সর্বশেষ সংবাদ জাতিসংঘ পুরস্কার পেয়েছে ভূমি মন্ত্রণালয় দুই মিনিটে ঘরে বসেই সোনালী ব্যাংকের অ্যাকাউন্ট চাঁপাইনবাবগঞ্জ থেকে প্রথমবার ঢাকাগামী স্পেশাল ম্যাংগো ট্রেনের যাত্রা শুরু ৭০ দিন পর সোনামসজিদে ভারতীয় ৮৫ পণ্যবাহী ট্রাক প্রবেশের মাধ্যমে আমদানি-রফতানি শুরু চাঁপাইনবাবগঞ্জে আনুষ্ঠানিকভাবে আম কেনা বেচার উদ্বোধন হলেও জমে ওঠেনি আমবাজার। চাঁপাইনবাবগঞ্জে বজ্রপাতে এক গৃহবধুর মৃত্যু ২৪ ঘণ্টায় করোনা ভাইরাসে মৃত্যু ৩৫ :শনাক্ত ২৪২৩ নাচোল খাদ্য গুদামে রাতে সাপাহার থেকে কৃষকের নামে গম ঢোকানোর চেষ্টা! বিশ্বের সমুদ্র সম্পদের টেকসই ব্যবস্থাপনায় প্রধানমন্ত্রীর ৩ প্রস্তাব দ্য গার্ডিয়ানে প্রকাশিত কলামের অনুবাদ – ঘূর্ণিঝড় ও করোনার সঙ্গে যুদ্ধ: মহামারীতেও কিভাবে আমরা লক্ষ মানুষকে নিরাপদ রেখেছি

লাইলাতুল কদর : মহিমান্বিত রজনী

গৌড়বার্তা ডেক্সঃ-
‘লাইলাতুল কদর’ আরবী শব্দ, যাকে ‘শবে-কদর’ও বলা হয়। শবে কদর হলো ‘লাইলাতুল কদর’-এর ফারসী পরিভাষা। ‘শব’ অর্থ রাত, আর আরবী ‘লাইলাতুন’ শব্দের অর্থও রাত বা রজনী। কদর অর্থ সম্মানিত, মহিমান্বিত, ভাগ্য। সুতরাং লাইলাতুল কদরের অর্থ সম্মানিত রজনী, মহিমান্বিত রজনী বা ভাগ্যের রজনী। যেহেতু এ রাতের কৃত ইবাদত হাজার মাস অপেক্ষা উত্তম সেজন্য অথবা যেহেতু এ রাত্রে বান্দার পরবর্তী এক বৎসরের অবধারিত ভাগ্যলিপি ফেরেশতাগণের কাছে হস্তান্তর করা হয় সেজন্য এ রাতকে ‘লাইলাতুল কদর’ বলা হয়।

ইবনে আবী হাতেম র. থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, ‘একবার রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সাহাবায়ে কেরামের কাছে বনী ইসরাঈলের চারজন ব্যক্তি সর্ম্পকে আলোচনা করলেন যে, তারা দীর্ঘ হায়াত লাভ করে অধিককাল যাবত ইবাদত করেন। এ সময়ের মধ্যে তারা একবারের জন্যও নাফরমানী করেননি। এ কথা শুনে সাহাবায়ে কেরাম অত্যন্ত বিস্মিত হলেন এবং নিজেদের অল্প হায়াতের ব্যাপারে আফসোস করতে লাগলেন। সাহাবায়ে কেরামের এ আফসোসের পরিপ্রেক্ষিতে রাব্বুল আলামীন তাঁর প্রিয় হাবীবের উপর সূরা কদর অবতীর্ণ করেন। (তাফসীরে ইবনে কাসীর: ৮/৪৪৩) আল্লাহ পাক ঘোষণা দেন, ‘আমি উহা (তথা কোরআন) কদরের রাতে নাযিল করেছি। তুমি কি জান, কদরের রাত কী? কদরের রাত হাজার মাস হতেও উত্তম। ফেরেশতারা ও রূহ (জিব্রাইল আ.) এ রাতে তাদের রবের অনুমতিক্রমে সব হুকুম নিয়ে অবতীর্ণ হন, ফজর উদয় হওয়া পর্যন্ত সে রাত পুরাপুরি শান্তি ও নিরাপত্তার।’ (সূরা আল কদর)

