সর্বশেষ সংবাদ নুরকে খোলা চিঠি মাক্স না পড়লে মিলবেনা সরকারী সেবা গোমস্তাপুরে বেতনের অভাবে মানবেতর জীবন যাপন ৪ শতাধিক কে.জি’র শিক্ষকের বিডিপিএ এর চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা শাখার বিশেষ সভা রোহিঙ্গাদের জন্য জাপানের ৫ মিলিয়ন ডলার উন্নয়নশীল দেশ ২০২৪ ই নতুন গ্যাসক্ষেত্র অনুসন্ধানে ৭টি প্রস্তাব অনুমোদন গোমস্তাপুর অটোর ধাক্কায় শিশুর মৃত্যু bring all drivers under a dope testing system: PM দুর্গাপূজা উপলক্ষে প্রকাশ হয়েছে ‘হরিবোল’

চাঁপাইনবাবগঞ্জের হরিপুর থেকে ১কেজি ২২৫ গ্রাম হেরোইনসহ তমাল গ্রেপ্তার

নিজস্ব প্রতিবেদক, চাঁপাইনবাবগঞ্জ :
চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার হরিপুরে মেসার্স সাজ্জাদ আহম্মদ এন্ড সন্স ফিলিং স্টেশনের সামনে অপারেশন পরিচালনা করে ১কেজি ২২৫গ্রাম হেরোইনসহ ১ জনকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব-৫, রাজশাহীর সিপিএসসি, মোল্লাপাড়া ক্যাম্পের একটি অপারেশন দল।

গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তি, রাজশাহী জেলার গোদাগাড়ী উপজেলার আমতলী হঠাৎপাড়ার আব্দুস সাত্তারের ছেলে মো. তমাল আলী (২২)।

প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে র‌্যাব জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ১৫ অক্টোবর বৃহস্পতিবার বিকেল সাড়ে ৪ টার দিকে হরিপুরে অভিযান চালিয়ে ১কেজি ২২৫ গ্রাম হেরোইনসহ হাতেনাতে তমালকে গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তারকৃত আসামী মাদক ব্যবসার সাথে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছে। এ ঘটনায় থানায় একটি মামলা রুজু করা হয়েছে।

চাঁপাইনবাবগঞ্জে বিশ্ব সাদাছড়ি নিরাপত্তা দিবস পালিত


চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি ॥ ‘সাদাছড়ির উন্নতি, দৃষ্টি প্রতিবন্ধী ব্যক্তির অগ্রগতি’ প্রতিপাদ্যে বিশ্ব সাদাছড়ি নিরাপত্তা দিবস পালিত হয়েছে চাঁপাইনবাবগঞ্জে। এ উপলক্ষে বৃহস্পতিবার সকালে জেলা প্রশাসন, জেলা সমাজ সেবা অধিদপ্তর, প্রতিবন্ধী সেবা ও সহায়তা কেন্দ্রের সহযোগিতায় আলোচনা সভা হয়। জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন জেলা প্রশাসক মোঃ মঞ্জুরুল হাফিজ। জেলা সমাজ সেবা অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মোসাঃ উম্মে কুলসুম এর সভাপতিত্বে সভায় বক্তব্য রাখেন, সিভিল সার্জন ডা. জাহিদ নজরুল চৌধুরী, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) এ কে এম তাজকির-উজ-জামান, চিকিৎসা সহায়তা কেন্দ্রের নির্বাহী পরিচালক মোঃ আমিনুল ইসলাম, সমতা নারী উন্নয়ন সংস্থার নির্বাহী পরিচালক আকসানা খাতুন, প্রতিবন্ধী সংস্থার নির্বাহী পরিচালক আব্দুল মতিনসহ অন্যরা। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন, জাতীয় প্রতিবন্ধী উন্নয়ন ফাউন্ডেশনের জেলা প্রতিবন্ধী বিষয়ক কর্মকর্তা মীর শামিম আলী। উপস্থিত ছিলেন জেলা সমাজ সেবা অধিদপ্তরের অতিরিক্ত উপ-পরিচালক সিরাজুম মুনির আফতাবীসহ সমাজ সেবা দপ্তরের বিভিন্নস্তরের কর্মকর্তা ও বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের প্রতিনিধিরা। পরে, ১২ জন দৃষ্টি প্রতিবন্ধীকে ১টি করে সাদা ছড়ি দেয়া হয়।

‘Custodial death’ in Sylhet: PBI tells immigration to watch out for Sub-Inspector Akber

The Police Bureau of Investigation (PBI) has warned all immigration points of the country to watch out for Sub-Inspector Akber Hossain, who is on the run since the death of Rayhan Ahmed at a Sylhet hospital after being allegedly tortured in police custody.

