সর্বশেষ সংবাদ আলজাজিরার বিরুদ্ধে আদালতে মামলা হল খুলতে বিশ্ববিদ্যালয়গুলো পাবে ৫০ কোটি টাকা ১ কোটি ৯ লাখ ৮ হাজার ডোজ টিকা পাচ্ছে বাংলাদেশ ঐশ্বরিয়া পাকিস্তানে! তীব্র বাতাসে ও গরমে কক্সবাজারে আর্চারিরা 18 anti-tank rockets recovered from Satchhari 6 killed as Myanmar security forces fire at protesters Bangladesh reports 5 deaths পাপুলের আসনে ভোট ১১ এপ্রিল ভোলাহাটের সব স্কুল এখন স্ক্যানার থার্মোমিটার দৃশ্যমান

 শেকড়ের টানে তোতাকে খুঁজছে….

 শেকড়ের টানে তোতাকে খুঁজছে…. নানাভাবে যে নামটিকে ভুলিয়ে ফেলার চেষ্টা হয়েছে। সভা-সমাবেশে বিএনপি-জামায়াত নয়, বরং যে নাম ধরে দোষারোপ করা হয়। বর্তমান জেলা আওয়ামী লীগের পূর্ণাঙ্গ কমিটি হওয়ার পর আবারো যে নামটিকেই মানুষ খুঁজছে। আওয়ামী লীগের খুঁটি ক্রমশ দূর্বল থেকে দূর্বলতর হওয়ায় আবারো জিয়াউর রহমান তোতার নামটি আলোচনায়। কেউ একজন সোনালী অতীতের স্মৃতি তুলে ধরে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পোস্ট দিলে জিয়াউর রহমান তোতার নাম ভাইরাল হতে থাকে। বের হয়ে আসে শেকড়ের কথা। আসলে মাঠের রাজনীতি কিভাবে হয়? মোসাহেবিকে রাজনীতির নাম দিয়ে বেশিদিন টিকে থাকা যায় না। কে এই জিয়াউর রহমান তোতা? চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের শেকড় জননেতা মরহুম আলহাজ্ব নাসিরউদ্দিন নাসির চেয়ারম্যানের ছেলে সাবেক ছাত্রনেতা জিয়াউর রহমান তোতা। ২০০৯ সালে জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি পদে থাকা অবস্থায় ভাইস-চেয়ারম্যান পদে জনগণের রায় নিয়ে নির্বাচিত হয়ে সারাদেশে চমক সৃষ্টি করেন। নাসির চেয়ারম্যানের এই যোগ্য উত্তরসূরী স্বৈরাচার বিরোধী ও চার দলীয় জোট সরকার বিরোধী আন্দোলনে মাঠ কাঁপিয়েছেন। ২০০৩ সালে জননেত্রী শেখ হাসিনা চাঁপাইনবাবগঞ্জ সার্কিট হাউজে আসলে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার বড় ব্যানারে শোভা পাচ্ছিলো। আওয়ামী লীগ নেতারা না দেখা করলেও ছাত্রনেতা তোতার চোখ এড়িয়ে যায় নি। তিনি ব্যানার টেনে ছিড়ে ফেলন। নেত্রী ও দলের মর্যাদার প্রশ্নে ছিলেন আপোষহীন। আওয়ামী লীগ সরকার দ্বিতীয় মেয়াদে ক্ষমতায় আসলে তাঁেক কোনঠাসা করা হয়। ক্ষমতায় থাকা পুরোনো ও নবাগত নেতৃত্ব ‘মাইনাস তোতা’ রাজনীতিতে নামে। কৌশলে বিএনপির যুগ্ম-মহাসচিব হারুন অর রশিদ এমপির আত্মীয়তার সূত্রে গাঁথা আওয়ামী লীগ অংশটিকে শক্তিশালী করা হয়েছে। বিরোধী দলে থাকা অবস্থায় যে তোতা বিএনপি-জামায়াতের আতঙ্ক ছিলো। সরকার ক্ষমতায় আসলে পুলিশের এসআই দিয়ে নাসির চেয়ারম্যানের বাড়ির দরজায় লাথি মারায় প্রতিবাদী চরাঞ্চলের মানুষ (আওয়ামী লীগ অধ্যূষিত) তোতাকে নিয়ে নির্বাচনের মাঠে নামেন। সারাজীবন নীতির প্রশ্নে আপোষহীন, অন্যায়কে না বলা ছেলেটি জেলা পরিষদ নির্বাচনে ভোট করেন। সে দফায় জেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মঈনুদ্দীন মণ্ডল (বিএনপির হারুন এমপির মামা) তৃণমূলের আওয়ামী লীগের কাছে ক্ষমা চেয়ে কোনক্রমে পরাজয় ঠেকান। উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে জিয়াউর রহমান তোতা একমাত্র দাবিদার থাকলেও তোতাকে ঠেকাতে সাংগঠনিক রাজনীতির পরিচ্ছন্ন ব্যক্তিত্ব সদর উপজেলা আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক এ্যাডভোকেট নজরুল ইসলামকে প্রার্থীকে করা হয়। বিদ্রোহী প্রার্থী হিসেবে ভোট করে প্রায় ৪০ হাজার ভোট পান। আজীবন আওয়ামী লীগ করা পরিবারটিকে অবজ্ঞা করে দলে কোন জায়গা না দেয়ায় ভোটের মাঠে জবাব দেন চরের মানুষ। তোতাদের যখন মাইনাস করা হচ্ছিলো তখন কেউ মুখ খুলেন নি। কেন্দ্রে বারংবার অভিযোগ পাঠানো হলে অজানা কারণে কোন প্রতিকার মেলে নি। বর্তমান যিনি রাজশাহী বিভাগের দায়িত্ব আছেন এসএম কামাল হোসেন মাটিঘেষা নেতৃত্বের চেয়ে ব্যবসায়ী-বিত্তশালী নেতৃত্বকে বেশি পছন্দ করেন বলে বাজারে প্রচলিত আছে। রাজনীতিকে রাজনীতির জায়গায় স্থান দিতে তোতাদের চিনতে হবে। তোতাদের ছাড়া রাজনীতি থাকে না, সংগঠন থাকে না। রাজনীতি ও সংগঠন জনগণের জন্য। আর জনগণ-তোতারা একসূতায় গাথা। খোঁজ নিয়ে দেখার চেষ্টা করেন, কেন ঐতিহ্যবাহী রাজনৈতিক দলের সাধারণ সম্পাদকের নিজের ছোটভাই আব্দুল কাদের মির্জারা জনগণের রায় নিয়ে বারংবার নির্বাচিত হয়েও কোনঠাসা?? আর কোন কোন কুতুব পরিবারের আন্ডা-বাচ্চারা ২০১৪ পরবর্তীতে মাঠ দাপাচ্ছে। এদের হাত থেকে দল-দেশ-জনগণকে বাঁচান। নাজমুল শেখ লিখেছেন, “ভাই আমি আপনার ছাত্ররাজনীতি দেখি নাই, কিন্তু ছোটবেলা থেকে একটা নাম শুনে আসছি জিয়াউর রহমান তোতা মানেই সাহস। যার কন্ঠ স্বরে শুত্রুর কাপুনি ধরে যায়। ভাই আপনার মতো একজন নেতা পাওয়া গর্বের।” শামসুর রহমান বাবু লিখেছেন, “চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও সভাপতি, সদর উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান। জননেতা জিয়াউর রহমান তোতা একজন উদীয়মান নেতা কিন্তু কালের গর্ভে ধান্ধাবাজ, অসৎ নেতাদের ষড়যন্ত্রের কারণে আজ হারাতে বসেছে। তোতাদের জন্ম বার বার হয়না একবারই জন্মায়!………তার পিতা মরহুম আলহাজ্ব নাসির উদ্দিন সদর উপজেলা ইসলামপুর ইউনিয়নের বার বার নির্বাচিত চেয়ারম্যান ছিলেন। উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ছিলেন। তিনি ১৯৮৬ সালে চাঁপাই নবাবগঞ্জ ৩ সদর আসন থেকে আওয়ামী লীগের মনোনয়নে নির্বাচনে করেন। যোগ্য পিতার যোগ্য সন্তান তোতাদের দলে জায়গা হয়না। চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের কমিটিতে অনেক নতুন সুবিধাভোগী ধান্ধাবাজ ব্যবসায়ী ও অযোগ্য লোকদের জায়গা হলেও তোতারা নিমিষেই হারিয়ে যায়। আগামীতে দলকে শক্তিশালী করতে জননেত্রী শেখ হাসিনার ভিশন ২০৪১ কে বাস্তবায়ন করতে তোতাদের বড় প্রয়োজন। দুঃসময় ও দুর্দিনে এই তোতারাই পাসে থাকে আর সুবিধা ভোগিদের খুজে পাওয়া যায় না।” ইতিহাস সাক্ষ্য দেয়, তৃণমূলে যাঁরা জায়গা করে নিয়েছেন তাঁদেরকে শত চেষ্টা করেও দাবিয়ে রাখা যায় না। তৃণমূল থেকে এদেরকে বিচ্ছন্ন করতে অপরাজনৈতিক অপচেষ্টা অব্যাহত রাখছেন। কিন্তু মনে রাখবেন, ক্ষমতার ছায়ার নিচে বসে যেটাকে রাজনীতি বলছেন সেটা একদিন ঠিক নামেই পরিচিত হবে। স্রোতের বিপরীতে পথ তৈরি করে নেয়া নেতৃত্বকে চিনতে জনগণ ও গণসংগঠন ভুল করবে না।

