সর্বশেষ সংবাদ গোমস্তাপুরে মামার বাড়ি বেড়াতে এসে নদীতে ডুবে শিশুর মৃত্যু: উদ্ধার ২ চাঁপাইনাবগঞ্জে র শিবগঞ্জ ও গোমস্তাপুরে নতুন তিন করোনা রোগী সনাক্ত করোনাভাইরাস: ঢাকা শহরে ১৪ হাজার কোভিড-১৯ রোগী, সবচেয়ে বেশি মহাখালীতে এতিম শিশুদের পাশে মানিক শিশুকালের ঈদ বিনোদপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক মরহুম ওবায়দুর রহমান রেনু মাস্টারের জানাযা সম্পন্ন চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুরে ঘূর্ণিঝড়ে লণ্ডভণ্ড দুটি গ্রাম চাপাইনবাবগঞ্জে উদযাপিত হলো পবিত্র ঈদুল ফিতর: জেনে নিন কারা কোথায় ঈদ উদযাপন করলো ঈদের নামাজ পড়ানোর সময় সেজদারত অবস্থায় ইমামের মৃত্যু ২৪ ঘণ্টায় আক্রান্ত শনাক্ত ১৯৭৫ , মৃত্যু আরও ২১ জনের।

চাপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জে আরো একজনের করোনা শনাক্ত

স্টাফ রিপোর্টার: চাপাইনবাবগঞ্জে আরো একজন করোনা রোগী সনাক্ত হয়েছেন। সূত্র জানায় রাজশাহী মেডিকেল কলেজ ভাইরোলজি ল্যাবে ৮৯ টি করোনার নমুনা পরীক্ষায় ৮৮ টি নেগেটিভ ও ০১ টি নমুনার ফলাফল পজিটিভ এসেছে। সনাক্ত হওয়া ঐ একটি নমুনা চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জের বলে জানা গেছে।

বর্তমানে আক্রান্ত ব্যক্তি রাজশাহীর খ্রীষ্টিয়ান মিশন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ।

রাজশাহী মেডিকেল কলেজের (রামেক) ল্যাবে নমুনা পরীক্ষায় শনিবার (১৬ মে) তার করোনা শনাক্ত হয়। এই রোগীর বাড়ি চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ উপজেলার পাঁকায়।

রামেকের ভাইরোলজি বিভাগের প্রধান সাবেরা গুলনাহার সন্ধ্যায় এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানিয়েছেন, মিশন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ওই রোগীর বয়স ৩৮ বছর। তিনি পুরুষ।

এই প্রথম মিশন হাসপাতালের কোনো রোগীর করোনা শনাক্ত হলো।

রামেক হাসপাতালের উপ-পরিচালক ডা. সাইফুল ফেরদৌস বলেন, চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ থেকে ওই রোগী গত বৃহস্পতিবার রামেক হাসপাতালের জরুরি বিভাগে আসেন। তখন সেখান থেকেই তাকে মিশন হাসপাতালে পাঠানো হয়। তার শরীরে জ্বর, সর্দিসহ করোনার সব উপসর্গ ছিলো। তাই নমুনা পরীক্ষা করা হয়। এতেই তার করোনা শনাক্ত হয়েছে।

সাইফুল ফেরদৌস আরও জানান, করোনা শনাক্ত হওয়ায় ওই রোগীকে আর বাইরে পাঠানো হবে না। মিশন হাসপাতালের নিচতলায় তাকে আইসোলেশনে রাখা হবে।

রাজশাহীতে গত ১২ এপ্রিল প্রথম করোনা রোগী শনাক্ত হয়। এরপর শনিবার পর্যন্ত ২১ জন শনাক্ত হলেন। শুক্রবার রাজশাহী মহানগরীতে প্রথম করোনা শনাক্ত হয়। এছাড়া পবা উপজেলায় ঢাকা থেকে আসা এক পোশাক শ্রমিক নিজেকে করোনা পজিটিভ বলে দাবি করেছেন। আবারও তার নমুনা পরীক্ষার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।

প্রসঙ্গতঃ রাজশাহীতে এ পর্যন্ত করোনায় আক্রান্ত হয়ে সুস্থ হয়েছেন ছয়জন। আর মারা গেছেন একজন। জেলার গোদাগাড়ী ও চারঘাট উপজেলা এখনও করোনামুক্ত রয়েছে।

আম ব্যবসায়ী ও সংশ্লিষ্টদের যাতায়াত নির্বিঘ্ন করাসহ নানান উদ্যোগ নেয়া হয়েছে : চাঁপাইনবাবগঞ্জ এর সাথে ভিডিও কনফারেন্স কালে কৃষিমন্ত্রী


চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি

হাওর অঞ্চলে ধান কাটা শ্রমিকদের মতো আম ব্যবসায়ী ও সংশ্লিষ্টদের যাতায়াত নির্বিঘ্ন করাসহ নানা উদ্যোগ নেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন কৃষিমন্ত্রী ড. মো. আব্দুর রাজ্জাক।শনিবার (১৬ মে)মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষ থেকে করোনা উদ্ভূত পরিস্থিতিতে আম, লিচুসহ মৌসুমি ফল এবং কৃষিপণ্য বাজারজাতকরণ বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের সাথে অনলাইনে (জুম প্ল্যাটফর্মে) মতবিনিময় সভায় তিনি এ কথা বলেন।কৃষিমন্ত্রী বলেন, মৌসুমি ফল এবং কৃষিপণ্য পরিবহণে দেশের বিভিন্ন এলাকায় ট্রাক ও অন্যান্য পরিবহনের অবাধে যাতায়াত নির্বিঘ্ন করা এবং পরিবহণের সময় যাতে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাবাহিনী মাধ্যমে কোনরূপ হয়রানির শিকার না হয় সে ব্যবস্থা করা হবে।আব্দুর রাজ্জক বলেন, করোনার কারণে তরমুজ চাষিরা উৎপাদিত তরমুজের অধিকাংশই বিক্রি করতে পারেনি। যা বিক্রি করেছে তার ভাল দামও পায়নি। ইতোমধ্যে আম, লিচু, আনারস ও কাঁঠালসহ মৌসুমি ফল বাজারে আসতে শুরু করেছে। এসব মৌসুমি ফল সঠিকভাবে বাজারজাত না করা গেলে চাষিরা আর্থিকভাবে চরম ক্ষতিগ্রস্ত হবে। অন্যদিকে, দেশের অধিকাংশ মানুষ সুস্বাদু ও পুষ্টিকর মৌসুমি ফল খাওয়া থেকে বঞ্চিত হবে। অথচ এই সময়ে করোনা মোকাবেলায় দৈহিক রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধিতে মৌসুমি পুষ্টিকর ফল গ্রহণ করা অত্যন্ত জরুরি।কৃষি মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি বেগম মতিয়া চৌধুরী বলেন, ট্রাকসহ অন্যান্য পরিবহণের যাতায়াত নির্বিঘ্ন করার উদ্যোগ নিতে হবে। ট্রাকের জ্বালানির ক্ষেত্রে ভর্তুকি দেয়া যেতে পারে যাতে ট্রাকের ভাড়া কম হয়। পুলিশ ব্যারাক, সেনাবাহিনীর ব্যারাক, হাসপাতাল, জেলখানাসহ বিভিন্ন সরকারি অফিসে কৃষকের কাছ থেকে আম কিনে সরবরাহ করা গেলে আমের বাজারজাতকরণে কোন সমস্যা হবে না।
করোনার সময়ে সকল ধরনের কার্গো লঞ্চ চালু আছে জানিয়ে নৌপরিবহণ প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী বলেন, শুধু আম-লিচু নয়, সব মৌসুমি ফলের বাজারজাতকরণে ব্যবস্থা নিতে হবে। তিনি বলেন, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়কে সম্পৃক্ত করে আন্তর্জাতিক বাজার ধরতে হবে, তা নাহলে চাষিরা ক্ষতিগ্রস্থ হবে। পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী মোঃ শাহ্রিয়ার আলম বলেন, গত কয়েক বছরে আমের ভাল দাম না পাওয়ায় রাজশাহীতে আম চাষ কমে যাচ্ছে। ব্যবসায়ী ও ফড়িয়াদের যাতায়াত নির্বিঘœ করতে পরিচয় পত্র ইস্যু, তাদের যাতায়াতে হয়রানির কমানো, ব্যাংকের লেনদেনের সময়সীমা বাড়ানো বিশেষ করে আমে ফরমালিন বা ক্ষতিকর কিছু নেই মর্মে জনগণকে সচেতন ও আশ্বস্ত করতে হবে।
এছাড়াও সভায় হাওরে ধান কাটা শ্রমিকদের যেভাবে স্বাস্থ্যবিধি মেনে পাঠানো হয়েছে, তেমনি অন্যান্য জেলা হতে ব্যবসায়ী, আড়তদার ও ফড়িয়ারাদের যাতায়াত নির্বিঘ্ন করা, প্রয়োজনে তাদেরকে স্বাস্থ্য পরীক্ষার প্রত্যয়নপত্র প্রদান ও নিরাপদ আবাসনের ব্যবস্থা নেয়া সুপারিশ করা হয়।এছাড়াও ফিরতি ট্রাকের বঙ্গবন্ধু সেতুতে টোল হ্রাস এবং ত্রাণ হিসেবে নিত্যপ্রয়োজনীয় সামগ্রীতে আম, লিচুসহ মৌসুমি ফল অন্তর্ভূক্ত করার জন্য দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্টদের নিকট অনুরোধ জানানোর বিষয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করার সুপারিশ করা হয়।সভায় হুইপ ইকবালুর রহিম, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সভাপতি ডা. আ ফ ম রুহুল হক, বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্ণর ড. আতিউর রহমান, সংসদ সদস্য ডা. সামিল উদ্দিন আহম্মেদ শিমুল, গণমাধ্যম ব্যক্তিত্ব শাইখ সিরাজ এবং জাতিসংঘের কৃষি ও খাদ্য সংস্থার বাংলাদেশ প্রতিনিধি রবার্ট সিম্পসন অনলাইনে সংযুক্ত ছিলেন। সভা সঞ্চালনা করেন কৃষি মন্ত্রণালয়ের সচিব মো: নাসিরুজ্জামান।এদিকে চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে ভিডিও কনফারেন্সের সময় উপস্থিত ছিলেন চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা প্রশাসক এ জেড এম নূরুল হক, চাঁপাইনবাবগঞ্জ আম গবেষনা কেন্দ্রের প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ডক্টর জমির উদ্দিন, আম চাষি মঞ্জুর আলী ইসমাঈল হোসেন খান শামিম, জেলা মার্কেটিং অফিসার নূরুল ইসলামসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ

দুস্থদের জন্য এবার আসছে ‘হ্যালো ছাত্রলীগ’ অ্যাপ

কৃষকের ধান কাটা ও দরিদ্রদের মাঝে ত্রাণ বিতরণের পর ঘরে ঘরে সেবা পৌঁছাতে ছাত্রলীগের নতুন উদ্যোগ ‘হ্যালো বিএসএল’। দেশের নিম্নবিত্ত, মধ্যবিত্ত, খেটে খাওয়া দৈনিক দিনমজুর, শ্রমিক, দুস্থ অসহায় মানুষের কথা চিন্তা করে তাদের ঘরে ঘরে সেবা পৌঁছাতেই এই অ্যাপ চালু করা হচ্ছে বলে জানিয়েছে সংগঠনের নেতারা।

জানা যায়, এই আপ্লিকেশন গুগুল প্লে স্টোর থেকে দেশের যেকোনো প্রান্ত থেকে এন্ড্রয়েড ভার্সন ৫.০ বা তার উপরের ভার্সনে যে কেউ ডাউনলোড করে লগইন করতে পারবে। এতে রাখা হয়েছে ছাত্রলীগের স্বাস্থ্য বিষয়ক সেল। এই সেলের কাছে যে কেউ পরামর্শ নিতে পারবেন।

খাদ্য সহায়তার জন্যে দেয়া থাকবে সাংগঠনিক ইউনিট ও তার অন্তর্ভুক্ত ইউনিটের শীর্ষ নেতৃবৃন্দের নাম ও ফোন নম্বর। তাদের সাথে যোগাযোগ করে জরুরি খাদ্য সহায়তা, ধান কাটা কর্মসূচি, কৃষকের সার বিতরণ, বীজ ইত্যাদি সহায়তা পাবে এবং খাদ্য বিতরণে কেউ দুর্নীতির আশ্রয় নিলে স্ব স্ব ইউনিটের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সহায়তা নিবে এবং স্ব স্ব ইউনিটের কমিটি মনিটরিং করবে।

বিভিন্ন এলাকায় করোনা ভাইরাসে আক্রান্তদের জন্য নির্দিষ্ট হাসপাতালসমূহ ও যোগাযোগের ব্যবস্থা করবে।অ্যাপটিতে দেয়া থাকবে হটলাইন। করোনা ভাইরাস মোকাবেলায় সরকারি জরুরি সেবার নম্বর এছাড়া শিগগিরই ছাত্রলীগের একটি হটলাইন নম্বর চালু করা হবে।

এছাড়া এই অ্যাপে থাকবে লাইভ চ্যাট। এতে সরাসরি টেক্সট দেয়ার সুযোগ রয়েছে। সংশ্লিষ্ট এলাকায় যে কারো সহায়তা নির্দিষ্ট ঠিকানায় ছাত্রলীগের কর্মীদের মাধ্যমে পৌঁছে দেয়া হবে।

এ বিষয়ে ছাত্রলীগের সভাপতি আল নাহিয়ান খান জয় বলেন, করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ রোধে জনগণকে অপ্রয়োজনে ঘর থেকে বের হতে নিষেধ করেছেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী। এই সময়ে কর্মহীন হয়ে পরা অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়াতে সবাইকে আহ্বান জানিয়েছে সরকার। সেই আহ্বানে সাড়া দিয়ে ছাত্রলীগ ইতিহাসে যেমন মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে তেমনি এবারেও মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে।তিনি বলেন, এই সহযোগিতাকে সবার দ্বারে দ্বারে পৌঁছে দিতে ছাত্রলীগ সারাদেশে হটলাইন ও অ্যাপ চালু করেছে। এই অ্যাপ ব্যবহার করে আমাদেরকে জানালেই সারাদেশে আমাদের নেতাকর্মীরা তাদের প্রয়োজনে ছুটে যাবে।

এ বিষয়ে ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্টাচার্য বলেন, ছাত্রলীগ দেশের যেকোন দুর্যোগে মানুষের ঘরে ঘরে পৌঁছে সহায়তার হাত বাড়িয়ে দিয়েছে। সেই ধারাবাহিকতায় এবারেও সারাদেশের নেতাকর্মীরা মানুষের পাশে দাঁড়াচ্ছে। এই কার্যক্রমকে সবার কাছে পৌঁছে দিতে সংগঠনের পক্ষ থেকে একটি অ্যাপ চালু করা হয়েছে। অ্যাপের মাধ্যমে আমাদের সঙ্গে যেভাবেই যেখান থেকে সহযোগিতা চাওয়া হবে আমাদের নেতাকর্মীরা সেখানে পৌঁছে যাবে।

