সর্বশেষ সংবাদ পরিচালকের বিরুদ্ধে মামলার পর এবার পায়েলে হুমকি সিলেট ও খাগড়াছড়িতে গণধর্ষণের প্রতিবাদে জেলা ছাত্রদলের বিক্ষোভ মিছিল প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিনে ফুলেল শুভেচ্ছা মোদির, চীনের অভিনন্দন বার্তা আবারো বাড়ছে মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মানী ! শেখ হাসিনার নেতৃত্ব বিশ্বে প্রশংসিত চাঁপাইনবাবগঞ্জে ছাত্রদলের বিক্ষোভ মিছিল নাচোলে আ’লীগের পৃথক পৃথক ভাবে প্রধান মন্ত্রী শেখ হাসিনার ৭৪ তম জন্ম বার্ষিকী পালিত অবিশ্বাস্য কর্মযজ্ঞ:বদলে গেছে মানুষের জীবন তিস্তার ১১৩ কিলোমিটার খননের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার শ্যামপুরে অসহায় বৃদ্ধাকে স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের রান্না ঘর প্রদান

বিডিআর বিদ্রোহের পেছনে ছিল বিএনপি-জামায়াত — প্রধানমন্ত্রী


বিডিআরের ঘটনার পেছনে বিএনপি-জামায়াত ও ওয়ান ইলেভেন সৃষ্টিকারীদের সম্পৃক্ততার অভিযোগ করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, আমরা সরকার গঠনের ৫২ দিনের মাথায় এই ঘটনা ঘটলো। ওই ঘটনায় যে ৩৩ জন সেনা অফিসার মারা যান তারা আওয়ামী লীগ পরিবারের। বিডিআরের ডিজি ছিলেন। ওই সংসদের সদস্য লুৎফুল হাই সাচ্চু তার আপন চাচাত ভাই।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিএনপি জামায়াতের মিথ্যা বলার একটা আর্ট আছে। একুশে আগস্টের গ্রেনেড হামলার পর তারা ব্যাপক প্রচার করে ফেলেছিল আমি নাকি নিজেই গ্রেনেড নিয়ে নিজেই মেরেছি। বিডিআরের ঘটনার পরও তারা এভাবে অপপ্রচার শুরু করেছিল। বিডিআর বিদ্রোহটাও ছিল একটা অস্বাভাবিক ঘটনা, একদিন না একদিন সত্যটা বেরিয়ে আসবে। সরকারে থেকে আমরা এমন একটা ঘটনা ঘটাবো তা কোনোভাবেই যুক্তিযুক্ত নয়। যারা ক্ষমতায় আসতে পারে নাই তারাই তাদের পেছনে ছিল। তাদের সঙ্গে ছিল ওয়ান ইলেভেন যারা সৃষ্টি করেছিল তারা। আওয়ামী লীগ মেজরিটি নিয়ে ক্ষমতায় আসায় সবকিছুকে নস্যাৎ করার পরিকল্পনায় তারা এই ঘটনা ঘটিয়েছে।

