সর্বশেষ সংবাদ Rape of Chakma girl: 6 give confessional statements the court Shahed gets life term in arms case পঞ্চম বিয়ে: প্রবাসীর স্ত্রীকে নিয়ে উধাও মসজিদের ইমাম দ্রুত ওমরাহ কার্যক্রম শুরু হচ্ছে: নতুন নিয়ম ও শর্ত! পরিচালকের বিরুদ্ধে মামলার পর এবার পায়েলে হুমকি সিলেট ও খাগড়াছড়িতে গণধর্ষণের প্রতিবাদে জেলা ছাত্রদলের বিক্ষোভ মিছিল প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিনে ফুলেল শুভেচ্ছা মোদির, চীনের অভিনন্দন বার্তা আবারো বাড়ছে মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মানী ! শেখ হাসিনার নেতৃত্ব বিশ্বে প্রশংসিত চাঁপাইনবাবগঞ্জে ছাত্রদলের বিক্ষোভ মিছিল

আবারো সাগর-রুনি হত্যার প্রতিবেদন দা‌খিলের সময় ৭৪ বার পেছালো

ঢাকা: সাংবাদিক দম্পতি সাগর সরওয়ার ও মেহেরুন রুনি হত্যা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার তারিখ ‌ফের পি‌ছিয়েছে।

মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) এ মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের দিন ধার্য ছিল।তবে নির্ধা‌রিত দিনে প্রতিবেদন দাখিল করতে পারেননি র‍্যাবের তদন্ত কর্মকর্তা। তাই ঢাকার মেট্রোপ‌লিটন ম্যাজিস্ট্রেট মিল্লাত হোসেন আগাম‌ী ১৪ অক্টোবর প্রতিবেদন দাখিলের নতুন দিন ধার্য করেন। এ‌ নিয়ে প্রতিবেদন দাখিলের তা‌রিখ ৭৪ বার পেছালো।

সব‌শেষ গত ৩ মার্চ মামলার তদন্ত কর্মকর্তা হাইকোর্টে দা‌খিল করা অগ্রগতির প্রতিবেদনে বলেন, সাগর-রুনি হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় দু’জন অপরিচিত ব্যক্তি জড়িত ছিল। সাগরের হাতে বাঁধা চাদর এবং রুনির টি-শার্টে ওই দুই ব্যক্তির ডিএনএ’র প্রমাণ মিলেছে।

অপরাধীদের শনাক্ত করতে ডিএনএ রিপোর্ট প্রস্তুতকারী মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের দু’টি ল্যাব যথাক্রমে ইন্ডিপেনডেন্ট ফরেনসিক সার্ভিস এবং প্যারাবন স্ন্যাপশট ল্যাব কর্তৃপক্ষের সঙ্গে বর্তমানে যোগাযোগ অব্যাহত আছে। প্রতিষ্ঠান দু’টি ডিএনএ’র মাধ্যমে অপরাধীর ছবি বা অবয়ব প্রস্তুতের প্রচেষ্টায় কাজ করে যাচ্ছে।

২০১২ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি রাতে ঢাকার পশ্চিম রাজাবাজারে সাংবাদিক দম্পতি মাছরাঙা টেলিভিশনের বার্তা সম্পাদক সাগর সরওয়ার এবং এটিএন বাংলার জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক মেহেরুন রুনি তাদের ভাড়া বাসায় নির্মমভাবে খুন হন। পরদিন ভোরে তাদের ক্ষত-বিক্ষত মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

ওই বছরের ১২ ফেব্রুয়ারি রুনির ভাই নওশের আলী রোমান বাদী হয়ে শেরেবাংলা নগর থানায় মামলা করেন। প্রথমে মামলাটির তদন্ত করেন শেরেবাংলা নগর থানার একজন কর্মকর্তা। ১৬ ফেব্রুয়ারি মামলার তদন্ত ভার পড়ে গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) উত্তরের পুলিশ পরিদর্শক মো. রবিউল আলমের ওপর।

দুই মাস পর হাইকোর্টের আদেশে মামলাটির তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হয় র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নকে (র‌্যাব)। সেই থেকে সাত বছরের বেশি সময় পেরিয়ে গেলেও এখনো তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করতে পারেনি সংস্থাটি।