সর্বশেষ সংবাদ অপরাধীদের দিন শেষঃ তৈরী হচ্ছে জাতীয় ডিএনএ ডাটাবেজ’ গণভবন থেকে ভার্চুয়াল মাধ্যমে বহু প্রতিক্ষীত রেলসেতুর নির্মাণকাজের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী করোনাযোদ্ধাদের কোয়ারেন্টিন’ ভাতা পাওয়া শুরু গোমস্তাপুরে সাবেক ছাত্র নেতা সুমনের ওপর হামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্তে ২ বাংলাদেশীকে ধরে নিয়ে গেছে বিএসএফ অন্যের ট্রাক থেকে তেল চুরি করতে গিয়ে আটক ৪ বঙ্গবন্ধুর ভার্স্কয নিয়ে কটুক্তির প্রতিবাদে চাঁপাইনবাবগঞ্জে স্বেচ্ছাসেবকলীগের মানববন্ধন পদ্মা সেতুতে বসল ৩৯তম স্প্যান ঃ আর বসবে মাত্র দুটি স্প্যান র‌্যাংকিংয়ে সুখবর বয়ে আনল বাংলাদেশ ফুটবল দল তিন ব্যাংক তালিকাভুক্ত হচ্ছে শেয়ারবাজারে

চাঁপাইনবাবগঞ্জে সিএন্ডএফ অ্যাসোসিয়েশনের ফলাফল ঘোষনা

১১ বছর পর শনিবার চাঁপাইনবাবগঞ্জের সোনামসজিদ স্থলবন্দর সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বিজয়ী হয়েছে;চাঁপাইনবাবগঞ্জ সোনামসজিদ শুল্ক স্থলবন্দর এ্যাসোসিয়েশনের নির্বাচনে সভাপতি পদে মো. আওয়াল ও সাধারণ সম্পাদক পদে মো. রুহুল আমিন নির্বাচিত হয়েছেন।

সভাপতি পদে আবদুল আওয়াল ও শওকত জাহিদুল ইসলাম প্রিন্স। সাধারণ সম্পাদক পদে আর. এম রশীদ, রুহুল আমীন ও বাবুল চৌধুরী।এছাড়া সহ-সভাপতি পদে ২ জন, যুগ্ম সম্পাদক পদে ২, সহ-সম্পাদক পদে ৪ ও অর্থ বিষয়ক সম্পাদক পদে ৩ জন প্রতিদ্বন্দ্বীতা করেছেন।

সোনামসজিদ পর্যটন মোটেলে সকাল ১০ টা থেকে বিকেল ৪ টা পর্যন্ত ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। ৯৬ জন ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করা হয়।এদিকে সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের নির্বাচনের প্রধান নির্বাচন কমিশনার আবদুল গফুর জানান, সুষ্ঠভাবে নির্বাচন সম্পন্ন করার লক্ষে সব ধরনের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।

উল্লেখ্য; গত ৩১ অক্টোবর নির্বাচন হওয়ার কথা থাকলেও তা আদালতের নিষেধাজ্ঞার কারনে বন্ধ হয়ে যায়। পরবর্তীতে ৪ নভেম্বর অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার হওয়ায় ৭ নভেম্বর নির্বাচনের তারিখ ঘোষনা করা হয় ।

সমবায়ভিত্তিক সমাজ গঠন করে আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন নিশ্চিতের আহ্বান

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সমবায়ের স্পর্শে সোনার বাংলাদেশ বিনির্মাণে মূল্যবোধের চর্চা ও সমবায়ভিত্তিক সমাজ গঠন করে আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছেন।

তিনি আগামীকাল জাতীয় সমবায় দিবস উপলক্ষে আজ দেওয়া বাণীতে বলেন, ‘আসুন, জাতির পিতার আহ্বানে সাড়া দিয়ে ‘সমবায়ের যাদুস্পর্শে সোনার বাংলাদেশ বিনির্মাণে মূল্যবোধের চর্চা ও সমবায় ভিত্তিক সমাজ গঠন করে আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন নিশ্চিত করি’।’

শেখ হাসিনা জানান, ‘বঙ্গবন্ধুর দর্শন, সমবায়ে উন্নয়ন’ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে সারাদেশে বিভিন্ন কর্মসূচির মাধ্যমে যথাযোগ্য মর্যাদায় ৪৯তম ‘জাতীয় সমবায় দিবস’ উদযাপিত হচ্ছে জেনে তিনি আনন্দিত। এ উপলক্ষে দেশের সকল সমবায়ী ও সমবায়বান্ধব জনগণকে তিনি আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, তার সরকারের দৃঢ় প্রত্যয়, সময়োপযোগী সিদ্ধান্ত, সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান ও জনগণের সম্মিলিত প্রচেষ্টা ও বিভিন্ন ধরনের গণমুখী কর্মকাণ্ড বাস্তবায়নের ফলে করোনা-মহামারি থেকে জনস্বাস্থ্য সুরক্ষা করা সম্ভব হয়েছে।

