সর্বশেষ সংবাদ পঞ্চম বিয়ে: প্রবাসীর স্ত্রীকে নিয়ে উধাও মসজিদের ইমাম দ্রুত ওমরাহ কার্যক্রম শুরু হচ্ছে: নতুন নিয়ম ও শর্ত! পরিচালকের বিরুদ্ধে মামলার পর এবার পায়েলে হুমকি সিলেট ও খাগড়াছড়িতে গণধর্ষণের প্রতিবাদে জেলা ছাত্রদলের বিক্ষোভ মিছিল প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিনে ফুলেল শুভেচ্ছা মোদির, চীনের অভিনন্দন বার্তা আবারো বাড়ছে মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মানী ! শেখ হাসিনার নেতৃত্ব বিশ্বে প্রশংসিত চাঁপাইনবাবগঞ্জে ছাত্রদলের বিক্ষোভ মিছিল নাচোলে আ’লীগের পৃথক পৃথক ভাবে প্রধান মন্ত্রী শেখ হাসিনার ৭৪ তম জন্ম বার্ষিকী পালিত অবিশ্বাস্য কর্মযজ্ঞ:বদলে গেছে মানুষের জীবন

দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম সোনামসজিদ স্থল বন্দর দিয়েও পিঁয়াজ রপ্তানী বন্ধ করল ভারত

চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি:দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম সোনামসজিদ স্থল বন্দর দিয়ে পিঁয়াজ রপ্তানী বন্ধ করে দিয়েছে ভারত।এতে করে সোমবার নতুন করে কোন আমদানী অর্ডার গ্রহন করেনি দেশটি।
সোনামসজিদ স্থলবন্দর সি এ্যান্ড এফ এজেন্ট এ্যাসোসিয়েশনের সাবেক সাধারন সম্পাদক মেসবাহ জানান, রবিবার আমদানী অর্ডারের বিপরীতে ৪৪ টি ভারত থেকে পেঁয়াজের ট্রাক বাংলাদেশে প্রবেশ করলেও সোমবার নতুন করে কোন আমদানী অর্ডার গ্রহন করেনি ভারত। ভারতে কয়েকটি স্থানে বন্যা ,পিঁয়াজ উৎপাদন হওয়া অঞ্জল তলিয়ে যাওয়া ও অতিবৃষ্টির কারনে নিজ দেশে পিঁয়াজের দাম বেড়ে যাওয়ায় ভারত সরকার হঠাৎ করে এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে ভারতীয় রপ্তানীকারকদের উদৃতি দিয়ে এ আমদানী কারক জানান।  
তিনি আরও জানান, কাষ্টমস এ্যাসিসট্যান্ট কমিশনার স্বাক্ষরিত এক আদেশে ভারতের পক্ষ থেকে সোনামসজিদ বন্দর দিয়ে পিঁয়াজ রপ্তানী বন্ধের বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়।

র‌্যাবের অভিযানে হরিনগরে ১০৪ বোতল ফেনসিডিলসহ গ্রেপ্তার এক

নিজস্ব প্রতিবেদক, চাঁপাইনবাবগঞ্জ : র‌্যাব-৫, রাজশাহীর সিপিসি-১, চাঁপাইনবাবগঞ্জ ক্যাম্পের একটি আভিযানিক দল ১৩ সেপ্টেম্বর রোববার পৌণে ৮ টার দিকে হরিনগর মোড় থেকে মাদকবিরোধী অভিযান চালিয়ে ১০৪ বোতল ফেনসিডিলসহ একজন শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেপ্তার করেছে।

গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তি হচ্ছে, রাণীহাটি ইউনিয়নের ৬ নং ওয়ার্ড কৃষ্ণগোবিন্দ্রপুর পাঠানপাড়ার মোসা. মাহাজনি বেগম ও মো. জেম খাঁর ছেলে মো. ছাত্তার মিয়া (২৬)।

র‌্যাব জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে ১০৪ বোতল ফেনসিডিলসহ হাতেনাতে ছাত্তারকে গ্রেপ্তার করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ছাত্তার বিভিন্ন ধরনের মাদক ব্যবসার সাথে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে। এ ঘটনায় শিবগঞ্জ থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, চাঁপাইনবাবগঞ্জ একটি সীমান্তবর্তী জেলা হয়ায় এ জেলার সীমান্ত এলাকা দিয়ে বেশিরভাগ মাদকদ্রব্য বাংলাদেশে প্রবেশ করে। আর এই সকল মাদকদ্রব্য কিছু প্রসিদ্ধ মাদক ব্যবসায়ী বিভিন্ন উপায়ে ও কৌশলে বাংলাদেশের বিভিন্ন স্থানে পাচার করে থাকে। সমাজে মাদকের ভয়াল থাবার বিস্তার রোধকল্পে এ সকল মাদক ব্যবসায়ীদের গ্রেপ্তারসহ মাদক বিরোধী অভিযানে র‌্যাব সর্বদা সক্রিয় ভূমিকা পালন করে আসছে।

India bans export of onions

ndia today announced a ban on the export of onions with immediate effect, stoking fears of a crisis of the vegetable in Bangladeshi markets.

