সর্বশেষ সংবাদ চাঁপাইনাবগঞ্জে র শিবগঞ্জ ও গোমস্তাপুরে নতুন তিন করোনা রোগী সনাক্ত করোনাভাইরাস: ঢাকা শহরে ১৪ হাজার কোভিড-১৯ রোগী, সবচেয়ে বেশি মহাখালীতে এতিম শিশুদের পাশে মানিক শিশুকালের ঈদ বিনোদপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক মরহুম ওবায়দুর রহমান রেনু মাস্টারের জানাযা সম্পন্ন চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুরে ঘূর্ণিঝড়ে লণ্ডভণ্ড দুটি গ্রাম চাপাইনবাবগঞ্জে উদযাপিত হলো পবিত্র ঈদুল ফিতর: জেনে নিন কারা কোথায় ঈদ উদযাপন করলো ঈদের নামাজ পড়ানোর সময় সেজদারত অবস্থায় ইমামের মৃত্যু ২৪ ঘণ্টায় আক্রান্ত শনাক্ত ১৯৭৫ , মৃত্যু আরও ২১ জনের। শিবগঞ্জে ঈদ উদযাপন

শিবগঞ্জের আরও এক যুবকের করোনা শনাক্ত: জেলায় মোট আক্রান্ত ১৬

গৌড় বার্তা ডেস্ক


রাজশাহী মেডিকেল কলেজের (রামেক) ল্যাবে সোমবার (১১ মে) চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ উপজেলার একজনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। আক্রান্ত্ত ব্যক্তি 18 বছর বয়সীীী একজন একজন যুবক।

রামেকের ভাইরোলজি বিভাগের প্রধান ডা. সাবেরা গুলনাহার এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
তিনি জানান, সোমবার একটু দেরিতে নমুনা পরীক্ষা শুরু হয়েছিল। তাই রিপোর্টও পাওয়া গেছে দেরিতে। রাত সাড়ে ৯টার দিকে তারা কাজ শেষ করেছেন। দুই শিফটে ১৮৮টি নমুনা নিয়ে পরীক্ষা শুরু করা হলেও রিপোর্ট পাওয়া গেছে ১৫০টির। বাকি ৩৮টি নমুনায় ত্রুটি থাকায় রিপোর্ট পাওয়া যায়নি।
তিনি আরও জানান, এ দিন ১৪৯টি নমুনার রিপোর্টই এসেছে নেগেটিভ। শুধু চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ উপজেলার একজনের নমুনায় করোনা শনাক্ত হয়েছে। বিষয়টি চাঁপাইনবাবগঞ্জের সিভিল সার্জনকে জানানো হয়েছে। চাঁপাইনবাবগঞ্জে এ নিয়ে মোট ১৬ জন করোনাভাইরাস সংক্রমিত কোভিড-১৯ রোগী শনাক্ত হলেন।
রাজশাহী জেলায় সংখ্যাটি ১৭ জন। এর মধ্যে একজন মারা গেছেন। গত ১২ এপ্রিল রাজশাহীতে প্রথম করোনা আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হয়। ৪ মে এর পর রাজশাহীতে নতুন কোনো আক্রান্ত ব্যক্তি শনাক্ত হননি। রাজশাহী মহানগরী এবং জেলার চারঘাট ও গোদাগাড়ী উপজেলা এখনও করোনামুক্ত রয়েছে।

