সর্বশেষ সংবাদ চাঁপাইনবাবগঞ্জেে ট্রাক চাপায় নিহত এক এমপি হাজী সেলিম ও ছেলের সম্পদের খোঁজে দুদক সেনাবাহিনী দেশের মানুষের ভরসা ও বিশ্বাসের প্রতীক– প্রধানমন্ত্রী এবার অনলাইনেই খাজনা দেয়া যাবে চাঁপাইনবাবগঞ্জে ট্রাক-মোটরসাইকেল সংঘর্ষে আমনুরার বাদশা নিহত শিবগঞ্জ পৌর এলাকা কে নিরাপত্তা চাদরে ঢেকে দেয়ার প্রতিশ্রুতি সৈয়দ মনিরুলের চাঁপাইনবাবগঞ্জ ডায়াবেটিক সমিতির প্রতিষ্ঠাতা সদস্য ও প্রকৌশলী নজরুল ইসলাম আর নেই চলতি বছর পাঠ্যপুস্তকে অন্তর্ভুক্ত হচ্ছে ‘করোনা’ ও ‘ধর্ষণ’ বাংলাদেশের জন্য কোভিড-১৯ পরিকল্পনা অস্ট্রেলিয়ার দেশের সব নাগরিক পাবে বিনামূল্যে করোনা ভ্যাকসিন

বিকল্প ১১ দেশ থেকে পেঁয়াজ আসা শুরু

ভারত পেঁয়াজ রপ্তানি বন্ধ করায় বিকল্প দেশ থেকে আমদানি করা হচ্ছে। এরই অংশ হিসেবে প্রথম চালান এসেছে চট্টগ্রাম বন্দরে। দ্রুত খালাসও হয়েছে। গত সোমবার মিয়ানমারের ৫৪ টন পেঁয়াজের ছাড়পত্র ইস্যু নিয়েছে আমদানিকারক কায়েল স্টোর। খালাসের অপেক্ষায় আছে পাকিস্তান থেকে আসা আরও ১১৬ টন।

জানা গেছে, চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দরের উদ্ভিদ সংগনিরোধ কেন্দ্র থেকে ১ লাখ ৪৭ হাজার ৫৫৪ টন পেঁয়াজ আমদানির জন্য ৩২২টি অনুমতিপত্র (আইপি) নিয়েছেন ব্যবসায়ীরা। চীন, মিসর, তুরস্ক, মিয়ানমার, নিউজিল্যান্ড, নেদারল্যান্ডস, মালয়েশিয়া, সাউথ আফ্রিকা, ইউক্রেন, সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই), ভারত ও পাকিস্তান থেকে এসব পেঁয়াজ আমদানি করা হবে।

কাস্টমস কর্মকর্তারা জানান, চট্টগ্রাম বন্দরে আসা পেঁয়াজ দ্রুত খালাস দেওয়ার জন্য জরুরি ভিত্তিতে শুল্কায়ন কার্যক্রম করা হচ্ছে। অগ্রাধিকার ভিত্তিতে পেঁয়াজের শুল্কায়ন করছেন তারা। সোমবার ২ কনটেইনার পেঁয়াজ খালাস হয়েছে। আরও ৪ কনটেইনার পেঁয়াজ পাকিস্তান থেকে এসেছে। গতকাল মঙ্গলবার এগুলোর শুল্কায়ন সম্পন্ন হয়েছে।

চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দরের উদ্ভিদ সংগনিরোধ কেন্দ্রের সূত্রে জানা গেছে, ৯টি কনটেইনারে ২৫৮ টন পেঁয়াজ চট্টগ্রাম বন্দরে আসে। এর মধ্যে ‘কোটা এনগেরিক’ জাহাজে আসা ২ কনটেইনারে কায়েল স্টোরের ৫৪ টন খালাস হয়েছে বন্দর থেকে। সিঙ্গাপুরের ইন্দো সুয়েজ ট্রেডিং লিমিটেড এসব পণ্য রপ্তানি করে। অন্যদিকে ‘এক্স-প্রেস লোটসি’ জাহাজে তিনজন আমদানিকারকের ৭ কনটেইনার পেঁয়াজ এসেছে। চট্টগ্রামের গ্রিন ট্রেডের নামে পাকিস্তান থেকে চার কনটেইনারে ১১৬ টন এবং ঢাকার সজীব এন্টারপ্রাইজ এনেছে ৫৯ টন। একই প্রতিষ্ঠানের নামে ইউএই থেকে এসেছে ২৯ টন।