এজন্য তিনি সংশ্লিষ্ট সবাইকে সাধুবাদ জানিয়ে বলেন, রূপকল্প-২০২১ বাস্তবায়নের ধারাবাহিকতায়, ২০৩০ সালের মধ্যে টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জন এবং ২০৪১ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে উন্নত-সমৃদ্ধ দেশে পরিণত করার লক্ষ্যে সমবায় সংগঠন অগ্রণী ভূমিকা রাখবে। শ্রেষ্ঠ সমবায় সমিতি ও সমবায়ীগণকে ২০১৯ সালের জাতীয় সমবায় পুরস্কার প্রদান নিশ্চয় দেশের সকল সমবায়ীকে আরও উৎসাহিত করবে।

শেখ হাসিনা বলেন, জাতীয় অর্থনীতিতে সমবায় কৃষি, মৎস্য, পশুপালন, পোশাক, দুগ্ধ উৎপাদন, আবাসন, ক্ষুদ্র ঋণ ও সঞ্চয়, কুটির-চামড়াজাত-মৃৎশিল্প ইত্যাদি খাতের বিকাশ, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, নারীর ক্ষমতায়ন ক্ষেত্রে উন্নয়নসহ, ক্ষুদ্র নৃ-তাত্ত্বিক জনগোষ্ঠীকে স্বাবলম্বী করতে বিশাল অবদান রাখছে।

এ বছর কোভিড-১৯ সারা বিশ্বে স্থবিরতা সৃষ্টি করলেও, আমাদের সমবায় সমিতিগুলো এ সময় নিজেদের অস্তিত্ব টিকিয়ে রেখেছে উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, সদস্যদের ঋণ মওকুফসহ দুর্গত সদস্যদের মাঝে ত্রাণ বিতরণ করা হয়েছে। করোনায় আক্রান্ত সদস্যদের চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়েছে।

শেখ হাসিনা বলেন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সমবায়ের প্রতি বিশেষ গুরুত্বারোপ করে সংবিধানের ১৩(খ) অনুচ্ছেদে সম্পদের মালিকানার দ্বিতীয় খাত হিসেবে সমবায়কে স্বীকৃতি দিয়েছিলেন এবং সমবায়কে গণমুখী আন্দোলনে পরিণত করার ডাক দিয়েছিলেন। শুধু তাই নয়, দেশের জনগণের পুষ্টি চাহিদা পূরণে দরিদ্র, ভূমিহীন, নিম্নবিত্ত দুগ্ধ উৎপাদনকারীদের স্বার্থ সংরক্ষণপূর্বক সমবায়ের মাধ্যমে সুসংগঠিত করার লক্ষ্যে ১৯৭৩ সালে ‘সমবায় দুগ্ধ প্রকল্প’ নামে একটি দুগ্ধ শিল্প উন্নয়ন প্রকল্প গ্রহণ করে পাঁচটি দুগ্ধ উৎপাদনকারী এলাকায় দুগ্ধ প্রক্রিয়াজাতকরণ কারখানা স্থাপন করেন।

আজকের মিল্কভিটা তারই সুদূরপ্রসারী উদ্যোগের ফসল জানিয়ে তিনি বলেন, জাতির পিতা সমবায় পদ্ধতিতে সমন্বিত-যৌথ খামার প্রচলনের মাধ্যমে উন্নয়নের পাশাপাশি স্থানীয় রাজস্বে পল্লী উন্নয়ন করতে চেয়েছিলেন।

শেখ হাসিনা বলেন, জাতির পিতার পদাঙ্ক অনুসরণ করে আওয়ামী লীগ সরকার সমবায়ের মাধ্যমে দারিদ্র্য বিমোচনের সঙ্গে সঙ্গে পল্লী উন্নয়নে নিবিড়ভাবে কাজ করে যাচ্ছে।

‘আমরা ১৯৯৭ সালে বঙ্গবন্ধু দারিদ্র্য বিমোচন প্রশিক্ষণ কমপ্লেক্স প্রতিষ্ঠা করি এবং পরবর্তীতে ২০১২ সালে আইন প্রণয়নের মাধ্যমে এই প্রশিক্ষণ কেন্দ্রটিকে একটি পূর্ণাঙ্গ একাডেমিতে রূপান্তরিত করি। দারিদ্র্য বিমোচন, সামাজিক অগ্রগতি ও নারী-পুরুষ সমতার উদ্দেশ্যে পল্লী দারিদ্র্য বিমোচন ফাউন্ডেশন আইন, ১৯৯৯ প্রণয়নের মাধ্যমে ফাউন্ডেশনটি প্রতিষ্ঠা করি,’ বলেন তিনি।