পবিত্র কোরআন ও সহীহ-হাদীস দ্বারা লাইলাতুল কদরের গুরুত্ব ও ফজীলত প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। পবিত্র কোরআনে এ সম্পর্কে পূর্ণাঙ্গ একটি সূরা নাযিল হওয়া এর গুরুত্ব ও ফজীলত প্রমাণের জন্য যথেষ্ট। আল্লাহ পাক নিজে এ রাতের চারটি ফজীলতের কথা উল্লেখ করেছেন।

১. এ রাত কোরআন নাযিলের রাত। আল্লাহ রাব্বুল আলামীন লাওহে মাহফূজ থেকে দুনিয়ার আকাশে কোরআনকে এ রাতেই নাযিল করেন। তিনি বলেন, ‘নিশ্চয়ই আমি উহা (তথা কোরআন) কদরের রাতে নাযিল করেছি।’ (সূরা কদর: ১) অন্যত্র তিনি ইরশাদ করেন, ‘হা-মীম! শপথ সুস্পষ্ট কিতাবের, নিশ্চয়ই আমি তা (আল কুরআন) এক মুবারকময় রজনীতে অবতীর্ণ করেছি, নিশ্চয়ই আমি সতর্ককারী। এ রাতে প্রত্যেক গুরুত্বপূর্ণ বিষয় স্থিরীকৃত হয়।’ (সূরা আদ-দুখান: ১-৪) কোরআনের মতো বিরাট নিয়ামতের কারণেই মানব জাতির কাছে এ রাতে এতো মর্যাদা ও ফজীলত। এ কোরআনকে ধারণ করলেই মানুষ সম্মানীত হবে, দেশ ও জাতি মর্যাদাবান হবে; গোটা জাতির ভাগ্য বদলে যাবে। কাজেই এ রাতে অর্থ বুঝে কোরআন পড়তে হবে। কোরআনের শিক্ষাকে ব্যক্তি ও সমাজ জীবনে প্রতিষ্ঠার শপথ গ্রহণ করতে হবে। বাছাইকৃত কিছু আয়াত এ রাতে মুখস্তও করা যেতে পারে। যাদের কোরআনের ওপর প্রয়োজনীয় জ্ঞান রয়েছে, তারা এ রাতে একটি দারসও প্রস্তুত করতে পারেন। মাহে রমজানের এ রাতেই প্রায় প্রতিটি মসজিদে খতমে তারাবীহের কোরআন খতম সম্পন্ন করা হয়। এ রাতে ৩০ পারা কোরআনের শেষ পারা তিলাওয়াত করার মাধ্যমে হাফেজ সাহেবগণ তারাবীহ নামাজ পড়িয়ে থাকেন।

