সর্বশেষ সংবাদ চাঁপাইনবাবগঞ্জেে ট্রাক চাপায় নিহত এক এমপি হাজী সেলিম ও ছেলের সম্পদের খোঁজে দুদক সেনাবাহিনী দেশের মানুষের ভরসা ও বিশ্বাসের প্রতীক– প্রধানমন্ত্রী এবার অনলাইনেই খাজনা দেয়া যাবে চাঁপাইনবাবগঞ্জে ট্রাক-মোটরসাইকেল সংঘর্ষে আমনুরার বাদশা নিহত শিবগঞ্জ পৌর এলাকা কে নিরাপত্তা চাদরে ঢেকে দেয়ার প্রতিশ্রুতি সৈয়দ মনিরুলের চাঁপাইনবাবগঞ্জ ডায়াবেটিক সমিতির প্রতিষ্ঠাতা সদস্য ও প্রকৌশলী নজরুল ইসলাম আর নেই চলতি বছর পাঠ্যপুস্তকে অন্তর্ভুক্ত হচ্ছে ‘করোনা’ ও ‘ধর্ষণ’ বাংলাদেশের জন্য কোভিড-১৯ পরিকল্পনা অস্ট্রেলিয়ার দেশের সব নাগরিক পাবে বিনামূল্যে করোনা ভ্যাকসিন

যানবাহনের ফিটনেস – নবায়ন এখন অনলাইনে

অনলাইন পদ্ধতিতে যানবাহনের ফিটনেস নবায়ন কার্যক্রম শুরু হচ্ছে আগামী ১৫ অক্টোবর থেকে। প্রাথমিকভাবে ঢাকার তিনটি মেট্রো সার্কেল, মিরপুর, ইকুরিয়া ও দিয়াবাড়ি থেকে এ সনদ নেওয়া যাবে। পরবর্তী সময় সারাদেশের বিআরটিএ কার্যালয়ে পদ্ধতিটি চালু করা হবে। অনলাইনে অ্যাপয়েন্টমেন্টের জন্য কোনো টাকা লাগবে না।

ফিটনেস সনদ নবায়নের জন্য প্রথমে বিআরটিএর সার্ভিস পোর্টাল ওয়েবসাইটে গিয়ে নিবন্ধন করতে হবে। এক্ষেত্রে দিতে হবে গ্রাহকের নাম, জন্মতারিখ, জাতীয় পরিচয়পত্রের নম্বর, মোবাইল নম্বর। তার পর ক্লিক করতে হবে পোর্টালের ‘ফিটনেস অ্যাপয়েন্টমেন্ট সময়সূচি’ অপশনে। এখানে ‘মোটরযান সংযুক্ত করুন’ অপশনে গিয়ে যানবাহনের বিস্তারিত তথ্য দিতে হবে। সময়সূচি অপশনে গিয়ে কাক্সিক্ষত তারিখ এবং কোন সার্কেল থেকে ফিটনেস নবায়ন করবেন, তা সিলেক্ট করতে হবে। অ্যাপয়েন্টমেন্টের জন্য দৈনিক চারটি ধাপ ভাগ করা আছে- সকাল ৯টা থেকে ১১টা, ১১টা থেকে ১টা, দুপুর ২টা থেকে বিকাল ৪টা এবং বিকাল ৪টা থেকে ৫টা। পছন্দমতো এর যে কোনো সময় নেওয়া যাবে। সব তথ্য পূরণ করে সাবমিট করলে গ্রাহকের মোবাইলে এসএমএসের মাধ্যমে তারিখ ও সময় জানিয়ে দেওয়া হবে। আর বিআরটিএতে যাওয়ার আগে আয়করসহ যানবাহনের অন্যান্য ফি পরিশোধ করে মানি রিসিট সংগ্রহ করতে হবে। তবে নির্ধারিত তারিখে না গেলে সেটি বাতিল হয়ে যাবে, পরবর্তী সময় নতুন করে অ্যাপয়েন্টমেন্ট নিতে হবে বলে জানিয়েছে বিআরটিএ।

বিআরটিএর হিসাবে ২০২০ সালের আগস্ট পর্যন্ত সারাদেশে নিবন্ধিত যানবাহনের সংখ্যা ৪৫ লাখ ২৩ হাজার ৬০০টি। ঢাকার তিনটি সার্কেল থেকে নিবন্ধিত হয়েছে ১৫ লাখ ৯৮ হাজার ৯৪৯টি যানবাহন। ঢাকার এসব যানের মধ্যে ৭ লাখ ৬২ হাজার ৫৯৪টি মোটরসাইকেল। তবে এই যানের ফিটনেস নবায়ন করতে হয় না। বাকি ৮ লাখ ৩৬ হাজার ৩৫৫টি বিভিন্ন শ্রেণির যানের কেবল ফিটনেস নবায়ন করতে হয়। বর্তমানে প্রতি দুই বছরের অন্তর ফিটনেস সনদ নবায়নের নিয়ম করেছে বিআরটিএ।

