সর্বশেষ সংবাদ গোমস্তাপুরে মামার বাড়ি বেড়াতে এসে নদীতে ডুবে শিশুর মৃত্যু: উদ্ধার ২ চাঁপাইনাবগঞ্জে র শিবগঞ্জ ও গোমস্তাপুরে নতুন তিন করোনা রোগী সনাক্ত করোনাভাইরাস: ঢাকা শহরে ১৪ হাজার কোভিড-১৯ রোগী, সবচেয়ে বেশি মহাখালীতে এতিম শিশুদের পাশে মানিক শিশুকালের ঈদ বিনোদপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক মরহুম ওবায়দুর রহমান রেনু মাস্টারের জানাযা সম্পন্ন চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুরে ঘূর্ণিঝড়ে লণ্ডভণ্ড দুটি গ্রাম চাপাইনবাবগঞ্জে উদযাপিত হলো পবিত্র ঈদুল ফিতর: জেনে নিন কারা কোথায় ঈদ উদযাপন করলো ঈদের নামাজ পড়ানোর সময় সেজদারত অবস্থায় ইমামের মৃত্যু ২৪ ঘণ্টায় আক্রান্ত শনাক্ত ১৯৭৫ , মৃত্যু আরও ২১ জনের।

শতাধিক ব্যক্তির বিরুদ্ধে গুজব সৃষ্টি ও ষড়যন্ত্রের অভিযোগ

এই করোনা মহামারিতেও থেমে নেই ষড়যন্ত্রকারীরা। দেশি-বিদেশি ষড়যন্ত্রকারীরা সরকারকে বিপদে ফেলতে এবার বেছে নিয়েছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম। সেখানে ছড়ানো হচ্ছে নানা ধরনের প্রোপাগান্ডা। এমনকি গার্মেন্টসসহ বিভিন্ন জায়গার শ্রমিকদের উসকানি দিয়ে পথে নামানোর চেষ্টাও করছে। তবে গোয়েন্দা সংস্থাগুলোও বসে নেই। এরই মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক, আমলা, দেশি-বিদেশি সাংবাদিক, বুদ্ধিজীবী, রাজনৈতিক নেতা, ব্যবসায়ীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার শতাধিক ব্যক্তির একটি তালিকা প্রস্তুত করেছে। যাদের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের সুনির্দিষ্ট অভিযোগ পাওয়া গেছে, শুধু তাদেরই এই তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল এ প্রসঙ্গে বলেন, ‘এই ধরনের ষড়যন্ত্র কঠোরভাবে মনিটরিং করা হচ্ছে। গোয়েন্দা সংস্থা ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা এ ব্যাপারে তত্পর রয়েছে। এ ধরনের কোনো তত্পরতা সফল হতে দেওয়া হবে না। প্রয়োজনে গুজব সৃষ্টিকারী বা ষড়যন্ত্রকারীদের আইনের আওতায় আনা হবে।’

গোয়েন্দা সূত্র জানায়, কয়েক জন সাংবাদিক বিদেশে বসে সরকারের বিরুদ্ধে প্রতিদিনই প্রোপাগান্ডা চালাচ্ছেন। দেশে থাকা তাদের বন্ধু-স্বজনদের টেলিফোন ট্র্যাক করে গোয়েন্দারা ষড়যন্ত্রের অনেক তথ্যই জানতে পেরেছেন। আগামী দুই মাসের মধ্যে সরকারকে চরম বিপদে ফেলার ছকও কষছেন অনেকে। এদের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন দেশের স্বনামধন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের কয়েক জন অধ্যাপকও। এমনকি পরিচিত বুদ্ধিজীবীরাও এ ষড়যন্ত্রে শামিল হয়েছেন। কয়েক জন ব্যবসায়ী এদের পেছনে পয়সা ঢালতেও প্রস্তুত—এমন কথা টেলিফোন রেকর্ডে মিলেছে। একটি বড়ো শিল্প গ্রুপ সরকারবিরোধী তত্পরতায় এরই মধ্যে বেশ কিছু টাকাও ঢেলেছে বলে জানা গেছে।
বেে

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল এ প্রসঙ্গে বলেন, ‘এই ধরনের ষড়যন্ত্র কঠোরভাবে মনিটরিং করা হচ্ছে। গোয়েন্দা সংস্থা ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা এ ব্যাপারে তত্পর রয়েছে। এ ধরনের কোনো তত্পরতা সফল হতে দেওয়া হবে না। প্রয়োজনে গুজব সৃষ্টিকারী বা ষড়যন্ত্রকারীদের আইনের আওতায় আনা হবে।’

