সর্বশেষ সংবাদ চাঁপাইনবাবগঞ্জে নতুন করে করোনায় আক্রান্ত ১২ করোনার পর চীনে ছড়িয়ে পড়ছে নতুন রোগ আল্লামা শফী ঢাকায় মারা গেছেন ভোলাহাট প্রশাসনের সাথে মুক্তিযোদ্ধাদের মতবিনিময় চাঁপাইনবাবগঞ্জে প্রতিবেশীকে শায়েস্তা করতে……..! Decision on HSC exam on Sep 24 ‍at noon ADB’s grant to get $4 billion donation funds উত্তরবঙ্গে প্রথম ‘মধুবন সিনেপ্লেক্স’নামে হচ্ছে নতুন সিনেপ্লেক্স বান্ধবীর সাথে বিয়ের পিঁড়িতে বসছেন রোনালদো! নারায়ণগঞ্জে ফের মসজিদে বিস্ফোরণ:পাইপ মিস্ত্রি নিহত

শিবগঞ্জে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে ব্যবসায়ীর মৃত্যু


শিবগঞ্জ প্রতিনিধি :

চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মোসারোফ হোসেন মুসা (৩৮) নামে এক ইলেকট্রিক সামগ্রী ব্যবসায়ীর মৃত্যু হয়েছে।

মৃত ব্যক্তি শিবগঞ্জ পৌর এলাকার মৃত ইসমাইল হোসেনের ছেলে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) বিকেলে শিবগঞ্জ বাজারে নিজ ব্যবসা প্রতিষ্ঠান মোসারোফ ইলেকট্রিকে কাজ করছিলেন। এ সময় বৈদ্যুতিক শটসার্কিটে তিনি গুরুত্বর আহত হন।

পরে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক সদর আধুনিক হাসপাতালে রেফার্ড করে। পথেই তার মৃত্যু হয়।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে শিবগঞ্জ পৌরসভার ৫নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর কাজিউজ্জামান বাবু বলেন, বৈদ্যুতিক শটসার্কিটে মুসার মৃত্যু হয়েছে।

মহানন্দা নদীতে নিখোঁজের ২৪ ঘন্টা পর সেই শিশুর লাশ উদ্ধার


গোমস্তাপুর(চাঁপাইনবাবগঞ্জ) প্রতিনিধি ঃ চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুরে নদীতে ডুবে যাওয়া শিশু ফয়সাল (৮) কে ২৪ ঘন্টা পর ভাসমান অবস্থায় উদ্ধার করেছে স্থানীয়রা। ফয়সাল শিবগঞ্জ উপজেলার বালুচর গ্রামের বদিউর রহমানের ছেলে। গত সোমবার দুপুরে উপজেলার চৌডালা উদয়নগর গ্রাম সংলগ্ন মহানন্দা নদীতে গোসল করতে নেমে সে নিখোঁজ হয়।
রহনপুর ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের সিনিয়র ফায়ার ম্যান রেজাউল করিম জানান, ফয়সাল শিবগঞ্জের পিতার বাড়ি থেকে রোববার তার নানার বাড়ি গোমস্তাপুর উপজেলার চৌডালা ইউনিয়নের উদয়নগর গ্রামে বেড়াতে আসে। সোমবার দুপুরে নানা বাড়ি সংলগ্ন মহানন্দা নদীতে গোসল করতে নেমে ডুবে যায়। খবর পেয়ে উপজেলা ফায়ার সার্ভিস ও রাজশাহী ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরীদল শিশুটি উদ্ধার কাজে অংশ গ্রহণ করে। অনেক খোজাখুজি করে তাকে না পেয়ে রাত ৮ টার দিকে ওইদিনেররমত উদ্ধার কাজ সমাপ্ত ঘোষনা করে। মঙ্গলবার দুপুরে তার লাশ মহানন্দা নদীর নয়াদিয়াড়ী ঘাটে ভেসে ওঠে।