India’s Directorate General of Foreign Trade (DGFT) under the Ministry of Commerce and Industry, issued a notification in this regard.

The notification, signed by DGFT Amit Yadav and uploaded to the directorate’s website, said, “Exports of all variety of onions is prohibited with immediate effect.”

India has been the main source of onion imports for Bangladesh.

Onion imports from India were stopped on September 29 last year as India faced a scarcity of the vegetable. The ban led to a sharp rise in the price of onions in Bangladesh.

Bangladesh’s domestic production of onions can meet demand for 7-8 months and 7-8 lakh tonnes of onions need to be imported every year.

জুনিয়র আইনজীবীদের বার কাউন্সিলের মাধ্যমে ঋণ দেবে সরকার

জুনিয়র আইনজীবীদের অর্থকষ্ট লাঘবে স্বল্প সুদে দীর্ঘ মেয়াদী ঋণ দানের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের মাধ্যমে এ ঋণ দেয়া হবে। এ কথা জানিয়েছেন আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী আনিসুল হক। গতকাল ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে ফরিদপুর চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত ভবন উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এ ঘোষণা দেন। ৫৪ কোটি টাকা ব্যয়ে ৮ তলা এ ভবন নির্মাণ করা হয়।

আইনমন্ত্রী উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আরও বলেন, করোনাভাইরাসের কারণে প্রায় আড়াই মাস আইনজীবী বিশেষ করে জুনিয়র আইনজীবীরা তাদের প্রাকটিস করা থেকে বঞ্চিত হয়েছেন। এতে অনেকেই আর্থিক সঙ্কটে পতিত হয়েছেন। অনেকেই কষ্টে আছেন। তাদের এই কষ্ট লাঘবের জন্য স্বল্পসুদে দীর্ঘ মেয়াদী ঋণ দেয়ার ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে। বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের মাধ্যমে এই ঋণ দেয়া হবে। তিনি বলেন, শেখ হাসিনার আমলে বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলা ও জেল হত্যা মামলার বিচার হয়েছে, মানবতা বিরোধী অপরাধীদের বিচার হয়েছে। হেফাজতে মৃত্যুর কারণে এই উপমহাদেশে প্রথম সাজাও তার সরকারের সময় হয়েছে। অপরাধীদের সাজা দিয়ে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করা যায়। কেউ আইনের ঊর্ধ্বে নয়, এই দেশে সকলকেই আইন মানতে হবে এবং এর ব্যত্যয় ঘটালে তার বিচার হবে এবং আইনসংগত সাজা হবে। এটা সকলকে মনে রাখতে হবে।

ফরিদপুরের জেলা ও দায়রা জজ মো. সেলিম মিয়ার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে ফরিদপুর ১ ও ৪ আসনের এমপি মনজুর হোসেন ও মজিবুর রহমান চৌধুরী (নিক্সন), আইন ও বিচার বিভাগের সচিব মো. গোলাম সারওয়ার, জেলা প্রশাসক অতুল সরকার, পুলিশ সুপার মো. আলিমুজ্জামান, জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি অ্যাডভোকেট সুবল চন্দ্র সাহা, জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি এওএম খালেদ প্রমুখ বক্তৃতা করেন। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন আইন ও বিচার বিভাগের যুগ্ম সচিব বিকাশ কুমার সাহা।

সীমান্তে মাছ ধরার ট্রলারে সেনা টহল, মিয়ানমারকে বাংলাদেশের কড়া প্রতিবাদ

টেকনাফের সীমান্তের কাছে মাছ ধরার ট্রলারে করে মিয়ানমার সেনাদের টহল এবং রাখাইনে সেনা মোতায়েনের ঘটনায় দেশটির রাষ্ট্রদূতকে তলব করে কড়া প্রতিবাদ জানিয়েছে ঢাকা। রবিবার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে মিয়ানমারের দূতকে ডেকে মৌখিক প্রতিবাদ জানানো ছাড়াও একটি প্রতিবাদপত্র ধরিয়ে দেওয়া হয়। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মিয়ানমার সেলের মহাপরিচালক মো. দেলোয়ার হোসেন এ বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

