সর্বশেষ সংবাদ করোনাভাইরাস: ঢাকা শহরে ১৪ হাজার কোভিড-১৯ রোগী, সবচেয়ে বেশি মহাখালীতে এতিম শিশুদের পাশে মানিক শিশুকালের ঈদ বিনোদপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক মরহুম ওবায়দুর রহমান রেনু মাস্টারের জানাযা সম্পন্ন চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুরে ঘূর্ণিঝড়ে লণ্ডভণ্ড দুটি গ্রাম চাপাইনবাবগঞ্জে উদযাপিত হলো পবিত্র ঈদুল ফিতর: জেনে নিন কারা কোথায় ঈদ উদযাপন করলো ঈদের নামাজ পড়ানোর সময় সেজদারত অবস্থায় ইমামের মৃত্যু ২৪ ঘণ্টায় আক্রান্ত শনাক্ত ১৯৭৫ , মৃত্যু আরও ২১ জনের। শিবগঞ্জে ঈদ উদযাপন বিয়ের পাঁচ মাসের মাথায় স্বামী স্ত্রীর আত্মহত্যা!

শিবগঞ্জে র‌্যাবের অভিযানে বিপুল পরিমান মাদক সহ গ্রেফতার-১

চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি:

চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জে অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমান ফেনসিডিল সহ এক মাদক চোরাকারবারী কে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব- ৫ এর চাঁপাইনবাবগঞ্জ ক্যাম্পের একটি অভিযানিক দল।
রবিবার (১৭ মে) সকাল ১০ টার দিকে এ অভিযান চালানো হয়।
গ্রেফতারকৃত ব্যাক্তি জেলার শিবগঞ্জ উপজেলার শিয়ালমারা গ্রামের কুদ্দুস মোড়লের ছেলেমোঃ মাহিদুর (৩০)।
রবিবার বেলা ৪টার দিকে র‌্যাব এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, শিবগঞ্জ উপজেলার বালিয়া দিঘী উত্তরপাড়া এলাকায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে আমদানী নিষিদ্ধ ভারতীয় তৈরি ১৪৫৫ বোতল ফেনসিডিলসহ মাহিদুর কে গ্রেফতার করে র‌্যাবের একটি দল।
র‌্যাব আরও জানায় গ্রেফতারকৃত ব্যাক্তি দীর্ঘদিন যাবৎ ফেনসিডিল সহ বিভিন্ন ধরনের মাদক চোরাচালানের সাথে জড়িত থাকার বিষয়টি প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে স্বীকার করায় এ ঘটনায় শিবগঞ্জ থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়।।

