সর্বশেষ সংবাদ Rape of Chakma girl: 6 give confessional statements the court Shahed gets life term in arms case পঞ্চম বিয়ে: প্রবাসীর স্ত্রীকে নিয়ে উধাও মসজিদের ইমাম দ্রুত ওমরাহ কার্যক্রম শুরু হচ্ছে: নতুন নিয়ম ও শর্ত! পরিচালকের বিরুদ্ধে মামলার পর এবার পায়েলে হুমকি সিলেট ও খাগড়াছড়িতে গণধর্ষণের প্রতিবাদে জেলা ছাত্রদলের বিক্ষোভ মিছিল প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিনে ফুলেল শুভেচ্ছা মোদির, চীনের অভিনন্দন বার্তা আবারো বাড়ছে মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মানী ! শেখ হাসিনার নেতৃত্ব বিশ্বে প্রশংসিত চাঁপাইনবাবগঞ্জে ছাত্রদলের বিক্ষোভ মিছিল

সবাইকে মাস্ক পড়ে স্বাস্থ্যবিধি মেনে সচেতন হয়ে চলতে হবে : প্রধানমন্ত্রী


প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, মাস্ক পরার পাশাপাশি সবাইকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে সচেতন হয়ে চলতে হবে। আমি বলতে চাই, সবাইকে মাস্ক পরে, স্বাস্থ্যবিধি মেনে সচেতন হয়ে চলতে হবে। নিজে সুরক্ষিত থাকা অন্যকে সুরক্ষিত রাখা। সবাইকেই এটা মেনে চলতে হবে।
আজ রবিবার বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের শাহাদত বার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে ঢাকা মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগ ও ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগ আয়োজিত আলোচনা সভায় অংশ নিয়ে তিনি এ আহ্বান জানান।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, এবার আমরা এক সংকটময় সময়ে আশুরা পালন করছি। করোনাভাইরাস সমগ্র বিশ্বকে স্থবির করে দিয়েছে। আমাদের সরকার এ পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিচ্ছে। আমরা জনগণকে সব সহযোগিতা অব্যাহত রেখেছি। আল্লাহ বিপদে মানুষের ধৈর্য পরীক্ষা করেন। এ সময় সবাইকে ধৈর্য নিয়ে সহনশীল ও সহানুভূতিশীল মনে একে অপরকে সাহায্য করে যেতে হবে।
তিনি বলেন, করোনার কারণে হয়তো সাময়িকভাবে কাজ বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। এর কারণে বাংলাদেশ তো বটেই সারাবিশ্বের অর্থনীতি স্থবির। তার মধ্যেও আমরা আমাদের কাজ অব্যাহত রেখেছি। রিজার্ভ ৪০ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত হয়েছে। স্বাস্থ্য সচেতনতা যাতে সৃষ্টি হয় সে চেষ্টা করে যাচ্ছি। সবাইকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে। তা না হলে এটা এমন একটা ভাইরাস কেউ চোখেও দেখতে পারে না। এর ফলে বহু মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।
তিনি আরো বলেন, আমাদের লক্ষ্য জাতির পিতার আদর্শ নিয়ে এগিয়ে যাওয়া। মুজিববর্ষ ও স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীতে এ দেশে কোনো মানুষ গৃহহারা থাকবে না, জমিহারা থাকবে না, এই লক্ষ্য নিয়ে আমরা কাজ করে যাচ্ছি। এর মধ্যে শুরু হলো করোনা ভাইরাস, শুধু বাংলাদেশে নয় সারা বিশ্বব্যাপী।
তিনি আরো বলেন, ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট ভোরের আলো ফোটার আগেই বাঙালি জাতিকে মুক্তির আলো দেখানো বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে হত্যা করেছিল চক্রান্তকারী কিছু বিপথগামী সেনাসদস্য। ঘাতকেরা সেদিন নারী ও শিশুদেরও রেহাই দেয়নি, যা ইতিহাসের এক কলঙ্কিত অধ্যায় হিসেবে পরিচিতি পেয়েছে।
ঢাকা মহানগর উত্তরের সভাপতি শেখ বজলুর রহমানের সভাপতিত্বে আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা বক্তব্য রাখেন।
সভায় কেন্দ্রীয় নেতাদের মধ্যে সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য মতিয়া চৌধুরী, জাহাঙ্গীর কবির নানক, যুগ্মসাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফ, আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, সাংগঠনিক সম্পাদক মির্জা আজম, দফতর সম্পাদক ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়াসহ অনেকে উপস্থিত ছিলেন। সভা পরিচালনা করেন ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগ দক্ষিণের সাধারণ সম্পাদক হুমায়ুন কবির এবং দোয়া মোনাজাত পরিচালনা করেন দক্ষিণের সভাপতি আবু আহম্মেদ মান্নাফী।

