সর্বশেষ সংবাদ ১৬ই ডিসেম্বরের মধ্যে রাজাকারদের সম্পূর্ণ তালিকা প্রকাশ আন্তর্জাতিক মানের হচ্ছে মাদ্রাসা শিক্ষা ২৭ জানুয়ারি রাজধানীর কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে প্রথম যে টিকা দিবেন এবার ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক চার লেন হচ্ছে সোনামসজিদ বন্দর দিয়ে চাল আমদানি ১২১৬ মে.টন চাঁপাইনবাবগঞ্জে স্বেচ্ছাসেবী নারী সংগঠনের উদ্বোধন বিভিন্ন দাবীতে চাঁপাইনবাবগঞ্জে শিক্ষকদের মানববন্ধন চাঁপাইনবাবগঞ্জে ৫৯ বিজিবি’র ফেন্সিডিল উদ্ধার র‌্যাবের অভিযানে চাঁপাইনবাবগঞ্জে ৯৯৫ ইয়াবা ট্যাবলেটসহ আটক-১ প্রাথমিকে পেনশন নিয়ে সুখবর

চাঁপাইনবাবগঞ্জে ভোক্তা অধিকারের অবহিতকরণ ও বাস্তবায়ন বিষয়ক সেমিনার

নিজস্ব প্রতিবেদক, চাঁপাইনবাবগঞ্জ :
চাঁপাইনবাবগঞ্জে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন অবহিতকরণ ও বাস্তবায়ন বিষয়ক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে।

২৫ নভেম্বর বুধবার বিকেল সাড়ে ৩ টায় জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের হল রুমে এ সেমিনারটি অনুষ্ঠিত হয়।

এতে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক এ.কে এম তাজকির-উজ্জ-জামান সভাপতিত্ব করেন। অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, এনডিসি মো. রবিন মিয়া, ভোক্তা অধিকারের সহকারি পরিচালক মো. জোহরুল ইসলাম, জেলা সেনেটারী ইন্সেপেক্টর কোবাদ আলী, চেম্বারের সহকারী পরিচালক মো. শহিদুল ইসলাম।

ক্যাবের সভাপতি আব্দুল হান্নান, ব্যবসায়ীদের মধ্যে মো. নাসির আলী, মোশারফ হোসেনসহ অন্যরা। সেমিনারে ভোক্তা অধিকার আইন বাস্তবায়ন নিয়ে আলোচনা করা হয়।

চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্তে বিজিবির অভিযানে ৪০ হাজার টাকার মাদকসহ গ্রেপ্তার ১

নিজস্ব প্রতিবেদক, চাঁপাইনবাবগঞ্জ :
চাঁপাইনবাবগঞ্জের সীমান্ত এলাকা শিবগঞ্জের তেলকুপির একটি মাঠে ২৫ বোতল ফেনসিডিল এবং ১০০ পিস ইয়াবাসহ ১জনকে গ্রেপ্তার করেছে ৫৯ বিজিবির একটি টহল দল।

গ্রেপ্তারকৃত আসামী হচ্ছে শিবগঞ্জ উপজেলার মোল্লাটোলা তেলকুপি এলাকার এমতাজ আলীর ছেলে মো. সেলিম রেজা (৩০)।

জানা গেছে, ২৫ নভেম্বর বুধবার দুপুর সাড়ে ১২ টার দিকে তেলকুপি বিওপির নায়েব সুবেদার মো. মোজাম্মেল হকের নেতৃত্বে টহল দল সীমান্ত পিলার ১৮০/৮-এস হতে আনুমানিক ২০০ গজ বাংলাদেশের অভ্যন্তরে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে।

এ সময় ২৫ বোতল ফেনসিডিল এবং ১০০ পিস ইয়াবাসহ সেলিমকে হাতেনাতে গ্রেপ্তার করে বিজিবি। উদ্ধার মাদকের আনুমানিক সিজার মূল্য ৪০ হাজার টাকা।

এ ব্যাপারে ৫৯ বিজিবি রহনপুর ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে. কর্ণেল মাহমুদুল হাসান পিএসসি মাদকসহ ১ জন গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এ ছাড়াও তিনি সীমান্তে সকল ধরণের চোরাচালানের বিরুদ্ধে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের এই অভিযান অব্যাহত রাখার ব্যাপারে দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। আসামীর বিরুদ্ধে শিবগঞ্জ থানায় একটি মামলা রুজু করা হয়েছে।

মহাসড়কে ইমার্জেন্সি লেন

চার লেনের ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক ১০ লেনে উন্নীত করা হচ্ছে। এই ১০ লেনের মধ্যে থাকছে দুটি ইমার্জেন্সি লেন। এগুলো দিয়ে চলবে অ্যাম্বুলেন্স, ভিআইপি ও নিরাপত্তাবাহিনীর গাড়ি। এর মাধ্যমে প্রথমবারের মতো ইমার্জেন্সি লেন হচ্ছে দেশের কোনো মহাসড়কে।

এর আগে ঢাকা-জয়দেবপুর-ময়মনসিংহ চার লেন মহাসড়ককে ১০ লেনের এক্সপ্রেসওয়েতে উন্নীত করার জন্য একটি প্রস্তাবে অনুমোদন দেয় অর্থনৈতিক বিষয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি। এ প্রকল্পের ব্যয় ধরা হয়েছে ৩ হাজার ৩৫৩ কোটি টাকা। প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করবে কোরিয়ান কোম্পানি।

গত ৩০ সেপ্টেম্বর অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামালের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত অর্থনৈতিক বিষয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির ভার্চুয়াল সভায় এ সংক্রান্ত প্রস্তাবটির নীতিগত অনুমোদন দেওয়া হয়। সে সময় অর্থমন্ত্রী জানান, কাজটির জন্য প্রাথমিকভাবে ব্যয় নির্ধারণ করা হয়েছে ৩ হাজার ৩৫৩ কোটি টাকা। এ টাকা পুরোটাই কোরিয়ান কোম্পানি দেবে। সরকারকে এ ক্ষেত্রে টাকা দিতে হবে না। কারণ এখন যে চার লেন মহাসড়ক রয়েছে, সেটি সরকার নিজে করেছে। এ কাজের জন্য যে পুনর্বাসন করতে হবে, তার জন্য ২৮০ কোটি টাকা আর ইউটিলিটি স্থানান্তরের জন্য ১০০ কোটি টাকা সরকার বহন করবে। বাকি তিন হাজার ৩৫৩ কোটি টাকা কোরিয়ান কোম্পানিটি বহন করবে। জানা গেছে, জয়দেবপুর থেকে ময়মনসিংহ পর্যন্ত মহাসড়কটি দুই লেন থেকে চারলেনে উন্নীত করা হয় ২০১৬ সালে। চারলেনে উন্নীত করার চার বছরের মাথায় মহাসড়কটি আরো স¤প্রসারণের উদ্যোগ নেয় সরকার। চার লেনকে ১০ লেনে উন্নীত করার মাধ্যমে দেশের সবচেয়ে বেশি লেনবিশিষ্ট মহাসড়ক হতে যাচ্ছে এটি। এর আগে যাত্রাবাড়ী থেকে শিমরাইল পর্যন্ত মহাসড়ককে ৮ লেনে উন্নীত করা হয়েছিল।

সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তর সূত্র জানায়, জয়দেবপুর-ময়মনসিংহ মহাসড়কে এখনকার চার লেনের পাশাপাশি ১০ ফুট প্রশস্ত করে দুই পাশে ব্যারিয়ার দিয়ে ইমার্জেন্সি লেন নির্মাণ করা হবে, যা দিয়ে শুধু অ্যাম্বুলেন্স, নিরাপত্তা গাড়ি, ভিআইপিসহ যেকোনো জরুরি কাজে নিয়োজিত গাড়ি চলাচল করবে। এরপর আরও ১৮ থেকে ২৪ ফুট করে স্বল্প গতির যান চলাচলের জন্য আলাদা দু’টি করে লেন করা হবে দুই পাশে। সব মিলিয়ে একপাশে পাঁচটি সড়ক লেনসহ দু’পাশে ১০ লেনের সড়ক নির্মাণের পরিকল্পনা করা হয়েছে। দু’পাশের অন্য সড়ক থেকে এক্সপ্রেসওয়ে সড়কে উঠতে ও বের হতে প্রতি ২-৩ কিলোমিটার পর পর আন্ডারপাস ইউটার্ন নির্মাণ করা হবে।

সূত্র জানায়, ‘ইমপ্রুভমেন্ট ঢাকা জয়দেবপুর ময়মনসিংহ রোড ইনটু এক্সপ্রেসওয়ে উইথ সার্ভিস লেন বোথ সাইড’ শীর্ষক প্রকল্পটির প্রাক্কলিত ব্যয় ধরা হয়েছে ৩ হাজার ৩৫৩ কোটি টাকা। এক্সপ্রেসওয়েটি নির্মাণ করবে দক্ষিণ কোরিয়ার প্রতিষ্ঠান কোরিয়া ওভারসিস অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট করপোরেশন।

২০১১ সালের শেষ দিকে জয়দেবপুর-ময়মনসিংহ মহাসড়কটি চারলেনে উন্নীত করার কাজ শুরু হয়। নির্মাণ শেষে মহাসড়কটি আনুষ্ঠানিকভাবে চালু হয় ২০১৬ সালের মাঝামাঝি। প্রায় ৮৮ কিলোমিটার দীর্ঘ এ মহাসড়কটি চারলেনে উন্নীত করতে ব্যয় হয় ১ হাজার ৮০০ কোটি টাকা। চারলেনে উন্নীত হলেও প্রয়োজনীয় রক্ষণাবেক্ষণ না হওয়ায় মহাসড়কটি বিভিন্ন স্থানে ক্ষত-বিক্ষত হয়ে গেছে।

সড়ক ও জনপথ (সওজ) অধিদপ্তরের অধীনে বর্তমানে সারা দেশে ২২ হাজার কিলোমিটারের বেশি মহাসড়ক রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় চার হাজার কিলোমিটার জাতীয় মহাসড়ক, ৪ হাজার ৮৮২ কিলোমিটার আঞ্চলিক মহাসড়ক ও প্রায় সাড়ে ১৩ হাজার কিলোমিটার জেলা মহাসড়ক। এসব সড়কের মধ্যে ঢাকা-চট্টগ্রাম, ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক দুটি চারলেনে উন্নীত করা হয়েছে।

ঢাকা থেকে টাঙ্গাইল হয়ে রংপুর, ঢাকা-সিলেটসহ আরো একাধিক মহাসড়ক চারলেনে উন্নীতের কাজ চলমান আছে। পর্যায়ক্রমে দেশের সব মহাসড়ক চারলেনে উন্নীত করার পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের।

প্রথমবারের মতো ৯৯৯ এর জন্য পৃথক গাড়ি


৯৯৯ এর জরুরি সেবা আরও ত্বরান্বিত করতে প্রথমবারের মতো চালু হল আলাদা গাড়ি।

বগুড়া জেলা পুলিশে এই জরুরি সেবা নতুন তিনটি গাড়ি সংযোজন করা হয়েছে।

মঙ্গলবার দুপুর সাড়ে ১২টায় বাংলাদেশ পুলিশ রাজশাহী রেঞ্জের ডিআইজি মো. আব্দুল বাতেন বগুড়া জেলা পুলিশের জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ এর জন্য নির্ধারিত তিনটি পিক-আপ ভ্যান উদ্বোধন করেছেন।

এ সময় পুলিশ সুপার জনাব মো. আলী আশরাফ ভুঁইয়াসহ জেলা পুলিশের সকল ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

বগুড়া জেলা পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, বগুড়ায় জাতীয় জরুরি সেবা দিতে জেলা পুলিশ সীমিত যানবাহন নিয়ে হিমশিম খাচ্ছিল। এরপর পুলিশ সুপার বগুড়া রেঞ্জ ডিআইজির নির্দেশনায় নিজস্ব উদ্যোগে গাড়ি তিনটি সংযোজন করা হয়। এ গাড়িগুলো জেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে ৯৯৯ এ আসা কলগুলোকে সেবা প্রদান করবে।

এ ব্যাপারে বগুড়ার পুলিশ সুপার মো. আলী আশরাফ ভুঁইয়া যুগান্তরকে বলেন, ৯৯৯ এর জনপ্রিয়তা দিন দিন বেড়েই চলেছে। বেড়েছে সেবা প্রার্থীর সংখ্যাও। যে হারে সেবা প্রার্থীর সংখ্যা বাড়ছে সেই হারে আমরা খুব দ্রুত সময়ে তাদেরকে সার্ভিস দিতে হলে ৯৯৯ এর জন্য ডেডিকেটেড গাড়ি হলে ভালো হয়। এই বিষয়টাকে সামনে রেখে আমরা বগুড়া জেলায় ৯৯৯ এর জন্য আলাদা তিনটি গাড়ি যোগ করেছি। যেগুলো শুধু ৯৯৯ এর কলে এটেন্ট করবে। টিম যথাসম্ভব দ্রুত সময়ের মধ্যে তাদের কাছে পৌঁছে যাবে। এতে সেবা প্রার্থীরা বেশি উপকৃত হবেন বলে মনে করেন এসপি আলী আশরাফ ভুঁইয়া।