চাঁপাইনবাবগঞ্জে ‘এরফান গ্রুপ’র উদ্যোগে ৩ ইউনিয়নে ঈদ সামগ্রী বিতরণ


চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি ॥ জেলার শীর্ষ ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ‘এরফান গ্রুপ’ এর উদ্যোগে করোনা ভাইরাসে সংকটময় সময়ে আসন্ন ঈদ উপলক্ষে সদর উপজেলার ১৪টি ইউনিয়ন ও চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌরসভার ১৫টি ওয়ার্ডে ৬০ লক্ষ টাকার ১২ হাজার মানুষের মাঝে ঈদ সামগ্রী বিতরণ কার্যক্রমের অংশ হিসেবে রবিবার সদর উপজেলার বারঘরিয়া, মহারাজপুর ও রানীহাটি ইউনিয়নে ঈদ সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে। বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ সভাপতি ও বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আহবানে সাড়া দিয়ে ‘এরফান গ্রুপ’ নিজস্ব অর্থায়নে এসব খাদ্য ও বস্ত্র সামগ্রী বিতরণ করছে। রবিবার সকালে বারঘরিয়া ইউনিয়নের কারিগরি প্রশিক্ষন কেন্দ্র (টিটিসি)’র মাঠে কর্মহীন ও অসহায় নারী পুরুষের হাতে ঈদ সামগ্রীগুলো তুলে দেন ‘এরফান গ্রুপ’র চেয়ারম্যান ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক, চাঁপাইনবাবগঞ্জ চেম্বারের সভাপতি, ‘দৈনিক চাঁপাই দর্পণ’ এর প্রধান উপদেষ্টা, পৌর আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি আলহাজ্ব মো. এরফান আলী।
এসময় উপস্থিত ছিলেন সদর উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি মো. আজিজুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক এ্যাড. নজরুল ইসলাম, জেলা যুবলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক শহীদুল হুদা অলক, জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি আরিফুর রেজা ইমন, সাধারণ সম্পাদক ডা. সাঈফ জামান আনন্দ, রাজশাহী জেলার মহিলা নেত্রী শাহনাজ মুক্তা, ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ সভাপতি হারুন অর রশিদ, সাধারণ সম্পাদক আবু সালেহ নাসের খান খোকন, চাঁপাইনবাবগঞ্জ চেম্বারের পরিচালক মো. শহিদুল ইসলাম, বাহরাম আলী, এম কোরাইশি মিলু, টিটিসি’র ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ নাবিলা নুঝাত, চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌরসভার ১ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক ও ‘এরফান গ্রুপ’র ত্রান সহায়তা কার্যক্রমের সমন্বয়ক নাসরুম মিনাল্লাহ, সংশ্লিষ্ট ইউপি সদস্য মো. আল আমিন, ৪ নম্বর ওয়ার্ড সেক্রেটারী মো. সেন্টু, ২ নম্বর ওয়ার্ড সেক্রেটারী মো. রেজাউল করিম, আওয়ামীলীগ নেতৃবৃন্দসহ ছাত্রলীগের কর্মীরা ও ‘এরফান গ্রুপ’র চেয়ারম্যানের পিএস মো. তানভির আহমেদ তনয়, মো. মজিবুর রহমানসহ বিভিন্নস্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারী।
খাদ্য সামগ্রী বিতরণের শুরুতে করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে করনীয় বিষয়ে পরামর্শ দেন বক্তারা। রবিবার সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত চাঁপাইনবাবগঞ্জ বারঘরিয়া, মহারাজপুর ও রানীহাটি ইউনিয়নের প্রতিটি ইউনিয়নে ৩’শ ৬০ জন করে মোট ১ হাজার ৮০ পরিবারে প্রতিটি প্যাকেটে কাপড়, আটা, চিনি, সেমাই, তেল দেয়া হয়।
রবিবার বেলা সাড়ে ১১টায় মহারাজপুর ইউনিয়নের কারবালা উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজ মাঠে ঈদ সামগ্রী বিতরণকালে ‘এরফান গ্রুপ’র চেয়ারম্যান ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক আলহাজ্ব মো. এরফান আলীর সাথে ছিলেন অন্যান্য অতিথিগণসহ স্থানীয় বীর মুক্তিযোদ্ধা অব. স্কুল শিক্ষক মো. জহরুল ইসলাম, সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ড আওয়ামীলীগ সাধারণ সম্পাদক শরিফুল ইসলাম, স্থানীয় আওয়ামীলীগ নেতা মাসুদ রানা দুরুলসহ আওয়ামীলীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা।
রবিবার দুপুরে রানীহাটি ইউনিয়নের কৃষ্ণগোবিন্দপুর ডিগ্রি কলেজ মাঠে ঈদ সামগ্রী বিতরণকালে ‘এরফান গ্রুপ’র চেয়ারম্যান ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক আলহাজ্ব মো. এরফান আলীর সাথে ছিলেন অন্যান্য অতিথিগণসহ সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ড আওয়ামীলীগ সেক্রেটারী ভিখারুল ইসলাম ভিখু, সাংগঠনিক সম্পাদক মোসাদ্দেক হোসেন শ্যামপুল, যুবলীগ, ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা।
পর্যায়ক্রমে ‘এরফান গ্রুপ’র নিজ অর্থায়নে ৬০ লক্ষ টাকা ব্যয়ে ১২ হাজার প্যাকেট ঈদ সামগ্রী চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌরসভার ১৫টি ওয়ার্ড ও সদর উপজেলার ১৪ ইউনিয়নে কর্মহীন ও অসহায় মানুষের মাঝে এসব সামগ্রী বিতরণ কার্যক্রম চলমান রয়েছে বলে জানিয়েছে ‘এরফান গ্রুপ’ কর্তৃপক্ষ। আগামীকাল ১৮ মে চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার চরাঞ্চলের ৩টি ইউনিয়নে ‘এরফান গ্রুপ’র ঈদ সামগ্রী বিতরন করা হবে।
উল্লেখ্য, করোনা ভাইরাস সংকময় সময়ে এর আগে ১ এপিল থেকে টানা ১০ দিনব্যাপী চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌরসভার ১৫টি ওয়ার্ড ও সদর উপজেলার ১৪ ইউনিয়নে কর্মহীন ও অসহায় মানুষের মাঝে ‘এরফান গ্রুপ’র নিজ অর্থায়নে ৫০ লক্ষ টাকা ব্যয়ে ১১ হাজার পরিবারের মাঝে চাল, আলু, ডাল বিতরণ করে ‘এরফান গ্রুপ’। এছাড়াও ‘এরফান গ্রুপ’র চেয়ারম্যান ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক আলহাজ্ব মো. এরফান আলীর আন্তরিকতায় বছর জুড়েই জেলার অসহায়, দুঃস্থ ও হতদরিদ্র মানুষ, কঠিন রোগে আক্রান্তদের চিকিৎসা সহায়তা, বিভিন্ন ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে আর্থিক সহায়তাসহ বিভিন্ন সহায়তা কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে ‘এরফান গ্রুপ’।

