সর্বশেষ সংবাদ দ্রুত ওমরাহ কার্যক্রম শুরু হচ্ছে: নতুন নিয়ম ও শর্ত! পরিচালকের বিরুদ্ধে মামলার পর এবার পায়েলে হুমকি সিলেট ও খাগড়াছড়িতে গণধর্ষণের প্রতিবাদে জেলা ছাত্রদলের বিক্ষোভ মিছিল প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিনে ফুলেল শুভেচ্ছা মোদির, চীনের অভিনন্দন বার্তা আবারো বাড়ছে মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মানী ! শেখ হাসিনার নেতৃত্ব বিশ্বে প্রশংসিত চাঁপাইনবাবগঞ্জে ছাত্রদলের বিক্ষোভ মিছিল নাচোলে আ’লীগের পৃথক পৃথক ভাবে প্রধান মন্ত্রী শেখ হাসিনার ৭৪ তম জন্ম বার্ষিকী পালিত অবিশ্বাস্য কর্মযজ্ঞ:বদলে গেছে মানুষের জীবন তিস্তার ১১৩ কিলোমিটার খননের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার

চাঁপাইনবাবগঞ্জে করোনায় আরও একজনের মৃত্যুঃ মোট মৃত্যু ১৩

নিজস্ব প্রতিবেদক
চাঁপাইনবাবগঞ্জে করোনা ভাইরাসে সংক্রামিত হয়ে মৃত্যুর মিছিলে যোগ হলো আরও ১ জন। এনিয়ে জেলায় মোট মৃত্যু ১৩ জনের।
মৃত ব্যক্তি আবু বকর সিদ্দিক (৭০)।
শনিবার চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর হাসতপালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিিনি মৃত্যুবরণ করেছেন। ভোররাত চারটার দিকে সদর হাসপাতালের করোনা ওয়ার্ডে তিনি মারা যান। তিনি চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌরসভার নং ওয়ারের্ডর মহাডাঙ্গা মহল্লার মৃত করিম মোল্লার ছেলে। করোনা ওয়ার্ড সমন্বয়কারী সিভিল সার্জন অফিসের মেডিক্যাল অফিসার ডা. নাহিদ ইসলাম মুন জানান, গত ১৭ আগস্ট আবু বকর নমূনা দেন। ২১ আগস্ট তার ফলাফল পজিটিভ আসে। ২২ আগস্ট তিনি করোনা ওয়ার্ডে ভর্তি হন।

সিভিল সার্জন জাহিদ নজরুল চৌধুরী আবু বকর সিদ্দিকের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, জেলায় এ নিয়ে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে ৩ নারীসহ ১৩ জন মৃত্যুবরণ করলেন।

দেশে হবে টিকার ট্রায়াল, জেনে নিন কিভাবে কখন

করোনাভাইরাসের প্রতিষেধক টিকা নিয়ে চলতি সপ্তাহেই দুটি অগ্রগতি দেখা যেতে পারে দেশে। একটি হচ্ছে—সপ্তাহের শেষের দিকে যেকোনো দিন দেশে এসে পৌঁছতে পারে চীনের সিনোভ্যাক কম্পানির দেড় হাজার নমুনা টিকা। সিনোভ্যাকের সঙ্গে চুক্তির আওতায় আন্তর্জাতিক উদরাময় রোগ গবেষণা কেন্দ্র, বাংলাদেশের (আইসিডিডিআরবি) উদ্যোগে ঢাকার সাতটি সরকারি হাসপাতালের চিকিৎসাকর্মীদের মধ্যে ওই টিকা পরীক্ষামূলকভাবে প্রয়োগ করা হবে। এরই মধ্যে আইসিডিডিআরবি এসংক্রান্ত আনুষঙ্গিক প্রস্তুতি শুরু করে দিয়েছে।

এ সপ্তাহেই গ্লোব বায়োটেকের টিকার দ্বিতীয় ধাপের পরীক্ষা অর্থাৎ মানুষের শরীরে পরীক্ষামূলক প্রয়োগের জন্য অনুমতি পেতে বাংলাদেশ মেডিক্যাল রিসার্চ কাউন্সিলে (বিএমআরসি) চূড়ান্ত প্রটোকল জমা দেওয়া হবে। বাংলাদেশের স্থানীয় ওষুধ প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান গ্লোব ফার্মাসিউটিক্যালসের অন্যতম অঙ্গপ্রতিষ্ঠান গ্লোব বায়োটেক এরই মধ্যে খসড়া প্রটোকল জমা দিয়েছে। প্রতিষ্ঠানটি বলছে, প্রথম ধাপে তাদের উদ্ভাবিত টিকা প্রাণীর ওপর পরীক্ষামূলকভাবে প্রয়োগ করে তারা প্রত্যাশিত মাত্রায় সাফল্য পেয়েছে।

টিকা পরীক্ষার বিষয়ে জানতে চাইলে আইসিডিডিআরবির জ্যেষ্ঠ বিজ্ঞানী কে এম জামান কালের কণ্ঠকে বলেন, চীনের নমুনা টিকা এসে পৌঁছার পরে তা নির্দিষ্ট স্বাস্থ্যকর্মীদের মধ্যে প্রয়োগ করা হবে। যাঁরা স্বেচ্ছায় এই টিকা প্রয়োগে সম্মত থাবেন শুধু তাঁদেরই এখন বাছাই করা হচ্ছে। যে নির্দিষ্ট সাতটি প্রতিষ্ঠানকে গবেষণার জন্য আইসিডিডিআরবি চেয়েছিল এরই মধ্যে সরকার সেই প্রতিষ্ঠানগুলোকে গবেষণায় যুক্ত হওয়ার জন্য অনুমতি দিয়ে দিয়েছে। এখন টিকা প্রয়োগের উপযুক্ত স্বাস্থ্যকর্মীদের বাছাই করার ক্ষেত্রে ওই প্রতিষ্ঠানগুলোর পরিচালকরা সাহায্য করছেন। আইসিডিডিআরবির গবেষকদলের সদস্যরা হাসপাতালগুলোয় এরই মধ্যে প্রাথমিক কাজ শুরু করে দিয়েছেন। নির্ধারিত হাসপাতালগুলো হচ্ছে—ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল-২, একই হাসপাতালের বার্ন ইউনিট, মুগদা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল, কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতাল, কুয়েত-বাংলাদেশ মৈত্রী হাসপাতাল, ঢাকা মহানগর হাসপাতাল ও হলি ফ্যামিলি রেড ক্রিসেন্ট হাসপাতাল।