২. লাইলাতুল কদরে কৃত ইবাদাতের মূল্য হাজার মাসের কৃত ইবাদাতের চেয়ে উত্তম। হাজার মাস ৮৩ বৎসর ৪ মাস হয়ে থাকে। অর্থাৎ হাজার মাস ইবাদত-বন্দেগী করে যে সাওয়াব অর্জন করা যায়, সে সাওয়াব শুধু এক কদরের রজনীতে ইবাদত-বন্দেগী করেই অর্জন করা সম্ভব। এ জন্য যতটুকু পারা যায় ততটুকু ইবাদত করে কদরের রজনীকে কাটানো আমাদের জন্য জরুরী। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ‘যে ঈমানের সাথে, সাওয়াবের আশায় লাইলাতুল কদরে রাত জেগে আল্লাহর ইবাদতে কাটালো, তার বিগত জীবনের সকল গুনাহ মাফ করে দেয়া হবে।’ (বুখারী: ১৮৭৫) তাছাড়া বিখ্যাত সাহাবী হযরত আবূ হুরায়রা রা. থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ ‘যদি তোমরা কবরকে আলোকময় পেতে চাও, তাহলে লাইলাতুল কদরে জাগ্রত থেকে ইবাদত কর’। (বায়হাকী) তাই সারা রাত্র জাগরণ করে সঠিকভাবে ইবাদত-বন্দেগীতে মনোনিবেশ করা সকলের জন্য একান্ত কর্তব্য। বেশি বেশি নফল নামাজ, তাহাজ্জুদ, সালাতুস তাসবিহ, উমরী কাযা, কোরআন তিলাওয়াত, দান-সাদকা, যিকির-আযকার, তাসবীহ-তাহলীল, তাওবা-ইসতেগফার, দুআ-দুরূদ, কবর যিয়ারত ইত্যাদি নফল আমলের মাধ্যমে এ রাতকে উদযাপন করা জরুরি। রমজানের শেষ দশক আসলেই রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কোমর বেঁধে ইবাদতে লেগে যেতেন, রাত জেগে ইবাদত-বন্দেগিতে লিপ্ত থাকতেন। মা আয়েশা রা. বলেন, ‘আমি নবী পাক সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে জিজ্ঞেস করলাম ইয়া রাসূলাল্লাহ! যদি আমি জানতে পারি লাইলাতুল কদর কোন রাত, তবে কী আমল করব? তিনি জবাব দিলেন, তখন বেশি করে বলো, হে আল্লাহ! আপনি তো ক্ষমাশীল, পরম করুণাময়। আমাকে ক্ষমা করুন।’ (তিরিমিজী: ৩৫১৩])

৩. লাইলাতুল কদর ভাগ্য লিপিসহ ফেরেশতাদের আগমনের রাত। আল্লাহ পাক ইরশাদ করেন, ‘ফেরেশতারা ও রূহ (জিব্রাইল আ.) এ রাতে তাদের রবের অনুমতিক্রমে সব হুকুম নিয়ে অবতীর্ণ হন।’ (সুরা কদর: ৩, ৪) অন্যত্র ইরশাদ হয়েছে, ‘এ রাতে সকল গুরুত্বপূর্ণ বিষয় স্থিরীকৃত হয়।’ (সূরা আদ-দুখান: ৪) ফেরেশতাদের নাযিল হওয়ার অর্থ মুফাসসিরগণ করেছেন, যারা ইবাদতে লিপ্ত থাকেন তাদের সাথে ফেরেশতাগণ মুসাফাহা করেন। যেথায় বেশি ইবাদত-বন্দেগি হয়, সে জায়গা ফেরেশতাগণ পরিবেষ্টন করে রাখেন। আর জিবরাইল আ.–এর আগমনের অর্থ হলো প্রতি লাইলাতুল কদরে তিনি রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে কোরআন তেলাওয়াত করে শোনান আর নবীজিও তাকে শোনান। এ বছর থেকে পরবর্তী বছর পর্যন্ত আল্লাহ পাক তাঁর প্রিয় বান্দাদের ভাগ্য লিপিবদ্ধ করে এ রাতেই ফেরেশতাদের কাছে অর্পণ করেন। (কুরতুবী: ২০/১৩৩) সেজন্য এ রাতে মহান রবের কাছে সৌভাগ্য কামনা করতে হবে। বিপদ-আপদ, বালা-মুসীবত থেকে ‍মুক্তি চাইতে হবে। নিজের জন্য, পরিবারের জন্য, দেশ ও দশের জন্য বেশি করে দোআ করা এ রাতের একান্ত দায়িত্ব।

৪. চতুর্থ মর্যাদার কথা আল্লাহ পাক ইরশাদ করেন, ‘ফজর উদিত হওয়া পর্যন্ত এরাত শান্তিময়।’ (সূরা কদর: ৫) অর্থাৎ এ রাত পুরাটাই কল্যাণময়। এতে কোনো অকল্যাণ নেই। আর ফজর পর্যন্ত এর সীমা। অন্যান্য রাতে যেমন দোআ কবূলের জন্য শেষ রাতের আলাদা বিশেষত্য আছে, এর কোনো অংশ বেশি ফযীলতপূর্ণ এমন নয়; বরং পুরো রাতই বরকতময়, শান্তির আধার। অথবা এ রাতে কোনো বান্দাকে শয়তান কুপরামর্শ দিতে পারে না। কেউ কেউ বলেন, এর অর্থ ফেরেশতারা ফজর পর্যন্ত ইবাদতগোজার বান্দাদের সালাম দিতে থাকে। (কুরতুবী: ২০/১৩৪)