চট্টগ্রাম বন্দর সচিব মো. ওমর ফারুক বলেন, ভারত থেকে পেঁয়াজ রপ্তানি বন্ধের কারণে সংকট মোকাবিলায় বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে পেঁয়াজ আমদানি করছেন ব্যবসায়ীরা। এরই মধ্যে কয়েকটি চালান খালাস হয়েছে। অপেক্ষায় আছে আরও কয়েকটি।

দেশের সবচেয়ে বড় ভোগ্যপণ্যের পাইকারি বাজার খাতুনগঞ্জ। এখানকার ব্যবসায়ীরা বলছেন, পেঁয়াজ সংকট কাটাতে বিকল্প দেশ থেকে পণ্য আসা শুরু হয়েছে। এরই মধ্যে বেশ কিছু পেঁয়াজ আড়তে প্রবেশ করেছে। ফলে সংকট ও দাম বাড়ার কোনো কারণ নেই।

চালের দাম নির্ধারণ করল সরকার

প্রতি কেজি উৎকৃষ্টমানের মিনিকেট চাল ৫১ টাকা ৫০ পয়সা এবং মাঝারি মানের মিনিকেট চাল ৪৫ টাকা নির্ধারণ করে দিয়েছে সরকার। এই হিসাবে ৫০ কেজির বস্তার দাম হবে দুই হাজার ৫৭৫ টাকা। আর মাঝারি মানের ৫০ কেজির বস্তা দুই হাজার ২৫০ টাকা।

মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর আব্দুল গনি রোডে খাদ্য ভবনের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত দেশের চালকল মালিক, পাইকারি ও খুচরা চাল ব্যবসায়ীদের সঙ্গে আলোচনা শেষে চালের দর নির্ধারণের এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সরকার নির্ধারিত এ দর মিলগেটের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে বলে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে খাদ্য মন্ত্রণালয়।

এদিকে বৈঠক সূত্রে জানা গেছে, খাদ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব মোছাম্মৎ নাজমানারা খানুমের সভাপতিত্বে আয়োজিত বৈঠকে খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার, বাণিজ্য সচিব ড. মো. জাফর উদ্দীন, কৃষি সচিব মো. নাসিরুজ্জামান, খাদ্য অধিদফতরের মহাপরিচালক সারোয়ার মাহমুদ উপস্থিত ছিলেন। এ সময় খাদ্যমন্ত্রী আক্ষেপ করে বলেছেন, ‘একশ্রেণির অসাধু চালকল মালিক অবৈধভাবে ধান ও চাল মজুত করে রাখার জন্য চালের বাজার অস্থিতিশীল হয়েছে। আমার নিজের নির্বাচনি এলাকা নওগাঁয় হাজার হাজার মেট্রিক টন ধান মজুত রয়েছে।

বৈঠকে খাদ্যমন্ত্রী আরও বলেন, দেশে কৃষকদের কাছে দুই শতাংশও ধান নাই। গোপন সার্ভে করে প্রায় ৫০টা মিলের খোঁজ পেয়েছি। এসব মিলে কমপক্ষে ২০০ মেট্রিক টন থেকে সর্বোচ্চ তিন হাজার মেট্রিক টন ধান মজুত রয়েছে। এমনকি ৫০০ মেট্রিক টন চালও মজুত রয়েছে। আড়তদাররাও ধান ও চাল মজুত করে রাখছে। মিল মালিকদের উদ্দেশে খাদ্যমন্ত্রী বলেন, ‘আপনারা সব জানেন। কিন্তু আপনারা সরকারকে তথ্য দিয়ে সহযোগিতা করছেন না।

প্রকল্পের নথি বাংলায় তৈরি করার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

সাধারণ মানুষের সহজে বোঝার স্বার্থে প্রকল্পের নথি বাংলায় তৈরি করার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ডিজিটাল ভূমি জোনিংয়ের সময় বাংলায় সব তথ্য নেওয়ারও নির্দেশ দিয়েছেন তিনি। গতকাল মঙ্গলবার জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) বৈঠকে তিনি এ নির্দেশ দেন। বৈঠক শেষে ব্রিফিংয়ে পরিকল্পনামন্ত্রী এমএ মান্নান এ তথ্য জানান।

পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, নদীর পাড় দখলমুক্ত করতে নির্দেশ দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, পাড় অবৈধ দখলমুক্ত করার পাশাপাশি কচুরিপানামুক্ত করে ড্রেজিং করতে হবে। নৌপথের বর্জ্য অপসারণে নৌপরিবহন এবং পানিসম্পদ মন্ত্রণালয় যৌথভাবে কাজ করবে।

শুধু মেডিক্যাল বর্র্জ্যই নয়, সব ধরনের বর্জ্যব্যবস্থাপনা জোরদারে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেছেন, বাস, নৌ, বিমান বা যে কোনো স্টেশনের বর্জ্য অপসারণ করতে হবে। এ কাজে যেসব সংস্থা দায়িত্বপ্রাপ্ত

তাদের সঠিকভাবে দায়িত্ব পালন করতে হবে।

কৃষিজমি রক্ষায় যেখানে সেখানে শিল্পস্থাপন না করার নির্দেশনা দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, অর্থনৈতিক অঞ্চলে শিল্প স্থাপন করতে হবে, যেখানে গ্যাস, পানি, বিদ্যুৎ, রাস্তাসহ সব ধরনের সুবিধা রয়েছে।

গ্যাসেও স্বয়ংসম্পূর্ণ হওয়ার পথে দেশ


আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন সরকারের ১১ বছরে দেশে বিভিন্ন খাতে উল্লেখযোগ্য সাফল্য এসেছে। তবে সফলতার পথে এই অগ্রযাত্রায় দেশের বিদ্যুৎ খাত আছে সর্বাগ্রে। দেশের ৯৭.৫০ শতাংশ জনগোষ্ঠী এরই মধ্যে বিদ্যুতের আওতায় চলে এসেছে। পাশাপাশি গ্যাসেও স্বয়ংসম্পূর্ণ হওয়ার পথে এগিয়ে যাচ্ছে দেশ।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দূরদর্শিতা ও বলিষ্ঠ নেতৃত্বের কারণে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে এমন সাফল্য অর্জন সম্ভব হয়েছে বলে মনে করেন সংশ্লিষ্ট ক্ষেত্রের বিশেষজ্ঞরা। ‘শেখ হাসিনার উদ্যোগ—ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ’ স্লোগান সামনে রেখে শতভাগ ও নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করতে সরকার যে বিশাল কর্মযজ্ঞ হাতে নিয়েছে তার সফল বাস্তবায়ন করতে দিন-রাত কাজ করে চলেছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ।

প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বলেন, ‘অর্থনীতির প্রধান চালিকাশক্তি বিদ্যুৎ ও জ্বালানি। দেশের প্রতিটি ঘরে বিদ্যুৎ পৌঁছে দেওয়া এখন আর স্বপ্ন নয়। বিদ্যুতের পাশাপাশি গ্যাসেও আমরা স্বয়ংসম্পূর্ণ হতে যাচ্ছি। আমরা এখন নিরবচ্ছিন্ন গ্যাস সরবরাহ দিতে পারছি। গ্যাস দেওয়া নিয়ে এখন আর কোনো অভিযোগ নেই।’

তিনি বলেন, দেশের প্রায় শতভাগ মানুষ এরই মধ্যে বিদ্যুৎ সুবিধার আওতায় চলে এসেছে। ১১ বছর আগেও তা ছিল মাত্র ৪৭ শতাংশ। আওয়ামী লীগ ২০০৯ সালে সরকারের দায়িত্ব গ্রহণের পর উৎপাদনে আত্মনির্ভরশীলতা অর্জনের মাধ্যমে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতকে অগ্রাধিকার খাত হিসেবে ঘোষণা করে। ২০২১ সালের মধ্যে ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যে একটি রোডম্যাপ তৈরি করা হয়। নির্ধারিত সময়ের এক বছর আগেই মুজিববর্ষের মধ্যে গ্রিড এলাকা শতভাগ বিদ্যুৎ সুবিধার আওতায় নিয়ে আসা হবে।