শুক্রবার প্রায় এক হাজার মিয়ানমার সেনা টেকনাফ সীমান্তে ৩ টি পয়েন্টে টহল দিয়ে উত্তেজনাপূর্ণ রাখাইনে প্রবেশ করে। সেনাদের সন্দেহজনক ওই গতিবিধি সীমান্তে উত্তেজনা তৈরি করা এবং রাখাইনকে অস্থিতিশীল করার পাঁয়তারা হিসাবে দেখছে ঢাকা।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, বিনা উসকানিতে এভাবে সীমান্তের কাছে নতুন করে সেনাসমাবেশে ঢাকায় মিয়ানমারের রাষ্ট্রদূত অং কিউ মোয়েকে রবিবার বিকালে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে ডেকে আনা হয়। সীমান্তে সেনা মোতায়েন বন্ধ এবং সব ধরণের ভুল–বোঝাবুঝি অবসানে উদ্যোগ নিতে মিয়ানমারকে দ্রুত পদক্ষেপ নিতে বলেছে ঢাকা।

জানা গেছে, সেনা সমাবেশের কারণে রাখাইনে এখন যেসব রোহিঙ্গা রয়েছেন, তাদের মধ্যে নতুন করে ভীতি ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। অনাকাঙ্ক্ষিত যে কোন পরিস্থিতি এড়াতেই ঢাকা ওই পদক্ষেপ নিয়েছে।

ইলিশ উৎপাদনে শীর্ষে বাংলাদেশ

ইলিশ উৎপাদনে ব্যাপক সাফল্য পেয়েছে বাংলাদেশ। সুস্বাদু এই মাছ উৎপাদনে শীর্ষ অবস্থান আরও মজবুত করেছে বাংলাদেশ। বর্তমানে বিশ্বের মোট ইলিশের ৮৬ শতাংশই উৎপাদিত হচ্ছে বাংলাদেশে। মাত্র চার বছর আগেও এই উৎপাদনের হার ছিল ৬৫ শতাংশ। মৎস্যবিষয়ক আন্তর্জাতিক সংস্থা ওয়ার্ল্ডফিশের চলতি মাসের হিসাবে এমনটি জানা যায়।

বাংলাদেশে যে হারে ইলিশের উৎপাদন বেড়েছে সে তুলনা প্রতিবেশী দেশগুলোর উৎপাদন বাড়েনি। ভারত, মিয়ানমার, শ্রীলংকা ও পাকিস্তানে ইলিশের উৎপাদন কমেছে। বাংলাদেশের পরই ইলিশের উৎপাদনে দ্বিতীয় স্থানে ভারত। পাঁচ বছর আগে দেশটিতে বিশ্বের প্রায় ২৫ শতাংশ ইলিশ উৎপাদিত হতো। তবে চলতি বছর তাদের উৎপাদন প্রায় সাড়ে ১০ শতাংশে নেমেছে। তৃতীয় অবস্থানে থাকা মিয়ানমারে উৎপাদন হয়েছে ৩ শতাংশের মতো। ইরান, ইরাক, কুয়েত ও পাকিস্তানে উৎপাদন হয়েছে বাকি ইলিশ।

ভারতে গত বুধ ও বৃহস্পতিবার দুইদিনব্যাপী একটি আন্তর্জাতিক গবেষণা সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। সেখানে অন্যতম আলোচনার বিষয় ছিল বাংলাদেশে কিভাবে ইলিশের উৎপাদন বাড়ল। সম্মেলনে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ওয়ার্ল্ডফিশ বাংলাদেশের ইকোফিশ প্রকল্পের দলনেতা অধ্যাপক আবদুল ওহাব।

