সর্বশেষ সংবাদ PM Hasina mourns death of Diego Maradona মেঘ কাটলেই বাড়বে শীত, তেঁতুলিয়ায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা করোনায় ঝরে গেল আরও এক বাংলাদেশি তারকার প্রাণ চাঁপাইনবাবগঞ্জে র‍্যাবের অভিযানে ৮ জুয়াড়ি গ্রেফতার গোমস্তাপুরে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন বিষয়ক সেমিনার তথ্য-প্রযুক্তির ব্যবহারে বাংলাদেশ বিশ্বে অনুকরণীয় ভ্যাকসিন পেতে সরকারের ৭৩৫ কোটি টাকা ছাড় নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের বাজার সহনীয় রাখতে অারও যে সব পণ্য কেনা হবে সোনা মসজিদ স্থলবন্দরে মতবিনিময় সভা ও সহায়তা প্রদান ম্যারাডোনার মরদেহের ময়নাতদন্ত হবে

খুনি ও স্বাধীনতাবিরোধী চক্র থেকে সাবধান থাকার আহবান প্রধানমন্ত্রীর

চক্রান্তের বিষয়ে সবাইকে সজাগ ও সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছেন আওয়ামী লীগ সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, সন্ত্রাসী, খুনিচক্র ও স্বাধীনতাবিরোধী চক্র বসে নেই। তাদের থেকে সবাইকে সাবধান থাকতে হবে। অবৈধভাবে ক্ষমতা দখল করে ক্ষমতার উচ্ছিষ্ট বিলিয়ে গঠিত রাজনৈতিক দল কখনোই দেশ ও জাতির কল্যাণ করতে পারে না। ক্ষমতাকে তারা নিজেদের ভাগ্য গড়ার কাজে ব্যবহার করে, জনগণ কিছু পায় না। ১৫ আগস্ট ও ৩ নভেম্বরের মতো ইতিহাসের জঘন্যতম ঘটনা ঘটিয়েও তারা ক্ষমতা ভোগ করতে পারেনি জনগণের কারণে। এটিই তাদের সবচেয়ে বেশি ক্ষোভ। গতকাল মঙ্গলবার বিকালে রক্তাক্ত-শোকাবহ ৩ নভেম্বর জেল হত্যা দিবস উপলক্ষে রাজধানীর বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ে কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আওয়ামী লীগ আয়োজিত আলোচনাসভায় গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে যুক্ত হয়ে তিনি এই মন্তব্য করেন।

শেখ হাসিনা বলেন, একমাত্র আওয়ামী লীগই দেশের একমাত্র রাজনৈতিক দল যেটি দেশের মাটি ও মানুষের মধ্যে থেকে দেশের মাটিতে জন্ম নিয়েছে, তাই আওয়ামী লীগের শিকড় অনেক গভীরে। আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় এলেই

দেশ উন্নতি হয়, দেশের মানুষের কল্যাণ হয়, বিশ্বের বুকে মাথা উঁচু করে চলতে পারে- আমরা তা প্রমাণ করেছি।

কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আলোচনাসভায় সূচনা বক্তব্য রাখেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক সেতুসন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। এ সময় দল, সহযোগী ও ভাতৃপ্রতিম সংগঠনের নেতারা উপস্থিত ছিলেন। গণভবন প্রান্ত থেকে সভাটি পরিচালনা করেন আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক আবদুস সোবহান গোলাপ।

নির্বাচন নিয়ে প্রশ্ন উত্থাপনকারীদের কঠোর সমালোচনা করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, কারোর দয়া বা দাক্ষিণ্যে নয়, আওয়ামী লীগ জনগণের সমর্থন নিয়েই চার চারবার ক্ষমতায় থেকে দেশের সেবা করে যাচ্ছে। আওয়ামী লীগ জনগণের কল্যাণে ও দেশের উন্নয়নে কাজ করে বলেই ক্ষমতায় টিকে আছে। যারা ক্ষমতায় থেকে সন্ত্রাস, দুর্নীতি, জঙ্গিবাদ সৃষ্টি ও মানুষ হত্যা করে, দেশের কল্যাণ করতে পারে না, অবৈধ ক্ষমতা দখলকারীর হাতে যে দলের জন্ম- তাদের (বিএনপি) কেন দেশের জনগণ ভোট দেবে?

১৫ আগস্ট ও ৩ নভেম্বর হত্যাকা-ের সঙ্গে খন্দকার মোশতাক ও জিয়াউর রহমান জড়িত উল্লেখ করে আওয়ামী লীগ সভাপতি বলেন, বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর খুনি মোশতাক অবৈধভাবে ক্ষমতা দখল করেই প্রথমে জিয়াউর

রহমানকে সেনাপ্রধান করে। এতেই স্পষ্ট হয়, এই ষড়যন্ত্রে খুনি মোশতাকের ডানহাত ছিল এই জিয়াউর রহমান। বঙ্গবন্ধু হত্যাকা-ের সঙ্গে জিয়া জড়িত না থাকলে লন্ডনের টমাস উইলিয়াম এমপির নেতৃত্বে গঠিত তদন্ত

কমিটিকে বাংলাদেশে আসতে দেয়নি কেন? তার স্ত্রী খালেদা জিয়াও বঙ্গবন্ধুর খুনিকে প্রহসনের নির্বাচনে বিজয়ী করে সংসদে বসিয়েছিল। আর এরশাদও খুনি ফারুককে রাষ্ট্রপতি প্রার্থী করেছিল।