পাওয়ার সেলের মহাপরিচালক মোহাম্মদ হোসাইন বলেন, ২০০৯-১০ সালের চ্যালেঞ্জ ছিল এক রকম। তখন উৎপাদনে স্বল্পতা ছিল। গত তিন-চার বছরের বড় চ্যালেঞ্জ ছিল কিভাবে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সেবা পৌঁছানো যায়। সেই চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করতে গিয়ে বর্তমান প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ যথেষ্ট দক্ষতার পরিচয় দিয়েছেন। তাঁর দক্ষতায় বিদ্যুৎ বিভাগ বারবার চ্যাম্পিয়ন হচ্ছে। বিগত কয়েক বছরে এডিপি বাস্তবায়ন শতভাগ হচ্ছে। করোনা পরিস্থিতিতেও এডিপি প্রায় শতভাগ বাস্তবায়ন হয়েছে। মেগাপ্রকল্পগুলো নির্ধারিত সময়ের মধ্যে উৎপাদনে নেওয়ার লক্ষ্যে নিরলস কাজ করে যাচ্ছে। নবায়নযোগ্য জ্বালানির বড় প্রসার হয়েছে। প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদের দূরদর্শী নেতৃত্বের কারণেই এসব সম্ভব হচ্ছে।

নসরুল হামিদ বলেন, ‘আমরা এরই মধ্যে ৯৭.৫ শতাংশ মানুষের কাছে বিদ্যুৎ পৌঁছে দিতে সক্ষম হয়েছি। বর্তমান সরকারের নির্বাচনী ওয়াদা ছিল শতভাগ বিদ্যুৎ এবং বিতরণ ব্যবস্থা উন্নয়নের মাধ্যমে গ্রাহকদের নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করা। মাত্র ১১ বছরে বিদ্যুৎ খাতে যে অভূতপূর্ব পরিবর্তন এসেছে তা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দূরদর্শী নেতৃত্বের কারণেই সম্ভব হয়েছে।’

প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের আধুনিকায়নে একগুচ্ছ নতুন প্রকল্প নেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে গ্যাসের বিভিন্ন বিতরণী সংস্থা, বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম এক্সপ্লোরেশন অ্যান্ড প্রডাকশন কম্পানি লিমিটেড (বাপেক্স) এবং বিস্ফোরক অধিদপ্তরের আধুনিকায়ন। বিদ্যুৎ মন্ত্রণালয়ই প্রথম এন্টারপ্রাইজ সফটওয়্যার ইমপ্লিমেন্টের দিকে গেছে। এমনকি ভবিষ্যতে এই মন্ত্রণালয়কে আমরা পেপারলেস করার জন্য প্রকল্প হাতে নিয়েছি।’

চাঁপাইনবাবগঞ্জে জেলার মিডিয়ার্কর্মীদের সাথে জেলা প্রশাসকের বিদায়ী শুভেচ্ছা মতবিনিময়


চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি ॥ চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়াকর্মীদের সাথে শুভেচ্ছা মতবিনিময় করেছেন জেলা প্রশাসক এ জেড এম নূরুল হক। জেলা প্রশাসনের আয়োজনে মঙ্গলবার রাতে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে এই শুভেচ্ছা বিনিময় সভা হয়। মতবিনিময় সভায় উপস্থিত ছিলেন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) দেবেন্দ্র নাথ উরাঁও, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট মো. জাকিউল ইসলাম, সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. নাজমুল ইসলাম সরকারসহ জেলা প্রশাসনের বিভিন্নস্তরের কর্মকর্তা। এসময় উপস্থিত ছিলেন, চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রেসক্লাবের সভাপতি মাহবুবুল আলম ও সাধারণ সম্পাদক শহীদুল হুদা অলক, চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি জাফরুল আলম ও সাধারণ সম্পাদক রফিকুল আলম, প্রবীণ সাংবাদিক ডিএম তালেবুন নবী, মুক্তিযোদ্ধা মো. তসলিম উদ্দিন, শামসুল ইসলাম টুকু, গোলাম মোস্তাফা মন্টু,গৌড় বাতার্ সম্পাদক এ কে এস রোকন সহ জেলার বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেক্ট্রনিক মিডিয়াকর্মীরা। জেলা প্রশাসক এ জেড এম নূরুল হক মতবিনিময়কালে বলেন, দুই বছরের বেশি সময় এই জেলার জেলা প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছি। অনেক কিছু করতে পেরেছি আবার অনেক কিছুই পারিনি। চেষ্টা করেছি মানবিক জেলা প্রশাসন গড়ার। আমার বিশ্বাস আমি পেরেছি। আমি চেষ্টা করেছি সকলের সহযোগিতায় এই জেলার উন্নয়ন করার। ডেঙ্গু পরিস্থিতি এবং চলতি বছরের করোনা ভাইরাস পরিস্থিতি আপনাদের সহযোগিতায় মোকাবেলা করতে পেরেছি। ইংলিশ ভার্সন স্কুলটি প্রতিষ্ঠায় সাংবাদিকদের সহযোগিতা কামনা করে তিনি বলেন-আমি রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোতে বদলি হয়েছি। চেষ্টা করব চাঁপাইনবাবগঞ্জের আম রপ্তানি নিয়ে কাজ করার।

