সর্বশেষ সংবাদ চাঁপাইনবাবগঞ্জেে ট্রাক চাপায় নিহত এক এমপি হাজী সেলিম ও ছেলের সম্পদের খোঁজে দুদক সেনাবাহিনী দেশের মানুষের ভরসা ও বিশ্বাসের প্রতীক– প্রধানমন্ত্রী এবার অনলাইনেই খাজনা দেয়া যাবে চাঁপাইনবাবগঞ্জে ট্রাক-মোটরসাইকেল সংঘর্ষে আমনুরার বাদশা নিহত শিবগঞ্জ পৌর এলাকা কে নিরাপত্তা চাদরে ঢেকে দেয়ার প্রতিশ্রুতি সৈয়দ মনিরুলের চাঁপাইনবাবগঞ্জ ডায়াবেটিক সমিতির প্রতিষ্ঠাতা সদস্য ও প্রকৌশলী নজরুল ইসলাম আর নেই চলতি বছর পাঠ্যপুস্তকে অন্তর্ভুক্ত হচ্ছে ‘করোনা’ ও ‘ধর্ষণ’ বাংলাদেশের জন্য কোভিড-১৯ পরিকল্পনা অস্ট্রেলিয়ার দেশের সব নাগরিক পাবে বিনামূল্যে করোনা ভ্যাকসিন

মোংলা অর্থনৈতিক অঞ্চলের নির্মাণকাজ দ্রুতগতিতে এগুচ্ছে


দ্রুতগতিতে এগিয়ে চলেছে মোংলা অর্থনৈতিক অঞ্চলের নির্মাণকাজ। প্রধানমন্ত্রীর উদ্যোগে সারা দেশে ১০০ বিশেষ অর্থনৈতি অঞ্চলের একটি এ প্রকল্প। গতকাল মোংলা অর্থনৈতিক অঞ্চলে নির্মাণকাজের অংশ হিসেবে একাধিক প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়েছে। সিকদার গ্রুপের পাওয়ারপ্যাক ইকোনমিক জোন মোংলায় বেজার নির্বাহী চেয়ারম্যান পবন চৌধুরী এবং পাওয়ারপ্যাক হোল্ডিংস ও পাওয়ারপ্যাক ইকোনমিক জোনের চেয়ারম্যান রিক হক সিকদার নির্মাণকাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন এবং একটি সম্পূর্ণ প্রস্তুত রেস্ট হাউসের উদ্বোধন করেন। অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ সরকারের অতিরিক্ত সচিব হারুনুর রশীদ, ইরফান রশীদ, রিক হক সিকদারের বড় ছেলে এবং গ্রুপের পরিচালক শন হক সিকদার, উপদেষ্টা ফরিদ উদ্দিন খান, সিকদার গ্রুপের সিওও সৈয়দ কামরুল ইসলাম মোহন, পরিচালক সালাউদ্দিন আহমেদসহ বেজা, সিকদার গ্রুপ ও বসুন্ধরা গ্রুপের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। প্রকল্পসমূহের মধ্যে রয়েছে- পাওয়ারপ্যাক পেট্রোলিয়ামের ১ লাখ মেট্রিক টন ক্ষমতাসম্পন্ন অয়েল ডিপো, স্বাস্থ্যসম্মত ভোজ্য তেল, এডিবল অয়েল ডিপো। বিদেশি বিনিয়োগকারীদের জন্য আন্তর্জাতিক মানের রেস্ট হাউস ও এ প্রকল্পে কর্মরত বিদেশি কর্মীদের ডরমেটরি, কেন্দ্রীয় পানি শোধনাগার, কার্গো জেটি এবং বসুন্ধরা সিমেন্ট ব্যাগ নির্মাণ কারখানা। পাওয়ারপ্যাক ইকোনমিক জোনের চেয়ারম্যান রিক হক সিকদার এ সময় বলেন, মোংলা সমুদ্রবন্দরসংলগ্ন এবং প্রস্তাবিত খানজাহান আলী বিমানবন্দর থেকে মাত্র ২০ কিমি দূরত্বে অবস্থিত এ অর্থনৈতিক অঞ্চলটি দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন বিশেষ করে দক্ষিণাঞ্চলে কর্মসংস্থান সৃষ্টি সর্বোপরি দেশের দারিদ্র্য বিমোচনে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে। সিকদার গ্রুপ শুরু থেকেই বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা বিনির্মাণে অংশীদার হয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে কাজ করে যাচ্ছে।