শেখ হাসিনার নেতৃত্বের ভূয়সী প্রশংসা বিদেশি রাষ্ট্রদূত ও কূটনীতিকদের

বাংলাদেশে শেখ হাসিনার নেতৃত্বের ভূয়সী প্রশংসা করেছেন বিদেশি রাষ্ট্রদূত ও কূটনীতিকবৃন্দ। শনিবার (৩ অক্টোবর) ‘শেখ হাসিনার নেতৃত্ব ও বাংলাদেশের এগিয়ে যাওয়া’ শিরোনামে আওয়ামী লীগের আন্তর্জাতিক বিষয়ক উপকমিটি আয়োজিত এক ওয়েবিনারে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সম্পর্কে আলোচনা করেন তারা।
আলোচনায় ভারতের ভারপ্রাপ্ত হাইকমিশনার বিশ্বজিৎ দে প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিনে নরেন্দ্র মোদির পাঠানো শুভেচ্ছা বার্তাকে উদ্ধৃত করে বিগত ১০ বছরে বাংলাদেশের উন্নয়নের প্রশংসা করেন।
করোনার মধ্যেই বাংলাদেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি প্রশংসনীয় বলে জানান তিনি। এ সময় শেখ হাসিনার অধীনে বাংলাদেশ-ভারতের মধ্যকার সম্পর্ককে সোনালী অধ্যায় হিসেবে বর্ণনা করে দুই দেশের মধ্যকার উন্নয়নমূলক এই সম্পর্ককে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাওয়ার বিষয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।
শেখ হাসিনা তার রাজনৈতিক জীবনে অনেক বাধার সম্মুখীন হলেও বর্তমানে বিশ্বে ও বাংলাদেশে নারী নেতৃত্বের রোল মডেল হয়ে আছেন বলে জানান তুর্কি অ্যাম্বাসেডর মোস্তফা ওসমান তুরান। তিনি জানান, কোটি মানুষকে শেখ হাসিনা দরিদ্রতা থেকে মুক্তি দিয়েছেন এবং নারী ক্ষমতায়নে নতুন মাত্রা অর্জন করেছেন। তার নেতৃত্বে বাংলাদেশের সঙ্গে তুরস্কের সম্পর্ক আরও দৃঢ় হবে বলেও আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।
ঢাকায় নিযুক্ত সংযুক্ত আরব আমিরাত দূতাবাসের কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ আল হামিদী নিজ দেশের প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানান। তিনি বলেন, ‘শেখ হাসিনার নেতৃত্বে (বাংলাদেশে) স্থিতিশীলতা এসেছে এবং উন্নয়নের পথে হাঁটছে বাংলাদেশ।’ শেখ হাসিনার যে অগ্রযাত্রার সূচনা করেছেন তাতে অচিরেই বাংলাদেশ সোনার বাংলায় পরিণত হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।
জাপানের রাষ্ট্রদূত ইতো নাওকি জীবনমানের নিরাপত্তা প্রদানে শেখ হাসিনাকে চ্যাম্পিয়ন হিসেবে আখ্যায়িত করেন। তিনি বলেন, ‘ক্ষুধা ও দারিদ্রমুক্ত বাংলাদেশ গঠনে নিরলস কাজ করে যাচ্ছেন শেখ হাসিনা। তিনি মানবাধিকারের প্রতি শ্রদ্ধাশীল।
২০১৪ সালে প্রধানমন্ত্রীর সর্বশেষ জাপান সফরকে উদ্ধৃত করে তিনি বলেন, ‘শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ-জাপান সম্পর্ক অন্য উচ্চতায় পৌঁছিয়েছে।’ শেখ হাসিনার ভিশন ২০৪১ লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে জাপান অবকাঠামো উন্নয়নে সার্বিক সহযোগিতা অব্যাহত রাখবে বলেও জানান তিনি।
ইউরোপীয় ইউনিয়নের রাষ্ট্রদূত রেনজে তিরিঙ্ক বাংলাদেশে রোহিঙ্গা সমস্যার টেকসই সমাধানের বিষয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করেন। সেই সঙ্গে জাতিসংঘের অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বক্তব্যের প্রশংসা করেন তিনি।’