শেখ হাসিনা বলেন, সমবায় সমিতি আইন, ২০০১ এবং জাতীয় সমবায় নীতিমালা, ২০১২ প্রণয়ন করি। পুনরায় সমবায় সমিতি (সংশোধন) আইন, ২০১৩ এবং বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন বোর্ড আইন, ২০১৮ প্রণয়ন করি। ২০০৯ সালে সরকার গঠনের পর ‘আমার বাড়ী, আমার খামার প্রকল্প’ গ্রহণ করি। বর্তমানে এ প্রকল্পের আওতায় ১ লক্ষ ২১ হাজার ১৪২টি সমবায় সমিতি গঠন করা হয়েছে- যার উপকারভোগী সদস্য পরিবার ৫৬ লাখ ৪১ হাজার।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আওয়ামী লীগের নির্বাচনী ইশতেহারে ঘোষিত ‘আমার গ্রাম আমার শহর’ প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সমবায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আমি বিশ্বাস করি।

তিনি বলেন, ‘সমবায় খাতে বাজেট বৃদ্ধি করেছি, সমবায়ীদের প্রশিক্ষণ প্রদান করছি, আর্থিক ও উপকরণ সহায়তার মাধ্যমে দারিদ্র্য বিমোচনসহ সমবায়ীদের জীবনমান ও সামাজিক ক্ষেত্রে উত্তরোত্তর উন্নয়ন সম্ভব হয়েছে। সরকারের প্রচেষ্টায় সমবায় সমিতি এবং সমবায়ীদের সংখ্যা দিন দিন বৃদ্ধি পেয়ে বর্তমানে সমিতি ১,৯০,৫৩৪টি এবং সদস্য ১,১৪,৮৩,৭৪৭ জনে উন্নীত হয়েছে।’

প্রধানমন্ত্রী ৪৯তম জাতীয় সমবায় দিবস উপলক্ষে গৃহীত সকল কর্মসূচির সাফল্য কামনা করেন।

খাদ্যে ট্রান্সফ্যাট নিয়ন্ত্রণে নীতি প্রণয়ন করছে সরকার

খাদ্যে ক্ষতিকর ট্রান্সফ্যাট নিয়ন্ত্রণে নীতি প্রণয়নের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ কর্তৃক গঠিত ট্রান্সফ্যাট বিষয়ক টেকনিক্যাল কমিটি সম্প্রতি অনুষ্ঠিত এক সভায় এই নীতিগত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে। সভার সিদ্ধান্ত মোতাবেক এখন খসড়া নীতি প্রণয়নের কাজ করছে বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ।

ট্রান্সফ্যাট বিষয়ক টেকনিক্যাল কমিটির প্রধান ও বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের সদস্য মঞ্জুর মোরশেদ আহমেদ বলেন, খাদ্যে ক্ষতিকর ট্রান্সফ্যাট নিয়ন্ত্রণে বিধান প্রণয়ন করা নীতিগতভাবে সিদ্ধান্ত হয়েছে। বিধিমালা প্রণয়নের কাজ চলছে এবং তা সম্পন্ন হতে ছয় মাস লাগতে পারে বলে জানান তিনি।

তিনি বলেন, বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থা ২০২৩ সালের মধ্যে খাদ্যে ট্রান্সফ্যাটের সর্বোচ্চ পরিমাণ ২ গ্রামে সীমিত করার সুপারিশ করেছে। বাংলাদেশেও নির্ধারিত সময়ের মধ্যে তা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে কমিটি কাজ করছে। বিভিন্ন কারখানার মালিক শিল্প ও বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সাথে আলোচনা করে সমন্বিতভাবে এ বিধিমালা প্রণয়ন করা হবে। কোনোভাবেই এ বিধিমালা চাপিয়ে দেওয়া হবে না বলে জানান তিনি।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা কর্তৃক এবছরের সেপ্টেম্বরে প্রকাশিত প্রতিবেদন মতে, বিশ্বে ট্রান্সফ্যাটজনিত হৃদরোগে মৃত্যুর প্রায় দুই-তৃতীয়াংশই ঘটে ১৫টি দেশে, যার মধ্যে বাংলাদেশ অন্যতম। বাংলাদেশে প্রতিবছর ২ লক্ষ ৭৭ হাজার মানুষ সার্বিকভাবে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যায়। যার মধ্যে ৪.৪১ শতাংশ মৃত্যুর জন্য দায়ি ট্রান্সফ্যাট।

শিল্পোৎপাদিত ট্রান্সফ্যাট নির্মূলে সর্বোত্তম নীতি অর্থাৎ সকল ফ্যাট, তেল এবং খাবারে প্রতি ১০০ গ্রাম ফ্যাটে ট্রান্সফ্যাটের সর্বোচ্চ পরিমাণ ২ গ্রামে সীমিত করা, অথবা পারশিয়ালি হাইড্রোজেনেটেড অয়েল- পিএইচও’র উৎপাদন ও ব্যবহার নিষিদ্ধ করার সুপারিশ করে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা।

ক্যাব এর প্রোগ্রাম কো-অর্ডিনেটর আহম্মদ একরামুল্লাহ বলেন, ট্রান্সফ্যাট নিয়ন্ত্রণে বাংলাদেশে কোনো নীতি না থাকায় ভোক্তা স্বাস্থ্য চরম হুমকির মধ্যে রয়েছে। ভোক্তা স্বাস্থ্য সুরক্ষায় ট্রান্স ফ্যাট নির্মূল করার জন্য সরকার, ভোক্তা অধিকার সংগঠনগুলোকে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে।