এবার না ফেরার দেশে চলে গেলেন অধ্যাপক মমতাজ বেগম

ডেস্ক : বীর মুক্তিযোদ্ধা, বেগম রোকেয়া পদকপ্রাপ্ত, জাতীয় মহিলা সংস্থার চেয়ারম্যান ও সাবেক এমএনএ অধ্যাপক মমতাজ বেগম ইন্তেকাল করেছেন (ইন্নালিল্লাহে ওয়া ইন্না ইলাহি রাজিউন)। তিনি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা মণ্ডলীর সদস্য ও বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের নির্বাহী কমিটির চেয়ারম্যান, ঢাকা আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি এডভোকেট সৈয়দ রেজাউর রহমানের সহধর্মিণী।

শনিবার দিবাগত রাত ১২টা ২০ মিনিটে রাজধানীর ধানমন্ডি (নর্থ রোড) এর নিজ বাসায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। মমতাজ বেগম’র মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

এক শোকবার্তায় তিনি মহান মুক্তিযুদ্ধে ছাত্রলীগের সাবেক এই নেত্রীর অবদানের কথা কৃতজ্ঞতার সঙ্গে স্মরণ করেন। এসময় তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে বিভিন্ন আন্দোলন-সংগ্রামের মধ্য দিয়ে মমতাজ বেগমের সঙ্গে একত্রে ছাত্র রাজনীতি করার স্মৃতি রোমন্থন করেন।

তিনি আরও বলেন, জাতীয় মহিলা সংস্থার সাবেক এ প্রতিভাধর চেয়ারম্যান স্বীয় কর্মের মাধ্যমে মানুষের হৃদয়ে বেঁচে থাকবেন।

প্রধানমন্ত্রী মরহুমার আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং তাঁর শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।

উল্লেখ্য, অধ্যাপক মমতাজ বেগম এডভোকেট ১৯৪৬ সালে জন্ম গ্রহণ করেন। তাঁর পিতার নাম আব্দুল গণি ভূইয়া ও মায়ের নাম জাহানারা বেগম। তিনি ঢাকা বিশ্ব বিদ্যালয় থেকে এমএ দর্শন ও এলএলবি ডিগ্রি অর্জন করেন। তিনি টিচার্স ট্রেনিং কলেজ, ঢাকায় উপাধ্যক্ষ হিসেব দায়িত্ব পালন করেন ও আইনপেশায় নিয়োজিত ছিলেন।

তিনি ২০০৯ সাল থেকে জাতীয় মহিলা সংস্থার দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন। তিনি একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা, স্বাধীন বাংলাদেশের গণপরিষদের সদস্য ও প্রাক্তন সংসদ সদস্য।

অধ্যাপক মমতাজ বেগম দেশ স্বাধীনের পর ১৯৭২ সালে স্বাধীনতার মহান স্থপতি ও জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সদিচ্ছা ও ব্যক্তিগত উদ্যোগে মহান মুক্তিযুদ্ধে ক্ষতিগ্রস্ত ও নির্যাতিত মহিলাদের পূনর্বাসনের জন্য ‘নারী পূনর্বাসন বোর্ড’ গঠিত হলে সেই বোর্ডের পরিচালক হন এবং বাংলাদেশ মহিলা সমিতির কার্যকরী কমিটির সদস্য হিসাবে যুদ্ধবিধ্বস্ত বাংলাদেশের ক্ষতিগ্রস্ত মহিলাদের পূর্নবাসনে সক্রিয় ভূমিকা রাখেন। ১৯৭৩ সালে জাতীয় সংসদের সাংসদ (এমপি) হন। ১৯৭৪ সালে বাংলাদেশ মহিলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে নির্বাচিত হন। ১৯৭৫ সালে বাংলাদেশ কৃষক শ্রমিক আওয়ামী লীগ মহিলা ফ্রন্ট এর সদস্য নির্বাচিত হন। ১৯৭৮ সালে বাংলাদেশ মহিলা আওয়ামী লীগ এর যুগ্ম আহবায়ক নির্বাচিত হন। তিনি সমাজ কল্যাণ সম্পাদক জাতীয় আইনজীবী সমিতি, সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক সমিতি ও সহ-সভাপতি বিসিএস (সাধারণ শিক্ষা) এসোসিয়েশনের দায়িত্বে ছিলেন। তিনি ১৯৭২ সাল থেকে বাংলাদেশ মহিলা সমিতির সদস্য। এছাড়া লিগ্যাল এইড কমিটির চেয়ারম্যান হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন। রেডক্রস সোসাইটি বাংলাদেশ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এর রেজিস্টার্ড গ্র্যাজুয়েট, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলামনাই অ্যাসোসিয়েশন ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় দর্শণ বিভাগ এলামনাই অ্যাসোসিয়েশন-এর আজীবন সদস্য ছিলেন। তিনি বাংলাদেশ মহিলা সমিতি, নারী প্রগতি সংঘ, নৌ কমান্ডো এসোসিয়েশন ও নারীকন্ঠ থেকে বিভিন্ন সম্মাননা লাভ করেন।