বঙ্গোপসাগরে বাংলাদেশ-ভারত যৌথ নৌ মহড়া

বঙ্গোপসাগরে বাংলাদেশ ও ভারতীয় সমুদ্রসীমার নির্ধারিত এলাকায় দুই দেশের নৌবাহিনীর জাহাজ ও এমপিএ (মেরিটাইম পেট্রল এয়ারক্রাফ্ট)-এর অংশগ্রহণে শুরু হয়েছে যৌথ টহল ‘করপ্যাট’ ও দ্বিপক্ষীয় মহড়া ‘বঙ্গোসাগর’। গতকাল থেকে তৃতীয়বারের মতো অনুষ্ঠিত হওয়া এই যৌথ টহল ও মহড়া ৫ অক্টোবর পর্যন্ত চলবে। যৌথ এ টহল ও মহড়ায় বাংলাদেশ নৌবাহিনীর দু’টি যুদ্ধজাহাজÑ বানৌজা প্রত্যয়, বানৌজা আবু বকর ও একটি এমপিএ এবং ভারতীয় নৌবাহিনীর যুদ্ধজাহাজ আইএনএস কিলতান ও আইএনএস খুকরি এবং একটি এমপিএ অংশগ্রহণ করে। এর আগে উক্ত যৌথ টহল ও মহড়ায় অংশগ্রহণের উদ্দেশ্যে নৌবাহিনী যুদ্ধজাহাজ বানৌজা প্রত্যয় ও বানৌজা আবু বকর শুক্রবার মংলা নৌজেটি ত্যাগ করে।
আইএসপিআর জানিয়েছে, সমুদ্র এলাকায় অবৈধভাবে মৎস্য আহরণ, চোরাচালান, মানবপাচার, জলদস্যুতা ও মাদক পাচারসহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড নিরসনের লক্ষ্যে এ যৌথ টহল ও মহড়া পরিচালিত হচ্ছে। দুই দেশের এই যৌথ টহল ও মহড়া বঙ্গোপসাগরে নিজ নিজ জলসীমায় সমুদ্রবিষয়ক অপরাধ সম্পর্কিত তথ্য আদান-প্রদান, তথ্যাদির সঠিক ব্যবস্থাপনা, সমুদ্রপথে অবৈধ কার্যক্রম পরিচালনাকারী জাহাজগুলো চিহ্নিতকরণ ও বিভিন্ন অপরাধ নিরসনকল্পে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। এ ছাড়া যৌথ এ টহল ও মহড়ার সফল বাস্তবায়ন সমুদ্র পথে অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি আঞ্চলিক সমুদ্র নিরাপত্তা রক্ষা, সমুদ্র নিরাপত্তার ঝুঁকি মোকাবেলা ও সমুদ্র অর্থনীতির উন্নয়নে আরো কার্যকর ভূমিকা রাখতে সক্ষম হবে বলে আশা করা যায়।