এ ব্যাপারে মঞ্জুর মোরশেদ আহমেদ বলেন, এখন কোনো বিধিমালা নেই বলে আইনের প্রয়াগ হচ্ছে না। বিধিমালা তৈরি হলেই আইনের প্রয়োগ শুরু হবে।

গ্লোবাল হেলথ অ্যাডভোকেসি ইনকিউবেটর (জিএইচএআই) এর বাংলাদেশ কান্ট্রি লিডার মুহাম্মদ রূহুল কুদ্দুস বলেন, ‘বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থার সুপারিশ অনুসরণ করে ভারত, থাইল্যান্ড, ব্রাজিলসহ অনেক দেশ খাদ্যদ্রব্যে ট্রান্সফ্যাট নিয়ন্ত্রণে নীতি করেছে। বাংলাদেশও এক্ষেত্রে নীতিগত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে।

প্রজ্ঞার নির্বাহী পরিচালক এ বি এম জুবায়ের বলেন, কানো অজুহাতেই ট্রান্সফ্যাট মুক্ত বাংলাদেশ গড়ার প্রক্রিয়ায় বিলম্ব করা যাবে না। ট্রান্সফ্যাট নির্মূলের মাধ্যমে প্রতিবছর হৃদরোগের মারাত্মক ছোবল থেকে রক্ষা পাবে দেশের হাজারো মানুষ।

শিল্পোৎপাদিত ট্রান্সফ্যাটের প্রধান উৎস পারশিয়ালি হাইড্রোজেনেটেড অয়েল বা পিএইচও, যা বাংলাদেশে ডালডা বা বনস্পতি ঘি নামে পরিচিত। সম্প্রতি ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন হসপিটাল অ্যান্ড রিসার্চ ইন্সটিটিউট এর গবেষণায় ঢাকার শীর্ষস্থানীয় পিএইচও ব্র্যান্ডসমূহের মোট ২৪টি নমুনা বিশ্লেষণ করে ৯২ শতাংশ নমুনায় ডব্লিউএইচও সুপারিশকৃত ২ ভাগ মাত্রার চেয়ে বেশি ট্রান্স ফ্যাট (ট্রান্স ফ্যাটি এসিড) পাওয়া গেছে।

প্রতি ১০০ গ্রাম পিএইচও নমুনায় সর্বোচ্চ ২০.৯ গ্রাম পর্যন্ত ট্রান্স ফ্যাট এর উপস্থিতি লক্ষ্য করা গেছে, যা ডব্লিউএইচও’র সুপারিশকৃত মাত্রার তুলনায় ১০ গুণেরও বেশি। প্রতি ১০০ গ্রাম নমুনায় গড়ে ১১ গ্রাম ট্রান্সফ্যাট পাওয়া গেছে। বাংলাদেশে পিএইচও বা ডালডা সাধারণত ভাজা পোড়া স্ন্যাক্স ও বেকারি পণ্য তৈরি এবং হোটেল-রেস্তোরারাঁ ও সড়ক সংলগ্ন দোকানে খাবার তৈরিতে ব্যবহার করা হয়ে থাকে।

ট্রান্সফ্যাট গবেষকরা বলছেন, সাধারণত প্যাকেটজাত ও প্রক্রিয়াজাত খাবার ও বেকারি পণ্যে বিদ্যমান ট্রান্স ফ্যাটি এসিড (টিএফএ) বা ট্রান্সফ্যাট এক ধরণের ফ্যাট বা স্নেহ জাতীয় খাদ্য উপাদান যা রক্তের এলডিএল বা ‘খারাপ কোলেস্টেরল’ বৃদ্ধি করে। অপরদিকে এইচডিএল বা ‘ভালো কোলেস্টেরল’-এর মাত্রা কমিয়ে দেয়। অতিরিক্ত ট্রান্স ফ্যাট গ্রহণে খারাপ কোলেস্টেরল রক্তবাহী ধমনিতে জমা হয়ে রক্তচলাচলে বাধা সৃষ্টি করে। ফলে হৃদরোগের ঝুঁকি বেড়ে যায়, যা অকাল মৃত্যুর অন্যতম কারণ।

সংকটেও আছে সুখবর

করোনার কারণে মানুষের দৈনন্দিন জীবন ওলটপালট হয়ে গেছে। অর্থনীতিতেও বেসামাল অবস্থা। এমন দুর্যোগের মধ্যেও এ বছর কিছু ভালো খবর মিলেছে। করোনা সংকটের মধ্যে এসব খবর মানুষকে কিছুটা হলেও স্বস্তি দিয়েছে।

