সর্বশেষ সংবাদ গোমস্তাপুরে মামার বাড়ি বেড়াতে এসে নদীতে ডুবে শিশুর মৃত্যু: উদ্ধার ২ চাঁপাইনাবগঞ্জে র শিবগঞ্জ ও গোমস্তাপুরে নতুন তিন করোনা রোগী সনাক্ত করোনাভাইরাস: ঢাকা শহরে ১৪ হাজার কোভিড-১৯ রোগী, সবচেয়ে বেশি মহাখালীতে এতিম শিশুদের পাশে মানিক শিশুকালের ঈদ বিনোদপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক মরহুম ওবায়দুর রহমান রেনু মাস্টারের জানাযা সম্পন্ন চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুরে ঘূর্ণিঝড়ে লণ্ডভণ্ড দুটি গ্রাম চাপাইনবাবগঞ্জে উদযাপিত হলো পবিত্র ঈদুল ফিতর: জেনে নিন কারা কোথায় ঈদ উদযাপন করলো ঈদের নামাজ পড়ানোর সময় সেজদারত অবস্থায় ইমামের মৃত্যু ২৪ ঘণ্টায় আক্রান্ত শনাক্ত ১৯৭৫ , মৃত্যু আরও ২১ জনের।

ভারতের মহদীপুর বন্দরে আটকে পড়া পেঁয়াজ আসলো রহনপুর বন্দর দিয়ে


চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি ঃ চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুর উপজেলার রহনপুর রেলবন্দর দিয়ে প্রথমবারের মত ভারত থেকেআমদানী করা পেঁয়াজ এসেছে। বৃহস্পতিবার বিকেলে ভারতের পশ্চিমবঙ্গেরমালদাহ স্টেশন থেকে বুকিংকৃত পেঁয়াজ ভারতের সিঙ্গাবাদ স্টেশন হয়েবাংলাদেশের রহনপুর রেলবন্দরে এসে পৌছে।

আমদানিকৃত পেঁয়াজ গুলো সোনামসজিদ স্থলবন্দরে বিপরীতে মহদীপুর স্থলবন্দরে আটকে পড়েছিল।

করোনা পরিস্থিতিতে লকডাউনেরকারনে বন্ধ থাকার দীর্ঘ প্রায় ১ মাস ২০ দিন পর এ রুট দিয়ে পণ্যবাহীট্রেন প্রবেশ করল। রহনপুর রেল স্টেশন ম্যানেজার মির্জা কামরুল হাসানজানান, বৃহস্পতিবার বিকেলে পেঁয়াজ ভর্তি ১ র‌্যাক (৪২ ওয়াগন)পণ্যবাহী ট্রেনটি ভারতের সিঙ্গাবাদ স্টেশন থেকে রহনপুর স্টেশনে প্রবেশকরে। আমদানীকৃত পেঁয়াজগুলো আমনুরা স্টেশনে খালাশ হবে বলে তিনিজানান। পেঁয়াজ আমদানীকারক প্রতিষ্ঠান চাঁপাইনবাবগঞ্জের একতা শস্যভান্ডারের প্রতিনিধি মিজানুর রহমান জুয়েল জানান, লকডাউনের কারনে মহদীপুর স্থলবন্দরে আটকে পড়া কৃষিপণ্যের মধ্যে ১৬’শ মেট্রিক টনপেঁয়াজ ভারতের মালদাহ স্টেশনে বুকিং হয়ে সিঙ্গাবাদ-রহনপুর রুট দিয়েবাংলাদেশে প্রবেশ করেছে। আগামীতে এ রুট দিয়েই ভারতের মহদীপুরস্থলবন্দরে আটকে পড়া সহ ভারতের অন্যান্য স্থান থেকে আমদানী করা কৃষিপণ্যপ্রবেশ করবে বলে তিনি জানান। উল্লেখ্য ভারতের মহদীপুর স্থলবন্দরে লকডাউনেরকারনে ৩ হাজার পাথরের ট্রাকসহ পিয়াজের ৩শ এবং খৈল,ভুট্টা ও মরিচের ২শট্রাক আটকে পড়ে। এদিকে সোনামসজিদ স্থলবন্দর দিয়ে পণ্যবাহী ট্রাকপ্রবেশ করতে না পারায় স্থানীয় বাজারে এর প্রভাব পড়েছে। সকল প্রকারকাঁচামালের দাম বেড়েছে। বিশেষ করে ছোলা, পেঁয়াজ, আদা ও রসুনের দামআকর্ষিক বৃদ্ধি পেয়েছে।