এ সময় তিনি সারাদেশের নেতাকর্মীদেরকে আপামর মানুষের বিপদের দিনে পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানান।

অনিদিষ্টকালের জন্য দোকানপাট বন্ধ ঘোষণার একদিন পরই গোমস্তাপুরে খুলল দোকান


স্টাফ রির্পোটারঃ
অনিদিষ্টকালের জন্য দোকানপাট বন্ধ ঘোষণার একদিন পরই গোমস্তাপুরে আবারো খুলে গেল সকল দোকানপাট।শনিবার রহনপুর পৌর এলাকার বিভিন্ন বাজারগুলোতে দোকানগুলো খুলতে দেখা গেছে।আর এ খবর ছড়িয়ে পড়ার পর ক্রেতারাও হুমরি খেয়ে পড়ছে মার্কেটগুলোতে।
অপরদিকে জেলার অন্যান্য উপজেলা শিবগঞ্জ,নাচোল, ভোলাহাট ও সদর উপজেলাতেও বিভিন্ন মার্কেটগুলোতে উপচেপড়া ভীড় লক্ষ্য করা গেছে।
এর আগে বৃহস্পতিবার দুপুরে উপজেলার চৌডালা, রহনপুর ষ্টেশনবাজার ও পুরাতন বাজারে গোমস্তাপুর থানার অফিসার ইনচার্জ জসিম উদ্দিন ও রহনপুর পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ আব্দুল মালেকের নেতৃত্বে পুলিশের দুটি টিম মার্কেটগুলোতে উপস্থিত হয়ে দোকানপাট বন্ধ করে দেয় এবং করোনা পরিস্থিতিতে সরকারী নির্দেশনা ও স্বাস্থ্যবিধি অমান্য করে বিভিন্ন মার্কেট খোলা রাখায় এবং জনসমাগম আশংকাজনক ভাবে বৃদ্ধি পাওয়ায় জনস্বার্থে অনিদিষ্টকালের জন্য দোকানপাট বন্ধ রাখার ঘোষণা দেয় গোমস্তাপুর থানা পুলিশ।

চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্তে ধান ঘরে তুলতে ৫৯ বিজিবি’র কৃষকদের সহায়তা


চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি ॥ চাঁপাইনবাবগঞ্জের সীমান্ত এলাকা বিলভাতিয়া ও শিয়ালমারা গ্রামের প্রায় ৩ হাজার বিঘা জমির ধান ঘরে তুলতে স্থানীয় কৃষকদের সহায়তা করেছে চাঁপাইনবাবগঞ্জস্থ রহনপুর ৫৯ বিজিবি। ৫৯ বিজিবি’র অধিনায়ক লেঃ কর্ণেল মাহমুদুল হাসান পিএসসি এর পাঠানো এক প্রেসনাটে জানানো হয়, রহনপুর ব্যাটালিয়ন (৫৯ বিজিবি) এর অধীনস্থ বিলভাতিয়া বিওপির দায়িত্বপূর্ণ এলাকার ভাতিয়াবিল নামক স্থানে বাংলাদেশী কৃষকগণ (বিলভাতিয়া এবং শিয়ালমারা গ্রামের) আনুমানিক ৩০০০ বিঘা জমিতে ধান চাষ হয়। উক্ত এলাকার অবস্থান এমন, ভারতীয় ভূখন্ডের মাটির রাস্তা ব্যবহার না করে উক্ত স্থানে যাওয়া আসা যায় না। গত ১৩ মে ধান কাটার কার্যক্রম শুরু হলে প্রতিপক্ষ ২৪ বিএসএফ ব্যাটালিয়নের পিয়াজবাড়ী কোম্পানী কমান্ডার ভারতীয় ভূখন্ডের উক্ত রাস্তা ব্যবহার করে যাতায়াত করতে নিষেধ করে। বাংলাদেশি কৃষকদের এই সমস্যা সমাধানের জন্য ৫৯ বর্ডার গার্ড ব্যাটালিয়ন এর বিওপি কমান্ডার, কোম্পানী কমান্ডার এবং অধিনায়ক পর্যায়ে প্রতিপক্ষের সাথে যোগাযোগ করতঃ বাংলাদেশী কৃষকদের ধানক্ষেতে যাতায়াতের জন্য ভারতের ভূখন্ডের উক্ত রাস্তা ব্যবহারের বিষয়ে সমঝোতা হয়। এরই ধারাবাহিতকায় বাংলাদেশী কৃষকগণ বর্তমানে বিজিবি এর সহায়তায় ট্র্রলি ও মহিষের গাড়ী যোগে নির্বিঘেœ ফসল মাঠ থেকে তুলে নিয়ে আসছে।

