সর্বশেষ সংবাদ চাঁপাইনবাবগঞ্জে প্রেমের টানে বাড়ি ছাড়া হিন্দু কিশোরী কে উদ্ধার ঃ প্রেমিক আটক মাহে রমজানের শুভেচ্ছা জানালেন নেইমার-এমবাপ্পেরা নতুন বছরে জঞ্জাল ধুয়ে-মুছে সামনে এগিয়ে যাবো: জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে প্রধানমন্ত্রী ‘নিয়মিত পর্নো ভিডিও দেখতেন রফিকুল মাদানী’: পর্নোগ্রাফি আইনে মামলা দায়ের তাইওয়ানের আকাশপথে চীনের ২৫ যুদ্ধবিমান Abdul Matin Khasru on life support Bangladesh reports 6,028 fresh corona cases, 69 new deaths চাঁদ দেখা গেছে, স্বাগত মাহে রমজান চাঁপাইনবাবগঞ্জে পুলিশের সক্ষমতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে রায়ট ড্রিল ও আর্মস হ্যান্ডেলিং প্রশিক্ষণ  শিবগঞ্জে মাস্ক-খাদ্যসামগ্রী বিতরণ

মানবদেহের ‘প্লাজমা বিশ্লেষণ প্ল্যান্ট’ নির্মাণ শুরু

সম্পূর্ণ বিদেশি বিনিয়োগে প্রথমবারের মতো বঙ্গবন্ধু হাইটেক সিটিতে প্রায় আড়াই হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে মেগা প্রকল্প মানবদেহের ‘প্লাজমা বিশ্লেষণ প্ল্যান্ট’ নির্মাণ শুরু হলো। সোমবার (১ মার্চ) আনুষ্ঠানিকভাবে হাইটেক সিটির ব্লক-২ এ প্ল্যান্ট নির্মাণ কাজ শুরু করেছে চীনভিত্তিক প্রতিষ্ঠান ওরিক্স বায়োটেক লিমিটেড।

কর্তৃপক্ষ বলছে, প্রায় ২৫ একর জমিতে এই প্ল্যান্টের নির্মাণ কাজ শেষ হবে ২০২২ সালে। এর পরের বছরই বাংলাদেশেই উৎপাদিত হবে প্রাণঘাতী এইডস ও ক্যান্সারসহ নানা রোগের প্রতিষেধক। ওরিক্স এর মাধ্যমে বঙ্গবন্ধু হাইটেক সিটি তথা বাংলাদেশে বায়োটেক প্রযুক্তি নিয়ে গবেষণার দরজা খুলবে।

করোনা মহামারির মধ্যে গত আগস্টে বঙ্গবন্ধু হাইটেক সিটিতে প্রথমবারের মতো প্রায় ২৫শ’ কোটি টাকার বিদেশি বিনিয়োগ পাওয়ার কথা জানায় বাংলাদেশ হাইটেক পার্ক কর্তৃপক্ষ। এর ছয় মাসের মাথায় শুরু হলো নির্মাণ কাজ।

নির্মাণকাজ শেষ হলে ২০টি স্টেশনের মাধ্যমে মানবদেহের প্লাজমা সংগ্রহ করা হবে। বছরে এই প্ল্যান্টে বিশ্লেষণ করা হবে ১২শ’ টন প্লাজমা! তৈরি হবে ক্যান্সার, এইডস, সার্স, ইনফ্লুয়েঞ্জাসহ বিভিন্ন রোগের বায়োটেক ওষুধ।

অনুষ্ঠানে তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক জানান, প্রতিবছর প্লাজমা বা থেরাপিওটেক্স আমদানি করতে এক হাজার কোটি টাকা ব্যয় করতে হয় বাংলাদেশকে। হাইটেক পার্কে এই প্রকল্প বাস্তবায়ন হলে সাশ্রয় হবে আমদানি ব্যয়।

