকসিন দেয়ার লক্ষ্যে তালিকা এমনভাবে প্রণয়ন করতে হবে যাতে কোনো শিক্ষার্থী বাদ না পড়ে। প্রতিটি প্রতিষ্ঠান শিক্ষার্থীদের ভ্যাকসিন দেয়া নিশ্চিতে প্রয়োজনীয় প্রচারণা ও সংশ্লিষ্ট অভিভাবকদের নিয়মিত এ কার্যক্রম সম্পর্কে বিস্তারিত জানাবে। প্রতিটি প্রতিষ্ঠান সুশৃঙ্খলভাবে ভ্যাকসিনেশন কার্যক্রম সম্পন্নে প্রয়োজনীয় সংখ্যক স্কাউট গার্ল গাইডস, রোভার স্কাউট, গার্ল ইন রোভার, রেডক্রিসেন্ট, বিএনসিসি সদস্যদের স্বেচ্ছাসেবক হিসাবে নিয়োজিত করবে, যেসকল প্রতিষ্ঠানে এ ধরনের দল নেই সেসব প্রতিষ্ঠান নিজস্ব শিক্ষার্থীদের নিয়ে প্রয়োজনীয় সংখ্যক স্বেচ্ছাসেবক দল গঠন করে কার্যক্রম পরিচালনা করবে। প্রতিটি প্রতিষ্ঠান ভ্যাকসিন কেন্দ্রে সুষ্ঠুভাবে কার্যক্রম পরিচালনার জন্য প্রয়োজনীয় সংখ্যক শিক্ষককে দায়িত্ব দেবে। নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী নির্ধারিত সংখ্যক শিক্ষার্থীকে ভ্যাকসিন কেন্দ্রে উপস্থিত নিশ্চিত করতে হবে। ভ্যাকসিনেশন কার্যক্রম সংক্রান্ত প্রয়োজনীয় নির্দেশনা বা পরামর্শের জন্য সংশ্লিষ্ট আঞ্চলিক পরিচালক, উপপরিচালক, জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা, উপজেলা বা থানা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তার দপ্তরে প্রতিষ্ঠান প্রধানরা যোগাযোগ করবেন।