৮০০ কোটি টাকা ব্যয়ে উদ্বোধন হচ্ছে সর্ববৃহৎ সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্প


কথা ছিল আরও কয়েক মাস আগেই উৎপাদনে যাবে দেশের সর্ববৃহৎ সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্প। কিন্তু করোনাভাইরাসের দুর্যোগময় মুহূর্তের কারণে প্রবাসী প্রকৌশলীরা কাজে যোগ দিতে না পারায় বিলম্বিত হয়। তবে অবশেষে সব কাজ সম্পন্ন করে উদ্বোধনের জন্য অপেক্ষা করছে দেশের সর্ববৃহৎ সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্পটি। সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্পটি চালু হলে জাতীয় গ্রিডে ৫০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ যুক্ত হবে। প্রায় ৮০০ কোটি টাকা ব্যয়ে দেশের সর্ববৃহৎ সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র স্থাপন হয়েছে ময়মনসিংহের চরাঞ্চলে।

দেশে বিদ্যমান বিদ্যুৎ ঘাটতি মোকাবিলা করার লক্ষ্যে ২০২০ সালের মধ্যে চাহিদার ১০ ভাগ বিদ্যুৎ বেসরকারি খাতে উৎপাদনের নিমিত্তে সরকার কর্তৃক নীতিমালা গৃহীত হয়। সেই সূত্র ধরে বেসরকারি খাতে বিদ্যুৎ উৎপাদনের নিমিত্তে এগিয়ে আসে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান। এ প্রক্রিয়ায় প্রথম দিকে প্রতিষ্ঠিত ‘ফার্নেস অয়েল’ চালিত বিদ্যুৎ উৎপাদন পদ্ধতির চেয়ে ‘সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্প’ অনেক বেশি পরিবেশবান্ধব, কম ঝুঁকিপূর্ণ, দ্রুত বাস্তবায়নযোগ্য বলে প্রতীয়মান হয়। এটি জাতিসংঘের এনার্জিবিষয়ক নীতিমালার সঙ্গেও সামঞ্জস্যপূর্ণ। সরকার ঘোষিত ব্যক্তি খাতে বিদ্যুৎ উৎপাদন বৃদ্ধির নীতিমালার আলোকে এইচডিএফসি সিনপাওয়ার লিমিটেড কোম্পানি ময়মনসিংহের সুতিয়াখালী সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্প বাস্তবায়নে এগিয়ে যায়। যদিও ভৌগোলিক অবস্থার দিক থেকে বিদ্যুৎ প্রকল্পের অবস্থান গৌরীপুর উপজেলার ভাংনামারী এলাকায়।

কাগজ-কলমে ২০১৪ সালে যাত্রা শুরু হলেও প্রকল্পের সরেজমিন কাজ শুরু হয় ২০১৬ সালের শেষের দিকে। বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে বাস্তবায়ন চুক্তি এবং বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের সঙ্গে বিদ্যুৎ ক্রয় চুক্তি স্বাক্ষরের পর জেলার গৌরীপুর উপজেলায় ভাংনামারী ইউনিয়নে ব্র?হ্মপুত্র নদের পাড়ে চরাঞ্চলে ১৭৪ একর জমি ওপর ৮০০ কোটি টাকা ব্যয়ে অত্যাধুনিক প্রযুক্তির পরিবেশবান্ধব সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্পটি বাংলাদেশ, মালয়েশিয়া ও সিঙ্গাপুরের যৌথ উদ্যোগে এইচডিএফসি সিনপাওয়ার লিমিটেড কোম্পানি বাস্তবায়ন করছে। বেসরকারি বিনিয়োগ ও সরকারি তদারকিতে পিডিবির একজন নির্বাহী প্রকৌশলীর তত্ত্বাবধানে অত্যাধুনিক প্রযুক্তির পরিবেশবান্ধব এ সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদন প্রকল্পের কাজ ইতোমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে।