On behalf of the home ministry, the alert has been circulated so that SI Akber cannot flee the country since the PBI needs him for the investigation, said Banaj Kumar Majumder, deputy inspector general (DIG) of police and chief of PBI, at a press conference today at PBI headquarters.

“After PBI started investigation into the case filed in connection with the death, we believe that the sub-inspector, also the in-charge of Bandarbazar Police Outpost, is important for the sake of the investigation. We are also preparing a team to detain him,” he said.
Read More

Meanwhile, Rayhan’s body was exhumed this morning for another autopsy in presence of magistrates and buried again this afternoon.

The autopsy was completed by a three-member committee headed by Dr Shamsul Islam, assistant professor of forensic department of Sylhet MAG Osmani Medical College Hospital, in presence of executive magistrates.

Earlier on Wednesday, Sylhet Deputy Commissioner and District Magistrate M Kazi Emdadul Islam permitted to exhume the body.

আগামীকাল শুক্রবার খুলছে দেশের সব সিনেমা হল

করোনা ভাইরাসের কারণে প্রায় সাত মাস বন্ধ থাকার পর অবশেষে খোলার অনুমতি পেলো দেশের সিনেমা হল। ১৬ অক্টোবর থেকে সারা দেশের সিনেমা হলগুলোতে চলচ্চিত্র প্রদর্শনের অনুমতি দিয়েছে তথ্য মন্ত্রণালয়।

বুধবার একটি পরিপত্র জারির মাধ্যমে কোভিড-১৯ এর বর্তমান পরিস্থিতিতে যথাযথ স্বাস্থ্যবিধি পালন ও সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিত করে সিনেমা হলের আসন সংখ্যার কমপক্ষে অর্ধেক খালি রাখা সাপেক্ষে এ অনুমতি দিয়ে তথ্য মন্ত্রণালয়।

হল খোলার বিষয়ে তথ্য মন্ত্রনালয় প্রজ্ঞাপন জারি করে তা জেলা প্রশাসক ও হল মালিকদের ইতোমধ্য পাঠিয়েছে বলেও জানানো হয়েছে।

এর আগে দেশে করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের মধ্যে অন্যসব বিনোদন কেন্দ্রের মতো দেশের সব সিনেমা হলও ১৮ মার্চ থেকে বন্ধ রাখা হয়। চলচ্চিত্র ও টিভি নাটকের শুটিংও কয়েক মাস বন্ধ থাকার পর চালু করা হয়েছে। মঞ্চনাটকের প্রদর্শনী এখনো বন্ধ থাকলেও ২৩ অক্টোবর থেকে চালুর কথা রয়েছে। এবার সিনেমা হল খোলারও অনুমতি দিলো মন্ত্রণালয়।

এদিকে টানা সাতমাস বন্ধ থাকায় সিনেমা হলের কর্মীরাও নিয়মিত পাচ্ছেন না বেতন। ফলে সীমাহীন কষ্টে দিন পার করছেন তারা। অনেকেই বেছে নিয়েছেন ভিন্ন পেশাও।

এই পরিস্থিতিতে সিনেমা হলের উন্নয়নে সম্প্রতি সাত’শ কোটি টাকা বিশেষ তহবিল গঠনের ঘোষণা দিয়েছে সরকার। এতেই যেনো প্রাণ ফিরে পাচ্ছেন হল মালিক ও সিনেমা ব্যবসায়ীরা। দেখছেন সুসময়ে ফেরার স্বপ্নও।

Bangladesh reports 15 deaths in 24-hr

Bangladesh today confirmed 15 more deaths from coronavirus (COVID-19) infection in the last 24 hours, raising the death toll to 5,608.

According to the Health authorities, 1,600 people have tested positive for coronavirus in the last 24 hours raising the total number of coronavirus cases in the country to 384,559.

The Directorate General of Health Services (DGHS) has made the update of the country’s coronavirus situation issuing a press release this afternoon.

As 1,780 patients have recovered in last 24 hours, the number of total recoveries reached 299,229, it also said.