শেখ হাসিনা আরও বলেন, জাতির পিতা মাত্র সাড়ে তিন বছরের মধ্যে যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশটাকে গড়ে তুলেছিলেন। তখনি কিন্তু আঘাত আসে। কাজেই ১৫ আগস্টের ঘটনাকে যারা একসময় শুধু একটা পারিবারিক ঘটনা হিসাবে অপপ্রচার চালাতে চেষ্টা করেছিল, কিন্তু তাদের আসল উদ্দেশ্যটা ধরা পড়ে যায় ৩ নভেম্বরের হত্যাকা-ে। যেটা শুধু পারিবারিক হত্যাকা- ছিল না। স্বাধীন বাংলাদেশের স্বাধীনতা যারা মানতে পারে নাই, স্বাধীন বাংলাদেশকে যারা স্বীকার করতে পারে নাই, স্বাধীন বাংলাদেশটাই যারা চায় নাই- তাদের দোসররাই ছিল এই হত্যাকা-ের মূল হোতা। এটা যে একটা রাজনৈতিক চক্রান্ত। স্বাধীনতার বিরুদ্ধে চক্রান্ত, দেশের মানুষের বিরুদ্ধে চক্রান্ত-সেটাই প্রমাণ হয়।

বিএনপির উদ্দেশে শেখ হাসিনা বলেন, যারা অপপ্রচার চালানোর চেষ্টা করে, যারা সংঘাত সৃষ্টির চেষ্টা করে, যারা মানুষকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করে- তাদের শুধু এটাই বলব যে, তারা কি ৩ নভেম্বরের ঘটনা একবার কোনোদিন ভেবে দেখেছেন? তারা কি এই ঘটনার সঙ্গে কারা জড়িত সেটা একবার চিন্তা করেছেন? জেলখানার মতো একটা সুরক্ষিত জায়গায় খুনিদের প্রবেশ করার অনুমতি কে দিয়েছিল? তাদের বিবেক তো সেখানে নাড়া দেয় না। তাদের বিবেক তো কথা বলে না। বঙ্গবন্ধুর নির্দেশে যে নেতারা দিনরাত পরিশ্রম করে যুদ্ধ পরিচালনা করে দেশকে বিজয়ী করল, তাদের কারাগারের মধ্যে নির্মমভাবে হত্যা করা হলো। আর জাতির পিতাকে তো সপরিবারে, আমার দশ বছরের শিশু ভাইটিকেও ছাড়েনি। যেন বঙ্গবন্ধুর রক্তের কেউ যেন বেঁচে না থাকে। এদের প্রত্যেকের একটাই লক্ষ্য ছিল, ১৫ আগস্টের যে ঘটনা- এটা শুধু একটা পরিবারকে হত্যা নয়, একটা আদর্শকে হত্যা, দেশকে হত্যা।