চট্টগ্রাম বন্দর কন্টেইনার হ্যান্ডলিংয়ে ৬ ধাপ এগিয়েছে


কন্টেইনার হ্যান্ডলিংয়ে এক বছরের ব্যবধানে ছয় ধাপ এগিয়ে চট্টগ্রাম বিশ্বের ব্যস্ততম বন্দরের তালিকায় ৫৮তম স্থান অর্জন করেছে। গত ২০১৮ সালে এই তালিকায় চট্টগ্রাম বন্দর ৬৪তম স্থানে ছিল। এ নিয়ে গত এক দশকে ৩০ ধাপ এগিয়েছে এই বন্দর।
লন্ডনভিত্তিক শিপিং বিষয়ক লয়েডস তালিকায় কন্টেইনার হ্যান্ডলিংয়ে এক বছরেই চট্টগ্রাম বন্দর ছয় ধাপ এগিয়ে এসেছে। অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির সাথে পথ চলতে কন্টেইনার হ্যান্ডলিংয়ের পাশাপাশি চট্টগ্রাম বন্দরের আরো সক্ষমতা বাড়ানোর প্রস্তাব সংশ্লিষ্টদের।
লয়েডস প্রতিবছরই বিশ্বের ব্যস্ততম বন্দরের তালিকা তৈরি করে থাকে। এ তালিকায় চট্টগ্রাম বন্দর ২০১০-২০১৯ সাল পর্যন্ত যথাক্রমে ৮৮, ৮৯, ৯০, ৮৬, ৮৭, ৭৬, ৭১, ৭০, ৬৪ ও ৫৮ তম স্থান অর্জন করে।
মূলত পোশাকশিল্পের রপ্তানির ওপর ভর করেই চট্টগ্রাম বন্দরে কনটেইনার পরিবহনের সংখ্যা বাড়ছে বলে উল্লেখ করা হয় লয়েডস লিস্টের প্রতিবেদনে। তবে অবস্থানগত উন্নতি হলেও প্রতিবেদনে চট্টগ্রাম বন্দরের সম্প্রসারণ জরুর বলেও স্মরণ করিয়ে দেওয়া হয়েছে।
বন্দর সূত্রে জানা যায়, সমুদ্রপথে বাংলাদেশের কন্টেইনার হ্যান্ডেলিংয়ের ৯৮ শতাংশ কাজ পরিচালিত হয় এ বন্দর দিয়ে। এ বন্দর দিয়ে যত পণ্য পরিবহন হয়, তার ২৭ শতাংশ কন্টেইনারে আনা–নেয়া হয়। বাকি ৭৩ শতাংশই আনা-নেওয়া হয় কন্টেইনারবিহীন সাধারণ জাহাজে। সাধারণ জাহাজের (বাল্ক, ব্রেক বাল্ক ও ট্যাংকার) খোলে আমদানি হয় মূলত সিমেন্ট, ইস্পাত ও সিরামিক কারখানার কাঁচামাল এবং পাথর, কয়লা, ভোগ্যপণ্য ও জ্বালানি তেল।
চট্টগ্রাম বন্দরের চেয়ারম্যান রিয়ার অ্যাডমিরাল এসএম আবুল কালাম আজাদ বলেন, আধুনিক বন্দর ব্যবস্থাপনা, স্বল্প মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদি উদ্যোগ, নতুন নতুন হ্যান্ডলিং ইক্যুইপমেন্ট সংগ্রহের পাশাপাশি সরকার, নৌপরিবহন মন্ত্রণালয় ও বন্দর ব্যবহারকারীদের সহযোগিতায় একের পর এক সাফল্য স্বীকৃতি অর্জন করছি আমরা। ধারাবাহিকভাবে চট্টগ্রাম বন্দরের সক্ষমতা ক্রমে বাড়ছে। পাশাপাশি পতেঙ্গা কনটেইনার টার্মিনাল, লালদিয়া টার্মিনাল, বে টার্মিনাল হয়ে গেলে বিশ্বের শীর্ষ কনটেইনার পোর্টে আমরা অনেক ধাপ এগোতে পারবো বলে আশা করি।
চট্টগ্রাম চেম্বারের সভাপতি মাহবুবুল আলম বলেন, শিল্প ও সেবা খাতে যে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি হচ্ছে, তার প্রতিফলন ঘটছে বন্দরের কনটেইনার পরিবহন বৃদ্ধির হারে। সামনে অর্থনৈতিক অঞ্চলের কারখানার জন্য কাঁচামাল আমদানি ও প্রস্তুত পণ্য রপ্তানি করতে হবে। ভারতের সাত রাজ্যে পণ্য পরিবহনের সুবিধাও চালু হয়েছে। তাতে কনটেইনার পরিবহন আগামী দিনে বাড়বে। এ জন্য বে টার্মিনাল চালুর বিকল্প নেই। কারণ, এখনকার অবকাঠামো দিয়ে আর বেশি কনটেইনার পরিবহনের সুযোগ নেই।