আসলাম-উদ-দৌলা

আহ্বায়ক বঙ্গবন্ধুর বাংলাদেশ চাই ও বিচারপতি বজলার রহমান ছানা স্মৃতি পরিষদ

সাধারণ সম্পাদক, রাজশাহী প্রেসক্লাব।

শিবগঞ্জে ভোটারদের দ্বারে দ্বারে চেয়ারম্যান প্রার্থী আনু মিঞা

শিবগঞ্জ (চাঁপাইনবাবগঞ্জ) প্রতিনিধি:
চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ উপজেলার চককীত্তি ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে ভোটারদের দ্বারে দ্বারে ছুটে চলেছেন চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী আনোয়ার হাসান আনু মিঞা। মঙ্গলবার দিনব্যাপি ১নং ওয়ার্ডে গণসংযোগ করেন তিনি। চায়ের দোকান থেকে শুরু করে ভোটারদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে দোয়া-সমর্থন ও ভোট প্রার্থনা করেন। এ সময় ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের বিভিন্ন স্তরের নেতাকর্মী সহ সমর্থনকারী উপস্থিত ছিলেন।
প্রসঙ্গত: করোনার মধ্যে একমাত্র তিনিই ইউনিয়নের জনসাধারনের বিপদে পাশে থেকে গনসংযোগ করে যাচ্ছেন।

 

Freedom fighter and actor Mujibur Rahman Dilu no more

Freedom fighter and actor Mujibur Rahman Dilu passed away at a city hospital on Tuesday morning.

He breathed his last around 6:45m while undergoing treatment at United Hospital in the capital.

