সর্বশেষ সংবাদ করোনাভাইরাস: ঢাকা শহরে ১৪ হাজার কোভিড-১৯ রোগী, সবচেয়ে বেশি মহাখালীতে এতিম শিশুদের পাশে মানিক শিশুকালের ঈদ বিনোদপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক মরহুম ওবায়দুর রহমান রেনু মাস্টারের জানাযা সম্পন্ন চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুরে ঘূর্ণিঝড়ে লণ্ডভণ্ড দুটি গ্রাম চাপাইনবাবগঞ্জে উদযাপিত হলো পবিত্র ঈদুল ফিতর: জেনে নিন কারা কোথায় ঈদ উদযাপন করলো ঈদের নামাজ পড়ানোর সময় সেজদারত অবস্থায় ইমামের মৃত্যু ২৪ ঘণ্টায় আক্রান্ত শনাক্ত ১৯৭৫ , মৃত্যু আরও ২১ জনের। শিবগঞ্জে ঈদ উদযাপন বিয়ের পাঁচ মাসের মাথায় স্বামী স্ত্রীর আত্মহত্যা!

গোমস্তাপুরে এসএসসি ২০০২ গ্রুপের উদ্যোগে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ


গোমস্তাপুর (চাঁপাইনবাবগঞ্জ) প্রতিনিধি: চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুরে বাড়ি বাড়ি গিয়ে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করেছে “এসএসসি ২০০২ ব্যাচ বাংলাদেশ” গ্রুপ। বুধবার দিনব্যাপি গোমস্তাপুর উপেজলার ৩ টি ইউনিয়ন ও রহনপুর পৌরসভার অসহায়,দুঃস্থ,গরীব এবং কর্মহীন পরিবারের মাঝে এ খাদ্য সামগ্রীগুলো বিতরণ করা হয়।
এ সময় গোমস্তাপুর উপজেলা শাখার পক্ষ থেকে উপস্থিত ছিলেন ডেন্টাল সার্জন ডা.নয়ন খান,রোকনপুর উচ্চ বিদ্যালয় সহকারী শিক্ষক ইসরাত জাহান, নিতপুর সরকারি মডেল স্কুল এন্ড কলেজের প্রভাষক সাখাওয়াত হোসেন, কেয়া রহমান।
প্রসঙ্গগতঃ মহামারি করোনার ভয়াল থাবায় পৃথিবীর অধিকাংশ দেশের মতো বাংলাদেশেও এর প্রভাব পড়েছে। মহামারি থেকে উত্তরণের একমাত্র উপায় ঘরবন্দী থাকা। এ পরিপ্রেক্ষিতে “এসএসসি ২০০২ ব্যাচ বাংলাদেশ” গ্রুপ তাদের সদস্যদের সহায়তায় দুস্থ ও কর্মহীন মানুষদেরকে ঘরে রাখার লক্ষ্যে তাদের পাশে দাড়ানোর উদ্যোগ গ্রহণ করে। এরই ধারাবাহিকতায় বুধবার (১৩ মে) একযোগে বাংলাদেশের ১১টি জেলায় (ঢাকা, নারায়নগঞ্জ, গাজীপুর, নরসিংদী, শরিয়তপুর, চট্টগ্রাম, সিলেট, যশোর, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, গাইবান্ধা, পটুয়াখালী)তে তাদের বিতরণ কার্যক্রম পরিচালিত করেছে। এর মধ্যে চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুর উপজেলায় তিনটি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভার ১১০ টি পরিবারের মাঝে ত্রান সামগ্রীগুলো বিতরন করা হয়।আগামী দিনে আরও বিতরণ অব্যাহত থাকবে বলে গ্রুপের সদস্যরা জানান।