২২ এ চ্যানেল আই॥ বিভিন্ন মহলের শুভেচ্ছা


চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি ॥ দেশের প্রথম ডিজিটাল স্যাটেলাইট টেলিভিশন ‘চ্যানেল আই’ এর ২২তম শুভ জন্মদিন ১ অক্টোবর। “২২ এ চ্যানেল আই-সামনে এগিয়ে যাই” শ্লোগানে এবছর করোনা প্রভাবে ডিজিটাল পদ্ধতিতে পালন করা হচ্ছে জন্মদিন। করোনাকালে অন্যান্য বছরের মত জেলায় জেলায় র‌্যালী, কেক কাটা, আলোচনা সভা আয়োজন সম্ভব না হলেও জন্মদিন উপলক্ষে শুভেচ্ছা কার্ড বিতরণ করা হয়েছে জেলার উর্ধ্বতন কর্মকর্তা, গণমাধ্যমকর্মীদের সংগঠন, ব্যবসায়ী ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দের মাঝে। শুভেচ্ছা কার্ডের সাথে থাকা স্ক্যান কপি দিয়ে সংযুক্ত হয়ে শুভেচ্ছা দেয়ার জন্য ব্যবস্থার রয়েছে।
দেশের প্রথম ডিজিটাল স্যাটেলাইট টেলিভিশন ‘চ্যানেল আই’ এর ২২তম জন্মদিনে অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানিয়েছেন-চাঁপাইনবাবগঞ্জ-১ (শিবগঞ্জ) আসনের সংসদ সদস্য ডাক্তার সামিল উদ্দিন আহমদ শিমুল, চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর আসনের সংসদ সদস্য ও বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি’র যুগ্ম মহাসচিব মো. হারুনুর রশীদ, জেলা প্রশাসক এ জেড এম নূরুল হক, পুলিশ সুপার এ এইচ এম আবদুর রকিব বিপিএম-পিপিএম (বার), সিভিল সার্জন ডা. জাহিদ নজরুল চৌধুরী, চাঁপাইনবাবগঞ্জ চেম্বারের সভাপতি, ‘এরফান গ্রুপ’র চেয়ারম্যান ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক, ‘দৈনিক চাঁপাই দর্পণ’ এর প্রধান উপদেষ্টা আলহাজ¦ মো. এরফান আলী, চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রেসক্লাবের সভাপতি আলহাজ¦ মাহবুবুল আলম, সাধারণ সম্পাদক শহীদুল হুদা অলক, চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি মো. জাফরুল আলম, সাধারণ সম্পাদক রফিকুল আলম, গৌড় বাতার্ র সম্পাদক এ কে এস রোকন, চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি ও জেলা পরিষদ সদস্য আলহাজ¦ মঈনুদ্দিন মন্ডল, সাধারণ সম্পাদক ও চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর আসনের সাবেক সংসদ সদস্য মো. আব্দুল ওদুদ, আমার চ্যানেল আই দর্শক ফোরাম চাঁপাইনবাবগঞ্জ এর পক্ষে ফোরামের সভাপতি আলহাজ¦ ইকবাল মনোয়ার খান চান্না, নবাব অটো রাইস এন্ড ফিড মিলস্ লিমিটেডের