‘রাষ্ট্রপরিচালনায় আমাদের জন্য সবকিছু গড়ে দিয়ে গেছেন বঙ্গবন্ধু’

জাতীর জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মাত্র সাড়ে তিন বছরে আমাদের জন্য সবকিছু গড়ে দিয়ে গেছেন বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী ও বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, ‘আমি প্রথম ক্ষমতায় এসে দেখলাম, রাষ্ট্রপরিচালনার জন্য সব কিছুর ভিত তৈরি করে গেছেন বঙ্গবন্ধু। খাদ্য, বস্ত্র, বাসস্থানসহ মানুষের মৌলিক চাহিদা কীভাবে পূরণ হবে, দেশের আইন কী হবে, দুঃখী মানুষের মুখে হাসি ফোটানো, গরিবের সহায়তা করাসহ সব বিষয়ে তিনি কাজ করে গেছেন। রবিবার (৩০ আগস্ট) গণভবন থেকে সরাসরি সম্প্রচারিত জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে এক অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘দেশের সীমানা নির্ধারণ ও সমুদ্রসীমা নির্ধারণে বঙ্গবন্ধু কাজ করেছেন। একটি যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশ, কোনও রিজর্ভ নেই; সেখান থেকে দেশকে নিয়ে তিনি যেভাবে এগিয়ে গেছেন, তা আমাদের জন্য বিস্ময়। তিনি সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী, বিমানবাহিনী ও পুলিশসহ সব কিছুর ভিত তৈরি করে দিয়ে গেছেন। জাতিসংঘ ও কমনওয়েলথসহ বাংলাদেশকে আন্তর্জাতিক সব গুরুত্বপূর্ণ সংস্থার সদস্য করে গেছেন তিনি।’
শেখ হাসিনা বলেন, ‘পাকিস্তানি হানাদারেরা আগে রাজারবাগে আক্রমণ করে, ওই রাতেই বঙ্গবন্ধু স্বাধীনতার ঘোষণা দেন। তার আগে ৭ মার্চ ভাষণে তিনি গেরিলা যুদ্ধের ইঙ্গিত দিয়েছিলেন। বঙ্গবন্ধুকে ধরে নিয়ে পাক বাহিনী নির্যাতন করেছিল, মামলা দিয়েছিল; কিন্তু আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে তারা বঙ্গবন্ধুকে অপরাধী প্রমাণ করতে পারিনি। জনমত সবসময় তিনি পক্ষে পেয়েছেন।’
সরকার প্রধান বলেন, ‘বঙ্গবন্ধু এতকিছু করার পর কিছু কিছু লোক লেখে, কোনও উন্নয়নই নাকি হয়নি। কেন? কী উদ্দেশে তারা এগুলো বলে। অনেকে গণতন্ত্রের কথা বলে। মার্শাল ল দিয়ে কখনও গণতন্ত্র হয় না। জিয়াউর রহমান ক্ষমতায় আসার পর আমাদের পার্টির অনেক নেতাকে হত্যা করেছেন। অনেকের বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে গেছেন, আর খোঁজ পাওয়া যায়নি। যারা রণাঙ্গনে যুদ্ধ করেছেন, এমন সেনা অফিসারদের হত্যা করেছেন। চার নেতাকে হত্যা করা হয়েছে। জিয়ার সময় ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে একেক রাতে ৮-১০ জন করে ফাঁসি দেওয়া হয়েছে।’
তিনি বলেন, ‘চাটুকার কিছু মানুষ গণতন্ত্রের কথা বলেন। জনগণের মৌলিক চাহিদা পূরণ করা গণতন্ত্রের মূল লক্ষ্য। আর গণতন্ত্র থাকলেই কেবল মৌলিক চাহিদা পূরণ সম্ভব। আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার পরই মানুষ গণতন্ত্রের স্বাদ পেয়েছে। খাবার পেয়েছে। আশ্রয় পেয়েছে। চিকিৎসা পেয়েছে।’
শেখ হাসিনা বলেন, ‘মিলিটারি ডিকটেটর দ্বারা তৈরি করা দলের কেউ যেন আমাদের দলে না আস। তারা উড়ে এসে জুড়ে বসে। তারা আমাদের জন্য ক্ষতিকারক। তৃণমূল পর্যন্ত আওয়ামী লীগের সংগঠন বিস্তৃত।’
বঙ্গবন্ধুকন্যা বলেন, ‘আওয়ামী লীগ আছে বলেই দেশ পরিবর্তন হচ্ছে। আমাদের লক্ষ্য দেশটাকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া; মানুষের খাদ্য, বস্ত্র, বাসস্থান, শিক্ষা, চিকিৎসার ব্যবস্থা করা। বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন ছিল, এই দেশের মানুষের মুখে হাসি ফোটানো। আমরা সেই লক্ষ্যেই কাজ করে যাচ্ছি।’
প্রধামন্ত্রী বলেন, ‘স্বাস্থ্য সুরক্ষায় সবাইকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে। মাস্ক পরে চলতে হবে। আমাদের লক্ষ্য মৃত্যু হার কমিয়ে আনা এবং মানুষের পাশে দাঁড়ানো। আমাদের নেতাকর্মীরা মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন। আমাদের পুলিশ, বিজিবি, সেনাবাহিনী, আনসার সবাই করোনাকালে মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন।’