ড. কে এম জামান বলেন, ‘আমরা দুই হাজার ১০০ জনের শরীরে নমুনা টিকা প্রয়োগ করব। আর দুই হাজার ১০০ জনকে দেব প্লাসিবো (প্রতীকী ওষুধ)। এরপর প্রতিদিন, প্রতি সপ্তাহ ও প্রতি মাসে নিবিড়ভাবে তাঁদের পর্যবেক্ষণ করা হবে। যাঁদের মধ্যে কোনো ধরনের প্রতিক্রিয়া দেখা যাবে তাঁদের নিয়ে আলাদাভাবে কাজ করা হবে। কারো শরীরে জোর করে বা অনিচ্ছায় নমুনা টিকা প্রয়োগ করার সুযোগ নেই কিংবা করা হবেও না। যাঁরা আগ্রহ দেখাচ্ছেন তাঁদের আমাদের গবেষকরা পুরো কাজ সম্পর্কে বুঝিয়ে বলছেন। তারপর নির্দিষ্ট ফরমেটে যাঁরা সম্মতি দিচ্ছেন তাঁদের এই কাজে যুক্ত করা হচ্ছে। প্রয়োগের আগে প্রত্যেকের শারীরিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। যাঁরা এরই মধ্যে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন এমন কাউকে এই নমুনা টিকা প্রয়োগ করা হবে না।’

সিনোভ্যাকের নমুনা টিকা সম্পর্কে ড. জামান বলেন, এই টিকা যাঁদের শরীরে প্রয়োগ করা হবে তাঁদের মাধ্যমে কোনোভাবেই অন্য কেউ করোনাভাইরাসে সংক্রমিত হওয়ার সুযোগ নেই। কারণ এই টিকায় থাকছে মৃত ভাইরাস, যা অন্যকে সংক্রমিত করতে পারবে না। যাঁর শরীরে প্রয়োগ করা হবে তিনিও সংক্রমিত হবেন না। বরং টিকাটি যাঁদের শরীরে কার্যকর হবে তাঁদের মধ্যে পর্যাপ্ত মাত্রায় অ্যান্টিবডি তৈরি করবে, যা করোনাভাইরাস ঠেকাতে সহায়ক হবে। প্রয়োগের পর টানা ছয় মাস সবাই পর্যবেক্ষণে থাকবেন। তাঁরা নিজেদের বাসাবাড়িতে স্বাভাবিকভাবেই থাকতে পারবেন, কর্মস্থল কিংবা বাইরে সর্বত্রই স্বাভাবিক জীবন যাপন করতে পারবেন। আর এই পরীক্ষামূলক কার্যক্রম সার্বক্ষণিক পর্যালোচনার জন্য অনেকগুলো দলের সদস্যরা একযোগে কাজ করবেন। এ ক্ষেত্রে শুধু আইসিডিডিআরবির গবেষকরাই নন, সরকার নির্ধারিত গবেষক দল, বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থাসহ আরো বেশ কয়েকটি আন্তর্জাতিক সংস্থার বিভিন্ন পর্যায়ের পর্যবেক্ষক দল প্রতিদিনের প্রত্যেকের (পরীক্ষামূলক প্রয়োগের আওতায় যাঁরা থাকবেন) ফলোআপ করবেন।

গ্লোব ফার্মাসিটিক্যালস লিমিটেডের চেয়ারম্যান মো. হারুন-অর-রশিদ বলেন, ‘আমরা খুবই সাফল্যের সঙ্গে আমাদের টিকার প্রথম ধাপের পরীক্ষামূলক কার্যক্রম শেষ করেছি। প্রাণীর শরীরে প্রয়োগ করে চমৎকার সফলতা এসেছে। এখন আমরা দ্বিতীয় ধাপে মানুষের শরীরে প্রয়োগের জন্য প্রটোকল চূড়ান্ত করছি। এরই মধ্যে এই প্রটোকলের একটি খসড়া আমরা বিএমআরসিকে দিয়েছি। এই সপ্তাহ নাগাদই চূড়ান্ত প্রটোকল জমা দিয়ে মানুষের শরীরে প্রথম ধাপের পরীক্ষামূলক প্রয়োগের অনুমতি চাইব।’ তিনি আরো বলেন, ‘আমি দৃঢ়ভাবে আশাবাদী, যাঁরা এখন আমাদের এই টিকা নিয়ে আশ্বস্ত হতে পারছেন না তাঁরা শিগগিরই আমাদের টিকার সাফল্যে বিস্মিত হবেন। কারণ আমাদের বিজ্ঞানীরা বৈজ্ঞানিকভাবেই অন্য কোনো দেশের টিকার চেয়ে আমাদের টিকাকে অধিকতর কার্যকর বলে প্রমাণ দিতে যাচ্ছেন। যদি আমরা প্রথম ধাপে সফল হতে না পারতাম তবে আমরা দ্বিতীয় ধাপে যাওয়ার প্রস্তুতি নিতে পারতাম না।’

প্রথম মেট্রোরেলের নির্মাণ কাজ অর্ধেক সম্পন্নঃচড়তে চাইলে জানুন এর রুট

দেশের প্রথম মেট্রোরেল নির্মাণ কাজ সামগ্রিকভাবে ৪৯ দশমিক ১৫ শতাংশ নির্মাণ সম্পন্ন হয়েছে উল্লেখ করে প্রকল্পের সঙ্গে যুক্ত একজন কর্মকর্তা জানান, করোনা মহামারি পরিস্থিতিতে স্বাস্থ্য বিধি বজায় রেখে কার্যক্রম পুরোদমে চলছে।

শুক্রবার ঢাকা মাস পাবলিক ট্রান্সপোর্ট কোম্পানি লিমিটেডের (ডিএমটিসিএল) ব্যবস্থাপনা পরিচালক এমএএন সিদ্দিক বাসসকে এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, উত্তরা থেকে মতিঝিল পর্যন্ত মেট্রোরেলের নির্মাণ কাজ সম্পন্ন করতে শ্রমিক, কারিগর, প্রকৌশলী ও সংশ্লিষ্টরা দিন-রাত কাজ করায় ৪৯ দশমিক ১৫ শতাংশ সম্পন্ন হয়েছে।

উত্তরা থেকে আগারগাঁও পর্যন্ত প্রথম পর্যায়ের মেট্রোরেল নির্মাণের দৃশ্যমান নির্মাণ অগ্রগতি ৭৫ দশমিক ৫০ শতাংশ উল্লেখ করে তিনি বলেন, আগারগাঁও থেকে মতিঝিল পর্যন্ত দ্বিতীয় পর্যায়ের নির্মাণ অগ্রগতি ৪২ দশমিক ৫০ শতাংশ।

তিনি বলেন, বর্তমানে মেট্রোরেলের উত্তরা ও আগারগাঁও মধ্যে ১১ দশমিক ৭৩ কিলোমিটারের ১০ দশমিক ৮৬ কিলোমিটার দৃশ্যমান হয়েছে। তিনি আরও বলেন, ফাস্ট ট্র্যাক প্রকল্পের অধীনে শহরে এমআরটি লাইন-৬ এর নির্মাণ কাজ পুরোদমে চলছে।

সিদ্দিক আশা প্রকাশ করেন চলমান করোনাভাইরাস পরিস্থিতিতে স্বাস্থ্য সুরক্ষা বিধি মেনে কাজ এই গতিতে অব্যাহত থাকলে ২০২২ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে মেট্রোরেল প্রকল্প সম্পন্ন হতে পারে।