মালিক ও নবাব মৎস্য খামার প্রকল্প এর স্বত্তাধিকারী আলহাজ¦ মো. আকবর হোসেন, জেলার আম ও অন্যান্য ফলের পরিচর্যায় ‘ফুট প্রটেক্টিং পেপার ব্যাগ’ উৎপাদনকারী একমাত্র প্রতিষ্ঠান “চাঁপাই এগ্রো ইন্ডাষ্ট্রিজ লিমিটেডে’র পরিচালক মো. শফিকুল ইসলাম ও চেয়ারম্যান জেসমিন আখতার, জেলা তথ্য অফিসার মো. ওয়াহিদুজ্জামান, জেলার ক্যাবল নেটওয়ার্ক চাঁপাইনবাবগঞ্জ ইকো চ্যানেল এর নেতৃবৃন্দ, পানি উন্নয়ন বোর্ড চাঁপাইনবাবগঞ্জ এর নির্বাহী প্রকৌশলী মো. মেহেদী হাসান, জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম, জেলা মৎস্য কর্মকর্তা ড. আমিমুল এহসান, জেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা ড. মোস্তাফিজুর রহমান, চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মো. মোজাফফর হোসেন, চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি আরিফুর রেজা ইমন ও সাধারণ সম্পাদক ডা. সাঈফ জামান আনন্দ। ইসলামিক ফাউন্ডেশন চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা কার্যালয়ের উপ-পরিচালক মো. আবুল কালাম, জেলা শিশু বিষয়ক কর্মকর্তা মো. শফিকুল আলম, মহিলা ও শিশু বিষয়ক অধিদপ্তরের চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা কার্যালয়ের উপ-পরিচালক মোসা. সাহিদা আখতার, চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা বক্সিং একাডেমীর সাধারণ সম্পাদক রাজু আহমেদসহ বিভিন্ন সরকারী-বেসরকারী প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা ও সংগঠন।
‘চ্যানেল আই’ এর ২২তম শুভ জন্মদিনে অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানিয়েছেন ‘দর্পণ পরিবার’র এবং চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলাবাসীর পক্ষ থেকে চ্যানেল আই’র জেলা প্রতিনিধি, ‘দৈনিক চাঁপাই দর্পণ’ এর প্রকাশক ও সম্পাদক, ‘দর্পণ টিভি’র (অনলাইন) ব্যবস্থাপনা পরিচালক আশরাফুল ইসলাম রঞ্জু, ‘চাঁপাই দর্পণ’ উপদেষ্টা পরিষদের সদস্যগণ, ‘দর্পণ ইয়ুথ ক্লাব’ এর সদস্যগণ, বাংলাদেশ কান্ট্রি গেমস এ্যাসোসিয়েশন চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার কমিটির সদস্যগণসহ জেলার অসংখ্য সাধারণ মানুষ ও কৃষকগণ। সকলে চ্যানেল আই’র উত্তরোত্তর উন্নতি ও দীর্ঘায়ু কামনা করেছেন অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা বার্তায়।