His elder brother actor Ataur Rahman confirmed the matter to Banglanews.

Dilu was suffering from multiple health problems, including lung infection. However, he was tested negative for Covid-19.

Dilu, who has been away from the limelight for a while, fell critically ill on January 12. He was eventually admitted to the ICU at United Hospital.He was diagnosed with Guillain-Barre syndrome and fell into a coma in 2005. His condition gradually improved.

Mujibur Rahman Dilu was lauded for his performance as Malu in the hit TV series, “Sangsaptak”

জয়ের নেশায় আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে বাংলাদেশঃওয়ানডে স্কোয়াড ও সময়সূচি

 

স্পোর্টস ডেস্ক

করোনার কারণে দীর্ঘ বিরতির পর অবশেষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ফিরতে যাচ্ছে বাংলাদেশ জাতীয় দল। দলের সেরা ১২ খেলোয়াড়কে ছাড়া সফরে আসা ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজে নিজেদের মেলে ধরার লক্ষ্য নিয়ে মাঠে নামবে টাইগাররা। মিরপুর শেরে বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে আগামীকাল অনুষ্ঠিত হবে সিরিজের প্রথম ওয়ানডে। দর্শক শূন্য মাঠে ম্যাচটি শুরু হবে সকাল ১১টা ৩০ মিনিটে। ম্যাচটি সরাসরি দেখাবে বিটিভি, টি-স্পোর্টস ও নাগরিক টিভি।

করোনার কারণে নতুন জৈব-সুরক্ষা পরিবেশে সিরিজটি খেলবে দু’দলের ক্রিকেটাররা। করোনাভীতিতে বাংলাদেশ সফরে আসেননি টেস্ট অধিনায়ক জেসন হোল্ডার ও ওয়ানডে অধিনায়ক কাইরন পোলার্ডসহ ১০জন খেলোয়াড়। এছাড়া ব্যক্তিগত কারণে আরও দু’জন ক্রিকেটার সফর থেকে নাম প্রত্যাহার করায় ইতিহাসে সবচেয়ে দুর্বল দল হিসেবে বিবেচিত ক্যারিবিয়রা।

তারপরও সিরিজটি আইসিসি বিশ্বকাপ সুপার লিগের অংশ হওয়াতে আত্মতুষ্টিতে ভুগছে না বাংলাদেশ। কারণ ২০২৩ বিশ্বকাপে সরাসরি খেলতে হলে, ভারত বাদে পয়েন্ট টেবিলে শীর্ষ সাতের মধ্যে থাকতে হবে বাংলাদেশকে।

গত বছর শুরু হওয়া সুপার লিগ পর্বে প্রতিটি দলকে হোম ও অ্যাওয়ে ভিত্তিতে চারটি করে তিন ম্যাচের সিরিজ খেলতে হবে। সুপার লিগে একটি ম্যাচ জিতলে ১০ পয়েন্ট, ম্যাচ টাই/পরিত্যক্ত/বাতিলের জন্য পাঁচ পয়েন্ট করে এবং হারের জন্য কোন পয়েন্ট পাওয়া যায় না। পয়েন্টের ভিত্তিতে র‌্যাংকিং নির্ধারিত হবে। সরাসরি বিশ্বকাপে খেলার যোগ্যতা অর্জন করতে না পারা দলকে ২০২৩ সালের জুন-জুলাইয়ে বাছাই পর্ব খেলতে হবে।

ওয়ানডে রেকর্ডের ভিত্তিতে যেহেতু পয়েন্ট অর্জন করা কঠিন, তাই ঘরের মাঠে সিরিজগুলোতে ভালো ফল করে সরাসরি বিশ্বকাপে খেলার পথ সহজ করতে চায় বাংলাদেশ। সিরিজে প্রত্যকটি পয়েন্টই গুরুত্বপূর্ণ উল্লেখ করে বাংলাদেশের প্রধান কোচ রাসেল ডমিঙ্গো বলেন, ‘এটি আমাদের জন্য অনেক বড় সিরিজ। বিশ্বকাপ বাছাই পর্বের পয়েন্টগুলো অর্জন করতে হবে। সত্যিকারার্থেই আমাদের শুরুটা ভাল করা নিশ্চিত করতে চাই। আমরা অবশ্যই ম্যাচ বাই ম্যাচ নিয়ে চিন্তা করব। আমরা ভালোভাবে সিরিজ শুরু করতে চাই।’

বাংলাদেশ- ওয়েস্ট ইন্ডিজ ইতোমধ্যে ৩৮টি ওয়ানতে মুখোমুখি হয়েছে। এরমধ্যে বাংলাদেশ ১৫টি ও ক্যারিবীয়ানরা ২১টিতে জয় পায়। দু’টি ম্যাচে কোন ফল আসেনি। তবে সর্বশেষ পাঁচ ম্যাচেই ওয়েস্ট ইন্ডিজকে হারিয়েছে বাংলাদেশ।

২০১৮ সালে ঘরের মাঠে পূর্নশক্তির ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজে ২-১ ব্যবধানে জয় পেয়েছিলো বাংলাদেশ। নিজেদের কন্ডিশনে ফেভারিটের তকমা নিয়ে সিরিজ শুরু করছে বাংলাদেশ। তবে ফেভারিট হলেও সর্তক থাকবে টাইগাররা।

মূল চ্যালেঞ্জটি হলো গেল ১০ মাস ধরে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে দূরে থাকার পর মাঠে ফিরে মানিয়ে নেয়াটা। করোনা বিরতির পর আন্তর্জাদিক ক্রিকেটে ফিরে ওয়েস্ট ইন্ডিজ ইতোমধ্যে তিনটি সিরিজ খেলে ফেলেছে । তবে সে সব সিরিজে তাদের সব খেলোয়াড় অংশ নেয়নি।