প্রসঙ্গত প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়ের প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধানে ২০১৭ সালের ১২ ডিসেম্বর চালু হয় জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯। এই সেবায় বাংলাদেশ পুলিশ, অ্যাম্বুলেন্স ও ফায়ার সার্ভিস দ্রুততার সঙ্গে সেবা প্রদান করে যাচ্ছে। সেবাটি দেশব্যাপী বিপুল জনপ্রিয়তা অর্জন করেছে।

৯ জনের মৃত্যুর পরও চলছে ভারী যান: জলাবদ্ধতায় বাড়ছে প্রাকৃতিক বির্পযয় ও প্রাণহানি

এ কে এস রোকন:

গত ১৯ নভেম্বর একসাথে ৯ জনের প্রানহানির অন্যতম প্রধান কারন জলাবদ্ধতা ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের অবহেলা। পরদিন সরজমিনে জেলার শিবগঞ্জ উপজেলার ভাঙ্গাসাকো এলাকাটি সরজমিনে পরিদর্শন শেষে এমনই চিত্র উঠে এসেছে।জলাবদ্ধতা নিরসন ও রাস্তা সংষ্কারের একাধিকবার আবেদন করেও কোন ফলাফল না পাওয়ার অভিযোগ রয়েছে।
ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখা গেছে উপজেলার দাইপুখুরিয়া ইউনিয়নের গ্রামটির পাশে রয়েছে অন্তত ৮ হাজার বিঘার বিশাল একটি বিল,যার নাম ঘোড়াদহ বিল।বিলের এক তৃতীয়াংশ দাইপুখুরিয়া ইউনিয়নে এবং বাকি অংশ শাহবাজপুর ও মোবারকপুর ইউনিয়নে। বিলের মাঝ দিয়ে সরু পীচ ঢালায় ক্ষতিগ্রস্থ রাস্তা। রাস্তাটি চাঁপাইনবাবগঞ্জ-সোনামসজিদ মহাসড়কের সাথে যুক্ত হওয়ায় বারিকবাজার,হাউসনগর,মিয়াপুর,বাঘবাড়ি,লাতোড় ,ভাঙ্গাসাকো,গাজিপুর সহ বেশ কয়েকটি গ্রামের ১০ হাজার লোক চলাফেরা করে থাকে। পাশাপাশি এসব এলাকার ৩০ হাজার মানুষ ঘোড়াদহ বিলের সাথে অর্থনৈতিক কর্মকান্ডে জড়িত।বিশেষ করে ভাঙ্গাসাঁকো এলাকার ৩ হাজার পরিবার সরাসরি বিলটির সাথে অর্থনৈতিক কর্মকান্ডে জড়িত। গত এক বছরে বিলটির বিভিন্ন স্থানে শতাধিক পুকুর হওয়ায় চার ভাগের ৩ ভাগ জমিই এখন জলাবদ্ধতার শিকার। সে বিলে চাষ হতো মাছ এবং শুষ্ক মৌসুমে বিভিন্ন ফসল। সম্প্রতি আমের ব্যপক চাষের ধারাবাহিকতায় অপেক্ষাকৃত উচু জায়গাগুলোতে লাগানো হয় আমগাছ। কিন্তু সরজমিনে গিয়ে দেখা গেছে পুরো এলাকায় শতাধিক পুকুর বানিয়ে পাড়গুলো উঁচু করে বাধিয়ে ফেলায় জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে।এতে করে সম্প্রতি লাগানো আমগাছ গুলো মারা যাচ্ছে।জলাবদ্ধতার কারনে কৃষকরা কোন ফসল চাষ করতে পারছেনা। পুরো এলাকাটি রয়েছে পনির নিচে পতিত পড়ে। গ্রামের মধ্যেই একটি কারিগরি স্কুল থাকলেও সেটি বর্তমানে পানিতে ডুবে রয়েছে।বিদ্যালয়টির মাঠ সহ বিভিন্ন স্থানে জলাবদ্ধতার কারনে বিদ্যালয়ে কেউ প্রবেশ করতে পারছেনা। পাশাপাশি পিরোজপুর- বারিকবাজার সড়কটির অধিকাংশ স্থানের ২ পাশে পানি জমে থাকায় এবং সরু রাস্তাটি দিয়ে অতিরিক্ত পন্য বোঝায় অবৈধ বিভিন্ন যান দ্রুত বেগে চলাচল করায় রাস্তাটি ব্যপক হারে ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে। প্রতিনিয়ত রাস্তাটি পানির তোরে ভেঙ্গে খাঁদের সৃষ্টি হচ্ছে। শুক্রবার রাতে এ সরু ভাঙ্গা রাস্তা দিয়ে সিমেন্ট বোঝায় একটি বড় ট্রাক প্রবেশ করায় রাস্তাটির আরও ঝুঁকিপূর্ন হয়ে পড়েছে। এতে করে আবারো বড় ধরনের কোন অঘটনের আশংকা থেকেই যাচ্ছে।
গ্রামবাসী শফিকুল ইসলাম মুন্সী জানান, পুকুরগুলো খননের সময় এ নিয়ে উপজেলা ও জেলা প্রশাসন অফিসে একাধিকবার অভিযোগ দেয়ার পরও পুকুর খনন বন্ধ হয়নি।পানি নিষ্কাশনের বিকল্প কোন ব্যবস্তাও করেনি কেউ। মুলত পানি নিষ্কাষন না হওয়ায় এ জলাবদ্ধতা বলে দাবী তার।
একই এলাকার জুয়েল জানান, এলাকাবাসীর দাবী অগাহ্য করে প্রশাসনের খামখেয়ালিপনায় এ পুকুর গুলোর জন্ম। আর এ কারনেই আজকের এ পরিবেশ বিপর্যয়।
অপরদিকে স্থানীয় যুবলীগ নেতা আলমগীর কবির জানান, তারা একাধিকবার চেয়ারম্যান ও সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ড সদস্যকে জলাবদ্ধতা নিরসন এবং রাস্তাটি মেরামতের আবেদন করেও কোন ফল পাননি।তার অভিযোগ পুকুর খননকারীদের কাছে আর্থিক সুবিধা নিয়ে চেয়ারম্যান ও ওয়ার্ড সদস্যরা পুকুর খননে সহায়তা করেছে।রাস্তা  মেরামতের জন্য বার বার তাগাদা দেয়ার পরও চেয়ারম্যান তাতে কর্ণপাত করেনি।

একই এলাকার জোবদুল হক এটি দুর্ঘটনা না বলে হত্যাকান্ড বলে দাবী করেন।তিনি জানান,রাস্তাটির ২ পাশে জলাবদ্ধতা ও মাছ চাষের কারনে রাস্তার মাটি প্রতিনয়তই সরে যাচ্ছে।এর আগে একই এলাকায় কয়েকটি দুর্ঘটনা ঘটার পরও প্রশাসনের টনক নড়েনি।তার প্রশ্ন আর কত লাশ পেলে রাস্তাটি সংষ্কার হবে?