অধ্যাপক আনিসুজ্জমান আর নেই: রাষ্ট্রপতি-প্রধানমন্ত্রীর শোক

ডেস্ক

জাতীয় অধ্যাপক আনিসুজ্জামান আর নেই। ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন। বৃহস্পতিবার বিকেল ৪টা ৫৫ মিনিটে সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এই ইমেরিটাস অধ্যাপকের ছেলে আনন্দ জামান সাংবাদিকদের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, দ্রুত শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটায় করোনারি কেয়ার ইউনিট থেকে অধ্যাপক আনিসুজ্জামানকে ক্রিটিক্যাল কেয়ার সেন্টারে নিয়ে যাওয়া হয়েছিলো।

গত ২৭ এপ্রিল গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় অধ্যাপক আনিসুজ্জামানকে রাজধানীর মহাখালীর ইউনিভার্সেল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

শারীরিক অবস্থার উন্নতি না হওয়ায় শনিবার অধ্যাপক আনিসুজ্জামানকে সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) স্থানান্তরিত করা হয়। হার্টের সমস্যার পাশাপাশি ৮৩ বছরের এই অধ্যাপক কিডনি, ফুসফুস ও শ্বাসযন্ত্রের জটিলতায় ভুগছিলেন।
অধ্যাপক আনিসুজ্জামানের মৃত্যুতে রাষ্ট্রপতি-প্রধানমন্ত্রীর শোক
শিক্ষাবিদ, লেখক জাতীয় অধ্যাপক ড. আনিসুজ্জামানের মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন রাষ্ট্রপতি মো. আব্দুল হামিদ এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

এর আগে বৃহস্পতিবার বিকেল ৪টা ৫৫ মিনিটে রাজধানী ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন ভাষাসৈনিক ও মুক্তিযোদ্ধা অধ্যাপক ড. আনিসুজ্জামান। তার বয়স হয়েছিল ৮৩ বছর।

বার্ধক্যজনিত কারণে বেশ কিছুদিন ধরে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন জাতীয় অধ্যাপক আনিসুজ্জামান।

গত মঙ্গলবার তার ছেলে আনন্দ জামান জানিয়েছিলেন, তার বাবার হার্ট, কিডনিতে জটিলতা রয়েছে।

এর আগে বার্ধক্যজনিত সমস্যার কারণে গত ২৭ এপ্রিল রাজধানীর ইউনিভার্সেল কার্ডিয়াক হাসপাতালে ভর্তি হন অধ্যাপক আনিসুজ্জামান। সেখানে চিফ কার্ডিওলজিস্ট অধ্যাপক খন্দকার কামরুল ইসলামের অধীনে চিকিৎসা নিচ্ছিলেন তিনি। পরে ৩ মে চিকিৎসকরা তাকে নিবিড় পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রে (সিসিইউ) স্থানান্তর করেন।

কিন্তু তার শারীরিক অবস্থার উন্নতি না হওয়ায় গত ৯ মে অধ্যাপক আনিসুজ্জামানকে সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) স্থানান্তর করা হয়।

এপ্রিলের প্রথম সপ্তাহেও একই ধরনের সমস্যার কারণে অধ্যাপক আনিসুজ্জামানকে একবার রাজধানীর ল্যাবএইড হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল।

খ‌্যাতিমান অধ‌্যাপক আনিসুজ্জামানের জন্ম ১৯৩৭ সালের ১৮ ফেব্রুয়ারি ভারতের পশ্চিমবঙ্গের উত্তর চব্বিশ পরগনা জেলার বসিরহাটে। ভারত ভাগের পর তারা এপারে চলে আসেন।

ঢাকা বিশ্ববিদ‌্যালয়ের আগে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করেন আনিসুজ্জামান। এই ভূখণ্ডে ধর্মান্ধতা ও মৌলবাদবিরোধী নানা আন্দোলনে সক্রিয় ভূমিকা রয়েছে তার।

সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলে দিতে বললো হেফাজতে ইসলাম

করোনাভাইরাসের কারণে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়সহ সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ছুটি থাকবে আগামী ৩০ মে পর্যন্ত। রোজা ও ঈদুল ফিতরের ছুটি শেষে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলা হবে কি না এখন সে নিয়েই চলছে জোড় গুঞ্জণ।

তবে এদিকে অন্যান্য সেক্টরের মত ঈদের ছুটি শেষে স্বাস্থ্যবিধির আওতায় এনে দেশের সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলে দেয়ার জন্য প্রধানমন্ত্রীর প্রতি উদাত্ত আহ্বান জানিয়েছে ইসলামিক সংগঠন হেফাজতে ইসলাম।

আজ বৃহস্পতিবার হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ ঢাকা মহানগরী যুগ্ম-মহাসচিব মাওলানা ফজলুল করীম কাসেমী স্বাক্ষরিত এক যৌথ বিবৃতিতে এই আহ্বান জানানো হয়। আর বিবৃতিতে সরকার প্রধানের কাছে আহ্বান জানান দেশের শীর্ষ ২৪ আলেম।