A total of 21,26,552 samples have been tested so far as 14,104 samples tested in 109 coronavirus testing laboratories across the country in last 24 hours, the release added.

Bangladesh reported its first croronaviurs case on March 8 while first death on March 18.

অধ্যাদেশ জারির পর ধর্ষণ মামলার প্রথম রায়ে ৫ আসামির মৃত্যুদণ্ড

টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরে এক মাদ্রাসাছাত্রীকে অপহরণের পর দলবেঁধে ধর্ষণের দায়ে পাঁচ আসামিকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। পাশাপাশি প্রত্যেককে এক লাখ টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার টাঙ্গাইলের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক খালেদা ইয়াসমীন এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্তরা হলেন- মধুপুরের গোলাবাড়ি গ্রামের সুনিল চন্দ্র শীলের ছেলে সাগর চন্দ্র শীল, গোলাবাড়ি গ্রামের দিগেন চন্দ্র শীলের ছেলে গোপি চন্দ্র শীল, মধুপুর উপজেলার চারাল জানী গ্রামের সুনিল মনি ঋষির ছেলে সুজন মনি ঋষি, সুনিন্দ্র চন্দ্র মনি ঋষির ছেলে রাজন মনি ঋষি, বদন চন্দ্র মনি ঋষির ছেলে সত্যজিৎ মনি ঋষি। এদের মধ্যে সাগর চন্দ্র শীল, সুজন মনি ঋষি ও রাজন মনি ঋষি জামিন নিয়ে পলাতক রয়েছেন।

টাঙ্গাইল নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিশেষ পিপি নাছিমুল আকতার জানান, ২০১২ সালে জানুযারি মাসে ভূঞাপুর উপজেলার ছাব্বিশা গ্রামের এক মাদ্রাসাছাত্রীর সঙ্গে সাগর চন্দ্র শীলের মোবাইলে পরিচয় হয়। ১৫ জানুয়ারি ওই ছাত্রী সকালে বাড়ি থেকে মাদ্রাসায় যাওয়ার পথে শালদাইর ব্রিজের কাছে পৌঁছলে সাগর কৌশলে একটি সিএনজিতে তাকে এলেঙ্গা নিয়ে যায়। সেখান থেকে মধুপুরে চারাল জানী গ্রামে তার বন্ধু রাজনের বাড়িতে নিয়ে যায়। সেখানে তার চার বন্ধু ওই ছাত্রীকে সাগরের সঙ্গে বিয়ের জন্য চাপ দেয়। সাগর হিন্দু বলে সে বিয়েতে রাজি হয়নি। এ কারণে ওই রাতে সাগর ক্ষুব্ধ হয়ে রাজনের বাড়িতে আটক রেখে ওই ছাত্রীকে ধর্ষণ করে। পরে ১৭ জানুয়ারি রাতে ওই ছাত্রীকে বংশাই নদীর তীরে নিয়ে সেখানে তারা পাঁচজন মিলে ধর্ষণ করে এবং মেয়েটির শরীরের বিভিন্ন অংশ কামড়ে তাকে ক্ষতবিক্ষত করে ফেলে। এক পর্যায়ে মেয়েটি জ্ঞান হারিয়ে ফেললে তাকে মৃত ভেবে ফেলে রেখে পালিয়ে যায় সাগর ও তার সঙ্গীরা। পরদিন সকালে জ্ঞান ফিরলে স্থানীয় এক মুয়াজ্জিনের সহায়তায় উদ্ধার পায় মেয়েটি।

তিনি জানান, এ ঘটনায় ওই ছাত্রী বাদী হয়ে তিনদিন পর ১৮ জানুয়ারি ভুঞাপুর থানায় মামলা দায়ের করেন। পরে পুলিশ সুজন মণি ঋষিকে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠায়। ১৯ জানুয়ারি আসামি সুজন স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেয়। পুলিশ তদন্ত শেষে পাঁচজনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করে। ২০১৫ সালের ২৯ অক্টোবর আসামিদের বিরুদ্ধে চার্জ গঠনের মধ্য দিয়ে বিচারিক কার্যক্রম শুরু হয়। দীর্ঘ পাঁচ বছর শুনানি শেষে আদালত পাঁচজনকে মৃত্যুদণ্ড দিলেন।