মাউনটেন পুলিশ ব্যাটালিয়ন পুলিশের নতুন ব্যাটালিয়ন

তিন পার্বত্য জেলায় নিরাপত্তার জন্য মাউনটেন পুলিশ ব্যাটালিয়ন নামে পুলিশে তিনটি নতুন ব্যাটালিয়ন হচ্ছে। ফেব্রুয়ারির শেষ সপ্তাহ স্বরাস্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে এই ব্যাটালিয়ন তৈরির নির্দেশনা পেয়ে কাজ শুরু করেছে পুলিশ হেডকোয়ার্টার্স। এজন্য ডেভলপমেন্ট প্রজেক্ট প্রোফাইল (ডিপিপি) ও অর্গানোগ্রাম তৈরির কাজ শুরু হয়েছে। এসব তৈরির পর পুলিশ হেডকোয়ার্টার্স থেকে অনুমোদনের পর পাঠানো হবে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে। পুরো প্রকল্প চালু হতে এক হাজার কোটি টাকার ওপরে ব্যয় হতে পারে বলে জানা গেছে। পুলিশে ১৭৭টি ইউনিট আছে। মাউনটেন পুলিশ ব্যাটালিয়ন তৈরি হলে পুলিশের ইউনিট সংখ্যা হবে ১৭৮টি।

এদিকে পাহাড়ের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতিসহ সার্বিক বিষয়ে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির সভাপতি জ্যোতিরিন্দ্র বোধিপ্রিয় লারমা ওরফে সন্তু লারমার সঙ্গে রবিবার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে ঘণ্টাব্যাপী বৈঠক করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। বৈঠকে সন্তু লারমা পাহাড়ে শান্তি প্রতিষ্ঠায় সরকারের সব ধরনের উদ্যোগে সহায়তার আশ্বাস দিয়েছেন।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেছেন, পার্বত্য চট্টগ্রামে সেনাবাহিনীর ছেড়ে আসা ক্যাম্পগুলোতে পুলিশ মোতায়েন করা হবে। সেখানকার ক্যাম্পগুলোতে পুলিশ মোতায়েনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ওই অঞ্চলে শান্তি ফিরিয়ে আনতে শান্তিচুক্তির আওতায় সরকার এ ব্যবস্থা নিতে যাচ্ছে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, পার্বত্য জেলার শান্তিচুক্তি রক্ষার্থে সেনাবাহিনী যে ক্যাম্প স্থাপন করেছিল সেগুলো তারা ছেড়ে আসছে। ক্যাম্প ছেড়ে এলেও শান্তিশৃঙ্খলা রক্ষা করতে হবে। সেজন্যই সে ক্যাম্পে আর্মির বদলে পুলিশ মোতায়েন করার জন্য একটা সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এ নিয়ে রাঙ্গামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবানে বহু মিটিং হয়েছে। এ তিন জেলায় শান্তিশৃঙ্খলা বজায় রাখতে আধুনিক পুলিশ মোতায়েন করা হবে।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, তিন পার্বত্য জেলায় মাঝে মধ্যে রক্তক্ষরণ হচ্ছে, অনাকাঙ্খিত ঘটনা ঘটেই চলেছে। এজন্য প্রধানমন্ত্রী আমাদের নির্দেশনা দিয়েছিলেন, এ জায়গাটায় লক্ষ্য রাখতে। একজন অতিরিক্ত সচিবের মাধ্যমে তিনটি জেলায় কোথায় কী হচ্ছে তার একটি প্রতিবেদন করা হয়েছে। প্রতিবেদনে কিছু সুপারিশও ছিল। মন্ত্রী বলেন, আমাদের যত স্টেকহোল্ডার ছিল তাদের সবার সঙ্গে আলাপ করেছি। একইসঙ্গে শান্তিশৃঙ্খলা রক্ষার্থে যারা বসেছিলেন, সবার সঙ্গে আমরা বসেছি। উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান থেকে শুরু করে মন্ত্রী, এমপি সবার সঙ্গে আলোচনা করেছি।