প্রকল্পের বিবরণ অনুযায়ী, উত্তরার দিয়াবাড়ি থেকে মতিঝিল পর্যন্ত লাইন-৬ ট্র্যাক চালানোর জন্য জাপানে রেল কোচ নির্মাণ করা হয়েছে, করোনা পরিস্থিতির উন্নতির জন্য কোচের শিপমেন্টটি অপেক্ষায় রয়েছে এবং শিপমেন্ট হবে।

এতে বলা হয়েছে, দিয়াবাড়ি থেকে মিরপুর সেকশন পর্যন্ত রেল ট্র্যাক স্থাপন করা হচ্ছে এবং সেখানে বৈদ্যুতিক লাইনও বসানো হয়েছে।

এছাড়াও, ম্যাস র‌্যাপিড ট্রানজিট (এমআরটি) লাইন-৬ এর ২১ কিলোমিটার রুটে মোট ১৬টি স্টেশন থাকবে এবং সব স্টেশনে ডিজিটাল ডিভাইস ব্যবহার করা হবে।

স্টেশনগুলোর মধ্যে রয়েছে উত্তরা উত্তর, উত্তরা সেন্টার, উত্তরা দক্ষিণ, পল্লবী, মিরপুর-১১, মিরপুর-১০, কাজীপাড়া, শেওড়াপাড়া, আগারগাঁও, বিজয় সরণি, ফার্মগেট, কাওরান বাজার, শাহবাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশ সচিবালয় ও মতিঝিল।

সিদ্দিক বলেন, সবকিছু স্বাভাবিক থাকলে শহরের মানুষ নির্ধারিত সময়ের আগেই স্বপ্নের মেট্রো রেলে দিয়াবাড়ি থেকে মতিঝিল দিকে যেতে পারবেন। যেসব এলাকায় ভাইডাক্ট বসানো হয়েছে, সেখানে রেল লাইন ও বিদ্যুতের লাইন বসানোর কাজ চলছে।

টেকনিশিয়ান এবং কর্মীরা বলেছেন, সময়মত প্রকল্পটি সম্পন্ন করার জন্য ‘২৪ ঘন্টা’ কাজ করার সময় করোনাভাইরাস সংক্রমণ প্রতিরোধে স্বাস্থ্য বিধি অনুসরণ করছেন।

২ শ’ ১৯ দশমিক ৮৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার ব্যয়ে মেট্রোরেল প্রকল্প নির্মাণ করা হচ্ছে, যার মধ্যে জাপানের সাহায্য সংস্থা জাইকা ১ শ’ ৬৫ বিলিয়ন ডলার দিবে।

হলুদ পদ্ম এখন বাংলাদেশে


গোলাপি বা সাদা নয়, এমনকি আমাদের সাহিত্য ও মিথে স্থায়ী জায়গা করে নেওয়া নীলও নয়; হলুদ রঙের এক পদ্মের সন্ধান মিলেছে বাংলাদেশে। প্রাথমিক পর্যবেক্ষণে এটি বিশ্বে পদ্মফুলের সম্পূর্ণ নতুন একটি প্রজাতি বলে অনুমিত। গবেষণাগারের পরীক্ষা-নিরীক্ষায় উত্তীর্ণ হলে উদ্ভিদবিজ্ঞানে হলুদ পদ্ম হবে অনন্য সংযোজন। এই পদ্মের নামকরণও হবে আমাদের দেওয়া নামে।

ফোনের ওপার থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্ভিদবিজ্ঞান বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. রাখহরি সরকার যখন প্রাকৃতিকভাবে জন্মানো পদ্মফুলের নতুন প্রজাতি নিয়ে বলছিলেন, ফোনের এপার থেকে তার কণ্ঠের আবেগ, উষ্ণতা বেশ উপলব্ধি করা যাচ্ছিল।

কয়েকদিনের মধ্যে তাদের গবেষক দল যাচ্ছে হলুদ পদ্মের আবাস কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলার দক্ষিণগ্রাম বিলে। তিনি আমাকেও আমন্ত্রণ জানালেন হলুদ পদ্ম পর্যবেক্ষণের জন্য।

পদ্মফুল পৃথিবীজুড়েই কমবেশি জন্মে। বৈশিষ্ট্য অনুসারে পদ্মকে দুটি প্রজাতিতে ভাগ করা হয়ে থাকে, যেমন- এশিয়ান বা ইন্ডিয়ান পদ্ম। এর বৈজ্ঞানিক নাম Nelumbo nucifera। অন্যটি আমেরিকান বা ইয়োলো লোটাস। ইয়োলো লোটাসের বৈজ্ঞানিক নাম Nelumbo Lutea.

এশিয়ান পদ্ম আবার দুই রঙে দেখা যায়- মসৃণ সাদা ও হালকা গোলাপি। আমাদের দেশে ঝিল-বিল ও জলাশয়ে যেসব পদ্মফুল দেখতে পাওয়া যায় সেগুলো এশিয়ান বা ইন্ডিয়ান লোটাস। শুধু বাংলাদেশ নয়, কাস্পিয়ান সাগর থেকে উত্তর অস্ট্রেলিয়া পর্যন্ত চীন, জাপান, কোরিয়া, ভারত, পাকিস্তান, আফগানিস্তান, ইরান, মিয়ানমার, থাইল্যান্ড, ভিয়েতনাম প্রভৃতি দেশে এই প্রজাতির পদ্ম জন্মে। বহুবর্ষজীবী এ জলজ উদ্ভিদের গাছের কা লতানো। গোলাকার পাতা গড়ে প্রায় ৪৫ সেন্টিমিটার চওড়া। সরু কাঁটাযুক্ত লম্বা ডাঁটায় ফুল ফোটে। ফুলে রয়েছে মিষ্টি গন্ধ। পানির ওপরে পাতা ও ফুল ভেসে থাকে। চার-পাঁচ ফুট পানি পদ্মের জন্য আদর্শ। পানির নিচে কাদায় বিস্তৃত হয় এর শিকড়।

রাখহরি সরকার বললেন, আমাদের বিলে-ঝিলে ফুটে থাকা এশিয়ান পদ্ম থেকে নতুন এই পদ্ম আলাদা। তাহলে কি আমেরিকান লোটাস কোনোভাবে দক্ষিণ গ্রামের এই বিলে এসে বংশবিস্তার করেছে? তার ভাষ্য- সেটিও না। আমেরিকান লোটাসের রঙ ও বৈশিষ্ট্য থেকে দক্ষিণ গ্রাম বিলের পদ্মের বৈশিষ্ট্য আলাদা। এর বর্ণ হালকা আবার পাপড়ির সংখ্যাও অনেক বেশি। সে যাই হোক, গেলেই তো বোঝা যাবে মোহনীয় পদ্ম দক্ষিণ গ্রাম বিলে এসে কতটা ঈর্ষণীয় হয়ে ফুটছে, কতটাই-বা আলাদা জাতভাইদের চেয়ে।