প্রকল্প-সংশ্নিষ্টরা জানিয়েছেন, প্রকল্পের বর্ধিত মেয়াদ বাড়ানোর পর গত ৩০ জুনের মধ্যেই উৎপাদন শুরু করার কথা ছিল। কিন্তু প্রকল্পের কাজে জড়িত চীনা প্রকৌশলীরা নববর্ষের ছুটিতে দেশে যাওয়ায় পর করোনা দুর্যোগের কারণে সময়মতো ফিরে না আসায় সোলার প্লেট বসানো ও সংযোগ প্রদানের কাজ বিলম্বিত হয়। ইতোমধ্যে ময়মনসিংহের ব্রহ্মপুত্র নদের তীরে সুতিয়াখালী ৫০ মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদন প্রকল্প বাস্তবায়নের কাজ শেষ হয়েছে। চলতি মাসে প্রধানমন্ত্রী আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধনের পর জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হবে আরও ৫০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ। এলাকাবাসীর জন্য একটি নতুন যুগের সূচনা করবে প্রকল্পটি।

তবে সংশ্নিষ্টরা জানিয়েছেন, প্রকল্পটি বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে নানা ধরনের প্রতিকূলতা তৈরি হয়। সব প্রতিকূলতা কাটিয়ে প্রশাসনিক প্রক্রিয়া অনুসরণ করে সুতিয়াখালী সৌরবিদ্যু প্রকল্পের বহির্বিভাগের অবকাঠামোগত কার্যক্রম ১৩২ কেভিএ ট্রান্সমিশন টাওয়ার নির্মাণ, কেওয়াটখালীর জাতীয় গ্রিড লাইন পর্যন্ত পাঁচ কিলোমিটার আন্ডারগ্রাউন্ড কেবল স্থাপন এবং ওভারহেড ট্রান্সমিশন লাইন বসানোর কাজ শেষ হয়েছে। অভ্যন্তরীণ স্থাপনা নির্মাণসহ যাবতীয় কাজ শেষ হয়ে এখন উদ্বোধনের অপেক্ষায় রয়েছে।

গৌরীপুরের ভাংনামারী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান অধ্যাপক মফিজুন নূর খোকা বলেন, সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্পটির পুরো জমিই তার এলাকার। শুধু গেট সুতিয়াখালী এলাকায় পড়েছে। প্রকল্পটির নাম তার এলাকায় করার দাবি জানিয়ে তিনি আরও বলেন, জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ যুক্ত হলে অবশ্যই সুফল পাবে সবাই। তবে সৌরবিদ্যুৎ কেন্দ্রটির পাশের গ্রামে অন্তত ৬০০ পরিবার বিদ্যুৎবিহীন অবস্থায় রয়েছে। পরিবারগুলোকে যেন বিদ্যুৎ দেওয়া হয় সেই দাবিও জানান তিনি।

দেশের সর্ববৃহৎ সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক ও পিডিবির নির্বাহী প্রকৌশলী ইন্দ্রজিৎ দেবনাথ জানান, ইতোমধ্যে প্রকল্পের অধীনে প্রায় সব কাজ সম্পন্ন করা হয়েছে। আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন শেষে গ্রিডে ৫০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ যুক্ত হবে।

এইচডিএফসি সিনপাওয়ার লিমিটেডের পরিচালক গ্রুপ ক্যাপ্টেন (অব.) এম শফিকুল ইসলাম পিএসসি জানান, দেশে চলমান সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্পগুলোর মধ্যে এটি সবচেয়ে বড় ও মেগা প্রকল্প। সব নিয়মনীতি অনুসরণ করে প্রকল্পের কাজ বাস্তবায়ন করা হয়েছে। প্রকল্পটির ফলে স্থানীয়ভাবে অনেক মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। তিনি আরও জানান, সরকারের দেওয়া বর্ধিত সময়ের মধ্যেই প্রকল্পের কাজ সম্পন্ন হয়েছে। আশা করা হচ্ছে প্রধানমন্ত্রী প্রকল্পটির উদ্বোধন করবেন।

রাখাইনদের উপর বর্মী সেনাবাহিনীর গণহত্যার প্রতিবাদে ঢাকায় রাখাইনদের মানববন্ধন


আরাকানে জাতিগত রাখাইনদের উপর মিয়ানমার সেনাবাহিনী কর্তৃক মানবতাবিরোধী অপরাধ সংঘটের প্রতিবাদে আগামীকাল ঢাকায় বিশাল মানববন্ধন করবে রাখাইন কমিউনিটি অভ বাংলাদেশ। বাংলাদেশের বিভিন্ন জেলায় বসবাসকারী সাত শতাধিক রাখাইন সম্প্রদায়ের জনগণ এই মানববন্ধনে অংশ নেবে। আগামীকাল ১১ অক্টোবর (রবিবার) শাহবাগে জাতীয় জাদুঘরের সামনে সকাল এগারোটায় এই মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হবে বলে আয়োজকদের তরফ থেকে বলা হয়েছে।

