সর্বশেষ সংবাদ চাঁপাইনাবগঞ্জে র শিবগঞ্জ ও গোমস্তাপুরে নতুন তিন করোনা রোগী সনাক্ত করোনাভাইরাস: ঢাকা শহরে ১৪ হাজার কোভিড-১৯ রোগী, সবচেয়ে বেশি মহাখালীতে এতিম শিশুদের পাশে মানিক শিশুকালের ঈদ বিনোদপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক মরহুম ওবায়দুর রহমান রেনু মাস্টারের জানাযা সম্পন্ন চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুরে ঘূর্ণিঝড়ে লণ্ডভণ্ড দুটি গ্রাম চাপাইনবাবগঞ্জে উদযাপিত হলো পবিত্র ঈদুল ফিতর: জেনে নিন কারা কোথায় ঈদ উদযাপন করলো ঈদের নামাজ পড়ানোর সময় সেজদারত অবস্থায় ইমামের মৃত্যু ২৪ ঘণ্টায় আক্রান্ত শনাক্ত ১৯৭৫ , মৃত্যু আরও ২১ জনের। শিবগঞ্জে ঈদ উদযাপন

জুলিও কুরি পদকে ‘বঙ্গবন্ধু’ হয়েছিলেন ‘বিশ্ববন্ধু’

পরাধীনতা থেকে স্বাধীনতা পেয়েছিলো বাঙ্গালী জাতি। পাকিস্তানীদের শাসন, শোষণ এবং নিপীড়ন থেকে মুক্তি দিতে ৭ কোটি মানুষের ত্রাতা হিসেবে এসেছিলেন সর্বকালের সেরা পুরুষ , ক্ষণজন্মা , বাঙ্গালী জাতির মহানায়ক জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান

মহান মুক্তিযুদ্ধের মহানায়ক, বাংলাদেশের স্থপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭১ সালে ফ্যাসিবাদ ও সাম্রাজ্যবাদবিরোধী সংগ্রামের মাধ্যমে স্বাধীন বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠিত করেন।

শোষিত ও নিপীড়িত জনগণের অধিকার আদায়ের সংগ্রামে তথা বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠায় তার অসাধারণ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে ১০ অক্টোবর ১৯৭২ ফিনল্যান্ডের হেলসিংকিতে বিশ্বশান্তি পরিষদ এক ইশতেহারে বাঙ্গালী জাতির পিতা , গণতন্ত্র, স্বাধীনতা ও শান্তি আন্দোলনের পুরোধা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে বিশ্বশান্তি পরিষদের সর্বোচ্চ সম্মান ‘জুলিও কুরি’পুরস্কারে ভূষিত করা হয়।

ফ্যাসিবাদবিরোধী, সাম্রাজ্যবাদবিরোধী সংগ্রামকে বিশ্ব মানবতার ইতিহাসে চির অম্লান করে রাখার লক্ষ্যে বিশ্ব শান্তি পরিষদ ১৯৭৩ সালের ২৩ মে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে জুলিও কুরি শান্তি পদক প্রদান করে।

বিশ্বশান্তি পরিষদের উদ্যোগে ঢাকায় অনুষ্ঠিত এশীয় শান্তি সম্মেলনে বঙ্গবন্ধুকে ‘জুলিও কুরি’ওইদিন পদক প্রদান করেন বিশ্বশান্তি পরিষদের সেক্রেটারি জেনারেল রমেশ চন্দ্র।

‘সকলের সাথে বন্ধুত্ব , কারো সঙ্গে বৈরিতা নয় এবং সকল বিরোধের শান্তিপূর্ণ সমাধান’কে বঙ্গবন্ধু তার পররাষ্ট্রনীতির মূলমন্ত্র হিসেবে গ্রহণ করেছিলেন ।

বিশ্বশান্তি পরিষদের শান্তি পদক জাতির পিতার কর্মের স্বীকৃতিস্বরূপ। এটি ছিল বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠায় তার অবদানের আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি। আর এই পদক ছিলো বাংলাদেশের জন্য প্রথম আন্তর্জাতিক সম্মান।

বঙ্গবন্ধুর জুলিও কুরি শান্তি পদক অর্জন আপামর বাঙালির এক বিরল সম্মান। এ মহান অর্জনের ফলে জাতির পিতা পরিণত হয়েছেন বঙ্গবন্ধু থেকে বিশ্ববন্ধুতে। কিন্তু এ প্রাপ্তি বা অর্জন দেশি-বিদেশি অনেকের কাছেই চোখের বালি বা ঈর্ষণীয় বিষয় ছিল।