চাঁপাইনবাবগঞ্জে ‘এরফান গ্রুপ’র উদ্যোগে ইউনিয়ন পর্যায়ে ঈদ সামগ্রী বিতরণ শুরু


চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি ॥ জেলার শীর্ষ ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ‘এরফান গ্রুপ’ এর উদ্যোগে করোনা ভাইরাসে সংকটময় সময়ে আসন্ন ঈদ উপলক্ষে সদর উপজেলার ১৪টি ইউনিয়ন ও চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌরসভার ১৫টি ওয়ার্ডে ৬০ লক্ষ টাকার ১২ হাজার মানুষের মাঝে ঈদ সামগ্রী বিতরণ কার্যক্রমের অংশ হিসেবে ইউনিয়ন পর্যায়ে সদর উপজেলার বালিয়াডাঙ্গা, গোবরাতলা ও ঝিলিম ইউনিয়নে ঈদ সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে। বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ সভাপতি ও বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আহবানে সাড়া দিয়ে ‘এরফান গ্রুপ’ নিজস্ব অর্থায়নে এসব খাদ্য ও বস্ত্র সামগ্রী বিতরণ চালিয়ে যাচ্ছে। শনিবার সকালে মহিপুর কলেজ মাঠে চাঁপাইনবাবগঞ্জ কর্মহীন ও অসহায় নারী পুরুষের হাতে ঈদ সামগ্রীগুলো তুলে দেন ‘এরফান গ্রুপ’র চেয়ারম্যান ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক, চাঁপাইনবাবগঞ্জ চেম্বারের সভাপতি, ‘দৈনিক চাঁপাই দর্পণ’ এর প্রধান উপদেষ্টা, পৌর আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি আলহাজ্ব মো. এরফান আলী। এসময় উপস্থিত ছিলেন সদর উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি মো. আজিজুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক এ্যাড. নজরুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক ডা. সাঈফ জামান আনন্দ, রাজশাহী জেলার মহিলা নেত্রী শাহনাজ মুক্তা, ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ সভাপতি আলহাজ্ব মো. আজিজুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক আরিফুল ইসলাম আজিজীসহ আওয়ামীলীগ নেতৃবৃন্দসহ ছাত্রলীগের কর্মীরা ও ‘এরফান গ্রুপ’র চেয়ারম্যানের পিএস মো. তানভির আহমেদ তনয়, রাজিব আহমেদ, মো. মজিবুর রহমানসহ বিভিন্নস্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারী।
খাদ্য সামগ্রী বিতরণের শুরুতে করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে করনীয় বিষয়ে পরামর্শ দেন বক্তারা। শনিবার সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌরসভার বালিয়াডাঙ্গা, গোবরাতলা ও ঝিলিম ইউনিয়নের  প্রতিটি ইউনিয়নে ৩’শ ৬০ জন করে মোট ১ হাজার ৮০ পরিবারে প্রতিটি প্যাকেটে কাপড়, আটা, চিনি, সেমাই, তেল দেয়া হয়।
শনিবার সকাল সাড়ে ১১টায় বালিয়াডাঙ্গা স্কুল মাঠে ঈদ সামগ্রী বিতরণকালে ‘এরফান গ্রুপ’র চেয়ারম্যান ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক আলহাজ্ব মো. এরফান আলীর সাথে ছিলেন অন্যান্য অতিথিগণসহ সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ড আওয়ামীলীগ সাধারণ সম্পাদক আবুল আল মামুন জজ, সদর উপজেলা যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আবু সালেহ আল হাম্মাদ, ইউপি স্বেচ্ছাসেবকলীগের সাধারন সম্পাদক তোহিদুল হক তুহিন, ইউপি ছাত্রলীগের সভাপতি আব্দুর রহমান রাকিব, সাধারণ সম্পাদক শামীম রেজা, সহ আওয়ামীলীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা।
শনিবার দুপুরে ঝিলিম ইউনিয়নের কে.এম উচ্চ বিদ্যালয় চত্বরে সামগ্রী বিতরণকালে ‘এরফান গ্রুপ’র চেয়ারম্যান ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক আলহাজ্ব মো. এরফান আলীর সাথে ছিলেন অন্যান্য অতিথিগণসহ সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ড আওয়ামীলীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা।
পর্যায়ক্রমে ‘এরফান গ্রুপ’র নিজ অর্থায়নে ৬০ লক্ষ টাকা ব্যয়ে ১২ হাজার প্যাকেট ঈদ সামগ্রী চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌরসভার ১৫টি ওয়ার্ড ও সদর উপজেলার ১৪ ইউনিয়নে কর্মহীন ও অসহায় মানুষের মাঝে এসব সামগ্রী বিতরণ কার্যক্রম চলমান রয়েছে বলে জানিয়েছে ‘এরফান গ্রুপ’ কর্তৃপক্ষ। আগামীকাল ১৭ মে চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার বারঘরিয়া, মহারাজপুর ও রানীহাটি ইউনিয়নে   ‘এরফান গ্রুপ’র ঈদ সামগ্রী বিতরন করা হবে। উল্লেখ্য, করোনা ভাইরাস সংকময় সময়ে এর আগে ১ এপিল থেকে টানা ১০ দিনব্যাপী চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌরসভার ১৫টি ওয়ার্ড ও সদর উপজেলার ১৪ ইউনিয়নে কর্মহীন ও অসহায় মানুষের মাঝে ‘এরফান গ্রুপ’র নিজ অর্থায়নে ৫০ লক্ষ টাকা ব্যয়ে ১১ হাজার পরিবারের মাঝে চাল, আলু, ডাল বিতরণ করে ‘এরফান গ্রুপ’। এছাড়াও ‘এরফান গ্রুপ’র চেয়ারম্যান ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক আলহাজ্ব মো. এরফান আলীর আন্তরিকতায় বছর জুড়েই জেলার অসহায়, দুঃস্থ ও হতদরিদ্র মানুষ, কঠিন রোগে আক্রান্তদের চিকিৎসা সহায়তা, বিভিন্ন ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে আর্থিক সহায়তাসহ বিভিন্ন সহায়তা কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে ‘এরফান গ্রুপ’।

নাচোলে ১০টাকা কেজির চাল যাচ্ছে নিয়ামতপুর, তানোর ও শিবগঞ্জে!