নাচোলে ভিটামিন এ প্লাস ক্যাম্পেইন সম্পন্ন

নাচোলে ভিটামিন এ প্লাস ক্যাম্পেইন সভা অনুষ্ঠিত হয়। আজ সোমবার বেলা ১১টায় নাচোল উপজেলা স্বাস্থ্য ও পঃ পঃ মিলনায়তনে ডা.সুলতানা পাপিয়ার সভাপতিত্বে জাতীয় ভিটামিন এ প্লাস ক্যাম্পেইন ২০২০ উপজেলা অ্যাডভোকেসি সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন পৌর মেয়র আব্দুর রশিদ খান ঝালু। ইসারুল হকের সঞ্চলনায় অন্যান্যের মধ্য বক্তব্য রাখেন আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা.সাকিল মাহমুদ,ডা.নাঈমা আক্তার পাপিয়া,নাচোল উপজেলা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক নুরুল ইসলাম বাবু। অনুষ্ঠানে জনপ্রতিনিধি, শিক্ষক,মৌলভী,সাংবাদিক ও স্বাস্থ্য কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

শিবগঞ্জে প্রশাসন ক্যাডারের আর্থিক অনুদানে ঘর নির্মাণ কাজের উদ্বোধন


নিজস্ব প্রতিবেদক, শিবগঞ্জ
চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলায় কর্মরত প্রশাসন ক্যাডারের সকল সদস্যদের আর্থিক অনুদানে শিবগঞ্জে সেমি পাকা ঘর নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়। বুধবার বিকেলে বাংলাদেশ এ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ সার্ভিস এসোসিয়েশন চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা শাখার বাস্তবায়নে শিবগঞ্জ পৌর এলাকার দৌলতপুর হাজিপাড়া গ্রামে মোসা. লুৎফন নেসাকে দুই কক্ষ বিশিষ্ট সেমি পাকা ঘর নির্মাণ কাজের উদ্বোধন করেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান স্মৃতি জাদুঘরের সদস্য সচিব ও সাবেক সচিব মো. নজরুল ইসলাম খান। এ সময় জেলা প্রশাসক এ জেড এম নূরুল হক, জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তা, শিবগঞ্জ উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান সৈয়দ নজরুল ইসলাম, শিবগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী সাকিব-আল-রাব্বি, গোমস্তাপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মিজানুর রহমান, শিবগঞ্জ উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা প্রকৌশলী আরিফুল ইসলাম, শিবগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ শামসুল আলম শাহসহ অন্যরা। এ সময় সাবেক সচিব মো. নজরুল ইসলাম খান বলেন, দেশে দারিদ্র নিরসনে সরকারের অঙ্গীকার বাস্তবায়ন এবং ভিক্ষাবৃত্তির মত অমর্যাদাকর পেশা থেকে মানুষকে নিবৃত করার লক্ষ্যে এ জনগোষ্ঠীর পুনর্বাসন ও বিকল্প কর্মসংস্থানের জন্য সরকার বিভিন্ন কর্মসূচি হাতে নিয়েছে। তিনি বলেন, জাতির পিতার স্বপ্ন ছিল বাংলাদেশ হবে ক্ষুধামুক্ত ও দারিদ্রমুক্ত। আমরা জাতির পিতার সেই স্বপ্ন পূরণে এগিয়ে যাচ্ছি। জাতির পিতার জন্মশতবার্ষিকীতে সরকারের লক্ষ্য দেশের একটি মানুষও গৃহহীন থাকবে না। প্রত্যেকটি এলাকা থেকে গৃহহীন মানুষকে খুঁজে খুঁজে ঘর করে তাদের ঘর করে দেয়া হচ্ছে। উল্লেখ্য, উপকারভোগী মোসা. লুৎফন নেসার স্বামীর নাম মো. শফিকুল ইসলাম। অসহায়-দরিদ্র নারী তার কোন নিজস্ব জমি নেই বর্তমানে সে তার ভাইয়ের বাড়িতে বসবাস করেন।

Bangladesh, US sign agreement on flight operations between two countries


Bangladesh has signed an air transport agreement with the United Sates on the operation of flights between two countries.

Under this bilateral agreement, Biman Bangladesh Airlines and private airline companies will be able to operate direct flights between Dhaka and New York.

Senior Secretary to the Ministry of Civil Aviation and Tourism Md Mohibul Haque and US Ambassador to Bangladesh Earl R Miller signed the agreement at the conference room of the civil aviation ministry in secretariat on Wednesday.

State Minister for Civil Aviation and Tourism Md Mahbub Ali and Chairman of Civil Aviation Authority of Bangladesh (CAAB) Air Vice Marshal M Mafidur Rahman, among others, were also present at the signing program.

After signing the agreement, Secretary M Mohibul Haque said all the airlines of Bangladesh and the US will be able to operate direct passenger and cargo flights between both the countries.

State Minister Md Mahbub Ali said, in 2013, the government initiated an air transport agreement with the US, but it never got past the draft stage. Now, Bangladesh is obtaining the benefits of the sincere efforts of Prime Minister Sheikh Hasina.

He further added that the US Federal Aviation Authority would inspect and audit Bangladesh’s airports, especially Hazrat Shahjalal International Airport, following the signing of the agreement.

During this period, Bangladesh will work for the development of necessary infrastructure and manpower reform, including airport security activities, he said.

US Ambassador Earl R Miller said this agreement would take the bilateral relations between the countries forward, playing pivotal role in boosting trade and tourism opportunities between Bangladesh and the US.