চাঁপাইনবাবগঞ্জে র‌্যাব-৫ এর অভিযানে মাদকসহ ৮ মাদকসেবী গ্রেপ্তার

চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি

র‌্যাব-৫ রাজশাহীর একটি আভিযানিক দল চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার সদরের রেহাইচর গ্রামস্থ নতুন স্টেডিয়ামের দক্ষিন পাশে দর্শক গ্যালারির নীচে অভিযান পরিচালনা করে প্রকাশ্যে মাদক সেবনের অপরাধে ৮ জন মাদকসেবী কে গ্রেপ্তার করেছে। ৩১ আগষ্ট সোমবার দুপুরে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। র‌্যাব-৫ এর গনমাধ্যমে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ তথ্য জানায় র‌্যাব।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন, মোঃ জাহিদুল ইসলাম (৩২), পিতা-মোঃ বজলার রহমান, মাতা-আক্তার জাহান, সাং-নামু শংকরবাটি, ওয়ার্ড নং-১০, মোঃ সিয়াম (২৫), পিতা-মোঃ আজাহার আলী, মাতাঃ গোলজান, সাং-পুরাতন সিএমবি ঘাট, ওয়ার্র্ড-১৩, মোঃ ফরহাদ আলী (২৫), পিতা-মোঃ সাজ্জাদ আলী, মাতা- হামিদুন বেগম, সাং-আলীনগর, ওয়ার্ড-০৩, মোঃ আলাল (৩৮), পিতা-মোঃ শুকুর উদ্দিন, মাতা- হাছিনা বেগম, সাং-স্বর্নকারপট্টি, ওয়ার্ড নং-০২, মোঃ আব্দুল মোমিন(৩৫), পিতা-মৃত মোস্তফা, মাতা- মোছাঃ জাহানারা, সাং- চক আলমপুর, ওয়ার্ড নং-০৬, মোঃ ফারুক হোসেন@জনি (৩৪), পিতা- খলিলুর রহমান, মাতা-ফাতেমা, সাং-হুজরাপুর কলোনী,ওয়ার্ড নং-০১, মোঃ মাসুম শেখ (৩৮), পিতা-মৃত ফজলুর রহমান শেখ, মাতা- রওশনারা, সাং- হুজরাপুর চন্ডিতলা, ওয়ার্ড নং-০১, মোঃ তোসিকুল ইসলাম (৪৮), পিতা- মৃত মোশাররফ হোসেন, মাতা-তাজিমন, সাং-,হুজরাপুর জিয়ানগর, ওয়ার্ড নং-০১, সর্ব থানা-চাঁপাইনবাবগঞ্জ।