গবেষক দলের দুই সদস্য পদ্ম গবেষক শিকদার একে শামসুদ্দিন ও বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রভাষক শাওন মিত্র একদিন আগেই রওনা হয়ে যান। আমি যাই পরের দিন ২ সেপ্টেম্বর। বাসে ঢাকা থেকে কুমিল্লা গিয়ে কেন্দ্রীয় ঈদগাহ ময়দানের পাশ থেকে উঠতে হলো বুড়িচং যাওয়ার স্কুটারে। আধা ঘণ্টার মধ্যেই পৌঁছে গেলাম গন্তব্যে- দক্ষিণ গ্রাম বাজারে। ঘড়িতে তখন সকাল ১১টা। পদ্ম গবেষক শিকদার এ কে শামসুদ্দিন এবং সহযোগী শাওন মিত্র এরই মধ্যে একবার বিল ঘুরে এসেছেন। বললেন, বিকেলে আবার যাব, তখন আপনিও যাবেন।

রাখহরি সরকার বলেছিলেন, গত বছর সেপ্টেম্বরে তারা এই হলুদ পদ্মের কথা জানতে পারেন। খবরটা পেয়েই বেঙ্গল প্লান্ট রিসার্চ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্টের নির্বাহী পরিচালক, পদ্ম গবেষক শিকদার এ কে শামসুদ্দিনের সঙ্গে কথা বলেন। সিদ্ধান্ত নেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্ভিদবিজ্ঞান বিভাগ ও বেঙ্গল প্লান্ট রিসার্চ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট যৌথভাবে হলুদ পদ্মের অনুসন্ধানে নামবে। সেই থেকে কাজ শুরু। গত বছরই ছবিসহ কিছু তথ্য-উপাত্ত যুক্তরাষ্ট্রে হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্ভিদ ও প্রাণী প্রজাতির নামকরণ বিভাগ এবং বিশ্বের সবচেয়ে বড় হারবেরিয়ান জাদুঘর ইংল্যান্ডের কিউ গার্ডেনে পাঠিয়েছেন। তারাও বিষয়টি নিয়ে আগ্রহী। তাই এ বছর হলুদ পদ্মের হারবেরিয়ান শিট করাসহ গবেষণার প্রয়োজনীয় কাজগুলো করে ফেলতে চান। এলাকাবাসীসহ স্থানীয় প্রশাসন সর্বতোভাবে সহযোগিতা করছেন তাদের এই গবেষণায়। একটু পরেই সেটি বোঝা গেল। আমাদের থাকার ব্যবস্থা হয়েছে ‘দক্ষিণ গ্রাম সমাজ কল্যাণ সংগঠন’-এর নাসির উদ্দিনের বাড়িতে। তিনি বাড়ির দুটি ঘরই শুধু ছেড়ে দেননি, একটু পরপর এসে খোঁজ নিচ্ছিলেন কিছু লাগবে কিনা। আর চা-নাশতা তো ছিলই। বিকেল ৪টার দিকে আমরা বিলের দিকে যাই।

ঠিক হলুদ নয়, হলুদাভ। অফহোয়াইটও বলা যেতে পারে। তবে, সাদা কখনোই নয়। অপূর্ব সুন্দর। যেন অসংখ্য পাপড়ির একটি তোড়া সবুজ পাতা ভেদ করে মাথা উঁচু করে দাঁড়ানো। পূর্ণ ফোটা হলুদ পদ্মের পাশে গোলাপি পদ্মটি দেখতে কিছুটা রুগ্‌ণই মনে হচ্ছিল। যদিও পাপড়ির দৈর্ঘ্য গোলাপি পদ্মেরই বড়।

নৌকায় করে সকালে রেকি করার সময় পরদিন ফুটবে এমন কিছু কলিতে ট্যাগ লাগানো হলো। দূর থেকে বোঝার জন্য পুঁতে দেওয়া হলো লাল পতাকা লাগানো বাঁশ। এসব করতে করতেই শিকদার শামসুদ্দিন দেখাচ্ছিলেন, অন্য পদ্ম থেকে হলুদ পদ্মের পার্থক্য।

এশিয়ান বা আমেরিকান পদ্মে একটি ফুলে পাপড়ি থাকে ১২ থেকে ১৮টি, সেখানে বুড়িচংয়ের এই হলুদ পদ্মে পাপড়ি সংখ্যা ৬০টিরও বেশি। ভেতরের পাপড়ি পুংকেশরের সঙ্গে যুক্ত থাকে। এই ফুলে পুংকেশরের সংখ্যাও অনেক বেশি, প্রায় তিনশ’। গবেষকরা জানালেন, এশিয়ান পদ্মে তা দুইশ’র মধ্যেই থাকে। পাপড়ি ছোট এবং বেশি হওয়ায় হলুদ পদ্মের কলি একটু বেঁটে, পেট মোটা হয়।

কথায় কথায় সন্ধ্যা নামে। আমরাও পাড়ে ফিরে আসি। পরদিন ভোর ৫টায় আবার বিলে নেমে পড়ি। পৌঁছে যাই ট্যাগ লাগানো কলিগুলোর কাছে। আস্তে আস্তে আঁধার কাটছে আর ফুলগুলোও যেন একটু করে হেসে উঠছে। আমরা ঘুরে ঘুরে পদ্মের কলি থেকে ফুল হওয়া দেখি। ঘণ্টা তিনেকের মধ্যেই চারদিক আলো ঝলমল করে উঠল। সেইসঙ্গে বিলের সব হলুদাভ পদ্ম গ্রীবা তুলে নিজেদের মেলে ধরে।

পদ্মের আয়ু চার দিন। গবেষকরা এই চার দিন ফুলগুলো পর্যবেক্ষণ করবেন। হলুদ পদ্মের পাতা, ডাঁটা, ফুল, ফল, শিকড় প্রভৃতি সংগ্রহ করবেন। তৈরি করবেন হারবেরিয়ান শিট। নমুনা থেকে করবেন ডিএনএ টেস্ট। ‘যদি স্বাতন্ত্র্য প্রমাণিত হয় এই পদ্ম আমাদের হবে’- আনন্দে শিকদার শামসুদ্দিনের মুখ ঝলমল করে ওঠে। খালি চোখেই যা অন্যদের থেকে ভিন্ন-অনন্য, গবেষণাতেও তা ফুটে উঠুক আপন বৈশিষ্ট্যে। এই বিশ্বাস নিয়ে হলুদ পদ্মের বিল থেকে ফিরে আসি।