বিশেষজ্ঞদের মতে ওয়েস্ট ইন্ডিজ দলে অনেক অপরিচিত খেলোয়াড় থাকায় ও তাদের খেলার ধরণ সর্ম্পকে ধারণা কম থাকায় প্রতিপক্ষকে নিয়ে পরিকল্পনা করতে বেশ বেগ পেতে হবে বাংলাদেশের টিম ম্যানেজমেন্টকে।

তবে প্রধান কোচ রাসেল ডমিঙ্গোর দাবি, টিম পারফরম্যান্স অ্যানালিস্ট শ্রীনিবাস চন্দ্রশেকরন প্রতিপক্ষকে ইতোমধ্যে পর্যালোচনা করছেন। ডমিঙ্গো বলেন, ‘শ্রী আমাদের জন্য অনেক ভালো কিছু কাজ করেছে। সিপিএল ও ঘরোয়া টুর্নামেন্ট থেকে সকল খেলোয়াড়ের খেলার ফুটেজ পেয়েছেন এবং ক্লিপগুলো সংগ্রহ করেছেন সে।’

ফুটেজগুলো দেখার পর ডমিঙ্গো জানান, ওয়েস্ট ইন্ডিজকে হালকাভাবে নিলে বড় ধরনের ভুল করবে বাংলাদেশ। ডমিঙ্গো বলছেন, ২০২৩ বিশ্বকাপের মত মেগা আসরে একটি স্থিতিশীল দলের জন্য এই সিরিজটি সিরিজটি প্রথম ধাপ।

তবে দলের উপর আস্থা আছে ওয়েস্ট ইন্ডিজের। আশা ছাড়তে চাইছে না তারা। ক্যারিবীয়দের ভারপ্রাপ্ত অধিনায়ক জেসন মোহাম্মদ বলেন, ‘আমাদের লক্ষ্য, অবশ্যই সিরিজ জয়। ধারাবাহিকভাবে ভালো খেলা ও আমরা যে ফলটি আশা করছি, তা অর্জন করতে চাই।’

তবে আশা ছাড়তে রাজি নয় ওয়েস্ট ইন্ডিজও। ক্যারিবিয় অধিনায়ক জেসন মোহাম্মদ বলেছেন, ‘অবশ্যই আমাদের লক্ষ্য সিরিজ জয়। ভালো ফল পেতে আমাদের ধারাবাহিক ক্রিকেট খেলতে হবে’।

ওয়েস্ট ইন্ডিজের প্রধান কোচ ফিল সিমন্স জানান, সিরিজে তার দল আন্ডারডগ হিসেবে খেলবে, আর এটিই তাদের মনোবলকে বাড়িয়ে দিবে।

তিনি বলেন, ‘নতুন খেলোয়াড়রা তাদের প্রমাণ করতে প্রস্তুত। আমি তাদের চোখে প্রবল ইচ্ছা দেখেছি। তারা সবাই আমাকে মুগ্ধ করেছে। তবে এখানে আন্ডারডগ হওয়াতেই আমাদের মনোবল বাড়াচ্ছে।’

টাইগারদের চূড়ান্ত ওয়ানডে স্কোয়াড:

তামিম ইকবাল (অধিনায়ক), সাকিব আল হাসান, নাজমুল হোসেন শান্ত, মুশফিকুর রহিম, মোহাম্মদ মিঠুন, লিটন কুমার দাস, মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ, আফিফ হোসেন ধ্রুব, সৌম্য সরকার, তাসকিন আহমেদ, রুবেল হোসেন, তাইজুল ইসলাম, মুস্তাফিজুর রহমান, মেহেদী হাসান মিরাজ, মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন, মেহেদী হাসান, হাসান মাহমুদ ও শরিফুল ইসলাম।

ওয়েস্ট ইন্ডিজ ওয়ানডে স্কোয়াড:

জেসন মোহাম্মেদ (অধিনায়ক), সুনীল অ্যামব্রিস (সহ অধিনায়ক), রুমাহ বোনার, জশুয়া ডা সিলভা, কিওন হার্ডিং, জামার হ্যামিল্টন, চেমার হোল্ডার, আকিল হোসেন, আলঝারি জোসেফ, জাইল মায়ের্স, আন্দ্রে ম্যাককার্থি, কর্ন ওটলে, রবম্যান পাওয়েল, রেমন রেইফার, হেইডেন ওয়ালশ জুনিয়র।

ওয়ানডে সিরিজের সূচি:

১ম ওয়ানডে- ২০ জানুয়ারি, ২০২১, শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়াম, মিরপুর, ঢাকা

২য় ওয়ানডে- ২২ জানুয়ারি, ২০২১, শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়াম, মিরপুর, ঢাকা

৩য় ওয়ানডে- ২৫ জানুয়ারি, ২০২১, জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়াম, চট্টগ্রাম।

আবারো খুলছে মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার

 

করোনাভাইরাস পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলেই বাংলাদেশ থেকে শ্রমিক নেওয়ার বিষয়ে আগ্রহ দেখিয়েছে মালয়েশিয়া সরকার। এ জন্য শ্রমবাজারের প্রক্রিয়া-পদ্ধতি নিয়ে বাংলাদেশের কাছে প্রস্তাবও দিয়েছে মালয়েশিয়া। এই শ্রমবাজার চালু হলে মাত্র ছয় মাসেই চার লাখ শ্রমিক পাঠানো সম্ভব হবে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, মালয়েশিয়ার আগ্রহের পরও বাংলাদেশের বিভিন্ন মহলের নানান স্বার্থসংশ্লিষ্টতার কারণে বার বার পিছিয়ে যাচ্ছে শ্রমবাজার চালুর সিদ্ধান্ত। প্রশ্ন উঠেছে, শ্রমবাজার উন্মুক্ত করা নাকি বিভিন্ন মহলের স্বার্থরক্ষা কোনটা বেশি গুরুত্বপূর্ণ।