এসময় তাদের কাছে থেকে গাঁজা-০২ গ্রাম, হেরোইন-০১ গ্রাম, হেরোইন খাওয়ার পাইপ-০৩টি, কেচি-০১টি এবং ও লাইটার-০২ পিচ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার সদর থানায় ০১টি নিয়মিত মামলা রুজু প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

গৌড়বার্তায় সংবাদ প্রকাশের পর র‌্যাবের হস্তক্ষেপে নিজ বাড়ীতে সেই মা

চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি

অবশেষে এলিট ফোর্স র‌্যাবের হস্তক্ষেপে নিজ ঠিকানা ফিরে পেলেন বৃদ্ধা মা নুরজাহান (৭৫)। সোমবার (৩১ আগষ্ট) সন্ধ্যায় র‌্যাব-৫, সিপিসি-১, চাঁপাইনবাবগঞ্জের কমান্ডার আজমাল হোসেনের নেতৃত্বে একটি দল বৃদ্ধাকে মেয়ে-জামাইয়ের হেফাজতে দিয়ে আসেন।

এর অাগে এ নিয়ে গৌড়বার্তায় একটি সংবাদ প্রকাশ হয়, চুরির অভিযোগে মেয়ে জামাই তাড়িয়ে দিল মাকে এ শিরোনামে।

‘সংবাদ প্রকাশিত হবার পর র‌্যাব-৫ বিষয়টি আমলে নিয়ে বৃদ্ধাকে বাড়ীতে উঠিয়ে দিয়ে আসেন। বৃদ্ধার যাতে কোনরকম অসুবিধা না হয় সে বিষয়ে মেয়ে-জামাইকে অনুরোধ করেন আজমাল হোসেন।

এ বিষয়ে র‌্যাব-৫, সিপিসি-১, চাঁপাইনবাবগঞ্জের কমান্ডার আজমাল হোসেন বলেন, অনলাইনে নিউজটি দেখার পর
র‌্যাব-৫, রাজশাহীর অধিনায়ক এডিশনাল ডিআইজি মাহফুজুর রহমান আমাকে বিষয়টি দেখার নির্দেশ দেন। সেই মর্মে আমরা বৃদ্ধা মা নুরজাহানকে বাড়ীতে উঠিয়ে দিয়ে এসেছি। নুরজাহানের নাতি সেনা সদস্য মেরাজ তার দায়িত্ব নিয়েছে। পরবর্তীতে বৃদ্ধার বিষয়টি আমাদের নজরদারীতে থাকবে বলে জানান আজমাল হোসেন।

নাচোলে কৃষকের মাঝে প্রনোদনার বীজ-সার বিতরণ

নাচোল(চাঁপাইনবাবগঞ্জ)

চাঁপাইনবাবগঞ্জের নাচোলে মাঝে খরিফ-২ মৌসুমে মাসকলাইএর উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকের মাঝেপ্রনোদনার মাসকলাই এর বীজ ও রাসায়নিক সার বিতরণ করাহয়েছে। আজ মেসামবার সকাল সাড়ে ১০টায় উপজেলা কৃষি দপ্তরেরআয়োজনে উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে উপজেলা নির্বাহীঅফিসার সাবিহা সুলতানার সভাপতিত্বে প্রধান অতিথিরবক্তব্য রাখেন, উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল কাদের। স্বাগতবক্তব্য রাখেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা বুলবুল আহম্মেদ।অন্যান্যের মাঝে বক্তব্য রাখেন কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তাকল্লোল কিশোর সরকার ও কসবা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানআজিজুর রহমান।এসময় নাচোল পৌর মেয়র আব্দুর রশিদ খান ঝালু, ভাইসচেয়ারম্যান রেজাউল করিম বাবু, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যানজান্নাতুন নাইম মুন্নী, কৃষি দপ্তরের উপ-সহকারী কৃষিকর্মকর্তাবৃন্দ ও প্রান্তিক কৃষকরা উপস্থিত ছিলেন। খরিফ-২মৌসুমের ২০২০-২০২১অর্থ বছরে উপজেলার ৪ ইউনিয়ন ও নাচোলপৌর এলাকার ২শ’ ৮০জন ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকের মাঝেবিনামূল্যে ৫কেজি করে মাস কলাই এর বীজ, ১০ কেজি ডিএপি ও৫ কেজি এমওপি রাসায়নিক সার বিতরণ করা হয়েছে।

Indian court orders release of 25 Bangladeshis


An Indian court has ordered the release of 25 Bangladeshi fishermen, who were detained by Assam police for violating their tourist visa conditions.