সবার আগে ক্রিকেটে ফিরছে অস্ট্রেলিয়া

ইতোমধ্যেই ইউরোপে ফিরেছে ফুটবল। এবার অস্ট্রেলিয়ায় ফিরছে ক্রিকেট। করোনা মহামারির পর এই প্রথম বাইশ গজে নামতে চলেছেন ক্রিকেটাররা। জুনেই হবে টি-টোয়েন্টি টুর্নামেন্ট। ক্লাব ক্রিকেট দিয়েই ব্র্যাডম্যানের দেশে নতুন রূপে ফিরবে ক্রিকেট।

৬ জুন থেকে ডারউইন ও জেলা ক্রিকেট প্রতিযোগিতার মৌসুম দিয়েই হবে এর সূচনা। তবে করোনা থেকে সুরক্ষিত থাকতে বেশ কিছু নিয়মকানুন মেনে চলতে হবে ক্রিকেটারদের। যেমন, বল চকচকে করার জন্য থুতু কিংবা ঘাম ব্যবহার করা যাবে না। করোনা পরবর্তী সময়ে যে এই নিয়মে বদল আনা হবে, সে ইঙ্গিত আগেই দিয়েছিল অস্ট্রেলিয়া। এবার সেই নিয়মই চালু হচ্ছে প্রতিযোগিতা মূলক ক্লাব ক্রিকেটে।

তাহলে বিকল্প উপায়? ডারউইন ক্রিকেট ম্যানেজমেন্ট নাকি কয়েকটি বিকল্প পথ ভেবেছে। যার মধ্যে একটি হল মোমজাতীয় জিনিস দিয়ে আম্পায়ারই বল চকচকে করার দায়িত্ব নেবেন। তবে ম্যাচ আয়োজনের জন্য এই এটাই সঠিক পরিস্থিতি, ক্রিকেটারদের সুরক্ষা নিয়ে সমঝোতা করা হচ্ছে না। এ বিষয় নিশ্চিত করে নর্দান টেরিটরি সরকারের কাছে পূর্ণাঙ্গ রিপোর্ট জমা দিতে হবে ক্লাবগুলিকে। ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়াও সেসব খতিয়ে দেখবে।

ডারউইন ক্রিকেট ম্যানেজমেন্ট প্রধান ল্যাচনাল বলেন, ‘কীভাবে ক্রিকেটকে ফেরানো সম্ভব তার যথাসাধ্য চেষ্টা করছে আইসিসি। প্রতিনিয়ত সমস্ত বোর্ডের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছে। আমরা নিশ্চিত, ক্লাব ক্রিকেটের জন্য নয়া গাইডলাইন আমরা ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়ার থেকে পেয়ে যাব। বলে মোমজাতীয় বস্তু ব্যবহার অনুমতি দেওয়া হয় কি না, সেটাও দেখার।’

বল চকচকে করা ক্রিকেটের একটি বড় অংশ। অজি পেসার প্যাট কামিন্স ও জোস হ্যাজলউডও জানিয়েছিলেন, এই নিয়মে রাশ টানলে ব্যাট আর বলের মধ্যে ব্যালেন্স রাখা যাবে না। তবে থুতু বা ঘামের বিকল্প কী হতে পারে, তা এখনও চূড়ান্ত করেনি বিশ্ব ক্রিকেটের সর্বোচ্চ নিয়ামক সংস্থা। যদিও আগামী মাসে অস্ট্রেলিয়ায় ক্রিকেট ফিরলে অনেক প্রশ্নেরই উত্তর মিলবে বলে মনে করছে ক্রিকেট মহল।

২২ মে ফিলিস্তিনি পতাকা উড়বে বিশ্বব্যাপী


ডেস্ক

২২ মে কুদস দিবসে বিশ্বব্যাপী ফিলিস্তিনি পতাকা উড়বে বলে জানাগেছে। পার্সটুডে, জেরুজালেম পোস্ট এর প্রতিবেদনে এই তথ্য পাওয়া গেছে।