মোটরযানের ফিটনেস পরীক্ষা বেসরকারি খাতে যাচ্ছে

এবার মোটরযানের ফিটনেস পরীক্ষার কাজটি বেসরকারি খাতে ছেড়ে দেয়া হচ্ছে। পাঁচ বছরের জন্য এই কাজ পেতে যাচ্ছে ‘কম্পিউটার নেটওয়ার্ক সিস্টেম (সিএনএস)। এ জন্য স্থাপন করা হবে ১২ লেনবিশিষ্ট ভেহিক্যাল ইন্সপেকশন সেন্টার (ভিআইসি)। এই কোম্পানি রেলওয়ে টিকিট ডিজিটালাইজেশনের সাথেও জড়িত।
জানা গেছে, প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করতে ভ্যাট, ট্যাক্সসহ মোট খরচ হবে ১০৫ কোটি ২২ লাখ ৯৪ হাজার টাকা। এ সংক্রান্ত একটি ক্রয় প্রস্তাব অনুমোদনের জন্য আজ বুধবার অনুষ্ঠেয় সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে উপস্থাপন করা হতে পারে। অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামালের সভাপতিত্বে ভার্চুয়াল এই সভাটি দুপুরে সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত হবে।
বলা হয়েছে, সড়ক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার অংশ হিসেবে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ১২ লেনবিশিষ্ট ভেহিক্যাল ইন্সপেকশন সেন্টার (ভিআইসি) স্থাপনের উদ্যোগ নিয়েছে। এ সংক্রান্ত এক প্রস্তাবে উল্লেখ করা হয়, বিআরটিএ মোটরযানের রেজিস্ট্রেশন, ফিটনেস, ট্যাক্স টোকেন, রুট পারমিট এবং ড্রাইভিং লাইসেন্স সংক্রান্ত যাবতীয় কাজসহ সড়ক নিরাপত্তা বিষয়ে কাজ করে থাকে। এখন স্বয়ংক্রিয় পদ্ধতিতে মোটরযানের ফিটনেস পরীক্ষার উদ্দেশে বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ভেহিক্যাল ইন্সপেকশন সেন্টার (ভিআইসি) স্থাপন করা হবে। এই ভিআইসি পাঁচ বছর মেয়াদে পরিচালনা এবং মেয়াদ শেষে বিআরটিএর কাছে হস্তান্তর করবে।
এ শর্তে পরীক্ষামূলকভাবে বিআরটিএ কর্তৃক ঢাকা মেট্রো-১, মিরপুর সার্কেল অফিসে ভিআইসি স্থাপনের উদ্যোগ নেয়া হয়। তবে মিরপুরের বিআরটিএ অফিস কম্পাউন্ডে পর্যাপ্ত জায়গা না থাকায় ইতোমধ্যে ওই অফিস সংলগ্ন বিআরটিসির ১২,০৭৫ বর্গফুট জায়গা সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের মাধ্যমে বুঝে নেয়া হয়েছে। সূত্র জানায়, ভিআইসি স্থাপনের জন্য কনসালট্যান্সি সার্ভিস অর্থাৎ ভিআইসির ড্রইং, ডিজাইন এবং নির্মাণকাজের তদারকির জন্য বিআরটিএ গত ২০১৮ সালের ২৭ ডিসেম্বর পরামর্শক প্রতিষ্ঠান ডেক্সিটিরাস কনসালট্যান্টস লিমিটেডের সাথে চুক্তি স্বাক্ষর করে। চুক্তির মেয়াদ আগামী ২০২১ সালের ৩১ জুলাই শেষ হবে। পরামর্শক প্রতিষ্ঠানটি প্রাথমিকভাবে ১২ লেনবিশিষ্ট ভিআইসির ড্রইং, ডিজাইন দাখিল করে।
এরই ধারাবাহিকতায় বিআরটিএর অধীনে পাঁচ বছর মেয়াদে ঢাকা মেট্রো-১ সার্কেল অফিসে ১২ লেনবিশিষ্ট ভিআইসি স্থাপনের জন্য প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি, হার্ডওয়্যার ইত্যাদি সরবরাহ, স্থাপন, পরিচালনা, মেইনটেন্যান্স ও মেয়াদ শেষে হস্তান্তরের লক্ষ্যে ভেন্ডর/সার্ভিস প্রোভাইডার নির্বাচনের উদ্দেশ্যে গঠিত কমিটি ইওআই, আরএফপি ও প্রাক্কলনটি প্রস্তুত করে।
সার্ভিস প্রোভাইডার নির্বাচনের লক্ষ্যে ২০১৯ সালের ২৫ এপ্রিল এক্সপ্রেশন অব ইন্টারেস্ট (ইওআই) আহ্বান করা হয়। সেই বছরের ২৭ এপ্রিল কয়েকটি সংবাদমাধ্যমে ইওআই বিজ্ঞাপনটি প্রকাশিত হয়। এই ইওআইর বিপরীতে ৯টি আবেদন পাওয়া যায়। বিআরটিএর প্রস্তাব মূল্যায়ন কমিটি কর্তৃক ইওআই মূল্যায়ন করা হয়। কমিটি চারটি প্রতিষ্ঠানকে সংক্ষিপ্ত তালিকায় অন্তর্ভুক্তির সুপারিশ করে এবং তা ক্রয়কারী কার্যালয় প্রধান কর্তৃক অনুমোদিতও হয়।
জানা গেছে, মূল্যায়ন কমিটির সুপারিশের প্রেক্ষিতে ওই প্রতিষ্ঠানগুলোকে ২০১৯ সালের ২০ অক্টোবর রিকোয়েস্ট ফর প্রপোজাল (আরএফপি) দেয়া হয়। নির্ধারিত তারিখের মধ্যে চারটি প্রতিষ্ঠানই আরএফপি দাখিল করে। কারিগরি মূল্যায়ন কমিটি সংক্ষিপ্ত তালিকার চারটি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে দুটি প্রতিষ্ঠান প্রয়োজনীয় কারিগরি স্কোর অর্জন করে রেসপন্সিভ বিবেচিত হয়। এর মধ্যে কম্পিউটার নেটওয়ার্ক সিস্টেম (সিএনএস) লিমিটেড পায় ৮৯.১৪ স্কোর এবং অ্যাসোসিয়েশন ইউথ পার্টস ওয়ার্ল্ড এলএলসি, বেলটেক সিস্টেম অ্যান্ড সিনটেক সলিউশন লিমিটেড ৭৪.০২ স্কোর অর্জন করে। আরএফপিতে কারিগরি মূল্যায়নের যোগ্যতা অর্জনের ন্যূনতম স্কোর ৭০ নির্ধারণ করা হয়।
সূত্র জানায়, কারিগরি মূল্যায়নে রেসপন্সিভ বিবেচিত প্রতিষ্ঠান দু’টির আর্থিক প্রস্তাব সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিদের উপস্থিতিতে উন্মুক্ত করা হয়। এতে কম্পিউটার নেটওয়ার্ক সিস্টেম (সিএনএস) লিমিটেড ভ্যাট, এআইটি এবং স্থানীয় অন্যান্য ট্যাক্স ছাড়া দর উল্লেখ করে ৮২ কোটি ৮৫ লাখ ৮ হাজার ৩৭৫ টাকা। অন্য দিকে অ্যাসোসিয়েশন ইউথ পার্টস ওয়ার্ল্ড এলএলসি, বেলটেক সিস্টেম অ্যান্ড সিনটেক সলিউশন লিমিটেড দর উল্লেখ করে ৯৭ কোটি ৮০ লাখ টাকা। আর্থিক মূল্যায়ন কমিটি প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করার জন্য সর্বনি¤œ দরদাতা হিসেবে কম্পিউটার নেটওয়ার্ক সিস্টেম (সিএনএস) লিমিটেডকে সুপারিশ করে। এখন এই কোম্পানিকে মোটরযানের ফিটনেস পরীক্ষার কাজ দেয়ার বিষয়টি চূড়ান্ত করা হচ্ছে বলে জানা গেছে।

মানব পাচার রোধে জিরো টলারেন্সে সরকার

মানবপাচার রোধে কঠোর অবস্থান নিয়েছে সরকার। পাচাররোধে জিরো টলারেন্স দেখানোর নির্দেশ দেয়া হয়েছে প্রশাসনকে। নেয়া হয়েছে দ্রুত বিচারসহ আরও কিছু উদ্যোগ। সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, মানবপাচার শূন্যের কোটায় নামিয়ে আনার জন্য কাজ করছে সরকার।

মানবপাচার নিয়ে সরকারের অবস্থান বরাবরই কঠোর। এত কিছুর পরও পাচার বন্ধ হয়নি। অনেক কাহিনী প্রকাশ পাচ্ছে প্রতিনিয়ত। এই অবস্থা উত্তোরণে এবার বেশ কিছু উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। এর মধ্যে ‘মানবপাচার প্রতিরোধ ও দমন’ আইনের কঠোর বাস্তাবায়নের নির্দেশ দেয়া হয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে। দেশের সাত বিভাগে সাতটি ‘মানবপাচার ট্রাইব্যুনাল’ গঠন করে মানবপাচার মামলাগুলো দ্রুত নিষ্পত্তির উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। উদ্যোগ নেয়া হয়েছে মানবসম্পদ রফতানির সঙ্গে সম্পৃক্ত কিছু আইনেরও সংশোধনের ।