অধ্যাপক ওহাবের গবেষণা প্রবন্ধটিতে বলা হয়, বাংলাদেশ বিভিন্ন নদ-নদীতে ইলিশের যে অভয়াশ্রম তৈরি করেছে, তা ধারাবাহিকভাবে এই মাছের উৎপাদন বাড়িয়েছে। ২০১৮-১৯ সালে বাংলাদেশের মৎস্য অধিদপ্তর, মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট ও ওয়ার্ল্ডফিশ বাংলাদেশ যৌথভাবে ইলিশের জিনগত বৈশিষ্ট্য ও গতিবিধি নিয়ে প্রথম একটি গবেষণা করে। তাতে দেখা গেছে, মা ইলিশ যে নদীতে ডিম পাড়ে এবং বাচ্চা ইলিশ যেখানে বড় হয়, পরিণত অবস্থায় তারা সমুদ্র থেকে সেই নদীতেই ফিরে আসে। অন্য কোনো নদী বা জলাশয়ে যতই অনুকূল পরিবেশ থাকুক না কেন, তারা জন্মস্থানেই ফিরে আসে। বাংলাদেশে যেহেতু অভয়াশ্রমগুলোয় ইলিশের ডিম পাড়ার হার বেশি এবং বড় হওয়ার সুযোগ পাচ্ছে, তাই সাগর থেকে তারা সেখানেই ফিরে আসছে। ভারত, মিয়ানমার, পাকিস্তান ও শ্রীলংকার মতো দেশগুলো অভয়াশ্রম তৈরি করে মা ও জাটকা ইলিশের সুরক্ষার ব্যবস্থা করতে পারেনি।

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম গণমাধ্যমকে বলেন, মা ও জাটকা ইলিশ ধরা বন্ধ করায় আমাদের এখানে এই সাফল্য এসেছে। ইলিশ বড় হওয়ার জন্য অভয়াশ্রমগুলো বাড়ানো এবং সুরক্ষা দেওয়াও ভূমিকা রেখেছে। ইলিশ ধরার জালের আকৃতি নতুনভাবে নির্ধারণ করায় ভবিষ্যতে আরও বাড়বে ইলিশের উৎপাদন।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, মা ইলিশ রক্ষা অভিযানের অংশ হিসেবে প্রতিবছর ৭ অক্টোবর থেকে ২৮ অক্টোবর পর্যন্ত ২২ দিন ইলিশের প্রধান প্রজনন মৌসুমে এই মাছ ধরা বন্ধ থাকে। এ কর্মসূচিও ইলিশের উৎপাদন বৃদ্ধিতে বড় ভূমিকা রেখেছে।

এদিকে ওয়ার্ল্ডফিশ, মৎস্য অধিদপ্তর ও মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটের পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী, এবার শুধু পরিমাণের দিক থেকেই নয়, আকৃতির দিক থেকেও কোনো দেশ বাংলাদেশের ইলিশের ধারে কাছে নেই।

পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২০০৭-০৮ অর্থবছরে দেশে ইলিশের উৎপাদন ছিল ২ লাখ ৯০ হাজার টন। ২০১৮-২০১৯ অর্থবছরে তা বৃদ্ধি পেয়ে হয়েছে ৫ লাখ ১৭ হাজার টন। সূত্র জানায়, ২০১৯-২০২০ সমাপ্ত অর্থবছরে সেই রেকর্ড ভেঙে এখন পর্যন্ত ইলিশের উৎপাদন ৫ লাখ ৩৩ হাজার টনে উন্নীত হয়েছে। অর্থাৎ গত ১১ বছরের ব্যবধানে দেশে ইলিশ উৎপাদন বেড়েছে প্রায় ৮৬ শতাংশ।

তথ্য অনুযায়ী, ১০ বছর আগে দেশের ২১টি উপজেলার নদ-নদীতে ইলিশ পাওয়া যেত। বর্তমানে ১২৫ থেকে ১৩০টি উপজেলার নদ-নদীতে ইলিশ পাওয়া যাচ্ছে। দেশে প্রায় ৭ হাজার বর্গকিলোমিটার জুড়ে রয়েছে ইলিশের অভয়াশ্রম। ক্রমবর্ধমান ইলিশ উৎপাদনের এই প্রবৃদ্ধির কারণে বাংলাদেশকে ইলিশ উৎপাদনের রোল মডেল হিসেবে বিবেচনা করা হয়। একই সঙ্গে ইলিশ উৎপাদনেও বাংলাদেশ রয়েছে প্রথম স্থানে।