শিবগঞ্জের আরো ১৬শ’ পরিবারের পাশে জিকে ফাউন্ডেশন


শিবগঞ্জ (চাঁপাইনবাবগঞ্জ) প্রতিনিধি:
করোনাভাইরাসের কারণে খেটে খাওয়া মানুষের দুর্ভোগ লাঘবে চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ পৌরসভার তিনটি ওয়ার্ডে ঘরে থাকা কর্মহীন হয়ে পড়া ১ হাজার ৬শ’ পরিবারের মধ্যে ঈদসামগ্রী বিতরণ করেছে জিকে ফাউন্ডেশন।

বুধবার (১৮ মে) বিকেলে শিবগঞ্জ স্টেডিয়াম মাঠে সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে কর্মহীন পরিবারের মধ্যে চাল, আটা, ডাল, তেল, দুধ, সেমাই ও চিনি তুলে দেন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান সৈয়দ নজরুল ইসলাম। এ সময় উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আতিকুল ইসলাম টুটুল খাঁন, পৌর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক গোলাম কিবরিয়া, , উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক তোসিকুল ইসলাম টিসু, সাংগঠনিক সম্পাদক শরিফুল ইসলাম, শিবগঞ্জ পৌর ছাত্রলীগের সভাপতি মেহেদী হাসান হিমেল, সাধারণ সম্পাদক আলী রাজসহ অন্যরা।

এর আগে উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে প্রায় ৭ হাজার পরিবারের মাঝে ৫ কেজি চাল, ১ কেজি ডাল, ২ কেজি আলু, ১ কেজি লবণ ও ১ লিটার তেল বিতরণ করা হয়। করোনা পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত এ খাদ্যসামগ্রী বিতরণ কার্যক্রম অব্যহত থাকবে বলে জানান উপজেলা চেয়ারম্যান।

শিবগঞ্জে ৪৫ টাকার জন্য মারামারি: নারীসহ আহত ৪

শিবগঞ্জ (চাঁপাইনবাবগঞ্জ) প্রতিনিধি: চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ উপজেলার নারায়ণপুর এলাকায় মাত্র ৪৫ টাকাকে কেন্দ্র করে নারীসহ চারজন আহত হয়েছে। আহতরা হলেন- উপজেলার ছত্রাজিতপুর ইউনিয়নের নারায়ণপুর গ্রামের মৃত আলতাব মিয়ার ছেলে আকতার আলী দুলু (৬০) স্ত্রী নার্গিস বেগম (৪৯), মেয়ে চাম্পা খাতুন (২০) ও পুত্রবধূ জলি বেগম (২৬)। এ নিয়ে সোমবার আকতার আলী দুলু বাদি হয়ে শিবগঞ্জ থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। অভিযোগে জানা গেছে- গত সোমবার বেলা ১১টার দিকে দুলুর ৩ বছরের পুতিন সিন খাতুন ৪৫ টাকা নিয়ে পার্শ্ববর্তী মুদিখানার দোকানে চকলেট কিনতে যায়। এ সময় ৫ টাকার চকলেট দিয়ে বাকি টাকা মৃত আহসানের মেয়ে চায়না খাতুন আত্মসাত করে শিশুটিকে চড় থাপ্পড় দেয়। পরে শিশুটির কান্নাকাটি শুনে পরিবারের সদস্যরা ঘটনাস্থলে গেলে দেশীয় অস্ত্র-শস্ত্র নিয়ে হামলা চালিয়ে এলোপাথাড়িভাবে মারপিট শুরু করে। এতে শিশুর দাদি নার্গিস বেগম মারাত্মকভাবে জখম প্রাপ্ত হন। পরে শিশুটির মা জলি বেগম, ফুফু চাম্পা খাতুন ও দাদা আকতার আলী দুলুকেও এলোপাথাড়িভাবে মারপিট করে। পরে প্রতিবেশীরা আহত অবস্থায় তাদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। অপরদিকে মঙ্গলবার রাতে স্থানীয় যুবলীগ কর্মী আরজু মন্ডলসহ বেশ কয়েকজন মিলে আনন্দ উল্ল্যাসে পিকনিকের আয়োজন করে বিবাদী পক্ষরা। এ ব্যাপারে ছত্রাজিতপুর ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) চেয়ারম্যান শামশুল হকের সাথে মুঠোফোন যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, তুচ্ছ একটি ঘটনায় সংশ্লিষ্ট ইউপি সদস্য জালাল উদ্দিন তাকে জানিয়েছেন। আহতদের আইনি প্রক্রিয়ায় যাবার কথা শুনেছি। এর বেশি কিছু জানা নেই। বুধবার বিকেলে ঘটনার তদন্তকারী কর্মকর্তা শিবগঞ্জ থানার এএসআই আবু সাঈদ জানান, মঙ্গলবার ঘটনাস্থলে গিয়ে প্রাথমিকভাবে তদন্ত করা হয়েছে। একটি শিশু গ্রাম্য একটি দোকানে কিছু খাবার কিনাকে কেন্দ্র করে এ ঘটনা ঘটেছে। উভয় পরিবার আপোষ মিমাংশায় সম্মতি দিয়েছে। পরবর্তীতে জানতে পারি, বিবাদী পক্ষ এখন আপোষে অসম্মতি প্রকাশ করেছে।