সোনামসজিদ মাধ্যমিক ও কারিগরি ভকেসনাল ইন্সিটিটিউটের শিক্ষার্থী আব্দুর রাকিব জানান,গত ৬ মাস থেকে তাদের বিদ্যালয়টি জলমগ্ন হয়ে রয়েছে।করোনার কারনে বিদ্যালয় বন্ধ না থাকলে এ বিদ্যালয়টিতে শিক্ষা কার্যক্রম চালানো সম্ভব হতোনা।
বিদ্যালয়টি পরিচালনা কমিটির সভাপতি মোশারফ হোসেন জানান, তাদের বিদ্যালয়টি দীর্ঘদিন জলমগ্ন থাকায় এর পরিবেশ নষ্ট হয়ে গেছে। মাত্রারিক্ত পুকুর খননের মাধ্যমে পানি নিষ্কাষন বন্ধ হওয়ায় এ জলাবদ্ধাতা।দ্রুত পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা না করলে এ এলাকার গাছপালা সব নষ্ট হয়ে যাবে।বির্পযয় হবে পরিবেশের।

এ ব্যাপারে দাইপুখুরিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো: আতিকুল ইসলাম জুয়েল তার বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, তিনি উপজেলা পরিষদের একাধিক সভায় জলাবদ্ধতা নিরসনের এবং রাস্তার ২ পাশে প্রটেকসন ওয়াল নির্মানের তাগাদা দিলেও অজ্ঞাত কারনে তা বস্তবায়ন হয়নি।

অপরদিকে শিবগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার সাকিব আল রাব্বি জানান, তিনি যোগদানের আগেই এসব পুকুর খনন হওয়ায় তার কিছু করনীয় ছিলনা।তবে পরিবেশ বির্পযয় রোধে অতিদ্রুত একটি ক্যানেল খনন করে আটকেপড়া পানি পাগলা নদীতে ফেলার ব্যবস্থা করা হবে।পাশাপাশি সাময়িক ভাবে রাস্তাটি মেরামতের পর রাস্তা সংষ্কারে দীর্ঘমেয়াদি উদ্যোগ নেয়া হবে।

প্রসঙ্গত: গত ৬ মাস ধরে পিরোজপুর-বারিকবাজার সড়কটি জলাবদ্ধতার কারনে ক্ষতিগ্রস্থ হলেও সংষ্কার না হওয়ায় এবং জলাবদ্ধতা নিরসনের কোন উদ্যোগ না নেয়ায় গত ১৯ নভেম্বর ধান বোঝাই একটি ভুটভুটি জলাবদ্ধ পানিতে উল্টে গিয়ে ধানের বস্তার নিচে চাপা পড়ে মারা যায় ৯ শ্রমিক।

বৈধতা পাচ্ছে দালালরা, ডিসেম্বরে শুরু নিবন্ধন

জনশক্তি রপ্তানিতে প্রত্যক্ষ ভূমিকায় থাকা দালালরা বৈধতা পেতে চলেছে। প্রতারণা কমানোর অংশ হিসেবে এ সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করতে চলেছে সরকার। এর ফলে কোনো রিক্রুটিং এজেন্সির কোনো দালালের মাধ্যমে প্রবাসে গিয়ে শ্রমিক প্রতারিত হলে তা নির্ধারণ করা সহজ হবে। বর্তমানে গ্রামগঞ্জের সাধারণ মানুষ এই দালালদের মাধ্যমেই মূলত বিদেশে যায়। পরে প্রতারিত হলে আর রিক্রুটিং এজেন্সির নাম-পরিচয় বলতে পারে না। আবার নাম-পরিচয় বললেও এজেন্সিগুলো দালালদের দায় স্বীকার করে না। এ পরিস্থিতির অবসানের জন্যই দালালদের নিবন্ধনের আওতায় আনার এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। দালাল নিবন্ধনের এ প্রক্রিয়া নির্ধারণের জন্য জনশক্তি, কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরোর মহাপরিচালক ও বেসরকারি এজেন্সিগুলোর মালিকদের সংগঠন বায়রার প্রতিনিধিসহ একটি কমিটি করা হয়েছে। জানা যায়, দেশের জনশক্তি রপ্তানির কোনো আইনেই দালাল বা মধ্যস্বত্বভোগী বলে কিছু নেই। অথচ গ্রামগঞ্জ ও শহরে ছড়িয়ে আছে ৫০ হাজার থেকে লাখখানেক দালাল। তারাই বছরের পর বছর ধরে জনশক্তি রপ্তানির নিয়ন্ত্রক। জনশক্তি রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠানগুলো বিদেশে লোক পাঠাতে সরাসরি এই দালালদের ওপরই নির্ভর করে। তাই প্রতারণা কোনোভাবেই বন্ধ হচ্ছে না। এই ‘দালাল’ বা ‘উপ-দালাল’ প্রতিপালন করে থাকে মূলত রিক্রুটিং এজেন্সিগুলোই। বেশির ভাগ রিক্রুটিং এজেন্সি পুরোটাই দালালনির্ভর। মূলত তাদের নিয়োগকৃত দালালরাই বিভিন্ন গ্রামে ঘুরে ঘুরে কর্মী সংগ্রহ করেন। দালালরা সংগৃহীত প্রতি কর্মী বাবদ এজেন্সিগুলোর কাছ থেকে একটি নির্দিষ্ট কমিশন যেমন পেয়ে থাকেন, তেমনি আবার নানা প্রলোভন দেখিয়ে তারা গোপনে অতিরিক্ত টাকা নিয়ে থাকেন। বেশির ভাগ দালালই অভিবাসী হতে ইচ্ছুক কর্মীদের কাছে মিথ্যা তথ্য উপস্থাপন করেন। বেশি বেতন আর সুযোগ-সুবিধার কথা বলে তারা অভিবাসী হতে ইচ্ছুকদের আয়ত্তে নেন। এরপর পাসপোর্ট তৈরি, মেডিকেল টেস্ট, সত্যায়ন, ভিসা ক্রয়- এরকম নানান খাত দেখিয়ে অতিরিক্ত টাকা আদায় করে নেন। দালালদের খপ্পরে সবচেয়ে বেশি পড়ে লেখাপড়া না জানা অদক্ষ কর্মীরা।