শিবগঞ্জে ব্রি-ধান-৮১ ক্রপ কাটিং করে উদ্বোধন

শিবগঞ্জ(চাঁপাইনবাবগঞ্জ)প্রতিনিধি: ১৩ মে (বুধবার) চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার শিবগঞ্জ উপজেলার মুসলিমপুরে ‍রাজস্ব অর্থায়নের ব্রি-ধান-৮১ ক্রপ জমিতে চলতি বোরো মৌসুমে রোপন করা উচ্চ ফলনশীল জাতের ব্রি ধান-৮১ আনুষ্ঠানিকভাবে কর্তন করা হয়।

ক্রপ কাটিং করে উদ্বোধন করলেন উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ এস.এম আমিনুজ্জামান

এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপ সহকারী উদ্ভিদ সংরক্ষণ কর্মকর্তা মোঃ শফিকুল ইসলাম, উপ সহকারী কৃষি অফিসার মোঃ সবুর আলি, বিশিষ্ট আদর্শ কৃষক মোঃ বানী ইসরাইল প্রমূখ।

শিবগঞ্জ উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ এস.এম আমিনুজ্জামান বোরো মৌসুমের পাকা ধান কাটা উদ্বোধন করে দ্রুত কাটার নির্দেশনা দেন। তিনি আরো জানান, শতকরা আশি ভাগ ধান পেকে গেলেই কাটা যায়। তাছাড়া স্থানীয় আবহাওয়া এবং পারিপার্শ্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তবে নতুন জাত হিসাবে ভালো ফলন হবে বলে আশা প্রকাশ করে ন

এদিকে কৃষক বানী ইসরাইল বলেন রাজস্ব অর্থায়নের ব্রি-ধান-৮১ দুই বিঘা জমিতে বোরো ধানের চাষ করেছি তা বাম্পার ফলন হয়েছে বিঘা প্রতি ২৬-২৮ মন ধান হবে বলে আসা করা যাচ্ছে। এই ধানের ভালো উৎপাদন পেয়ে আমি খুশি

ব্রি-ধান-৮১ ক্রপ কাটিং করার পর শাহাবাজপুর ইউনিয়নের সোনাপুর ব্লকের বিভিন্ন ফসল প্রদর্শন এবং বসত বাড়ীতে শাকসবজি চাষ করা উদ্বুদ্ধ করতে উপজেলা কৃষি অফিসার বিনামূল্যে শাকসবজির বীজ বিতারণ করেন।

রাজশাহী অঞ্চলে করোনা পরিস্থিতির অবনতি

নিজস্ব প্রতিবেদক : রাজশাহী বিভাগের আট জেলায় এ পর্যন্ত করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন ২৬১ জন। এর মধ্যে সুস্থ্যতা পেয়েছেন ৩৭ জন। করোনার সঙ্গে লড়ছেন এখনও ২২৪ জন। আর মারা গেছেন দুইজন। বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক ডা. গোপেন্দ্রনাথ আচার্য্য বুধবার সকালে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, বিভাগে প্রথম করোনা রোগী শনাক্ত হয় গত ১২ এপ্রিল রাজশাহীর পুঠিয়া উপজেলায়। এরপর এখন পর্যন্ত বিভাগের আট জেলায় মোট ২৬১ জন শনাক্ত হয়েছেন। এর মধ্যে রাজশাহীতে ১৭ জন, চাঁপাইনবাবগঞ্জ ১৬, নওগাঁয় ৭০ নাটোরে ১৩ জন, জয়পুরহাটে ৭১, বগুড়ায় ৫২, সিরাজগঞ্জে ৬ ও পাবনায় ১৬ জন করোনা আক্রান্ত শনাক্ত হয়েছে।

বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক ডা. গোপেন্দ্রনাথ জানান, রাজশাহীতে করোনা আক্রান্ত ১৭ জনের মধ্যে একজন মারা গেছেন। সুস্থ হয়েছেন তিনজন। চিকিৎসাধীন রয়েছেন ১৩ জন। চাঁপাইনবাবগঞ্জে আক্রান্ত ১৬ জনের মধ্যে এখনও কেউ সুস্থ হননি। সবাই হোম আইসোলেশনে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। নওগাঁয় আক্রান্ত ৭০ জনের মধ্যে সুস্থ হয়েছেন ১০ জন। করোনার সঙ্গে লড়ছেন ৬০ জন। নাটোরে আক্রান্ত ১৩ জনের মধ্যে মারা গেছেন একজন। চিকিৎসাধীন ১১ জন।

জয়পুরহাটে আক্রান্তের সংখ্যা ৭১ জন। এটিই বিভাগের মধ্যে সর্বোচ্চ আক্রান্ত। তবে এ জেলায় সুস্থ হয়েছেন ১৫ জন। কেউ মারা যাননি। হাসপাতালে আছেন ৬৬ জন। মঙ্গলবার চার পুলিশসহ নতুন ১১ জন শনাক্তসহ বগুড়ায় আক্রান্তের সংখ্যা ৫২ জন। এর মধ্যে হাসপাতালে আছেন ১৫ জন। সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ৮ জন।

সিরাজগঞ্জে আক্রান্তের সংখ্যা সবচেয়ে কম ৬ জন। সবাই হোম আইসোলেশনে। এখানে সুস্থও হননি কেউ, মারাও যাননি কেউ। আর পাবনায় আক্রান্ত হয়েছেন ১৬ জন। এর মধ্যে একজন মাত্র সুস্থ হয়েছেন।

বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক জানান, বিভাগে এখন চিকিৎসাধীন রয়েছেন ২২২ জন। এর মধ্যে ৮৫ জন হাসপাতালে ভর্তি আছেন। বাকি ১৩৭ জন হোম আইসোলেশনে চিকিৎসা নিচ্ছেন। অনেকেই করোনায় আক্রান্ত হলেও উপসর্গ নেই। তারা ভালো আছেন। আর যারা কিছুটা অসুস্থ তাদের শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল। সার্বক্ষণিক তাদের বিষয়ে খোঁজখবর নেয়া হচ্ছে বলেও জানান তিনি।

ডা. গোপেন্দ্রনাথ আচার্য্য বলেন, করোনা থেকে বাঁচতে এখন প্রত্যেককে সর্বোচ্চ সর্তক থাকতে হবে। বিনা প্রয়োজনে ঘরের বাইরে বের হওয়া যাবে না। সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখতে হবে। বাইরে বের হওয়ার সময় অবশ্যই মাস্ক ব্যবহার করতে হবে। বার বার সাবান দিয়ে হাত ধুতে হবে। আর করোনার কোনো উপসর্গ থাকলে নমুনা পরীক্ষা করতে হবে।

১৯ শর্তে খুলছে পশ্চিমাঞ্চল রেল

নিজস্ব প্রতিবেদক : করোনাভাইরাস মোকাবিলায় ঈদের আগে অথবা পরে সীমিত আকারে পশ্চিমাঞ্চলে ট্রেন চালু প্রস্তুতি নেয়া হয়েছে। স্বাস্থ্যবিধি মেনে কীভাবে পুনরায় ট্রেন চলাচল চালু করা যায়, তা নিয়ে স্টেশনে প্রস্তুতি চলছে। তবে ট্রেন ছাড়তে মানতে হবে ১৯ দফা নির্দেশনা।

পশ্চিম রেল সূত্র জানায়, লকডাউন শিথিল ও প্রত্যাহারের পর পরিবর্তীত স্বাস্থ্যবিধি মেনে ট্রেন চলাচলের বিষয়ে পশ্চিমাঞ্চল রেলওয়ে ১৯টি নির্দেশনা দিয়েছে। পশ্চিামাঞ্চল রেলওয়ের জেনারেল ম্যানেজার মিহির কান্তি গুহ এমন একটি চিঠি গত ৯ মে সংশ্লিষ্ট সববিভাগীয় প্রধানের কাছে পাঠিয়েছেন। এর অনুলিপি রেলওয়ের মহাপরিচালক বরাবর পাঠানো হয়েছে। পশ্চিমাঞ্চল রেলওয়ের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