একটি ছোট্ট দেশ তাও অনুন্নত তৃতীয় বিশ্বের অন্যতম দরিদ্র দেশ, এ গরিব মানুষের এত শান্তির দরকার কী? ধনী বিশ্বের আশঙ্কা হচ্ছে, গরিব মানুষদের শান্তি নিশ্চিত করা হলে তার নিজের সুখ শান্তির ঘাটতি হয়ে থাকে। তাই ধনী বিশ্বের প্রচণ্ড ক্ষোভ আর ঈর্ষা ছিল বঙ্গবন্ধুর প্রতি।

১৯৭৫-এ বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ড ছিল মানব জাতির ইতিহাসে এক নিষ্ঠুর ও নির্মম হত্যাকাণ্ড। এ এক কলঙ্কিত ইতিহাস, পাপ-পঙ্কিল অধ্যায়। সেই বিকৃত ইতিহাস ও অধ্যায়ের বলি হয়েছেন আমাদের মহান নেতা জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বাংলা ভাষাকে রাষ্ট্রভাষা করার দাবিতে ১৯৪৮ ও ’৫২ সালে কারাবরণ করেন। পূর্ব ও পশ্চিম পাকিস্তানের মধ্যে বৈষম্য, সংখ্যাগরিষ্ঠ বাঙালির ওপর নির্যাতন, নিপীড়ন শেখ মুজিব মেনে নিতে পারেননি।

ঢাকার রোজ গার্ডেনে ১৯৪৯ সালের ২৩ ও ২৪ জুন তারিখে অনুষ্ঠিত কনভেনশনে নতুন দল গঠন করা হয়- আওয়ামী মুসলিম লীগ। জেলে থাকা অবস্থায় সেই কমিটির কেন্দ্রীয় যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন শেখ মুজিবুর রহমান।

যুক্তফ্রন্ট নির্বাচনে তিনি মুসলিম লীগের প্রভাবশালী নেতা ওয়াহিদুজ্জামানকে গোপালগঞ্জ আসনে তেরো হাজার ভোটের ব্যবধানে পরাজিত করেন। কনিষ্ঠতম সদস্য শেখ মুজিবুর রহমান কৃষি ও বনমন্ত্রী হিসেবে মন্ত্রিসভায় অন্তর্ভুক্ত হন।

১৯৬৬ সালে শেখ মুজিবুর রহমান ৬ দফা দাবি পেশ করেন। সর্বদলীয় ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ আওয়ামী লীগের ৬ দফা অন্তর্ভুক্ত করে ১৯৬৯ সালের ৪ জানুয়ারি সংবাদ সম্মেলন করে তাদের ১১ দফা দাবিনামা পেশ করে।
গণআন্দোলন যখন গণঅভ্যুত্থানের রূপ নেয়, তখন ২২ ফেব্রুয়ারি শেখ মুজিবসহ ৩৫ জন আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা থেকে মুক্তি লাভ করেন।

ছাত্র-জনতার তীব্র দাবির মুখে ১৯৭০ সালের ডিসেম্বরে স্বৈরশাসক জেনারেল ইয়াহিয়া খান সাধারণ নির্বাচন দিতে বাধ্য হন। ঐতিহাসিক সাধারণ নির্বাচনে শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা লাভ করে।

ক্ষমতা হস্তান্তর না করে ১৯৭১-এর ১ মার্চ জাতীয় পরিষদের অধিবেশন অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত ঘোষণা করা হয়। মানুষ সর্বাত্মক আন্দোলনের জন্য প্রস্তুত হতে থাকে।
১৯৭১ সালের ৭ মার্চ রেসকোর্স ময়দানের বিশাল জনসভায় পাকিস্তানের বিরুদ্ধে শেখ মুজিব বললেন, ‘এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম।’ ৭ মার্চের ভাষণে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মূলত স্বাধীনতা ঘোষণা দেন।

২৫ মার্চ রাত ১২টার পর শেখ মুজিবকে গ্রেপ্তার করা হয়। দীর্ঘ ৯ মাসের যুদ্ধ শেষে পাকিস্তানি বাহিনী পরাজিত হলে স্বাধীন বাংলাদেশের অভ্যুদয় ঘটে।

কোটি কোটি বাঙালির দাবির পরিপ্রেক্ষিতে ও আন্তর্জাতিক চাপের মুখে শেখ মুজিবকে মুক্তি দেয়া হয় ১৯৭২ সালের ৮ জানুয়ারি। ১০ জানুয়ারি স্বদেশ প্রত্যাবর্তন করেন জনগণের নেতা বঙ্গবন্ধু।