পুলিশের নতুন ব্যাটালিয়ন গঠন প্রসঙ্গে পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের অতিরিক্ত ডিআইজি ( ডেভলপমেন্ট) গাজী মো. মোজাম্মেল হক বলেছেন, নির্দেশনা পাওয়া পর ডিপিপি তৈরির কাজ শুরু হয়েছে। এই ব্যাটালিয়ন তৈরি হলে পাহাড়ীদের সঙ্গে পুলিশের সম্পর্ক আরো দৃঢ় হবে। সেখানকার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি উন্নতিসহ সব বিষয়ে পুলিশ কার্যকরী ভূমিকা রাখতে পারবে।

জানা গেছে, পাহাড়ের মানুষের জীবনমান উন্নয়ন, নিরাপত্তা বিধান ও অর্থনৈতিক কর্মকান্ডের গতি বাড়াতে মাউনটেন পুলিশ ব্যটালিয়ান করার উদ্যোগ গ্রহন করা হয়েছে। এর প্রধান হবেন একজন অতিরিক্ত ডিআইজি। তিনটি ব্যাটালিয়নে তিনজন অতিরিক্ত ডিআইজি এর দায়িত্ব পালন করবেন। প্রতিটি ব্যাটালিয়নের জনবল হবে ৮’শ ৫০ জন করে। এই ব্যাটালিয়নে থাকবে না কোনো নারী সদস্য। প্রতিটি ব্যাটালিয়নের সঙ্গে ১০টি করে ক্যাম্প থাকবে। ওই ক্যাম্প সদস্যরা পর্যায়ক্রমে পেট্রোল টিমের দায়িত্ব পালন করবেন। এর মনোগ্রাম, পোষাকের রঙ, অস্ত্রাগার, ব্যারাক, অফিসার কোয়ার্টার নির্মাণসহ সবকিছু নির্ধারণের কার্যক্রম এখনো প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে।

পাহাড়ি জনগোষ্ঠীর অধিকার রক্ষায় ১৯৭৩ সালে মানবেন্দ্র নারায়ণ লারমার নেতৃত্বে গঠিত হয় পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতি। তাদের সামরিক সংগঠন ছিল শান্তিবাহিনী। শুরু থেকেই দুটি মতাদর্শে ভাগ হয়ে যায় জনসংহতি সমিতি। মানবেন্দ্র লারমার নেতৃত্বে ছিল বামপন্থী লারমা গ্রুপ, অন্যদিকে প্রীতিকুমার চাকমার নেতৃত্বে ছিল জাতীয়তাবাদী প্রীতি গ্রুপ। ১৯৭৭ সালে শান্তিবাহিনী সামরিক বাহিনীর সঙ্গে সংঘাতে জড়িয়ে পড়ে। এরপর সেনাবাহিনী পার্বত্য চট্টগ্রামকে ২৪তম ডিভিশনের জিওসির অধীনে আনে। পাল্টা হামলা শুরু করে। সংঘাতময় পরিস্থিতির মধ্যেই ১৯৭৯ সালে গোষ্ঠী মালিকানাধীন জমিকে খাসজমি ঘোষণা করে সেখানে বাঙালি বসতি স্থাপনের কার্যক্রম নেয় জিয়াউর রহমানের সরকার। উচ্ছেদ হয় বহু পাহাড়ি পরিবার। ১৯৯১ সালে বাঙালির সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ায় মোট জনসংখ্যার ৪৮.৫ শতাংশে, যা ১৯৭৪ সালে ছিল ১১.৬ শতাংশ। আশির দশকে শান্তিবাহিনী সামরিক দিক থেকে সংগঠিত হতে শুরু করে। ১৯৮৩ সালে প্রতিদ্বন্দ্বীদের হামলায় নিহত হন মানবেন্দ্র নারায়ণ লারমা। তার ছোট ভাই জোতিরিন্দ্র বোধিপ্রিয় লারমা (সন্তু লারমা) দলের নেতৃত্বে আসেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ইচ্ছায় ১৯৯৭ সালের ২ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত পার্বত্য শান্তি চুক্তি মতে দুই বছর পর পাহাড় থেকে সেনা প্রত্যাহারের কথা। তবে ২০০৯ সালের সেপ্টেম্বরে খাগড়াছড়ি থেকে সীমিত পরিসরে সেনা প্রত্যাহার শুরু হয়।