গৌড়বার্তায় সংবাদ প্রকাশঃউএনও’র হস্তক্ষেপে মুক্ত অবরুদ্ধ পরিবারটি

স্টাফ রিপোটার

অবশেষে মুক্ত হলো অবরুদ্ধ পরিবারটি। দীর্ঘ ৭ মাস অবরুদ্ধ অবস্থায় থাকার পর সোমবার (১১ মে) দুপুরে চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ আলমগীর হোসেন মুক্ত করলেন পরিবারটিকে।
চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার বালিয়াডাঙ্গা ইউনিয়নের পিয়ারাপুর গ্রামের সুকী বেগমের পরিবারকে অবরুদ্ধ করে তার আপন ভাই নুরুল ইসলাম। কারও কাছে গিয়ে প্রতিকার পায়নি সুকী বেগম। এইমর্মে ১১ মার্চ জনপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল ‘দেশ সংবাদ’ এ সংবাদ প্রকাশের পর সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ আলমগীর হোসেন পরিবারটিকে মুক্ত করতে বিভিন্নভাবে চেষ্টা করেন। অবশেষে তিনি সশরীরে উপস্থিত থেকে উভয় পক্ষের কথা শুনে পরিবারটিকে মুক্ত করেন।
এবিষয়ে ভুক্তভোগী সুকী বেগম বলেন, ইউএনও খুব ভাল মানুষ। তিনি এসে আমার বাড়ির বের হবার রাস্তা খুলে দিলেন। যাবার সময় আমাকে প্যাকেট খাবারও দিয়ে গেলেন।
সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ আলমগীর হোসেন বলেন, উভয়পক্ষের কথা শুনে উভয়ের চলাচলে যাতে কোন বিঘ্ন না ঘটে সে ব্যবস্থা করেছি। এবিষয়ে আশেপাশের লোকজনের সাথেও কথা বলেছি। তাদের বন্টননামা করতে বলা হয়েছে। যদি তারা বন্টননামা করতে ব্যর্থ হয় তবে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ হতে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। এ নিয়ে যাতে আইন-শৃঙ্খলার কোন অবনতি না ঘটে সে বিষয়ে বলা হয়েছে। অবরুদ্ধ পরিবারটিকে মুক্ত করে কিছু খাবার দেয়া হয়েছে। পরিবারটির প্রতি আমাদের সুদৃষ্টি রয়েছে। যেকোন মুহুর্তে তাদের পাশে উপজেলা প্রশাসন আছে এবং থাকবে।

স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ইসা’র আত্মপ্রকাশ: আহ্বায়ক নেহা

চাঁপাইনবাবগঞ্জে এডুকেশন ফর সোস্যাল এ্যাসোসিয়েশন (ইসা) নামে একটি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের আত্মপ্রকাশ হয়েছে। “মানব সেবায় আমাদের লক্ষ্য” এই শ্লোগানে পবিত্র রমজান মাসের সংযমের মধ্যদিয়ে চাঁপাইনবাবগঞ্জের বিভিন্ন পেশাজীবীদের নিয়ে এই সংগঠনটি ৭ রমজান আত্মপ্রকাশ পেয়ে ১০ মে (রবিবার) রাতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসইবুকে এডুকেশন ফর সোস্যাল এ্যাসোসিয়েশন (ইসা)র ম্যাসেঞ্জার গ্রæপে এক গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা মাধ্যমে ৭ সদস্য বিশিষ্ট একটি আহ্বায়ক কমিটি গঠন করা হয়।
কমিটির আহ্বায়ক হিসেবে নির্বাচিত হন, চাঁপাইনবাবগঞ্জের শাহনেয়ামতুল্লাহ কলেজের ইংরেজি বিভাগের প্রভাষক নওসাবাহ নওরীন নেহা। যুগ্ম আহ্বায়ক-১ নির্বাচিত হক হরিমোহন সরকারী উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক আজমল হক মামুন, যুগ্ম আহ্বায়ক-২ নির্বাচিত হন আব্দুল বাশির।
এছাড়া অন্যান্য সদস্যরা হচ্ছে, ১. আব্দুল আওয়াল, ২. মো. আল-আমিন, ৩. এইচএস হায়দার আহমেদ ও ৪. মো. মিজানুর রহমান (মহি মিজান)।
এই আহ্বায়ক কমিটি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ইসা’র পরিচালনার জন্য সংগঠনের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য নির্ধারণ করে একটি নীতিমালা প্রণয়ন করবে। নীতিমালা প্রণয়ন শেষে একটি পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠনের মাধ্যমে এই সংগঠনের সকল কার্যক্রম শুরু হবে। তবে, প্রাথমিকবাবে এই সংগঠনটি তাদের কার্যক্রম শুরু করেছে বলে নীতিনির্ধারকদের কাছ থেকে জানা গেছে।