আজ রবিবার (৬ সেপ্টেম্বর) জাতীয় সংসদে সাহারা খাতুনের স্মৃতি চারণকালে শেখ হাসিনা বলেন, বিডিআর বিদ্রোহের পেছনে বিএনপি-জামায়াত ছিল।সাহারা খাতুনের সাহস দেখেছি বিডিআরের ঘটনার সময়। সাহারা আপা ঝুঁকি নিয়ে সেখানে গিয়েছেন। রাতের বেলা সেখানে গিয়ে বিডিআর সদস্যদের আর্মড সারেন্ডার করিয়েছেন। অনেক আর্মি অফিসার ও তাদের পরিবারের সদস্যদের উদ্ধার করে নিয়ে এসেছেন। এজন্য তার জীবনের ওপরও হুমকি এসেছিল। এরকম অবস্থায় তিনি দুঃসাহসিক ভূমিকা রেখেছিলেন। কোনও সাধারণ মানুষ এই সাহস করতে পারতো না। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে তিনি সততার সঙ্গে কাজ করেছিলেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিডিআরের ওই ঘটনাটি ছিল অস্বাভাবিক। ঘটনার আগের দিন আমরা গেলাম। একটা ভালো পরিবেশ। পরের দিন এ ঘটনা ঘটলো- এর পেছনে কারা আছে? আমরা তো কেবল সরকার গঠন করেছি। এটা কোনো দিনই যুক্তিযুক্ত নয়- সরকার গঠনের পর আমরা এমন একটা ঘটনা কেন ঘটাবো, যাতে দেশে একটা অস্বাভাবিক পরিবেশ পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়? কাজেই যারা তখন ক্ষমতায় আসতে পারেনি তারাই এর পেছনে ছিল। তাদের সঙ্গে ওয়ান/ইলেভেন যারা সৃষ্টি করেছিল, যাদের ধারণা ছিল একটা হ্যাং পার্লামেন্ট হবে। কিন্তু দেখলো আওয়ামী লীগ যখন মেজরিটি নিয়ে চলে এলো- তখন সবকিছুকে নস্যাতের পরিকল্পনা যাদের ছিল তারাই এ ঘটনা ঘটিয়েছে। একদিন না একদিন এই সত্য বের হবে।
সাহারা খাতুনকে স্মরণ করে তিনি আরও বলেন, প্রত্যেক আন্দোলন সংগ্রামে তিনি বলিষ্ঠ ভূমিকা রাখতেন। কোনো ভয়ভীতি ছিল না। তার ওপর যে অত্যাচার জুলুম হয়েছে। এরশাদ সাহেব যখন ক্ষমতায় তখন তার ওপর লাঠির বাড়ি, পিটিয়ে ডাস্টবিনে পর্যন্ত ফেলে দিয়েছে। এরপর খালেদা জিয়া ক্ষমতায় আসার পরও একই অত্যাচার। ওই সময় ছিল সীমাহীন অত্যাচার। একদিকে পুলিশ আরেক দিকে ছাত্রদলের ক্যাডার। তিনি (খালেদা জিয়া) নিজেই বলতেন ছাত্রদলকে দিয়েই নাকি আওয়ামী লীগকে সোজা করে দেবেন। তাদের অত্যাচারে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মী, মহিলাকর্মী কেউই বাদ যেত না। একদিনে অত্যাচার আর অন্যদিকে মামলা-মোকাদ্দমা চলতো।
মারা যাওয়া অপর সদস্য ইসরাফিল আলমকে স্মরণ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এত অল্প সময়ে চলে যাবেন বুঝতে পারিনি। করোনা হওয়ার পর ভালোও হয়েছিল। তার কিডনির সমস্যা ছিল। কিন্তু সে কিছু মানেনি। যখন একটু সুস্থ হলো, চলে গেল এলাকায়। এভাবে করোনার সময় আমরা আওয়ামী লীগের অগণিত নেতাকর্মী হারিয়েছি। করোনার সময়ে তারা ঘরে ঘরে রিলিফ পৌঁছে দিয়েছে। বন্যায় রিলিফ পৌঁছাতে গেছে। এতে অনেকেই অসুস্থ হয়ে মারা গেছেন। মানুষের পাশে দাঁড়াতে গিয়ে, মানুষের জন্য কাজ করতে গিয়েই কিন্তু তারা জীবন দিয়েছেন। ইসরাফিলের ক্ষেত্রেও সেটা হয়েছে।