দেশে চালু হলো ‘বঙ্গবন্ধু শিক্ষাবীমা’

মুজিববর্ষের উপহার হিসেবে পরীক্ষামূলকভাবে দেশে প্রথমবারের মতো চালু হয়েছে ‘বঙ্গবন্ধু শিক্ষাবীমা’। সোমবার প্রধানমন্ত্রী বীমা দিবসের এক অনুষ্ঠানে আনুষ্ঠানিকভাবে এ বীমা পলিসির উদ্বোধন করেন। এই বীমা পলিসির প্রিমিয়াম দিতে হবে বছরে ৮৫ টাকা। পলিসির মেয়াদের মধ্যে বীমাগ্রহীতা মারা গেলে বা শারীরিকভাবে পঙ্গু হয়ে পড়লে ১৮ বছর বয়স পর্যন্ত তার সন্তানকে প্রতি মাসে ৫০০ টাকা করে বৃত্তি দেওয়া হবে।

আইডিআরএ সূত্রে জানা গেছে, দুই বছরের জন্য পরীক্ষামূলক ভিত্তিতে চালু করা হচ্ছে বঙ্গবন্ধু শিক্ষাবীমা। এই বীমা পলিসির বীমাকৃত ব্যক্তি হবেন মা, বাবা অথবা আইনগত অভিভাবক। পলিসির মেয়াদের মধ্যে মা, বাবা বা আইনগত অভিভাবক মারা গেলে অথবা দুর্ঘটনাজনিত

\হসম্পূর্ণ বা স্থায়ী অক্ষম হলে অথবা পঙ্গু হয়ে গেলে মাসে ৫০০ টাকা করে বৃত্তি দেওয়া হবে শিক্ষার্থীদের। এ বৃত্তি দেওয়া হবে পলিসির বাকি মেয়াদে অর্থাৎ বীমা পলিসি মেয়াদোত্তীর্ণ হওয়ার আগ পর্যন্ত প্রতি মাসে।

বঙ্গবন্ধু শিক্ষাবীমা চালুর জন্য যে নীতিমালা তৈরি করা হয়েছে, তাতে দেখা যায়, পলিসির মেয়াদ শিশুর বয়সের সঙ্গে সম্পর্কিত। ৩ থেকে ১৭ বছর বয়সি শিক্ষার্থীরা বীমা পলিসির আওতায় আসবে। শিশুর ১৮তম জন্মদিনে পলিসির মেয়াদ শেষ হবে। শিশুর বয়স ৩ বছর হলে পলিসির মেয়াদ হবে ১৮ থেকে ৩ বাদ দিয়ে ১৫ বছর। শিশুর বয়স ১৮ বছর হলে পলিসির মেয়াদ হবে ১৮ থেকে ১৭ বাদ দিয়ে এক বছর।

তবে শিক্ষার্থীদের পক্ষে পলিসি করা মা, বাবা অথবা অভিভাবকদের বয়স হতে হবে ২৫ থেকে ৬৪ বছর। আর প্রিমিয়ামের টাকা নেওয়া হবে ব্যাংকের মাধ্যমে। শিক্ষার্থীর বয়স ১৮ ও বীমাগ্রহীতার বয়স ৬৪ বছর হয়ে গেলেই পলিসিটি মেয়াদোত্তীর্ণ বলে বিবেচিত হবে।

নীতিমালায় বলা হয়েছে, সাধারণত শিক্ষার্থীর মা অথবা বাবা হবেন বীমাগ্রহীতা। তবে মা-বাবা জীবিত থাকা অবস্থায়ও তাদের অনুমোদন সাপেক্ষে অন্য কেউ অভিভাবক হতে পারবেন। আবার মা-বাবার অবর্তমানে শিক্ষার্থীর ভরণপোষণকারীও হতে পারবেন বীমাগ্রহীতা।