চাঁপাইনবাবগঞ্জে ২ সপ্তাহব্যাপী ভিটামিন এ প্লাস ক্যাম্পেইন শুরু


চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি ॥ করোনা প্রভাবে ৪ অক্টোবর থেকে ১৭ অক্টোবর পর্যন্ত ২ সপ্তাব্যাপী জাতীয় ভিটামিন এ প্লাস ক্যাম্পেইন শুরু হয়েছে। রবিবার সকালে স্বাস্ব্যবিধি মেনে জেলার বিভিন্নস্থানে শিশুদের ভিটামিন ক্যাপসুল খাওয়ানোর মাধ্যমে জাতীয় ভিটামিন এ প্লাস ক্যাম্পেইন শুরু করা হয় বলে নিশ্চিত করেছেন জেলার সিভিল সার্জন ডা. জাহিদ নজরুল চৌধুরী। করোনা সতর্কতায় এবছর ২ সপ্তাহব্যাপী ভিটামিন এ প্লাস ক্যাম্পেইন চলবে। এর মধ্যে সপ্তাহে ৪দিন করে মোট ৮দিন এই কর্মসুচী চালানো হবে বলে গত ১ অক্টোর জেলার গণমাধ্যমকর্মীদের নিয়ে মতবিনিময়কালে জানানো হয়। সিভিল সার্জন জানান, ৪ অক্টোবর থেকে শুরু হওয়া জাতীয় ভিটামিন এ প্লাস ক্যাম্পইন ২য় রাউন্ডে জেলার ১ লক্ষ ৯৫ হাজার ৯’শ ৯১ জন ১২-৫৯ মাস বয়সী শিশুকে ভিটামিন এ প্লাস ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে এবং ৬-১১ মাস বয়সী ২৫ হাজার ৪’শ ৩৫জন শিশুকে ১টি নীল রঙের ভিটামিন এ প্লাস ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে। ভিটামিন এ প্লাস ক্যাম্পেইনে জেলায় মোট ১২৫৯টি সেন্টারে স্বেচ্ছাসেবকের দায়িত্ব পালন করে ২ হাজার ৪’শ ২জন স্বেচ্ছাসেবক। সিভিল সার্জন অফিস সুত্র জানায়, ১২-৫৯ মাস বয়সী সদর উপজেলায় ৫৩ হাজার ৩’শ ২৭, শিবগঞ্জে ৬৬ হাজার ৪’শ ৫০, গোমস্তাপুরে ৩০ হাজার ৭’শ ৪২, নাচোলে ১৬ হাজার ৯’শ ৯১, ভোলাহাটে ১১ হাজার ৫’শ জন এবং চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌরসভায় ১৬ হাজার ৯’শ ৮১ জন শিশুকে ভিটামিন এ প্লাস ক্যাপসুল এবং ৬-১১ মাস বয়সী সদর উপজেলায় ৫ হাজার ৯’শ ৬৮, শিবগঞ্জে ৮ হাজার ৮০৫, গোমস্তাপুরে ৪হাজার ৮৮, নাচোলে ২ হাজার ৩’শ ৫৩, ভোলাহাটে ১ হাজার ৪’শ ৫০জন এবং চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌরসভায় ২ হাজার ৭’শ ৭১ জন শিশুকে ১টি নীল রঙের ভিটামিন এ প্লাস ক্যাপসুল খাওয়ানো হয়। সিভিল সার্জন ডা. জাহিদ নজরুল চৌধুরী জাতীয় ভিটামিন এ প্লাস ক্যাম্পইন ২য় রাউন্ড সফলভাবে সম্পন্ন করতে জেলার সংবাদকর্মীসহ সকলের আন্তরিক সহযোগিতা কামনা করেন।

শিবগঞ্জ ও ভোলাহাটে জেলা প্রশাসকের বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত

শিবগঞ্জে ও ভোলাহাট(চাঁপাইনবাবগঞ্জ)প্রতিনিধিঃ চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জে জেলা প্রশাসক এ জেড এম নূরুল হকের বিদায়ী সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত হয়েছে। রবিবার দুপুরে উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে বিদায়ী সংবর্ধনা প্রদান করা হয়। উপজেলা প্রশাসন বিদায়ী সংবর্ধনার আয়োজন করে । উপজেলা নির্বাহী অফিসার শাকিব আল রাব্বির সভাপতিত্বে উপজেলা সমাজ সেবা অফিসার কাঞ্চন কুমার দাশের সঞ্চালনায় সংবর্ধনা সভায় বক্তব্য রাখেন, জেলা প্রশাসক এজেড এমন নূরুল হক। এ সময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখেন,শিবগঞ্জ উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান সৈয়দ নজরুল ইসলাম,সহকারী কমিশনার (ভূমি) ,শিবগঞ্জ থানার ওসি শামসুল আলম শাহ্ , প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা আরিফুল ইসলাম সহ অন্যরা।

ভোলাহাটে জেলা প্রশাসকের বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত
অপরদিকে জেলার ভোলাহাটেও বিদায়ী জেলা প্রশাসক কে বিদায় সংবর্ধনা জানানো হয়।আমাদের ভোলাহাট(চাঁপাইনবাবগঞ্জ)প্রতিনিধি জানান,

চাঁপাইনবাবগঞ্জের ভোলাহাটে চাঁপাইনবাবগঞ্জের জেলা প্রশাসক এ জেড এম নূরুল হকের বিদায়ী সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত হয়েছে। রবিবার সকাল ১০টার দিকে উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে বিদায়ী সংবর্ধনা প্রদান করা হয়েছে। উপজেলা প্রশাসন বিদায়ী সংবর্ধনার আয়োজন করে । উপজেলা নির্বাহী অফিসার মশিউর রহমানের সভাপতিত্বে উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা কামরুজ্জামান সরদারের সঞ্চালনায় সংবর্ধনা সভায় বক্তব্য রাখেন, জেলা প্রশাসক এজেড এমন নূরুল হক। অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখেন, উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান রাব্বুল হোসেন, অফিসার ইনচার্জ মাহবুবুর রহমান, উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান গরিবুল্লাহ দবির, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান শাহান খাতুন, জেলা আওয়ামীলীগের সাবেক সহ-সভাপতি আব্দুল খালেক, উপজেলা আওয়ামীলীগের। সাধারণ সম্পাদক ইলিয়াস আলী শাহ, উপজেলা শিক্ষা অফিসার এস এমন মিজানুর রহমান, ভোলাহাট ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান আলহাজ্ব ইয়াজিদ দানী জর্জ, মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডের সাবেক কমান্ডার আলহাজ্ব নুরুল ইসলাম, ভোলাহাট মোহবুল্লাহ কলেজ অধ্যক্ষ রহমত আলী, জেলা পরিষদ সদস্য হোসনে আরা পাখিসহ অন্যরা।
উপজেলা প্রশাসনের সংবর্ধনা প্রদানের পূর্বে জেলা প্রশাসক ও উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান, উপজেলা নির্বাহী অফিসারসহ প্রশাসনের অন্যান্যকর্মকর্তাবৃন্দ কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর মিলনায়তনে আমের উপর জাইকার অর্থায়নে অনুষ্ঠিত আমের উপর প্রশিক্ষণের উদ্বোধন করেন।