ভোলাহাটে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ অভিযান শুরু


ভোলাহাট(চাঁপাইনবাবগঞ্জ)প্রতিনিধিঃ ভোলাহাটবাসির দীর্ঘদিনের প্রত্যাশাপূরণ হওয়ায় খুশী এলাকাবাসি। ভোলাহাট উপজেলার প্রাণকেন্দ্র মেডিকেল মোড়ে কিছু ব্যক্তি দীর্ঘদিন ধরে সরকারী রাস্তা দখলে নিয়ে অবৈধ স্থাপনা গড়ে বিভিন্ন প্রকার ব্যবসা চালিয়ে আসছেন। এতে পথচারিদের যাতায়াতে চরম ভোগান্তির শিকার হতে হয়। যান জোটেরকারণে হরহামেশা যাত্রী ও পথচারিদের ঝগড়ার সৃষ্টি হয়। অনেক সময় পথচারিরা দূর্ঘটনার শিকার হয়েছেন। এদিকে মেডিকেল মোড় বেদখল হওয়ায় যানবাহন চলাচলে চত্বরে বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য ভেঙ্গে যাওয়ার উপক্রম হয়ে যায়। ফলে সোমবার ১৪ সেপ্টেম্বর বিকেলে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মশিউর রহমান নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেটের দায়িত্বে থেকে মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে মেডিকেল মোড়ের সকল অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদের কাজ শুরু করেন। এ অভিযোন অব্যহত থাকবে বলে মোবাইল কোর্টের নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট বলেন, মেডিকেলমোড়সহ উপজেলার সকল রাস্তার অবৈধ্য স্থাপনা অভিযান অব্যহত থাকবে। তিনি বলেন আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করতে সরকারের দায়িত্ব পালন করা তার অঙ্গিকার। তিনি ভোলাহাটে খালবিলসহ বিভিন্ন অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করবেন বলে জানান। তিনি ভোলাহাট উপজেলাকে আলোকিত ভোলাহাট তৈরীতে নিরলস কাজ করে যাবেন। এদিকে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মশিউর রহমানের এ উচ্ছেদ অভিযানকে যুগান্তকারী বলে জানিয়েছেন ভোলাহাটবাসি। অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ অভিযানকে স্বাগত জানিয়ে এলাকাবাসির মধ্যে উৎসবের বন্যা বইছে। মেডিকেলমোড়ের এক ব্যবসায়ী নিলু আর্মি জানান, আমাদের ভোলাহাটবাসির দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা পূরণ হওয়ায় উপজেলা নির্বাহী অফিসারকে ধন্যবাদ জানায়। মেডিকেলমোড় বাজার কমিটিসহ বিভিন্ন শ্রেনী পেশার মানুষ বলেন, তাদেও প্রত্যাশা পূরণ হয়েছে। রাস্তাটি প্রস্থ্য হওয়ায় পথচারিদের চলাচলে কোন দূর্ভোগ হবে না। তারা বলেন, উচ্ছেদের দাবীতে এর পূর্বে প্রশাসনের সহায়তা চেয়ে লিখিত আবেদন করেও কোন ফল হয়নি। বর্তমান উপজেলা নির্বাহী অফিসার যোগদানের পরপর এমন উদ্যোগ নেয়ায় তাকে ধন্যবাদ জানান।

ভোলাহাটে জাল টাকাসহ রাজ এনজিও কর্মী গ্রেফতার


ভোলাহাট(চাঁপাইনবাবগঞ্জ)প্রতিনিধিঃ ভোলাহাটে জাল টাকাসহ এক এনজিও কর্মীকে গ্রেফতার করেছে ভোলাহাট থানা পুলিশ। ১৩ সেপ্টেম্বর রবিবার বেলা সোয়া ৩টার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে খবর পেয়ে ভোলাহাট থানার অফিসার ইনর্চাজ মাহবুবুর রহমানের নির্দেশে অভিযান চালান। অভিযান চালিয়ে দলদলী ইউনিয়নের রাজ এনজিও’র কর্মী খড়কপুর গ্রামের সাদিকুল ইসলামের ছেলেআসমাউল হক সুইট(২৩)কে একশত টাকার ১৩টি জাল নোট ৫০টাকার জাল নোট ২টি মোট ১হাজার ৪শত টাকা ও আনুমানিক ১ লাখ ২০ হাজার টাকা মূলের রেজিষ্ট্রেশন বিহীন লাল রংয়ের পুরাতন ব্যবহৃত এ্যাপাচি আরটিআর ৬০ সিসি মোটরসাইকেলসহ উপজেলার মেডিকেলমোড় থেকে গ্রেফতার করা হয়। এ ঘটনায় ভোলাহাট থানায় একটি মামলা হয়েছে। অফিসার ইনর্চাজ মাহবুবুৃর রহমান জানান, জাল টাকাগুলো মোটরসাইকেলের সাইড কভারে থাকা এয়ার ক্লিনারের ভিতরে রাখাছিলো। আসামী নিজ হাতে জাল টাকাগুলো বের করে দেয়। গ্রেফতারকৃত ব্যক্তি দীর্ঘদিন ধরে জাল টাকার ব্যবসা করে বলে স্বীকার করেছেন। তিনি বলেন এ ঘটনার থানায় একটি মামলা হয়েছে এবং তাকে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে প্রেরণ করা হয়েছে বলে নিশ্চিত করেন।