চলতি বছর ২২মে বিশ্ব কুদস দিবসে বিশ্বব্যাপী ফিলিস্তিনি পতাকা উত্তোলনের যে অভাবনীয় উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে তার প্রতি সমর্থন জানিয়েছেন নানা শ্রেণিপেশার মানুষ।

তারা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোতে বার্তা পাঠিয়ে এ সমর্থন জানানোর পাশাপাশি ইহুদিবাদী ইসরাইলের আগ্রাসনের মোকাবিলায় প্রতিরোধ সংগ্রাম চালিয়ে যাওয়ার ওপর গুরুত্ব আরোপ করেছেন।

ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরানের প্রতিষ্ঠাতা ইমাম খোমেনী রমজান মাসের শেষ শুক্রবারকে বিশ্ব কুদস দিবস হিসেবে পালনের আহ্বান জানিয়েছিলেন এবং তার আহ্বানে সাড়া দিয়ে ১৯৭৯ সাল থেকে বিশ্বব্যাপী এ দিবস পালন করা হয়।

মঙ্গলবার থেকে টানা ৪ দিন তাণ্ডব চালাতে পারে ‘আম্ফান’!

বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট ঘূর্ণিঝড় ‘আম্ফান’ আরও উত্তর-পশ্চিমে এগিয়ে এসেছে। আগামী মঙ্গলবার অথবা বুধবার বাংলাদেশে এই ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাব পড়তে পারে বলে জানিয়েছেন আবহাওয়াবিদ মনোয়ার হোসেন।

যদিও বাংলাদেশে এই ঘূর্ণিঝড় আঘাত করবে কিনা, সে বিষয়েও সুনির্দিষ্টভাবে কিছু জানায়নি আবহাওয়া অধিদফতর।

তবে আবহাওয়াবিদ মনোয়ার হোসেন গণমাধ্যমকে বলেন, ঘূর্ণিঝড় আম্ফানের প্রভাব বাংলাদেশে পড়তে তিন থেকে চারদিন সময় লাগতে পারে। যেমন ধরুন মঙ্গলবার ১৯ মে থেকে বুধবার ২০ মে পর্যন্ত। আর কয়েকদিন দেশে ঝড়-বৃষ্টির প্রভাব থাকতে পারে।

রোববার এ বিষয়ে আবহাওয়াবিদ মো. আফতাব উদ্দিন সাংবাদিকদের বলেন, ঘূর্ণিঝড় ‘আম্ফান’ বাংলাদেশে সরাসরি আঘাত হানবে এমন খবর আমরা আমাদের বুলেটিনে ওইভাবে বলি নাই। এখনও ওইভাবে বলার সময় আসেনি। অনেক দূরে আছে।

এদিকে রোববার আবহাওয়ার বিশেষ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, আজ সকাল ৬টায় ঘূর্ণিঝড়টি চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর থেকে ১৩৪৫ কিলোমিটার দক্ষিণ-দক্ষিণ পশ্চিমে, কক্সবাজার সমুদ্রবন্দর থেকে ১২৮০ কিলোমিটার দক্ষিণ-দক্ষিণ পশ্চিমে, মংলা সমুদ্রবন্দর থেকে ১২৭৫ কিলোমিটার দক্ষিণ-দক্ষিণ পশ্চিমে এবং পায়রা সমুদ্রবন্দর থেকে ১২৫৫ কিলোমিটার দক্ষিণ-দক্ষিণ পশ্চিমে অবস্থান করছিল। এটি আরও ঘণীভূত হয়ে উত্তর পশ্চিম দিকে অগ্রসর হতে পারে।

এর ফলে বাংলাদেশের সমুদ্রবন্দরগুলোকে সতর্কতার মাত্রা বাড়িয়ে ৪ নম্বর স্থানীয় হুঁশিয়ারি সংকেত দেখাতে বলেছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। এর অর্থ হলো সমুদ্রবন্দর ঘূর্ণিঝড়কবলিত। সেই সঙ্গে বাতাসের সম্ভাব্য গতিবেগ ঘণ্টায় ৫১ থেকে ৬১ কিলোমিটার। তবে ঘূর্ণিঝড়ের চূড়ান্ত প্রস্তুতি নেয়ার মতো তেমন বিপজ্জনক সময় এখনও আসেনি।

অন্যদিকে সকালে আবহাওয়া অধিদফতর তাদের বিশেষ বুলেটিনে জানিয়েছে, দেশের চারটি সমুদ্রবন্দরের মধ্যে ঘূর্ণিঝড়টি সবচেয়ে বেশি পটুয়াখালী জেলায় অবস্থিত পায়রা সমুদ্রবন্দরের কাছাকাছি অবস্থান করছে। তারপর ঘূর্ণিঝড়ের কাছাকাছি অবস্থান করা সমুদ্রবন্দর হচ্ছে বাগেরহাটের মোংলা সমুদ্রবন্দর। অর্থাৎ বাংলাদেশে ঘূর্ণিঝড়টি আঘাত করলে দেশের দক্ষিণাঞ্চলের পটুয়াখালী, বরগুনা, পিরোজপুর, বাগেরহাট, সাতক্ষীরা অঞ্চল দিয়ে প্রবেশ করার সম্ভাবনা বেশি।