বাংলাদেশের অভ্যুদয়ের পর বিশ্ব শান্তি ও জাতীয় মুক্তি আন্দোলনের অগ্রদূত বঙ্গবন্ধুকে বিশ্ব শান্তি পরিষদের সর্বোচ্চ পুরস্কার ‘জুলিও কুরি’ শান্তি পদক প্রদান এক বিরল ঘটনা।

বাংলাদেশ যখন স্বাধীন হয় তখন বিশ্ব পরিস্থিতি, শান্তি, প্রগতি, গণতান্ত্রিক শক্তিগুলোর এবং গণতন্ত্র ও জাতীয় মুক্তি আন্দোলনের অনুকূলে পরিবর্তিত হয়েছিল।

এ সময় উপমহাদেশে বাংলাদেশ, ভারত ও পাকিস্তানের ভেতর সৎ প্রতিবেশীমূলক সম্পর্ক স্থাপন ও উপমহাদেশে শান্তির সম্ভাবনা উজ্জ্বল হয়।

মুক্তিযুদ্ধের কালপর্বে ভারত-সোভিয়েত শান্তি, মৈত্রী ও সহযোগিতা-চুক্তি ১৯৭১ এবং বাংলাদেশ-ভারত শান্তি, মৈত্রী ও সহযোগিতা-চুক্তি ১৯৭২, বাংলাদেশের মৈত্রী-সম্পর্কে এই উপমহাদেশে উত্তেজনা প্রশমন ও শান্তি স্থাপনের ভিত্তি প্রতিষ্ঠা করেছিল।

পাকিস্তানের প্রতিক্রিয়াশীল নীতির বিপরীতে বঙ্গবন্ধু সরকার কর্তৃক জোট নিরপেক্ষ নীতি অনুসরণ এবং শান্তি ও ন্যায়ের পক্ষে অবস্থান গ্রহণের নীতির ফলে বাংলাদেশ বিশ্ব সভায় একটি ন্যায়ানুগ দেশের মর্যাদা লাভ করে।
সবার প্রতি বন্ধুত্বের ভিত্তিতে বৈদেশিক নীতি ঘোষণা করে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বলেন, ‘পৃথিবীর বৃহত্তম শক্তি যে অর্থ ব্যয় করে মানুষ মারার অস্ত্র তৈরি করছে, সেই অর্থ গরিব দেশগুলোকে সাহায্য দিলে পৃথিবীতে শান্তি প্রতিষ্ঠা হতে পারে।’

সেই পরিপ্রেক্ষিতে ১৯৭২ সালের ১০ অক্টোবর চিলির রাজধানী সান্তিয়াগোতে বিশ্ব শান্তি পরিষদের প্রেসিডেন্সিয়াল কমিটির সভায় বাঙ্গালী জাতির মুক্তি আন্দোলন এবং বিশ্ব শান্তির সপক্ষে বঙ্গবন্ধুর অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ জুলিও কুরি শান্তি পদক প্রদানের জন্য শান্তি পরিষদের মহাসচিব রমেশ চন্দ্র প্রস্তাব উপস্থাপন করেন।

পৃথিবীর ১৪০টি দেশের শান্তি পরিষদের ২০০ প্রতিনিধির উপস্থিতিতে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে জুলিও কুরি শান্তি পদক প্রদানের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

বঙ্গবন্ধু ছিলেন বিশ্বের মুক্তিকামী, নিপীড়িত, মেহনতি মানুষের অবিসংবাদিত নেতা। শান্তি, সাম্য, স্বাধীনতা ও গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার জন্য তিনি আজীবন সংগ্রাম করেছেন। জেল, জুলুম, অত্যাচার, নির্যাতন সহ্য করেছেন।
তার অতুলনীয় সাংগঠনিক ক্ষমতা, রাষ্ট্রনায়কোচিত প্রজ্ঞা, মানবিক মূল্যবোধ, ঐন্দ্রজালিক ব্যক্তিত্ব বাঙালি জাতিকে স্বাধীনতা সংগ্রামের লক্ষ্যে ঐক্যবদ্ধ করে। তার নির্দেশে বাঙালি জাতি মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ে, অভ্যুদয় ঘটে স্বাধীন বাংলাদেশের।

এ সম্মান পাওয়ার পর বঙ্গবন্ধু নিজেই বলেছিলেন, ‘এ সম্মান কোন ব্যক্তি বিশেষের জন্য নয়। এ সম্মান বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামে আত্মদানকারী শহিদদের, স্বাধীনতা সংগ্রামের বীর সেনানীদের। ‘জুলিও ক্যুরি’ শান্তিপদক সমগ্র বাঙালি জাতির।’