India’s Dhubri court passed the order yesterday, said SM Abraham Lincoln, a public prosecutor in Kurigram court and also convener of the Bangladesh-India Border Victim Rescue Committee.Abraham said Tanvir Mansur, assistant high commissioner of Bangladesh in Guwahati in India and Dhubri court lawyer Rajarshi Dasgupta confirmed the court order to him yesterday evening.

All 25 Bangladeshis are residents of Beparipara village under Ramna union at Chilmari upazila in Kurigram, our Lalmonirhat correspondent reports quoting SM Abraham.

He also said that the prosecution agreed to call off the case — under the violation of visa rules filed against the 25 Bangladeshis — following the request of Bangladesh government.

In this context, after hearing the lawyers of all the parties, the judge of the Dhubri court acquitted the 25 Bangladeshis.

“The charges brought against them were withdrawn. Now, they are expected to return home soon after completing other legal procedures,” SM Abraham added.

Twenty-six fishermen from Chilmari’s Ramna union went to India with valid passports and visas, from December 2019 to February 2020.

When they entered India, the country’s sudden lockdown put them in a difficult position. They were trying to get to the border to return to Bangladesh on May 2 when they were arrested by India’s Dhubri district police of Assam.

After coronavirus tests, they were sent for institutional quarantine. When their visa expired, Indian police arrested them and sent them to jail.

One of the 26 Bangladeshis — Bokul Mia — died in the Indian jail on July 1. Four days later, his body was sent back to Bangladesh. The rest are still in Indian jail.Abraham said Tanvir Mansur, assistant high commissioner of Bangladesh in Guwahati in India and Dhubri court lawyer Rajarshi Dasgupta confirmed the court order to him yesterday evening.

All 25 Bangladeshis are residents of Beparipara village under Ramna union at Chilmari upazila in Kurigram, our Lalmonirhat correspondent reports quoting SM Abraham.

He also said that the prosecution agreed to call off the case — under the violation of visa rules filed against the 25 Bangladeshis — following the request of Bangladesh government.

In this context, after hearing the lawyers of all the parties, the judge of the Dhubri court acquitted the 25 Bangladeshis.

“The charges brought against them were withdrawn. Now, they are expected to return home soon after completing other legal procedures,” SM Abraham added.

Twenty-six fishermen from Chilmari’s Ramna union went to India with valid passports and visas, from December 2019 to February 2020.

When they entered India, the country’s sudden lockdown put them in a difficult position. They were trying to get to the border to return to Bangladesh on May 2 when they were arrested by India’s Dhubri district police of Assam.

After coronavirus tests, they were sent for institutional quarantine. When their visa expired, Indian police arrested them and sent them to jail.

One of the 26 Bangladeshis — Bokul Mia — died in the Indian jail on July 1. Four days later, his body was sent back to Bangladesh. The rest are still in Indian jail.

২০ মাস ভাড়া দেয়নি ভাড়াটিয়া, উল্টো বাড়ির মালিককেই হুমকি ঃঃ থানায় অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক

চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার বারোঘরিয়া ইউনিয়নের লক্ষীপুর-ঝোরকাটাপাড়া এলাকার ২০ মাস ধরে ভাড়া না দিয়ে বাড়িতে অবস্থান করার অভিযোগ ভাড়াটিয়া নুরুন নাহার হিরামতির বিরুদ্ধে। জোরপূর্বক বাড়িতে অবস্থান করলেও ভাড়া চাইতে গেলে উল্টো বাড়ির মালিককেই হুমকি, মামলার ভয় ও গালিগালাজ দেয় ভাড়াটিয়া হিরামতি। এমনকি ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যানের মাধ্যমে কয়েকদফা বাড়ি ছাড়ার নোটিশ দেয়া হলে বাড়ি ছাড়ার অঙ্গীকার করেও ছাড়তে নারাজ এলাকায় দেহব্যবসায়ী হিসেবে পরিচিত ভাড়াটিয়া হিরামতি। ইউনিয়ন পরিষদ ব্যর্থ হলে বাড়ির মালিক লক্ষীপুর-ঝোরকাটাপাড়া এলাকার মৃত তালেব আলীর ছেলে মো. মফিজ উদ্দিন গত ২২ আগস্ট সদর মডেল থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। 