নাচোল প্রতিনিধি
চাঁপাইনবাবগঞ্জের নাচোলে চরম অনিয়ম ও অব্যবস্থাপনার মধ্য দিয়ে দীর্ঘ ৩ বছর ধরে ১০ টাকা কেজি দরের চাল বিতরণ করা হয়েছে। সরকারের এ চাল হতদরিদ্রদের মধ্যে বিতরণের কথা থাকলেও উপজেলার চারটি ইউনিয়নে বিত্তশালী, ভুয়া ব্যক্তি ও একই পরিবারের স্বামী-স্ত্রীর মধ্যেও এ চাল দেয়া হয়েছে। তালিকা যাচাই করে দেখা গেছে, এরকম সংখ্যা প্রায় সহ¯্রাধিক। এমনকি অন্য উপজেলার জাতীয় পরিচয়পত্রধারীরাও নাচোল উপজেলা থেকে খাদ্য বান্ধব প্রকল্পের ১০ টাকা কেজির চাল উত্তোলন করেছেন। আর এসব অনিয়ম সংঘটিত হয়েছে সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ড মেম্বার থেকে শুরু করে সব জনপ্রতিনিধিদের সমন্বয়ে। তালিকা যাচাই করতে গিয়ে এ অনিয়ম সামনে এসেছে।

জানা গেছে, ২০১৭ সালে ১০ টাকা কেজি দরে ৩০ কেজি চাল হতদরিদ্রদের মধ্যে বিতরণের জন্য তালিকা করা হয়। নাচোল উপজেলার চার ইউনিয়নে মোট ৫০৫৮ জনের নামে তালিকা করা হয়। প্রতিটি ইউনিয়নেই কমবেশি এ অনিয়ম ধরা পড়েছে ।

সহ¯্রাধিক প্রভাবশালী বিত্তবান, ভুয়া নাম দিয়ে কার্ড, একই পরিবারে স্বামী-স্ত্রীর নামে ও একই ব্যাক্তির নামে ২টি কার্ডসহ বিভিন্ন ভাতা ভোগী এবং উপজেলার বাইরে নিয়ামতপুর, তানোর, গোমস্তাপুর ও শিবগঞ্জ উপজেলার ব্যাক্তিরা তাদের আইডি নম্বর ব্যবহার করে ১০টাকা কেজির চাল খাচ্ছেন। উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়েনে সরোজমিনে গেলে এসব তথ্য বেরিয়ে আসে। জনপ্রতিনিধিরা ভুয়া ব্যাক্তির নামে কার্ড তৈরী করে ডিলারের সাথে আঁতাত করে ১০ টাকা কেজি দরের চাল আতœসাৎ করছেন। আর হতদরিদ্রদের তালিকায় নাম না দিয়ে বিত্তবানদের তালিকায় নাম দিয়ে ১০ টাকা কেজি দরের চাল যাচ্ছে বিত্তবানদের ঘরে।

সরকারের নিয়মনীতিকে তোয়াক্কা না করে এলাকার জনপ্রতিনিধিদের দেয়া তালিকায় বিগত ৩ বছর ধরে বিত্তশালীরা ১০ টাকা কেজি দরে ৩০ কেজি করে চাল খাচ্ছেন। প্রধান মন্ত্রী ঘোষিত ১০ টাকা কেজি দরের চাল শুধু মাত্র হতদরিদ্রদের মাঝে দেওয়ার নিয়ম থাকলেও জন প্রতিনিধিরা সে নিয়মকে বৃদ্ধাঙ্গুল দেখিয়ে সরকার দলীয় নেতা কর্মী ও বিত্তবানদের তালিকা প্রনয়ন করেছেন। ফলে সরকারের ঘোষিত কর্মসুচী ভেস্তে যেতে বসেছে, অপর দিকে হতদরিদ্ররা তাদের অধিকার থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। উপজেলার নেজামপুর ইউনিয়নে ৮নং ওয়ার্ডে সরোজমিনে গেলে বেরিয়ে আসে এসব অনিয়মের চিত্র।
একটি নির্ভর যোগ্যসুত্রে জানাগেছে,নেজামপুর ইউপি’র বড় বাকইল গ্রামে দুর্গা বর্মন ও শ্যামল বর্মন (স্বামী ও স্ত্রীর) নামে রয়েছে হতদরিদ্রদের কার্ড, তানোর উপজেলার কৈইল গ্রামের রুনা লায়লা খাতুন স্বামী রবিউল ইসলাম (আইডি নং ৮১১৯৪৭০০০০০০১) এর নামে রয়েছে ১টি কার্ড। নিয়ামতপুর উপজেলায় তাইজুদ্দিন পিতা- তপের আলীর (আইডি নং ৬৪১৬৯৬৩৬৬৬০১৬৩) ভেলকীপুর গ্রামের রহিমা খাতুন স্বামী আজিজুল (আইডি নং ৬৪১৬৯৬৩৩৩২২০৩) শিবগঞ্জ উপজেলায় গুপ্ত মানিক গ্রামের আমিনুল ইসলাম পিতা সলেমান(আইডি নং ৭০১৮৮২৩০২৬৩৫২) বসবাসরত ব্যাক্তিদের নামেও রয়েছে তালিকা।
বিষয়টি নিয়ে ৪নং নেজামপুর ইউপি চেয়ারম্যান আমিনুল হকের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি অনিয়মের ব্যাপারে তেমন কোন সদুত্তর দিতে পানেনি।

