সর্বশেষ সংবাদ চাপাইনবাবগঞ্জে ন্যাশনাল ব্যাংকের চারজন সহ করোনা ভাইরাসে নতুন সংক্রামিত ২২ চাঁপাইনবাবগঞ্জে মাস্ক না পরায় ৪৫ জনকে জরিমানা শিবগঞ্জে মাস্ক না পরায় ৬১ জনকে ৭৭০০ টাকা জরিমানা জেকেজি চেয়ারম্যান ডা. সাবরিনা গ্রেফতার:এখনো অধরা ‘মহাপ্রতারক’ সাহেদ ভোলাহাটে মাদক মামলার আসামি গ্রেফতার বীরশ্রেষ্ঠ ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর সেতুর রং করেই দায়িত্ব শেষ ! সেতুর রেলিং ও ফুটপাত দেবে ঝুঁকিপূর্ন চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা ছাত্রলীগের গণযোগাযোগ ও উন্নয়ন বিষয়ক সম্পাদকের বৃক্ষ রোপণ অনিক দেওয়ানের স্বপ্ন কবি হবার। জনসাধারণকে মাস্ক ব্যবহার নিশ্চিত করতে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা জোরদার করার নির্দেশ মৎস্য ও প্রাণীসম্পদ সচিবের পুলিশ রিমান্ডে মৃত্যু , বিচার বিভাগীয় তদন্ত চেয়ে হাইকোর্টে রিট

কানসাট নিউজ এর ৭ম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উদযাপন

চাঁপাইনবাবগঞ্জের শীর্ষ অনলাইন নিউজ পোর্টাল “কানসাট নিউজ ২৪ ডট কম” এর ৭ম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী সিমিত পরিসরে উদযাপিত হয়েছে। সোমবার বিকেলে কানসাট গোপালনগর মোড়স্থ বলাকা মার্কেটে নিজস্ব কার্যালয়ে ৭ম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীর কেক কাটেন প্রধান অতিথি কানসাট নিউজ উপদেষ্টা পরিষদের প্রধান উপদেষ্টা ও কানসাট ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. বেনাউল ইসলাম।

কানসাট নিউজ এর প্রকাশক ও সম্পাদক মোহা. ইমরান আলীর সভাপতিত্বে উপস্থিত ছিলেন, কানসাট নিউজ পাঠক ফোরামের সভাপতি এ্যাড. শাহীনুর রহমান শাহীন, নির্বাহী সদস্য তানভীর আহমেদ, এইচ.এস হায়দার আহমেদ, আবু বকর সিদ্দিক, সদস্য আল-আমিন, আব্দুল আওয়াল, মো. ইউসুফ আলী, মোস্তাফিজুর রহমান।

এসময় সংক্ষিপ্ত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি বলেন, হাটি-হাটি পা-পা করে পাঠক, বিজ্ঞাপনদাতা, প্রতিনিধি, লেখক, কলামিস্ট ও শুভানুধ্যায়ীদের সহযোগিতায় এই দীর্ঘ সময় পার করে ৮ম বর্ষে পদার্পণ করলো চাঁপাইনবাবগঞ্জবাসীসহ সকলের জনপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল ‘কানসাট নিউজ ২৪ ডট কম’।

চাঁপাইনবাবগঞ্জ নিজ জেলা কে প্রাধান্য দিয়ে পার্শ্ববর্তী জেলাসহ দেশের বিভিন্ন জেলার ঘটে যাওয়া তথ্য সংগ্রহ করে নিরপেক্ষ ও বস্তুনিষ্ট সংবাদ প্রকাশ করে আসছে ‘কানসাট নিউজ ২৪ ডট কম’।

প্রধান অতিথি সকল পাঠক, বিজ্ঞাপনদাতা, প্রতিনিধি, লেখক, কলামিস্ট ও শুভানুধ্যায়ীদের শুভেচ্ছা ও ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, বিগত দিনে যেভাবে আপনারা কানসাট নিউজ এর পাশে ছিলেন, আগামীতেও আপনারা পাশে থেকে সহযোগিতা করবেন।

প্রধান অতিথি মো. বেনাউল ইসলাম কানসাট নিউজ ২৪ ডট কম এর উত্তরোত্তর সাফল্য কামনা করেন।

গোমস্তাপুরে এসএসসিতে শতভাগ পাশের তালিকায় ১৪ টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান

গোমস্তাপুর (চাঁপাইনবাবগঞ্জ) প্রতিনিধিঃ
এ বছর এসএসসি পরীক্ষায় গোমস্তাপুর  উপজেলায় শতভাগ পাশ করেছে ১৪ টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে । রাজশাহী শিক্ষা বোর্ডের ফলাফল ও কেন্দ্র ভিত্তি বিশ্লেষণে এই তথ্য জানা যায়।
এরমধ্যে রহনপুর এবি সরকারী উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ৮৬ জন অংশগ্রহণ করে জিপিএ ৫ পেয়েছে ৭৯ জন ও A গ্রেড পেয়েছে ৭ জন।
আলিনগর বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ৬০ জন অংশগ্রহণ করে জিপিএ ৫ পেয়েছে ৩২ জন, A গ্রেড ২৩ জন,A- গ্রেড ৪ জন,B গ্রেড ১জন। বেগুনবাড়ী বিআইবি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ৩০ জন অংশগ্রহণ করে জিপিএ ৫ পেয়েছে ১০জন, A গ্রেড ৬ জন,A- গ্রেড ১১ জন,B গ্রেড ৩ জন। ষড়গ্রাম বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ২৪ জন অংশগ্রহণ করে জিপিএ ৫ পেয়েছে ৩ জন, A গ্রেড ১০ জন,A- গ্রেড ১০ জন,B গ্রেড ২ জন ও C গ্রেড ১জন । রাধানগর এএনসি উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ৮৭ জন অংশগ্রহণ করে জিপিএ ৫ পেয়েছে ৩০ জন, A গ্রেড ২৫ জন,A- গ্রেড ১৯ জন,B গ্রেড ১১জন ও C গ্রেডে ২জন । জশৈল উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ৫৩ জন অংশগ্রহণ করে জিপিএ ৫ পেয়েছে ৫ জন, A গ্রেড ১৮ জন,A- গ্রেড ১০ জন,B গ্রেড ১৪ জন ও C গ্রেডে ৬ জন। বড়দাদপুর কেএএম উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ৪৯ জন অংশগ্রহণ করে A গ্রেড ২৯ জন,A- গ্রেড ১৪ জন,B গ্রেড ৬ জন পেয়েছে । রাণীবাড়ী উচ্চ বালিকা বিদ্যালয় থেকে ২৫ জন অংশগ্রহণ করে  A গ্রেড ১৫ জন,A- গ্রেড ২ জন,B গ্রেড ৭ জন ও C গ্রেড ১জন পেয়েছে । চৌডালা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ৬৪ জন অংশগ্রহণ করে জিপিএ ৫ পেয়েছে ১৫ জন, A গ্রেড ৩৮ জন,A- গ্রেড ১০ জন,B গ্রেড ১ জন । বসনীটোলা উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ১৯ জন অংশগ্রহণ করে জিপিএ ৫ পেয়েছে ৩ জন, A গ্রেড ৯ জন,A- গ্রেড ৫ জন,B গ্রেড ২ জন । চৌডালা দ্বিমুখী উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ১১৯ জন অংশগ্রহণ করে জিপিএ ৫ পেয়েছে ১৮ জন, A গ্রেড ৫৯ জন,A- গ্রেড ৩২ জন,B গ্রেড ৯ জন ও C গ্রেড ১জন । আঃ হামিদ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ৩৯ জন অংশগ্রহণ করে জিপিএ ৫ পেয়েছে ১৫ জন, A গ্রেড ১৫ জন,A- গ্রেড ৫ জন,B গ্রেড ২ জন ও C গ্রেড ২জন । সানপুর উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ৪৫ জন অংশগ্রহণ করে জিপিএ ৫ পেয়েছে ১১ জন, A গ্রেড ১৪ জন,A- গ্রেড ১৩ জন,B গ্রেড ৭ জন । হোগলা উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ৬৪ জন অংশগ্রহণ করে জিপিএ ৫ পেয়েছে ৮ জন, A গ্রেড ৩০ জন,A- গ্রেড ২৫ জন ও C গ্রেড ১জন ।
উল্লেখ্য, গোমস্তাপুর উপজেলায় কোন প্রতিষ্ঠানের শতভাগ শিক্ষার্থী ফেল করেনি। এ উপজেলায় এসএসসিতে মোট জিপিএ ৫ পেয়েছে ৫৫৬ জন শিক্ষার্থী। এর মধ্যে রহনপুর এবি সরকারী উচ্চ বিদ্যালয়ের ৮৬ জন শিক্ষার্থী মধ্যে রেকর্ড ৭৯ জন জিপিএ ৫ পেয়েছে।

বিয়ের সাত দিনের মাথায় শ্বশুরবাড়িতে গিয়ে লাশ হলেন জামাই

চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি
বিয়ের মাত্র্র সাত দিনের মাথায় শশুর বাড়ি গিয়ে নদীতে ডুবেে মারা গেছেে নিরব নামের এক ব্যক্তি।


চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ উপজেলায় মহানন্দা নদীতে ডুবে নববিবাহিত ওই যুবকের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। মাত্র সাতদিন পূর্বে গত ঈদ-উল-ফিতরের পরদিন ২৬’মে তার বিয়ে হয়।