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান গণতন্ত্র, সমাজতন্ত্র, ধর্মনিরপেক্ষতা ও জাতীয়তাবাদকে রাষ্ট্রের মূলনীতি হিসেবে ঘোষণা করেন। দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার সংঘাতময় পরিস্থিতি উত্তরণে তিনি শান্তি প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নেন। তিনি যুদ্ধবিধ্বস্ত বাংলাদেশ পুনর্গঠন করেন।’

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুই নিজের জীবনকে সারাটা জীবনই তুচ্ছ করে গেছেন। যেখানেই মানবতার অবক্ষয় দেখেছেন সেখানেই তিনি মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়েছেন, সাহায্যের হাত বাড়িয়েছেন, বিশ্ব বিবেককে জাগানোর চেষ্টা করেছেন এবং বিশ্বসভায় তাদের প্রতিনিধিত্ব করেছেন।

ম্যারি কুরি ও পিয়েরে কুরি ছিলেন বিশ্ববিখ্যাত বিজ্ঞানী। রেডিওলজির ওপর উইলিয়াম রঞ্জেনের আবিষ্কারের পথ ধরে কুরি দম্পতি তাদের গবেষণা চালিয়ে যান এবং পলোনিয়াম ও রেডিয়ামের মৌল উদ্ভাবন করেন। তাদের উদ্ভাবন পদার্থবিদ্যায় এক নতুন দিগন্তের উন্মোচন করে।

বিশ্ব শান্তির সংগ্রামে এই বিজ্ঞানী দম্পতির মহান অবদান চিরস্মরণীয় করে রাখার লক্ষ্যে বিশ্ব শান্তি পরিষদ ১৯৫০ সাল থেকে ফ্যাসিবাদবিরোধী, সাম্রাজ্যবাদবিরোধী সংগ্রামে, মানবতার কল্যাণে শান্তির সপক্ষে বিশেষ অবদানের জন্য বরণীয় ব্যক্তি ও সংগঠনকে জুলিও কুরি শান্তি পদকে ভূষিত করে আসছে।

বঙ্গবন্ধুর আগে যারা জুলিও কুরি শান্তি পদক লাভ করেছিলেন তাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলেন- ফিদেল ক্যাস্ট্রো, হো চি মিন, ইয়াসির আরাফাত, সালভেদর আলেন্দে, নেলসন ম্যান্ডেলা, ইন্দিরা গান্ধী, মাদার তেরেসা, কবি ও রাজনীতিবিদ পাবলো নেরুদা, জওহরলাল নেহেরু, মার্টিন লুথার কিং, নিওনিদ ব্রেজনেভ প্রমুখ।

১৯৭৩ সালে ঢাকায় অনুষ্ঠিত ওই এশীয় শান্তি সম্মেলনের ঘোষণায় এই উপমহাদেশে শান্তি ও প্রগতির শক্তিগুলোর অগ্রগতি নিশ্চিত করে। বিশ্ব শান্তি পরিষদ কর্তৃক জুলিও কুরি পদকে ভূষিত স্বাধীনতার প্রাণপুরুষ ও বাংলাদেশের মহান স্থপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব আজ আমাদের মাঝে নেই, সাম্রাজ্যবাদের নীলনকশা অনুযায়ী এক ঘৃণ্য ঘাতকচক্র ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট রাতের অন্ধকারে বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারে হত্যা করে।

বঙ্গবন্ধু আজ উপস্থিত না থাকলেও তার মহান আদর্শ, উদ্দেশ্য এবং তার নেতৃত্বে প্রতিষ্ঠিত স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশ আছে। বাংলাদেশের কোটি কোটি মানুষের মধ্যে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু বেঁচে আছেন, চিরকাল বেঁচে থাকবেন। বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে তার সুযোগ্য উত্তরসুরির হাত ধরে।

কর্মহীনদের গ্রামে রাখতে ৭ হাজার কোটি টাকার প্রকল্প


নতুন করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবে নগরে কর্মহীনদের যে বিশাল অংশ গ্রামে ফিরে গেছে, তাদের গ্রামে ধরে রাখতে এ উদ্যোগটি নেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী জাহিদ আহসান রাসেল।

বৃহস্পতিবার রাতে সেন্টার ফর রিসার্চ অ্যান্ড ইনফরমেশনের (সিআরআই) প্রতিষ্ঠান ইয়াং বাংলার ‘লেটস টক অন পোস্ট কোভিড-১৯ ইয়ুথ ডেভেলপমেন্ট’ শীর্ষক এক অনলাইন আলোচনায় যোগ দিয়ে তিনি একথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী রাসেল বলেন, “কোভিড-১৯ পরিস্থিতিতে দেখলাম অনেক মানুষ কর্মহীন হয়ে যাবে বা মানুষ গ্রামে চলে যেতে পারে।