১৯ নির্দেশনায় বলা হয়েছে- ট্রেন চালু হলে রাজশাহী স্টেশনের প্রবেশ পথে ডিজইনফেকশন (জীবাণু মুক্তকরণ) চ্যানেল বসানো, যাত্রীদের নিজ দায়িত্বে মাস্ক, হ্যান্ড গ্লাভস ও হ্যান্ড স্যানিটাইজার ব্যবহার নিশ্চিতকরণ, রেলওয়ে প্ল্যাটফর্ম ও টিকিট কাউন্টারে সামাজিক/শারীরিক দূরত্ব বজায় ও জীবাণুমুক্ত করা এবং যাত্রীদের শরীরের তাপমাত্রা পরীক্ষাসহ বিভিন্ন নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

সূত্র মতে, রেলওয়ের সব কর্মকর্তা-কর্মচারীকে মাস্ক, হ্যান্ড গ্লাভস ও হ্যান্ড স্যানিটাইজার সরবরাহ করতে হবে এবং তা ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে। যাত্রীরা নিজ উদ্যোগে মাস্ক, হ্যান্ড গ্লাভস ও হ্যান্ড স্যানিটাইজার ব্যবহার করে ট্রেনে ভ্রমণ করবেন। এ বিষয়ে টিকেট বিক্রয়কালে টিকেটের ওপর নির্দেশনামূলক সিলমোহর ব্যবহার করতে হবে।

ওয়াশপিট ও স্টেশনের বর্জ্য ব্যবস্থাপনার জন্য স্থান নির্ধারণ করতে হবে এবং সিটি করপোরেশনের সঙ্গে যোগাযোগ করে ওই বর্জ্য দ্রুত অপসারণের ব্যবস্থা নিতে হবে, কোয়ারেন্টিনের জন্য প্রতিটি ট্রেনে একটি করে ডিব্লিউইসি/উব্লিউই/এস আইসোলেট করে সংযোজন করতে হবে, প্ল্যাটফর্ম ও টিকিট কাউন্টারে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখার জন্য এক মিটার দূরে গোলাকার বৃত্ত আঁকতে হবে।

যাত্রী ও রেলওয়ের কর্মচারীদের করণীয় সম্পর্কে প্রচারণার জন্য পোস্টার তৈরি, বায়ু চলাচল বাড়ানোর জন্য সেন্ট্রাল এয়ার কন্ডিশনার ব্যবহারের ক্ষেত্রে তা স্বাভাবিক মাত্রায় চালানো এবং বিশুদ্ধ বাতাস চলাচল বাড়ানো, সব এয়ার সিস্টেমের ফিরতি বাতাস বন্ধ রাখার ব্যবস্থা করতে হবে। প্রতিটি ট্রেন প্রারম্ভিক স্টেশন থেকে ছাড়ার আগে এবং গন্তব্যে পৌঁছার পর ট্রেনের সব হাতল, ছিটকিনি, টয়লেট ও মেঝে জীবাণুমুক্ত করতে হবে এবং যাত্রী আসনের হেডরেস্ট কভার প্রতিদিন পরিবর্তন করতে হবে।

প্রতিটি কোচের প্রবেশ ও বের হওয়ার পথ নির্দিষ্ট করে স্টিকার লাগাতে হবে। প্রতিদিন কর্মীদের স্বাস্থ্য বিষয়ক অবস্থা নথিভুক্ত করতে হবে এবং যারা অসুস্থ্য অনুভব করবেন, তাদের সঠিক সময়ে চিকিৎসার ব্যবস্থা নিতে হবে। যাত্রীদের অপেক্ষা করা স্থান, ট্রেন কম্পার্টমেন্ট ও অন্য এলাকা যথাযথভাবে পরিষ্কার করতে হবে।