ঢাকা ছাড়তে চাইলে ঈদ পর্যন্ত রাস্তাতেই রাখা হবে–ডিএমপি কমিশনার

ডেস্ক

ঢাকা মেট্রোপেলিটন পুলিশের কমিশনার শফিকুল ইসলাম হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, ঈদকে কেন্দ্র করে যারা পায়ে হেঁটেও গ্রামের বাড়ি যাওয়ার চেষ্টা করবে, তাদেরকে ঈদ পর্যন্ত রাস্তাতেই রাখা হবে। কোথাও যেতে দেয়া হবে না।

বুধবার দুপুরে নারায়ণগঞ্জ শহরের মাসদাইর এলাকায় কেন্দ্রীয় ইদগাহ ময়দানে জেলা পুলিশ আয়োজিত দুস্থদের ঈদ সামগ্রী বিতরণে এসে তিনি এ হুঁশিয়ারি দেন।

ডিএমপি কমিশনার জানান, ঢাকা এবং আশপাশের জেলা থেকে কাউকে ভিন্ন জেলায় যেতে দেয়া হবে না। পাশাপাশি বাইরের কোনো জেলা থেকেও কাউকে ঢাকায় প্রবেশ করতে দেয়া হবে না।

তিনি বলেন, আমরা জেনে-বুঝে কাউকে মৃত্যুর মুখে পড়তে দেব না। তারপরও কেউ যদি ঈদের অজুহাতে বের হয়, তবে তাকে আটকে দেয়া হবে এবং ঈদ পর্যন্ত সেখানেই অবস্থান করতে হবে। পুলিশ কারো অজুহাত প্রশ্রয় দেবে না।

নারায়ণগঞ্জের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ জায়েদুল আলমের সভাপতিত্বে ঈদ সামগ্রী বিতরণ কর্মসূচিতে পুলিশের কাউন্টার টেরোরিজম ইউনিট প্রধান মো. মনিরুল ইসলাম, ঢাকা রেঞ্জের ডিআইজি হাবিবুর রহমানসহ পুলিশ বিভাগের অন্য কর্মকর্তারার উপস্থিত ছিলেন।

যে ১০ খাবারে দূরে থাকবে করোনা

ডেস্ক

বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়া করোনাভাইরাসের কোন প্রতিষেধক আবিষ্কার না হওয়া বার বার হাত ধোয়া এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানোর দিকেই জোড় দিচ্ছেন স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা। আর এই রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার ৭০-৭৫ ভাগ আসে আমাদের দৈনন্দিন খাবার থেকে।

বিশেষজ্ঞদের মতে যে দশটি খাবার শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়িয়ে তোলে তার তালিকা নিচে দেয়া হলো-