“আমরাও ভাবছি, এই শ্রেণির মানুষগুলোকে গ্রামে কীভাবে রেখে দেওয়া যায়। তারা যেন আর শহরমুখী না হয়, সেজন্য আমরা ‘আত্মকর্মংস্থান সৃষ্টি ও দরিদ্র হ্রাসকরণ প্রকল্প’ নিয়েছি।”

তিনি জানান, ৭ হাজার কোটি টাকার এ প্রকল্পের মাধ্যমে ১২ লাখ যুবককে ‘আত্মকর্মী’ হিসেবে তৈরির লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়।

প্রতিমন্ত্রী জানান, কৃষি, মৎস্য খাতকে এ প্রকল্পে প্রশিক্ষণের আওতায় আনা হবে।

“তারা যেন হতাশ না হয়ে যান, নিজেরাই কর্মসংস্থান তৈরি করে অন্যদের চাকরির সুযোগ দিতে পারেন,” প্রকল্পের উদ্দেশ্য ব্যাখ্যা করেন তিনি।

রাসেল জানান, প্রকল্পটি পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ে রয়েছে। প্রকল্পটি নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে এক বৈঠকে কিছু সুপারিশ এসেছে। এছাড়া তরুণরাও নিজেদের মতামত জানিয়েছেন।

“কৃষি, পোল্ট্রি, ডেইরি, মৎস্য ইত্যাদি থেকে শুরু করে আইসিটি রিলেটেড বিষয় থাকবে এ প্রকল্পে। এছাড়াও ওই এলাকার তরুণরা কী চায়, তাদের আসলে কী প্রয়োজন, সেটাকেও আমরা এখানে গুরুত্ব দিয়েছি। তাদের মতামতের ভিত্তিতে দাঁড় করাব এ প্রকল্প।”

Print Friendly and PDF

প্রতিমন্ত্রী রাসেল বলেন, “কোভিড-১৯ পরিস্থিতিতে দেখলাম অনেক মানুষ কর্মহীন হয়ে যাবে বা মানুষ গ্রামে চলে যেতে পারে।

“আমরাও ভাবছি, এই শ্রেণির মানুষগুলোকে গ্রামে কীভাবে রেখে দেওয়া যায়। তারা যেন আর শহরমুখী না হয়, সেজন্য আমরা ‘আত্মকর্মংস্থান সৃষ্টি ও দরিদ্র হ্রাসকরণ প্রকল্প’ নিয়েছি।”

তিনি জানান, ৭ হাজার কোটি টাকার এ প্রকল্পের মাধ্যমে ১২ লাখ যুবককে ‘আত্মকর্মী’ হিসেবে তৈরির লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়।

প্রতিমন্ত্রী জানান, কৃষি, মৎস্য খাতকে এ প্রকল্পে প্রশিক্ষণের আওতায় আনা হবে।

“তারা যেন হতাশ না হয়ে যান, নিজেরাই কর্মসংস্থান তৈরি করে অন্যদের চাকরির সুযোগ দিতে পারেন,” প্রকল্পের উদ্দেশ্য ব্যাখ্যা করেন তিনি।

রাসেল জানান, প্রকল্পটি পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ে রয়েছে। প্রকল্পটি নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে এক বৈঠকে কিছু সুপারিশ এসেছে। এছাড়া তরুণরাও নিজেদের মতামত জানিয়েছেন।

“কৃষি, পোল্ট্রি, ডেইরি, মৎস্য ইত্যাদি থেকে শুরু করে আইসিটি রিলেটেড বিষয় থাকবে এ প্রকল্পে। এছাড়াও ওই এলাকার তরুণরা কী চায়, তাদের আসলে কী প্রয়োজন, সেটাকেও আমরা এখানে গুরুত্ব দিয়েছি। তাদের মতামতের ভিত্তিতে দাঁড় করাব এ প্রকল্প।”

বঙ্গবন্ধু যুব উন্নয়ন ঋণ-কার্যক্রমের আওতায় তরুণ উদ্যোক্তারা যেন ২০ হাজার টাকা থেকে ৫ লাখ টাকা পর্যন্ত সহজ শর্তে ঋণ পান, তার ব্যবস্থাও করেছে এ মন্ত্রণালয়।