বিবৃতিতে আলেমগণরা বলেন, আল্লাহ প্রদত্ত করোনা নামক মহামারির কারণে গোটা পৃথিবীর শৃঙ্খলা তছনছ প্রায়। এমতাবস্থায় বাংলাদেশ সরকার জনস্বাস্থ্য নিরাপদ রাখার লক্ষ্যে দীর্ঘ ছুটি, গণপরিবহণ বন্ধসহ অনেক কিছুতে নিয়ন্ত্রণারোপ করেছে। ইতোমধ্যেই আমরা লক্ষ্য করছি যে, দীর্ঘমেয়াদে অর্থনৈতিক ক্ষতি থেকে রক্ষার লক্ষ্যে হাট-বাজার, শপিং মল, গার্মেন্টস, সচিবালয়সহ বিভিন্ন ক্ষেত্র স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার শর্তারোপ করে খুলে দেয়া হচ্ছে। দেরিতে হলেও আল্লাহর ঘর মসজিদও পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ, জুমা ও তারাবির নামাজের জন্য খুলে দেয়া হয়েছে। এই জন্য আমরা সরকারকে সাধুবাদ জানাই।

বিবৃতিতে তারা আরো বলেন, শিক্ষাই জাতির মেরুদণ্ড। সুশিক্ষিত জাতিই দেশের শৃঙ্খলা, উন্নয়ন ও সমৃদ্ধির চাবিকাঠি। শিক্ষা মানুষের একটি মৌলিক অধিকার। সুতরাং দেশের লাখ লাখ শিক্ষার্থীদের শিক্ষা জীবনের মূল্যবান একটি শিক্ষাবর্ষ যাতে তাদের হাতছাড়া না হয়ে যায়, শিক্ষার ধারাবাহিক গতিপ্রবাহ থেকে যাতে শিক্ষার্থীরা ছিটকে না পড়ে, সেদিকে সচেতনতার সাথে সুদৃষ্টি রাখতে হবে। এ লক্ষ্যে আসন্ন ঈদুল ফিতরের ছুটির পর অন্যান্য সেক্টরের ন্যায় জরুরি স্বাস্থ্যবিধির মেনে চলার ভিত্তিতে দেশের সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলে দেয়ার জন্য প্রধানমন্ত্রীর প্রতি আমরা উদাত্ত আহ্বান জানাচ্ছি।

বিবৃতিদাতা আলেমগণরা হলেন, আল্লামা নূর হোসাইন কাসেমী (আহ্বায়ক- সমমনা ইসলামী দলসমূহ), আল্লামা হাফেজ আতাউল্লাহ হাফেজ্জী (আমির- খেলাফত আন্দোলন), ড. আহমদ আবদুল কাদের (মহাসচিব খেলাফত মজলিস), মাওলানা মাহফুজুল হক (মহাসচিব- বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস), ড. ঈসা শাহেদী (সভাপতি- ইসলামী ঐক্য আন্দোলন), আল্লামা আব্দুর রব ইউসুফী (সহ-সভাপতি- জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশ), অ্যাডভোকেট কাজী আবুল খায়ের (মহাসচিব- মুসলিম লীগ), আল্লামা উবায়দুল্লাহ ফারুক (সহ-সভাপতি- জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশ), আল্লামা জুনায়েদ আল হাবীব (যুগ্মমহাসচিব- হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ), মাওলানা হাবিবুল্লাহ মিয়াজি (মহাসচিব- খেলাফত আন্দোলন), মাওলানা মুজিবুর রহমান হামিদী (নায়েবে আমির- খেলাফত আন্দোলন), মাওলানা সাখাওয়াত হোসাইন (নায়েবে আমীর- খেলাফত মজলিস), মাওলানা শফিক উদ্দীন (যুগ্ম মহাসচিব- খেলাফত মজলিস), মাওলানা মঞ্জুরুল ইসলাম আফেন্দি (যুগ্ম মহাসচিব- জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশ), মাওলানা বাহাউদ্দীন যাকারিয়া (সহসভাপতি- বেফাকুল মাদারিসিল আরাবিয়া), মাওলানা ফজলুল করীম কাসেমী (যুগ্মমহাসচিব- জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম), মাওলানা জালাল উদ্দিন আহমদ (যুগ্ম মহাসচিব- বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস), মাওলানা আহমদ আলী কাসেমী (যুগ্ম মহাসচিব- খেলাফত মজলিস), মাওলানা আবুবকর সিদ্দিক (কেন্দ্রীয় নেতা- ইসলামী ঐক্য আন্দোলন), মাওলানা আজিজুর রহমান হেলাল (সাংগঠনিক সম্পাদক- বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস), মাওলানা মোহাম্মদ ফয়সল, মাওলানা তোফাজ্জল হোসেন মিয়াজী (সাংগঠনিক সম্পাদক- খেলাফত মজলিস), অধ্যাপক মোঃ আবদুল জলিল, মোঃ নজরুল ইসলাম (সহসভাপতি- মুসলিম লীগ) প্রমুখ।