রাখাইন কমিউনিটি অভ বাংলাদেশের মানববন্ধন প্রস্তুতি কমিটির আহ্বায়ক ক্যংঞিং পার্বত্যনিউজকে বলেন, কক্সবাজার, বান্দরবান, রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি, চট্টগ্রাম, ঢাকা, বরগুনা ও পটুয়াখালি জেলার ৭ শতাধিক রাখাইন সম্প্রদায়ের মানুষ এ মানববন্ধনে অংশ নেবে। এদের মধ্যে রাখাইন সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিত্বশীল নেতৃত্ব, ভান্তেগণ, মহিলা ও শিক্ষার্থীগণ রয়েছে।

মানববন্ধনের উদ্দেশ্য সম্পর্কে রাখাইন কমিউনিটি অভ বাংলাদেশের আহ্বায়ক ক্যাঞিং পার্বত্যনিউজকে বলেন, আরাকানে বসবাসকারী জাতিগত রাখাইন সম্প্রদায় ও আমরা ভাষা, ধর্ম ও জাতিগত দিক থেকে অভিন্ন সত্ত্বা। তাছাড়া আমাদের অনেকের পূর্বপুরুষ অতীতে রাখাইন থেকে বাংলাদেশে এসে বসবাস করেছে। তাই আমাদের অনেক জ্ঞাতি-গোষ্ঠী ও আত্মীয়-স্বজন সেখানে বসবাস করছে। মিয়ানমার সেনাবাহিনী তাদের উপর যে গণহত্যা ও নারকীয় নির্যাতন চালাচ্ছে তা আমরা মুখ বুঁজে দেখে যেতে পারি না। তাই বাংলাদেশ ও আন্তর্জাতিক মহলের দৃষ্টি আকর্ষণের মাধ্যমে সেই নির্যাতন বন্ধে চাপ সৃষ্টির লক্ষ্যে এই মানববন্ধনের আয়োজন করা হয়েছে।

মানব বন্ধনের অন্যতম আয়োজক মং চিৎ হ্রি বলেন, অনেকেই মনে করেন রাখাইনে শুধু রোহিঙ্গাদের উপর অত্যাচার করা হচ্ছে। এটা মোটেই ঠিক নয়।রোহিঙ্গাদের পাশাপাশি রাখাইনে জাতিগত বুড্ডিস্ট রাখাইনদের উপরও সমভাবে নির্যাতন করা হচ্ছে। মূলত বার্মিজ সামরিক জান্তা রাখাইনে জাতিগত মুসলিম রোহিঙ্গা ও বুড্ডিস্ট রাখাইনদের অস্তিত্ব মুছে ফেলে বার্মিজদের স্যাটেল করাতে চায়। বার্মিজ সুপ্রিমেসি প্রতিষ্ঠা করতে চায়। তাই আমরা জাতিগত রোহিঙ্গাদের অস্তিত্ব রক্ষায় সোচ্চার হয়েছি।

মানববন্ধন আয়োজকদের পক্ষ থেকে গণমাধ্যমে পাঠানো এক প্রেস বার্তায় বলা হয়েছে, আমরা সচেতন নাগরিক পৃথিবীর যেকোন প্রান্তের হোক না কেন যদি মানবাধিকার লঙ্ঘন পূর্বক কর্মকাণ্ড কেউ যদি করে থাকে তার বিরুদ্ধে সমালোচনা করা অথবা নিন্দা জ্ঞাপন করার সেই অধিকার প্রত্যেক নাগরিকের মধ্যে আছে। তাই আমরা ঢাকার রাজধানীর বুকে শাহাবাগ চত্বরে এসে মানববন্ধন এই কারণে করছি যে, আমাদের পার্শ্বের রাষ্ট্র মিয়ানমার রাষ্ট্র, এই মিয়ানমার রাষ্ট্রের বর্তমান সামগ্রিক পরিস্থিতি অত্যন্ত নাজুক অবস্থা। মিয়ানমার রাষ্ট্রের সামরিক বাহিনীরা কোভিড ১৯ এর অজুহাত দেখিয়ে সমগ্র দেশে লকডাউন ঘোষণা করে।
১। কোভিড- ১৯ কে প্রদর্শনপূর্বক ঘরবাড়ি হতে বাহির হতে না দেওয়া ও চলাফেরা উপর নিষেধাজ্ঞা জারী।