পুলিশ সদর দফতর সূত্রে জানা গেছে, সরকার মানবপাচার রোধ কল্পে কঠোর অবস্থান নেয়ার পরও মানবপাচার থেমে নেই। দেশের ৬৪ জেলায় পৌনে দুই লাখ মানবপাচার মামলা বিচারাধীন। এর মধ্যে পাঁচ বছরের বেশি সময় ধরে বিচারাধীন রয়েছে ৩০ হাজার ৭১১টি মামলা। গত ৮ বছরে গ্রেফতার করা হয়েছে ৬ হাজার মামলায় ৯ হাজার ৬৯২ জনকে। এই সময়ে সাজা হয়েছে ৫৪ জনের। তবে মামলা নিষ্পত্তির হার খুবই কম। মানবপাচারের শিকারে পরিণত হওয়া অনেকেই মালয়েশিয়া, ভিয়েতনাম, কম্বোডিয়ায়, থাইল্যান্ডসহ বিভিন্ন দেশের বনে জঙ্গলে থাকার খবর পাওয়া যাচ্ছে। সদর দফতরের একজন কর্মকর্তা বলেন, দেশে মানবপাচারের অভিযোগ নতুন কোন ঘটনা নয়। কিন্তু সম্প্রতি লিবিয়ায় ২৬ বাংলাদেশীকে হত্যার ঘটনার পর তা পুনরায় দেশ-বিদেশে আলোচনায় উঠে এসেছে। লিবিয়ায় মানবপাচারের ঘটনায় অর্ধ শতাধিক দালালকে গ্রেফতার করা হয়েছে। মামলা হয়েছে তাদের বিরুদ্ধে। তদন্তও হচ্ছে। চলতি বছর ২০২০ সাল পর্যন্ত দেশের ৬৪ জেলায় মানবপাচারের অভিযোগে দায়ের হওয়া ১ লাখ ৮০ হাজার ৬৭৫টি মামলা বিচারাধীন রয়েছে। পুলিশের সদর দফতর সূত্রে জানা গেছে, কয়েক বছর ধরে পাচারকারীরা ইউরোপে যাওয়ার লোভ দেখিয়ে মানুষকে লিবিয়ায় নিচ্ছে। সেখানে তারা অপহরণ ও নির্যাতনের শিকার হচ্ছেন। ইউরোপে যেতে ভূমধ্যসাগর পাড়ি দিতে গিয়ে অনেকে মারা যান। ২০১২ সালে মানবপাচার প্রতিরোধ ও দমন আইনটি হওয়ার পর থেকে গত ডিসেম্বর পর্যন্ত প্রায় ৬ হাজার মামলায় ৯ হাজার ৬৯২ জন গ্রেফতার হয়েছেন। আর ২০১৪ সাল থেকে এযাবত মাত্র ৫৪ জনের সাজা হয়েছে। গত প্রায় আট বছরে দেশে ৫ হাজার ৭১৬টি মামলা করা হয়েছে। এগুলোর মধ্যে ২৪৭টি অর্থাৎ মাত্র ৪ শতাংশ মামলার নিষ্পত্তি হয়েছে। মন্ত্রণালয়ের হিসাবে বিচারাধীন আছে প্রায় ৪ হাজার ৪০৭টি মামলা।

অপরাধ তদন্ত বিভাগ-সিআইডি থেকে মানবপাচার মামলার নথির তথ্যানুযায়ী এক মামলায় ১১৮ বার তারিখ পড়ার পরও সাক্ষী পাওয়া যায়নি। ক্যান্টনমেন্ট থানার ২০০২ সালের একটি মামলায় সাক্ষী হাজির করার তারিখ পড়েছিল ৫৫ বার। তেজগাঁও থানায় ২০০৫ সালের একটি মামলায় পড়েছিল ৪৭ বার। এই ধরনের ১৮টি মামলায় বারবার তারিখ পড়ার তথ্য পেয়েছেন। ২০১১ সালে ফিরে এসে মামলা করেন একজন ভুক্তভোগী। সেই মামলা এখনও চলছে। অভিযুক্ত ব্যক্তি জামিনে আছেন। অথচ এই আইনের মামলা জামিনযোগ্য নয়। এ ছাড়া আইনে সুযোগ না থাকলেও অনেক সময় দুই পক্ষ আপোস করে ফেলে। তখন মামলা চালানো কঠিন। আইন বলছে, ৯০ দিনের মধ্যে পুলিশ তদন্ত প্রতিবেদন দেবে এবং ১৮০ দিনের মধ্যে বিচার শেষ করতে হবে। তেমন নজির প্রায় নেই। আইনটিতে সর্বোচ্চ সাজা মৃত্যুদ- অথবা যাবজ্জীবন কারাবাস। সঙ্গে মোটা অর্থদ- আছে।

মানবপাচার মামলা পরিচালনাকারী রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী বলেছেন, মামলার বিচারের ধীরগতি হওয়ার পেছনে চারটি কারণ। অভিযোগকারীর চেয়ে আসামিপক্ষ অর্থবিত্তে ক্ষমতাশালী হওয়া ও আসামিপক্ষ বেশি তৎপর থাকায় মামলার ওপর প্রভাব ফেলে। বাদীপক্ষ আদালতের বাইরে মীমাংসা করতে বাধ্য হয় এবং সেটি সম্ভব হয় অপরাধটির ভয়াবহতা নিয়ে প্রচার বেশি না থাকার কারণে। তারা এও বলছেন, কোন অপরাধে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির নজির না থাকলে, সেটি খুব বেশি গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনায় নেয় না কোন পক্ষই। মানবপাচারের মামলাগুলো বিচারের জন্য আলাদা ট্রাইব্যুনাল গঠন এবং সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলোর সমন্বয় খুব জরুরী। সম্প্রতি লিবিয়ায় মানবপাচারকারীদের গুলিতে নিহত ২৬ জন বাংলাদেশী মাদারীপুর, গোপালগঞ্জ, টাঙ্গাইল, কিশোরগঞ্জ ও যশোরের অধিবাসী ছিলেন। এসব জেলার মানবপাচার বিষয়ক আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটরদের সঙ্গে কথা বলেও মানবপাচারের চলমান মামলার দীর্ঘসূত্রতাসহ এই চার কারণ জানা যায়।