আবহাওয়া অফিস বলেছে, আম্পান আজ সকাল ৬টায় (১৭ মে) চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর থেকে ১ হাজার ৩৪৫ কিলোমিটার দক্ষিণ-দক্ষিণপশ্চিমে, কক্সবাজার সমুদ্রবন্দর থেকে ১ হাজার ২৮০ কিলোমিটার দক্ষিণ-দক্ষিণপশ্চিমে, মোংলা সমুদ্রবন্দর থেকে ১ হাজার ২৭৫ কিলোমিটার দক্ষিণ-দক্ষিণপশ্চিমে এবং পায়রা সমুদ্রবন্দর থেকে ১ হাজার ২৫৫ কিলোমিটার দক্ষিণ-দক্ষিণপশ্চিমে অবস্থান করছিল। এটি আরও ঘণীভূত হয়ে উত্তরপশ্চিম দিকে অগ্রসর হতে পারে।

উত্তর বঙ্গোপসাগর ও গভীর সাগরে অবস্থানরত সব মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারকে উপকূলের কাছাকাছি থেকে সাবধানে চলাচল করতে বলা হয়েছে এবং সেই সাথে গভীর সাগরে বিচরণ না করতে বলেছে আবহাওয়া অধিদফতর।

সকালের তথ্যানুযায়ী, ঘূর্ণিঝড় কেন্দ্রের ৫৪ কিলোমিটারের মধ্যে বাতাসের একটানা সর্বোচ্চ গতিবেগ ঘণ্টায় ৬২ কিলোমিটার, যা দমকা অথবা ঝড়ো হাওয়ার আকারে ৮৮ কিলোমিটার পর্যন্ত বৃদ্ধি পাচ্ছে। ঘূর্ণিঝড় কেন্দ্রের নিকটবর্তী এলাকায় সাগর খুবই বিক্ষুব্ধ রয়েছে।

লকডাউনে শোয়েবের সঙ্গে বিচ্ছেদ, সানিয়ার উদ্বেগ!

স্পোর্টস ডেস্ক

করোনা ভাইরাসের কারণে বিশ্বজুড়ে বন্ধ যোগাযোগ। ইউরোপের কয়েকটি শহরে লকডাউন শিথিল হলেও বিশ্বে এখনও একাধিক দেশে করোনা ভয়াবহতার কারণে লকডাউন জারি রাখা হয়েছে। ভারত-পাকিস্তানে করোনা ভাইরাস এখন ভয়ংকর রূপ নিয়েছে। যেকারণে দুই দেশেই এখন আন্তর্জাতিক যোগাযোগ বন্ধ। ভারতে আন্তঃরাজ্য বিমান পরিষেবা বন্ধ, গণপরিবহনেও হ্রাস টানা রয়েছে। ১৭ মে পর্যন্ত তৃতীয় দফার লকডাউনে এই নিয়ম জারি। আর এই সংকটের সময়েই দুই দেশে আটকে রয়েছেন সানিয়া মিজা-শোয়েব মালিক।

১০ বছর হয়ে গিয়েছে পাক ক্রিকেটার শোয়েব মালিককে বিয়ে করেছেন ভারতীয় টেনিসের গ্ল্যামার গার্লর সানিয়া মির্জা। ২০১৮ সালে ছেলেও হয়েছে সানিয়া-শোয়েবের। এক বছরের ছেলে ইজহান ফের কবে তার বাবা শোয়েবকে দেখতে পাবে জানে না । করোনা আবহে উদ্বেগের এমন কথাই শোনা গেল সানিয়া মির্জার গলায়।

ছেলে হওয়ার জন্য বেশ কয়েকদিন টেনিসের বাইরে ছিলেন সানিয়া মির্জা। তবে টেনিস কোর্টে ফিরে স্বমহিমায় রয়েছেন সানিয়া। এখন অবশ্য ছেলে ইজহানকে সঙ্গে নিয়েই সফরে যান তিনি। কিন্তু বিশ্বজুড়ে করোনার ধাক্কায় ভেস্তে গিয়েছে সব পরিকল্পনা। হায়দরাবাদে ঘরবন্দী সানিয়া। আর পাকিস্তানে আটকে শোয়েব মালিক।