জনপ্রিয় হয়ে ওঠা ইন্টারনেট ব্যাংকিং লেনদেনের সীমা বাড়ল


গ্রাহকের কাছে জনপ্রিয় হয়ে উঠছে ইন্টারনেট ব্যাংকিং সেবা। করোনার মধ্যে প্রায় সবধরনের লেনদেন কমে এলেও ইন্টারনেট ব্যাংকিং বেড়েছে ৫০ শতাংশ। গত জুনেই শুধু লেনদেন হয়েছে প্রায় সাড়ে সাত হাজার কোটি টাকা। এমন পরিস্থিতিতে ব্যক্তি ও প্রাতিষ্ঠানিক উভয় লেনদেনের দৈনিক সীমা বাড়িয়ে দিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। ব্যক্তিপর্যায়ে দৈনিক লেনদেনের সর্বোচ্চ সীমা দুই লাখ টাকা থেকে বাড়িয়ে পাঁচ লাখ টাকা করা হয়েছে, যা শতকরা হিসাবে দেড় শ’ ভাগ। আর প্রাতিষ্ঠানিকে দৈনিক লেনদেনের সর্বোচ্চ সীমা দুই লাখ টাকা থেকে ৪০০ শতাংশ বাড়িয়ে ১০ লাখ টাকা করা হয়েছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এ নির্দেশনা আগামী ১০ সেপ্টেম্বর থেকেই কার্যকর হবে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিসংখ্যান থেকে দেখা যায়, করোনার মধ্যে প্রায় সবধরনের ব্যাংক লেনদেন যেখানে কমে গেছে, সেখানে ইন্টারনেট ব্যাংকিংয়ের লেনদেন কমেনি, বরং বেড়ে গোেছ। পরিসংখ্যান থেকে দেখা যায়, এপ্রিলে ১৮ লাখ ২০ হাজার ৯২টি লেনদেনের মাধ্যমে চার হাজার ৬৬৪ কোটি টাকা লেনদেন হয়। মে মাসে তা ২০ লাখ ৫৪ হাজার ৬১২টি লেনদেনের মাধ্যমে পাঁচ হাজার ৫৩১ কোটি টাকা লেনদেন হয়। জুনে তা আরো বেড়ে ২২ লাখ ছয় হাজার ৮১৯টি লেনদেনের মাধ্যমে সাত হাজার ৪২১ কোটি টাকা লেনদেন হয়।
লেনদেনের সীমা বাড়ানোর বিষয়ে ডাচ বাংলা ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) আবুল কাশেম মো: শিরিন গতকাল নয়া দিগন্তকে জানিয়েছেন, বাংলাদেশ ব্যাংকের সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, প্রতিনিয়তই ইন্টারনেট ব্যাংকিংয়ের ফান্ড ট্যান্সফারের (আইবিএফটি) লেনদেন বেড়ে যাচ্ছে। ন্যাশনাল পেমেন্ট সুইচ বাংলাদেশ (এনপিএসবি) আওতাধীন ব্যাংকগুলোর তথ্য প্রযুক্তিনির্ভর আন্তঃব্যাংক সেবা জনপ্রিয় হওয়ায় অন্যতম কারণ হলো এ পদ্ধতিতে ঘরে বসে, অফিস থেকে এমনকি বিদেশ থেকেও গ্রাহকরা লেনদেন করতে পারে। এ কারণে করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের মধ্যেও ইন্টারনেট ব্যাংকিংয়ের লেনদেন বেড়ে গেছে। তিনি মনে করেন, কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে ব্যক্তি ও প্রাতিষ্ঠানিক লেনদেনের সীমা বৃদ্ধি করায় ইন্টারনেট ব্যাংকিং আরো জনপ্রিয় হয়ে উঠবে। এতে গ্রাহক যেমন উপকৃত হবে, তেমনি ব্যাংকের জন্যও ভালো হয়েছে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের দায়িত্বশীল সূত্র জানিয়েছে, আগে ন্যাশনাল পেমেন্ট সুইচের আওতায় ইন্টারনেট ব্যাংকিংয়ে ব্যক্তি ও প্রাতিষ্ঠানিক লেনদেনের সীমা অভিন্ন ছিল। অর্থাৎ ব্যক্তিপর্যায়ে একজন গ্রাহক প্রতিদিন পাঁচটি লেনদেনের মাধ্যমে সর্বোচ্চ দুই লাখ টাকা লেনদেন করতে পারত। আর একটি লেনদেনে সর্বোচ্চ সীমা ছিল ৫০ হাজার টাকা। প্রাতিষ্ঠানিক ক্ষেত্রেও ওই একই ছিল। কিন্তু ইন্টারনেট ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে লেনদেন বেড়ে যাওয়ায় এখন ব্যক্তি ও প্রাতিষ্ঠানিক লেনদেনের সীমার ক্ষেত্রে পৃথক করা হয়েছে। কারণ, ব্যক্তি লেনদেনের চেয়ে প্রাতিষ্ঠানিক লেনদেন কয়েক গুণ বেশি হয়। এ কারণে, এখন দৈনিক একজন গ্রাহক পাঁচটি লেনদেনের পরিবর্তে ১০টি লেনদেন করতে পারবে। আর সর্বোচ্চ লেনদেন দুই লাখ টাকা থেকে বৃদ্ধি করে পাঁচ লাখ টাকা করা হয়েছে। আর প্রতিটি লেনদেন দ্বিগুণ করে ৫০ হাজার টাকা থেকে এক লাখ টাকা করা হয়েছে।
অপর দিকে প্রাতিষ্ঠানিক লেনদেনের সর্বোচ্চ সীমা চার গুণ বাড়িয়ে ১০ লাখ টাকা করা হয়েছে। আগে যেখানে একটি প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে দিনে দুই লাখ টাকা লেনদেন করা যেত, এখন তা বাড়িয়ে ১০ লাখ টাকা করা হয়েছে। দৈনিক লেনদেন পাঁচটির স্থলে ২০টি করা হয়েছে। আর একক লেনদেন ৫০ হাজার টাকার পরিবর্তে দুই লাখ টাকা করা হয়েছে।
এ বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে গতকাল ব্যাংকগুলোর জন্য একটি সার্কুলার লেটার জারি করা হয়েছে। এটি গতকালই ব্যাংকগুলোর প্রধান নির্বাহীদের কাছে পাঠানো হয়েছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এ নির্দেশনা আগামী ১০ সেপ্টেম্বর থেকেই কার্যকর করতে বলা হয়েছে।