বৈদেশিক মুদ্রা আয়ের বড় মাধ্যম হয়েছে তথ্যপ্রযুক্তি খাত


তথ্যপ্রযুক্তি খাত এখন বৈদেশিক মুদ্রা আয়ের মাধ্যম হিসাবে কাজ করছে। দেশে তৈরি হার্ডওয়্যার-সফটওয়্যার ও প্রযুক্তি পণ্য বিদেশে রফতানির হার দিন দিন বেড়েই চলেছে। দেশে গত দুই বছরে এ খাত থেকে দেড় বিলিয়ন মার্কিন ডলার আয় এসেছে। নিজেদের চাহিদা মিটিয়ে দেশের বাইরে আমেরিকাসহ কয়েকটি দেশে মোবাইল ও ল্যাপটপ রফতানি করে বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করা সম্ভব হয়েছে। বিশ্বের ১৮০টি দেশে বাংলাদেশের সফটওয়্যার ও হাডওয়্যার রফতানির বাজার তৈরি হয়েছে। অন্যদিকে আউটসোর্সিংয়ে তরুণরা বৈদেশিক মুদ্রা আয় করছেন। এখন ভারতের কাছাকাছি টাকায় তরুণ প্রজন্ম আউটসোর্সিংয়ের কাজ পাচ্ছেন। ফলে এই সেক্টরের ভবিষ্যত অনেক বেশি উজ্জ্বল হয়ে উঠেছে। টেলিযোগাযোগ ও বেসিস সূত্র এ তথ্য জানিয়েছে।

বাংলাদেশ এ্যাসোসিয়েশন অব সফটওয়্যার এ্যান্ড ইনফরমেশন সার্ভিসেস (বেসিস) সূত্র জানিয়েছে, দেশের অভ্যন্তরীণ সফটওয়্যারের বাজারও বড় হচ্ছে। দেশের বাজার দাঁড়িয়েছে প্রায় ১০ হাজার কোটি টাকার। এর মধ্যে প্রায় ৫০ শতাংশই আবার দেশী সফটওয়্যার নির্মাতারা দখলে রেখেছেন। তবে বড় প্রতিষ্ঠানের কাজগুলোর ক্ষেত্রে এখনও বিদেশী সফটওয়্যারের ওপর নির্ভরতা রয়েছে। দেশের ৬০ ব্যাংকের মধ্যে ২৭ ব্যাংকেই দেশি সফটওয়্যার ব্যবহৃত হচ্ছে। দেশের সফটওয়্যার খাতে বেশি চাহিদা রয়েছে ইআরপি, বিভিন্ন এ্যাপ্লিকেশন তৈরিসহ, ডিজিটালাইজেশনের কাজে ব্যবহৃত সফটওয়্যার। দেশের বাজারে চাহিদা মেটানোর পাশাপাশি এখন সফটওয়্যার নির্মাতারা বিদেশেও রফতানি করছে। তবে দেশ থেকে বড় ধরনের একক সফটওয়্যার রফতানি হাতে গোনা। এখন পর্যন্ত আমরা অধিকাংশ ক্ষেত্রে বিপিও, সার্ভিস রফতানি হচ্ছে। বিপিওর ক্ষেত্রে ব্যাংকের নানা কাজ, নানা রকম সেবা দেয়া হচ্ছে। ফ্রিল্যান্সিংয়ে গ্রাফিকস, ওয়েবের কাজ হচ্ছে। তবে এ ক্ষেত্রে সফটওয়্যার এখনো রফতানির সব অর্থ ব্যাংকের মাধ্যমে আসে না। ফলে প্রকৃত তথ্য পাওয়া কঠিন যে কত ডলার বাংলাদেশ আয় করেছে।

তথ্যপ্রযুক্তি খাতের ভবিষ্যত নিয়ে ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার আশাবাদী। তিনি বলেন, তৈরি পোশাক যেমন ধীরে ধীরে বৈদেশিক মুদ্রা আয়ের বড় একটি খাত হিসাবে বেড়ে উঠেছে। একইভাবে তথ্য প্রযুক্তি খাত এগিয়ে যাচ্ছে। একদিন এই খাত থেকে বৈদেশিক মুদ্রা আয়ের বড় উৎস হবে। ২০২১ সালে আমরা এই শিল্পের প্রথম ধাপটি পার করব। ২০২১ সালে বাংলাদেশ ৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার আয় করবে। ২০৪১ সালের মধ্যে এই সেক্টর থেকে তৈরি পোশাক শিল্পের চেয়ে অনেক বেশি আয় হবে। এ খাতে দেশের তরুণ প্রজন্ম আশার আলো দেখতে শুরু করেছে। তারা এখনই আউটসোর্সিংয়ের মাধ্যমে বৈদেশিক মুদ্রা আয় করছেন। এই শিল্পের সঙ্গে যারা জড়িত তারা হার্ডওয়ার ও সফটওয়ার রফতানি করছেন। দেশে তৈরি মোবাইল ল্যাপটপ বিদেশে রফতানি হচ্ছে। তথ্যপ্রযুক্তি নিয়ে কাজ করেন এমন তথ্যপ্রযুক্তিবিদরাও এই সেক্টর নিয়ে আশাবাদী হয়ে উঠেছেন। আগামী কয়েক বছরের মধ্যে ৯০ শতাংশ পর্যন্ত দেশী সফটওয়্যার ব্যবহার করা হবে। আমরা ইতোমধ্যেই বিদেশী ‘সফটওয়্যারকে রিপ্লেস’ করছি। বিদেশী সফটওয়্যারের জায়গায় দেশি সফটওয়্যার প্রতিস্থাপন করতে পেরেছি। আমাদের সফটওয়্যার ১৮০টি দেশে রফতানি হয়। আমাদের সফটওয়্যার আয়ারল্যান্ডের পুলিশ ব্যবহার করছে, সিকিউরিটি জন্য আমাদের সফটওয়্যার আছে, মোবাইল অপারেটররা ব্যবহার করছে।

তথ্যপ্রযুক্তিবিদ ও বেসিসের সাবেক সভাপতি হাবিবুল্লা এন করিম জনকণ্ঠকে বলেন, গত কয়েক বছরে তথ্যপ্রযুক্তি খাত থেকে বিলিয়ন ডলার আয় হচ্ছে। দিন দিন ‘ইমার্জিং চেইন’ বৃদ্ধি পাচ্ছে। এটা আরও বড় ‘স্কেলে’ করতে হলে ইন্টারনেট স্পিড বাড়াতে হচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, ডেনমার্ক, সুইডেন, হল্যান্ড, সিঙ্গাপুরসহ বিশ্বের ৭০ থেকে ৮০টি দেশে আমাদের তরুণরা আউটসোর্সিং করছে। ১০ বছর আগেও এটা ভাবা যেত না। ভারতে আউটসোর্সিংয়ের জন্য হায়দারাবাদের নামই হয়ে গেঝে ‘সিলিকন ভ্যালি’। তখন থেকেই দেশটির যুবসমাজ বিলিয়িন বিলিয়ন ডলার আয় করছে। এখন আমাদেরও এমন সুযোগ তৈরি হয়েছে। পৃথিবীর অনেক বড় বড় কোম্পানি আমাদের তরুণদের কাজ দেয়ার জন্য আগ্রহী। কারণ এখানে প্রতি ঘণ্টা কাজ ৩ থেকে ৪ ডলারে করে নিতে পারে। অন্য যে কোন দেশ থেকে এই দামে তারা কাজ করাতে পারে না। তাই তথ্যপ্রযুক্তি শিল্প একদিন বড় একটা স্থান করে নেবে। তৈরি পোশাক শিল্পকে অতিক্রম করতে পারবে কিনা বলা মুশকিল। তবে তথ্যপ্রযুক্তির ভবিষ্যত অনেক সম্ভাবনাময়। এবারের ডিজিটাল মেলায় ফাইভ-জি নেটওয়ার্ক প্রর্দশন হয়েছে। ফাইভ-জি এলে ব্যবসা বাণিজ্য থেকে শুরু করে সব সেক্টরে বড় ধরনের উন্নয়ন ঘটবে।