তাপমাত্রা পর্যবেক্ষণের সরঞ্জামাদি রেলওয়ে স্টেশনের প্রবেশপথে স্থাপন করতে হবে। স্টেশনে আগত সবার তাপমাত্রা পরীক্ষা করতে হবে। যাদের শরীরের তাপমাত্রা ৩৭ দশমিক ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াসের ওপরে থাকবে তাদের ওই এলাকায় অস্থায়ী কোয়ারেন্টাইনে রাখতে হবে এবং প্রয়োজন মতো চিকিৎসা সেবা দিতে হবে। এছাড়া যদি নিশ্চিত কোভিড-১৯ এর রোগী পাওয়া যায় সেক্ষেত্রে টার্মিনাল স্থানীয় স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা অনুযায়ী জীবাণুমুক্ত করতে হবে।

‘২০ বছরে ৫ ধরনের ভাইরাস ছড়িয়েছে চীন থেকে’

ডেস্ক : যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা রবার্ট ওব্রেইন দাবি করেছেন, গত ২০ বছরে চীন থেকে পাঁচ ধরনের ভাইরাস ছড়িয়েছে বিশ্বে। এটা এখন বন্ধ হওয়া উচিত।

স্থানীয় সময় মঙ্গলবার হোয়াইট হাউসে সংবাদ সম্মেলনে ওব্রেইন এমনটাই দাবি করেন বলে এক প্রতিবেদনে উল্লেখ করেছে এনডিটিভি। ওব্রেইন আরও বলেছেন, করোনাভাইরাস মহামারির উৎপত্তির জন্যও জবাবদিহিতার আওতায় আনা উচিত চীনকে।

ওব্রেইন বলেন, ‘বিশ্বের সব মানুষকে এক হয়ে চীন সরকারকে বলা উচিত, ‘আমরা চাই না চীন থেকে আর এ ধরনের ভাইরাস ছড়াক’। কোনো ল্যাবরেটরি হোক আর মাছ-মাংসের বাজার থেকে হোক, ভাইরাসের উৎপত্তি বিষয়ে এর কোনোটাই ভালো উত্তর হতে পারে না।’

নতুন করোনাভাইস যে চীনের উহান থেকেই ছড়িয়েছে সে ব্যাপারে ওব্রেইন নিশ্চিত। তিনি বলেন, ‘ভাইরাসটি সম্ভবত ল্যাব বা মাছ-মাংসের বাজার থেকেই ছড়িয়েছে। আমি মনে করি, তার বিশদ প্রমাণও রয়েছে। তবে উৎপত্তিস্থল যদি চীন হয় তাহলে এর কোনো ভালো উত্তর নেই’।

যুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষ কর্মকর্তা ওব্রেইন বলেন, গত ২০ বছরে চীন থেকে সার্স ভাইরাস, অ্যাভিয়ান ফ্লু, সোয়াইন ফ্লু এবং এখন নতুন করোনাভাইরাসের উৎপত্তি হয়েছে। চীন থেকে বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে পড়া এসব ভাইরাসের জন্য বৈশ্বিক জনস্বাস্থ্য খাত আর কত ভয়ানক পরিস্থিতি সহ্য করবে সে প্রশ্নও তোলেন তিনি। তবে চারটি ভাইরাসের কথা বললেও পঞ্চম ভাইরাসটির কথা উল্লেখ করেননি ওব্রেইন।

নতুন করোনাভাইরাসের উৎপত্তি নিয়ে তদন্ত করছে যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দা সংস্থাগুলো। তারা অবশ্য বলেছে, ভাইরাসটি মানবসৃষ্ট নয়। তবে কোথা থেকে এর উৎপত্তি তা নিয়ে তদন্ত চলছে। এ ব্যাপারে ওব্রেইনকে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি বলেন, ‘এটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ কাজ। এর জন্য নির্দিষ্ট সময়সীমা বেঁধে দেওয়া সম্ভব নয়।’