পেশায় রাজমিস্ত্রী নীরব(২০) চাঁপাইনবাবগঞ্জ শহরের বালিগ্রাম এলাকার মো.নূরুলের ছেলে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায় সোমবার(১’জুন) দুপুর দেড়টার দিকে শ্মশুড়বাড়ি শিবগঞ্জের ধাইনগর ইউনিয়নের চৈতন্যপুর বামুন গ্রাম এলাকায় প্রাথমিক বিদ্যালয় সংলগ্ন ঘাটে মহানন্দা নদীতে গোসল করতে নেমে ডুবে যায় নীরব। খবর পেয়ে চাঁপাইনবাবগঞ্জ ফায়ার সার্ভিস ষ্টেশনের একটি উদ্ধারকারী দল ও রাজশাহী থেকে আসা ডুবুরী দল সন্ধ্যা সোয়া ৬টার দিকে নদী থেকে নীরবের মরদেহ উদ্ধার করে।

চাঁপাইনবাবগঞ্জ ফায়ার সার্ভিস ষ্টেশনের ষ্টেশন অফিসার মেহেরুল ইসলাম জানান, বিয়ের পর প্রথা অনুযায়ী প্রথম শ্মশুড়বাড়ি বেড়াতে যায় নীরব। কিন্তু দূর্ভাগ্যক্রমে তার অকাল মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় নীরবের নিজ ও শ্মশুড়বাড়ি এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

ভারতের আগ্রহে মঙ্গলবার সোনামসজিদ স্থলবন্দর চালু হতে যাচ্ছে।

নিজস্ব প্রতিবেদক:

ভারতের মাহদীপুর রপ্তানীকারক এ্যাসোসিয়েশনের আগ্রহে মঙ্গলবার থেকে আবারো চালু হচ্ছে দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম স্থলবন্দর সোনামসজিদ। করোনার কারণে দীর্ঘ ২ মাস ৭ দিন বন্ধ থাকার পর সোনামসজিদ স্থলবন্দর দিয়ে স্বাস্থ্যবিধি মেনে আমদানী রপ্তানী শুরু হতে যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন সোনামসজিদ কাষ্টমস এর সহকারী কমিশনার মো: সাইফুর রহমান।
তিনি জানান, ২৫ মার্চ সোনামসজিদ স্থল বন্দর দিয়ে বন্ধ হয়ে যায় পন্য আমদানী ও রপ্তানী।পরে সীমিত আকারে ১৫ এপ্রিল থেকে অফিস চালুর সরকারী সিদ্ধান্তের পর থেকেই বন্দর কার্যক্রম চালুর চেষ্টা হলেও ভারতীয় কতৃপক্ষের অনীহার কারনে সে সময় বন্দর চালু করা সম্ভব হয়নি। তবে ৩১ মে ভারতীয় রপ্তানীকারক এ্যাসেসিয়েশনের এক বার্তার প্রেক্ষিতে আশা করা হচ্ছে মঙ্গলবার থেকে ভারতীয় পন্যবাহী ট্রাক বাংলাদেশে প্রবেশ করতে পারে।
এদিকে সোনামসজিদ বন্দর পরিচালনাকারী পানামা পোর্ট লিংক লিমিটেডের পোর্ট ম্যানেজার মাঈনুল ইসলাম জানান, আমরা স্বাস্থ্য বিধি মেনে বন্দর চালুর জন্য গত ১৫ এপ্রিল থেকেই প্রস্তুত আছি। ভারতীয় কর্তপক্ষ পন্য দিলে পানামা কর্তপক্ষ করোনার সর্ব্বোচ্চ সর্তকর্তা বজায় রেখে বন্দর পরিচালনা করবে।
৩১ মে রাতে ভারতীয় রপ্তানীকারক এ্যাসোসিয়েশনের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মো: ফজলুল হক স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে ১ জুন থেকে বাংলাদেশে এ বন্দর দিয়ে পণ্য রপ্তানীর আগ্রহ দেখানো হয়।যার অনুলিপি মালদা জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট,সোনামসজিদ স্থলবন্দর সি এ্যান্ড এফ এজেন্ট এবং আমদানী-রপ্তানীকারক গ্রুপ এ্যাসোসিয়েশন সহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দফতরের কাছে পাঠানো হয়।
এ ব্যাপারে ভারতের মহদীপুর সি এ্যান্ড এফ এজেন্ট সাধারন সম্পাদক ভ’পতি জানান, গত ২৭ এপ্রিল বাংলাদেশের ব্যবসায়ীদের পক্ষ থেকে বন্দর দিয়ে আমদানী রপ্তানীর শুরুর অনুরোধ জানিয়ে একটি চিঠি দেয়ার পর ভারতীয় ব্যবসায়ীরা ডিস্ট্রিক্ট ম্যাজিষ্ট্রেটের কাছে অনুমতি চাইতে গেলে করোনা ভাইরাসের কারনে লকডাউন থাকায় অনুমতি মিলেনি।তবে এবার মঙ্গলবার থেকে তারা বাংলাদেশে পন্য রপ্তানী করতে পারবে বলে আশা প্রকাশ করেন।
প্রসঙ্গত” ২৫ মার্চ লকডাউনের পর ১৫ এপ্রিল সরকার বন্দরের কার্যক্রম সীমিত আকারে চালুর ঘোষণার সময় ভারতীয় ব্যবসায়ীরা পন্য আমদানী করতে গিয়ে মালদা ডিসিট্রক্ট ম্যাজিষ্ট্রেটের অনুমতি না পাওয়ায় আমদানী রপ্তানী শুরু করতে পারেনি। এতে করে ভারতের মোহদীপুর স্থলবন্দরে সোনামসজিদ স্থলবন্দরে প্রবেশের অপেক্ষায় আটকে পড়ে পিঁয়াজ সহ সাড়ে ৩ হাজার ট্রাক। পরে ৩১ মে ভারতীয় ব্যবসায়ীরা আবারো পণ্য রপ্তানীর আগ্রহ দেখিয়ে বাংলাদেশের সোনামসজিদ স্থলবন্দর আমদানী ও রপ্তানীকারক এ্যাসোসিয়েশনকে একটি চিঠি দেয়।