অপরাধ তদন্ত বিভাগ-সিআইডি সূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশের বিমানবন্দর থেকে শুরু করে লিবিয়া পর্যন্ত চক্রের জাল বিছানো। পাচারকারীরা দফায় দফায় ৮ থেকে ১০ লাখ টাকা নেন। দেশ থেকে হুন্ডি করে টাকা আনাতে হয়। লিবিয়ায় প্রায়ই কোন দল অপহরণ করে নিয়ে যায়। মুক্তিপণ দিতে হয়। অনেক সময় অভিবাসনের নামে পাচার চলে। ইউরোপে অভিবাসনের হাতছানিতে গত বছরও ভূমধ্যসাগরে ডুবে মারা গেছে এবং উদ্ধার হয়েছেন অনেক বাংলাদেশী। লিবিয়ায় যুদ্ধ শুরু হলে ২০১১ সালে ৩৭ হাজার বাংলাদেশীকে ফেরত আনা হয়েছিল। তারপর দেশটি পাচারের পথ হয়ে ওঠে। সিলেট, সুনামগঞ্জ, নোয়াখালী, মাদারীপুর, শরীয়তপুরসহ নির্দিষ্ট কিছু অঞ্চলে গড়ে ওঠা দালাল চক্র এলাকার লোককে এই পথে পাচারের ব্যবসায় যুক্ত।

অপরাধ তদন্ত বিভাগ-সিআইডির একজন কর্মকর্তা বলেন, গত ২৭ মে লিবিয়ায় গুলিতে হত্যা করা হয়েছে ২৬ জন বাংলাদেশীকে। ২ জুন র‌্যাব কামাল হোসেন ওরফে হাজী কামালকে (৫৫) গ্রেফতার করেছে। র‌্যাব বলছে, তিনি মানবপাচারকারী চক্রের অন্যতম হোতা। অভিজ্ঞজনেরা যদিও বলছেন, মূল ব্যক্তিরা সচরাচর ধরাছোঁয়ার বাইরে থাকেন। মানবপাচার চক্রের মূল অংশটি দেশের বাইরে। স্থানীয় পর্যায়ে কিছু দালাল কাজ করে। অনেক ক্ষেত্রেই ভুক্তভোগীরা তথ্য দেন না। মানবপাচার মামলায় সাক্ষী নিয়মিত পাওয়া যায় না।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একজন কর্মকর্তা বলেন, ‘মানবপাচার প্রতিরোধ ও দমনে ২০১২ সালে যে আইনটি করা হয়েছে, সেটি চমৎকার একটি আইন। তদন্ত ও শাস্তিসহ বেশকিছু বিষয়ে স্পষ্ট নির্দেশনা দেয়া আছে। কিন্তু এই আইনের পুরোপুরি বাস্তবায়ন হচ্ছে না। এছাড়া, জাতীয় যে কর্মপরিকল্পনা রয়েছে সেটাও ঠিকমতো বাস্তবায়ন হচ্ছে না। মানবপাচারের মামলাগুলো বিচারের জন্য ট্রাইব্যুনাল গঠন করা যায়নি আট বছরেও। এ বছর সাতটি বিভাগে ট্রাইব্যুনাল চালু করে বিচার করার কথা আছে। মানবপাচার প্রতিরোধ ও দমনের যে আইনটি আছে তার বাস্তবায়ন করার জন্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে নির্দেশ দেয়া হয়েছে। এই ধরনের উদ্যোগের সফল বাস্তবায়ন করা গেলে মানবপাচার সংক্রান্ত ভয়াবহ পরিস্থিতির উত্তরণ ঘটানো সম্ভব বলে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কর্মকর্তার দাবি।

দেশে ফেসবুকে ৩১২ কোটি টাকার ব্যবসা

করোনাকালে দেশে ই-কমার্সের ব্যবসা জনপ্রিয় হয়েছে। তারপরও মহামারিতে খাতটির ৭-৮ শতাংশ উদ্যোক্তা সাফল্য পেয়েছে। তবে উদ্যোক্তাদের হতাশ হওয়ার কিছু নেই। আগামী তিন বছরের মধ্যে ই-কমার্সের বাজার গিয়ে ৩০৯ কোটি ৭০ লাখ ডলারে দাঁড়াবে, যা দেশীয় মুদ্রায় ২৬ হাজার ৩২৪ কোটি টাকার সমান।

ঢাকা চেম্বারের আয়োজনে আজ মঙ্গলবার ‘কোভিড-১৯ পরিস্থিতিতে ই-কমার্স ও ভোক্তা অধিকার: প্রতিবন্ধকতা ও সুপারিশ’ শীর্ষক ভার্চ্যুয়াল আলোচনায় বক্তারা এসব কথা বলেন। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন বাণিজ্যসচিব মো. জাফর উদ্দিন। বিশেষ অতিথি ছিলেন কনজ্যুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ক্যাব) সভাপতি গোলাম রহমান। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব সফটওয়্যার অ্যান্ড ইনফরমেশন সার্ভিসেসের (বেসিস) সভাপতি সৈয়দ আলমাস কবির।

আলোচনায় জানানো হয়, বাংলাদেশে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারকারীর সংখ্যা প্রায় ৩ কোটি ৬০ লাখ। তার মধ্যে ফেসবুক ব্যবহার করেন ৮৯ দশমিক ৬২ শতাংশ। আর ফেসবুককেন্দ্রিক ব্যবসা করে প্রায় ৩ লাখ উদ্যোক্তা, যার অর্ধেকই নারী। উদ্যোক্তারা মাসে গড়ে ১০ হাজার থেকে ১ লাখ টাকা আয় করেন। তাতে সম্মিলিত বাণিজ্যের পরিমাণ দাঁড়ায় প্রায় ৩১২ কোটি টাকা।