এ বিষয়ে উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক মো. আজহারুল ইসলামের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন হতদরিদ্র ব্যাতীত যেসব কার্ড ধারী রয়েছেন তাদের নাম শ্রীঘ্রয় বাতিল করা হবে। তিনি বলেন, এ বিষয়ে জেলা প্রশাসকের কাজ থেকে একটি চিঠি ইস্যু হয়েছে শ্রিঘই তালিকা পরিবর্তন হবে।

অপরদিকে উপজেলা নির্বাহী অফিসার সাবিহা সুলতানা সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, হতদরিদ্র ছাড়া কাউকে এ সুবিধা ভোগ তরতে দেয়া হবেনা বলে সাফ জানিয়েদেন তিনি। শিঘ্রই এ বিষয়ে প্রতিটি ওয়ার্র্ডে ট্যাগ অফিসারসহ ৭ সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে যা দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিলে অর্থ সহায়তা দিলেন গোমস্তাপুরের মুক্তিযোদ্ধারা

গোমস্তাপুর(চাঁপাইনবাবগঞ্জ)প্রতিনিধি ঃ করোনার কারনে সৃষ্ট পরিস্থিতিতে প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিলে অর্থসহায়তা দিলেন গোমস্তাপুর উপজেলার সরকারী ভাতাভোগী ৩ শত ৩৭ জন বীর মুক্তিযোদ্ধা। শনিবার সকালে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মিজানুর রহমানের হাতে ১ লক্ষ ৩৪ হাজার ৮ শত টাকার একটি চেক তুলে দেন তারা। এ সময় উপস্থিত ছিলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা মোস্তফা কামাল, আকতার আলী খাঁন কচি, তাহের আলী মন্টু,উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি আতিকুল ইসলাম আজম প্রমূখ। উপজেলার ভাতাভোগী ৩ শত ৩৭ জন বীর মুক্তিযোদ্ধা প্রত্যেকে ৪ শত টাকা করে এ অর্থ সহায়তা প্রদান করেন।

মোদির চেয়ে মমতা মাস্কের চাহিদা বেশি

অনলাইন ডেস্ক

করোনাভাইরাসের কোনও ওষুধ বা প্রতিষোধক বের হয়নি। তাই এর সংক্রমণ ঠেকাতে মাস্ক এবং হ্যান্ড স্যানিটাইজারই সবার ভরসা। কিন্তু মাস্ক পরে বাইরে বেরতে অনীহা রয়েছে অনেকেরই। তাদের কথা মাথায় রেখে ভারতে নানা রংয়ের ও ডিজাইনের মাস্ক তৈরি করা হয়েছে। পাওয়া যাচ্ছে পোশাকের সঙ্গে ম্যাচিং মাস্ক-ও। এবার আরও অভিনবত্ব এনে বাজার ধরছেন মাস্ক প্রস্তুতকারকরা।

ভারতের মাস্কে এবার জায়গা করে নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাদের ছবিযুক্ত মাস্কগুলো দেদারসে বিক্রি হচ্ছে। তবে পশ্চিমবঙ্গে মোদির তুলনায় মমতার ছবিযুক্ত মাস্কের চাহিদা বেশি বলে জানা গেছে।

লকডাউনে কার্যত প্রিন্টিং বা ছাপার কাজ বন্ধ। রাজনৈতিক কর্মসূচি বন্ধ থাকায় ফ্লেক্স-ব্যানার-ফেস্টুনের চাহিদাও নেই বাজারে। অন্যান্য ছাপার কাজও বন্ধ রাখতে হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে মাস্কের উপর বিভিন্ন ছবি প্রিন্টিং করে বাজারজাত করে লাভবান হচ্ছেন অনেকে। পূর্ব বর্ধমান জেলার কালনা শহরের স্টেশন রোডের গৌর সাহা, অমিতকুমার সেন এখন মোদি-মমতার ছবি, কার্টুন চরিত্রের ছবি মাস্কের উপর ছাপিয়ে বাজারজাত করছেন।

তারা জানাচ্ছেন, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলও এই সময় মাস্ক বিতরণ করছে। তারা অনেক সময় পছন্দের নেতা-নেত্রীর ছবি দেওয়া মাস্ক চাইছেন। তবে পশ্চিমবঙ্গে মোদির তুলনায় মমতার ছবি দেওয়া মাস্কের চাহিদা কিছুটা বেশি।