অনেক তরুণ উদ্যোক্তা তাদের উৎপাদিত পণ্য বিক্রি করতে পারছে না জেনে আগামী জুন মাসে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় ‘যুব ব্র্যান্ডিং’র কার্যক্রম শুরু করতে যাচ্ছে।

প্রতিমন্ত্রী রাসেল বলেন, “আমাদের অনেক উদ্যোক্তা, উৎপাদিত পণ্য কোথাও বিক্রি করতে পারে না। সরকারিভাকেব একটা ব্র্যান্ড… একটা নাম দিয়ে আমরা বিভাগভিত্তিক পাইলট প্রকল্প শুরু করব। যাতে ব্র্যান্ডিংয়ের মাধ্যমে তরুণরা তাদের উৎপাদিত পণ্যগুলো বিক্রি করার সুযোগ পায়। এটা আগামী মাসের মধ্যে নিতে যাচ্ছি।”

বৃহস্পতিবার যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী যুব উদ্যোক্তাদের অনলাইন মার্কেটিং ওয়েবসাইট ‘যুব পাইকারি সেল ডটকম’ উদ্বোধন কছেন।

যুব পাইকারি সেল ডটকমকে যুব উদ্যোক্তাদের উৎপাদিত পণ্যের সঠিক মূল্য প্রাপ্তি নিশ্চিত এবং বাণিজ্যের দুর্ভোগ কমানোর একটি প্লাটফর্ম হিসেবে দাঁড় করাতে চায় মন্ত্রণালয়।

এই প্লাটফর্ম ব্যবহার করে যুব উদ্যোক্তারা বাংলাদেশের বিভিন্ন অঞ্চলের ফলমূল শাক-সবজি বিভিন্ন জেলায় ন্যায্য মূল্যে বিক্রি করবেন।

প্রাথমিক পর্যায়ে আম ও লিচু দিয়ে এ সামাজিক ব্যবসাটি শুরু হবে বলে জানানো হয়েছে।

চাঁপাইনবাবগঞ্জে ‘এরফান গ্রুপের চরঅনুপনগরে ঈদ সামগ্রী বিতরণ

চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি

জেলার শীর্ষ ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ‘এরফান গ্রæপ’ এর উদ্যোগে করোনা ভাইরাসেসংকটময় সময়ে আসন্ন ঈদ উপলক্ষে সদর উপজেলা ওচাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌরসভায় মোট ৬০ লক্ষ টাকার ১২ হাজারমানুষের মাঝে ঈদ সামগ্রী বিতরণ কার্যক্রমের অংশ হিসেবেশুক্রবার সদর উপজেলার চরঅনুপনগরে ইউনিয়ন পরিষদ চত্বরে ঈদসামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে। বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ
সভাপতি ও বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আহবানেসাড়া দিয়ে ‘এরফান গ্রæপ’ নিজস্ব অর্থায়নে এসব খাদ্য ওবস্ত্র সামগ্রী বিতরণ করা হচ্ছে। শুক্রবার সকালে সুন্দরপুরের একটি আম বাগানে কর্মহীন ওঅসহায় নারী পুরুষের হাতে ঈদ সামগ্রীগুলো তুলে দেন‘এরফান গ্রæপ’র চেয়ারম্যান ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক আলহাজ্বমো. এরফান আলীর প্রতিনিধি হিসেবে খাদ্য সামগ্রীবিতরণকালে উপস্থিত ছিলেন সদর উপজেলা আওয়ামীলীগেরসভাপতি মো. আজিজুর রহমান, জেলা যুবলীগের সাবেকসাধারণ সম্পাদক শহীদুল হুদা অলক, জেলা ছাত্রলীগের সভাপতিআরিফুর রেজা ইমন, চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌরসভার ১ নম্বরওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক ও ‘এরফান গ্রæপ’রত্রান সহায়তা কার্যক্রমের সমন্বয়ক নাসরুম মিনাল্লাহ,চরঅনুপনগরে ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ সভাপতি সিরাজুলইসলাম, ভারপ্রাপ্ত ইউপি চেয়ারম্যান সাদিকুল ইসলামবাচ্চু, সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ নেতৃবৃন্দসহছাত্রলীগের কর্মীরা ও ‘এরফান গ্রæপ’র বিভিন্নস্তরেরকর্মকর্তা-কর্মচারী। শুক্রবার চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলারচরঅনুপনগর ইউনিয়নে ৩’শ ৬০ জনকে প্রতিটি প্যাকেটেকাপড়, আটা, চিনি, সেমাই, তেল দেয়া হয়। পর্যায়ক্রমে‘এরফান গ্রæপ’র নিজ অর্থায়নে ৬০ লক্ষ টাকা ব্যয়ে ১২হাজার প্যাকেট ঈদ সামগ্রী চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌরসভার১৫টি ওয়ার্ড ও সদর উপজেলার ১৪ ইউনিয়নে কর্মহীন ওঅসহায় মানুষের মাঝে এসব সামগ্রী বিতরণ কার্যক্রম শেষপর্যায়ে বলে জানিয়েছে ‘এরফান গ্রæপ’ কর্তৃপক্ষ। উল্লেখ্য, করোনা ভাইরাস সংকময় সময়ে প্রথম দফায় ১ এপিলথেকে টানা ১০ দিনব্যাপী চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌরসভার ১৫টিওয়ার্ড ও সদর উপজেলার ১৪ ইউনিয়নে কর্মহীন ও অসহায়মানুষের মাঝে ‘এরফান গ্রæপ’র নিজ অর্থায়নে ৫০ লক্ষ টাকাব্যয়ে ১১ হাজার পরিবারের মাঝে চাল, ডাল, আলু বিতরণ করে।এছাড়াও ‘এরফান গ্রæপ’র চেয়ারম্যান ও ব্যবস্থাপনা পরিচালকআলহাজ্ব মো. এরফান আলীর আন্তরিকতায় বছর জুড়েই জেলারঅসহায়, দুঃস্থ ও হতদরিদ্র মানুষ, কঠিন রোগে আক্রান্তদেরচিকিৎসা সহায়তা, বিভিন্ন ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানেআর্থিক সহায়তাসহ বিভিন্ন সহায়তা কার্যক্রম চালিয়েআসছে ‘এরফান গ্রæপ’।