শিবগঞ্জের গোরস্থানে সোলার লাইট স্থাপন

স্টাফ রিপোর্টার, শিবগঞ্জ ঃ জেলার শিবগঞ্জ উপজেলার আজমতপুর বিশ্বাসপাড়া জান মোহাম্মদ গোরস্থানে সোলার বাতি স্থাপনের উদ্ধোধন করা হয়েছে।সোমবার দুপুরে সরকারীভাবে প্রাপ্ত সোলার বাতি ২টি স্থাপন করা হয়।বাতি স্থাপনের উদ্ধোধন করে শিবগঞ্জ উপজেলা বঙ্গবন্ধু পরিষদের সভাপতি আলহাজ্ব মোঃ আকবর হোসেন।এ সময় সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান তোজাম্মেল হক সহ স্থানয়িরা উপস্থিত ছিলেন।
বাতি ২টি স্থাপনে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা,উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও স্থানীয় সংসদ সদস্যের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এলাকাবাসী।

৫ মৃত্যু: ইউনাইটেড হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিল চেয়ে রিট


রাজধানীর গুলশানের ইউনাইটেড হাসপাতালের করোনা আইসোলেশন ইউনিটে অগ্নিকাণ্ডে চিকিৎসাধীন রোগীসহ ৫ জনের মৃত্যুর ঘটনায় হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিল চেয়ে হাইকোর্টে রিট দায়ের করা হয়েছে।

একইসঙ্গে রিট আবেদনে ওই ৫ জনের মৃত্যুর ঘটনায় বিচার বিভাগীয় তদন্ত এবং নিহতদের পরিবারকে ক্ষতিপূরণ প্রদানের নির্দেশনা চাওয়া হয়েছে।

সোমবার (১ জুন) সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ব্যারিস্টার রেদোয়ান আহমেদ রানজীব ও ব্যারিস্টার হামিদুল মিসবাহ জনস্বার্থে এ রিট দায়ের করেন। হাইকোর্টের বিচারপতি এম. ইনায়েতুর রহিমের ভার্চুয়াল বেঞ্চে রিট আবেদনটির ওপর শুনানি হতে পারে।

রিট আবেদনকারীদের আইনজীবী ব্যারিস্টার অনিক আর হক বলেন, আগুনে পুড়ে ৫ জনের মৃত্যুর ঘটনায় আমরা রিট আবেদনে ইউনাইটেড হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিলের নির্দেশনা চেয়েছি।

রিটে ইউনাইটেড হাসপাতালে রোগীসহ মারা যাওয়া ৫ জনের মৃত্যুর ঘটনায় সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে কেন হত্যা মামলা দায়ের করা হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারির আর্জি জানানো হয়েছে।

রিটে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় সচিব, স্বাস্থ্য অধিদফতরের ডিজি, ইউনাইটেড হাসপাতাল কর্তৃপক্ষসহ সংশ্লিষ্টদের বিবাদী করা হয়েছে।

এর আগে গত ২৭ মে রাতে রাজধানীর গুলশানের ইউনাইটেড হাসপাতালের করোনা আইসোলেশন ইউনিটে এসি বিস্ফোরণের মাধ্যমে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। পরে ফায়ার সার্ভিস আগুণ নিয়ন্ত্রণে আনে। পরে ঘটনাস্থল থেকে পাঁচটি মরদেহ উদ্ধার করা হয়। মৃতদের মধ্যে ছিলেন চারজন পুরুষ এবং একজন নারী