১. সবজি: করলা (বিটা ক্যারোটিনসমৃদ্ধ), পারপেল/লাল পাতা কপি, বিট, ব্রোকলি, গাজর, টমেটো, মিষ্টি আলু, ক্যাপসিকাম, ফুলকপি।

২. শাক: যেকোনো ধরনের ও রঙের শাক।

৩. ফল: কমলালেবু, পেঁপে, আঙুর, আম, কিউই, আনার, তরমুজ, বেরি, জলপাই, আনারস ইত্যাদি।

৪. মসলা: আদা, রসুন, হলুদ, দারুচিনি, গোলমরিচ।

৫. বীজ জাতীয়: শিমের বীচ, মটরশুঁটি

৬. টক দই: এটি প্রোবায়োটিকস, যা শ্বাসযন্ত্র ও পরিপাকতন্ত্র সংক্রমণের ঝুঁকি প্রতিরোধ করে।

৭. চা: গ্রিন টি, লাল চায়ে এল-থেনিন এবং ইজিসিজি নামক অ্যান্টি–অক্সিডেন্ট থাকে, যা আমাদের শরীরে জীবাণুর বিরুদ্ধে লড়াইয়ের অনেক যৌগ তৈরি করে শরীরে রোগ প্রতিরোধব্যবস্থাকে শক্তিশালী করে।

৮. সামুদ্রিক খাবার: সামুদ্রিক মাছ। এগুলো শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা তৈরির কোষ বৃদ্ধি করে। তাই এ ধরনের খাবার বেশি খেতে হবে।

৯. উচ্চ মানের আমিষ জাতীয় খাবার (ডিম, মুরগির মাংস ইত্যাদি) বেশি করে খেতে হবে।

১০. বার্লি, ওটস, লাল চাল ও আটা, বাদাম।

করোনার শীর্ষে থাকা গর্বের বিষয়: ট্রাম্প

বিশ্বে করোনা মহামারিতে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত দেশ হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। করোনায় মোট আক্রান্ত ও মৃত্যু এই দুই ক্ষেত্রেই শীর্ষে রয়েছে দেশটি। কিন্তু সে দেশের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, বিশ্বের সবচেয়ে বেশি করোনা রোগী শনাক্ত হওয়ার বিষয়টি নাকি যুক্তরাষ্ট্রের জন্য ‘সম্মানের বিষয়’।

মঙ্গলবার হোয়াইট হাউসের ইস্ট রুমে মন্ত্রিসভার প্রথম বৈঠক চলাকালে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন ট্রাম্প।

তিনি বলেন, ‘প্রসঙ্গক্রমে যখন আপনারা বলেন, আক্রান্তের সংখ্যায় আমরা শীর্ষে আছি, এর কারণ হল, অন্য যে কারো চেয়ে বেশি পরীক্ষা করছি আমরা।’

প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প আরও বলেন, ‘আমাদের আক্রান্তের সংখ্যা অনেক হলেও আমি এটিকে খারাপ হিসেবে দেখি না। আমি এটিকে বিশেষ সম্মানের সঙ্গে দেখি, একটি ভালো জিনিস হিসেবে দেখি। কারণ এর অর্থ আমাদের পরীক্ষা অনেক ভালো।’

ওয়ার্ল্ডোমিটারের সর্বশেষ পরিসংখ্যান অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রে এখন পর্যন্ত করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ১৫ লাখ ৭১ হাজারের বেশি মানুষ। আর মারা গেছেন ৯৩ হাজার ৫৪২ জন।

যুক্তরাষ্ট্রের রোগ নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্রের তথ্য অনুযায়ী, মঙ্গলবার পর্যন্ত সারাদেশে ১ কোটি ২৬ লাখ মানুষের করোনা পরীক্ষা করা হয়েছে। প্রতিদিন দেশটি ৩ থেকে ৪ লাখ মানুষের করোনা পরীক্ষা চালানো হচ্ছে।

তবে করোনায় আ্রকান্ত ও মৃত্যুতে এক নম্বরে থাকা নিয়ে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের গর্বের বিষয়টিকে ভালোভাবে নিচ্ছেন না সমালোচকরা। তাছাড়া করোনা পরীক্ষার ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্রই যে এক নম্বরে, ট্রাম্পের এই দাবিকেও মিথ্যা বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