বীমাগ্রহীতা মারা গেলে, যে মাসে মারা যাবেন, সে মাসের শেষে বৃত্তি দেওয়া শুরু হবে। শিশুর বয়স ১৮ বছর হওয়া পর্যন্ত মাসে মাসে এ বৃত্তি দেওয়া চলতে থাকবে। তবে কেউ যদি দুর্ঘটনার কারণে পঙ্গু হয়ে যান, তাহলে জীবনবীমা করপোরেশনের অনুমোদিত চিকিৎসকদের সনদ নিয়ে বৃত্তি দেওয়া শুরু করা হবে।

গোমস্তাপুরে অতিরিক্ত টোল নেয়ার দায়ে ইজারাদারকে জরিমানা

গোমস্তাপুর (চাঁপাইনবাবগঞ্জ) প্রতিনিধি ঃ গোমস্তাপুরে অতিরিক্ত টোল আদায়ের দায়ে মকরমপুর সৈয়দ সুলতান সেতুর ইজারাদার শফিকুল ইসলামকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমান আদালত। মঙ্গলবার দুপুরে ভ্রাম্যমান আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) শাহরিয়ার নজির এ জরিমানা প্রদান করেন।
ভ্রাম্যমান আদালত সূত্রে জানা গেছে, একটি ঔষধ কোম্পানীর সরবরাহকৃত জীপ (কভার ট্রাক) গাড়ী মকরমপুর সৈয়দ সুলতান সেতুু পার হচ্ছিল। এ সময় ইজারাদারের লোকজন ওই গাড়ীর আদায় রশিদে ৪০ টাকার পরিবর্তে দিগুনের অধিক ১০০ টাকা টোল আদায় করছে। বিষয়টা তারা উপজেলা প্রশাসনকে অবহিত করে। পরে আদায় রশিদে অতিরিক্ত টাকার নেয়ার সত্যত্যা পায়। পরে ভ্রাম্যমান আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) শাহরিয়ার নজির ইজারাদার শফিকুল ইসলামকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা ও সতর্ক করা হয়।

এবার তৃণমূল ছাড়লেন শ্রাবন্তী

দিন কয়েক আগেই বিজেপিতে নাম লিখিয়েছেন অভিনেতা হিরণ চ্যাটার্জি, যশ দাশগুপ্ত, পায়েল সরকার। এবার সেই দলে নাম লেখালেন পশ্চিমবঙ্গের আরও এক জনপ্রিয় অভিনেত্রী শ্রাবন্তী চ্যাটার্জি। সোমবার বিকেলে কলকাতার এক হোটেলে আনুষ্ঠানিকভাবে ভারতীয় জনতা পার্টিতে যোগদান করেন এই অভিনেত্রী। এসময় তার হাতে দলের রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ বিজেপির পতাকা তুলে দেন।

তৃণমূলের সমর্থক হয়েও হঠাৎ বিজেপিতে আসার সিদ্ধান্ত কেন নিলেন এমন প্রশ্নের উত্তরে এই অভিনেত্রী বলেন, ‌‘অনেকেই তৃণমূলের সমর্থক ছিলেন। কিন্তু তাদের মধ্যে অনেকেই আবার বিজেপিতে গিয়েছেন। আমারও মনে হয়েছিল, রাজ্যের মানুষের মঙ্গলের জন্য কাজ করতে হলে এই দলেই যোগ দিতে হবে।’

শ্রাবন্তী জানান, ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির রাজনৈতিক মতাদর্শে তিনি মুগ্ধ। তার জন্যই ওই দলে যোগ দিয়েছেন। মানুষ তাকে বরাবর ভালবেসেছে। তার ধারণা, সেই ভালোবাসার জোরেই আসন্ন নির্বাচনে তিনি মানুষের আরও কাছে পৌঁছে যাবেন।