গৌরবাবু জানান, বাচ্চারা অনেক সময় মাস্ক পরতে চায় না। তাই তাদের মাস্কে কার্টুন চরিত্রের ছবি ছাপিয়ে আকর্ষণীয় করা হচ্ছে। ফলে বাচ্চাদের মধ্যেও জনপ্রিয় হয়ে উঠছে মাস্ক।

শর্ত সাপেক্ষে চলবে নাটকের শুটিং

বিনোদন ডেস্ক

দেশের করোনা পরিস্থিতিতে সব ধরনের শুটিং বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল টেলিভিশন অন্তঃসংগঠন। তবে আগামীকাল ১৭ মে (রোববার) থেকে ৬ শর্ত মেনে টিভি নাটকের শুটিং করতে পারবেন নির্মাতা-অভিনয়শিল্পীরা।

সম্প্রতি টিভি নাটকের আন্তঃসংগঠনের এক বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।

সেই বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, বেশ কয়েকজন নির্মাতা ও অভিনয়শিল্পীর আগ্রহ বিবেচনায় নিয়ে সরকার ও আন্তঃসংগঠনের বেশ কয়েকটি শর্ত মেনে শুটিংয়ে ফিরছে টিভি নাটক। তবে নির্মাতা-অভিনয়শিল্পীদের নিজ দায়িত্বে শুটিং করতে হবে; আন্তঃসংগঠন কিংবা স্ব স্ব সংগঠন কারো কোনো দায়িত্ব বহন করবে না।

যে ৬ শর্তে শুটিংয়ে ফিরছে টিভি নাটকঃ

১। আন্তঃসংগঠনের পক্ষ থেকে করোনাকালে স্বাস্থ্য অধিদফতরের গাইডলাইন অনুসরণে স্বাস্থ্য ঝুঁকি থেকে মুক্ত থাকতে কিছু বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে। শুটিং বিষয়ক স্বাস্থ্যবিধির তথ্যাবলি স্ব স্ব সংগঠন থেকে সংগ্রহ করে সেই নিয়মে শুটিং করতে হবে।

২। লকডাউনের সময় সরকারি সংস্থার প্রয়োজনীয় অনুমতি সংগ্রহ করে শুটিং করতে হবে। শিল্পী, কলাকুশলীরা শুটিং সংশ্লিষ্ট যে কোনও ধরনের কাজ নিজ দায়িত্বে সম্পন্ন করবেন। এর সাথে আন্তঃসংগঠন বা স্ব স্ব সংগঠন কোনোভাবেই সম্পৃক্ত থাকবে না।

৩। শুটিং করতে গিয়ে অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতির উদ্ভব হলে, অথবা কেউ অসুস্থ হয়ে পড়লে আন্তঃসংগঠন বা স্ব স্ব সংগঠন কোনও দায়-দায়িত্ব গ্রহণ করবেন না। সম্পূর্ণ দায় বর্তাবে সংশ্লিষ্ট প্রযোজক, পরিচালক, অভিনয়শিল্পী, চিত্রগ্রাহক, রূপসজ্জাশিল্পীসহ সংশ্লিষ্ট ইউনিটের সবার।

৪। বর্তমান করোনা পরিস্থিতি এবং আন্তঃসংগঠনের সিদ্ধান্ত ভালোভাবে অবগত হয়ে যারা শুটিং করতে আগ্রহী সেই শিল্পী, কলাকুশলী, প্রযোজক স্ব স্ব সংগঠনের সভাপতি/ সাধারণ সম্পাদক বরাবর এই মর্মে ক্ষুদে-বার্তা অথবা ইমেইল পাঠাবেন। যেখানে লিখতে হবে, ‌‌‘আমি দুর্যোগকালীন সময়ে আন্তঃসংগঠনের সিদ্ধান্ত সম্পর্কে ভালোভাবে অবগত হয়ে নিজ দায়িত্বে স্বেচ্ছায় শুটিংয়ে অংশগ্রহণ করছি। আমি সংকটে নিপতিত হলে এর দায়ভার সম্পূর্ণভাবে আমার।’

৫। সরকার পরিস্থিতি বিবেচনায় যে ঘোষণা দেবেন সকলকে সেটা মেনে নিয়ে কাজ করতে হবে। অথবা কাজ‌ বন্ধ রাখার পরিস্থিতি উদ্ভব হলে তা বন্ধ করতে হবে।

৬। আন্তঃসংগঠন এই শিথিল সিদ্ধান্ত পরিস্থিতি বিবেচনায় যে কোনও সময় বাতিল করতে পারে। আন্তঃসংগঠনের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকদের যৌথ ভাষ্যে, ‘সকলের কাজ করার প্রয়োজনীয়তা অনুভব করি আমরা। পাশাপাশি এও মনে করি সবকিছুর ঊর্ধ্বে জীবন।

এর আগে ২২ মার্চ থেকে দেশের করোনা পরিস্থিতি বিবেচনায় টিভি নাটকের শুটিং বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেয় টিভি নাটকের আন্তঃসংগঠনগুলো।