কারণ অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের বৈশ্বিক তথ্য অনুযায়ী, করোনা পরীক্ষার দিক থেকে ১৬ নম্বরে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। করোনা টেস্টে রাশিয়া, কানাডা, নিউজিল্যান্ড ও আইসল্যান্ডের চেয়েও পিছিয়ে আছে যুক্তরাষ্ট্র।

চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিল্পীদের মাঝে ঈদ সামগ্রী বিতরণ


চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি ॥ চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিল্পীদের মাঝে ঈদ সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে। বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমীর মহাপরিচালক লিয়াকত আলী লাকীর নির্দেশনায়, জেলা প্রশাসনের সহযোগিতায় এবং জেলা শিল্পকলা একাডেমীর উদ্যোগে এসব ঈদ সামগ্রী বিতরণ করা হয়। বুধবার সকালে জেলা শিল্পকলা একাডেমী অডিটোরিয়ামে জেলা শিল্পীদের হাতে এসব সামগ্রী তুলে দেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) এ কে এম তাজকির উজ জামান। এসময় উপস্থিত ছিলেন জেলা শিল্পকলা একাডেমীর জেলা কালচারাল অফিসার মো. ফারুকুর রহমান ফয়সাল, জেলা শিল্পকলা একাডেমীর সদস্য গোলাম ফারুক মিঠুন, একাডেমীর প্রশিক্ষক গৌরি চন্দ্র সিতুসহ অন্যরা। জেলার মোট ৬৭জন শিল্পীর হাতে প্রতিটি প্যাকেটে ৫ কেজি সিদ্ধ চাল, ২ কেজি আতব চাল, ২ কেজি আলু, ১ কেজি পেঁয়াজ, ১ লিটার তেল, ৭৫০ গ্রাম চিনি, সেমাই ২ প্যাকেটসহ অন্যান্য সামগ্রী বিতরণ করা হয়।

গাদাগাদি করে ঈদের কেনাকাটা ঃ পুলিশ সুপার বরাবর মার্কেট বন্ধের আবেদন এলাকাবাসীর

স্টাফ রিপোর্টার

চাঁপাইনবাবগঞ্জের বিভিন্ন মার্কেটগুলোতে সামাজিক দূরত্ব বজায় না রেখে গাদাগাদি করে চলছে ঈদের কেনাকাটা। পাশাপাশি জেলায় গত 3 দিনে 30 জন আক্রান্ত হওয়ার পাশাপাশি দিন দিন বাড়ছে আশঙ্কাজনক হারে করোনা আক্রান্তদের সংখ্যা। জেলার সদর উপজেলার মার্কেটগুলো ব্যবসায়ীরা বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিলেও গত 5 দিন আগে মার্কেটগুলো খুলে দেয় অন্যদিকে গোমস্তাপুর রহনপুর সামাজিক দূরত্ব বজায় স্বাস্থ্যবিধি না মানার অভিযোগ এ উপজেলার সকল ব্যবসা প্রতিষ্ঠান অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ করে দেয় প্রশাসন কিন্তু এর একদিন পরই ব্যবসায়ীরা সকল ব্যবসা প্রতিষ্ঠান খুলে দেয় এছাড়াও ভোলাহাট ও নাচলে সকল মার্কেট খোলা থাকায় সেসব বাজারগুলোতেও সামাজিক দূরত্ব বজায় থাকছে না জেলা-উপজেলা মার্কেটগুলোতে ক্রেতাদের উপচে পড়া ভিড় লক্ষ্য করা গেছে। এতে করে করো না সংক্রমণ আরো দ্রুত গতিতে ছড়িয়ে পড়ার আশংকা করছেন সচেতন মহল ।
এদিকে
এ নিয়ে চাঁপাইনবাবগঞ্জ পুলিশ সুপার বরাবর মার্কেট বন্ধের দাবিতে একটি আবেদনও করেছে স্থানীয়রা।
মঙ্গলবার বিকেলে কানসাটের এক ব্যক্তি পুলিশ সুপার বরাবর আবেদন টি করেন।এতে স্থানীদের একটি অংশ সমর্থন জানিয়ে সে অাবেদনে সাক্ষরও করেন। দাখিলকৃত আবেদন সূত্রে জানা গেছে ঈদুল ফিতর উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রী ও প্রশাসনের নির্দেশে সকল ঈদ মার্কেট বন্ধ থাকার ঘোষণা থাকলেও কানসাট বাজারে চলছে রমরমা ব্যবসা ।সামাজিক দূরত্ব বা কোন প্রকার স্বাস্থ্য বিধি না মেনে গাদাগাদি করে ক্রেতারা কিনছে গার্মেন্টস পণ্য। আবেদনে আরও বলা হয় ঈদের মার্কেটে করোনা আক্রান্তরা ঘোরাফেরা করায় 23 জন আক্রান্ত হয়েছে। এছাড়াও চাঁপাইনবাবগঞ্জের রহনপুরে একজন করোনা আক্রান্ত ব্যক্তি একটি মার্কেটে ঘোরাফেরা করায় ওই মার্কেটের একটি দোকান এবং দশটি বাড়ি মঙ্গলবার লকডাউন করেছে স্থানীয় প্রশাসন । এ পরিস্থিতিতে কানসাট বাসির মঙ্গলের স্বাথে কানসাট বাজারের সকল মার্কেট বন্ধের অনুরোধ জানানো হয় ঔ অাবেদনে।