লঙ্কান বোর্ডের শর্ত ঃ সফর অনিশ্চিত টাইগারদের

স্পোর্টস ডেস্ক

করোনাভাইরাসের কারণে গত মার্চ মাস থেকে বাংলাদেশের ক্রিকেটাররা খেলার বাইরে। দীর্ঘ বিরতি দিয়ে আগামী অক্টোবর-নভেম্বরে শ্রীলঙ্কার মাটিতে আইসিসি টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের তিনটি ম্যাচ খেলার কথা ছিল বাংলাদেশের। কিন্তু শেষমেশ সেই সিরিজটি হয়তো হচ্ছে না। আজ বিসিবি সভাপতি নাজমুল হাসান পাপন জানিয়েছেন, শ্রীলঙ্কা ক্রিকেট বোর্ডের দেয়া শর্ত মেনে সেখানে সিরিজ খেলতে যাওয়া সম্ভব না।

কথা ছিল, আসন্ন শ্রীলঙ্কা সিরিজে বাংলাদেশ জাতীয় দলের সঙ্গে বিসিবি’র হাইপারফরম্যান্স ইউনিটও (এইচপি) সফর করবে। এর প্রধান কারণ দুটি, প্রথমত বিসিবি’র এইচপি ইউনিট ও লঙ্কান এইচপি ইউনিটের মধ্যকার সিরিজ মাঠে গড়ানোর কথা রয়েছে। আর দ্বিতীয়ত করোনার কারণে যেহেতু স্বাগতিকরা প্রস্তুতি ম্যাচের জন্য কোনো দল দিতে পারছে না তাই বিসিবি হাইপারফরম্যান্স দলের বিপক্ষেই মুমিনুলদের সিরিজের প্রস্তুতি ম্যাচ খেলার কথা ছিল।

কিন্তু হুট করেই আয়োজক দেশের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্য নীতিমালার খড়গে অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছে হাই পারফরম্যান্স দলের সিরিজটি। কেননা তারা বিসিবিকে পাঠানো স্বাস্থ্য নীতিমালায় স্পষ্টত উল্লেখ করে দিয়েছে করোনা অতিমারির সময়ে এত সংখ্যক ক্রিকেটার যেন দেশটি সফর না করে।

বিসিবি সভাপতি বলেছেন, ‘সেখানে আমাদের দুইটি টিম (জাতীয় দল ও এইচপি দল) নিয়ে যেতে হবে। মেডিকেল টিম আছে, সিকিউরিটি টিম আছে। ৬০-৭০ জনের একটা টিম নিয়ে তো সেখানে তাদের শর্ত মেনে সিরিজ খেলতে যাওয়া সম্ভব না।’

মূলত বাংলাদেশ এবং শ্রীলঙ্কার জাতীয় দলের মধ্যকার সিরিজটি সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ এবং আইসিসি’র বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের অধীনের সিরিজ। তাই সবার আগে গুরুত্ব পাচ্ছে জাতীয় দলের সিরিজটিই। আর অন্যদিকে এইচপি দলের সিরিজটি জাতীয় দলের মতো কোনো চ্যাম্পিয়নশিপের অধীনে না হওয়ায় পরবর্তী সময়ে আবারও এই সিরিজ আয়োজন করা সম্ভব হবে।

সমকামী দুই নারী পুলিশের নিরাপত্তায় সশস্ত্র পাহারা


আইনগত দিক থেকে ভারতে এখন সমকামিতা বৈধ। কিন্তু সমাজের প্রথাগত সংস্কারের কারণে সমকামিতা সেখানে গ্রহণযোগ্য নয়। যেকারণে পুলিশে চাকরি করেও সমকামী দুই তরুণী নিরাপত্তা চেয়ে দ্বারস্থ হয়েছেন আদালতের।

পায়াল ও কাঞ্চন নামের ওই দুই নারী পুলিশের চাকরিতে যোগ দেয়ার আগে প্রশিক্ষণ নিতে গিয়েছিলেন। এসময় তারা প্রেমের সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন এবং তাদের এই সম্পর্ক নানা রকমের বাধা বিপত্তির সম্মুখীন হয়। নিজেদের পরিবারের কাছ থেকেও নানা ধরনের হুমকির মুখে পড়েন। এর পর নিজেদের নিরাপত্তা চেয়ে তারা দ্বারস্থ হন আদালতের। বিবিসির গুজরাটি বিভাগের ভারগাভ পারিখ তাদের সেই অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরেছেন।