করোনাভাইরাসের কারণে বিশ্বজুড়ে দুই লাখ ৯০ হাজারের বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছে। ৪০ লাখের বেশি মানুষ আক্রান্ত হয়েছেন। একক দেশ হিসেবে সবচেয়ে বেশি ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে যুক্তরাষ্ট্রে। দেশটিতে ৮০ হাজারের বেশি মানুষ করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন। বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে অর্থনীতি।

এমন পরিস্থিতির জন্য চীনকে দায়ী করে আসছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও তার প্রশাসন। ওয়াশিংটনের দাবি, উহানের ল্যাব থেকেই ভাইরাসটি ছড়িয়েছে। যদিও এর কোনো প্রমাণ এখনও পাওয়া যায়নি।

দেনাদারকে সংক্রমণের চেষ্টায় জাপটে ধরলেন করোনা রোগী

পাওনা টাকা না পেয়ে করোনা সংক্রমণ ঘটাতে দেনাদারকে জাপটে ধরলেন করোনা রোগী। উত্তেজিত কণ্ঠে বললেন, করোনায় আমিও মরব, তুইও মর।

মঙ্গলবার দুপুরে কক্সবাজার শহরতলীর লিংকরোড বাস স্টেশনে এমন ঘটনাই ঘটল।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে ঝিলংজা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান টিপু সুলতান জানান, তিন দিন আগে ঝিলংজা ইউনিয়নের পশ্চিম মুকতারকুল গ্রামের বাসিন্দা জাহাঙ্গীর আলমের (৩২) শরীরে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়। কিন্তু তিনি লকডাউন না মেনে নিয়মিতই মোটরসাইকেল নিয়ে চলাচল করছিলেন। যা এলাকায় আতঙ্কের সৃষ্টি করে।

চেয়ারম্যান টিপু সুলতান জানান, মঙ্গলবার লিংকরোড ষ্টেশনের ব্যবসায়ী সালামতের কাছে পাওনা টাকা চাইতে আসেন জাহাঙ্গীর। এ সময় টাকা আদায়ের কৌশল হিসাবে জাহাঙ্গীর নিজেই উত্তেজিত হয়ে সালামতকে জাপটে ধরেন ও হাতাহাতিতে লিপ্ত হন।

কক্সবাজার সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মাহমুদ উল্লাহ মারুফ জানান, শুনেছি এক করোনা রোগী লকডাউন অমান্য করে বাস স্টেশনে এসে লোকজনের সঙ্গে ঝগড়াঝাটি করেছেন। রাতেই তাকে রামু আইসোলেশন হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।

বিষয়টি শুনেছেন বলে জানিয়েছেন কক্সবাজার সদর মডেল থানার ওসি (তদন্ত) মোহাম্মদ খায়রুজ্জামান।সুত্রঃ যুগান্তর

আবারও সেই প্রভা, অতঃপর ভাইরাল

ডেস্ক

বাংলাদেশের মিডিয়া জগতের অন্যতম জনপ্রিয় অভিনেত্রী সাদিয়া জাহান প্রভা। মডেলিংয়ের মাধ্যমে মিডিয়া জগতে তার আগমন ঘটে। টেলিভিশন বিজ্ঞাপনে মডেল হিসেবে কাজ করার পর তিনি কয়েকটি খণ্ড নাটকে অভিনয় করে খুব অল্প সময়ের মধ্যে জনপ্রিয় হয়ে উঠেন। কিন্তু ব্যক্তিগত কেলেঙ্কারি কারণে কিছু সময়ের জন্য তার অভিনয় কর্মজীবন বাধাপ্রাপ্ত হয়।

প্রভা অভিনিত জনপ্রিয় বিজ্ঞাপনগুলোর মাঝে রয়েছে, মেরিল, তিব্বত, পন্ডস, বাংলালিংক, জুঁই তেল ইত্যাদি।