মুম্বাইয়ের হাসপাতালে লাশ আর লাশ, নিচ্ছেন না স্বজনরা

হাসপাতালের ওয়ার্ডগুলোতে সারি সারি মরদেহ পড়ে আছে। শয্যা সঙ্কটে রোগীদের মেঝেতে ঘুমানোর নির্দেশ দেয়া হচ্ছে। করোনাভাইরাস আক্রান্ত কিনা সেব্যাপারে প্রমাণ দেখাতে না পারায় বিনা-চিকিৎসায় মারা যাচ্ছেন রোগীরা। প্রত্যেকদিন নতুন নতুন ওয়ার্ড করা হচ্ছে। কিন্তু সন্ধ্যা হতে না হতেই সেসব ওয়ার্ড করোনা রোগীতে ভরে যাচ্ছে।

ভারতে ভয়াবহ করোনা সংক্রমণ শুরু হওয়ায় দেশটির স্বাস্থ্য ব্যবস্থা একেবারে ভেঙে পড়ার অবস্থা তৈরি হয়েছে; ওপরের চিত্রটি দেশটিতে এই মহামারির প্রাণকেন্দ্র হয়ে ওঠা মহারাষ্ট্রের মুম্বাইয়ের করোনা হাসপাতালগুলোর। মুম্বাইয়ের হাসপাতালের কর্মীরা দিনরাত ২৪ ঘণ্টা করোনা রোগীদের সেবা দিয়ে যাচ্ছেন। করোনার প্রাদুর্ভাব শুরু হওয়ায় জনবলের অভাবে অন্যান্য রোগীদের চিকিৎসাসেবা বন্ধ হয়ে পড়েছে।
সেন্ট্রাল মুম্বাইয়ের সরকারি কিং এডওয়ার্ড মেমোরিয়াল হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসক সাদ আহমেদ বলেন, আমরা প্রত্যেকদিন নতুন নতুন ওয়ার্ড চালু করছি। কিন্তু দিনের শেষে কোভিড-১৯ রোগী দিয়ে সেগুলো পূর্ণ হচ্ছে। বর্তমানে এটা অত্যন্ত খারাপ অবস্থা। বর্তমানে সব ওয়ার্ডই কোভিড-১৯ ওয়ার্ড এবং ধারণক্ষমতার পুরোটাই রোগী দিয়ে পরিপূর্ণ।

প্রায় দুই মাসের কঠোর লকডাউন সত্ত্বেও ভারতের বাণিজ্যিক রাজধানীখ্যাত মুম্বাইয়ে করোনার ভয়াবহ প্রকোপ শুরু হয়েছে। দেশটির মোট করোনা রোগী এক চতুর্থাংশই মুম্বাইয়ের; বর্তমানে ৪৭ হাজারের বেশি মানুষ সেখানে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। যেখানে পুরো ভারতে করোনা আক্রান্ত ছাড়িয়েছে ১ লাখ ৯১।

করোনাভাইরাস মহামারির প্রাথমিক কেন্দ্র নিউইয়র্ক এবং ইউরোপ হয়ে উঠলেও বর্তমানে তা ঘুরছে ব্রাজিল এবং ভারতের দিকে। দুবর্ল স্বাস্থ্যসেবা অবকাঠামো এবং নিম্নমানের জীবনযাত্রার কারণে করোনাভাইরাসের উর্বর জমি হয়ে উঠছে ভারত। গত বৃহস্পতিবার করোনায় মৃতের সংখ্যায় চীনকে ছাড়িয়ে গেছে ভারত (৫ হাজার ৪১৩)।

গত সপ্তাহে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে দেখা যায়, মুম্বাইয়ের সরকারি লোকমান্য তিলক হাসপাতালের একটি ওয়ার্ডে করোনাভাইরাসে মৃতদের দেহ পড়ে আছে। পাশের শয্যায় করোনা রোগীরা। এই ঘটনা জানাজানি হওয়ার পর হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ একটি তদন্ত কমিটি গঠন করে সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ডের ডিনকে সরিয়ে দেয়। সম্প্রতি মুম্বাইয়ের কিং এডওয়ার্ড মেমোরিয়াল হাসপাতালের ওয়ার্ডে মরদেহ পড়ে থাকতে দেখা যায়।কিং এডওয়ার্ড মেমোরিয়াল হাসপাতালের নার্স মাধুরী রামদাস গৈকার বলেন, গত কয়েক সপ্তাহ ধরে হাসপাতালে মরদেহ স্তুপ হয়েছে। কারণ অনেক পরিবার সংক্রমণের ভয়ে মরদেহ নিতে অস্বীকার করেছে। ভাইরাসটির কারণে চারপাশে তীব্র ভীতিকর পরিবেশ বিরাজ করছে; যা ভারতে নতুন একটি অস্পৃশ্য শ্রেণি তৈরি করেছে। সংক্রমতি রোগী অথবা তাদের পরিবারকে প্রতিবেশি অথবা বাসার মালিকরা বের করে দিচ্ছেন।