‘করোনা নিয়ন্ত্রণে লকডাউন পদ্ধতি ‌‌‌বিশাল ভুল’

করোনাভাইরাস মহামারি নিয়ন্ত্রণে লকডাউন পদ্ধতিকে ‘বিশাল ভুল’ বলে মন্তব্য করেছেন নোবেলজয়ী বিজ্ঞানী মাইকেল লেভিট। আনহার্ড ডটকমের প্রতিবেদনে এই তথ্য পাওয়া গেছে।

সম্প্রতি ৭৩ বছর বয়সী এ বিজ্ঞানীর সাক্ষাৎকার নিয়েছেন অভিনেতা ও উপস্থাপক ফ্রেডি স্লেয়ার্স। তিনি বলেন, চীন করোনার হুমকি কীভাবে মোকাবিলা করেছে তা যদি বিশ্ব ভালোভাবে খেয়াল করত, তবে সরকারগুলো ভিন্ন ধরনের পদক্ষেপ নিত। বিশেষ করে অর্থনৈতিক কার্যক্রম বন্ধ করত না।যদি আবারও একই কাজ করতে হয়, সেক্ষেত্রে আমাদের অনুরোধ হবে মুখের মাস্ক, হাত জীবাণুমুক্তকরণ, এমন পরিশোধ ব্যবস্থা চালু যেখানে স্পর্শের দরকার হয় না (যেমন: নগদ অর্থের বদলে মোবাইল ফোনে লেনদেন) এবং শুধু বয়স্কদের আইসোলেশনে রাখা।

তিনি আরও বলেন, করোনা সংকটে গৃহীত ব্যবস্থা পর্যালোচনা করলে জার্মানি ও সুইডেন সবচেয়ে বড় বিজয়ী হবে। তারা খুব বেশি লকডাউন দেয়নি- ‘হার্ড ইমিউনিটি’ (স্বয়ংক্রিয়ভাবে রোগ প্রতিরোধী হয়ে ওঠা) পাওয়ার জন্য কিছু সংখ্যক লোক অসুস্থ হয়েছে মাত্র। সেখানে অস্ট্রিয়া, অস্ট্রেলিয়া ও ইসরায়েল থাকবে হতভাগাদের কাতারে। কারণ খুব বেশি মানুষ আক্রান্ত হওয়ার আগেই তারা কড়া লকডাউন জারি করেছে। এতে সমাজের বড় ক্ষতির পাশাপাশি কোনও ধরনের হার্ড ইমিউনিটি প্রতিষ্ঠিত হয়নি।

তিনি জানান, করোনাভাইরাসের পরবর্তী ধাক্কা থেকে প্রথম গ্রুপটি সুরক্ষিত থাকলেও ঝুঁকিতে পড়বে দ্বিতীয় গ্রুপ।

সাবধান! কথা বলার সময়ও ছড়ায় করোনা


ডেস্ক

বর্তমানে ভয়ঙ্কর করোনাভাইরাসে কাঁপছে গোটা বিশ্ব। এখন পর্যন্ত এই ভাইরাসের ভ্যাকিসিনও আবিস্কারও হয়নি। যদিও ভ্যাকসিন তৈরি করতে রাত-দিন এক করে ফেলছেন বিশ্বের বাঘা বাঘা সব চিকিৎসা বিজ্ঞনীরা। এদিকে করোনা ছড়ানো নিয়ে নতুন করে আরো একটি ভয়াবহ তথ্য দিয়েছে এক গবেষণা।

আন্তর্জাতিক সংবাদ মাধ্যম এএফপি তাদের এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, কথা বলার সময়েও নাকি ছড়াতে পারে করোনাভাইরাস।

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব ডায়াবেটিস অ্যান্ড ডাইজেস্টিভ অ্যান্ড কিডনি ডিজিজের (এনআইডিডিকে) এক দল গবেষক এই তথ্য জানিয়েছেন।

তারা এক করোনা রোগীকে নিয়ে একটি বক্সের ভেতরে ঢুকান। এরপর তাকে বলা হয়, বার বার ‘স্টে হেলথি’ বলে কথা বলার জন্য। তাকে ২৫ সেকেন্ড বক্সের ভেতরে রাখা হয়। ওই বক্সের ভেতরে একটি লেজারও রাখা হয়। লেজার দিয়ে করোনাভাইরাসকে দেখা হয় এবং গণনা করা হয় কতোক্ষণ ভাইরাস ভেসে থাকে।