১৫ আগস্ট খালেদা জিয়াকে উপহার পাঠানোয় দুঃখ প্রকাশ চীনা দূতাবাসের!


বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে হত্যার দিনকে স্মরণ করে ১৫ আগস্ট পালিত জাতীয় শোক দিবসে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার জন্মদিনে উপহার পাঠানোকে ভুল হিসেবে স্বীকার করে নিয়ে চীনা দূতাবাস দুঃখ প্রকাশ করেছে। দূতাবাস বলেছে, বিষয়টির স্পর্শকাতরতা অনুধাবন না করে রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দকে জন্মদিনে শুভেচ্ছা জানানোর রুটিন কাজের অংশ হিসেবে খালেদা জিয়াকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানানো হয়েছিল। ভবিষ্যতে দূতাবাস এ ব্যাপারে সতর্ক থাকবে।
গত ১৫ আগস্ট জাতীয় শোক দিবসে খালেদা জিয়ার জন্মদিনে চীনা দূতাবাসের ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানানোর বিষয়টি নিয়ে বিভিন্ন মহলে সমালোচনা হয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ইস্যুটি চীনা দূতাবাসের কাছে উত্থাপন করে। দূতাবাস জানায়, চীনের জাতীয় নীতি অনুসরণ করে বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দকে বহু বছর ধরে শুভেচ্ছা জানানো হচ্ছিল। এই নীতি অনুসরণ করেই বিএনপি চেয়ারপারসনকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানানো হয়েছিল। তবে জন্মদিনটি ভুয়া ছিল কি না তা দূতাবাসের জানা ছিল না। এ ব্যাপারে যথেষ্ট খোঁজ-খবর নেয়া হয়নি।
১৫ আগস্ট খালেদা জিয়ার জন্মদিনে শুভেচ্ছা জানানোর পাশাপাশি চীনা দূতাবাস বঙ্গবন্ধুর প্রতিও শ্রদ্ধা জানিয়েছিল। তবে বিষয়টি নিয়ে সমালোচনা হলে দূতাবাস তাদের অবস্থান পরিষ্কার করে।
সীমা বাড়ল ইন্টারনেট ব্যাংকিং লেনদেনে