অবশ্য প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রী ইমরান আহমেদ বলেন, করোনাভাইরাস সংক্রমণে স্থবির হয়ে পড়া অর্থনীতি সচল করতেই মালয়েশিয়ার পক্ষ থেকে কর্মী নেওয়ার ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে। তারা একটি প্রস্তাব দিয়েছে। আমরা সেটা নিয়ে স্টাডি করছি। আশাকরি জানুয়ারিতেই একটা সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে পারব। এ ছাড়া শিগগির বসবে দ্বিপক্ষীয় ওয়ার্কিং গ্রুপের বৈঠক। চলতি মাসেই আসতে পারে সুখবর। কর্মী পাঠানোর সুযোগ মিললে শ্রমিক স্বার্থকে বড় করে দেখার কথা জোর দিয়ে জানিয়েছেন প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রী।

পরিসংখ্যান বলছে, গত এক বছরে তছনছ হয়ে গেছে বাংলাদেশের শ্রমবাজার। ২০২০ সালের জানুয়ারি থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত বিদেশে মোট কর্মী গেছেন ২ লাখ ১৭ হাজার ৬৬৯ জন। যা তার আগের বছর ২০১৯ সালের তুলনায় ৫ লাখ কম। এ বছর টার্গেট ৭ লাখ থাকলেও সেটা সম্ভব হয়নি একেবারেই। বিশ্বে লকডাউনের কারণে এপ্রিল থেকে আগস্ট পর্যন্ত বাংলাদেশ থেকে কোনো অভিবাসন হয়নি অর্থাৎ বিদেশে কোনো কর্মী যেতে পারেননি। করোনা মহামারীর আগে অর্থাৎ মার্চ পর্যন্ত বিদেশ গমনের যে ধারা অব্যাহত ছিল তা চলতে থাকলে এই বছর পূর্ববর্তী বছরের তুলনায় ৩ দশমিক ৫২ শতাংশ বৃদ্ধি পাওয়ার সম্ভাবনা ছিল। কিন্তু করোনাভাইরাসের প্রভাবে বছর শেষে কর্মী গমনের হার কমেছে প্রায় ৭১ দশমিক ৪৫ শতাংশ। তবে এ বছর কর্মী গমনের চেয়ে প্রত্যাবর্তন অর্থাৎ ফিরে আসার দিকে। ফেরত এসেছেন সোয়া তিন লাখের উপরে। বিপুল সংখ্যক এই কর্মী এখন দেশে বেকার জীবনযাপন করছেন। কবে শ্রমবাজার স্বাভাবিক হবে বা আদৌ হবে কিনা তা নিয়েই দুশ্চিন্তা তাদের। প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অনুযায়ী, চলতি বছরের ১ এপ্রিল থেকে ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত ৩ লাখ ২৬ হাজার ৭৫৮ জন অভিবাসী কর্মী দেশে ফেরত এসেছেন।

 

কাতার থেকে ফিরে আসা জাফর ইকবালের মতে, মধ্যপ্রাচ্যের বড় শ্রমবাজারগুলো যেভাবে একের পর এক বন্ধ হয়ে আসছে, তাতে মালয়েশিয়ার বাজার চালু হলে আমরা বেঁচে যাই। এখন বিশ্ব পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে মালয়েশিয়া যাওয়ার সুযোগ বের করাটা সরকারের কাছে আমাদের চাওয়া। সরকারি হিসাবে, অর্থনৈতিকভাবে শক্তিশালী হওয়ার পাশাপাশি, আধুনিক জীবনযাত্রা, ভালো উপার্জন আর সাংস্কৃতিক মিল থাকায় নিরিবিলি বসবাসের স্বপ্ন নিয়ে প্রতি বছর মালয়েশিয়ায় যান অসংখ্য কর্মী। বর্তমানে দেশটিতে রয়েছেন ১০ লাখেরও বেশি বাংলাদেশি। সবশেষ ২০১৮ সালে কর্মী যাওয়ার সংখ্যা প্রায় ১ লাখ ৭৬ হাজার। কিন্তু ওই বছরই সেপ্টেম্বরে দেশটির নতুন সরকার কর্মী নেওয়া বন্ধ করে দেওয়ায় এবং গত বছরজুড়ে করোনাভাইরাসের কারণে সেখানে কর্মী যাওয়ার সংখ্যা ছিল নামমাত্র। আবার দেশে ছুটি কাটাতে এসে সেখানে কর্মরত প্রায় ২৫ হাজার বাংলাদেশি করোনার কারণে আটকে রয়েছেন। এসব কর্মী এখন দিন গুনছেন ফিরে যাওয়ার।