অন্যদিকে দেশে ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান রয়েছে প্রায় আড়াই হাজার। তাদের কাছ থেকে যাঁরা পণ্য কেনেন, তাঁদের মধ্যে ৮০ শতাংশই শহরাঞ্চলের বসবাস করেন। প্রতিদিন প্রায় ৩০ হাজার অর্ডার ভোক্তার কাছে পৌঁছে দেয় ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানগুলো। চলতি বছর ই-কমার্সের বাজারের আকার গিয়ে দাঁড়াবে ২০৭ কোটি ডলারে, যা গত বছর ছিল ১৬৪ কোটি ডলার। সেই হিসেবে এবার ই-কমার্সের বাজার বাড়বে ২৬ শতাংশ।

ই-কমার্সে থেকে পণ্য কিনতে বেশি আগ্রহ দেখান ২৫ থেকে ৩৪ বছর বয়সী মানুষ। সব মিলিয়ে ই-কমার্সের ৬১ শতাংশ পণ্যের ক্রেতাই তাঁরা। তারপর ১৬ শতাংশ পণ্য কেনেন ৩৫ থেকে ৪৪ বছর বয়সী মানুষ। ১৮ থেকে ২৪ বছর বয়সী মানুষ কেনেন ই-কমার্সের ১৪ শতাংশ পণ্য। এ ছাড়া ৪৫-৫৪ বছর বয়সী মানুষ ই-কমার্সের ৫ শতাংশ পণ্য কিনতে আগ্রহ দেখাচ্ছেন।

বিভিন্ন ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানের তথ্যানুযায়ী, বর্তমানে অনলাইনে পোশাক বাজারের আকার ৫৯ কোটি ডলারের, যা ২০২৩ সালে ১২৪ কোটি ডলারে দাঁড়াতে পারে। বর্তমানে ৪৫ কোটি ডলারের ইলেকট্রনিক পণ্য বিক্রি হচ্ছে অনলাইনে। আসবাব ও গৃহস্থালি সরঞ্জামও কম বিক্রি হচ্ছে না, প্রায় ১৯ কোটি ডলারের।

বেসিস সভাপতি সৈয়দ আলমাস কবির বলেন, ফেসবুককেন্দ্রিক উদ্যোক্তাদের অধিকাংশেরই ট্রেড লাইসেন্স নেই। উদ্যোক্তাদের একটি নিবন্ধন কার্যক্রমের আওতায় আনা সম্ভব হলে, তাদের আর্থিক ঋণসুবিধা পাওয়া সহজ হবে। তাতে উদ্যোক্তাদের কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করাও সম্ভব হবে। তিনি বলেন, তৃণমূল পর্যায়ের মানুষদের ই-কমার্সের আওতায় নিয়ে আসতে সুলভ মূল্যে ইন্টারনেট সুবিধা নিশ্চিতকরণের পাশাপাশি সাইবার নিরাপত্তা জোরদার করতে হবে।

দেশে ই-কমার্সের জনপ্রিয়তা বাড়লেও প্রতারণার ঘটনাও ঘটেছে। সেটি উল্লেখ করে সবাইকে সচেতন হওয়ার আহ্বান জানান বাণিজ্যসচিব মো. জাফর উদ্দিন। তিনি বলেন, ডিজিটাল ব্যবসায় অনুকূল পরিবেশ নিশ্চিত করতে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের ডব্লিউটিও সেলের অধীনে একটি পরামর্শক কমিটি গঠন করা হয়েছে। এই কমিটি ব্যবসায় স্বচ্ছতা আনায়নের জন্য ই-কমার্সকে ট্রেড লাইসেন্স অন্তর্ভুক্তকরণ, ই-কমার্স পরিচালনা ও অভিযোগ নিষ্পত্তির জন্য নীতিমালা প্রণয়ন, অভিযোগ সেল গঠন, ঋণপ্রাপ্তিতে সহায়তা প্রদান, ই-কমার্স ব্যবসার প্রতিবন্ধকতা ও ঝুঁকি চিহ্নিত করে দেশীয় উদ্যোক্তাদের সুরক্ষা, লেনদেনের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং লজিস্টিক সাপোর্টের মতো বিষয়গুলো নিয়ে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করবে।

Bangladesh confirmed 21 deaths in 24-hr

Bangladesh today confirmed 21 more deaths from coronavirus (COVID-19) infection in the last 24 hours, raising the death toll to 6,004.

According to the Health authorities, 1,517 people have tested positive for coronavirus in the last 24 hours raising the total number of coronavirus cases in the country to 4,14,164.

The Directorate General of Health Services (DGHS) disclosed the update of the country’s coronavirus situation issuing a press release this afternoon.

As 1,910 patients have recovered in last 24 hours, the number of total recoveries reached 3,31,697, it also said.

A total of 23,89,677 samples have been tested so far as 13,914 samples tested in 114 coronavirus testing laboratories across the country in last 24 hours, the release added.

Bangladesh reported its first Coronavirus case on March 8 while first death on March 18.

US Election 2020: Tense wait as US election winner remains unclear


The outcome of the US presidential election is on a knife edge, with Donald Trump and his rival Joe Biden neck and neck in key swing states.

Trump, a Republican, claimed to have won and vowed to launch a Supreme Court challenge, baselessly alleging fraud.

Earlier Biden, a Democrat, said he was “on track” to victory.

Millions of votes remain uncounted and no candidate can credibly claim victory as yet. There is no evidence of fraud.

The US is on course for the highest electoral turnout in a century. More than 100 million people cast their ballots in early voting before election day, and tens of millions more added their vote on Tuesday.

With the nation on edge, the final result may not be known for days.

What are the results so far?

Trump has defied the pre-election polls to do better than predicted, but Biden is still in the race and the overall result is not yet clear.

In the US election, voters decide state-level contests rather than an overall, single, national one.

To be elected president, a candidate must win at least 270 votes in what is called the electoral college. Each US state gets a certain number of votes partly based on its population and there are a total of 538 up for grabs.

The president is projected to have held the must-win state of Florida – a major boost to his re-election bid.

The BBC projects Trump will win another conservative sunbelt state, Texas, where the Biden campaign had dreamed of an upset victory.

But Biden could snatch Arizona, a once reliably conservative state. Fox News and the Associated Press have projected Biden will win that state and CBS News, the BBC’s US partner, says it is leaning the Democrat’s way.