শিবগঞ্জে সেনাবাহিনীর সরাসরি কৃষকদের থেকে সবজি ক্রয় ও বিনামূল্যে বীজ বিতরন।



শিবগঞ্জ(চাঁপাইনবাবগঞ্জ ) প্রতিনিধি:
চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ উপজেলার কমলাকান্তপুর গ্রামের একটি ক্ষে থেকে সরাসরি সবজি কিনল সেনাবাহিনী।সেসাথে এসব কৃষকদের মােঝে বিতরন করা হয় সবজি বীজ।
সোমবার দুপুরে কামলাকান্তপুর এলাকার ১০ জন কৃষকের কাছ থেকে ১০ মণ সবজি নায্যমূল্যে কেনে সেনাবাহিনীর একটি দল।
এ ব্যাপারে কমলাকান্তপুর গ্রামের কৃষক আসাদ জানান, তিনি ৫ বিঘা জমিতে বেগুন ও মরিচ চাষ করেছেন।কিন্তু এবছর করোনা ভাইরাসের কারনে যান চলাচল বন্ধ থাকায় সবজি বিক্রি করতে হিমশিম খাচ্ছিলেন । গতকছর ৮শ টাকা মন দরে রমজান মাসে বেগুন বিক্রি করতে পারলেও এবছর পাইকারদের ফোন করে ডেকেও না পেয়ে অনেকটা হতাশ। কোন রকমে ২শ টাকা মন দরে কিছু বেগুন বিক্রি করতে পারলেও অবিক্রিত বেগুন নিয়ে দিশেহারা ছিলেন তিনি।শেষ পর্যন্ত সেনাবাহিনীর শরনাপন্ন হলে সেনাবাহিনী তার সহ অরও ০৯ জন কৃষকের বিভিন্ন ধরনের সবজি নায্যমূল্যে ক্ষেত থেকে কিনে নেয়ায় আনন্দিত তিনি। শুধু আসাদ নয় তার মত অন্যান্য কৃষকরাও বেশ খুশি।
এ ব্যাপারে জেলায় মোতায়েনকৃত সেনাবাহিনীর একটি সূত্র জানায়, সোমবার দুপুরে কমলাকান্তপুর এলাকার একটি ক্ষেত থেকে ১০ জন কৃষকের ১০ মণ বেগুন,মিষ্টিকুমড়া,মরিচ ও লাউ সহ বিভিন্ন সবজি নায্য মূল্যে কিনে সেনাবাহিনী। সূত্রটি আরও জানায় শুধু কমলাকান্তপুর গ্রাম নয়,জেলার অন্যন্য এলাকা থেকেও কৃষকেদের উৎসাহ দিতে তারা নায্যমূল্যে সবজি কেনা অব্যাহত রাখবে। পাশাপাশি কৃষক বাঁচলে দেশ বাঁচবে এ প্রতিপাদ্য কে সামনে রেখে কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে সবজি বীজ বিতরনও অব্যাহত থাকবে।

শিবগঞ্জে আগুনে পুড়ে ৪ বাড়ি ছাই

স্টাফ রিপোর্টার, শিবগঞ্জ ঃ চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জে আগুনে পুড়ে ৪ টি বাড়ি পুড়ে গেছে।
জেলার শিবগঞ্জ উপজেলার মোবারকপুর ইউনিয়নের বাগবাড়ি এলাকায় সোমবার সকাল ১১ টার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
ক্ষতিগ্রস্থ বাড়ি গুলো হলো নুরুল ইসলাম, মোসাহাক আলী, তাজকেরা বেগম ও শাহজাহান আলীর।
ক্ষতিগ্রস্থ নুরুল ইসলামের ছেলে আইয়ুব আলী জানান, সকালে তাদের বাড়ির বৈদ্যুতিক মিটারের সট শার্কিট থেকে আগুনের সুত্রপাত হয়।পড়ে দ্রুত সে আগুন তাদের বাড়ি সহ আরও ৩ টি বাড়িতে ছড়িয়ে পড়ে।এতে করে তার সকল শিক্ষাগত যেগ্যতার সনদপত্র ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সহ বাড়ির সবকিছুই পুড়ে যায়।পরে স্থানীয়দের সহায়তায় শিবগঞ্জ ফায়ারসার্ভিস আগুন নিয়ন্ত্রনে আনে।
তিনি আরও জানান, তাদের প্রায় ৫ লাখ টাকা , মোসাহাকের বাড়ির ২ লাখ টাকা এবং অপর ২ টি বাড়ির ১ লাখ টাকার সমপরিমান ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে দাবী তার।
এ ব্যাপারে স্থানীয় ফায়ার সার্ভিস অগ্নিকান্ডের বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।