আইপিএলের ভেন্যু নিয়ে আপত্তি

আসন্ন ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগ (আইপিএল) কেবল ৬ ভেন্যুতে আয়োজনের বিষয়ে বোর্ড অব কন্ট্রোল ফর ক্রিকেট ইন ইন্ডিয়ার (বিসিসিআই) সিদ্ধান্তে আপত্তি জানিয়েছে রাজস্থান রয়্যালস, পাঞ্জাব কিংস এবং সানরাইজার্স হায়দ্রাবাদ। এই ৬ ভেন্যুর মধ্যে রয়েছে আহমেদাবাদ, যা কোনো ফ্র্যাঞ্জাইজির ঘরের মাঠ নয়। ক্রিকেট ভিত্তিক ওয়েবসাইট ক্রিকবাজ সম্প্রতি বিসিসিআই ‘ক্যারাভান ফরম্যাট’ বা ৬ ভেন্যুতে আইপিএল আয়োজনের পরিকল্পনা করছে, এমন এক প্রতিবেদন প্রকাশ করে। যেখানে চেন্নাই, ব্যাঙ্গালুরু, কলকাতা, দিল্লি এবং আহমেদাবাদকে মূল ভেন্যু হিসেব উল্লেখ করা হয়। বিকল্প হিসেবে মুম্বাইকেও রাখা হয় তালিকায়।

পরিকল্পিতভাবে এই ৬ ভেন্যুতে ম্যাচ হলে হোম গ্রাউন্ডের সুবিধা পাবে না রাজস্থান রয়্যালস, পাঞ্জাব কিংস এবং সানরাইজার্স হায়দ্রাবাদ। যার কারণে বিষয়টি নিয়ে আপত্তি জানিয়েছে এই তিন ফ্র্যাঞ্জাইজি।

ফ্র্যাঞ্জাইজির এক কর্মকর্তা জানান, ‘আমরা তিন দল খুব খারাপভাবে আক্রান্ত হবো। ঘরের মাঠে দলগুলো ভাল খেলে, যার মধ্যে ৫ বা ৬টি ম্যাচ জিতে এবং এটাই তাদেরকে প্লে-অফে নিয়ে যায়। যে পাঁচ দল (র‌য়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালুরু, চেন্নাই সুপার কিংস, কলকাতা নাইট রাইডার্স, দিল্লি ক্যাপিটালস ও মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স) ঘরের মাটিতে খেলবে তারা এই সুবিধা পাবে। আমাদেরকে সব অ্যাওয়ে ম্যাচ খেলতে হবে। ’

ক্রিকবাজ আরও জানায়, এই তিন ফ্র্যাঞ্জাইজি ইতোমধ্যে ব্যাপারটি নিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে বিসিসিআইয়ের সিইও হেমাং আমিনকে অবহিত করেছে। ভিন্ন ভিন্ন ভাবে তারা আপত্তিও জানিয়েছেন। এমনকি সবার সম্মতিতে লিখিতভাবে প্রতিবাদ করারও ইচ্ছে আছে তাদের।

১০ দফা দাবীতে নিরাপদ সড়ক চেয়ে মানববন্ধান

চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি:

চাঁপাইনবাবগঞ্জ সহ সারদেশে প্রতিনিয়ত ঘটছে সড়ক দূর্ঘটনা। ১০ দফা দাবীতে নিরাপদ সড়ক চেয়ে চাঁপাইনবাবগঞ্জে মানববন্ধান করেছে বেটার চাঁপাইনবাবগঞ্জ (বিসি) একটি ফেসবুক গ্রুপ। মঙ্গলবার (২ মার্চ) সকাল বেলা ১১ টায় নবাবগঞ্জ সরকারী কলেজের সামনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয় বেটার চাঁপাইনবাবগঞ্জ এর ব্যানারে।