সম্প্রতি ইনস্টাগ্রামে একটি ছবি আপলোড করেন এই অভিনেত্রী। তার ক্যাপশনে প্রভা লিখেছেন, ‘আমার সকল নিয়ে বসে আছি সর্বনাশের আশায়, আমি তার লাগি পথ চেয়ে আছি, পথে যে জন ভাসায় …..’।

মূলত রবীন্দ্র জয়ন্তী উপলক্ষেই এ স্ট্যাটাস দেন তিনি। তাতে অনেকে না বুঝেও উল্টাপাল্টা কমেন্ট করছেন! তবে স্ট্যাটাসটি সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ায় অনেকের বাহবাও মিলছে।

প্রভা অভিনিত জনপ্রিয় নাটকের মধ্যে রয়েছে, ভার্সন জেড, হানিমুন, ধুপ ছায়া, লাকি থার্টিন, খুনসুটি ইত্যাদি। তবে এখনো পর্যন্ত কোন চলচ্চিত্রে কাজ করেননি তিনি।

ঈদুল ফিতর উপলক্ষে রোকেয়া বেগম মেমোরিয়াল ট্রাস্টের খাদ্য সামগ্রী বিতরণ

রকেয়া বেগম মেমোরিয়াল ট্রাস্টের উদ্যোগে নয়ালাভাঙ্গা সুন্দরপুর উচ্চ বিদ্যালয় পাশ্বস্থ ঈদগাহ মাঠে পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে নয়ালাভাঙ্গা ইউনিয়নের ১ হাজার হতদরিদ্র ও দুস্থদের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করা হয়। খাদ্য তালিকায় ছিল ৫কেজি চাল, ৪কেজি আলু, ১কেজি লবন, ১কেজি চিনি, ১কেজি ছোলা, ১টি সাবান।

উক্ত বিতরণী সভায় সভাপতিত্ব করেন টাষ্ট্রের প্রধান পৃষ্ঠপোষক ও নয়ালাভাঙ্গা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জনাব আলহাজ্ব মোঃ আশরাফুল হক। প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জনাব শিমুল আক্তার, উপজেলা নির্বাহি অফিসার শিবগঞ্জ, বিশেষ অতিথি হিসাবে বক্তব্য রাখেন আরিফুল ইসলাম উপজেলা প্রকল্প অফিসার। অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন আলহাজ্ব মোঃ খায়রুল আলম প্রধান শিক্ষক অবঃ হরিনগর উচ্চ বিদ্যালয়।

সভায় সমাপনী বক্তব্যে সভাপতি আলহাজ্ব মোঃ আশরাফুল হক বলেন, দেশের বিভিন্ন জায়গায় পানছড়ি ঘটনা ঘটছে । নয়ালাভাঙ্গা ইউনিয়নে ত্রাণ চুরি করেছে এমন কাউকে ধরিয়ে দিতে পারলে তাকে নগদ এক লক্ষ টাকা পুরস্কার দেওয়া হবে। তিনি এলাকার বিত্তশালী মানুষদের এই রোজার মাসে গরীব দুঃখী মানুষের পাশে হাত সম্প্রসারিত করে দাঁড়ানোর আহ্বান জানান। আলোচনা শেষে প্রধান অতিথি ,বিশেষ অতিথি, ও ট্রাস্টের সভাপতি আলহাজ্ব মোঃ আশরাফুল হক হতদরিদ্ও দুস্থ গরিব মানুষের হাতে খাদ্য সামগ্রী তুলে দেন।

লাশ নামিয়ে দেয়া সেই বাস জব্দ

জয়পুরহাট প্রতিনিধি

মাঝ পথে জোর করে সড়কের পাশে ছেলের লাশসহ মাকে নামিয়ে দেয়া আহাদ পরিবহন নামে সেই বাসটি জব্দ করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার রাতে জয়পুরহাটের পাঁচবিবির সীমান্তবর্তী বাগজানার একটি বাঁশঝাড়ের ভেতর লুকিয়ে রাখা বাসটি উদ্ধার করা হয়।