রাস্তায় থুতু ফেলায় ৩৬ জনকে গ্রেপ্তার

ডেস্ক

ভারতে করোনা পরিস্থিতি ভয়ঙ্কর রূপ নিয়েছে। দেশটিতে এ পর্যন্ত করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ২১ হাজারের বেশি মানুষ এবং মারা গেছেন প্রায় ৭ লাখ। পশ্চিমবঙ্গেও বহু মানুষ আক্রান্ত হয়েছেন।

এদিকে, করোনা ঠেকাতে দেশজুড়ে নানা সচেতনাতামূলক আইন চালু করা হয়েছে। এদের একটি হচ্ছে থুথু ফেলা আইন। এ আইনে যেখানে সেখানে কফ বা থুথু ফেলার অপরাধে গ্রেপ্তার এমনকি জেল জরিমানারও বিধান রয়েছে। এই পুরনো আইনটি দীর্ঘদিন পর প্রয়োগ করতে শুরু করেছে ভারত।

বৃহস্পতিবার কলকাতায় প্রকাশ্যে থুতু ফেলার দায়ে মোট ৩৬ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ নিয়ে গত তিনদিনে থুতু ফেলার জন্য মোট ৮১ জনকে গ্রেপ্তার করা হলো। কলকাতা পুলিশের বরাত দিয়ে এ খবর জানিয়েছে ব্রিটিশ সংবাদ মাধ্যম বিবিসি।

করোনা সংক্রমণ রুখতে প্রকাশ্যে থুতু ফেলা নিষিদ্ধ করেছে ভারত সরকার। আর বিধি মানতে বাধ্য করা হচ্ছে দুর্যোগ মোকাবিলা আইনের ৫১ বি ধারা অনুযায়ী।

ভারতে বহু মানুষ পান ও তামাক চিবিয়ে খান এবং যেখানে সেখানে থুতু ফেলেন। আর থুতু থেকেই করোনা সংক্রমণের আশঙ্কা সবথেকে বেশি। তাই থুতু ফেলা সম্পূর্ণভাবেই নিষিদ্ধ করে নির্দেশিকা জারি করেছে মোদি সরকার।

ওই একই নিয়মে রাস্তায় বেরলেই সকল নাগরিকের জন্য মাস্ক পরাও বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। কলকাতায় গত তিনদিনে মুখোশ না পরে রাস্তায় বের হওয়ার কারণে ৫১৩ জনকে গ্রেপ্তার কেরা হয়েছে বলে জানা গেছে।

এছাড়াও বিনাকারণে লকডাউনের মধ্যে রাস্তায় গাড়ি নিয়ে বা পায়ে হেঁটে ঘোরাফেরা করার কারণে গ্রেপ্তার করা হচ্ছে শত শত মানুষকে। একই সঙ্গে বহু গাড়িও জব্দ করা হচ্ছে।

পুলিশের সূত্রগুলি বলছে গোড়ার দিকে ভারতীয় দণ্ডবিধির কয়েকটি ধারা অনুযায়ী গ্রেপ্তার করা হচ্ছিল স্বাস্থ্যবিধি না মানার দায়ে। কিন্তু এখন দুর্যোগ মোকাবিলা আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে, যা দণ্ডবিধির থেকেও কঠিনতর।

আগে ধরা পড়লে সঙ্গে সঙ্গেই জামিন পাওয়া যেত। কিন্তু এখন গ্রেপ্তারকৃতদের সরাসরি থানায় নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। এরপর সোজা চালান করে দেয়া হচ্ছে হাজতে। ফলে এই থুতু আইনে গ্রেপ্তারকৃতদের জামিন পেতে খুব কষ্ট হচ্ছে বলে জানা গেছে।