করোনার কারণে বিদেশ সফর স্থগিত। ছেলে ইজহানকে নিয়ে হায়দরাবাদে আটকে পড়েছেন সানিয়া মির্জা। আর একইভাবে পাকিস্তানের শিয়ালকোটে আটকে গিয়েছেন শোয়েব মালিক। আর তাই স্বাভাবিকভাবেই ছেলে ইজহান ফের কবে তার বাবাকে দেখতে পাবে সেই নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন সানিয়া মির্জা।

জীবাণুনাশক ছিটানোতে উপকারের চেয়ে ক্ষতি বেশি : হু

ডেস্ক : মহামারি করোনাভাইরাসের জীবাণু ধ্বংস করতে বিশ্বের অনেক দেশেই দেখা যাচ্ছে জীবাণুনাশক স্প্রে করতে। কেউ কেউ বিভিন্ন রাসায়নিকের মিশ্রণ তৈরি করে ধোঁয়াও দিচ্ছে। সেটা যেমন রাস্তা-ঘাটে করা হচ্ছে, তেমনি বিপণিবিতানেও করা হচ্ছে। শনিবার (১৬ মে) বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (হু) এই ধরনের জীবাণুনাশক না ছিটানোর পরামর্শ দিয়েছে।

জাতিসংঘের স্বাস্থ্য বিষয়ক এই বিশেষ সংস্থার মতে জীবাণুনাশক ছিটানোয় উপকারের চেয়ে ক্ষতি বেশি। কারণ, এটা নতুন করোনাভাইরাসের জীবাণু ধ্বংস করতে পারে না। পারে না আক্রান্ত ব্যক্তির হাঁচি-কাশি থেকে করোনা ছড়ানোর ঝুঁকি কমাতে। উল্টো স্প্রেতে নানা রাসায়নিকের ব্যবহার মানুষের স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি করে। খবর আল জাজিরা ও এএফপি’র।

এক বিবৃতিতে হু জানিয়েছে, উপরন্তু জীবাণুনাশক ছিটানোর কারণে চোখের সমস্যা, শ্বাষযন্ত্র কিংবা ত্বকের সমস্যাসহ নানারকম স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি হতে পারে। নির্দিষ্ট কিছু রাসায়নিক- বিশেষ করে ফর্মালডিহাইড, ক্লোরিন ভিত্তিক মিশ্রণ, ব্লিচিং, অ্যামোনিয়ামের মিশ্রণ মানুষের শরীরে বিরূপ স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি করায় এগুলো কখনোই ছিটানোর ক্ষেত্রে পরামর্শ দেওয়া হয় না। এটা যিনি ছিটানোর কাজ করেন তার শারীরিক ও মানসিকভাবে ক্ষতির বিষয়। জীবাণুনাশক ছিটানোর মাধ্যমে আক্রান্ত ব্যক্তির হাঁচি-কাশির মাধ্যমে করোনা ছড়ানোর ঝুঁকি কমানো যায় না।’

‘কিছু কিছু দেশের সরকার রাস্তা-ঘাট, অফিস-আদালত ও বিপণিবিতানে জীবাণুনাশক ছিটাচ্ছে। কেউ কেউ এগুলো দিয়ে রাস্তা ধুচ্ছে। এটা আসলে বৃথা চেষ্টা। কারণ- বাহিরে, রাস্তায় কিংবা বিপণিবিতানে জীবাণুনাশক কিংবা ধোঁয়া দিয়ে করোনাভাইরাসের জীবাণু কিংবা প্যাথোজেন মারা যায় না। এটা করতে আমরা কখনোই পরামর্শ দিই না। কারণ, রাস্তা-ঘাটের ময়লা ও বর্জ্যের কারণে জীবাণুনাশক নিষ্ক্রিয় হয়ে যায়। জীবাণুনাশক যদি প্রয়োগ করতেই হয় তাহলে কাপড় কিংবা ন্যাপকিন ভিজিয়ে সেটা দিয়ে মুছে করা যেতে পারে।’