তথ্যপ্রযুক্তিবিদ সুমন সাব্বির জনকণ্ঠকে বলেন, তথ্যপ্রযুক্তি সেক্টরটি নিঃসন্দেহে সম্ভাবনার একটি বিষয়। কারণ এই সেক্টরের ভবিষ্যত অনেক বেশি আশা জাগায়। বিশেষ করে তরুণ প্রজন্মের কাছে এটা একটা বড় ক্ষেত্র। এখান থেকে তারা আয় রোজগার করতে পারবে। তবে সেবার ক্ষেত্রে সম্ভাবনা যেমন বাড়ছে তেমনি তৈরি হচ্ছে নানা চ্যালেঞ্জ। বেসিস, বাক্যসহ দেশে দেড় হাজার আইটি ও আইটিইএস কোম্পানি রয়েছে। এর মধ্যে ক্ষুদ্র ও মাঝারি পর্যায়ের পাঁচশ কোম্পানি রফতানিতে রয়েছে। শুধু বেসিসে এক হাজারের বেশি সদস্য কোম্পানি রয়েছে। অটোমেশন, প্রতিযোগিতা বৃদ্ধি ও নতুন প্রযুক্তির উদ্ভাবনের সঙ্গে দেশের প্রতিষ্ঠানগুলোর টিকে থাকার জন্য চ্যালেঞ্জ তৈরি হবে বলে মনে করা হচ্ছে। এবারের ডিজিটাল মেলায় কয়েকটি আন্তর্জাতিক মানের সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে। এখানে অনেক সম্ভাবনার কথা বলা হয়। বাস্তবেও অনেক বিষয় তুলে ধরা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টাও বলেছেন, এই সেক্টর একটি দিন তৈরি পোশাক শিল্পকে ছাড়িয়ে যাবে। এটা ঠিক যে, এই সেক্টরে অনেক কাজ আছে। কিন্ত একটা সমন্বয় লাগবে। ইন্টারনেটের উচ্চ গতি সবার আগে প্রয়োজন। তাহলে কিন্তু আমাদের প্রযুক্তিবিদরা বড় ঘটনা ঘটিয়ে দিতে পারে।

দেশে সফটওয়্যার ও তথ্যপ্রযুক্তি সেবা খাতে রফতানি ২০১৮ সালে ১ বিলিয়ন ডলার আয় হয়েছে। টাকার হিসেবে প্রায় সাড়ে আট হাজার কোটি টাকা। বাংলাদেশে সফটওয়্যার খাতের সংগঠন বাংলাদেশ এ্যাসোসিয়েশন অব সফটওয়্যার এ্যান্ড ইনফরমেশন সার্ভিসেস (বেসিস) ও সফটওয়্যার রফতানিকারক প্রতিষ্ঠানগুলো এ তথ্য নিশ্চিত করেছে। সরকারের টার্গেট বা লক্ষ্য ছিল, ২০১৮ সালের মধ্যে এক বিলিয়ন রফতানি আয় করা। এছাড়া ২০২১ সালের মধ্যে ৫ বিলিয়ন ডলারের সফটওয়্যার ও সেবাপণ্য রফতানি করা। সফটওয়্যার রফতানিতে ক্যাশ ইনসেনটিভ দেয়াসহ, এ খাতের উন্নয়নে নেয়া নানা পদক্ষেপের কারণে ২০১৮ সালে সফটওয়্যার রফতানি বেড়েছে। গত দুই বছরে এ খাতে আয় বেড়ে দেড় বিলিয়নে দাঁড়িয়েছে।

সূত্র জানিয়েছে, শুরুতে তথ্যপ্রযুক্তি খাত নিয়ে মানুষের মনে এক ধরনের নেতিবাচক মনোভাব কাজ করত। এখন আর সেই নেতিবাচক ধারণাটি নেই। দেশের মানুষ বুঝতে পেরেছে তথ্যপ্রযুক্তি ছাড়া উন্নত বিশ্বের সঙ্গে একসঙ্গে চলা যাবে না। এ কারণেই এ খাত থেকে এক বিলিয়ন ডলারের রফতানি করা সম্ভব হয়েছে। এখনো হয়তো কেউ বিশ্বাস করতে চাইবে না, ৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার আয়ের বিষয়টি। তথ্যপ্রযুক্তি খাতে রফতানি মানে শুধু সফটওয়্যারে মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। বাংলাদেশ হার্ডওয়্যারেও উন্নতি করছে। ভারত, চীন ও ইউরোপের দেশগুলোর পাশাপাশি এখন ফিলিপাইন, পাকিস্তানের মতো দেশগুলোর সঙ্গে প্রতিযোগিতা করতে হচ্ছে। তবে দেশে শিক্ষার মানোন্নয়ন ও দক্ষ জনশক্তি তৈরির মাধ্যমে স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ রয়েছে।

Narayanganj mosque AC blast death toll reaches 18


A total of eighteen people died so far till Saturday evening among the severely burnt in Friday’s blast in a mosque in Fatullah of Narayanganj.

They succumbed to their injuries while undergoing treatment at Sheikh Hasina National Institute of Burn and Plastic Surgery of the Dhaka Medical College Hospital (DMCH).

The deceased were identified as Rasel (30), Kanchan Howlader (40), Nayan (27), Rashed (30), Rifat (18), Mostafa Kamal (34), Zubair (18), Sabbir (21), Kuddus Bepari (72), Delwar Hossain (48), Zunayed (17), Humayun Kabir (70), Ibrahim (43), Jamal (40), Joynal (38) and Mainuddin (12).

Dr Samanta Lal Sen, coordinator of Sheikh Hasina National Institute of Burn and Plastic Surgery at the Dhaka Medical College Hospital (DMCH), confirmed the information.

Some 37 people were admitted to the hospital after the blasts of seven air conditioners at the mosque, he earlier said.

Eighteen of the injured died till this evening, Dr Samanta added.

Locals said the incident took place when the devotees had just finished Esha prayers around 8:45 pm at Baitus Salam Mosque in Fatullah, Narayanganj on Friday night.

An air conditioner went off and sparked a fire inside the mosque. Later, the remaining six ACs exploded there, leaving some 40 devotees injured, they added.