বিশ্বের বিভিন্ন দেশ যখন করোনা সংকটে অর্থনীতি নিয়ে খাবি খাচ্ছে, তখন বাংলাদেশ কিছু সূচকে ভালো করেছে। সেগুলো হলো মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) প্রবৃদ্ধি নিয়ে দাতা সংস্থাগুলোর আশাবাদ। মাথাপিছু জিডিপিতে ভারতকে ছাড়িয়ে যাওয়া, রিজার্ভের রেকর্ড উচ্চতা করোনাকালে নিঃসন্দেহে আনন্দ দিয়েছে। সুখবর আরও অপেক্ষা করছে। আর চার মাস পরই ঘোষণা আসতে পারে, স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উন্নয়নশীল দেশ হওয়ার যোগ্যতা অর্জনের চূড়ান্ত সুপারিশ।

মাথাপিছু আয় ২ হাজার ডলার

করোনার এ বছরে বাংলাদেশের মাথাপিছু আয় এরই মধ্যে দুই হাজার ডলার ছাড়িয়ে গেছে। ২০১৯-২০ অর্থবছর শেষে মাথাপিছু বার্ষিক আয় দাঁড়িয়েছে ২ হাজার ৬৪ ডলার। গত এক দশকের ব্যবধানে দেশে মাথাপিছু আয় দ্বিগুণ হয়ে গেছে। ২০১০-১১ অর্থবছরে মাথাপিছু আয় ছিল ৯২৮ ডলার। মাথাপিছু আয় দ্রুত বৃদ্ধির ক্ষেত্রে বাংলাদেশ দক্ষিণ এশিয়ায় সবচেয়ে ভালো করেছে। ১০ বছর আগে ভারতে মাথাপিছু আয় ছিল ১ হাজার ৩০০ ডলারের মতো। সর্বশেষ গত অর্থবছরে তা ২ হাজার ১৩০ ডলারে উন্নীত হয়েছে। বাংলাদেশ ভারতের অনেক পেছনে থেকে ভারতকে প্রায় ছুঁয়ে ফেলেছে। অন্যদিকে পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কায় বাংলাদেশের মতো এত দ্রুত মাথাপিছু আয় বাড়েনি।

আরেকটি সুখবর হলো, আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ) বলছে, চলতি বছরে মাথাপিছু মোট দেশজ উৎপাদনে (জিডিপি) ভারতকে ছাড়িয়ে দাঁড়াবে ১ হাজার ৮৮৮ ডলার। ভারতের হবে ১ হাজার ৮৭৭ ডলারে। করোনার কারণে ভারতের অর্থনীতি এ বছর ১০ শতাংশ সংকুচিত হবে বলে মনে করছে আইএমএফ। করোনার পর দুই দেশের প্রবৃদ্ধিতে বড় ধরনের পরিবর্তন না হলে আগামী বছরগুলোতে মাথাপিছু জিডিপিতে প্রায় ভারতের সমান্তরালেই চলবে বাংলাদেশ।
প্রবৃদ্ধিতে শীর্ষ তিনে বাংলাদেশ

করোনায় বিশ্বের ছোট-বড় সব দেশই নিজেদের অর্থনীতি নিয়ে খাবি খাচ্ছে। অর্থনীতির চাঙাভাব ধরে রাখতে সবাই বড় ধরনের চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে। জিডিপি সংকুচিত হচ্ছে বহু দেশের। এমন অবস্থায় বাংলাদেশের অর্থনীতি অন্য দেশের তুলনায় ভালো আছে, এমন পূর্বাভাস আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ), বিশ্বব্যাংক ও এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের (এডিবি)।

আইএমএফের হিসাবে, চলতি বছরে, অর্থাৎ ২০২০ সালে সবচেয়ে বেশি জিডিপি প্রবৃদ্ধি অর্জন করা বিশ্বের শীর্ষ তিন দেশের একটি হবে বাংলাদেশ। বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধি হতে পারে ৩ দশমিক ৮ শতাংশ। বাংলাদেশের চেয়ে এগিয়ে থাকবে শুধু গায়ানা ও দক্ষিণ সুদান। আইএমএফ আরও বলছে, চলতি বছরে মাত্র ২২টি দেশের জিডিপির প্রবৃদ্ধি ইতিবাচক হবে।

গত মাসে বিশ্বব্যাংকও বলেছে, চলতি অর্থবছরে (২০২০-২১) মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) প্রবৃদ্ধি ১ দশমিক ৬ শতাংশে নেমে আসবে বলে মনে করছে বিশ্বব্যাংক। করোনার কারণে অর্থনীতি, কর্মসংস্থান, রপ্তানি, প্রবাসী আয়সহ বিভিন্ন খাতে নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে, তাই আগের চেয়ে প্রবৃদ্ধি কমার কথা বলছে এই দাতা সংস্থাটি। তবু নেতিবাচক প্রবৃদ্ধি হবে, মনে করছে না বিশ্বব্যাংক। এশীয় দাতা সংস্থা এডিবি আরও এক ধাপ এগিয়ে রেখেছে। সংস্থাটির পূর্বাভাস হলো, চলতি অর্থবছরে ৬ দশমিক ৮ শতাংশ প্রবৃদ্ধি হতে পারে। এদিকে সরকার আশা করছে, চলতি অর্থবছরে ৮ দশমিক ২ শতাংশ প্রবৃদ্ধি হবে।
রিজার্ভ ৪১ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়েছে