ব্রাজিলে করোনায় একদিনে সর্বোচ্চ ১১৮৮ জনের প্রাণহানি

ব্রাজিল হচ্ছে ল্যাটিন আমেরিকায় করোনা ভাইরাস ছড়ানোর উৎপত্তি কেন্দ্র। দেশটিতে কোভিড-১৯ ভাইরাসে একদিনে সর্বোচ্চ ১ হাজার ১৮৮ জনের মৃত্যু ঘটায় সেখানে এ পর্যন্ত মৃতের সংখ্যা বেড়ে মোট ২০ হাজার ৪৭ জনে দাঁড়ালো।

ব্রাজিলে করোনা ভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে বর্তমানে মোট ৩ লাখ ১০ হাজার ৮৭ জনে দাঁড়িয়েছে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ব্রাজিলে সরকারিভাবে ঘোষিত সংখ্যার চেয়ে দেশটিতে করোনা ভাইরাসে প্রকৃত আক্রান্তের সংখ্যা অনেক বেশি হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। কেননা, দেশটিতে প্রয়োজনের তুলনায় অনেক কম পরীক্ষা করা হচ্ছে।

এদিকে ব্রাজিলের কট্টর ডানপন্থী প্রেসিডেন্ট জাইর বোলসোনারো ল্যাটিন আমেরিকার এ বিশাল দেশের অর্থনৈতিক ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে লকডাউন তুলে নিতে চাপ দেয়ায় দেশটির ২৭ টি রাজ্য গভর্নরের অধিকাংশের সাথে তিনি সরাসরি বিরোধে জড়িয়ে পড়েন।

প্রেসিডেন্ট বোলসোনারো এ ভাইরাসকে একটি ‘সামান্য ফ্লু’র’ সাথে তুলনা করেছেন এবং দেশের অর্থনৈতিক ক্ষতি বন্ধে ফের কাজ শুরু করতে দেশের জনগণের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।

অপরদিকে রাজ্য ও স্থানীয় কর্তৃপক্ষ নাগরিকদের ঘরে থাকার এবং জরুরি প্রয়োজনে ঘরের বাইরে গেলে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখার জোরালো আহ্বান জানিয়েছে। দেশটিতে করোনাভাইরাস মোকাবেলায় এভাবে পাল্টাপাল্টি পদক্ষেপের ঘোষণা দেয়ায় বিষয়টি আদালতে গড়ালে আদালত রাজ্য ও স্থানীয় সরকারের গৃহীত পদক্ষেপের পক্ষে সমর্থন দেয়। সূত্র: এএফপি

২৪ ঘণ্টায় আরও ২৪ জনের মৃত্যু

ঢাকা: গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে আরও ২৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে মোট মৃত্যু হয়েছে ৪৩২ জনের। নতুন করে শনাক্ত হয়েছেন ১৬৯৩ জন। সব মিলিয়ে আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৩০ হাজার ২০৪ জনে।
 

শুক্রবার (২২ মে) দুপুরে স্বাস্থ্য বুলেটিনে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা এ তথ্য জানান।