অভিযোগ ও ভাড়াটিয়ার তথ্য সম্মলিত নথি সূত্রে জানা যায়, ২০১৬ সালের ৫ ডিসেম্বর মাসিক ৩ হাজার টাকা চুক্তিতে মফিজ উদ্দিনের বাসা ভাড়া নেয় নুরুন নাহার ওরফে হিরামতি। ২০১৮ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত বাড়িভাড়া ঠিকমতোই পরিশোধ করে হিরামতি। এরপর ২০ মাস পেরিয়ে গেলেও আর ভাড়া দেয়নি চাঁপাইনবাবগঞ্জ বিধবা নারী সংস্থার সভানেত্রী হিরামতি। ভাড়া চাইতে গেলে উল্টো বাড়ির মালিক মফিজ উদ্দিনকেই বিভিন্ন হুমকি, অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ ও ভয়ভীতি দেখায় ভাড়াটিয়া। 
হিরামতির জাতীয় পরিচয়পত্র, ভাড়াটিয়া সম্পর্কিত তথ্য ও কোর্টের মাধ্যমে বিয়ের নথি হতে জানা যায়, একেক জায়গায় তার নাম ও ঠিকানা একেক রকম। কোথাও হিরামতি, কোথাও নুরুন নাহার হিরা, আবার কোথাও শুধু হিরা। ভাড়াটিয়ার তথ্যে তার তার স্থায়ী ঠিকানা চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ উপজেলার রসুলপুর উল্লেখ থাকলেও জাতীয় পরিচয়পত্রের ঠিকানা ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের দক্ষিণ বনশ্রী।
বাড়ির মালিক মফিজ উদ্দিন বলেন, গত ২০ মাস ধরে হিরামতি কোন ভাড়া দেয় না। চাইতে গেলে উল্টো নারী নির্যাতন ও ভাড়াটিয়া আইনে মামলার হুমকি দেয় সে। ইউনিয়ন পরিষদে কয়েকবার অভিযোগ করেও এর কোন সমাধান পায়নি। অবসরপ্রাপ্ত ব্যাংক কর্মকর্তা মফিজ উদ্দিন আরো বলেন, বৃদ্ধ অবস্থায় খুবই অসহায় বোধ করছি। মনে হচ্ছে দেশে আইন-আদালত কিছুই নাই। আমার বাড়ি ভাড়া দিয়ে ভাড়া দেয় না। উল্টো আমাকেই ভয় ও হুমকি দেয়। 
দীর্ঘদিন ধরে ভাড়া না দেয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করে বারোঘরিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোহা. আবুল খায়ের জানান, বাড়ির মালিকের আবেদনের প্রেক্ষিতে কয়েকবার নোটিশ পাঠালে ভাড়া পরিশোধ করে বাড়ি ত্যাগ করার অঙ্গিকার করলেও তা শোধ না করেই জোর করে বাড়িতে অবস্থান করছে। নারী নির্যাতন মামলাসহ বিভিন্নভাবে হুমকি দিয়ে ভাড়া না দিয়েও তার সেখানেই অবস্থান করছে হিরামতি। ইউনিয়ন পরিষদ কয়েকবার চেষ্টা করেও এর সমাধানে ব্যর্থ হয়েছে বলে জানান তিনি। 
তদন্ত কর্মকর্তা সদর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) সোহেল মুঠোফোনে জানান, কয়েকবার ঘটনাস্থলে গেলে হিরামতি নিজেই বাড়ির কাছে টাকা পাবো দাবি করে। এমনকি বাড়ি ছাড়বো না বলেও জানিয়ে দেন হিরামতি। 
অভিযোগ অস্বীকার করে মুঠোফোনে নুরুন নাহার ওরফে হিরামতি জানান, সব ভাড়া পরিশোধ করা আছে। অহেতুক ঝামেলা করছেন বাড়ির মালিক। ভাড়া নিয়ে কোন কিছু করলে বাড়ির মালিকের বিরুদ্ধে মামলা করার হুমকি দিয়ে তিনি বলেন, গত ফেব্রুয়ারিতে একটি ঝামেলা হলে বাড়িতে ঢুকে মালিক মফিজ উদ্দিন ও চেয়ারম্যান আবুল খায়ের। তারপরেই বাসা হতে ৭৫ হাজার টাকা হারিয়ে যায়।