নতুন বিচারকদের নিয়ে ১১ অক্টোবর থেকে শুরু হচ্ছে রিয়েলিটি শো ‘মীরাক্কেল

আগামী ১১ অক্টোবর থেকে শুরু হচ্ছে জি-বাংলা চ্যানেলের সবচেয়ে টিআরপি পাওয়া রিয়েলিটি শো ‘মীরাক্কেল আক্কেল চ্যালেঞ্জার্স’।

আর সেই শো কেন্দ্র করেই বিতর্ক শুরু হয়েছে।

শুরু থেকেই অনুষ্ঠানের বিচারক প্যানেলে যুক্ত ছিলেন রজতাভ দত্ত, পরাণ বন্দ্যোপাধ্যায় ও শ্রীলেখা মিত্র।

নতুন মৌসুমে থাকছেন না এদের কেউ।

আর এ বিষয়টিই একেবারে মেনে নিতে পারছেন না জনপ্রিয় এই অনুষ্ঠানের অনেক নিয়মিত দর্শক।

ভারতীয় গণমাধ্যমগুলোর খবর– এবারের বিচারক প্যানেলে যুক্ত হয়েছেন নতুন তিন মুখ। তারা হলেন টালিউডের দুই চিত্রনায়িকা পাওলি দাম, সায়ন্তিকা বন্দ্যোপাধ্যায় ও সোহম চক্রবর্তী। মীরের টিমে আরও থাকছেন কমেডিয়ান বিশ্বনাথ বসু ও কাঞ্চন মল্লিক।

‘মীরাক্কেল ১০’-এর ফেসবুকে মীরের সমালোচনায় ব্যস্ত থাকতে দেখা গেছে অনেককে।

এক দর্শক লিখেছেন– ‘মীর ভাই, হতে পারে এই অনুষ্ঠান আপনার নামে। আপনি ছাড়া অনুষ্ঠানটি অচল। আপনি না থাকলে এই অনুষ্ঠানের কোনো মানে হয় না। কিন্তু আমরা যারা এত বছর ধরে এই অনুষ্ঠান দেখছি, যে অনুষ্ঠানের সঙ্গে আমাদের আবেগ মিশে আছে, সেই অনুষ্ঠান এভাবে নষ্ট করারও মানে হয় না। আপনাদের বিচারক প্যানেল দেখে হাসব না কাঁদব বুঝতে পারছি না। এরা কি বিচারক? কীভাবে সম্ভব? বিচারক বদল করুন অথবা আরও কয়েক বছর এই অনুষ্ঠান বন্ধই রেখে দিন।’

তিন দলের ওয়ানডে সিরিজে নেই মাশরাফি

১১ অক্টোবর থেকে বিসিবি আয়োজিত তিন দলের ওয়ানডে সিরজে নির্বাচকমন্ডলীর ভাবনায় নেই সাবেক ওয়ানডে দলপতি মাশরাফি বিন মুর্ত্তজা। আপাতত বিসিবি’র রাডারে থাকা ক্রিকেটারদের নিয়েই এই সিরিজ আয়োজিত হবে।দুই দিনের দুটি প্রস্তুতি ম্যাচ শেষে টাইগারদের ম্যাচ অনুশীলনের অংশ হিসেবে আয়োজন করা হচ্ছে তিন দলের ওয়ানডে সিরিজে। দুই দিনের প্রস্তুতি ম্যাচের প্রথমটি শেষ। দ্বিতীয়টি অনুষ্ঠিত হবে আগামি সোম ও মঙ্গলবার। এরপরেই মাঠে গড়াবে তিন দলের ওয়ানডে সিরিজ। সেখানে মাশরাফি খেলবেন না কারণ, করোনাভাইরাসের ধকল এখনো কাটিয়ে উঠতে পারেননি লাল সবুজের ক্রিকেটের দিন বদলের এই দলপতি।