চাঁপাইনবাবগঞ্জে অবৈধ ধান মজুদের দায়ে দুই ব্যবসায়ীকে ১৩ লক্ষ টাকা জরিমানা

চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধিঃ  চাঁপাইনবাবগঞ্জে অবৈধভাবে ধান মজুদের দায়ে দুই ব্যবসায়ীকে ১৩ লক্ষ টাকা জরিমানা ও কারাদন্ড দিয়েছে ভ্রাম্যমান আদালত। সোমবার দুপুরে সদর উপজেলার আতাহার-বুলনপুরে বিসিক শিল্পনগরী এলাকায় অভিযান পরিচালনা করেন জেলা প্রশাসনের ভ্রাম্যমান আদালত। এসময় মো. আনোয়ারুল ইসলামকে দুই মাসের কারাদন্ড ও ৩ লক্ষ টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরো ১০ দিনের বিনাশ্রম কারাদন্ডের আদেশ দেন ভ্রাম্যমান আদালতের বিচারক। ১৫ হাজার বস্তা ধান অবৈধ মজুদের দায়ে সাদিকুল ইসলাম নামে অপর ব্যবসায়ীকে ৩ মাসের জেল ও ১০ লক্ষ টাকা জরিমানা, অনাদায়ে ২ মাসের কারাদন্ড দিয়েছে ভ্রাম্যমান আদালত। দন্ডপ্রাপ্ত ব্যবসায়ী সাদিকুল ইসলাম চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌরসভার ৩নং ওয়ার্ডের  বেলেপুকুর এলাকার মৃত কসিমুদ্দিনের ছেলে এবং আনোয়ারুল ইসলাম জেলা শহরের আরামবাগ এলাকার মৃত গোফুর মাস্টারের ছেলে। 
চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ রবিন মিয়া জানান, গোয়েন্দা সংবাদের ভিত্তিতে আমাদের কাছে তথ্য ছিলো, সাদিকুল ইসলাম নামে এক ব্যবসায়ী ধান-চাউলের গোডাউনে অবৈধভাবে ধান মজুদ করা হয়েছে। সরেজমিনে এর সত্যতা নিশ্চিত হয়ে এ জরিমানা করা হয়েছে। তিনি আরোও বলেন, অত্যাবশ্যকীয় পণ্য নিয়ন্ত্রণ আইন-১৯৫৬ এর ৩নং ধারায় সদিকুল ইসলামকে ১০ লক্ষ টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও ৬০ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করা হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রীর অনুদানের চেক চাঁপাইনবাবগঞ্জের সাংবাদিকদের মাঝে বিতরণ