১০ দাবী সমূহ হলো; কোলাহলপূর্ণ রাস্তাগুলোতে গতিসীমা সীমিতকরণ ও সাইন বোর্ড দিয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ। শহরের পৌর এলাকায় পরিবেশ বান্ধাব স্পিডবেকার তৈরী। বিশ্বরোড মোড় ও বারোঘরিয়া পিস্তল চত্তরে ওভার পাশ বা ফুট ওভার ব্রিজ নির্মাণ। ট্রাফিক বিভাগকে অদক্ষ চালক ও ফিটনেসবিহীন গাড়ী চলাচলে কড়াকড়ি নিশ্চিতকরণ। দূর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারকে ক্ষতিপূরণ ও দোষী চালকদের বিচার নিশ্চিত করণ। চাঁপাইনবাবগঞ্জ থেকে সোনামসজিদ পর্যন্ত এ লং রুটকে চার লেনে প্রশস্তকরণ। অদক্ষ গাড়ী চালকদের প্রশিক্ষণ ও ফিটনেসযুক্ত গাড়ি চালাতে উদ্বুদ্ধ করণ। করিমন,লসিমন,থ্রী হুইলারসহ সকল ঝুঁকিপূর্ণ যানবাহন নিয়মতান্ত্রিক চলাচলের ব্যবস্থা গ্রহন। প্রতিমাসে মহাসড়কে মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে যানবাহন ত্রুটি পরীক্ষা করণ। কোলাহল পূর্ণ রাস্তাগুলোতে রাস্তাপারাপারে জেব্রা ক্রোসিং স্থাপন।

মানববন্ধনে বক্তারা বলেন; বেটার চাঁপাইনবাবগঞ্জ (বিসি) ফেসবুক ভিত্তিক একটি অরাজনৈতিক স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন। জেলার বিভিন্ন স্থানে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানী চরম আকার বেড়ে যাওয়ার ঘটনায় উদ্বিগ্ন জেলাবাসী। ছাত্র-ছাত্রীদের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পাঠিয়ে অভিভাবক ও বিভিন্ন কর্মজীবী মানুষের বিভিন্ন কর্মক্ষেত্রের সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরতে পারবে কিনা পরিবার শঙ্কিত থাকেন। বর্তমানে জেলায় সড়ক দুর্ঘটনা পরিপ্রেক্ষিতে সামাজিক দায়বদ্ধতা থেকেই  জনসচেতনতা বৃদ্ধি ও নিরাপদ সড়কের দাবিতে আমাদের এ কর্মসূচি। আমরা গণমাধ্যমে খবর পেয়েছি; পরিবহন ও যোগাযোগ ক্ষেত্রে নানা অনিয়ম,অদক্ষতার কারণে এসব দূর্ঘটনা ঘটছে।

বেটার চাঁপাইনবাবগঞ্জ (বিসি) ফেসবুক গ্রুপের এডমিন প্যানেলের সদস্য শামিম আখতার বিপ্লব মানববন্ধনে বলেন; চাঁপাইনবাবগঞ্জসহ সারাদেশে প্রতিনিয়ত ঘটছে সড়ক দূর্ঘটনা। নিরাপদ সড়কের দাবীতে মানববন্ধান করা হয়। জেলা প্রশাসকের কাছে অনুরোধ করবো জেলার মানুষ যেন পথ চলতে গিয়ে যেন মারা না যায়। নিরাপদ সড়কের জন্য যেখানে যা যা প্রয়োজন সেখানে তাই স্থাপন করা। সদর উপজেলা থেকে শিবগঞ্জ উপজেলার সোনা মসজিদ পর্যন্ত ৪ লেনের রাস্তা করণ। মেইন সড়কের পাশে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করণ। জনগণকে সচেতন করার জন্য মোড়ে মোড়ে সভা সেমনিার,দেয়ার লিখন,পোষ্টার,বিল বোর্ড, করা। জনগণকে সচেতন করার জন্য লিফলেট বিতরণ করা।

বেটার চাঁপাইনবাবগঞ্জ (বিসি) ফেসবুক গ্রুপের এডমিন প্যানেলের সদস্য সোহেল বিশ্বাস,মিনহাজুল ইসলাম, আবু  আব্দুল্লাহ কাফী, আ: শরফি, মেহেদী মেরাজ, মো: মিজান আলীসহ শিক্ষার্থীবৃন্দ। মানববন্ধন কর্মসূচি শেষে জেলা প্রশাসনের কাছে স্মারকলিপি প্রদান  করা হয়।