সংবাদমাধ্যমকে এখবর নিশ্চিত করেছেন জাতীয় ক্রিকেট দলের প্রধান নির্বাজক মিনহাজুল আবেদীন নান্নু।তিনি বলেছেন, ‘এখানে অনেকে অনুশীলন করছে নিয়মিত। টানা দুই মাস প্রায়। মাশরাফি তো অনুশীলনে নেই। খেলবে কেমন করে? ওর খেলা হবে না এখানে।’

তবে তিন দলের এই সিরিজ খেলতে না পারলেও নভেম্বরে অনুষ্ঠেয় কর্পোরেট টি-টোয়েন্টি লিগ তিনি খেলতে পারবেন বলে জানান নান্নু।

‘সামনে কর্পোরেট টি-টোয়েন্টি যদি হয়, সেটা তো সবার জন্যই উন্মুক্ত থাকবে। ঘরোয়া ক্রিকেটের খেলা আরও হবে। মাশরাফি যদি পারফর্ম করতে পারে, তখন আমরা দেখব।’তিন দলের ওয়ানডে সিরিজের প্রথমটি অনুষ্ঠিত হবে ১১ অক্টোবর। দ্বিতীয়টি ১৩, তৃতীয়টি ১৫, চতুর্থটি ১৭, পঞ্চমটি ১৯ ও ফাইনাল ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে ২১ অক্টোবর। শুধু জাতীয় দলের পুলের ক্রিকেটারদের সঙ্গে এইচপির কয়েকজনসহ প্রায় ৫০ জন ক্রিকেটার অংশ নিবেন ওয়ানডে ফরম্যাটের এই সিরিজে। লিগ পর্বে প্রতিটি দল পরস্পরের বিরুদ্ধে দুইবার মাঠে নামবে।

Bangladesh reports 23 deaths in 24-hr

Bangladesh today confirmed 23 more deaths from coronavirus (COVID-19) infection in the last 24 hours, raising the death toll to 5,348.

According to the Health authorities, 1,125 people have tested positive for coronavirus in the last 24 hours raising the total number of coronavirus cases in the country to 368,690.

The Directorate General of Health Services (DGHS) has made the update of the country’s coronavirus situation issuing a press release this afternoon.

As 1,587 patients have recovered in last 24 hours, the number of total recovery reached 281,656, it also said.

A total of 19,89,664 samples have been tested so far as 9,859 samples tested in 109 coronavirus testing laboratories across the country in last 24 hours, the release added.

Bangladesh reported its first croronaviurs case on March 8 while first death on March 18.

সেপ্টেম্বরে সড়কে প্রাণ গেছে ৩০৪:বেশি দুর্ঘটনা ঢাকা বিভাগে


ঢাকা: গত সেপ্টেম্বর মাসে দেশে সড়ক দুর্ঘটনা ঘটেছে ২৭৩ টি। নিহত ৩০৪ জন এবং আহত ৪৯২ জন। নিহতের মধ্যে নারী ৫৭, শিশু ৩৮। এককভাবে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় বেশি প্রাণহানি ঘটেছে।৯৭টি মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় নিহত ১০৬ জন, যা মোট নিহতের ৩৪.৮৬ শতাংশ। মোটরসাইকেল দুর্ঘটনার হার ৩৫.৫৩ শতাংশ। দুর্ঘটনায় ৮৬ জন পথচারী নিহত হয়েছেন, যা মোট নিহতের ২৮.২৮ শতাংশ। যানবাহনের চালক ও সহকারী নিহত হয়েছেন ৫৪ জন, অর্থাৎ ১৭.৭৬ শতাংশ।

এই সময়ে ৯ টি নৌ-দুর্ঘটনায় ২৬ জন নিহত, ১৪ জন আহত ও ৪ জন নিখোঁজ রয়েছেন। ১১টি রেল দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছেন ৮ জন। রোড সেফটি ফাউন্ডেশন ৭টি জাতীয় দৈনিক, ৫টি অনলাইন নিউজ পোর্টাল এবং ইলেক্ট্রনিক গণমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে প্রতিবেদনটি তৈরি করেছে।