নাচোলের নেজামপুরে বিদ্যুতের তারে জড়িয়ে ৮টি গরুর মৃত্যু


চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি:

চাঁপাইনবাবগঞ্জের নাচোলে বিদ্যুতের তারে জড়িয়ে ৮ টি গরুর মৃত্যু হয়েছে।
বৃহষ্পতিবার বিকেলে উপজেলার নেজামপুর ইউনিয়নের টকটকিয়া গ্রামের পাশে শুকানদিঘী নামক এলাকায় বিদ্যুতের তার ছিঁড়ে গরুগুলো মারা গেছে।
প্রত্যক্ষদশীরা জানায়, ঘুর্ণিঝড় আ¤ান এর প্রভাবে বৃহস্পতিবার (২১ মে) সারদিন বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ ছিল। ওইদিন বিকেল ৫টার দিকে লাইনে বিদ্যুৎ সরবারাহ শুরু হলে ঐ স্থানে বাঁশের ঝাড়ের সাথে ছুঁয়ে থাকা তারে আগুন লেগে যায়।এতে করে বৈদ্যুতিক তার ছিঁড়ে শুয়ে থাকা গরুর উপর পড়লে ঘটনাস্থলেই ৮টি গরু মারা যায়।
এ ব্যাপারে গরুর মালিক মওদুদ ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে জানান, তার ও তার বন্ধুর ৮ টি গরু তারা শিবগঞ্জ থেকে বিক্রির জন্য এনে এ দুর্ঘটনা ঘটে। যার আনুমানিক মূল্য সাড়ে তিন থেকে চার লক্ষ টাকা বলে দাবী তার।
প্রসঙ্গত: মৃত গরু গুলোর মালিক জেলার শিবগঞ্জ উপজেলার নয়ালাভাঙ্গার গাইনপাড়া গ্রামের ও আকরাম হোসেন ও মওদুদ আলী ।

ঈদের আগেই সাড়ে ১২ লাখ শিক্ষার্থী পাচ্ছে উপবৃত্তির টাকা

ঈদের আগেই মাধ্যমিকের ১২ লাখ ৫৯ হাজার ১০০ শিক্ষার্থীর কাছে জুলাই থেকে ডিসেম্বর ২০১৯ এর উপবৃত্তির টাকা প্রদানের কার্যক্রম উদ্বোধন করেছেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি এমপি।

বুধবার (২০ মে) বিকালে রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে এ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন তিনি।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের কারণে আমরা এক মহাদুর্যোগ মোকাবেলা করছি। এই দুর্যোগের সময় সরকার জনগণকে সহযোগিতা করতে সর্বোচ্চ চেষ্টা করছে। উপবৃত্তির টাকাও এই ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

তিনি বলেন, আগামী এক মাসের মধ্যে আরও ১২ লাখ শিক্ষার্থীর মাঝে উপবৃত্তির টাকা পাঠানো হবে। আগামী একমাসের মধ্যে আরও ৬০৬ কোটি টাকা এ খাতে বিতরণ করা হবে।

অগ্রণী ব্যাংক ও বিকাশের সহযোগিতায় বাংলাদেশ ব্যাংকের মাধ্যমে সমন্বিত উপবৃত্তির আওতায় জিটুপি এর মাধ্যমে এই উপবৃত্তি দেওয়া হচ্ছে। জিটুপি (গভর্নমেন্ট টু পারসন) পদ্বতিতে টাকা প্রেরণে তৃতীয় কোনো পক্ষ জড়িত থাকে না বলে কোনো রকমের ভোগান্তি থাকে না।

শিক্ষা মন্ত্রণালয় বাংলাদেশ ব্যাংকে আজ ২৩৬ কোটি ৯৩ লক্ষ ৬৮ হাজার টাকা পাঠিয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংক আজকের মধ্যে শিক্ষার্থীদের অ্যাকাউন্টে টাকা পাঠিয়ে দেবে। টিউশন ফি যাবে প্রধান শিক্ষকের অ্যাকাউন্টে। যাদের বিকাশে অ্যাকাউন্ট আছে তাদের বৃত্তির টাকা সরাসরি বিকাশ অ্যাকাউন্টে চলে যাবে।

উদ্বোধন কার্যক্রমে আরও উপস্থিত ছিলেন মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সচিব মো: মাহবুব হোসেন, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ড. সৈয়দ মোহাম্মদ গোলাম ফারুক, অর্থ মন্ত্রণালয়, বাংলাদেশ ব্যাংক ও বিকাশের প্রতিনিধিসহ সংশ্লিষ্টরা।