তিনি বলেন, আমরা মরদেহের সব কাগজপত্র প্রস্তুত করে রেখেছি। কিন্তু সেগুলো কেউই নিয়ে যাচ্ছে না। নাম প্রকাশ না করার শর্তে মুম্বাইয়ের সরকারি একটি হাসপাতালের এক চিকিৎসক বলেন, অন্যান্য সময়ের তুলনায় হাসপাতালের ইমারজেন্সি ওয়ার্ডে দ্বিগুণ রোগী আসছে। একটি অক্সিজেন স্টেশন থেকে বহু রোগীকে সরবরাহ করা হচ্ছে। হাসপাতালের একটি শয্যা কয়েকজন রোগী ভাগাভাগি করে থাকতে বাধ্য হচ্ছেন।

সূত্র: ব্লুমবার্গ।

করোনার ভ্যাকসিনের পরীক্ষা কি বন্ধ হয়ে যেতে পারে!

কোভিড-১৯ মহামারির প্রথম ধাপের সংক্রমণের ঢেউ কমে আসায় ভ্যাকসিন নিয়ে চিন্তায় পড়েছেন বিজ্ঞানীরা। সংক্রমণ হ্রাস পাওয়ায় ভ্যাকসিন তৈরির কাজ, এমনকি পরীক্ষা বন্ধ হয়ে যেতে পারে বলে শঙ্কা প্রকাশ করেছেন তারা।

ইউরোপ এবং যুক্তরাষ্ট্রের বিজ্ঞানীরা বলেছেন, কঠোর লকডাউন এবং সামাজিক দূরত্বের নিয়মের সফলতার কারণে বিশ্বের বিভিন্ন দেশ এবং অঞ্চলে করোনাভাইরাস সংক্রমণের মাত্রা এতটাই কমে এসেছে যে, সম্ভাব্য ভ্যাকসিনগুলোর পরীক্ষার জন্য রোগটির পর্যাপ্ত সংক্রমণ পাওয়া কঠিন হয়ে যাচ্ছে।চূড়ান্ত ধাপের পরীক্ষা এবং ফলাফলের জন্য এখন তাই আফ্রিকা এবং লাতিন আমেরিকার দেশগুলোর দিকে তাকাতে হচ্ছে বিজ্ঞানীদের।

যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ হেলথের পরিচালক ফ্রান্সিস কলিনস বলেন, ভাইরাল সংক্রমণের হটস্পটগুলো যদি আমরা জনস্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনা ব্যবহার করে মুছে ফেলতে পারি, তাহলে আসলেই ভ্যাকসিনের পরীক্ষা চালানো কঠিন হয়ে পড়বে।

গত বছরের ডিসেম্বরে চীনের উহানে উৎপত্তি হওয়া করোনাভাইরাসে বিশ্বজুড়ে আক্রান্ত হয়েছেন ৬০ লাখের বেশি মানুষ এবং মারা গেছেন ৩ লাখ ৭০ হাজারের বেশি। করোনায় থমকে যাওয়া অর্থনীতি এবং মানুষের জীবনযাত্রা স্বাভাবিক করতে বিশ্ব নেতারা ভ্যাকসিনের দিকে অধীর আগ্রহে তাকিয়ে আছেন।

বিজ্ঞানীরা বলছেন, সম্পূর্ণ নতুন একটি রোগের বিরুদ্ধে সম্ভাব্য ভ্যাকসিনগুলোর ব্যাপক পরিসরের ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল চালানো দ্রুতই জটিলতার দিকে যাচ্ছে। মহামারির ওঠানামা ভ্যাকসিনের কার্যকারিতা পরীক্ষায় অতিরিক্ত জটিলতা তৈরি করে। প্রাদুর্ভাব যখন হ্রাস পাচ্ছে তখন এটিকে আরও জটিল করে তুলছে।ব্রিটেনের ওয়ারউইক বিজনেস স্কুলের ওষুধ পুনরুৎপাদন বিশেষজ্ঞ আয়ফার আলী বলেন, এই পরীক্ষার জন্য কমিউনিটিতে মানুষের মাঝে সংক্রমণ ছড়ানোর ঝুঁকি থাকা দরকার। যদি সাময়িকভাবে ভাইরাসটিকে দমন করা যায় তাহলে এই পরীক্ষা নিরর্থক হবে।

তিনি বলেন, এর সমাধান হলো- ভ্যাকসিনের পরীক্ষার জন্য এখন ব্রাজিল এবং মেক্সিকোর মতো দেশগুলোর দিকে নজর দিতে হবে। বর্তমানে এসব দেশে কমিউনিটি পর্যায়ে ব্যাপক সংক্রমণ ঘটছে।

ভ্যাকসিন ট্রায়ালের জন্য সাধারণত বিক্ষিপ্তভাবে জনগোষ্ঠীকে দুটি ভাগে বিভক্ত করা হয়। এর মধ্যে ট্রিটমেন্ট গ্রুপের দেহে ভ্যাকসিন প্রয়োগ করা হয় এবং অন্য কন্ট্রোল গ্রুপের মাঝে পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াহীন ওষুধ দেয়া হয়।