প্রধানমন্ত্রীর দেয়া ঘর পাচ্ছেন দৌলতপুরের সে প্রতিবন্ধী রুবিনা

রুবিনা বেগম। বয়স ৩৬। মানসিক প্রতিবন্ধী হওয়ায় এলাকায় রুবি পাগলি নামেই পরিচিত তিনি। বাড়ি দিনাজপুরের ফুলবাড়ী উপজেলার দৌলতপুর ইউনিয়নের মধ্যমপাড়ায়। ১৫ বছর আগে রুবির বিয়ে হয়েছে। বিয়ের দেড় বছরের মাথায় তাকে ফেলে বিদেশ চলে যায় স্বামী। রুবিনার ঠাঁই হয় গরীব অসহায় বাবার সংসারেই। কিন্তু বাবা আব্দুল ওয়াহেদও মারা যান কয়েক মাস আগে। তার একমাত্র ছোট ভাই আশরাফুল আলমও শারিরিক প্রতিবন্ধী। কোনোমতে দিন এনে দিন খায় দুই ভাই-বোন।

একমাত্র ছোট ভাইকে নিয়ে বসবাস করে আসছেন বাবার রেখে যাওয়া জরাজীর্ণ মাটির ঘরে। বর্ষার পানিতে ধুঁয়ে গেছে সেই ঘরটির দেওয়াল। রান্নার একমাত্র ছোট্ট ঘরটিও ভেঙ্গে গেছে কয়েকদিন আগে। বৃষ্টির দিনে ভাঙা টিনের চালা দিয়ে পানি পড়ে ঝুঁকিপূর্ণ তাদের থাকার ওই ঘরটিতে। বসবাস অযোগ্য ঘরটি মেরামত বা নতুন ঘর তৈরীর টাকা নেই তাদের। তাইতো গ্রামে নতুন মানুষ দেখলেই এগিয়ে আসেন রুবিনা। হাত পাতেন সাহায্যের। সম্প্রতি এক সাংবাদিককে দেখে রুবিনা এগিয়ে এসে বলেন, তোরা কি সরকারি লোক বাহে? তোরা কি এটা (একটা) বাড়ি দিবার পারো হামাক? এ জগতে মোর কেউ নাই। সরকারকে কইয়্যা মোক এটা বাড়ি দে বাহে।

রুবিনার এই দুর্দশার কথা উঠে আসে গণমাধ্যমে। বিষয়টি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের নজরে আসে। দুঃস্থ ও দরিদ্র মানুষকে ঘর নির্মাণে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা মেনে তাৎক্ষনিক রুবিনার জন্য ঘর নির্মাণের ব্যবস্থা করা হয়। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়সূত্রে জানা যায়, সরকারের আশ্রায়ন প্রকল্পে ‘আবাসিক ভবন নির্মাণ’ খাতের আওতায় রুবিনা ও আশরাফুলকে একটি সেমি পাকা ঘর নির্মাণের অর্থ বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। সেইসঙ্গে গুণগত মান বজায় রেখে নির্ধারিত ডিজাইন অনুযায়ী দ্রুততম সময়ে বাড়িটি নির্মাণেও নির্দেশ দেয়া। আশ্রয়ণ-২ প্রকল্পের পরিচালক মো. মাহবুব হোসেন বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশ ও প্রত্যক্ষ তত্বাবধানে মুজিববর্ষের মধ্যে সকল গৃহহীনদের জন্য ঘর তৈরি করে দেয়ার প্রচেষ্টা চলছে। দিনাজপুরের মানসিক প্রতিবন্ধী রুবিনার জন্যও ঘর নির্মাণের ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। একটি সেমি পাকা ঘর নির্মাণে ইতোমধ্যে অর্থ বরাদ্দ হয়েছে। দ্রুততম সময়ে তার জন্য ঘরটি নির্মাণ করে দেয়া হবে।