স্টাফ রিপোর্টার
করোনায় ক্ষতিগ্রস্থ সাংবাদিকদের জন্য প্রধানমন্ত্রীর অনুদানের চেক চাঁপাইনবাবগঞ্জের মিডিয়াকর্মীদের মাঝে বিতরণ করা হয়েছে। করোনা প্রভাবে মিডিয়াকর্মীদের আর্থিক সহায়তা হিসেবে সোমবার বিকেলে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে জেলার সংবাদকর্মীদের হাতে চেকগুলো তুলে দেন জেলা প্রশাসক এ জেড এম নূরুল হক। বাংলাদেশ সাংবাদিক কল্যান ট্রাষ্ট ও জেলা প্রশাসনের ব্যবস্থাপনায় জেলা সাংবাদিকদের জন্য এই সহায়তা দেয়া হলো। গণমাধ্যমকমীদের কথা বিবেচনায় নিয়ে মিডিয়াকর্মীদের এমন সহায়তার হাত বাড়িয়ে দেয়ায় বর্তমান প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনাকে কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জানিয়ে বক্তব্য রাখেন চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রেসক্লাবের সভাপতি আলহাজ¦ মাহবুবুল আলম, সাধারণ সম্পাদক সাংবাদিক শহীদুল হুদা অলক, চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি এমরান ফারুক মাসুমসহ অন্যরা। এসময় জেলা প্রশাসক বর্তমান করোনা মহামারী চলাকালিন সময়ে জেলার শ্রমিক, দুঃস্থ, অসহায়, রিক্সাচালক, সাংবাদিক, দিনমজুর, শিক্ষার্থী, শিল্পী, সাংস্কৃতিক কর্মীসহ বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার মানুষের মাঝে বিভিন্ন সহায়তার বিবরণ তুলে ধরে আগামীতে করোনা মোবাবেলা, জেলার ও দেশের উন্নয়নে একসাথে কাজ করার আহবান জানান। জেলার ৪১জন সাংবাদিকের মাঝে প্রত্যেককে ১০ হাজার টাকার চেক তুলে দেয়া হয়। এসময় উপস্থিত ছিলেন সিনিয়র সাংবাদিক তালেবুন্নবী, মুক্তিযোদ্ধা মো. তসলিম উদ্দিন, গোলাম মোস্তফা মন্টু, মাহবুবুর রহমান মিন্টু, চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মো. রফিকুল আলম, সাপ্তাহিক সোনামসজিদের সম্পাদক মোহা. জোনাব আলী, আলহাজ¦ মো. নাইমুল হক, চ্যানেল আই’র জেলা প্রতিনিধি ও ‘দৈনিক চাঁপাই দর্পণ’ এর প্রকাশক ও সম্পাদক আশরাফুল ইসলাম রঞ্জু, সাংবাদিক মো. আমিনুল ইসলাম (তন্ময়), আজিজুর রহমান শিশির, ডাবলু কুমার ঘোষ, নাসিম মাহমুদ, আব্দুল মালেক, মনোয়ার হোসেন জুয়েল, মো. নাদিম হোসেন, গৌড়বার্তা প্রকাশক ও সম্পাদক এ কে এস রোকন, মো. জহরুল ইসলাম, আনোয়ার হোসেন, আব্দুল ওয়াহাব,মো. দোয়েলসহ জেলার বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেক্ট্রনিক মিডিয়াকর্মীরা। এসময় মিডিয়াকর্মীদের জন্য প্রধানমন্ত্রীর অনুদানের জন্য আন্তরিক কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জানান উপস্থিত সকলেই।

রহনপুরে সাপের কামড়ে আদিবাসি নারীর মৃত্যু

গোমস্তাপুর (চাঁপাইনবাবগঞ্জ) প্রতিনিধিঃ
উপজেলার রহনপুরে সাপের কামড়ে শিমন হাঁসদা (৪৬) নামে এক আদিবাসী নারীর মৃত্যু হয়েছে। রাত ৯টার দিকে রহনপুর ইউনিয়নের নওদা মিশন গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয়রা জানায়,রোববার রাত ৯টার দিকে শিমন হাঁসদাকে বাড়ি সংলগ্ন জমিতে সাপে কামর দেয়। পরিবারের লোকজন তাকে উদ্ধার করে বাড়িতে নিয়ে আসে। বিষমুক্ত করতে ওঝা ডাকা হয় । এদিকে শিমনের অবস্থা আরো অবনতি হওয়ায দ্রুত তাকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেবার পথে তিনি মারা যায়। মৃতার স্বামীর বাড়ি ভারতের মালদা জেলার বারোভিটা গ্রামে।