ইতিহাস বিকৃতির অভিযোগ মান্নার সিনেমায়


প্রায় ১৭ বছর আগে অর্থাৎ ২০০৩ সালে মুক্তি পেয়েছিলো বহুল জনপ্রিয় সিনেমা ‘বীর সৈনিক’। মান্না, মৌসুমী, বিলকিস ইয়াসমিন সাথী, হুমায়ুন ফরিদী অভিনীত এই ছবিটি পরিচালনা করেছেন দেলোয়ার জাহান ঝন্টু। ছবিটির ইউটিউব কন্টেন্ট স্বত্বাধিকারী এসআইএস মিডিয়ার কর্ণধার এম এন ইস্পাহানি। যিনি চিত্রপরিচালক ইস্পাহানি আরিফ জাহান নামে খ্যাত। অনলাইন মাধ্যম ইউটিউবে প্রকাশ করা এই বাংলাদেশি সিনেমার বিরুদ্ধে মুক্তিযুদ্ধ ও বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে ইতিহাস বিকৃতির অভিযোগ উঠেছে।

আদালতের আদেশ অমান্য করে ইতিহাস বিকৃত করেছেন বলে প্রযোজক-পরিচালক দেলোয়ার জাহান ঝন্টু, ইউটিউব চ্যানেল এসআইএস মিডিয়ার এম. এন ইস্পাহানি ও লাভা মুভিজের মো. জাহাঙ্গীরের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছেন সাংবাদিক ও নাট্যনির্মাতা মাকসুদুল হক ইমু। অভিযুক্তদেরকে এরইমধ্যে আইনি নোটিশ দিয়েছেন অভিযোগকারী ইমু। তার পক্ষে ৩ সেপ্টেম্বর নোটিশ পাঠিয়েছেন আইনজীবী মোস্তফা কামাল মুরাদ।

ইমুর অভিযোগ, ‘প্রয়াত নায়ক মান্না অভিনীত ‘বীর সৈনিক’ নামের এ ছবিটিতে ইচ্ছাকৃত ইতিহাস বিকৃতি করা হয়েছে। ছবিতে স্বাধীনতার ঘোষক হিসেবে মেজর জিয়াউর রহমানের নাম ও ১৯৭১ সালের ৭ মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণ উপেক্ষা করে হঠাৎ ২৬ মার্চে জিয়াউর রহমানের ঘোষণার কথা উল্লেখ করা হয়েছে। অথচ ২০০৯ সালের ২১ জুন হাইকোর্ট এক রায়ের মাধ্যমে বিতির্কত এই বিষয়টির সমাধান করে দিয়েছেন। রায়ে বলা হয়েছে- ‘জিয়া নন, বঙ্গবন্ধুই স্বাধীনতার ঘোষক’।

সেই সঙ্গে আদালত জিয়াউর রহমানকে স্বাধীনতার ঘোষক উপস্থাপন করে প্রকাশিত ‘বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ, দলিলপত্র’-এর তৃতীয় খণ্ড বাতিল ঘোষণা করেছেন। যেহেতু ছবিটি ২০০৩ সালে মুক্তি পেয়েছিল, তখন বিএনপি-জামাত ক্ষমতায় ছিল। কিন্তু ২০০৯ সালে আদালত যে রায় দিয়েছেন, সেটিকে অমান্য করে ছবির সিস মিডিয়া (SIS Media) নামের ইউটিউব চ্যানেলে বিকৃত ইতিহাসের ছবিটি প্রকাশ করা হয়েছে। এ জন্যই ছবিটির সঙ্গে জড়িত প্রধান তিনজনকে আদালতের আদেশ অমান্য করায় আইনি নোটিশ পাঠানো হয়েছে। পাশাপাশি বঙ্গবন্ধু ও ৭ মার্চের ইতিহাস বিকৃতির সঙ্গেও জড়িত তারা।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমি তাদেরকে বিষয়টির সমাধানের জন্য বারবার বলেছি। তা সত্ত্বেও তারা সেটি সমাধান করেননি। কন্টেন্ট মালিক এমএন ইস্পাহানি ছবিটি ইউটিউব থেকে না সরানোর কারণে বাধ্য হয়ে আইনের আশ্রয় নিয়েছি। ছবিটির নির্মাতা দেলোয়ার জাহান ঝন্টু একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা। তার প্রতি সম্মান রেখেই আমি চাইছি ছবিতে ভুল ইতিহাস যাই দেখানো হয়েছে সেটা ঠিক করা হোক।’

এদিকে এ ব্যাপারে মন্তব্য জানতে সিস মিডিয়ার কর্ণধার এমএন ইস্পাহানি আরিফ জাহানের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তার সাড়া পাওয়া যায়নি। তবে বেশ কিছু গণমাধ্যমে তিনি বলেন, ‘ছবিটি আপলোড হওয়ার আগে তাতে কী ছিল আমি দেখিনি। আমি নিজে বঙ্গবন্ধুর আদর্শের লোক। আমি শুধু ছবিটির স্বত্ব কিনেছি। জানতাম না এখানে বিতর্কিত বিষয় আছে। আইনি নোটিশ পাওয়ার পর আমরা সেটি ইউটিউব থেকে সিরিয়ে দিয়েছি। প্রয়োজনীয় সংশোধন আনা হবে।’

প্রসঙ্গত, গতকাল বিকেল থেকে এখন পর্যন্ত ইউটিউব চ্যানেলে ‘বীর সৈনিক’ ছবিটি আর দেখা যায়নি।

চোরের বিকাশে টাকা দিলেই মিটার!


পল্লীবিদ্যুতের গ্রাহকদের মিটার চুরি এখন নিত্যনৈমত্তিক ঘটনা। চোর চক্রের একটি শক্তিশালী দল গাইবান্ধার বিভিন্ন জায়গা থেকে মিটার চুরি করে তাদের ফোন নম্বর রেখে যায়। ওই ফোন নম্বরে যোগাযোগ করলে বিকাশে টাকার বিনিময়ে মিটারটি আবার ফেরতও পাওয়া যায়। মিটার চুরির সাথে পল্লীবিদ্যুতের নিজস্ব লোকজন জড়িত বলে মনে করছেন ভুক্তভুগিরা। তথ্য-প্রযুক্তির ব্যবহার করে চোর ধরার ব্যবস্থা করা হবে বলে জানান পুলিশ।

বিভিন্ন সূত্রে জানা যায়, গাইবান্ধা জেলার সাঘাটা উপজেলা বিভিন্ন গ্রামে সেচ ও চাতাল কলে ব্যবহৃত বৈদুতিক মিটার চুরির ঘটনা ঘটছে। মিটার চুরির পরে মিটারের স্থানে রেখে যায় চোরের মোবাইল নাম্বার। এরপর সেই নাম্বারে যোগাযোগ করলে মোটা অংকের টাকার দাবি করেন। পরে তাদের দেয়া বিকাশ নাম্বারে টাকা দিলে চোরের দেয়া ঠিকানায় মেলে সেই চুরির মিটার।

সাঘাটা গোরেরপাড়া গ্রামের মো. শাহিন আলম বলেন, আমার মিটার হারানোর পরে মিটারের স্থানে রেখে যাওয়া নাম্বারটিতে ফোন দেই। তারা মিটার ফেরতের জন্য ১০ হাজার টাকা দাবি করে। বিষয়টি থানায় অবগত করার পরেও কোন প্রতিকার মেলেনি। এরপর চোরের দেয়া একটা বিকাশ নাম্বারে ৮ হাজার টাকা দেয়ার পরে আমার মিটার উদ্ধার হয়।