তাদের গবেষণা মতে, করোনাভাইরাস আবদ্ধ ঘরে গড়ে ১২ মিনিটের বেশি সময় ধরে বাতাসে ভেসে থাকতে পারে। তাদের এই গবেষণাপত্রটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রসেডিংস অব ন্যাশনাল একাডেমি অব সায়েন্সেসের জার্নালে প্রকাশিত হয়।

গবেষণাপত্রে বলা হয়, মানুষের মুখের লালাতে করোনাভাইরাস থাকলে তা কথা বলার সময় বের হয়ে যেতে পারে। প্রতি মিনিটে ভাইরাস যুক্ত এক হাজার জলকণা কথা বলার সময় বেরিয়ে আসতে পারে। আর সর্বনিম্ন ৮ মিনিট আবদ্ধ ঘরে ভেসে থাকতে পারে করোনা যুক্ত এই জলকণা।

গবেষকরা জানান, এই গবেষণায় লেজারে দেখা যায় কিভাবে স্বাভাবিক কথা বলার সময় মানুষের মুখ থেকে করোনা বের হয়ে আসে। আর কিভাবে ১০ মিনিট বা তারচেয়েও বেশি সময় বাতাসে ভেসে থাকতে পারে। এই মারণ ভাইরাসটি সীমিত জায়গায় মানুষের শরীরে ছড়িয়ে পড়তে সক্ষম।

এর আগেও তাদের আরো একটি গবেষণায় জানানো হয়, স্বাভাবিকভাবে কথা বললেও মানুষের মুখ থেকে জলকণা ছড়িয়ে করোনা ছড়াতে পারে। কিন্তু বাতাসে কতোক্ষণ ভেসে থাকতে পারে বা করোনা সেই জলকণায় ছড়াতে পারে কি-না তা নিয়ে কোনো তথ্য দেয়া হয়নি।

এবার কিন্তু বেরিয়ে এসেছে স্বাভাবিক কথা বলার সময়ও ছড়াতে পারে করোনা। নিউ ইংল্যান্ড জার্নাল অব মেডিসিন নামক জার্নালে এপ্রিল মাসে তাদের ওই গবেষণা প্রকাশিত হয়।

কথা বলার মাধ্যমে করোনা ছড়িয়ে যাওয়ার বিষয়টি এখন আরো বেশি আতঙ্ক তৈরি করেছে জনমানুষের মনে। করোনার ভ্যাকসিন না আসা পর্যন্ত মাস্ক পরেই হয়তো কথা বলতে হবে। এছাড়া করোনা ছড়াতেই থাকবে। সূত্র: এএফপি

নতুন প্রজন্ম — রাফাত আহমেদ

তোমাদের বলতে চাই কিছু কথা, অন্তরে লালন করো মহান গুন সততা। তোমাদের প্রতি রইলো এই উপদেশ, মন থেকে করো খারাপ কে নিঃশেষ। নতুন প্রজন্ম কখনো করবে না কোনো কিছুকে ভয়, নিশচয় তোমরা নিঃশেষ করবে, সব বাধা বিপর্যয়। জীবনে যদি কোনো দিন আসে পরাজয়, তারপরই সফলতা আসবে নিশচয়। নতুন প্রজন্ম, সচ্চার হও তোমরা খারাপের বিরুদ্ধে, মনুষ্যত্ব কে রেখো তোমরা সবার উর্ধ্বে। “সমাজ থেকে বিদায় করবো সকল দুরাচার ” মনে মনে করো তোমরা এই অঙ্গীকার। নতুন প্রজন্ম, মনযোগ দিয়ে তোমরা করো পড়াশোনা, কাজে দিও মন,কাজ ফেলে রেখোনা। গুরুজনের কথা তোমরা মান্য করে চলো, ভবিষ্যৎ হবে তোমাদের উজ্জ্বল, হবে অনেক ভালো। নতুন প্রজন্ম, করো পরিশ্রম, মানুষ হতে হলে, জায়গা নিতে হবে তোমাদের মনীষীদের দলে। দেশের জন্য দেখ তোমরা নতুন সপ্ন, হও দেশের বীর,হও দেশের রত্ন। নতুন প্রজন্ম, অন্তরে লালন করো এমন চেতনা, যেন তোমাদের কাছে পাই সবাই অনন্য প্রেরণা। তোমাদের জীবন হোক আরও আনন্দময়, “বিজয় আসবেই” মনে মনে গড়ো এই প্রত্যয়।