সূত্র জানায়, দেশটির কৃষি ও নির্মাণ খাতে প্রায় ৬ লাখ লোক পাঠানো যাবে। শ্রমিকরা ১ লাখ ৬০ হাজার টাকার মধ্যে সেখানে যেতে পারবেন। মালয়েশিয়ার প্রস্তাবমতে ২৫ অথবা ৩০ রিক্রুটিং এজেন্সিকে লাইসেন্স দিয়ে লোকবল নেওয়া হবে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, মালয়েশিয়া বাংলাদেশ থেকে সরকারি পদ্ধতিতে জনশক্তি নেবে। রিক্রুটিং এজেন্সিগুলোর এখানে তেমন কোনো ভূমিকা নেই। দ্বিপক্ষীয় চুক্তির ভিত্তিতেই সব হবে। জিটুজি প্লাস পদ্ধতিতে মালয়েশিয়ার শ্রমিক রপ্তানির বিষয়ে সিন্ডিকেট নিয়ে নানান আলোচনা হলেও তখন মালয়েশিয়ার শ্রমবাজারে প্রতারণা বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। সমুদ্র পথে মালয়েশিয়া যাওয়ায় বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়া সরকার যে দুর্নামে পড়েছিল তা থেকে মুক্ত হয়েছে দুই দেশ। এক অর্থে মালয়েশিয়ায় মানব পাচার প্রায় বন্ধ হয়ে এসেছিল। ১৮ মাসে প্রায় ২ লাখ কর্মী পাঠানো সম্ভব হয়েছিল। আগের মতো শ্রমিকদের অভিযোগ ছিল না, অপেক্ষাকৃত নিরাপদ ও খুশি ছিল তারা। প্রথমবারের মতো বাংলাদেশ সোর্স কান্ট্রি হিসেবে মালয়েশিয়ায় মর্যাদা পেয়েছিল। শুধু তাই নয় মালয়েশিয়ার জিটুজি পদ্ধতি শুরুর আগে সৌদি আরব ও কাতারের অভিবাসন ব্যয় আকাশচুম্বী বেড়ে গিয়েছিল। তখন ১০ থেকে ১৬ লাখ টাকায় বিক্রি হতো সৌদির ভিসা। অন্যান্য ভিসা ট্রেডিংও বেড়েছিল অস্বাভাবিকভাবে। কিন্তু জিটুজি প্লাস চালুর পর সৌদি ও কাতারের অভিবাসন ব্যয় আড়াই লাখ টাকায় নেমে আসে।

উপহারের ২০ লাখ টিকা আসছে কালঃ দেয়া হবে ঢাকায়

করোনাভাইরাসের ২০ লাখ ডোজ টিকা আগামীকাল বুধবার দেশে আসছে। ভারতের সেরাম ইনস্টিটিউটে উৎপাদিত অক্সফোর্ডের এই টিকা সে দেশের সরকার উপহার হিসেবে দিচ্ছে। দেশে করোনার টিকা ব্যবস্থাপনায় যুক্ত দায়িত্বশীল পর্যায়ের এক সূত্র গতকাল সোমবার কালের কণ্ঠকে এই তথ্য জানিয়েছে।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেকও গতকাল সকালে মিট দ্য রিপোর্টার্স প্রগ্রামে অংশ নিয়ে বলেছেন, ভারত সরকার বাংলাদেশকে কিছু টিকা উপহার হিসেবে দেবে। যেকোনো সময় তা দেশে আসতে পারে। ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির ওই অনুষ্ঠানে টিকার পরিমাণ নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের পরও তিনি বিষয়টি খোলাসা করেননি।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী ওই অনুষ্ঠানে দেশে করোনা মোকাবেলায় সরকারের বিভিন্ন পদক্ষেপের তথ্য তুলে ধরে বলেন, “শুরু থেকে বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো আমরাও অনেক কিছুই জানতাম না। করোনাভাইরাস মোকাবেলার সঠিক ব্যবস্থা কী, সেটাই জানা ছিল না। ফলে এ বিষয়ে ‘অব্যবস্থাপনার’ প্রশ্ন তোলা ঠিক নয়। এতে আমার আপত্তি আছে। করোনার মধ্যেও স্বাস্থ্য খাতে অনেক উন্নতি হয়েছে। অনেক কাজ করতে গেলে কিছুটা ভুল হতেই পারে। আমরা সেগুলো শুধরে নিয়েছি। কিছু দুর্নীতি হয়েছে প্রাইভেটে। সেগুলো ধরে ফেলে শাস্তির আওতায় আনা হয়েছে।”

মন্ত্রী বলেন, ‘দেশে কখন করোনাভাইরাসের দ্বিতীয় ঢেউ এলো বা গেল, তা-ও বুঝতে পারলাম না। এখন আমাদের এখানে দৈনিক শনাক্ত ৫ শতাংশের নিচে। সরকারের নানা পদক্ষেপের কারণে এটা সম্ভব হয়েছে। সব মিলিয়ে বাংলাদেশ এখন ভালো আছে।’

মন্ত্রী বলেন, ‘সেরাম ইনস্টিটিউটের সঙ্গে আমাদের চুক্তির আওতায় থাকা তিন কোটি টিকার প্রথম লট আসবে আগামী ২৫-২৬ তারিখে। কিভাবে টিকাকেন্দ্র হবে, কোথায় টিকা দেওয়া হবে, কিভাবে রাখা হবে—এসব ঠিক করা হয়েছে। পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া কিভাবে ম্যানেজ করা হবে, সেগুলোও ঠিকঠাক করা হয়েছে।’

অনুষ্ঠানে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সভাপতি মুরসালিন নোমানী সভাপতিত্ব করেন এবং সাধারণ সম্পাদক মশিউর রহমান খান সঞ্চালনা করেন।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী পরে ইন্টারকন্টিনেন্টাল হোটেলে ‘কভিড-১৯ হেলথ বুলেটিন’ উদ্বোধন করেন। অনুষ্ঠানে আইসিটি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহেমদ পলক বিশেষ অতিথি ছিলেন। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. এ বি এম খোরশেদ আলমের সভাপতিত্বে এ অনুষ্ঠানে আরো ছিলেন স্বাস্থ্যসেবা সচিব মো. আবদুল মান্নান, স্বাস্থ্য শিক্ষা সচিব মো. আলী নূর, বিএমএ সভাপতি ডা. মোস্তফা জালাল মহিউদ্দিন, স্বাচিপ সভাপতি ডা. এম ইকবাল আর্সলান, মহাসচিব ডা. এম এ আজিদ, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক ডা. নাসিমা সুলতানাসহ অন্যরা।

 

যুক্তরাষ্ট্রের ক্যাপিটল হিলে লকডাউন !