বাংলাদেশের অভিবাসন নিয়ে কাজ করা বেসরকারি গবেষণা সংস্থা রামরুর পক্ষ থেকে প্রায় দেড় যুগ ধরে দালালদের নিবন্ধনের আওতায় নেওয়ার সুপারিশ করা হয়েছিল। রামরুর সমন্বয়ক এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের অধ্যাপক সি আর আবরার বলেন, বিদেশগামী এবং রিক্রুটিং এজেন্সি দুই পক্ষই এখন দালালদের ওপর নির্ভরশীল। একজন কর্মী বিদেশে যেতে চাইলে কোথায় যাবেন, কী করবেন সে ব্যাপারে যথেষ্ট সরকারি তথ্য নেই। এই সুযোগ নেয় দালালরা। আবার রিক্রুটিং এজেন্সিগুলোর তৃণমূলে কোনো কার্যক্রম নেই। তাদের সবার অফিস ঢাকায়। ফলে তাদেরও বিদেশে পাঠানোর জন্য লোক আনতে এই দালালদের ওপর নির্ভর করতে হয়। এভাবেই দালাল প্রথা টিকে আছে বছরের পর বছর। তার মতে, বাংলাদেশ থেকে বিদেশে যাওয়ার খরচ পৃথিবীর মধ্যে সবচেয়ে বেশি। এর অন্যতম কারণ এই দালাল প্রথা। যত হাত ঘোরে, অভিবাসন খরচ তত বাড়ে। বিএমইটি মহাপরিচালক শামসুল আলম বলেন, রিক্রুটিং এজেন্সিগুলোকে লাইসেন্স দেওয়া হয়েছে অভিবাসন আইন অনুযায়ী। প্রতিনিধি বা দালাল যাই বলা হোক না কেন তারা একসঙ্গে দুটি এজেন্সিতে কাজ করতে পারবে না। কোনো অপরাধ করলে তাদের যেন আটক করার সুযোগ থাকে।

জানা যায়, প্রতি বছর বাংলাদেশ থেকে গড়ে বিদেশে যান ৫ লাখের বেশি বাংলাদেশি। আরও লক্ষাধিক কর্মী টাকা দিয়েও বিদেশে যেতে পারেন না। পাশাপাশি এক-তৃতীয়াংশ কর্মী বিদেশে গিয়ে বিভিন্নভাবে প্রতারিত হয়ে থাকে। এসব প্রতারিতের বেশির ভাগের জন্যই এজেন্সিগুলোকে শাস্তির আওতায় আনা সম্ভব হয় না। কারণ বেশির ভাগ কাজই হয় দালালদের মাধ্যমে। আর বাংলাদেশের অভিবাসন প্রত্যাশীদের বড় অংশ আসলে রিক্রুটিং এজেন্সিগুলোর চেয়ে দালালদের ওপরই বেশি আস্থা রাখেন।

মার্চেই উদ্বোধন ৫০ মডেল মসজিদ


ধর্মপ্রাণ মুসল্লিরা যাতে ইসলামের প্রকৃত শিক্ষা ও সংস্কৃতি ভালোভাবে রপ্ত করতে পারেন- সেই লক্ষ্যে মডেল মসজিদ ও ইসলামি সাংস্কৃতিক কেন্দ্র নির্মাণের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। ২০১৮ সালের ৫ এপ্রিল নেয়া এই প্রকল্পের আওতায় সারা দেশে ৫৬০টি মডেল মসজিদ নির্মাণ করার কথা।

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে এর মধ্যে ৫০টি মডেল মসজিদ আগামী মার্চেই উদ্বোধনের কথা রয়েছে।

জেলা প্রতিনিধিরা জানিয়েছেন, ফেব্রুয়ারির আগেই প্রস্তুত হয়ে যেতে পরে ৫০টি মসজিদের বেশিরভাগ।

প্রকল্প পরিকল্পনা অনুযায়ী, সারা দেশে মডেল মসজিদ ও ইসলামিক সাংস্কৃতিক কেন্দ্রে নারী ও পুরুষদের আলাদা ওজু ও নামাজ আদায়ের সুবিধা, লাইব্রেরি ও দীনি দাওয়া কার্যক্রম, পবিত্র কোরআন হেফজ, শিশু শিক্ষার ব্যবস্থা থাকবে। থাকবে অতিথিশালা, বিদেশি পর্যটকদের আবাসন, মরদেহ গোসলের ব্যবস্থা, হজ যাত্রীদের নিবন্ধন, প্রশিক্ষণ ও ইমামদের প্রশিক্ষণ ব্যবস্থা। তাছাড়া ইমাম-মুয়াজ্জিনের আবাসনসহ সাংস্কৃতিক কেন্দ্রে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য থাকবে অফিসও।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন (ইফা) সূত্র জানায়, ৬৪টি জেলায় ও উপকূলীয় এলাকায় ১৬টি চারতলা মসজিদ হবে। বাকিগুলো হবে তিনতলা। এসব মসজিদে প্রতিদিন চার লাখ ৪০ হাজার ৪৪০ জন পুরুষ ও ৩১ হাজার ৪০০ জন নারীর নামাজের ব্যবস্থা থাকবে।

তিন ক্যাটাগরিতে মসজিদগুলো হচ্ছে। ‘এ’ ক্যাটাগরির ৭৯টি চারতলা মডেল মজজিদ হবে ৬৪টি জেলা শহর ও চার সিটি করপোরেশন এলাকায়। প্রতিটির আয়তন হবে প্রায় দুই লাখ ৮২ হাজার বর্গমিটার। প্রায় এক লাখ ৬৫ হাজার বর্গমিটার আয়তনের ‘বি’ ক্যাটাগরির মসজিদ হবে ৪৭৬টি। আর ৬১ হাজারের বেশি আয়তনের ‘সি’ ক্যাটাগরির মসজিদ হবে ১৬টি।

লাইব্রেরিতে প্রতিদিন ৩৪ হাজার পাঠক একসঙ্গে কোরআন ও ইসলামিক বই পড়তে পারবেন। ইসলামি বিষয়ে গবেষণার সুযোগ থাকবে ৬ হাজার ৮০০ জনের।

মসজিদগুলো থেকে বছরে ১৪ হাজার হাফেজ বের হবেন বলে আশা করা হচ্ছে। ইসলামিক নানা বিষয়সহ প্রতিবছর ১ লাখ ৬৮ হাজার শিশুর প্রাথমিক শিক্ষার ব্যবস্থাও থাকবে এসব মসজিদে। ২ হাজার ২৪০ জন দেশি-বিদেশি অতিথির আবাসন ব্যবস্থাও গড়ে তোলা হবে। হজ পালনে আগ্রহীদের জন্য করা হবে ৫০ শতাংশ ডিজিটাল নিবন্ধনের ব্যবস্থা। উপকূলীয় এলাকার মসজিদগুলোতে ফাঁকা থাকবে নিচ তলা।