Mortal remains of war hero CR Dutta arrive in Dhaka

The mortal remains of Bangladesh war hero CR Dutta, who died in a US hospital at the age of 93, arrived in Bangladesh on Monday.An Emirates flight brought his coffin to Hazrat Shahjalal International Airport at 8.45 am on Monday, said Rana Dasgupta, general secretary of Bangladesh Hindu-Buddhist-Christian Unity Council.

Dutta breathed his last on Aug 25 while receiving treatment in a Florida hospital.

The war hero’s coffin will be kept at the mortuary at the Combined Military Hospital in Dhaka, according to Hindu-Buddhist-Christian Unity Council. His family also took the same flight to Dhaka.

On Tuesday morning, his body will be taken to his Banani DOHS home and later to the Dhakeshwari Temple for a public homageDutta’s last rites will be performed at Rajarbag Cremation Ground at 11 am on Tuesday. The army will fire gun salutes prior to Dutta’s last rites.

CR Dutta had been living in New York with his children for the past decade after losing his wife. He moved to his daughter’s home in Florida in 2019.

Dutta, a sector commander of the 1971 Liberation War, was born in India’s Assam on Jan 1, 1927. His father was a police officer in the state. Later, his family permanently moved to Habiganj in Bangladesh. Dutta completed his secondary education from Habiganj Government High School and received his BSc degree from Daulatpur College in Khulna.

He joined the Pakistan Army in 1951 and was commissioned as a second lieutenant within a few days. He fought for Pakistan in the Indo-Pakistan War of 1965 as the commander of a company in Asalong. The Pakistani government subsequently rewarded him for his heroic contributions.

ভোলাহাটে গাছের চারা বিতরণ করলেন সাংসদ আমিনুল


ভোলাহাট(চাঁপাইনবাবগঞ্জ)প্রতিনিধিঃ ভোলাহাটে বিভিন্ন জাতের গাছের চারা বিতরণ করলেন এমপি আলহাজ¦ আমিনুল ইসলাম। সোমবার দুপুর ১২টার দিকে উপজেলা বন বিভাগের আয়োজনে উপজেলার চারটি ইউনিয়েনর বিভিন্ন শ্রেনী পেশার মানুষের মাঝে দেড় হাজার ফলজ বনজ ও ঔষধী গাছের চারা কৃষি অফিসের সামনে বিতরণ করা হয়। গাছের চারা বিরতন অনুষ্ঠানে অন্যানের মধ্যে ভোলাহাট উপজেলা নির্বাহী অফিসার মশিউর রহমান, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পঃ পঃ কর্মকর্তা ডাঃ আব্দুল হামিদ, উপজেলা বন কর্মকর্তা সেরাজুল ইসলাম, বিএনপি উপজেলা শাখার সিনিয়র সহ সভাপতি মাহতাব উদ্দিন, সহ সভাপতি ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান আনোয়ারুল ইসলাম, যুগ্ম সম্পাদক আল হেলাল, সাংগঠনিক সম্পাদক কাউসারুল ইসলাম রন্জ, কোষাধ্যক্ষ কামাল উদ্দিন, বিএনপি মহিলা নেতৃ সাবেক উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান রেশমাতুল আরশ রেখা, বিএনপি নেতা ঠিকাদার আলাউদ্দিন, উপজেলা যুব দল সভাপতি বেলাল উদ্দিন, সাধারণ সম্পাদক মন্সুর আলী, এমপির ব্যক্তিগত সহকারী কায়সার আহম্মেদসহ বিএনপি ও অঙ্গসহযোগি সংগঠনের বিভিন্ন স্তরের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। উল্লেখ গাছের চারা বিতরণের পূর্বে দলদলী ইউয়িনের চাত্রা বিলের পয়ঃনিস্কাশন বন্ধ হয়ে কৃষি জমির ফসল উৎপাদন ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে। এ জায়গাটি সরজমিন এমপি আলহাজ¦ আমিনুল হক পরিদর্শন করে পয়ঃনিস্কাশনের ব্যবস্থা করে দেয়ার আশ^াস দেন ক্ষতিগ্রস্থ কৃষকদের।