করোনাঃ ভোলাহাটে একদিনের সম্মানিভাতার টাকা দিলেন বীর মুক্তিযোদ্ধারা

ভোলাহাট(চাঁপাইনবাবগঞ্জ) প্রতিনিধিঃ দেশে যখন করোনার থাবায় মানুষের আয়ের পথ বন্ধ। একটু সহানুভূতি একটু খাদ্যের জন্য হাহাকার। ঠিক তখনি ভোলাহাট উপজেলার জাতির সূর্য সন্তান বীর মুক্তিযোদ্ধারা তাঁদের সম্মানি ভাতা থেকে একদিনের টাকা দান করলেন। উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কার্যালয়ের দায়িত্ব প্রাপ্ত কমান্ডার রাজিবুল আলমের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিলে প্রদান করা হয় দানের এ টাকা। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন, সাবেক কমান্ডার আলহাজ্ব নুরুল হক, আলহাজ্ব মনিরুদ্দীন মুন্টু, জামবাড়ীয়া ইউপি কমান্ডার তৈয়মুর রহমান । উপজেলার মোট ২ শত ২৭ জন বীর মুক্তিযোদ্ধাগণ তাঁদের সম্মানি ভাতা থেকে একদিনের ৪ শত টাকা করে প্রদান করেন। এ দান প্রধান মন্ত্রীর ত্রাণ তহবিলে পৌঁছে দেয়ার দায়িত্ব উপজেলা নির্বাহী অফিসারের বলে দায়িত্বশীল মুক্তিযোদ্ধারা জানান।

চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার ইসলামপুর ইউনিয়নে খাদ্যশস্য বিতরণ করলেন আব্দুল ওদুদ

স্টাফ রিপোর্টার

চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার ইসলামপুর ইউনিয়নে আজ সকাল‍ ১১ঃ৩০ মিনিটে বৈরী আবহাওয়ার মধ্যেও করোনা ভাইরাসে বেকার হয়ে যাওয়া নারী পুরুষ ২৯০ জন কর্মহীন পরিবারের মাঝে জেলা পরিষদের পক্ষ থেকে খাদ্যশস্য বিতরণ করা হয় । করোনা ভাইরাস প্রতিরোধ সম্পর্কে আলোচনা করেন এবং সবাইকে বেশি বেশি করে ২০ থেকে ২৫ সেকেন্ড ধরে হাত ধুতে বলেন।এসময় উপস্থিত ছিলেন চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সাবেক এমপি আব্দুল ওদুদ, জেলা পরিষদ সদস্য মোঃ রফিকুল ইসলাম ও জেলা পরিষদ সদস্য কাজলেমা খাতুন ও স্থানীয় গণ্যমান্য আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দ।