মুজিববর্ষ উপলক্ষে যে ৫০টি মসজিদ সাড়ে তিন মাস পর উদ্বোধন করার কথা সেই তালিকায় আছে কিশোরগঞ্জের তিনটি। জেলার পাকুন্দিয়া, কুলিয়ারচর ও কটিয়াদী উপজেলায় চলছে এগুলোর অবকাঠামোর শেষপর্যায়ের কাজ।কিশোরগঞ্জ গণপূর্ত বিভাগের উপবিভাগীয় প্রকৌশলী ইজাজ আহমেদ খান নিউজবাংলাকে জানান, পাকুন্দিয়া ও কুলিয়ারচর উপজেলায় মডেল মসজিদ নির্মাণ করছে এসএস এমটি অ্যান্ড কেপিএল কনস্ট্রাকশন (জেভি) এবং কটিয়াদী উপজেলা মডেল মসজিদটি করছে প্রকল্প বাস্তবায়ন লিমেটেড (পিবিএল) নামের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। পাকুন্দিয়া ও কুলিয়ারচরের মডেল মসজিদের ৭৫ ভাগ কাজ শেষ হয়েছে। কটিয়াদীর মডেল মসজিদের কাজ শেষ হয়েছে ৭০ ভাগ।

তবে প্রকল্প বাস্তবায়নে মোট ব্যয়ের বিপরীতে কাঙ্ক্ষিত বরাদ্দ মিলেছে না বলে জানিয়েছেন গণপূর্তের কর্মকর্তারা। নাম প্রকাশ না করার শর্তে তাদের একজন নিউজবাংলাকে বলেন, ‘পাকুন্দিয়া উপজেলা মডেল মসজিদ নির্মাণে ব্যয় ধরা হয়েছে ১২ কোটি ৬৫ লাখ টাকা। তবে এখন পর্যন্ত বরাদ্দ মিলেছে ৫ কোটি ২৫ লাখ টাকা। কুলিয়ারচর উপজেলা মডেল মসজিদ নির্মাণে ব্যয় ধরা হয়েছে ১৩ কোটি ৩৯ লাখ টাকা। এখন পর্যন্ত পাওয়া গেছে ২ কোটি ৯৫ লাখ টাকা। আর কটিয়াদী উপজেলা মডেল মসজিদ নির্মাণে ১৩ কোটি ৩৯ লাখ টাকা ব্যয়ের বিপরীতে বরাদ্দ এসেছে ৩ কোটি ২৫ লাখ টাকা।’

কিশোরগঞ্জ গণপূর্ত বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী বাহাদুর আলী জানান, আগামী ১৭ মার্চ উদ্বোধনের লক্ষ্যে মডেল মসজিদ তিনটির নির্মাণ কাজ দ্রুত এগিয়ে চলছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে শতভাগ কাজ শেষ হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

১৮টি মডেল মসজিদ ও সাংস্কৃতিক কেন্দ্র নির্মাণ করা হবে কুমিল্লার বিভিন্ন উপজেলায়। এর মধ্যে দাউদকান্দি উপজেলার মডেল মসিজদ উদ্বোধন করা হবে ১৭ মার্চ।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন কুমিল্লার সহকারী পরিচালক সরকার সারোয়ার আলম জানান, ‘সব মডেল মসজিদ তৈরি হবে একই ডিজাইনে। পূর্ব-পশ্চিমে ১৭০ ফুট এবং উত্তর-দক্ষিণে থাকবে ১২০ ফুট জায়গা। আমরা চেষ্টা করছি দ্রুত কাজ শেষ করতে।’

আস্থা সঞ্চয়পত্রে, বিনিয়োগের উত্তম জায়গা ডাকঘর


টাকাটা আপনার। হয়তো অনেক কষ্টের সঞ্চয়। কিন্তু কোথায় রাখবেন কষ্টের অর্থ? বাংলাদেশে বিনিয়োগের জায়গা খুবই কম। সঞ্চয়পত্র ক্রমেই সংকুচিত হচ্ছে, শেয়ারবাজার ঝুঁকি নেওয়ার জায়গা, কমছে ব্যাংক আমানতের সুদ। এর বাইরে আছে বিনিয়োগের অল্প কিছু জায়গা। সুতরাং প্রয়োজন সাধারণ মানুষের জন্য বিনিয়োগের ক্ষেত্র আরও বাড়ানো। এবারের আয়োজন সাধারণ মানুষের বিনিয়োগ নিয়ে।
আস্থার অপর নাম ‘সঞ্চয়পত্র’

কোটি কোটি টাকার মালিক যাঁরা শিল্পপ্রতিষ্ঠান গড়বেন, তাঁদের কথা আলাদা। কিন্তু যাঁরা ঝুঁকি নিতে চান না বা টাকাও বেশি নেই, অথবা কারখানা করার সাহস নেই, তাঁরা কী করবেন? খাটানোর নির্ভরযোগ্য কোনো জায়গা খুঁজে না পেলে কোথায় যাবেন তাঁরা? নিশ্চিতভাবেই এর উত্তর ‘সঞ্চয়পত্র’।

সরকারি চাকরি শেষে কেউ একজন পেনশন পেলেন ৭০ লাখ টাকা। আবার কেউ জমি বিক্রি করে নগদ পেলেন দেড় কোটি টাকা। এই টাকা বিনিয়োগ করা যায় সঞ্চয়পত্রে। কারণ, এখন পর্যন্ত সবচেয়ে বেশি সুদ দেয়। সরকার যেটাকে সুদ হিসেবে বিবেচনা করছে, গ্রাহকদের জন্য তা কিন্তু মুনাফা। গত ১১ বছরে সরকার সঞ্চয়পত্রের সুদ দিয়েছে অন্তত ১ লাখ ২০ হাজার কোটি টাকা।

পাঁচ বছর মেয়াদি বাংলাদেশ সঞ্চয়পত্র, পরিবার সঞ্চয়পত্র, তিন মাস অন্তর মুনাফাভিত্তিক সঞ্চয়পত্র এবং পেনশনার সঞ্চয়পত্র—এ চার সঞ্চয়পত্রই এখন সবচেয়ে জনপ্রিয়। যদিও সব সঞ্চয়পত্রে সবাই বিনিয়োগ করতে পারেন না। সবগুলোর সুদের হারও এক রকম নয়।

১৮ বছর ও তার চেয়ে বেশি বয়সের যেকোনো বাংলাদেশি নারী, যেকোনো বাংলাদেশি শারীরিক প্রতিবন্ধী নারী ও পুরুষ এবং ৬৫ বছর ও তার চেয়ে বেশি বয়সী বাংলাদেশি নারী ও পুরুষেরা শুধু একক নামে পরিবার সঞ্চয়পত্র কিনতে পারেন। ২০১৯ সালের ১ জুলাই থেকে ওয়েবসাইট থেকে ফরম ডাউনলোড করা ফরম পূরণ করেই সঞ্চয়পত্রে বিনিয়োগ করা যায়। আসল ও মুনাফার টাকা আর নগদে দেওয়া হচ্ছে না।