A loss for Trump in that once reliably Republican state would be a potentially serious setback.

The Rust Belt battlegrounds of Pennsylvania, Michigan and Wisconsin – which propelled Trump to the White House four years ago – still look as though they could tip either way.

Pennsylvania is considered crucial for Trump if he is to stave off defeat.

Other key states such as Georgia and North Carolina are also toss-ups.

Trump will keep hold of Ohio and Missouri, known as bellwether states because they have so often predicted the eventual winner, according to the BBC’s projection.

Trump is also projected by the BBC to win Nebraska, though Biden picked up one vote there in the electoral college, which could turn out to be crucial.

No surprises have emerged yet in the other states.

Control of Congress – the two-chamber legislature – is also at stake. As well as the White House, Republicans are vying to hang on to a majority in the Senate. The House of Representatives is expected to stay in Democratic hands.

What are the candidates saying?

Trump hosted an election night gathering inside the White House with about 100 guests.

In a speech at about 02:30 local time (07:30 GMT) he said: “We were getting ready to win this election. Frankly, we did win this election.”

He went on to allege “major fraud on our nation” without providing evidence, adding: “We’ll be going to the US Supreme Court.”

“We want all voting to stop,” the president said, apparently meaning that he wants to block the counting of postal ballots, which can be legally accepted by some state election boards after Tuesday’s election.

Millions of ballots have yet to be counted and there is no evidence of fraud.

His rival’s campaign condemned the president’s statement as “outrageous, unprecedented, and incorrect”, calling it a “naked effort to take away the democratic rights of American citizens”.

Earlier, at about 01:00 local time, Biden predicted in a speech to supporters in his hometown of Wilmington, Delaware, that he would be victorious.

The Democrat said: “We feel good about where we are, we really do. I am here to tell you tonight we believe we’re on track to win this election.”

He added: “We’re going to have to be patient until the hard work of tallying votes is finished and it ain’t over until every vote, every ballot is counted.”

As his opponent spoke, Trump tweeted from the White House: “We are up BIG, but they are trying to STEAL the Election. Twitter labelled the post as potentially “misleading about an election or other civic process”.

A new “non-scalable” fence was put up around the White House ahead of election day. Businesses in the nation’s capital and also in New York City boarded up their premises due to fears of unrest.

Source: BBC

২৭ হাজার প্যাকেট আতশবাজি জব্দ

মাধবপুর উপজেলায় ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত থেকে ২৭ হাজার প্যাকেট আতশবাজি জব্দ করা হয়েছে। এগুলোর আনুমানিক দাম ১১ লাখ ৭০ হাজার টাকা। বুধবার (৪ নভেম্বর) সন্ধ্যায় এ তথ্য জানিয়েছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। জব্দ হওয়া আতশবাজি হবিগঞ্জের শায়েস্তাগঞ্জ শুল্ক গুদামে রাখা হয়েছে। চোরাকারবারিরা মাধবপুরের মনতলা সীমান্ত দিয়ে এগুলো অবৈধ পথে বাংলাদেশে এনেছিলেন।

৫৫ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিকায়ক এসএনএম সামীউন্নবী চৌধুরী জানান, বুধবার সকালে মাধবপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) তাসনূভা নাশতারানের নেতৃত্বে সীমান্ত এলাকায় অভিযান চালায় টাস্কফোর্স। এ সময় বিজিবির মনতলা সীমান্ত ফাঁড়ি এলাকায় বাংলাদেশের অভ্যন্তর থেকে বিভিন্ন ধরনের ২৭ হাজার প্যাকেট আতশবাজী জব্দ করা হয়। অভিযানে বিজিবির সহকারী পরিচালক মো. নাসির উদ্দিন চৌধুরী ও পুলিশ সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

তিনি আরও জানান, চোরাচালানের সঙ্গে জড়িতরা পালিয়েছেন। আতশবাজিগুলো বিজিবির তত্ত্বাবধানে হবিগঞ্জের শায়েস্তাগঞ্জ শুল্ক গুদামে রাখা হয়েছে।

বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবর্ষ উপলক্ষে আন্তর্জাতিক ওয়েবিনার ৮ নভেম্বর


প্রেস বিজ্ঞপ্তি : বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবর্ষ শুধু উদযাপনই নয়, অনুধাবন করতে হবে। বঙ্গবন্ধুর আদর্শকে ধারণ করা ও বিশ্ব মাঝে ছড়িয়ে দেওয়ায় উদযাপনের একমাত্র উদ্দেশ্য। বঙ্গবন্ধুর মূল উদ্দেশ্য ছিল অসাম্প্রদায়িক, ধর্মনিরপেক্ষ বাংলাদেশ। 
জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবর্ষে তাঁর অসাম্প্রদায়িক ও ধর্মনিরপেক্ষ দর্শনকে বিশ্বময় ছড়িয়ে দিতে ‘সম্প্রীতি বাংলাদেশ’ ও ‘ইনস্টিটিউট অব সোশ্যাল এ্যান্ড কালচারাল স্টাডিজে’র যৌথ উদ্যোগে ‘আন্তর্জাতিক ওয়েবিনার’ এর আয়োজন করা হয়েছে। 
বাংলাদেশ-ভারতের অতিথিদের উপস্থিতিতে অনলাইন জুম লাইভে ‘আন্তর্জাতিক ওয়েবিনার’টি আগামী ৮ নভেম্বর রোববারববাংলাদেশ সময় বিকেল সাড়ে ৬টা ও ভারতীয় সময় বিকেল ৬ টায় অনুষ্ঠিত হবে ।
এতে অতিথি হিসেবে বাংলাদেশীদের মধ্যে উপস্থিত থাকবেন, লন্ডন প্রবাসী বিশিষ্ট সাংবাদিক ও সাহিত্যিক আব্দুল গাফফার চৌধুরী, রাজনীতি ও নিরাপত্তা বিশ্লেষক মেজর জেনারেল (অব.) মোহাম্মদ আলী শিকদার ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বঙ্গবন্ধু চেয়ার অধ্যাপক ড: আতিউর রহমান।
ভারতীয়দের মধ্যে উপস্থিত থাকবেন পশ্চিমবঙ্গের বিধায়ক ও সাবেক মন্ত্রী ডাঃ রবিরঞ্জন চট্টোপাধ্যায়, সীমান্ত সুরক্ষা বাহিনীর সাবেক উপ-মহানিরীক্ষক সমীর কুমার মিত্র, কলিকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক রাজাগোপাল ধর চক্রবর্তী।
অনুষ্ঠানটির সঞ্চালনায় থাকবেন সম্প্রীতি বাংলাদেশের আহ্বায়ক পীযূষ বন্দ্যোপাধ্যায়। অনুষ্ঠানটি সুষ্ঠু ভাবে সম্পন্ন করতে সকলের সহযোগিতা প্রত্যাশা করেন আয়োজকবৃন্দ।