‘আশ্রয়নের অধিকার, শেখ হাসিনার উপহার’ এই স্লোগানে মুজিববর্ষের মধ্যে দেশের প্রতিটি মানুষের জন্য নিরাপদ আবাসন নিশ্চিতে কাজ করে যাচ্ছে সরকার। প্রকল্প সূত্রে জানা যায়, ইতোমধ্যে আশ্রয়ণে ২ প্রকল্পের মাধ্যমে ২ হাজার ৯৩২ কোটি ৫৫ লাখ টাকা ব্যয়ে ঘর নির্মাণ করে ১ লাখ ৯২ হাজার ৩৩৬টি পরিবারকে পুনর্বাসন করা হয়েছে। ১৯৯৭ সালের ১৯ মে কক্সবাজারসহ পার্শ্ববর্তী এলাকা ঘূর্ণিঝড়ে আক্রান্ত হলে বহু পরিবার গৃহহীন হয়ে পড়ে। তদানীন্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ঐ এলাকা পরিদর্শনে যান। তিনি মানুষের দুঃখ-দুর্দশা দেখে অত্যন্ত সহানুভূতিশীল হয়ে পড়েন। সকল গৃহহীন পরিবারকে পুনর্বাসনের তাৎক্ষনিক নির্দেশ দেন। তারই পরিপ্রেক্ষিতে ১৯৯৭ সালে “আশ্রয়ণ” নামে একটি প্রকল্প নেয়া হয়। এ প্রকল্পের মাধ্যমে তখন থেকে এ পর্যন্ত ৩ হাজার ৮৪০ কোটি ৫৫ লাখ টাকা ব্যয়ে ২ লাখ ৯৮ হাজার ২৪৯টি ভূমিহীন-গৃহহীন-অসহায়-ছিন্নমূল পরিবারকে পুনর্বাসন করা হয়েছে। এছাড়াও ২ লাখ ৭৫ হাজার ৬৫৬ জনকে আয়বর্ধক পেশাভিত্তিক প্রশিক্ষণ দেয়া হয়েছে। ১ লাখ ৩৮ হাজার ৭১৮টি পরিবারকে ঋণও দেয়া হয়েছে। সবুজায়নের লক্ষ্যে প্রতিটি প্রকল্প গ্রামে ফলদ, বনজ ও ঔষধি বৃক্ষরোপণ করা হয়ে থাকে। ২১ লাখের বেশি বৃক্ষরোপন করা হয়েছে। এছাড়া প্রকল্প গ্রামে বসবাসরত উপকারভোগীদের জীবনমান সহজীকরণের জন্য বিদ্যু সংযোগ দেয়া, সুপেয় পানি ও স্যানিটেশনের ব্যবস্থা করা হয়েছে।

দেশের সকল মানুষের জন্য নিরাপদ আবাসন নিশ্চিতের ঘোষণা দিয়ে ইতোপূর্বে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, জাতির পিতার জন্মশতবর্ষে আমাদের লক্ষ্য বাংলাদেশে একটি মানুষও গৃহহারা থাকবে না। বাংলাদেশের একটি মানুষও গৃহহীন থাকবে না। প্রতিটি এলাকা থেকে গৃহহীনদের খুঁজে খুঁজে বের করে ঘর করে দেয়া হচ্ছে। আশ্রায়ন প্রকল্প ছাড়াও গৃহহীনদের আবাসন নিশ্চিতে বাংলাদেশ ব্যাংকের একটি তহবিলসহ বেশ কয়েকটি উদ্যোগ বাস্তবায়ন করছে সরকার।

৩০ ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর শিক্ষার্থী পেল বাইসাইকেল

এলাকার বিশেষ উন্নয়ন সহায়তা শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় দিনাজপুরের ফুলবাড়ী উপজেলার ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর ৩০ শিক্ষার্থী পেল বাইসাইকেল।

প্রধান অতিথি হিসেবে শিক্ষার্থীদের মধ্যে বাইসাইকেল বিতরণ করেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি সাবেক মন্ত্রী মুক্তিযোদ্ধা মোস্তাফিজুর রহমান ফিজার।

গতকাল বুধবার দুপুরে উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে উপজেলা চত্বরে আয়োজিত বাইসাইকেল বিতরণ অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা খায়রুল আলম সুমন। এতে বিশেষ অতিথি ছিলেন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আতাউর রহমান মিল্টন, সহকারী কমিশনার (ভূমি) কানিজ আফরোজ, উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি হায়দার আলী শাহ, ভাইস চেয়ারম্যান মঞ্জু রায় চৌধুরী, থানার ওসি ফখরুল ইসলাম প্রমুখ।

এ ছাড়া মুক্তিযোদ্ধা মোস্তাফিজুর রহমান ফিজার এমপি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে কর্মরত চিকিৎসকদের মধ্যে সুরক্ষাসামগ্রী, প্রতিবন্ধীদের মধ্যে হুইলচেয়ার বিতরণ এবং ঐচ্ছিক তহবিল থেকে গরিব, দুস্থসহ বিভিন্ন রোগীর মধ্যে ৮৫ হাজার টাকা দেন।

কোটা সংস্কার আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী সংগঠন ছাত্র অধিকার পরিষদ ভেঙে গেল!