পরে এই দুই গ্রুপকেই কমিউনিটিতে ফিরিয়ে দেয়া হয়; যেখানে রোগটির বিস্তার ঘটে। পরে সেই কমিউনিটির মধ্যে সংক্রমণের হারের তুলনা করে দেখা হয় ভ্যাকসিনটি কার্যকর কিনা। কন্ট্রোল গ্রুপের মাঝে সংক্রমণের হার বেশি হবে বলে আশা করা হয়। এতে ভ্যাকসিনটি অন্যান্য গ্রুপকে সুরক্ষা দেবে কিনা সেটি বোঝা যায়।

ইউরোপের মূল ভূখণ্ড, ব্রিটেন এবং যুক্তরাষ্ট্র করোনাভাইরাস সংক্রমণের সর্বোচ্চ চূড়া পেরিয়েছে। এসব দেশে ইতোমধ্যে ভাইরাসটির সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে চলে এসেছে। যে কারণে যেসব দেশে এই ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব ওঠানামা করছে, সেসব দেশে ভ্যাকসিনের পরীক্ষা চালানো কঠিন হয়ে পড়ছে। ভ্যাকসিনের পরীক্ষা চালানোর জন্য ব্যাপক কমিউনিটি সংক্রমণের দরকার।

পশ্চিম আফ্রিকার দেশগুলোতে ২০১৪ সালে ইবোলা ভাইরাস মহামারির সময়েও একই ধরনের সমস্যায় পড়েছিলেন বিজ্ঞানীরা।

এখন পর্যন্ত করোনার যে কয়টি ভ্যাকসিন পরীক্ষার দ্বিতীয় অথবা মাঝ পর্যায়ে রয়েছে, তাদের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রে ওষুধ প্রস্তুতকারক জায়ান্ট কোম্পানি মডার্নার ভ্যাকসিনটি অন্যতম। এরপরই আছে ব্রিটেনের অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞানীদের তৈরিকৃত অ্যাস্ট্রাজেনেকার চ্যাডক্স১ এনকোভ-১৯। যুক্তরাষ্ট্র আগামী জুলাই মাসে দেশটিতে ব্যাপক পরিসরে ২০ থেকে ৩০ হাজার স্বেচ্ছাসেবীর দেহে ভ্যাকসিনের পরীক্ষামূলক প্রয়োগের পরিকল্পনা করছে।

কলিনস বলেন, স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা সরকারি এবং শিল্প প্রতিষ্ঠানের ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল নেটওয়ার্ক ব্যবহার করে ভাইরাসটির সর্বাধিক সংক্রমিত এলাকা শনাক্ত করে যুক্তরাষ্ট্রেই প্রথমে পরীক্ষা চালাবে। কিন্তু দেশে যদি রোগের হার কমে যায়, তাহলে বিদেশে পরীক্ষা চালানোর বিষয়টি বিবেচনা করবেন তারা।

তিনি বলেন, বর্তমানে আফ্রিকা কোভিড-১৯ এর ব্যাপক সংক্রমণের মুখে রয়েছে। আমরা খুব ভালোভাবেই সেখানে আংশিক ট্রায়াল চালাতে চাই। যেখান থেকে আমরা কার্যকরভাবে ডাটা সংগ্রহ করতে পারি। ব্রিটেনের অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের জেনার ইনস্টিটিউটের পরিচালক আদ্রিয়ান হিল অ্যাস্ট্রাজেনেকার ভ্যাকসিন টিমে রয়েছেন। তিনি বলেন, অক্সফোর্ডের ভ্যাকসিনটি গত মাসে মাঝ পর্যায়ের পরীক্ষায় গেছে। এই পরীক্ষায় ব্রিটেনে ১০ হাজার স্বেচ্ছাসেবীর শরীরে প্রয়োগের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে বলে জানান তিনি।

তিনি বলেন, যুক্তরাজ্যে কোভিড-১৯ সংক্রমণ কমে আসায় ভ্যাকসিনটির পরীক্ষা চালানো বন্ধ হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। ফলাফল পাওয়ার জন্য পর্যাপ্ত সংক্রমণ পাওয়া না গেলে ট্রায়াল চালানো সম্ভব হবে না। এটা খুবই হতাশাজনক। অনাকাঙ্ক্ষিত। কিন্তু এরকম হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। সূত্র: রয়টার্স।