গোমস্তাপুরে ঐতিহ্যবাহী নৌকা বাইচ প্রতিযোগিতার উদ্বোধন

চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধিঃ গ্রাম বাংলার হারিয়ে যাওয়া ঐতিহ্যবাহী নৌকা বাইচ প্রতিযোগিতার উদ্বোধন হয়েছে চাঁপাইনবাবগঞ্জে। বুধবার বিকেলে জেলার গোমস্তাপুর উপজেলার চৌডালায় দুই দিন ব্যাপী প্রতিযোগিতার উদ্বোধন করা হয়। চৌডালা ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ ও নৌকা বাইচ প্রতিযোগিতা কমিটির সভাপতি মো. আনসারুল হকের সভাপতিত্বে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, চৌডালা জহুর আহমেদ মিয়া কলেজের অধ্যক্ষ মো. কামরুজ্জামান। বিশেষ অতিথি ছিলেন, গোমস্তাপুর থানার নবাগত অফিসার-ইন-চার্জ (ওসি) দিলীপ কুমার রায়, গোমস্তাপুর উপজেলা কৃষকলীগের আহ্বায়ক ডা. আনসারুল হক, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও সমাজসেবক মো. মাহফুজুল হক পনি মিয়া, আলহাজ্ব শাম মোহাম্মদ। চৌডালা মহানন্দা ব্রীজের নিচে অনুষ্ঠিত নৌকা বাইচ প্রতিযোগিতায় ১৩টি মাঝির দল অংশগ্রহণ করেছে। বৃহস্পতিবার সমাপনী অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে ২ দিন ব্যাপী নৌকা বাইচ প্রতিযোগিতা। প্রতিযোগিতায় প্রথম স্থান অর্জনকারী দল পুরস্কার হিসেবে পাবে একটি ফ্রিজ। দ্বিতীয় স্থানে থাকা দলের জন্য ৩২ ইঞ্চি ও তৃতীয় দলের জন্য একটি ২৮ ইঞ্চি এলইডি টিভি পুরস্কার রয়েছে। প্রতিযোগিতায় অংশ নিচ্ছে সদর উপজেলার ঘুঘুডিমার ইদু মাঝি, গোমস্তাপুর উপজেলার চৌডালা বালুটুঙ্গীর রহিম মাঝি, সাহেবগ্রামের জিয়া মাঝি, মাদ্রাসা মোড়ের জেন্টু মাঝি, নয়াদিয়াড়ীর মোনা মাঝি, বিরামপাড়ার শাকিম মাঝি, শিবগঞ্জ উপজেলার নাককাটিতলার সোহবুল মাঝি, ত্রিমোহনীর মিলন মাঝি, চাঁনপুরের লোকমান মাঝি, রানিবাড়ী চাঁনপুরের জিয়া মাঝি, ধাইনগরের বিখাল মাঝি, বলিহারপুরের সাহেদ মাঝির দল। উদ্বোধনী দিনে মহানন্দা নদীর দুই ধারে দর্শনার্থীদের উপচে পড়া ভিড় লক্ষ্য করা যায়।

নির্বাচন: দলীয় মনোনয়ন ফরম নিলেন প্যানেল চেয়ারম্যান তাসেম আলী

চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধিঃআসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন উপলক্ষে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপি হতে চেয়ারম্যান পদে দলীয় মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেছেন চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলা বিএনপির সাংগাঠনিক সম্পাদক ও গোবরাতলা ইউনিয়ন পরিষদের বর্তমান প্যানেল চেয়ারম্যান মো. তাসেম আলী। বুধবার দুপুরে চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩ সদর আসনের সংসদ সদস্য ও বিএনপির যুগ্ন মহাসচিব হারুনুর রশীদের সাথে সাক্ষাৎ ও মতবিনিময় সভা শেষে তিনি দলীয় মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেন। চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌর বিএনপির যুগ্ন সম্পাদক ও সদর উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান মো. নজরুল ইসলাম এবং জেলা ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি সারোয়ার জাহানের হাত থেকে মনোনয়ন ফরম নেন গোবরাতলা ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক তাসেম আলী। বিএনপির যুগ্ন মহাসচিব হারুনুর রশীদের বাসভবনের নিচে দলীয় কার্যালয় হতে মনোনয়ন ফরম সংগ্রহের সময় উপস্থিত ছিলেন, সদর উপজেলা বিএনপির সদস্য ও ইউনিয়ন বিএনপির সাংগাঠনিক সম্পাদক সাদিকুল ইসলাম, উপজেলা বিএনপির সদস্য হাবিবুর রহমান হাবিব, মমিনুল ইসলাম, গোবরাতলা ইউনিয়ন বিএনপির ৯টি ওয়ার্ডের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকসহ বিএনপি ও এর সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন স্তরের নেতাকর্মীরা। উল্লেখ্য, সদর উপজেলার ১৪টি ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে দলীয় মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ শুরু হয়েছে গত ১ নভেম্বর থেকে। মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ ও জমাদানের শেষ হবে আগামী ৭ নভেম্বর এবং সেদিনই চূড়ান্ত হবে কারা হবেন আগামী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপির ধানের শীষের প্রার্থী।