বাবরি মসজিদ ধ্বংসের মামলায় ৩২ আসামির সবাই খালাস


প্রায় তিন দশক আগে ভারতের বাবরি মসজিদ ধ্বংসের মামলায় বিজেপির প্রতিষ্ঠাতা সদস্য লালকৃষ্ণ আদভানিসহ ৩২ আসামির সবাইকে খালাস দিয়েছে উত্তর প্রদেশের একটি আদালত।

বুধবার লখনউয়ের বিশেষ সিবিআই আদালতের বিচারক সিদ্ধান্ত দিয়েছেন, বাবরি মসজিদ ধ্বংসের ওই ঘটনা ‘পরিকল্পিত ছিল না’।অভিযুক্তরা মন্দির ভাঙায় বাধা দিয়েছিলেন বলে মন্তব্য করেন বিচারক সুরেন্দ্রকুমার যাদব।১৯৯২ সালের ৬ ডিসেম্বর হিন্দু ‘করসেবকরা’ অযোধ্যার ৫০০ বছরের পুরনো মসজিদটি ভেঙে গুঁড়িয়ে দিয়েছিলেন।

স্থানীয় সময় সকাল ১০টায় রায় ঘোষণার প্রক্রিয়া শুরু হওয়ার কথা থাকলেও তা কিছুটা দেরিতে শুরু হয়। সোয়া ১১টা পর্যন্ত ২৬ জন অভিযুক্ত আদালতে হাজির হন।

করোনাভাইরাস মহামারীর মধ্যে বয়স ও স্বাস্থ্যগত কারণে আদালতে সশরীরে হাজিরা দেওয়া থেকে নিষ্কৃতি পান বিজেপির প্রতিষ্ঠাতা সদস্য লালকৃষ্ণ আদভানি, মুরলিমনোহর যোশী, সাবেক মন্ত্রী উমা ভারতী, কল্যাণ সিং, সতীশ প্রধান এবং রামমন্দির ট্রাস্টের প্রধান নৃত্যগোপাল দাস। ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে তারা আদালতে হাজিরা দিলেও যোশী যোগ দেননি।

বাবরি মসজিদ ধ্বংসের সময় উত্তর প্রদেশ রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন বিজেপির কল্যাণ সিং।

অভিযুক্তরা মন্দির ভাঙার ষড়যন্ত্র, পরিকল্পনা ও উস্কানিতে যুক্ত ছিল, এ বিষয়ে যথাযথ প্রমাণ না থাকায় বিচারক সবাইকে খালাস দিতে বাধ্য হন বলে জানিয়েছে আনন্দবাজার পত্রিকা।

১৯৯০-র দশকের শুরুর দিকে বিজেপি নেতা আদভানির ধারাবাহিক রথযাত্রা আয়োজনের এক পর্যায়ে ধর্মীয় উগ্রপন্থিদের হাতে মসজিদ ধ্বংসের এই ঘটনা ঘটেছিল। এই ঘটনার জেরে সংঘটিত সাম্প্রদায়িক দাঙ্গায় ওই সময় ভারতে প্রায় তিন হাজার মানুষ নিহত হয় আর দেশটির রাজনৈতিক ভারসাম্য ওলটপালট হয়ে যায়।

মসজিদ ধ্বংসের সময় আদভানি, যোশী ও ভারতী নিকটবর্তী একটি মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন। তদন্তকারী সংস্থাগুলো বলেছে, তারা তাদের বক্তব্যের মাধ্যমে উপস্থিত লোকজনকে প্ররোচিত করেছিলেন।

এই মামলার মোট ৪৯ জন অভিযুক্তের মধ্যে ইতোমধ্যেই বিশ্ব হিন্দু পরিষদের অশোক সিংঘল, শিবসেনার বাল ঠাকরে, অযোধ্যার পরমহংস রামচন্দ্র দাসসহ ১৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। জীবিত ছিলেন ৩২ জন, তারা সবাই বেকসুর খালাস পেলেন।

মুঘল সম্রাট বাবরের নামে প্রতিষ্ঠিত ১৫ শতকের ওই মসজিদটি সম্রাটের সেনাপতি মীর বাকি নির্মাণ করেছিলেন বলে জনশ্রুতি আছে। মসজিদ নির্মাণের স্থানটিকে রামে জন্মভূমি বলে দাবি করে আসছেন অনেকে। একটি পুরনো মন্দির ভেঙে মসজিদটি নির্মাণ করা হয়েছিল বলে তাদের অভিযোগ।

গত নভেম্বরে ভারতের সুপ্রিম কোর্ট এক আদেশে মসজিদের ওই জায়গায় একটি মন্দির নির্মাণ করার অনুমতি দিয়েছে।