গোয়েন্দা সূত্র জানায়, কয়েক জন সাংবাদিক বিদেশে বসে সরকারের বিরুদ্ধে প্রতিদিনই প্রোপাগান্ডা চালাচ্ছেন। দেশে থাকা তাদের বন্ধু-স্বজনদের টেলিফোন ট্র্যাক করে গোয়েন্দারা ষড়যন্ত্রের অনেক তথ্যই জানতে পেরেছেন। আগামী দুই মাসের মধ্যে সরকারকে চরম বিপদে ফেলার ছকও কষছেন অনেকে। এদের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন দেশের স্বনামধন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের কয়েক জন অধ্যাপকও। এমনকি পরিচিত বুদ্ধিজীবীরাও এ ষড়যন্ত্রে শামিল হয়েছেন। কয়েক জন ব্যবসায়ী এদের পেছনে পয়সা ঢালতেও প্রস্তুত—এমন কথা টেলিফোন রেকর্ডে মিলেছে। একটি বড়ো শিল্প গ্রুপ সরকারবিরোধী তত্পরতায় এরই মধ্যে বেশ কিছু টাকাও ঢেলেছে বলে জানা গেছে।

পুলিশের মহাপরিদর্শক ড. বেনজীর আহমেদ বলেছেন, ‘ষড়যন্ত্রকারী কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না। এরই মধ্যে একটি মামলায় চার জন গ্রেফতার হয়েছে। অন্যদেরও গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে। আমি মনে করি, যারা ষড়যন্ত্রকারী, তারা দেশের ভালো কখনই চান না। এই দুর্যোগে যখন সারা বিশ্বের মানুষ তাদের সরকারকে সহযোগিতা করছে, সেখানে আমাদের দেশে কিছু ষড়যন্ত্রকারী সরকারের বিরুদ্ধে নানা ধরনের প্রোপাগান্ডায় লিপ্ত। এদের সঙ্গে বিদেশে অবস্থানকারীদের যোগাযোগের তথ্য মিলেছে। পর্যায়ক্রমে সবার বিরুদ্ধেই কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কাউকে ছাড় দেওয়ার কোনো সুযোগ নেই।’

ঢাকায় বিনা খরচে কৃষিপণ্য পৌঁছে দেবে ‘কৃষকবন্ধু’

লকডাউনে প্রান্তিক কৃষকদের উৎপাদিত কৃষিপণ্য রাজধানীর পাইকারি বাজারে বিনা খরচে পৌঁছে দেবে ‘কৃষকবন্ধু’ ডাক সেবা। শনিবার (৯ মে) এই সেবা চালু করে ডাক অধিদফতর। শুরুতে মানিকগঞ্জের কৃষকদের উৎপাদিত শাকসবজি বিনা মাশুলে পরিবহনের মধ্য দিয়ে এই সেবা চালু করা হয়।ঃ
ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার ঢাকায় বেইলি রোডের সরকারি বাসভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে শনিবার মানিকগঞ্জ জেলার হরিরামপুর উপজেলার ঝিটকা বাজার থেকে কৃষকবন্ধু ডাক সেবার উদ্বোধন করেন। ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগ থেকে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এসব জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়,এই সেবার আওতায় ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে কৃষক ঘরে বসেই তার বিক্রিত পণ্যের টাকা পেয়ে যাবেন। এরফলে কোনও মধ্যস্বত্বভোগী ছাড়াই কৃষক তার উৎপাদিত পণ্যের ন্যায্যমূল্য পাবেন। দেশব্যাপী ডাক পরিবহনে ব্যবহৃত রাজধানী ফেরত ডাক অধিদফতরের গাড়িগুলো কৃষকের উৎপাদিত পণ্য পরিবহনে ব্যবহার করা হবে। এতে সরকারের অতিরিক্ত কোনও খরচেরও প্রয়োজন হবে না। পর্যায়ক্রমে সারাদেশে এই সেবা চালু করা হবে। মন্ত্রী এই উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে অনলাইন বক্তৃতায় এসব কথা বলেন।
সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে ভিডিও কনফারেন্সে ঝিটকা বাজার প্রান্তে উপস্থিত ছিলেন ডাক বিভাগের পরিচালক এসএম হারুনুর রশিদ, হরিরামপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাবিনা ইয়াসমিন , উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. জহিরুল হক প্রমুখ। অনুষ্ঠানে ঢাকা প্রান্ত থেকে সংযুক্ত ছিলেন ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের সচিব নূর-উর-রহমান ও ডাক অধিদফতরের মহাপরিচালক এসএস ভদ্র।
ঝিটকা বাজার থেকে এই সেবার আওতায় প্রথম দিন ১ হাজার ২০০ কেজি পেঁয়াজ, ৬০ কেজি কাঁচামরিচ, ৮০ কেজি বেগুন, ৬০ কেজি করলা, ৬০ কেজি চিচিংগা, ৬০ কেজি ঝিংগা, ৬০ কেজি ঢেঁড়স, ১২০ কেজি শসা এবং ১৮০টি মিষ্টি কুমড়া নিয়ে কৃষক বন্ধু ডাক সেবার গাড়ি ঢাকার উদ্দেশ্যে সকাল ১০টায় যাত্রা শুরু করে। এসব পণ্য গাবতলী কৃষিবাজার এবং ধানমন্ডির মিনাবাজারে পৌঁছে দেওয়া হয়। মিনাবাজারসহ কয়েকটি প্রতিষ্ঠান কৃষকদের কাছ থেকে এসব পণ্য ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে সরাসরি ক্রয় করছে।