ভেঙে গেল কোটা সংস্কার আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী সংগঠন বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র অধিকার পরিষদ।

ছাত্র অধিকার পরিষদের যুগ্ম আহ্বায়ক মুহাম্মদ রাশেদ খান ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সাবেক ভিপি নুরুল হক নুরকে ‘অবাঞ্চিত’ ঘোষণা করে বৃহস্পতিবার দুপুরে জাতীয় প্রেস ক্লাবের জহুর হোসেন চৌধুরী হলে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে নতুন আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা করা হয়।

সংগঠনের লক্ষ্য-উদ্দেশ্য থেকে সরে যাওয়া, স্বেচ্ছাচারিতা, নারী কেলেঙ্কারিসহ বিভিন্ন অভিযোগ এনে নুর-রাশেদকে অবাঞ্চিত ঘোষণা করা হয়।

সংগঠনটির আগের ‘বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদ’ নামে ২২ সদস্যের এই আংশিক কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন নতুন কমিটির আহ্বায়ক এপিএম সোহেল। কমিটি ঘোষণা করেন নতুন কমিটির সদস্য সচিব ইসমাইল সম্রাট।

নিজেদের সিন্ডিকেটের গুটিকয়েক সদস্য ছাড়া বাকিদের মতামত অগ্রাহ্য করে ছাত্র অধিকার পরিষদকে স্বৈরতান্ত্রিক সংগঠনে পরিণত করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেন আহ্বায়ক এপিএম সোহেল।

তিনি অভিযোগ করেন, সাধারণ ছাত্র অধিকারের জন্য সংগঠন গড়ে নুর ও তার সহযোগীরা রাজনৈতিক স্বার্থ চরিতার্থ করেছে।

নুর, রাশেদ ও ফারুক প্রবাসীদের অর্থ, কোটা সংস্কারের আন্দোলনের সময় সংগ্রহ করা অর্থ ও করোনার ত্রাণের অর্থ নিয়ে নয়ছয় করেছে বলে সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ তোলা হয়।

কমিটির বিষয়ে ইসমাইল হোসেন সম্রাট বলেন, ছোট পরিসরে বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদের ২২ সদস্যবিশিষ্ট আংশিক কেন্দ্রীয় কমিটি ঘোষণা করা হলো। শীঘ্রই পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা করা হবে।

কমিটির অন্যান্য সদস্যরা হলেন-যুগ্ম আহ্বায়ক মো. আমিনুর রহমান, জালাল আহমেদ, আব্দুর রহিম, মো. আমিনুল হক রুবেল, রিয়াদ হোসেন, মো. সেলিম, শাকিল আদনান, নাদিম খান নিলয়, পৃথু হামিদ, একেএম রাজন হোসেন, মো. সাইফুল ইসলাম, সাজাদুর রহমান রাফি, আফরান নাহিদ নিশো ও জাহেদুল ইসলাম নোমান।

যুগ্মসচিব হয়েছেন সৈয়দ সামিউল ইসলাম। সদস্যরা হলেন- মিজানুর রহমান মুশফিক, মো. সিয়াম ও মো. জুনায়েদ। উপদেষ্টা হলেন- মোহাম্মদ উল্লাহ মধু ও মুজাম্মেল মিয়াজি।

ভোলাহাটে সাজাপ্রাপ্ত আসামী গ্রেফতার


ভোলাহাট(চাঁপাইনবাবগঞ্জ)প্রতিনিধিঃ চাঁপাইনবাবগঞ্জ ভোলাহাটে মাদক মামলার সাজাপ্রাপ্ত আসামীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। ১৫ অক্টোবর বৃহস্পতিবার সকাল ১০ টার দিকে অফিসার ইনচার্জ মাহবুবুর রহমানের নির্দেশে এসাই আব্দুস সালাম সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃত পোল্লাডাঙ্গার ঘনটোলা গ্রামের মজিমুরের ছেলে আব্দুর রহিম আকাশ। মাদক মামলায় সাজাপ্রাপ্ত এ আসামীর দীর্ঘদিন পালাতক ছিলো। আসামীকে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে বলে জানান অফিসার ইনচার্জ।