সাঘাটা বোনারপাড়া ইউনিয়নের বাসিন্ধা মো. মোখছেদুর রহমান বলেন, আমার মিটার চুরির পর থানায় জিডি করি। এরপরও কোন প্রতিকার পাইনি। পল্লীবিদ্যুৎ কতৃপক্ষ কোন ব্যবস্থা নেয়নি। চোরের সাথে ৫০ বারের বেশি মোবাইলে কথা হয়েছে। তারা টাকা ছাড়া মিটার দিতে রাজি হয়নি। পরে চোরের বিকাশে ৬ হাজার টাকা দেয়ার পর তাদের দেয়া ঠিকানায় নিদিষ্ট স্থান থেকে মিটার উদ্ধার করি।সাঘাটার কামালের পাড়া ইউনিয়নের সাবেক মেম্বার জয়নুল আবেদীন জানান, মিটার চুরির সাথে পল্লীবিদুতের লোকজন জড়িত। কেননা ফোন নাম্বার ব্যবহার করে মিটার চুরির পরেও বিদুৎ কতৃপক্ষ কোন ব্যবস্থা গ্রহণ করে না।

মিটার চুরির বিষয় পল্লীবিদ্যুৎ অফিসে জানানো হলেও তাদের ভূমিকা প্রশ্নবিদ্ধ। চড়া মূল্যে আবারো ওই গ্রাহকের কাছে মিটার বিক্রি করে ফায়দা লোটানোই যেন তাদের কাজ।

এ বিষয়ে গাইবান্ধা পল্লীবিদ্যুৎ অফিসের জেনারেল ম্যানেজার ছানাউল্লাহ বলেন, মিটার চুরি হলে আমরা গ্রাহককে থানায় ডিজি করতে বলি। জিডি কপি জমা দিলে আবারো তাদের মিটার দেয়া হয়। এক্ষেত্রে কিছুটা কম টাকা নেয়া হয় তাদের থেকে।

তিনি বলেন, পুলিশ তদন্ত করলেই বেরিয়ে আসবে কারা এই চুরির সাথে জড়িত। মানুষ সন্দেহে অনেক কিছুই বলতে পারে।চুরি থামাতে পুলিশ প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে সাঘাটা থানার পুলিশ তদন্ত কর্মকর্তা মশিউর রহমান বলেন, মোবাইল ফোন ব্যবহার করে বৈদুতিক মিটার চুরির ঘটনা ঘটছে। তাই তথ্য-প্রযুক্তির ব্যবহার করে চোর ধরার ব্যবস্থা করা হবে।

গত এক মাসে গাইবান্ধা জেলার সাঘাটা উপজেলার বিভিন্ন গ্রাম হতে প্রায় এক ডজন বৈদুতিক মিটার চুরির ঘটনা ঘটেছে।

গোমস্তাপুরে বন্যাদুর্গতের মাঝে জমঈয়তে আহলে হাদীসের ত্রান বিতরণ


গোমস্তাপুর (চাঁপাইনবাবগঞ্জ)প্রতিনিধিঃ  গোমস্তাপুরে জমঈয়তে আহলে হাদীসের উদ্যােগে বন্যাদুর্গতের মাঝে ত্রান বিতরণ করা হয়েছে। এ উপলক্ষে শনিবার সকালে রহনপুর উত্তর জামে মসজিদে সম্প্রতি বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত ৫০টি পরিবারের মাঝে ত্রানগুলো বিতরণ করা হয়। গোমস্তাপুর উপজেলা শাখার সভাপতি ও সাবেক সুপার এনামুল হকের সভাপতিত্বে আয়োজিত বিতরণ অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন, বাংলাদেশ জমঈয়তে আহলে হাদীসের জেলা শাখার সভাপতি মাও.আব্দুল খালেক,জমঈয়তে শুব্বানে আহলে হাদীসের জেলা সভাপতি আকবর আলী,ইসলামী ফাউন্ডেশনের সাবেক উপপরিচালক ও উপজেলা সাধারণ সম্পাদক সুলতান আহমেদ,গোমস্তাপুর উপজেলার সাবেক সভাপতি ডা. আশরাফুল ইসলাম। এ সময় উপস্থিত ছিলেন,মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের সাবেক উপপরিচালক আব্দুস সাত্তার বিশ্বাস,প্রাক্তন ব্যাংক কর্মকর্তা গোলাম মোস্তফা,সমাজসেবক আব্দুস সামাদ আজাদ ও আব্দুর জাব্বার।

ভোলাহাটে শিক্ষার্থীদের মাঝে জেলা প্রশাসকের সাইকেল বিতরণ


ভোলাহাট(চাঁপাইনবাবগঞ্জ)প্রতিনিধিঃ স্বাধীনতার মহান স্থপতি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এঁর জন্মশত বার্ষিকী উপলক্ষে স্কুল শিক্ষার্থীদের মাঝে ড্রামসেট বিতরণসহ বিভিন্ন কর্মসূচিতে জেলা প্রশাসকের যোগদান। ভোলাহাট ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান ইয়াজদানি জর্জের আয়োজনে ২০০৮-২০০৯ (বাস্তবায়ন ২০১৯-২০২০)এলজিএসপি-৩ অর্থায়নে ৫ সেপ্টেম্বর শনিবার সাইকেল বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন, চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা প্রশাসক এ জেড এমন নূরুল ইসলাম।
ভোলাহাট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মশিউর রহমানের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি ছিলেন, চাঁপাইনবাবগঞ্জ স্থানীয় সরকার উপ পরিচালক এ কে এম তাজকির-উজ-জামান, ভোলাহাট উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান রাব্বুল হোসেন। এ সময় স্বাগত বক্তব্য রাখেন, ভোলাহাট সদর ইউপি চেয়ারম্যান ইয়াজদানি জর্জ। অন্যানের মধ্যে ভোলাহাট চরধরমপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণীর শিক্ষার্থী লামিয়া খাতুনসহ অন্যরা। এ সময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, ভোলাহাট থানার অফিসার ইনচার্জ মাহবুবুর রহমান, জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি আব্দুল খালেক, উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক ইয়াসিন আলী শাহ, ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল কাদের, মসফিকুর ইসলাম তারা। অনুষ্ঠানে ভোলাহাট ইউনিয়নের ৫০ জন শিক্ষার্থীকে বাইসাইকেল ও ব্যাগ দেয়া হয়। এছাড়া চারটি স্কুলকে স্কাউটের ড্রামসেট দেয়া হয়। এর মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের পড়ালেখার মানবৃদ্ধি পাবে বলে জানান বক্তারা। পরে বাংলাদেশ স্কাউট ভোলাহাট শাখা আয়োজিত জেলা প্রশাসক প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে স্কাউটদের নিয়ে উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে উদ্ধুদ্বকরণ সভায় অনুষ্ঠিত হয়। সেখান থেকে দলদলী ইউনিয়নের বাসিয়াপুকুর গুচ্ছ গ্রাম পরিদর্শনে যান জেলা প্রশাসক।