গোমস্তাপুরে মসজিদে সামাজিক দুরত্ব মানতে বলায় হামলার অভিযোগে থানায় মামলা!

মসজিদে জুম্মার নামাজে সামাজিক দুরত্ব মেনে নামাজ আদায় না করার প্রতিবাদ করায় একটি পরিবারের উপর হামলা হয়েছে চাঁপাইনবাবগঞ্জে। শুক্রবার দুপুরে জেলার গোমস্তাপুর উপজেলার রহনপুর পৌরসভার হামিদপাড়া-কলোনী পশু হাসপাতালের সামনে মসজিদের সামনের একটি বাড়িতে হামলা হয়। স্থানীয় বাসিন্দাদের মতে, শুক্রবার জুম্মার নামাজে হামিদপাড়া-কলোনী জামে মসজিদে করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে সামাজিক দুরত্ব মেনে নামাজ আদায় হয়নি। নামাজ শেষে স্থানীয় যুবক আহসান ও তার ভাই মহসিন এর প্রতিবাদ করলে মসজিদেই মহল্লার মড়ল ও মসজিদের সভাপতি মো. হুমায়ন তাদেরকে বিভিন্নভাবে গালিগালাজ ও ভয়ভীতি দেখায়। এসময় তাদের প্রতিবেশী মো. আলম মসজিদে উচ্চ স্বরে কথা না বলে ঝামেলা না করার জন্য অনুরোধ করে। এতেই ক্ষিপ্ত হয়ে পূর্ব শত্রুতার জেরে নিজ বংশের লোকজন নিয়ে আলমের বাড়িতে হামলা করে এলাকার মোড়ল প্রভাবশালী ব্যক্তি হুমায়ুন ও তার লোকজন। বর্তমানে বাড়ি থেকে বের হতেই পারছেন না আলমের পরিবারের সদস্যরা। নানাভাবে প্রাননাশের হুমকি দিচ্ছে হুমায়নের লোকজন। পরিবারের নিরাপত্তা ও সঠিক বিচার চেয়ে গোমস্তাপুর থানায় মামলা করেছেন মো. আলম।

শুক্রবার তারাবি’র নামাজ চলা অবস্থায় ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখা যায়, স্বাভাবিক সময়ের মতোই চলছে নামাজ। সামাজিক দুরত্ব মানা তো দূরের কথা, গাদাগাদি করে নামাজ আদায় করছেন মুসল্লিরা। হামলায় আলমকে লাটি-রড দিয়ে শরীরে আঘাত এবং বাড়ির বেলকুনি ভেঙ্গে ভেতরে প্রবেশ করে আলমের স্ত্রী মাসুদা বেগম, দুই মেয়ে আইরিন আক্তার ও মাহফুজা আক্তার বৃষ্টিকে ইটপাটকেল দিয়ে আঘাত করে হুমায়নের লোকজন। পরে আহত অবস্থায় তাদেরকে গোমস্তাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসার জন্য নিয়ে যায় স্থানীয়রা।