‘নিরাপত্তার হুমকি’ থাকায় যুক্তরাষ্ট্রের ক্যাপিটল হিলে লকডাউন ঘোষণা করা হয়েছে।

সোমবার (১৮ জানুয়ারি) এ লকডাউন ঘোষণা করা হয়। বিবিসির খবরে বলা হয়, নবনির্বাচিত প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন শপথ নেওয়ার মাত্র দুদিন আগে নিরাপত্তার হুমকির অজুহাতে এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হলো।

এর আগে ৬ জানুয়ারি ট্রাম্প সমর্থকরা ক্যাপিটল হিলে হামলা চালালে এতে ৫ জনের মৃত্যু হয়। এ ঘটনা ছিল যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে নজিরবিহীন।

শপথ অনুষ্ঠান ঘিরে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। মোতায়েন করা হয়েছে নিরাপত্তা বাহিনীর হাজারো সদস্যকে।

ক্যাপিটলের কর্মীদের কাছে প্রচারিত একটি সতর্ক বার্তায় জানানো হয়েছে যে, ক্যাপিটল হিল লকডাউন করা হয়েছে। এখানে কেউ ঢুকতেও পারবে না এবং এখান থেকে কেউ বেরও হতে পারবে না।

এদিকে বুধবার (২০ জানুয়ারি) শপথ অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে যেন দেশজুড়ে কোনো সহিংসতা হতে না পারে সেজন্য নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে।

২০ জানুয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের নবনির্বাচিত প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন শপথ নেবেন।

পঞ্চম ধাপে নাচোল সহ যে ৩১ পৌরসভায় ভোট ২৮ ফেব্রুয়ারি

 

পঞ্চম ধাপে ৩১টি পৌরসভায় ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে আগামী ২৮ ফেব্রুয়ারি। এসব পৌরসভায় মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ দিন ২ ফেব্রুয়ারি, বাছাই ৪ ফেব্রুয়ারি, মনোনয়ন প্রত্যাহার ১১ ফেব্রুয়ারি এবং প্রতীক বরাদ্দ হবে ১২ ফেব্রুয়ারি।

মঙ্গলবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে এ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করেন ইসির জ্যেষ্ঠ সচিব মো. আলমগীর। তিনি বলেন, এ ধাপের সব পৌরসভায় ইভিএমের মাধ্যমে ভোটগ্রহণ করা হবে।

সচিব জানান, ভোটের দিন সাধারণ ছুটি থাকবে না। সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত বিরতিহীনভাবে ভোটগ্রহণ চলবে।

দেশের পৌরসভা রয়েছে মোট ৩২৯টি। প্রথম ধাপের তফসিলের ২৪টি পৌরসভায় ইভিএমে ভোট হয় ২৮ ডিসেম্বর। দ্বিতীয় ধাপে ৬০টি পৌরসভায় ১৬ জানুয়ারি ভোট হয়।

তৃতীয় ধাপে ৬৪টি পৌরসভায় ৩০ জানুয়ারি এবং চতুর্থ ধাপে ৫৬টি পৌরসভায় ১৪ ফেব্রুয়ারি ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।

আসছে বাংলাদেশের নতুন মাইকেল জ্যাকসন

একের পর এক চমক দেখাচ্ছেন সামাজিক মাধ্যম সাড়া জাগানো আশরাফুল আলম ওরফে হিরো আলম। এবার তিনি হাজির হতে যাচ্ছেন পপ কিংবদন্তি মাইকেল জ্যাকসন রূপে!

মঙ্গলবার (১৯ জানুয়ারি) হিরো আলমের নতুন গানের ভিডিওতে তাকে এই বেশে দেখা যাবে। তবে ‘কালা মাইকেল জ্যাকসন’ শিরোনামের ভিডিও প্রকাশের আগে নিজের ইউটিউব চ্যানেলে শুটিংয়ের সময়কার ভিডিও প্রকাশ করেছেন তিনি।

এ প্রসঙ্গে আলম বলেন, আমার মনে হয় কালা মাইকেল জ্যাকসন গানটির ভিডিও মানুষের ভালো লাগবে। আমি তো সব মানুষের জন্য গান বা ভিডিও করি না। প্রত্যেকের একটি ভক্তশ্রেণী রয়েছে। আমারও একটি ভক্তশ্রেণী রয়েছে যারা আমার গান দেখে শোনে, শোনে। আমি তাদের জন্যই কাজ করি।

গান গেয়ে তুমুল আলোচনা-সমালোচনার জন্ম দিয়েছেন হিরো আলম। তবে থেমে থাকেননি। সমালোচনার বন্যাকে উপেক্ষা করে একে একে ১০টি গান গেয়ে ফেলেছেন তিনি।

শুরুতে মূলত অভিনেতা হিসেবে নিজেকে পরিচয় দিতেন হিরো আলম। কিন্তু গত বছর ‘বাবু খাইছো’শিরোনামের একটি গানের মধ্য দিয়ে গায়ক হিসেবে আত্মপ্রকাশ ঘটে তার। এরপরই একে বাংলা, হিন্দি ও ইংরেজি গান প্রকাশ করে চলেছেন হিরো আলম।

শিবগঞ্জে গ্রাহককে হয়রানীর অভিযোগ এক এনজিও”র বিরুদ্ধে

 