টানা ৩ মাসের রেকর্ড রেমিটেন্সে নতুন উচ্চতায় উন্নীত রিজার্ভ

ঢাকা: নতুন অর্থবছরের (২০২০-২১) প্রথম মাসে রেকর্ড পরিমাণ রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন প্রবাসীরা। গত জুলাই মাসে তাদের পাঠানো রেমিট্যান্সের পরিমাণ ছিল ২৬০ কোটি মার্কিন ডলার। বাংলাদেশি মুদ্রায় এর পরিমাণ ২২ হাজার ১০০ কোটি টাকা (১ ডলার ৮৫ টাকা ধরে)। অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্র বলছে, দেশের ইতিহাসে একমাসে সর্বোচ্চ রেমিট্যান্সের রেকর্ড এটাই।এর আগে, মে ও জুন মাসেও রেকর্ড পরিমাণ রেমিট্যান্স পাঠিয়েছিলেন প্রবাসীরা। মে মাসে এর পরিমাণ ছিল ১৭৪ কোটি ৫০ লাখ মার্কিন ডলার, জুনে সেই রেকর্ড ভেঙে ১৮৩ কোটি ৩০ লাখ মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স এসেছিল। এবার ৭৬ কোটি ৭০ লাখ ডলারের ব্যবধানে সেই রেকর্ডও ভাঙলো জুলাই মাসে। ফলে টানা তৃতীয় মাসের মতো রেমিট্যান্স নতুন রেকর্ড গড়েছে।

এদিকে, বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্র বলছে, রেমিট্যান্সের নতুন রেকর্ডের প্রভাব পড়ছে বাংলাদেশ ব্যাংকের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভেও। এই তিন মাস ধরেই নতুন উচ্চতায় উন্নীত হচ্ছে রিজার্ভ। এর ধারাবাহিকতায় আজ সোমবার (৩ আগস্ট) বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ পৌঁছে গেছে ৩৭ দশমিক ২৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে। দেশের ইতিহাসে এটি বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের রেকর্ড।

এক মাসের ইতিহাসে সর্বোচ্চ রেমিট্যান্স জুলাই মাসে

করোনাভাইরাসের বৈশ্বিক মহামারির মধ্যেও শুধু জুলাই মাসেই ২.৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন প্রবাসীরা। একক মাসে ইতিহাসে এর আগে কখনো এত পরিমাণ রেমিট্যান্স আসেনি।

গত জুন মাসে ১.৮৩৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলার সমপরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা দেশে পাঠিয়েছিলেন প্রবাসীরা। প্রবাসী আয়ের এ ঊর্ধ্বমুখী ধারা অব্যাহত থাকার জন্য সরকারের সময়োপযোগী ২ শতাংশ নগদ প্রণোদনাসহ বিভিন্ন পদক্ষেপের গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব রয়েছে বলে মনে করছে সরকার।

আজ অর্থ মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা গাজী তৌহিদুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, পাশাপাশি বাংলাদেশের ইতিহাসে এযাবতকালের মধ্যে সর্ব্বোচ্চ বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ৩৭.২৮৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে উন্নীত হয়েছে। গত ৩০ জুন বাংলাদেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ছিল ৩৬.০১৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। তখন পর্যন্ত বাংলাদেশের ইতিহাসে যেটি ছিল সর্বোচ্চ।

‘মাত্র এক মাসের ব্যবধানে সেটি পৌঁছেছে ৩৭.২৮৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের রেকর্ডে। রিজার্ভের উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে রেমিট্যান্সের অন্তঃপ্রবাহ।’

প্রবাসীদের প্রতি কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জ্ঞাপন করে অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় গত অর্থবছরের শুরু থেকে প্রবাসীদের প্রেরিত আয়ের উপর ২ শতাংশ নগদ প্রণোদনা প্রদান অব্যাহত আছে যার ফলে গতবছর ১৮ বিলিয়ন ডলারের বেশি রেমিট্যান্স এসেছে।’