২। বর্তমান রাখাইন প্রদেশের সকল প্রকার ইন্টারনেট নেটওয়ার্ক বন্ধ করে দেয়, কারণ রাখাইন প্রদেশের সকল প্রকার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম বিচ্ছন্ন করা এবং সকল গণহত্যর সংবাদ গোপনীয় রক্ষা করা একমাত্র তাদের উদ্দেশ্য।
৩। মিয়ানমার সামরিক বাহিনীরা সু কৌশলে এবং পরিকল্পিতভাবে বিভিন্ন গ্রামে ঢুকে নির্যাতন, ধর্ষণ, লুন্ঠন, গুলিবর্ষণসহ বসতবাড়ীগুলোকে অগ্নিসংযোগ।
৪। বাংলাদেশের সীমান্তের কাছাকাছি মিয়ানমার রাষ্ট্রের সেনাবাহিনীরা অতিরিক্ত সেনা মোতায়েন করাসহ সকল উসকানিমূলক কার্যকলাপ অব্যাহত রয়েছে।

এই সকল কার্যকলাপ আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কাছে তুলে ধরার লক্ষে আমাদের এই মানববন্ধনের আয়োজন। মিয়ানমার সেনাবাহিনী কর্তৃক ঘরবাড়ীতে অগ্নিসংযোগের কারণে বর্তমানে লক্ষ লক্ষ রাখাইনে জনগণ খোলা আকাশের নিচে বসবাস করতে বাধ্য হয়েছে। আন্তর্জাতিক সহায্য সংস্থাগুলোকে রাখাইন প্রদেশে প্রবেশের অনুমতি বন্ধ করার প্রেক্ষিতে যার কারণে খাদ্য, ঔষধ, চিকিৎসা, বাসস্থান ও শিক্ষাসহ মৌলিক অধিকার থেকে মানবিক বিপর্যয় চুড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছে গেছে।

মিয়ানমার রাষ্ট্রের শাসকগোষ্ঠীর বার্মিজ সৈন্যরা অত্যাচার, নির্যাতন আজ থেকে নয় সেই ১৭৮৪ খ্রিঃ থেকে কুখ্যাত বার্মিজ সমর নায়ক মংওয়ান এর নেতৃত্বে তৎকালীন রাখাইন রাজ্যে বসবাসকারী জনগণকে পৃথিবী থেকে চিরতরে বিলুপ্ত করার উদ্দেশ্যে প্রায় লক্ষ লক্ষ মানুষকে হত্য করা হয়েছিল। এমনকি কোন ধর্মীয় স্থাপনা পর্যন্ত রেহাই পাই নাই। বর্তমান যা আজও বিদ্যামান। এরূপ অত্যাচার, জঘন্যতম অপরাধ কর্মকাণ্ড এবং মানবতা লংঘনকারীর বিরুদ্ধে আমরা যদি প্রতিবাদ ও তীব্র নিন্দা জ্ঞাপন না করি তাহলে তারা এই অমানবিক কর্মকাণ্ড আরও অব্যাহত থাকবে।

সেহেতু আমরা ঢাকা রাজধানীর বুকে সমাবেত হয়ে মিয়ানমার বর্বর সামরিক বাহিনীর বিরুদ্ধে তীব্র নিন্দাজ্ঞাপন করতে বাধ্য হয়েছি। সুতরাং আমরা বিশ্ববাসী এবং জাতিসংঘ এর নিকট দাবি জানাতে চায় যে, মিয়ানমার সেনাবাহিনী ও সরকার এর নির্যাতন ধর্ষণ, লুন্ঠন, অগ্নিসংযোগ, গুলিবর্ষণ, গ্রামের বসতবাড়ীর উপর বিমান থেকে বোমা নিক্ষেপ, জাহাজ থেকে ভারী বোমা নিক্ষেপ ও জীবন্ত পুড়িয়ে হত্যা এই সমস্ত অত্যাচার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিন।তার সাথে সাথে আরও আবেদনসহ দাবি জানাচ্ছি যে, ইউরোপিয়ান কমিশনসহ রাশিয়া, চায়না, আশিয়ান এবং সকল বিশ্ববাসীকে বলতে চাই, এইরূপ অত্যাচারের বিরুদ্ধে আপনি / আপনারা অতিসত্তর যদি কিছু বিহিত ব্যবস্থা না করেন তাহলে রাখাইন প্রদেশের সকল জনগণ অচিরেই পৃথিবী থেকে বিলুপ্ত হয়ে যাবে বলে আমাদের ধারণা।