হামলায় গুরুতর আহত কৃষক মো. আলম বলেন, আমরা গরিব, তাই আমাদেরকে অন্যায়ভাবে দরজা-জানালা ভেঙ্গে বাড়িতে প্রবেশ করে অত্যাচার করেও, অবাধে তারা ঘুরে বেড়াচ্ছে। আল্লাহই জানে কি হবে। বাড়িতে দুইটা যুবতী মেয়ে, খুব শঙ্কার মধ্যেই আছি। না জানি, আবার কখন হামলা করে।

আলমের স্ত্রী মাসুদা বেগম জানান, বিনা অপরাধে শুধুমাত্র মসজিদের বিষয় নিয়েই তারা এই হামলা চালিয়েছে। আমাকে ও আমার দুই মেয়েকেও হামলা করতে ছাড়েনি। এমনকি ছোট মেয়ে মিস্টির গলায় থাকা সোনার মালা ছিনিয়ে নেয় তারা।

আলমের বড় মেয়ে আইরিন আক্তার বলেন, শুক্রবার বিকেলে ৫০-৬০ জন মিলে হামলা চালিয়েছে। শনিবার সারাদিন আমরা বাড়ি থেকে বের হতেই পারিনি। পাশের বাড়ির ছাদ ও দরজার সামনে এসে মামলা করলে প্রাননাশের হুমকি দিয়ে যাচ্ছে হুমায়নের লোকজন। সে গ্রামের মোড়ল, তার বিরুদ্ধে কেউ কিছু বলতে পারছে না। প্রভাবশালী হওয়ায় যা ইচ্ছে করতে পারবে।

সামাজিক দুরত্ব না মেনে মসজিদে নামাজ আদায়ের কথা স্বীকার করে মহল্লার মোড়ল ও মসজিদের সভাপতি মো. হুমায়ন (৫৬) শনিবার রাতে মুঠোফোনে জানান, পূর্ব শত্রুতার জেরে একটু ঝামেলা হয়েছে। কিন্তু বাড়িতে হামলার বিষয়টি তিনি অস্বীকার করেন।

গোমস্তাপুর থানার অফিসার-ইন-চার্জ (ওসি) জসীম উদ্দীন জানান, বিষয়টি তদন্তাধীন রয়েছে এবং তদন্ত শেষে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

গোমস্তাপুরে সেই মহিলা ইউপি সদস্যের বিরুদ্ধে এ বার ভিজিডি’র চাল আত্মসাতের অভিযোগ


গোমস্তাপুর(চঁাপাইনবাবগঞ্জ) প্রতিনিধিঃ চঁাপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুরে প্রায় ১৬ মাস
ধরে এক দুঃস্থের ভিজিডির চাল আত্মসাৎ করে আসছিলেন এক মহিলা ইউপি সদস্য। শুক্রবার
দুপুরে প্রায় ৩০ কেজি চালের বস্তা তার বাড়ি যাওয়ার সময় পুলিশের হাতে আটক হয়। পরে
আটককৃত চাল উপজেলা নির্বাহী অফিসারের নিকট জমা দেয় পুলিশ। তিনি হলেন
গোমস্তাপুর ইউনিয়নের ৭,৮,৯ নং ওয়ার্ডের সংরক্ষিত মহিলা ইউপি সদস্য মোসলেমা বেগম।
গোমস্তাপুর থানার উপপরিদর্শক কামরুজ্জামান জানান, গত শুক্রবার দুপুরে ডিএসবির সহকারী
উপপরিদর্শক আমিনুল ইসলামের সহায়তায় ওই চাল রহনপুর -গোমস্তাপুর সড়কের মরিচাডাঙ্গা
থেকে আটক করা হয়।
ঘটনায় জানা যায়, গোমস্তাপুর ইউনিয়নের জাহিদনগর গ্রামের সেরাজুল ইসলাম স্ত্রী
সাবিনা বেগমের নামে ভিজিডি কার্ড তৈরি করে প্রায় ১৬ মাস ধরে চাল উত্তোলন করে
আসছিলেন গোমস্তাপুর ইউনিয়নের ৭,৮,৯ নং ওয়ার্ডের সংরক্ষিত মহিলা সদস্য মোসলেমা
বেগম। যা সুবিধাভোগী সাবিনা বেগম ঘূর্ণাক্ষরে জানতেন না। গত শুক্রবার তার নামের চাল
পুলিশের কাছে ধরা পড়ার পর ঘটনাটি এলাকায় জানাজানি হয়। এদিকে সুবিধাভোগী
সাবিনা বেগমের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তার নামে ভিজিডির কার্ড রয়েছে তিনি তা
অদৌ জানতেন না।
এ ব্যাপারে অভিযুক্ত মহিলা ইউপি সদস্য মোসলেমা বেগমের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি
চাল আত্মসাতের অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, সাবিনার নামে উত্তেলিত চাল তাকে না দিয়ে
দুঃস্থদের মাঝে বিতরণ করা হয়। তবে তিনি তার চাল অন্যদের মাঝে বিতরণের বিষয়টি সঠিক
হয়নি বলে স্বীকার করেন। বিষয়টি সুবিধাভোগী সাবিনাসহ সংশ্লিষ্ট ইউপি চেয়ারম্যান ও
এনজিও প্রতিনিধি এবং ট্যাগ অফিসার অবহিত আছেন বলে তিনি জানান।
এ বিষয়ে এনজিও প্রতিনিধি নাসির উদ্দিনের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তাকে ফোনে পাওয়া
যায়নি।
ওই ইউনিয়নের ট্যাগ অফিসার বিএমডিএর সহকারী প্রকৌশলী জামিলুর রহমান চাল উত্তোলনে
অনিয়মের বিষয়টি তার জানা নেই বলে জানান।
এ প্রসঙ্গে ওই ইউপি চেয়ারম্যান জামাল উদ্দিন মন্ডল জানান, ছবিযুক্ত কার্ডের
সুবিধাভোগীকেই চাল দেয়া হয়। পরে চালের কেউ অপব্যবহার করলে তা তার দায়িত্ব।
এ ব্যাপারে তদন্তের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ও উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা বরুণ কুমার
পাল জানান, ইউএনও মহোদয় বিষয়টি তদন্তের জন্য তাকে নির্দেশ দিয়েছেন। রোববার তদন্তকাজ
সম্পন্ন করা হবে। তদন্তের পর জড়িতদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।