ভোলাহাটে ধান কাটতে গিয়ে শ্রমিকের মৃত্যু


ভোলাহাট ( চাঁপাইনবাবগঞ্জ) প্রতিনিধি: ভোলাহাটে ধান কাটা অবস্থায় এক কৃষি শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে। মৃত শ্রমিক উপজেলার বাহাদুরগঞ্জ গ্রামের মৃত ইসমাইলের ছেলে রমিজ(৫০)।
ভোলাহাটের সোলগাড়ী বিলে শনিবার (১৬ মে) সকালে একই গ্রামের আব্দুল মতিনের ছেলে আব্দুল মালেকের জমিতে কৃষি শ্রমিক হিসেবে ধান কাটতে যান রমিজ। ধান কাটা অবস্থায় রমিজ হঠাৎ মাটিতে লুটিয়ে পড়ে সাথে সাথে মারা যান। তাকে মাঠ থেকে অন্য কৃষি শ্রমিকেরা উদ্ধার করে তার বাড়ী নিয়ে যায়। পরে বাহাদুরগঞ্জ কবরস্থানে ইফতার পর দাফন সম্পন্ন করা হয়।
উল্লেখ কৃষি শ্রমিক রমিজ ঢাকায় রাজমিস্ত্রীর কাজ করতেন। করোনা পরিস্থিতিতে বাড়ী এসে আটকা পড়লে কর্মহীন হয়ে পড়েন। ফলে ধান কাটার কাজ শুরু করেন। রমিজের ২স্ত্রী গার্মেন্সকর্মী ও ৪ ছেলে মেয়ে লকডাউনে ঢাকায় অবস্থান করছেন। রমিজের মৃত্যুতে তারা কেউ আসতে পারেনি। রমিজের মৃত্যুতে শোকের ছায়া নেমে আসে।

এগিয়ে আসছে আম্পান: সব প্রস্তুতি নিয়েছে সরকার

ঢাকা:
বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড় ‘আম্পান’ মোকাবিলা ও সম্ভাব্য ক্ষতি এড়াতে সব রকমের প্রস্তুতি সরকারের রয়েছে বলে জানিয়েছে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়।রোববার (১৭ মে) দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মো. শাহ কামাল বলেন, আমরা সব রকমের প্রস্তুতি নিয়েছি। ইতোমধ্যেই গতকাল (শনিবার) জেলা প্রশাসকদের সঙ্গে মিটিং করেছি।

তিনি জানান, উপকূলীয় জেলা পর্যায়ে পর্যপ্ত ত্রাণ রয়েছে। স্থানীয় প্রশাসনকে প্রয়োজনীয় দিক নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

আবহাওয়া অধিদপ্তরের পরিচালক সামছুদ্দিন আহমেদ বলেন, গতি প্রকৃতি দেখে মনে হচ্ছে ঘূর্ণিঝড়টি উপকূলের দিকেই অগ্রসর হচ্ছে। পরিস্থিতি দেখে সংকেত আরও বাড়বে বলেই ধারণা করা হচ্ছে।

তিনি বলেন, এই ঘূর্ণিঝড়ের নাম দিয়েছে থাইল্যান্ড, ‘আম্পান’ এর অর্থ হচ্ছে আকাশ।

ঘূর্ণিঝড়সহ যেকোনো দুর্যোগে স্থায়ী কার্যাদেশ (এসওডি) অনুযায়ী পরবর্তী পদক্ষেপ নেয় সরকারের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়।

সংকেত বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে এসওডি অনুযায়ী রোববার (১৭ মে) দুপুরে আরেকটি মিটিং ডাকা হয়েছে বলে জানিয়েছেন দুর্যোগ সচিব শাহ কামাল।

আবহাওয়া অধিদপ্তরের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, ঘূর্ণিঝড় আম্পান সকাল ৬টায় চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর থেকে ১ হাজার ৩৪৫ কিমি দক্ষিণ-দক্ষিণপশ্চিমে, কক্সবাজার সমুদ্রবন্দর থেকে ১ হাজার ২৮০ কিমি দক্ষিণ-দক্ষিণপশ্চিমে, মংলা সমুদ্রবন্দর থেকে ১ হাজার ২৭৫ কিমি দক্ষিণ-দক্ষিণপশ্চিমে এবং পায়রা সমুদ্র বন্দর থেকে ১ হাজার ২৫৫ কিমি দক্ষিণ-দক্ষিণপশ্চিমে অবস্থান করছিল। এটি আরও ঘণীভূত হয়ে উত্তরপশ্চিম দিকে অগ্রসর হতে পারে।

ঘূর্ণিঝড় কেন্দ্রের ৫৪ কিমির মধ্যে বাতাসের একটানা সর্বোচ্চ গতিবেগ ঘণ্টায় ৬২ কিমি, যা দমকা অথবা ঝড়ো হাওয়ার আকারে ৮৮ কিমি পর্যন্ত বৃদ্ধি পাচ্ছে। ঘূর্ণিঝড় কেন্দ্রের নিকটবর্তী এলাকায় সাগর খুবই বিক্ষুব্ধ রয়েছে।

চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মংলা ও পায়রা সমুদ্র বন্দরসমূহকে ৪ নম্বর স্থানীয় হুঁশিয়ারি সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে। উত্তর বঙ্গোপসাগর ও গভীর সাগরে অবস্থানরত সকল মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারকে উপকূলের কাছাকাছি থেকে সাবধানে চলাচল এবং গভীর সাগরে বিচরণ না করতে বলেছে আবহাওয়া অফিস।