মেয়াদ শেষে মুনাফার হার পাঁচ বছর মেয়াদি পেনশনার সঞ্চয়পত্রে ১১ দশমিক ৭৬ শতাংশ, পাঁচ বছর মেয়াদি পরিবার সঞ্চয়পত্রে ১১ দশমিক ৫২ শতাংশ, পাঁচ বছর মেয়াদি বাংলাদেশ সঞ্চয়পত্রে ১১ দশমিক ২৮ শতাংশ এবং তিন মাস অন্তর মুনাফাভিত্তিক তিন বছর মেয়াদি সঞ্চয়পত্রে ১১ দশমিক ০৪ শতাংশ।

পেনশনার সঞ্চয়পত্র অবসরভোগী সরকারি, আধা সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত, আধা স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা ও কর্মচারী, সুপ্রিম কোর্টের অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি, সশস্ত্র বাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত সদস্য এবং মৃত চাকরিজীবীর পারিবারিক পেনশন সুবিধাভোগী স্বামী, স্ত্রী ও সন্তানেরা কিনতে পারেন। পাঁচ বছর মেয়াদি বাংলাদেশ সঞ্চয়পত্র ও তিন মাস অন্তর মুনাফাভিত্তিক সঞ্চয়পত্র সবার জন্য উন্মুক্ত।

অনলাইন পদ্ধতিতে একজন গ্রাহক একক নামে এখন ৫০ লাখ টাকার সঞ্চয়পত্র কিনতে পারেন। একক নামে কেউ না কিনতে চাইলে যৌথ নামে কিনতে পারেন এক কোটি টাকার সঞ্চয়পত্র। পেনশনার সঞ্চয়পত্রের গ্রাহকের ক্ষেত্রে এই ঊর্ধ্বসীমা ১ কোটি ৫০ লাখ টাকা। পেনশনার সঞ্চয়পত্র এবং পরিবার সঞ্চয়পত্র অবশ্য যুগ্ম নামে কেনার সুযোগ নেই।

সঞ্চয়পত্রগুলো কেনা যায় জাতীয় সঞ্চয় অধিদপ্তরের ৭১টি সঞ্চয় ব্যুরো কার্যালয়, বাংলাদেশ ব্যাংকের সব কার্যালয়, সব তফসিলি ব্যাংক ও সব ডাকঘর থেকে। একই জায়গা থেকে ভাঙানোও যায় এগুলো। সঞ্চয়পত্র জামানত রেখে কোনো ব্যাংকঋণ নেওয়া যায় না। মেয়াদ শেষ হওয়ার আগে সঞ্চয়পত্রে সুদও কম পাওয়া যায়। এক বছর পার হওয়ার আগেই কেউ ভাঙাতে চাইলে কোনো মুনাফাই দেওয়া হয় না। শুধু মূল টাকা নিতে হয়। আর এক লাখ টাকার বেশি সঞ্চয়পত্র কিনলে ই–টিআইএন ও ব্যাংক হিসাব থাকা এখন বাধ্যতামূলক।

মেয়াদ শেষে মুনাফার হার পাঁচ বছর মেয়াদি পেনশনার সঞ্চয়পত্রে ১১ দশমিক ৭৬ শতাংশ, পাঁচ বছর মেয়াদি পরিবার সঞ্চয়পত্রে ১১ দশমিক ৫২ শতাংশ, পাঁচ বছর মেয়াদি বাংলাদেশ সঞ্চয়পত্রে ১১ দশমিক ২৮ শতাংশ এবং তিন মাস অন্তর মুনাফাভিত্তিক তিন বছর মেয়াদি সঞ্চয়পত্রে ১১ দশমিক ০৪ শতাংশ।
আস্থা সঞ্চয়পত্রে, বিনিয়োগের উত্তম জায়গা ডাকঘর
ডাকঘরও বিনিয়োগের উত্তম জায়গা

‘ডাকঘর’ শব্দটি শুনলেই চোখের সামনে ভেসে ওঠে ছোট্ট হলুদ খাম। তথ্যপ্রযুক্তির এই যুগে হাতে লেখা চিঠিপত্রের চল প্রায় উঠে গেছে। ডাকপিয়ন আর দুয়ারে কড়া নাড়ে না। তবে রবীন্দ্রনাথের ছিন্নপত্র পড়া থাকলে চিঠির গুরুত্বের কথাটি ঠিকই কড়া নাড়ে মনে।

চিঠিপত্রের কথা তাহলে থাক। বরং ডাকঘরের মাধ্যমে বিনিয়োগ কী করা যায়, আমরা এখন সেই প্রসঙ্গে আসতে পারি। ডাকঘরে রয়েছে দুটি সঞ্চয় কর্মসূচি (স্কিম)। এটা সঞ্চয়পত্র নয়, বরং সঞ্চয় আমানত। এই কর্মসূচির আওতায় একটি হচ্ছে সাধারণ হিসাব, অন্যটি মেয়াদি হিসাব। সাধারণ হিসাবে সুদ ৭ দশমিক ৫ শতাংশ, অন্যটিতে সুদ ১১ দশমিক ২ শতাংশ। তবে টাকা বিনিয়োগ করা যায় একক নামে ১০ লাখ এবং যুগ্ম নামে ২০ লাখ।

বিনিয়োগের আরেকটি বিকল্প আছে ডাকঘরে। সেটি হচ্ছে ‘ডাক জীবন বিমা’। যুগপৎভাবে এটা বিমা পলিসি ও সঞ্চয় প্রকল্প। অর্থ মন্ত্রণালয়ের অধীনে জনকল্যাণমূলক বিমা প্রকল্প হলেও এটি নিয়ন্ত্রণ, পরিচালন ও বিপণন করে ডাক বিভাগ। বাংলাদেশ অঞ্চলে এই পলিসি চালু রয়েছে ১৩৬ বছর ধরে। ১৮৮৪ সালে ডাক বিভাগের রানারদের আর্থিক নিরাপত্তা দিতে পলিসিটি চালু করা হলেও সাধারণ জনগণের জন্য তা উন্মুক্ত করা হয় ১৯৫৩ সালে।

ডাক জীবন বিমা পলিসি রয়েছে ছয় ধরনের। আজীবন বিমা, মেয়াদি বিমা, শিক্ষা বিমা, বিবাহ বিমা, যৌথ বিমা ও প্রতিরক্ষা বিমা। পলিসি শুরু হওয়ার দুই বছর পার হওয়ার পর মোট জমা টাকার ৮০ শতাংশ পর্যন্ত ঋণও নেওয়া যায়। প্রিমিয়াম জমা দেওয়া যায় যেকোনো ডাকঘরে গিয়ে। আবার মেয়াদ শেষে যেকোনো ডাকঘর থেকেই টাকা তোলা যায়। এমনকি চাকরিজীবীদের বেতন থেকে কর্তনের মাধ্যমেও প্রিমিয়াম পরিশোধ করা যায়। অগ্রিম প্রিমিয়াম দিলে কিছু সুবিধাও পান গ্রাহকেরা। আবার কোনো কারণে বিমা পলিসি বাতিল হয়ে গেলে তা পুনরুজ্জীবিত করার সুযোগও রয়েছে।