ভারত থেকে ট্রেনে এলো পেঁয়াজ

করোনাভাইরাসের কারণে উদ্ভূত পরিস্থিতিতে অনেক দিন রপ্তানি বন্ধ থাকার পর ভারত থেকে বাংলাদেশে মালবাহী ট্রেনে ৪২ বগি পেঁয়াজ এসেছে।

ঢাকায় ভারতীয় হাই কমিশনের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। এতে বলা হয়, শনিবার প্রথম ট্রেনে আসা ৪২ বগি পেঁয়াজ বাংলাদেশ রেলওয়ের কাছে হস্তান্তর করেছে ভারতীয় রেলওয়ে।

এতে আরও বলা হয়, দর্শনা গেদে পয়েন্টে এই পেঁয়াজ হস্তান্তর করা হচ্ছে। কাস্টমস ছাড়পত্র পাওয়ার পর এসব পেঁয়াজ সুবিধাজনক স্থানে আনলোড করা হবে।

বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যকার চারটি রেলওয়ে পয়েন্ট দিয়ে আরও কিছু মালবাহী ট্রেন নিত্যপণ্য নিয়ে আসবে বলে জানানো হয় বিজ্ঞপ্তিতে।

এদিকে ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস অনলাইনের এক খবরে বলা হয়, মহারাষ্ট্রের পাইকারি বাজারে পেঁয়াজের গড় লেনদেন অবনমনের পরিপ্রেক্ষিতে, রাজ্য সরকার পিঁয়াজে ভর্তুকিভিত্তিক রফতানি প্রকল্প চালু করার জন্য কেন্দ্রীয় সরকারকে চিঠি দিয়েছে।

ভারতে লকডাউন চলার কারণে দেশের বাজারে পেঁয়াজের চাহিদা হ্রাস এবং সড়কপথে রপ্তানিতে প্রশাসনিক বাধার কারণে রাজ্য কৃষি বিপণন বোর্ড রেলপথে বাংলাদেশে রফতানির জন্য চাপ দিচ্ছিল।

ইতিমধ্যে, মহারাষ্ট্র রাজ্য বিপণন বোর্ড চার-পাঁচ জন ব্যবসায়ীকে নাসিক জেলার লাসালগাঁওয়ের পাইকারি বাজার থেকে ট্রেনে বাংলাদেশে ১৭০০ টন পেঁয়াজ রফতানি করতে সহায়তা করেছে।

করোনাভাইরাস মহামারীর প্রাদুর্ভাব ঠেকাতে দেড় মাস ধরে ভারত-বাংলাদেশে লকডাউন চলছে।