Pabna Mental Hospital: Service seekers harassed by brokers

Family members of patients with mental illnesses seeking treatment at Pabna Mental Hospital are being harassed by brokers outside who demand money to get them an appointment with a doctor inside or lure them to privately run so-called mental health clinics.

Long understaffed by doctors and facilities overstretched, services at the country’s first specialised hospital for treatment of mental illnesses have further been diminished over the last few months due to the Covid-19 outbreak.

Amidst the global pandemic fallout, World Mental Health Day 2020 is being observed today with the goal of increased investment in mental health programmes at the national and international levels.

The 500-bed public hospital is running with 350 general beds and 150 paying ones, said the hospital director, Dr ATM M Morshed.”Before, we would treat and release patients regularly and admit patients five days a week. Due to the pandemic, we have had to cut down indoor services in the hospital,” he told The Daily Star.

Currently, new patients are only admitted every Monday and first taken to the isolation unit before being shifted to beds after one week to avoid the risk of Covid-19 spreading among existing patients, he said.

“So, the flow of patient admission has been slower over the last seven months.”

This has led to greater pressure on outdoor patient facilities, where many admission seekers are being extorted by brokers for limited serial numbers to get an appointment.

Md Aziz Matobbar, from Chandra in Faridpur’s Bhanga upazila, came early Monday morning to get his 25-year-old son admitted but failed to get a serial number. That meant he could not try again until next Monday.

“My son Md Abdullah was born with a mental illness, which has now become severe. We cannot keep him free at home because of his violent tendencies, so we tie him up with an iron chain,” Aziz said.

“After travelling a long distance, I was harassed outside the hospital as there are so many brokers who actually decide who gets to see a doctor.”

The brokers tried to pressure him into admitting his son to a private clinic, he said, but he declined because he cannot afford it.

After waiting all morning, Aziz managed to get an appointment with a doctor at the outdoor facility around noon.

“I was unable to get an appointment with a doctor though I came here early this morning,” said Russel Sarkar, from Sirajganj’s Ullapara upazila, who brought his mentally challenged brother Abdur Rahim.

He also had to face the brokers.

“As I turned them away, I have had to wait for hours,” Russel said.

Homemaker Shanjida Shahin from Magura also came to the outdoor patient facilities on Monday morning with her mentally challenged brother Atikul Islam, whose condition had been deteriorating due to a lack of medicine.

Through the brokers, she was able to get an appointment with a doctor at the outdoor facility early in the day, she said.

After prescribing some medication, the doctor asked her to bring her brother again next week and if necessary, he would be admitted to the hospital then.

At the outdoor unit of the hospital, this correspondent found a group of locals, agents of various private clinics and even some hospital staff bargaining with patients’ families looking for access to services.

As many patients and their family members come from outside the district, they are often lured by these brokers who promise fast access or treatment elsewhere, hospital sources said.

Talking with The Daily Star, Md Abdul Bari, ward master of Pabna Mental Hospital, said most of the brokers are locally influential people who work as agents of various private clinics.

Dr Morshed admitted the frequent presence of brokers at the hospital, but claimed he is helpless in the situation.

“We have repeatedly requested law enforcers about the presence of brokers at the hospital. If the law enforcers do not take action, I have nothing to do.”

PERENNIALLY UNDERSTAFFED
A lack of doctors has long been a barrier to better health services — of the 25 allotted posts for doctors, 13 remain vacant.

“Of the 12 doctors working, around three of them work to provide outdoor patient services while around seven are available to treat patients indoors,” a hospital official, seeking anonymity, told The Daily Star.

“Even indoor patients often do not get to see doctors in the wards, unless there is an emergency. Instead, hospital nurses often meet with the patients,” the official added.