পায়াল ও কাঞ্চনের (তাদের আসল নাম নয়)প্রথম দেখা হয় ২০১৭ সালে। তারা দুজনেই পুলিশ হতে চেয়েছিলেন। এজন্যে তারা যোগ দিয়েছিলেন পুলিশের প্রশিক্ষণ শিবিরে।

তাদের যখন প্রথম সাক্ষাৎ হয় তারা ভাবতেও পারেননি যে তারা একে অপরের প্রেমে পড়বেন।

ভারতীয় আইনে সমকামিতা অপরাধ হিসেবে বিবেচিত ছিল। কিন্তু পায়াল ও কাঞ্চনের দেখা হওয়ার এক বছর পর অর্থাৎ ২০১৮ সালে সুপ্রিম কোর্ট রায় দেয় যে সমকামিতা কোন অপরাধ নয়। কিন্তু আইনের পরিবর্তন হলেও সমকামী সম্পর্কের প্রতি ভারতীয় সমাজের দৃষ্টিভঙ্গি তো আর বদল হয়নি। সমাজে এধরনের সম্পর্ক গ্রহণযোগ্য নয়।

তাদের দুজনের বয়স ২৪। পশ্চিমাঞ্চলীয় রাজ্য গুজরাটে তারা একসঙ্গে বসবাস করছেন ২০১৮ সাল থেকে।

এর মধ্যে তাদের এই সম্পর্ক গত মাসে আবার আলোচনায় চলে আসে যখন তারা জীবনের নিরাপত্তার ব্যাপারে হাই কোর্টে হাজির হয়েছিলেন।

পায়াল ও কাঞ্চন পুলিশের নিরাপত্তা চেয়ে আদালতের কাছে আবেদন করেন। পায়াল বলেন, আমাদের পরিবারই আমাদের সম্পর্কের বিরুদ্ধে। তারা আমাদের হুমকি দিচ্ছে।

আবেদনের প্রেক্ষিতে আদালত তাদেরকে সশস্ত্র পুলিশ দিয়ে নিরাপত্তা দেয়ার আদেশ দেয়।

পরিবারের সম্মান রক্ষার্থের নামে পরিবারেরই কোনো সদস্যের হাতে আরেক সদস্য হত্যার ঘটনা ভারতের মতো দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোতে খুব একটা অস্বাভাবিক ঘটনা নয়।

এক সমীক্ষায় দেখা গেছে, ভারতে পরিবারের ইচ্ছার বাইরে কাউকে বিয়ে করা কিম্বা পছন্দের বাইরে গিয়ে কারো সঙ্গে প্রেমের সম্পর্কে জড়ানোর কারণে প্রতি বছর কয়েকশো মানুষকে হত্যা করা হয়।

পায়াল ও কাঞ্চন গুজরাটের দুটো প্রত্যন্ত গ্রামে বড় হয়েছেন যেখানে সমাজ এখনও রক্ষণশীল ও পুরুষতান্ত্রিক। তারা দুজনেই বলেছেন এই মানসিকতা ভেঙে দেওয়ার লক্ষ্যে সমস্ত বাধা বিপত্তি ডিঙ্গিয়ে তারা পুলিশের মতো একটি বাহিনীতে যোগ দিতে চেয়েছিলেন যেখানে পুরুষের আধিপত্য।

তারা বলেছেন, ২০১৭ সালে তারা যখন পুলিশ বাহিনীতে প্রশিক্ষণ নিতে গিয়েছিলেন তখন প্রত্যন্ত গ্রামের মেয়ে হওয়ার কারণে বাহিনীর কেউ তাদের সঙ্গে ঠিক মতো কথা বলতো না। বাকি সদস্যরা এসেছিল বড় বড় শহর থেকে।

শুরু থেকেই তারা দুজনে বাকিদের থেকে আলাদা হয়ে পড়েন।

প্রশিক্ষণের সময় এই দুই নারীকে একটি ঘরে থাকতে দেয়া হয়েছিল। সারা দিনের অক্লান্ত পরিশ্রমের পর সন্ধ্যার সময় তারা দিনে যা যা হয়েছে সেসব নিয়ে আলাপ করতেন। এই আলোচনা খুব দ্রুতই তাদের নিজেদের জীবন ও পরিবারের গল্পে গিয়ে পৌঁছায় এক সময় তাদের মধ্যে গভীর বন্ধুত্ব তৈরি হয়ে যায়।

কাঞ্চন যদি আমার কাপড় ধোয় তো আমি ওর জন্য রান্না করি। সময়ের সঙ্গে আমাদের সম্পর্ক আরো গভীর হলো। প্রশিক্ষণ শেষ হলেও আমরা যাতে একে অপরের সঙ্গে যোগাযোগ রাখতে পারি সেজন্য আমরা ফোন নম্বর বিনিময় করি, বলেন পায়াল।