ভোলাহাটে করোনা বিজয়ীদের বরণ করলেন ইউএনও


ভোলাহাট(চাঁপাইনবাবগঞ্জ)প্রতিনিধিঃ গত ৬ মে করোনা পজেটিভ আক্রান্ত ৩জন এখন সুস্থ্। এ ৩ জন করোনা জয়ীদের উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে বরণ করা হয়েছে। সোমবার সকাল ১০টার দিকে ভোলাহাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সেউপজেলা নির্বাহী অফিসার রাজিবুল আলম উপস্থিত হয়ে করোনা যুদ্ধে জয়ী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের উপসহকারী কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার ডাঃ ইউনুস নবীকে ফুল ও বিভিন্ন প্রকার ফল দিয়ে বরণ করেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পঃ পঃ কর্মকর্তা ডাঃ আব্দুল হামিত, মেডিকেল অফিসার ডাঃ রহিমা, উপসহকারী কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার ডাঃ মেসবাহুল হকসহ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের অন্যান্য কর্মচারীগণ। এর পূর্বে গত শনিবার ৩০ মে করোনা যোদ্ধা খালেআলমপুর গ্রামের আনসার শহীদুল ইসলাম ও ফুটানী বাজারের হাবিবুল্লাহকে বরণ করা হয়।

ভোলাহাটে জিপিএ-৫ – ১০৫; পাসের হার ৯৪ শতাংশ


ভোলাহাট(চাঁপাইনবাবগঞ্জ)প্রতিনিধিঃ চলতি এসএসসি পরীক্ষায় ভোলাহাটে ১৮টি স্কুলে জিপিএ-৫ পেয়েছেন ১শত ৫জন পরীক্ষার্থী এবং পাসের হার ৯৪.৬৭ শতাংশ। উপজেলা মাধ্যমিক অফিস সূত্রে জানা গেছে, এবার এসএসসি পরীক্ষায় উপজেলার ১৮টি উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ৯শত৫৮জন পরীক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ গ্রহণ করেন। এর মধ্যে পাস করেন ৯শত ৭জন। পাসের হার ৯৪.৬৭জন এবং জিপিএ-৫ পেয়েছেন ১শত ৫জন।
উপজেলার ৩টি স্কুল বজরাটেক সবজা পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়, গোহালবাড়ী উচ্চ বিদ্যালয় ও ফতেপুর উচ্চ বিদ্যালয় শত ভাগ ফলাফল করেছে। সর্বনি¤œ ফলাফল করেছে চরধরমপুর উচ্চ বিদ্যালয়। পাসের হার ৭৫শতাংশ। উপজেলার ৪টি স্কুল বাদে সকল স্কুল থেকে জিপিএ-৫ করেছেন। শতভাগ ফলাফল ও সর্বচ্চো ২১জন পরীক্ষার্থী জিপিএ-৫ করে এবারও উপজেলায় সেরাটা ধরে রেখেছে বজরাটেক সবজা পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়। জিপিএ-৫ এর দিকে ১২জন পরীক্ষার্থী জিপিএ-৫ পেয়ে ২য় অবস্থানে রয়েছে দলদলী উচ্চ বিদ্যালয়তবে পাসের দিক দিয়ে ৯৮.১৫।
এদিকে দাখিল পরীক্ষায় উপজেলার মোট ১১টি মাদরাসা অংশ নেয়। মোট পরীক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নেয় ২শত ৫জন পাস করেছে ১শত ৭৪ জিপিএ-৫ পেয়েছেন ৪জন পাসের হার ৮৪.৮৭শতাংশ। শতভাগ ফলাফল করেছে ২টি মাদরাসা এর মধ্যে খালেআলমপুর দাঃসুঃআলিম মাদরাসা এবং জামবাড়ীয়া দাঃসুঃ মাদরাসা। জিপিএ-৫ এর দিকে এগিয়ে নামোমুশরীভূজা ডঃশাঃ দাখিল মাদরাসাতবে পাসের হার ৯১.৬৬শতাংশ। মাদরাসায় সর্বনি¤œ পাস করেছে ঝাউবোনা মহিলা ইসঃ একাডেমী। পাসের হার ৭০ শতাংশ।
অপরদিকে উপজেলার ৪টি স্কুল থেকে এসএসসি( ভোকেশনাল) পরীক্ষায় অংশ গ্রহণ করেন ২শত ৮জন পরীক্ষার্থী পাস করেছেন ১শত৮২জন পাসের হার ৮৭.৫০শতাংশ। আদাতলা উচ্চ বিদ্যালয় থেকে শতভাগ পাস করলেও ১১জন জিপিএ-৫ পেয়েছে বজরাটেক সবজা পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়। তবে পাসে হার ৭৭.৪৫শতাংশ।
পরীক্ষার ফলাফলা গেলো বছরের চেয়ে এ বছর বেশ ভালো হওয়ায় উপজেলা মাধ্যমিক অফিসার আব্দুর রহমান, শিক্ষক অভিভাবক, পরীক্ষার্থী, উপজেলা চেয়ারম্যান, উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান। তিনি প্রধানমন্ত্রীর প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে দাবী করেন, স্কুলগুলোতে ইন্টারনেট ধীরগতি হওয়ায় কাজ করতে না পারায় নানা অসুবিধায় পড়তে হয়। ফলে বিষয়টি দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়ার দাবী জানান।