শিবগঞ্জ(চাঁপাইনবাবগঞ্জ)প্রতিনিধি
চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জে এক এনজিও’র বিরুদ্ধে গ্রাহককে হয়রানী করার অভিযোগ উঠেছে। এনজিও টির ফাঁদে পড়ে সাধারণ মানুষকে হয়রানী ও হয়রানী হতে হচ্ছে বলেও অভিযোগ রয়েছে।লোন কার্যক্রম করার বৈধতা না থাকলেও এ এনজিও টির বিরুদ্ধে কোটি কোটি টাকা লোন দেয়ার অভিযোগ রয়েছে।এমনকি করোনাকালে চাপ প্রয়োগে গ্রাহকদের কাছ থেকে কিস্তি আদায় সহ মামলা ও হয়রানীর অভিযোগ উঠেছে।
মঙ্গলবার (১৯ জানুয়ারী) দুপুরে শিবগঞ্জ উপজেলার কানসাট বাজারে এক সংবাদ সম্মেলনে সোনামসজিদ সমতা সোসাইটি পল্লী উন্নয়ন প্রকল্প নামক একটি এনজিও’র বিরুদ্ধে এমন অভিযোগ উঠেছে। সোনামসজিদ বালিয়াদিঘী গ্রামের ২জন গ্রাহক করোনাকালে কিস্তি না দেয়ার অভিযোগে মিথ্যা মামলা করে হয়রানীর প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন করেছে ভুক্তভোগী গ্রাহক দ্বয়ের পরিবার। আব্দুল আলিমের ছেলে মো. তারেক রহমান সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে জানান , গত তিন বছর আগে তিনি ও তার ভাই আতিকুল সোনামসজিদ সমতা সোসাইটি পল্লী উন্নয়ন প্রকল্প থেকে ৩৮ লাখ টাকা লোন নিয়ে পাথরের ব্যবসা করে আসছিলেন। পরবর্তীতে প্রায় ২২ লাখ টাকা পরিশোধ করার পর করোনায় সোনামসজিদ বন্দর বন্ধ হয়ে যাওয়ায় এবং ব্যবসা বানিজ্যে ধস নামায় বাকী টাকা পরে দেয়ার অনুরোধ জানান। কিন্তু অবশিষ্ট সুদ সহ ১৬ লাখ টাকার কিস্তি করোনাকালে দিতে না পারায় প্রাণনাশের হুমকি ও পরে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানী আরম্ভ করে সোনামসজিদ সমতা সোসাইটি পল্লী উন্নয়ন প্রকল্পের পরিচালক মো. আহসান হাবিব। তার দাবী লোন নেয়ার সময় শিবগঞ্জ শাখার ইসলামী ব্যাংকের একটি ফাঁকা চেকে স্বাক্ষর করিয়ে আদালতে ট্রাক কেনার জন্য ধারের টাকা ৩৩ লাখ টাকা পাবার দাবী করে এনজিওটি। তার অভিযোগ মুল টাকা ১০ লাখ সহ ১৬ লাখ টাকা পরিশোধযোগ্য হলেও ঐ এনজিও মালিক এনজিও এর বিষয়টি এড়িয়ে ধারের টাকা নেয়ার অভিযোগে ফাঁকা চেকটিতে ৩৩ লাখ টাকা বসিয়ে লিগ্যাল নোটিশের মাধ্যমে মিথ্যা মামলা করার পাঁয়তারা করছে।
তারেকের দাবী এর আগে ঐ এনজিও মালিক শিবগঞ্জ থানায় তাকে,তার ভাই ও পিতা- মাতার বিরুদ্ধে মিথ্যে অভিযোগ দেয়ার পর থানা র্কতৃপক্ষ এর সত্যতা না পেয়ে অভিযোগটি খারিজ করে দেয়। সংবাদ সম্মেলনে তারেক রহমান ও তার ভাইকে যে হয়রানী করা হচ্ছে সে ব্যাপারে প্রশাসনের সুদৃষ্টি কামনা করেন।
এ ব্যাপারে অভিযুক্ত ব্যক্তি আহসানের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি দাবী করেন তারেক নয় তারেকের ভাই আতিকুল ৩৫ লাখ টাকা লোন দিয়ে পরিশোধ না করায় স্থানীয়ভাবে শালিসে আতিকুলকে একমাসের মধ্যে টাকা দেয়ার নির্দেশ দেয়া হয়েছে। তবে এখনও আদালতে কোন মামলা হয়নি।
তার এনজিও লোন কার্যক্রম চালাতে পারবে কি না এ ব্যাপারে তিনি জানান, তার এনজিও লোন কার্যক্রম চালানোর কোন নিবন্ধন এখনও পায়নি।একসাথে ৩৫ লাখ টাকা কোন এনজিও লোন দিতে পারার বিষয়ে তিনি দাবী করেন আতœীয় হিসেবে তাকে টাকা দেয়া হয়েছে।এত টাকা দেয়াটা ভ’ল সিদ্ধান্ত ছিল তাদের।
প্রসঙ্গত: জেলা প্রশাসনের দেয়া তথ্যমতে জেলায় কর্মরত ৪২ টি এনজিও তাদের ক্ষুদ্র লোন কার্যক্রম পরিচালনা করতে পারলেও শিবগঞ্জ উপজেলায় সোনামসজিদ সমতা সোসাইটি পল্লী উন্নয়ন প্রকল্প সহ দেড় শতাধিক এনজিও অবৈধভাবে তাদের লোন কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে। এরমধ্যে ৩টি এনজিও রাতের আঁধারে কার্যক্রম গুটিয়ে পালিয়ে গেছে।