মা হতে যাচ্ছেন অভিনেত্রী অঙ্কিতা ও শুভশ্রী গাঙ্গুলী

বিনোদন ডেস্ক

মা হতে যাচ্ছেন কলকাতার অভিনেত্রী অঙ্কিতা পাল মজুমদার। আসছে সেপ্টেম্বরেই প্রথম সন্তানের প্রত্যাশা করছেন তিনি। অঙ্কিতা তার ফেসবুকে একটি স্ট্যাটাস পোস্ট করে এ খুশির খবরটি জানান।

অঙ্কিতা বলেন, এই সংবাদ প্রকাশের জন্য মাদার্স ডে-এর চেয়ে উত্তম দিন আর কিছু হতে পারে না। আমার স্বামী সৌমিত্র এবং আমি যখন জেনেছি যে আমরা শীঘ্রই বাবা-মা হতে চলেছি তখন থেকেই আমি অত্যন্ত আনন্দিত। এটি আমার জীবনের সেরা একটি মুহূর্ত এবং আমাদের পরিবারের প্রত্যেকেই অনেক উচ্ছ্বসিত।

এই অভিনেত্রী আরও যোগ করে বলেন, মা হওয়াটাই নারীর সবচেয়ে বড় দায়িত্ব। শিশু হিসাবে আমরা এই সাধারণ বিশ্বাসটি ভাগ করে নিয়েছি যে প্রতি দিনই মা দিবস। যে মুহূর্ত থেকে যে আমি একটি শিশুকে বহন করছি, এই অনুভূতিটি কেবল আরও আনন্দিত হয়ে উঠেছে। এমনকি চরম হতাশা ও দুর্দশার এই মুহুর্তেও আমি তার আশা বা হৃদয়ের মধ্য দিয়ে জীবন এবং প্রচুর আনন্দ খুঁজে পাই, যা আমার ভেতরে প্রকম্পিত করছে।
মা হচ্ছেন শুভশ্রী গাঙ্গুলী

নিজের দ্বিতীয় বিবাহবার্ষিকীতে এক খুশির খবর জানালেন ওপার বাংলার জনপ্রিয় অভিনেত্রী শুভশ্রী গাঙ্গুলী। তিনি মা হতে চলেছেন। এক টুইট বার্তায় এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন তিনি।

শুভশ্রী জানিয়েছেন, আমাদের দ্বিতীয় বিবাহবার্ষিকীর দিন খুব আনন্দের সঙ্গে জানাচ্ছি, আমি প্রেগন্যান্ট, আমাদের জীবনে আরও একজন আসতে চলেছে।

২০১৮ সালের ১১ মে কলকাতার জনপ্রিয় পরিচালক রাজ চক্রবর্তীর সঙ্গে বিয়ের পিঁড়িতে বসেন শুভশ্রী।

২০১৭ ও ১৮ সালে বাংলাদেশের শীর্ষ নায়ক শাকিব খানের বিপরীতে ‘নবাব’ ও ‘চালবাজ’ সিনেমায় অভিনয় করেছিলেন শুভশ্রী গাঙ্গুলী।

এর আগে ৫ মে পুত্র সন্তানের মা হয়েছেন কলকাতার আরেক জনপ্রিয় অভিনেত্রী কোয়েল মল্লিক। তিনিও ফেব্রুয়ারিতে নিজের সপ্তম বিবাহবার্ষিকীতে প্রথমবারের মতো মা হতে যাওয়ার খবর জানিয়েছিলেন।

করোনাযুদ্ধে নিলামে সাকিবের আরো একটি ব্যাট


ডেস্ক

করোনাভাইরাসে স্থবির এখন পুরো দেশ। দীর্ঘসময় লকডাউন থাকায় মানবেতর জীবনযাপন করছে দেশের নিম্নবিত্তরা। এমন অবস্থায় অসহায় মানুষদের পাশে দাঁড়াতে নিজের প্রিয় ক্রিকেট স্মারক নিলামে তোলার প্রথম আহ্বানটা আসে সাকিব আল হাসানের কাছ থেকে। সবার আগে নিজের প্রিয় একটি ব্যাট নিলামে তুলে বিক্রিও করেন এই অলরাউন্ডার। এরপর একের পর এক স্মারক নিলামে তুলে মানুষের পাশে দাঁড়ানোর কার্যক্রমে শরিক হতে থাকেন মুশফিকুর রহিম থেকে যুব দলের বিশ্বকাপজয়ী অধিনায়ক আকবর আলিও।