ভোলাহাটে বাড়ী বাড়ীতে ত্রাণ পৌঁছে দিল পুলিশ


ভোলাহাট(চাঁপাইনবাবগঞ্জ)প্রতিনিধিঃ বাংলাদেশ পুলিশ চাঁপাইনবাবগঞ্জ পুলিশ সুপারের নিজস্ব অর্থায়নে খাদ্য সামগ্রী মানুষের বাড়ী বাড়ী পৌঁছে দিয়েছেন ভোলাহাট থানা পুলিশ। করোনা মহামারীতে নি¤œ ও মধ্যবিত্তদের আয়ের উৎস থমকে অসহায় হয়ে পড়েছেন। ক্ষুধার্তএ সব মানুষের খবর যখন কেউ নিচ্ছেন না, কাউকে ত্রাণের কথা বলতে পারছেন না। ঠিক এমন সময় চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা পুলিশ সুপার এইচএম আব্দুর রকিব, বিপিএম, পিপিএম(বার) এর অর্থায়নে ১০কেজি চাল, ২ কেজি আলু ও ১কেজি ডাল পৌঁছে দেয়া হয়েছে এ সব অসহায় মানুষগুলোর বাড়ী। ভোলাহাট থানার অফিসার ইনচার্জ নাসিরউদ্দিন মন্ডল এসআই রউফ ও সঙ্গীয় পুলিশ সদস্য নিয়ে গত বুধবার ইফতারের পর অন্ধকারে বেরিয়ে বাড়ীতে বাড়ীতে গিয়ে না বলতে পারা মানুষের কাছে ত্রাণ পৌঁছে দিলেন। অফিসার ইনর্চাজ ত্রাণ বিতরণ কালে অসহায় মানুষ গুলোকে পুলিশ সুপারের ব্যক্তিগত খাদ্য সামগ্রী তাদের কাছে পৌঁছে দিলেন। তিনি বলেন, উপজেলার মোট ১শত৫০জনকে এ ত্রাণের আওতা নেয়া হয়েছে। ইতিমধ্যে ৮০জনের বাড়ীতে গিয়ে ত্রাণ দেয়া হয়েছে বাঁকী ৭০জনকে খুঁজে বের করে তাদের বাড়ীতেও খাদ্য সামগ্রী পৌঁছে দেয়া হবে বলে জানান।

নাচোলে গাঁজাসহ আটক একজন


নাচোল প্রতিনিধি
চাঁপাইনবাবগঞ্জের নাচোলে ৯৫০গ্রাম গাঁজাসহ এক ব্যাক্তিকে আটক করেছে পুলিশ। আটক ব্যাক্তি চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার শিবগঞ্জ উপজেলার আচমতপুর বাগিছা পাড়া’র একরামুল হক এর ছেলে জুয়েল রানা (১৯)।
নাচোল থানার অফিসার ইনচার্জ মো. সেলিম রেজা ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিত্বে নাচোল থানার এস আই জাহাঙ্গীর নাচোল বাসষ্ট্যান্ড মোড় থেকে জুয়েল রানাকে আটক করে। এসময় তার হাতে থাকা শপিং ব্যাগ তল্লাশি করে ৯৫০ গ্রামে গাঁজা জব্দ করে। আটক জুয়েল রানাকে আজ মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রন আইনে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।