দুর্ঘটনায় বাস যাত্রী ১৩, ট্রাক যাত্রী ১১, পিকআপ যাত্রী ৬, কাভার্ডভ্যান যাত্রী ২, মাইক্রোবাস যাত্রী ১২, প্রাইভেটকার যাত্রী ৫, অ্যাম্বুলেন্স যাত্রী ৬, ট্রলি যাত্রী ৮, সিএনজি যাত্রী ৭, ইজিবাইক-অটোরিকশা যাত্রী ২৬, নসিমন-ভটভটি যাত্রী ৯, লেগুনা যাত্রী ৪ এবং বাই-সাইকেল আরোহী ৩ জন নিহত হয়েছেন।গণমাধ্যমে প্রকাশিত তথ্যের ভিত্তিতে জানা যায়, নিহতদের মধ্যে সরকারের যুগ্ম সচিব (পিআইবি’র পরিচালক) ১ জন, উপজেলা চেয়ারম্যান ১ জন, পুলিশ কর্মকর্তা (এএসআই/এসআই) ৪ জন, শিক্ষক ৮ জন, কারারক্ষী ১ জন, পল্লী চিকিৎসক ১ জন, আদালতের নৈশ প্রহরী ১ জন, প্রতিবন্ধি ৪ জন, ইলেক্ট্রিক ও মোটর মেকানিক ২ জন, এনজিও কর্মকর্তা-কর্মচারী ৯ জন, ঔষধ ও বিভিন্ন পণ্যসামগ্রী বিক্রয় প্রতিনিধি ১১ জন, পোশাক শ্রমিক ৫ জন, মিল শ্রমিক ১ জন, পল্লী বিদ্যুতের কর্মচারী ১ জন, স্থানীয় পর্যায়ের বিভিন্ন ব্যবসায়ী ১৭ জন, স্থানীয় রাজনৈতিক নেতা ৩ জন এবং ঢাকা আর্ট কলেজের ১ জন ছাত্রীসহ ৪৩ জন শিক্ষার্থী নিহত হয়েছেন।

এ ছাড়াও গুরুতর আহত হয়েছেন একজন চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট, একজন অবসরপ্রাপ্ত সামরিক কর্মকর্তা (লে. কর্নেল), পরমাণু শক্তি কমিশনের একজন টেকনিক্যাল অফিসার, একজন উপজেলা নারী ভাইস চেয়ারম্যান, বাংলা নিউজ-এর একজন সিনিয়র সাংবাদিক এবং নৌ বাহিনীর দুইজন সদস্য।

রোড সেফটি ফাউন্ডেশনের পর্যবেক্ষণ ও বিশ্লেষণ বলছে, দুর্ঘটনাগুলোর মধ্যে ১০৮ টি (৩৯.৫৬%) জাতীয় মহাসড়কে, ৬৯ টি (২৫.২৭%) আঞ্চলিক সড়কে, ৫৪ টি (১৯.৭৮%) গ্রামীণ সড়কে এবং ৪২ টি (১৫.৩৮%) শহরের সড়কে সংঘটিত হয়েছে।
দুর্ঘটনাসমূহের ৭২ টি (২৬.৩৭%) মুখোমুখি সংঘর্ষ, ৬১ টি (২২.৩৪%) নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে, ৮৫ টি (৩১.১৩%) পথচারীকে চাপা/ধাক্কা দেয়া, ৪৬ টি (১৬.৮৪%) যানবাহনের পেছনে আঘাত করা এবং ৯ টি (৩.২৯%) অন্যান্য কারণে ঘটেছে।

দুর্ঘটনার ক্ষেত্রে দায়ী-ট্রাক-কাভার্ডভ্যান-পিকআপ ২০.০৯ শতাংশ, ট্রাক্টর-ট্রলি-লরি ৪.১৫ শতাংশ, মাইক্রোবাস-প্রাইভেটকার-এ্যাম্বুলেন্স ৩.৪৬ শতাংশ, যাত্রীবাহী বাস ১৯.১৬ শতাংশ, মোটরসাইকেল ২২.৮৬ শতাংশ, থ্রি-হুইলার (ইজিবাইক-সিএনজি-অটোরিকশা-লেগুনা) ১৫.৪৭ শতাংশ, নসিমন-পাখিভ্যান-অটোভ্যান-ভটভটি ৭.১৫ শতাংশ, রিকশা-ভ্যান, বাই-সাইকেল ৬.৬৯ শতাংশ এবং অন্যান্য (টমটম, পাওয়ারটিলার, হ্যান্ডট্রলি, তেলবাহী ট্যাংকার) ০.৯ শতাংশ।

দুর্ঘটনায় আক্রান্ত যানবাহনের সংখ্যা ৪৩৩ টি। (ট্রাক ৬৬, বাস ৮৩, কাভার্ডভ্যান ৯, পিকআপ ১২, লরি ৩, ট্রলি ১০, ট্রাক্টর ৫, মাইক্রোবাস ৭, প্রাইভেটকার ৬, এ্যাম্বুলেন্স ২, ডাক বিভাগের কাভার্ডভ্যান ১, নৌ-বাহিনীর বাস ১, হ্যান্ডট্রলি ১, মোটরসাইকেল ৯৯, নসিমন-ভটভটি-পাখিভ্যান-অটোভ্যান ৩১।