দেশের সরকারি, আধা সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত, বেসরকারি, সামরিক অর্থাৎ যেকোনো নাগরিক যেকোনো ডাকঘরে গিয়ে ডাক জীবন বিমা পলিসির আওতায় আসতে পারেন। পলিসির কোনো ঊর্ধ্বসীমা নেই, অর্থাৎ যেকোনো অঙ্কের পলিসি করা যায়। এর তহবিলের সব অর্থ সরকার আপন জিম্মায় রাখে। আজীবন বিমার ক্ষেত্রে মেয়াদ শেষে বছরে বোনাস পাওয়া যায় প্রতি লাখে ৪ হাজার ২০০ টাকা। আর মেয়াদি বিমার ক্ষেত্রে বছরে প্রতি লাখে পাওয়া যায় ৩ হাজার ৩০০ টাকা বোনাস। এ বোনাসে কর রেয়াত রয়েছে।

ডাক জীবন বিমার কিস্তি জমা দেওয়া যায় মাসিক, ত্রৈমাসিক, ষাণ্মাসিক ও বার্ষিক ভিত্তিতে। নগদে যেমন দেওয়া যায়, মাসিক বেতন থেকে দেওয়ার সুযোগ রয়েছে। বিমাকারীর বয়স ও পলিসির মেয়াদ ভেদে কিস্তির হার ভিন্ন ভিন্ন হয়। যেমন আজীবন বিমার ক্ষেত্রে ১৯ থেকে ৫৫ বছর বয়সের গ্রাহকেরা বিমা পলিসি গ্রহণ করতে পারবেন। আর বিমার পূর্ণতা পাবে ৫০,৫৫, ৬০ ও ৭০ বছর মেয়াদে। মেয়াদ শেষে গ্রাহক বা বিমাকারীর মৃত্যুর পর নমিনি বা উত্তরাধিকারী টাকা পাবেন।

১৯ বছর বয়সের একজন গ্রাহক ৫০ বছরের জন্যও পলিসি করতে পারেন। ৫,১০, ১৫,২০, ২৫,৩০, ৩৫ ও ৪০ বছর মেয়াদে পলিসির পূর্ণতা হবে। সে ক্ষেত্রে মাসে প্রতি হাজারের বিপরীতে মাত্র ২ টাকা ১০ পয়সা হারে প্রিমিয়াম দিতে হবে।

৬ শতাংশ সুদে ঋণ !

করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত অর্থনীতিকে পুনরুজ্জীবিত করতে সরকার ও এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট ব্যাংকের (এডিবি) পুনঃঅর্থায়ন তহবিলের সুদহার ৩ শতাংশ কমানো হয়েছে। সেকেন্ড স্মল অ্যান্ড মিডিয়াম সাইজড এন্টারপ্রাইজ ডেভেলপমেন্ট প্রজেক্টের (এসএমইডিপি-২) আওতায় এ তহবি?ল থেকে এখন কুটির, মাইক্রো, ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প উদ্যোক্তারা (সিএমএসএমই) ৬ শতাংশ সুদে ঋণ পাবেন। এতদিন এ ঋণের সুদহার ছিল ৯ শতাংশ।

গতকাল বাংলাদেশ ব্যাংক এ সংক্রান্ত একটি সার্কুলার জারি করেছে। সার্কুলারে বলা হয়, চলতি বছরের ১৮ নভেম্বর থেকে এ প্রকল্পের

আওতায় সব ধরনের ঋণের ক্ষেত্রে সুদ হার গ্রাহক পর্যায়ে ৬ শতাংশ এবং ব্যাংক পর্যায়ে ২ শতাংশ নির্ধারণ করা হয়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের পক্ষ থেকে বাস্তবায়নাধীন এ পুনঃঅর্থায়ন তহবিলটি ঢাকা ও চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন এলাকার বাইরে সুবিধাবঞ্চিত সিএমএসএমই উদ্যোক্তাদের স্বল্প সুদে এবং সহজ শর্তে ঋণ বিতরণের লক্ষ্যে গঠন করা হয়। এ প্রকল্পের আওতায় অক্টোবর পর্যন্ত প্রায় ৩ হাজার এসএমই প্রতিষ্ঠানকে প্রায় এক হাজার কোটি টাকা বিতরণ করা হয়েছে।

চাঁপাইনবাবগঞ্জে ১২ মাদকসেবী ও জুয়াড়ি আটক

চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধিঃ র‍্যাব-৫ সিপিসি-১ চাঁপাইনবাবগঞ্জ ক্যাম্পের একটি দল অভিযান চালিয়ে ১২ মাদকসেবী ও ও জুয়াড়িকে আটক করা হয়েছে। বুধবার বেলা ১১টায় চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌর এলাকার আলীনগর এলাকা হতে তাদেরকে হাতেনাতে মাদকদ্রব্য ও জুয়া খেলার সরঞ্জামসহ আটক করে র‍্যাব। এদের মধ্যে ৭ জনকে মাদক সেবন ও ৫ জনকে জুয়া খেলার অপরাধে আটক করে র‍্যাব সদস্যরা। র‍্যাব-৫ চাঁপাইনবাবগঞ্জ ক্যাম্পের পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়। আটককৃতরা হলো- পৌর এলাকার দরগাপাড়া এলাকার মৃত শাহজাহানের ছেলে আলী হাসান রানা (৪২), জোড়বাগান এলাকার মৃত আবু সাঈদের ছেলে শাহীন আলী (৪০), শিবতলার কুরবানের ছেলে মো. রুবেল (৩০), বারোঘরিয়ার মৃত ইমরান মন্ডলের রুহুল আমিন (৩৫), গনকা বিদিরপুরের কাউসার আলীর ছেলে মাইনুল ইসলাম (৩০), হুজরাপুরের বিশারদ আলীর ছেলে মাসুদ রানা (২৮), নয়ালাভাঙ্গা এলাকার মৃত নজরুল ইসলামের ছেলে ইসমাইল হোসেন (৩৫), আলীনগর ভূতপুকুর এলাকার হাছন আলীর ছেলে নাহিদ আলী (১৮), মৃত মংলু হাসানের সাদ্দাম হোসেন (২০), মিজারুল ইসলামের ছেলে দিলজান (১৯), আনোয়ার হোসেনের ছেলে আনিসুর রহমান (১৮), শফিকুল ইসলামের ছেলে ইসহাক আলী (১৯)। অভিযানে ০৫ গ্রাম গাঁজা, নগদ ১০ হাজার টাকা, জুয়া খেলার সরঞ্জামসহ তাদেরকে আটক করা হয়। এনিয়ে সদর মডেল থানায় নিয়মিত মামলা দায়ের করা হয়েছে।