It is tough to operate with such a limited number of doctors, when most of the beds indoors are occupied and over 300 patients take outdoor services every day, said hospital director Dr Morshed.

The director added that the hospital has submitted repeated letters to the higher authorities for fulfilling the allotted number of doctor’s posts at the hospital.

শর্তসাপেক্ষে ভারতের বাংলাদেশিদের জন্য অনলাইন ভিসা সেবা চালু


ঢাকা: বাংলাদেশি নাগরিকদের জন্য অনলাইন ভিসা আবেদন পরিষেবা পুনরায় চালু করার ঘোষণা দিয়েছে ঢাকার ভারতীয় হাইকমিশন। শুক্রবার (০৯ অক্টোবর) এক বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা জানিয়েছে তারা। এতে জানানো হয়, বর্তমানে মেডিক্যাল, ব্যবসা, কর্মসংস্থান, অ্যান্ট্রি, সাংবাদিক, কূটনৈতিক, সরকারি, জাতিসংঘ কর্মকর্তা, জাতিসংঘ কূটনীতিক ভিসাগুলোর অনুমোদিত রয়েছে।

এছাড়া অন্যান্য ভিসাগুলোও শিগগিরই চালু করা হবে বলে জানানো হয়ে বিজ্ঞপ্তিতে।

23 deaths, 1203 corona cases in 24-hr


Bangladesh today confirmed 23 more deaths from coronavirus (COVID-19) infection in the last 24 hours, raising the death toll to 5,500.

According to the Health authorities, 1,203 people have tested positive for coronavirus in the last 24 hours raising the total number of coronavirus cases in the country to 377,073.

The Directorate General of Health Services (DGHS) has made the update of the country’s coronavirus situation issuing a press release this afternoon.

As 1,453 patients have recovered in last 24 hours, the number of total recoveries reached 291,065, it also said.

A total of 20,61,528 samples have been tested so far as 10,859 samples tested in 93 coronavirus testing laboratories across the country in last 24 hours, the release added.

Bangladesh reported its first croronaviurs case on March 8 while first death on March 18.

ফখরুলের বাসায় হামলা, সরকারকে দায়ী করলো বিএনপি

ঢাকা: রাজধানীর উত্তরায় বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের বাসায় হামলার ঘটনায় সরকারকে দায়ী করে ক্ষোভ ও নিন্দা জানিয়েছেন দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্যরা।

শনিবার (১০ অক্টোবর) রাতে দলের সিনিয়র যুগ্ম-মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

এতে বলা হয়, বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের উত্তরাস্থ বাসভবনে কতিপয় উচ্ছৃঙ্খল বহিরাগত ব্যক্তি ইটপাটকেল নিক্ষেপ করে বাসার ক্ষতিসাধন করেছে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, সন্ধ্যায় বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সভায় বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হয়। সভা এই ঘটনার পেছনে সরকারি মদদ রয়েছে বলে মনে করে। বর্তমানে সারাদেশে গুম, খুন, নারী ও শিশু নির্যাতনের যে মহামারি চলছে তার বিরুদ্ধে আন্দোলনকে ভিন্নখাতে নিতেই সরকারের এজেন্টরা এ হামলা চালিয়েছে। সভা এই অনাকাঙ্ক্ষিত সন্ত্রাসী ঘটনার তীব্র ক্ষোভ, নিন্দা ও প্রতিবাদ জানায়।

ঢাকা-১৮ আসনের উপ-নির্বাচনে বিএনপির মনোনয়নকে কেন্দ্র করে বিক্ষুব্ধ নেতাকর্মীরা শুক্রবার বিকেলে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের বাসার সামনে সমবেত হয়ে বিক্ষোভ করেন। এক পর্যায়ে মির্জা ফখরুলের বাসায় ইট-পাটকেল ও ডিম নিক্ষেপ করা হয়। তবে বিএনপি এ ঘটনায় সরকারের মদদ রয়েছে বলে দাবি করলো।