ইজিবাইক-সিএনজি-অটোরিকশা-লেগুনা ৬৭, টমটম ১, পাওয়ারটিলার ১, তেলবাহী ট্যাংকার ১, বাই-সাইকেল ৩, রিকশা ও রিকশাভ্যান ২৬টি। সময় বিশ্লেষণে দেখা যায়, দুর্ঘটনাসমূহ ঘটেছে ভোরে ৫.১২%, সকালে ২০.৫১%, দুপুরে ২৩.৪৪%, বিকেলে ২৫.২৭%, সন্ধ্যায় ৯.৮৯% এবং রাতে ১৫.৭৫%।

দুর্ঘটনার বিভাগওয়ারী পরিসংখ্যান বলছে, ঢাকা বিভাগে সবচেয়ে বেশি দুর্ঘটনা ও প্রাণহানি ঘটেছে। ৭৮টি দুর্ঘটনায় নিহত ৮৩ জন। সবচেয়ে কম রাজশাহী বিভাগে। ২০ টি দুর্ঘটনায় নিহত ২২ জন। একক জেলা হিসেবে ঢাকা জেলায় সবচেয়ে বেশি দুর্ঘটনা ও প্রাণহানি ঘটেছে। ২৭টি দুর্ঘটনায় ৩১ জন নিহত। সবচেয়ে কম সুনামগঞ্জে। একটি দুর্ঘটনা ঘটলেও কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি।

ইডেন কলেজের অধ্যক্ষ মাহফুজা হত্যা মামলায় ২ গৃহকর্মীর মৃত্যুদণ্ড


ঢাকা: ইডেন কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ মাহফুজা চৌধুরী পারভীন হত্যা মামলায় তার বাসার দুই গৃহকর্মী রিতা আক্তার ওরফে স্বপ্না ও রুমা ওরফে রেশমাকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

রোববার (৪ অক্টোবর) দুপুরে ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল-১ এর বিচারক আবু জাফর মো. কামরুজ্জামান এ রায় ঘোষণা করেন।

গত ৩০ সেপ্টেম্বর এ মামলার যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে বিচারক রায়ের জন্য ৪ অক্টোবর দিন ধার্য করেন।

গত ২৭ সেপ্টেম্বর দুই আসামির ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৪২ ধারায় আত্মপক্ষ সমর্থন শেষে বিচারক যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের জন্য গত ৩০ সেপ্টেম্বর দিন ধার্য করেছিলেন। সে অনুযায়ী যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে বিচারক রায়ের এ দিন ধার্য করেছিলেন।

মামলায় রাষ্ট্রপক্ষে ৩৪ সাক্ষীর মধ্যে ২৭ জন সাক্ষ্য দেন। গত ২৪ সেপ্টেম্বর মামলার তদন্ত কর্মকর্তা নিউমার্কেট থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) আলমগীর হোসেনের সাক্ষ্যের মধ্য দিয়ে সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হয়।

২০১৯ সালের ১০ ফেব্রুয়ারি রাজধানীর এলিফেন্ট রোডের নিজ বাসায় খুন হন মাহফুজা চৌধুরী। এ ঘটনায় নিহতের স্বামী ইসমত কাদির গামা মামলা দায়ের করেন।

২০১৯ সালের ২১ জুলাই মামলাটিতে অভিযোগপত্র দেন নিউমার্কেট থানার এসআই আলমগীর হোসেন। অভিযোগপত্রে রেশমা ও স্বপ্নাকে প্রাথমিকভাবে অভিযুক্ত করা হলেও রুনু বেগম নামে একজনকে অব্যাহতির সুপারিশ করা হয়।

গত ২৩ জানুয়ারি আইন মন্ত্রণালয়ের জ্যেষ্ঠ সহকারী সচিব মো. মফিজুল ইসলামের স্বাক্ষরিত চিঠিতে মামলাটি ঢাকার ১ নম্বর দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে পাঠানোর কথা জানানো হয়। এ আদালতে চলতি বছরের ১৯ ফেব্রুয়ারি মামলার বাদী ও নিহতের স্বামী ইসমত কাদির গামার জবানবন্দি গ্রহণের মাধ্যমে সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয়েছিল।

মাহফুজা চৌধুরী পারভীন ২০০৯ সাল থেকে ২০১২ সাল পর্যন্ত ইডেন কলেজের অধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তার স্বামী ইসমত কাদির গামা একজন মুক্তিযোদ্ধা।