করোনার সময়ে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ না কমে বরং বেড়েছে। গত অক্টোবর মাসে রিজার্ভ প্রথমবারের মতো ৪০ বিলিয়ন বা ৪ হাজার কোটি ডলার ছাড়িয়ে যায়। এখন তা ৪১ বিলিয়ন ডলার হয়ে গেছে। বৈদেশিক মুদ্রার মজুত বেড়ে যাওয়ার মানে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে বিদেশি মুদ্রায় অর্থ পরিশোধের সক্ষমতা আগের চেয়ে বেড়ে যাওয়া। বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকা প্রবাসীদের পাঠানো অর্থই মূলত রিজার্ভকে রেকর্ড উচ্চতায় নিয়ে যাচ্ছে।
সুখবর আরও আসছে

২০১৮ সালেই বাংলাদেশ স্বল্পোন্নত দেশ (এলডিসি) থেকে উন্নয়নশীল দেশ হওয়ার প্রাথমিক যোগ্যতা অর্জন করেছে। তিন বছর পর আগামী ফেব্রুয়ারি মাসে চূড়ান্ত যোগ্যতা অর্জনের ঘোষণা আসতে পারে। জাতিসংঘের কমিটি ফর ডেভেলপমেন্ট পলিসি (সিডিপি) আগামী ২২-২৬ ফেব্রুয়ারি ত্রিবার্ষিক মূল্যায়নে বসবে। এবার বাংলাদেশসহ পাঁচটি দেশকে বাছাই তালিকায় রেখেছে সিডিপি।

করোনা প্রতিরোধে চাঁপাইনবাবগঞ্জ চেম্বারের উদ্যোগে মাস্ক বিতরণ


চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি ॥ করোনা প্রতিরোধে সচেতনতামূলক প্রচারণার অংশ হিসেবে চাঁপাইনবাবগঞ্জ চেম্বারের উদ্যোগে চাঁপাইনবাবগঞ্জ শহরের রিক্সাচালক, যাত্রী, শ্রমিক, ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষের মাঝে মাস্ক বিতরণ ও সচেতনতামূলক পোষ্টার টাঙ্গানো হয়েছে। শনিবার সকালে চাঁপাইনবাবগঞ্জ চেম্বারের সভাপতি, এরফান গ্রুপ’র চেয়ারম্যান ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও ‘দৈনিক চাঁপাই দর্পণ’ এর প্রধান উপদেষ্টা আলহাজ¦ মো. এরফান আলীর নেতৃত্বে শহরের বড়ইন্দারা মোড়স্থ স্কাই ভিউ ইন্ এর সামনে মাস্ক বিতরণ ও লিফলেট টাঙ্গানো কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়। এসময় উপস্থিত ছিলেন চাঁপাইনবাবগঞ্জ চেম্বারের সহ-সভাপতি আলহাজ¦ মো. আব্দুল হান্নান, পরিচালক মো. বাহরাম আলী, এম কোরাইশী মিলুসহ চেম্বারের সদস্যরা। এসময় প্রায় ২ হাজার মাক্স বিতরণ ও সহ¯্রাধিক পোষ্টার বিভিন্ন স্থানে লাগানো হয়। এসময় চাঁপাইনবাবগঞ্জ চেম্বারের বিভিন্নস্তরের সদস্য ও কর্মকর্তা এবং এরফান গ্রুপের বিভিন্ন কর্মকর্তা মাস্ক বিতরন ও পোষ্টার লাগানো কাজে অংশ নেয়।