এবার আরেকটি ব্যাট নিলামে তুললেন বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসান। এবারের এই ব্যাটের বিশেষত্ব হল এতে ১৫ জনেরও বেশি বাংলাদেশি ক্রিকেটারের স্বাক্ষর রয়েছে। এরইমাঝে শুরু হয়েছে সেই ১৫ জনেরও বেশি বাংলাদেশি ক্রিকেটারের স্বাক্ষরিত ব্যাটের নিলাম কার্যক্রম, যা চলবে আজ (১১ মে) রাত ১১টা পর্যন্ত। নিলামে এর আগে বিক্রি হওয়া প্রথম ব্যাটটির ভিত্তিমূল্য ৫ লাখ টাকা রাখলেও এবারের ব্যাটটির ভিত্তিমূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ৯৯ হাজার ৯৯৯ টাকা। অর্থাৎ ১ লাখ টাকার চেয়ে ১ টাকা কম রাখা হয়েছে এই ব্যাটের ভিত্তিমূল্য।

ফেসবুক পেজ অকশন ফর একশনে চলছে নিলাম কার্যক্রম। এর আগে সাকিবের বিশ্বকাপ ব্যাটের নিলামও সম্পন্ন করে তারা। ৫ লাখ টাকা ভিত্তিমূল্যের সেই ব্যাটটি রাজ নামের এক যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী কিনে নিয়েছিলেন ২০ লাখ টাকায়। অকশন ফর অ্যাকশনের পক্ষ থেকে নিলামে তোলা প্রত্যেকটি স্মারক বিক্রির অর্থ করোনাভাইরাস মোকাবিলায় অসহায়দের সাহায্য করার কাজে খরচ করা হবে।

সমঝোতায় ৪ বন্ধু মিলে একে অপরের স্ত্রীকে ধর্ষণ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

পরিকল্পনা করে পালা করে একে অপরের স্ত্রীকে ধর্ষণ করে আসছিলেন চার বন্ধু। বিষয়টি জানাজানি হওয়ার পর আরও চারজন বন্ধুর কাছেও নিজেদের স্ত্রীদের তুলে দেয়া হয়। তারাও ধর্ষণ করেন।

এমনই একটি অবিশ্বাস্যকর ঘটনা ঘটেছে সিঙ্গাপুরে। এ ঘটনায় একটি মামলাও হয়েছে। সেখানকার আদালত এই মামলার শুনানির সময় ওই চার নারীর নাম গোপন রাখার প্রাথমিক শর্ত দিয়েছেন।

আদালতে নারীরা জানিয়েছেন, তারা দিনের পর দিন নিগৃহীত হয়েছেন। তাদের সুরক্ষা দেয়া আদালতের প্রথম দায়িত্ব।

২০১০ সাল থেকে পর্যায়ক্রমে এই ধর্ষণের ঘটনা ঘটছেভ। আদালত জানায়, চার বন্ধু এমনভাবেই রুটিন বানাতেন যে একসঙ্গে তারা এক বাড়িতে গিয়ে যার বউ তিনি ছাড়া আর তিনজন সেই বাড়িতে থাকত।

সিঙ্গাপুর হাউজিং অ্যান্ড ডেভলপমেন্ট বোর্ডে ২০১৪ সাল পর্যন্ত এই ঘটনা ঘটে।

রাতে কাঁচা, সকালে পাকা!