রহনপুর স্টেশন বাজার ব্যবসায়ী সমিতির নির্বাচন অনুষ্ঠিত


গোমস্তাপুর (চাঁপাইনবাবগঞ্জ) প্রতিনিধিঃ রহনপুর স্টেশন বাজার ব্যবসায়ী কল্যাণ বহুমুখী সমবায় সমিতি লিমিটেড এর ব্যবস্থাপনা কমিটির ত্রি-বার্ষিক নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয। শনিবার সকাল ৮ টা থেকে বিকাল ৪ টা পর্যন্ত ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। ভোটগ্রহণ শেষে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় সভাপতি হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন নাজমুল হুদা খান রুবেল। সহ-সভাপতি পদে সাজ্জাদ আলী সাইকেল প্রতীক ২১১ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বি মজিবুর রহমান গোলাপ ফুল ১৫৭ ভোট । সাধারণ সম্পাদক পদে তৌহিদুজ্জামান বাবু মাছ প্রতীক  ২১২ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জাহিদ হাসান মুক্তা ৯৭ ভোট পায়। সদস্যরা হলেন ওয়াহিদুজ্জামান, খায়রুল ইসলাম সুমণ, দুরুল হুদা, নাজমুল হুসাইন, বিজয় কুমার চক্রবর্তী, শফিকুল ইসলাম। নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন আব্দুস সাত্তার। সদস্য মাইনুল ইসলাম মাস্টার, সাইফুল ইসলাম।

গোমস্তাপুরে বিদ্যুৎপৃষ্ট : ১ জনের মৃত্যু


গোমস্তাপুর (চাঁপাইনবাবগঞ্জ) প্রতিনিধিঃ
গোমস্তাপুরে একটি বিলে মাছ ধরতে গিয়ে তোজাম্মেল হোসেন (৪৮) নামে একজন মারা গেছে। তোজাম্মেল
রহনপুর পৌরসভার  পিড়াশন গ্রামের মহসিন আলীর ছেলে। শনিবার সকাল ৬টার সময় পিড়াসন মহল্লার চাচৌল খোন্দার বিলে নৌকায় চড়ে মাছ ধরার সময় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মারা যায়।
মৃত তোজাম্মেলের বড় ভাই আলমগীর কবির জানান,তার ভাই সকালে পিড়াসন মহল্লার চাচৌল খোন্দার বিলে মাছ ধরতে যায়। মাছ ধরার সময় বিলে নেসকোর ঝুলন্ত তারে নৌকার বৈঠা স্পর্শ করে সে বিদ্যুৎপৃষ্ট হয়ে মারা যায়।

শিবগঞ্জের পাঁকার উপ-নির্বাচনে মোটরসাইকেল বিজয়ী

শিবগঞ্জ (চাঁপাইনবাবগঞ্জ) প্রতিনিধি:

:চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার শিবগঞ্জ উপজেলার ১২নং পাকা ইউনিয়ন পরিষদের উপ-নির্বাচনে  চেয়ারম্যান পদে মোঃ জালাল উদ্দীন মোটরসাইকেল প্রতীক নিয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দী  প্রার্থী বিএনপি মনোনীত ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী আঃ মালেক । মোটরসাইকেল প্রতীক নিয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী মোঃ জালাল উদ্দীন ৫৭০ ভোটের ব্যবধানে বিজয় লাভ করেন।
শিবগঞ্জ উপজেলা নির্বাচন অফিস জানায়, উপনির্বাচনে ৪ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দীতায় অংশগ্রহন করে। এর মধ্যে স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. জালাল উদ্দিন মোটরসাইকেল প্রতীক নিয়ে ৩২৮০ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। এছাড়াও আওয়ামীলীগ মনোনীত নৌকা প্রতীকের প্রার্থী
বীর মুক্তিযোদ্ধা ইসমাইল হোসেন পেয়েছেন  ১৩৯৪ ভোট।  বিএনপি মনোনীত আব্দুল মালেক (ধানের শীষ)   ২৭১০ এবং  আনারস  প্রতীক নিয়ে মোছা. পারভীন বেগম (স্বতন্ত্র,আওয়ামীলীগ) পেয়েছেন ১৮৭০ ভোট।
এর আগে ৯টি ভোট কেন্দ্রে সকাল ৯ টা থেকে বিকেল ৪ টা পর্যন্ত কোন প্রকার অপ্রীতিকর ঘটনা ছাড়াই শান্তিপূর্ণভাবে ভোট গ্রহণ সম্পন্ন হয়। এ উপনির্বাচনে ১৪ হাজার ৩’শ ৭৯ জন ভোটারের মধ্যে পুরুষ ভোটার ৭ হাজার ৩’শ ৬৭ জন ও মহিলা ভোটার ৭ হাজার ১২ জন।