রহনপুর রেলবন্দর পরিদর্শনে রেলওয়ের জিএম

গোমস্তাপুর (চাঁপাইনবাবগঞ্জ) প্রতিনিধি: চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুর উপজেলার রহনপুর রেল স্টেশন পরিদর্শন করেছেন রেলওয়ের পশ্চিমাঞ্চলীয় জোনের মহাব্যবস্থাপক মিহির কান্তি গুহ। শনিবার তিনি রহনপুর রেল স্টেশন পরিদর্শন করেন। এ সময় তার সাথে ছিলেন, এজিএম অজয় কুমার পোদ্দার, প্রধান প্রকৌশলী আবুল ফাতাহ্ মোহাম্মদ মাসুদুর রহমান, সিওপিএস শহিদুল ইসলাম, প্রধান যন্ত্র প্রকৌশলী কুদরত-ই-খোদা, সিসিএম আহসানউল্লাহ ভূঁইয়া, প্রধান বৈদ্যুতিক প্রকৌশলী শফিকুর রহমান, সিইও রেজাউল করিম, বিভাগীয় প্রকৌশলী (২) আব্দুর রহিম ও রেলওয়ে নিরাপত্তা বাহিনীর চিফ কমাড্যান্ট আশরাফুল ইসলাম সহ রেলওয়ের অন্যান্য কর্মকর্তাবৃন্দ। চাঁপাইনবাবগঞ্জ-২আসনের সাবেক সংসদ সদস্য জিয়াউর রহমান ১৬ দফা দাবী সম্বলিত একটি স্বারকলিপি তার হাতে তুলে দেন। দাবী সমূহের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো, রেলওয়ে মার্কেট নির্মাণ, রহনপুর-ঢাকা সরাসরি ট্রেন চালু, রাজশাহী-রহনপুর রাতে সরাসরি ট্রেনের ব্যবস্থা, রহনপুর-চাঁপাইনবাবগঞ্জ- রাজশাহী লোকাল ট্রেন পুনরায় চালু করন প্রভৃতি। এসময় উপস্থিত ছিলেন, রহনপুর পৌরসভার আসন্ন নির্বাচনে আওয়ামীলীগের মনোনয়ন প্রত্যাশী ও জেলা পরিষদ সদস্য হালিমা খাতুন, জালাল উদ্দিন আকবর মুক্তি, মতিউর রহমান খাঁন মতি, জাহিদ হাসান মুক্তা, সেরাজুল ইসলাম টাইগার, বিএনপি’র মনোনয়ন প্রত্যাশী ডা: মফিজ উদ্দিন, জেলা পরিষদ সদস্য ও নাচোল পৌরসভার আসন্ন নির্বাচনে আওয়ামীলীগের মনোনয়ন প্রত্যাশী রয়েল বিশ^াস, নাচোল উপজেলার সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান আবু তাহের খোকন ও রহনপুর উন্নয়ন ফোরামের সভাপতি আশরাফুল ইসলাম আশরাফ প্রমুখ

চাঁপাইনবাবগঞ্জে র‍্যাবের অভিযানে মাদকসহ গ্রেফতার ৩ জন

নিজস্ব প্রতিবেদক, চাঁপাইনবাবগঞ্জঃ
র‍্যাব-৫, রাজশাহীর সিপিসি-১, চাঁপাইনবাবগঞ্জ ক্যাম্পের দল শনিবার দুপুরে চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার সদর থানাধীন ০৪ নং ওয়ার্ডের ১৪নং সুন্দরপুর ইউনিয়নে অভিযান পরিচালনা করে ১,৯৭০ পিচ ইয়াবাসহ ০১ জন শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ী বাবু মিয়া (২২) কে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়। সে সদর উপজেলার নারায়নপুর ইউনিয়নের ৭ নং ওয়ার্ডের জহুরপুর চর (বেলপাড়া) গ্রামের গোলাম রব্বানী ও তাজকেরা খাতুনের ছেলে।

অপরদিকে গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে র‍্যাব-৫, রাজশাহীর সিপিএসসি, মোল্লাপাড়া ক্যাম্পের একটি অপারেশন দল শনিবার রাতে চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার সদর থানাধীন শাহীবাগে চেকপোষ্ট পরিচালনা করে ৮৪১ বোতল ফেন্সিডিলসহ দুই জনকে হাতেনাতে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়। গ্রেফতারকৃত আসামিগণ হচ্ছেন খাগড়াছড়ি জেলার মাটিরাঙ্গা থানার কাজিপাড়া গ্রামের
মৃত নুরু মিয়ার ছেলে আবুল হোসেন (২৮) ও কুমিল্লা জেলার বিষ্ণপুর গ্রামের আবুল হাসেমের ছেলে মাসুদ রানা (৩০)।

র‍্যাব-৫, রাজশাহী প্রেস বিজ্ঞপ্তি জানায়,তারা সোনা মসজিদ হইতে ট্রাকযোগে কুমিল্লার উদ্দেশ্যে যাইতেছিল। উক্ত মাদক ব্যবসায়ীদ্বয় দীর্ঘদিন যাবৎ বিভিন্ন ধরনের মাদক ব্যবসার সাথে জড়িত। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা মাদক ব্যবসার সাথে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছে।

আসামীদ্বয়ের বিরুদ্ধে চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার সদর থানায় নিয়মিত মামলা রুজু করা হয়েছে।

হবু প্রেসিডেন্টের নিরাপত্তা: বাইডেনের বাড়ির ওপর দিয়ে প্লেন চলাচলে নিষেধাজ্ঞা


মার্কিন নির্বাচনের সবশেষ ফলাফল অনুযায়ী প্রেসিডেন্ট পদে বর্তমান প্রেসিডেন্ট ও রিপাবলিকান প্রার্থী ডোনাল্ড ট্রাম্পের পেয়ে এগিয়ে আছে ডেমোক্রেট প্রার্থী জো বাইডেন। সূত্র: ফক্স নিউজ। এ অবস্থায় বাইডেনের ব্যক্তিগত নিরাপত্তা বাড়িয়েছে মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা। এরই অংশ হিসেবে বাইডেনের ডেলাওয়্যার অঙ্গরাজ্যের উইলমিংটনের বাড়ি ও আশপাশের এলাকায় সাময়িকভাবে প্লেন চলাচলের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করে ‘নো ফ্লাইং জোন’ ঘোষণা করেছে মার্কিন ফেডারেল অ্যাভিয়েশন অ্যাডমিনিস্ট্রেশন। সেখানে মোতায়ন করা হয়েছে অতিরিক্ত সিক্রেট সার্ভিস সদস্য।