তারা দুজনেই তখন পুলিশের একটি কোয়ার্টারে একই কক্ষে থাকার সিদ্ধান্ত নিলেন। কাঞ্চন বলেন, পায়ালের যদি নাইট ডিউটি থাকতো, আমি বাড়ির কাজ সামলাতাম। আর আমাকে যদি রাতে কাজ করতে হতো, পায়াল বাড়ির সব কাজ করতো। আমাদের কাজ নিয়ে আমরা খুব খুশি ছিলাম। সময় যতোই গড়াতে লাগলো আমাদের জীবনও একে অপরের সঙ্গে আরো বেশি করে জড়িয়ে পড়লো।

এই সময়টাতেই তারা প্রেমের সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন।

২০১৭ সালের ৩১ ডিসেম্বর, নব বর্ষের আগের মুহূর্তে ঘড়িতে রাত ১২টা বাজার আগে আমরা একে অপরকে জড়িয়ে ধরি। সেটাই বোধ হয় ছিল প্রথমবারের মতো জড়িয়ে ধরা এবং তখন আমাদের একেবারে ভিন্ন ধরনের অনুভূতি হয়।

এর পরই দুই পরিবারের দিক থেকেই তাদের বিয়ের ব্যাপারে কথা উঠতে শুরু করে। কাঞ্চনের পরিবার তার জন্য উপযোগী একজন পাত্র খুঁজে বের করতে লেগে যায়। এসময় তারা দুজনেই পরিবারের চাপ এড়িয়ে চলতে সক্ষম হয়।

এক পর্যায়ে পুলিশ কোয়ার্টারে থাকা তাদের সহকর্মীরা তাদের সম্পর্কের ব্যাপারে জানতে পারে। পায়াল ও কাঞ্চন তখন একথা তাদের পরিবারকেও জানানোর সিদ্ধান্ত নেয়। কিন্তু চূড়ান্তভাবে বেঁকে বসে উভয় পরিবার।

এই দুই নারী বলেন, তারপর থেকে তাদের পরিবার তাদের উপর সর্বক্ষণ নজর রাখতে শুরু করে। তারা কী করে, কোথায় যায় এসবের খোঁজ খবর নিতে থাকে। কিন্তু এবছরের শুরুর দিকে পরিস্থিতি আসলেই খারাপ দিকে মোড় নেয়।

একদিনের ঘটনা, আমরা যখন ডিউটিতে ছিলাম তখন আমার পরিবার আমার কাজের জায়গায় চলে আসে। রাস্তার মাঝখানে তারা আমাদের গাড়ি থামিয়ে শাসাতে থাকে। তারা একবার পুলিশ কোয়ার্টারেও আসে। আমাদের নাম ধরে গালি গালাজ করতে থাকে।

তিনি বলেন, এই ঘটনার অল্প কিছু দিন পরে আমাকে মেরে ফেলার হুমকি দেওয়া হয়। তখনই আমরা নিরাপত্তার জন্য আদালতে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেই।

তাদের পক্ষে দেওয়া আদালতের রায়ে তারা খুশি। তারা বলছেন, এর ফলে তারা এখন নিজেদের ভবিষ্যতের ব্যাপারে কিছু চিন্তা ভাবনা করার সময় পাচ্ছেন।

কাঞ্চন বলেন, করোনাভাইরাসের মহামারি শেষ হয়ে গেলে আমরা হানিমুনে ভারতের দক্ষিণাঞ্চলে যেতে চাই। এই দম্পতি ভবিষ্যতে একটি শিশু দত্তক নেয়ার ব্যাপারেও আগ্রহী।

ভারতে সমকামিতা আর অবৈধ না হলেও সমকামী নারী পুরুষের বিয়ের ব্যাপারে এখনও সেরকম কোন ব্যবস্থা নেই। তাদের অধিকার এবং শিশু দত্তক নেওয়ার বিষয়েও স্পষ্ট করে কিছু বলা নেই। তবে কাঞ্চন ও পায়াল বেশ আশাবাদী।

পায়াল বলেন, আমাদের বয়স এখন মাত্র ২৪। আমরা এখন কিছু অর্থ সঞ্চয় করতে চাই ও একটি শিশুকে দত্তক নিতেই চাই। তাকে ভালো শিক্ষা দিয়ে গড়ে তুলতে চাই একজন সফল মানুষ হিসেবে। সূত্র: বিবিসি