রায়পুর (লক্ষ্মীপুর) প্রতিনিধি

লক্ষ্মীপুরের রায়পুর উপজেলায় রাসায়নিক দ্রব্য দিয়ে কলা পাকানোর অভিযোগ পাওয়া গেছে। স্থানীয়রা বলছেন, রাতে রাসায়নিক মিশ্রিত পানির বালতিতে কলা ডুবিয়ে রাখা হয়। আর সকালে এ কলার খোসার রং হলুদ হয়ে যায়। চিকিৎসকেরা বলেন, নিয়মিত কয়েক মাস রাসায়নিক মিশ্রিত কলা খেলে ক্যানসারে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, রায়পুর পৌর শহরের পীর ফয়েজউল্লাহ সড়কে ঢাকা ও নরসিংদি জিয়াউর রহমান, মান্নান, সোহেল ৩টি কলার আড়ত দিয়ে উপজেলার প্রত্যন্ত অঞ্চলে পাইকারীভাবে কলা বিক্রি করে আসছেন।

এ ছাড়াও উপজেলার হায়দরগঞ্জ, চরকাছিয়া, মোল্লার হাট, খাসের হাট, কাজি দীঘিরপাড়, কাফিলাতলী, মিরগঞ্জ বাজার, কেরোয়া এলাকাসহ উপজেলাজুড়ে ৭/৭ টি ছোট-বড় কলার আড়ত রয়েছে। ঢাকার নরসিংদী, মানিকগঞ্জ, খুলনাসহ দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে প্রতিদিন ৪-৫ ট্রাক কাঁচা কলা আসে এসব আড়তে।

এলাকাবাসী জানায়, রাতে ট্রাক থেকে এসব আড়তে কাঁচা কলা নামাতে দেখা গেলেও আড়তদারদের জাদুকরি হাতের স্পর্শে সকাল হতে না হতেই কলাগুলো টকটকে হলুদ বর্ণ ধারণ করে। এলাকার খুচরা ব্যবসায়ীরা কৃত্রিম উপায়ে পাকানো এসব কলা চড়াদামে কিনে নিয়ে ইউনিয়নের গ্রামে গ্রামে ও হাট বাজারে বিক্রি করছে। আর রোজাদাররা প্রকৃত পাকা ভেবে চড়ামূল্যে তা কিনে নিয়ে সেহেরি ও ইফতারিতে খাচ্ছে।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক কলা ব্যবসায়ী গণমাধ্যম কর্মীদের বলেন, অল্পসময়ের মধ্যে কলা পাকাতে অনেক রাতে আড়তদাররা রাসায়নিক মিশ্রিত পানি স্প্রে করে অথবা রাসায়নিক মিশ্রিত বালতির পানিতে কাঁচা কলাগুলো চুবিয়ে রাখেন। এতে কয়েক ঘণ্টার মধ্যে কলার খোসার রং হলুদ ধারণ করে পাকা কলার মত হয়ে যায়। এ কলার রং অনেক উজ্জ্বল হয়ে থাকে বিধায় ক্রেতারা এ কলা দেখেই আকৃষ্ট হন। বেশি দামেও বিক্রি করা যায়।

শাহীন আলম নামের এক ক্রেতা বলেন, গত রোববার এক ডজন পাকা কলা কিনে বাসায় নিয়ে গেছি, সেহেরিতে খেতে গিয়ে দেখি কলাগুলোর ভেতরে কাঁচা, মাজাটা শক্ত। গত শনিবার পর্যন্তও ওই কলাগুলোর ভেতরে কাঁচাই ছিল।

সরেজমিনে গিয়ে ব্যবসায়ীদের সাথে কথা হলে নরসিংদী থেকে আগত পৌর শহরের কলা আড়ত ব্যবসায়ী মান্নান, সোহেল, জিয়াউর রহমান ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, মেডিসিনের মাধ্যমে সব জায়গায় কলা পাকায়। আমরাও পাকাই। এতে কোনো সমস্যা নেই। আমরা অনেক দিন থেকে বিক্রি করে আসছি। কারো কোনো ক্ষতি হয়নি।

এ বিষয়ে কথা হলে রায়পুর সরকারি হাসপাতাল আবাসিক ম্যাডিকেল অফিসার ডা. বাহারুল আলম বলেন, নিয়মিত কয়েক মাস রাসায়নিক মিশ্রিত কলা খেলে মানুষের কিডনি ও যকৃৎ ক্ষতিগ্রস্ত হয়। পরে ক্যানসারে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে। সুতরাং দেখেশুনে যাচাই করে কলা কেনা উচিত।