নির্বাচনের চূড়ান্ত ফলাফল এখনো ঘোষণা করা না হলেও বিভিন্ন রাজ্যের ফলাফলে দেখা যাচ্ছে যে বাইডেনই হতে যাচ্ছেন ৪৬তম মার্কিন প্রেসিডেন্ট।

এ পর্যন্ত তিনি ২৬৪ ইলেক্টোরাল ভোট পেয়েছেন। যেখানে ট্রাম্প পেয়েছেন ২১৪টি ইলেক্টোরাল ভোট।

ফলে মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা শুক্রবার থেকে সম্ভাব্য প্রেসিডেন্ট বাইডেনের নিরাপত্তা জোরদার করেছে।

ভোলাহাটে ৪৯ তম জাতীয় সমবায় দিবস পালিত

ভোলাহাট (চাঁপাই নবাবগঞ্জ) প্রতিনিধিঃ চাঁপাই নবাবগঞ্জের ভোলাহাটে ৪৯ তম জাতীয় সমবায় দিবস পালিত হয়েছে। করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের কারনে সীমিত পরিসরে দিবসটি উপলক্ষে এক আলোচনা সভা ভোলাহাট উপজেলা মিলনায়তনে শনিবার সকাল সাড়ে দশটার সময় উপজেলা নির্বাহী অফিসার মশিউর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়। বঙ্গবন্ধুর দর্শন, সমবায়ে উন্নয়ন” এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা চেয়ারম্যান প্রভাষক রাব্বুল হোসেন এবং বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান গরীবুল্লাহ দবির, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান শাহনাজ খাতুন, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ইয়াশিন আলী শাহ, ভোলাহাট প্রেস ক্লাবের সভাপতি গোলাম কবির, এসআই মোস্তাফিজুর রহমান। সমবায় অফিসার আব্দুল হালিমের সার্বিক তত্ত্বাবধানে এবং সমবায় কার্যালয় ভোলাহাট এর সহকারী পরিদর্শক রেজাউল করিমের সঞ্চচালনায় আরও উপস্থিত ছিলেন বিভিন্ন সমবায় সমিতির কার্যনির্বাহী ও সাধারণ সদস্যবৃন্দ। টেকসই উন্নয়নে সমবায়ীদের আরও এগিয়ে আসার আহবান জানান বক্তারা।

চাঁপাইনবাবগঞ্জে বাংলাদেশ হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদের গণঅবস্থান কর্মসূচি পালিত

চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি:
চাঁপাইনবাবগঞ্জে ধর্ম অবমাননার অভিযোগে সংখ্যালুঘু এলাকায় আক্রমন, অগ্নিসংযোগ,নারী নির্যাতন ও সংখ্যালুঘু সুরক্ষা আইন, জাতীয় সংখ্যালুঘু কমিশন এবং মন্ত্রণালয় গঠনের দাবিতে গণঅবস্থান কর্মসূচি পালিত হয়েছে।

শনিবার (৭ নভেম্বর) সকাল সাড়ে ১০টায় শহরের বঙ্গবন্ধু মুক্ত মঞ্চের সামনে এই গণ অবস্থান কর্মসূচির আয়োজন করে বাংলাদেশ হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদ চাঁপাইনবাবগঞ্জ শাখা ও জেলার সকল হিন্দু সংগঠন ।

মানববন্ধন চলাকালে দেশব্যাপী সংখ্যালুঘুদের উপর চলা নির্যাতন বন্ধের দাবি জানিয়ে বক্তারা বলেন, ‘সংখ্যালুঘুদের উপর নির্যাতন বন্ধে দ্রুত সংখ্যালুঘু সুরক্ষা আইন, জাতীয় সংখ্যালুঘু কমিশন এবং মন্ত্রণালয় গঠনের জোর দাবি জানান সরকারের কাছে।’

এ সময় বক্তব্য রাখেন, বাংলাদেশ হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদ চাঁপাইনবাবগঞ্জ শাখার সহ-সভাপতি বিজয় কুমার ঘোষ, সাধারণ সম্পাদক দিলীপ কুমার রায়, বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদের কেন্দ্রীয় সদস্য কমল ত্রিবেদী ও জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক প্রনব কুমার পাল এবং চাঁপাইনবাবগঞ্জ সার্বজনীন পূজা কমিটির সভাপতি ডাবলু কুমার ঘোষ প্রমুখ। এ সময় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ যুব ঐক্য পরিষদের আহবায়ক পলাশ প্রামানিক,চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার পুজা উদযাপন কমিটির সাধারন সম্পাদক শ্রী স্বপন কুমার ঘোষ, চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা পুজা কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক ধনজয় চ্যাটার্জী প্রমুখ।