চাঁপাইনবাবগঞ্জে বন্ধের ঘোষণা থাকলেও খুলে গেছে সকল মার্কেট

চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি: করোনার কারণে চাঁপানবাবগঞ্জের ব্যবসায়ী নেতারা ঈদের আগে বড় বড় মার্কেট বন্ধের ঘোষণা দিলেও আজ বৃহস্পতিবার সকাল থেকে খুলে গেছে মার্কেটগুলো। আর দোকানগুলোতে দেখা গেছে নারীদের উপচেপড়া ভিড়। মার্কেটগুলোর সামনে হাত ধোয়ার ব্যবস্থা রাখা হলেও দোকানগুলোতে সামাজিক দূরত্ব মানা হচ্ছে না।
ফলে করোনা ভাইরাস ছড়িয়ে পড়ার আশংকা করছেন অনেকেই। কারণ এমনিতেই জেলায় এখন পর্যন্ত ১৬ জন করোনা আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হয়েছে।
সম্প্রতি চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা প্রশাসনের কার্যালয়ে জেলা প্রশাসকের নেতৃত্বে ব্যবসায়ীদের নিয়ে মার্কেট খোলা নিয়ে একটি সভা অনুষ্ঠিত হয়।সেখানে করোনা সর্তকর্তা হিসেবে সামাজিক দুরত্ব নিশ্চিত, হ্যান্ড স্যানিটাইজার,মাস্ক সহ শর্তসাপেক্ষে দোকান পাট খোলার নির্দেশনা দেয়ার পর চেম্বার ভবনে ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দ জরুরী সভায় সিদ্ধান্ত নেয় যে, ঈদের আগে শহরের সকল মার্কেট বন্ধ থাকবে। সেই থেকে জেলা শহরের নিউমার্কেট, শহীদ সাটু কমপ্লেক্স মার্কেট, ক্লাব সুপার মার্কেট, আব্দুল মান্নান সেন্টু মার্কেট, এ ও বি ব্লক, বাবু গিরীশচন্দ্র মার্কেট বন্ধ থাকলেও খোলা ছিল শহরের আলিয়া মাদ্রাসা, পুরাতন বাজার, দাউদপুর রোড এলাকার অধিকাংশ দোকান।
কিন্তু বৃহস্পতিবার (১৪ মে) হঠাৎ করে খুলে দেয়া হয়েছে নিউমার্কেট, শহীদ সাটু কমপ্লেক্স মার্কেট, ক্লাব সুপার মার্কেট, আব্দুল মান্নান সেন্টু মার্কেট, এ ও বি ব্লক , বাবু গিরীশচন্দ্র মার্কেটের দোকানপাট। ফলে সকাল থেকেই দোকানগুলোনে সামাজিক দুরত্ব না মেনে নারীদের উপচেপড়া ভিড় লক্ষ করা গেছে।তবে মার্কেটগুলোতে পুরুষের উপস্থিতি কম লক্ষ করা গেছে।
এ ব্যাপারে সদর মডেল থানার ওসি মোঃ জিয়াউর রহমান বলেন, যদি মার্কেটগুলোতে স্বাস্থ্যবিধি না মানা হয় এবং সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিত করা না হয় তাহলে অভিযান চালিয়ে সেসব দোকানপাট বন্ধ করে দেয়া হবে।
অপরদিকে সদর উপজেলার রামচন্দ্রপুরহাট সংলগ্ন বাজার, শিবগঞ্জ উপজেলার শিবগঞ্জ বাজার, রানিহাটি বাজার, কানসাট বাজার, বিনোদপুর বাজার, মনাকষা বাজারের গার্মেন্টস’র দোকানগুলোতে সামাজিক দুরত্ব বজায় না রেখে ক্রেতারা কেনাকাটা করছে।তবে বৃহষ্পতিবার সকালে শিবগঞ্জ থানা পুলিশের একাধিক দল মার্কেট গুলোতে অভিযান চালিয়ে শহরের দোকানপাট বন্ধ করে দেয়।
এ ব্যাপারে শিবগঞ্জ থানার ওসি শামসুল আলম শাহ জানান, পুলিশের পাশাপাশি ব্যবসায়ী সংগঠন গুলোকও এগিয়ে আসতে হবে।সেসাথে ক্রেতাদেরকেও সচেতন হতে হবে।অন্যথায় করোনা সংক্রমণ ছড়ানো বন্ধ করা যাবেনা।এরপরও পুলিশ যথাসাধ্য চেষ্টা চালাচ্ছে পরিবেশ ঠিক রাখার জন্য।

আওয়ামীলীগ নেতা ও ‘এরফান গ্রুপ’ এর স্বত্তাধিকার এরফানের উদ্যোগে চাঁপাইনবাবগঞ্জে ঈদ সামগ্রী বিতরণ



চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি ॥ দেশের অন্যতম ও জেলার শীর্ষ ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ‘এরফান গ্রুপ’ এর উদ্যোগে করোনা ভাইরাসে সংকটময় সময়ে রমজান ও ঈদ উপলক্ষে সদর উপজেলার ১৪টি ইউনিয়ন ও চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌরসভার ১৫টি ওয়ার্ডে দ্বিতীয় দিনের মত ঈদ সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে। বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ সভাপতি ও বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আহবানে সাড়া দিয়ে সকল দূর্যোগ সময়ে অসহায়, দুঃস্থ মানুষের পাশে দাঁড়ানোর আহবানে ‘এরফান গ্রুপ’ নিজস্ব অর্থায়নে এসব খাদ্য ও বস্ত্র সামগ্রী বিতরণ চালিয়ে যাচ্ছে। বৃহস্পতিবার সকালে চাঁপাইনবাবগঞ্জ শহরের জেলা স্কুল মাঠে ঈদ সামগ্রীগুলো তুলে দেন ‘এরফান গ্রুপ’র চেয়ারম্যান ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক, চাঁপাইনবাবগঞ্জ চেম্বারের সভাপতি, ‘পৌর আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি আলহাজ্ব মো. এরফান আলী।
এসময় উপস্থিত ছিলেন সদর উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি মো. আজিজুর রহমান ও সাধারণ সম্পাদক এ্যাড. নজরুল ইসলাম, জেলা যুবলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক শহীদুল হুদা অলক, জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি আরিফুর রেজা ইমন, সাধারণ সম্পাদক ডা. সাঈফ জামান আনন্দ, সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ড সভাপতি মো. লতিফুল ইসলাম মামুন, সাধারণ সম্পাদক মো. রবিউল ইসলাম, মেহেদী হাসান জামাল, মাহফুজুর রহমান মুকুল, চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌরসভার ১ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক ও ‘এরফান গ্রুপ’র ত্রান সহায়তা কার্যক্রমের সমন্বয়ক নাসরুম মিনাল্লাহ, আওয়ামীলীগ নেতৃবৃন্দসহ ছাত্রলীগের কর্মীরা ও ‘এরফান গ্রুপ’র বিভিন্নস্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারী। খাদ্য সামগ্রী বিতরণের শুরুতে করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে করনীয় বিষয়ে পরামর্শ দেন বক্তারা। বৃহস্পতিবার সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌরসভার ৬, ৯, ১১ ও ১২ নম্বর ওয়ার্ডে প্রতিটি ওয়ার্ডে ৩’শ জন করে মোট ১ হাজার ২’শ পরিবারে প্রতিটি প্যাকেটে কাপড়, আটা, চিনি, সেমাই, তেল দেয়া হয়।
পৌরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ডের বিকাশনি ক্লাব চত্বরে ঈদ সামগ্রী বিতরণকালে ‘এরফান গ্রুপ’র চেয়ারম্যান ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক আলহাজ্ব মো. এরফান আলীর সাথে ছিলেন অন্যান্য অতিথিগণসহ সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ড আওয়ামীলীগ সভাপতি আব্দুর রাজ্জাক, সহ-সভাপতি শামসুল জোহা, সাধারণ সম্পাদক মো. আবুল কালাম আজাদ, সদস্য মো. বদিউজ্জামান, শরিফুল ইসলাম, রেজাউল করিমসহ আওয়ামীলীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা।
পৌরসভার ১১ নম্বর ওয়ার্ডের নামোশংকরবাটী বাররশিয়াপাড়া নিজ জন্মস্থান এলাকায় ঈদ সামগ্রী বিতরণকালে ‘এরফান গ্রুপ’র চেয়ারম্যান ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক আলহাজ্ব মো. এরফান আলীর সাথে ছিলেন অন্যান্য অতিথিগণসহ সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ড সাধারণ সম্পাদক মো. আবুল হান্নান, স্থানীয় জামে মসজিদের ইমাম মামুন অর রশিদ, স্থানীয় এরশাদ আলীসহ আওয়ামীলীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা।
পৌরসভার ১২ নম্বর ওয়ার্ডের চরমোহনপুর দক্ষিনপাড়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় চত্বরে ঈদ সামগ্রী বিতরণকালে ‘এরফান গ্রুপ’র চেয়ারম্যান ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক আলহাজ্ব মো. এরফান আলীর সাথে ছিলেন অন্যান্য অতিথিগণসহ সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ড সভাপতি মো. মুনসুর আলী, সাধারণ সম্পাদক মো. রেজাউল ইসলাম রেজু, জেলা ছাত্রলীগ নেতা সাকলাইন রাশেল, নুরুল ইসলাম, আবুল কালামসহ আওয়ামীলীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা।
পর্যায়ক্রমে ‘এরফান গ্রুপ’র নিজ অর্থায়নে ৬০ লক্ষ টাকা ব্যয়ে ১২ হাজার প্যাকেট ঈদ সামগ্রী চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌরসভার ১৫টি ওয়ার্ড ও সদর উপজেলার ১৪ ইউনিয়নে কর্মহীন ও অসহায় মানুষের মাঝে এসব সামগ্রী বিতরণ কার্যক্রম চলমান রয়েছে বলে জানিয়েছে ‘এরফান গ্রুপ’ কর্তৃপক্ষ। আগামীকাল ১৫ মে চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌরসভার ৫টি ওয়ার্ডে (০২, ১০, ১৩, ১৪, ১৫ নম্বর ওয়ার্ড) ‘এরফান গ্রুপ’র ঈদ সামগ্রী বিতরন করা হবে।
উল্লেখ্য, করোনা ভাইরাস সংকময় সময়ে এর আগে ১ এপিল থেকে টানা ১০ দিনব্যাপী চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌরসভার ১৫টি ওয়ার্ড ও সদর উপজেলার ১৪ ইউনিয়নে কর্মহীন ও অসহায় মানুষের মাঝে ‘এরফান গ্রুপ’র নিজ অর্থায়নে ৫০ লক্ষ টাকা ব্যয়ে ১১ হাজার পরিবারের মাঝে চাল, আলু, ডাল বিতরণ করে ‘এরফান গ্রুপ’। এছাড়াও ‘এরফান গ্রুপ’র চেয়ারম্যান ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক আলহাজ্ব মো. এরফান আলীর আন্তরিকতায় বছর জুড়েই জেলার অসহায়, দুঃস্থ ও হতদরিদ্র মানুষ, কঠিন রোগে আক্রান্তদের চিকিৎসা সহায়তা, বিভিন্ন ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে আর্থিক সহায়তাসহ বিভিন্ন সহায়তা কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে ‘এরফান গ্রুপ’।