বাসটি উদ্ধার করা হলেও চালক ও সহকারীকে আটক করতে পারেনি পুলিশ।

জানা গেছে, সোমবার দিবাগত রাতে নওগাঁগামী আহাদ পরিবহনের বাসটি যাত্রী নিয়ে ঢাকা থেকে ছেড়ে আসে। বাসটিতে অসুস্থ ছেলে মিজানুর রহমানকে সঙ্গে নিয়ে তার মা সোহাগী বেগম বাড়িতে আসছিলেন। বাসের ভেতর ঘুমিয়ে থাকাবস্থায় মারা যান মিজানুর রহমান। বাসচালক ও সহকারীকে মিজানুর রহমানের মা তার ছেলের মৃত্যুর ঘটনাটি জানান। বিষয়টি জানতে পেরে তারা মিজানুর করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন সন্দেহ করে মরদেহসহ তার মাকে রাতেই জয়পুরহাট-বগুড়া আঞ্চলিক মহাসড়কের জয়পুরহাট সদরের হিচমিবাজারের পাশে জোর করে নামিয়ে দিয়ে যান। এ ঘটনায় চালক ও হেলপারের বিরুদ্ধে থানায় মামলা হয়।

পাঁচবিবি থানার ওসি মনসুর রহমান বলেন, করোনার প্রকোপ ঠেকাতে সরকার রাস্তায় সব গণপরিবহন চলাচল বন্ধ করে দিয়েছে। এ সময় সুযোগ বুঝে রাতের অন্ধকারে বিপদেপড়া যাত্রীর কাছ থেকে অধিক ভাড়া নিয়ে আহাদ এন্টারপ্রাইজ নামের ঢাকা কোচটি যাত্রী আনা-নেয়া করে আসছিল। আহাদ পরিবহনের বাসটি জব্দ করা হলেও এর চালক ও সহকারী পলাতক রয়েছেন।

ভোলাহাটে করোনা রুগিদের পাশে যুবদল নেতা রুবেল

ভোলাহাটে করোনায় অাক্রান্ত রুগিদের পাশে দাঁড়িয়েছেন চাঁপাই নবাবগঞ্জ জেলা যুবদলের গণশিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক ও ভোলাহাট উপজেলা শাখা অাহ্বায়ক কমিটির সদস্য বি.এম রুবেল অাহমেদ।বুধবার সকালে করোনায় অাক্রান্ত রুগি উপজেলার সদর ইউনিয়নের হোসেনভিটা গ্রামের নজরুল ইসলামের ছেলে হাবিবুল্লাহ (২৩), এবং গোহালবাড়ি ইউনিয়নাধীন খালে অালমপুর গ্রামের মহসিন অালীর ছেলে শহিদুল ইসলাম (২৮) এর বাড়িতে শুকনো খাবার ও ঈদ উপহার সামগ্রী পৌঁছে দিয়েছেন এই যুবদল নেতা। উল্লেখ্য গত ৬ এপ্রিল উপজেলায় মোট তিনজনের দেহে করোনাভাইরাস পাওয়া গেছে।তাদের দুইজন ভোলাহাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে দায়িত্ব পালন করছিল এবং একজন ঢাকা ফেরত।যুবদল নেতা রুবেল জানান অসহায় ও হতদরিদ্র মানুষের জন্য রমজান মাস ও ঈদকে ঘিরে অারও কিছু পরিকল্পনা রয়েছে তার।তিনি অারও জানান রমজানের অাগেও বেশ কিছু অসহায়,কর্মহীন ও নিম্ন মধ্যবিত্ত পরিবারে ত্রাণ সহায়তা প্রদান করা হয়েছে এবং তা চলমান রয়েছে।