সর্বশেষ সংবাদ জাতিসংঘ পুরস্কার পেয়েছে ভূমি মন্ত্রণালয় দুই মিনিটে ঘরে বসেই সোনালী ব্যাংকের অ্যাকাউন্ট চাঁপাইনবাবগঞ্জ থেকে প্রথমবার ঢাকাগামী স্পেশাল ম্যাংগো ট্রেনের যাত্রা শুরু ৭০ দিন পর সোনামসজিদে ভারতীয় ৮৫ পণ্যবাহী ট্রাক প্রবেশের মাধ্যমে আমদানি-রফতানি শুরু চাঁপাইনবাবগঞ্জে আনুষ্ঠানিকভাবে আম কেনা বেচার উদ্বোধন হলেও জমে ওঠেনি আমবাজার। চাঁপাইনবাবগঞ্জে বজ্রপাতে এক গৃহবধুর মৃত্যু ২৪ ঘণ্টায় করোনা ভাইরাসে মৃত্যু ৩৫ :শনাক্ত ২৪২৩ নাচোল খাদ্য গুদামে রাতে সাপাহার থেকে কৃষকের নামে গম ঢোকানোর চেষ্টা! বিশ্বের সমুদ্র সম্পদের টেকসই ব্যবস্থাপনায় প্রধানমন্ত্রীর ৩ প্রস্তাব দ্য গার্ডিয়ানে প্রকাশিত কলামের অনুবাদ – ঘূর্ণিঝড় ও করোনার সঙ্গে যুদ্ধ: মহামারীতেও কিভাবে আমরা লক্ষ মানুষকে নিরাপদ রেখেছি

স্বাস্থ্যবিভাগের দুইজনসহ নতুন করে চাপাইনবাবগঞ্জে আক্রান্তদের পরিচয়

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ, নাচোল ও ভোলাহাট উপজেলায় ছড়িয়ে পড়েছে করোনাভাইরাস। জেলা সদরসহ এই তিন উপজেলায় ৮৪ জনের নমুনা পরীক্ষা করে ৯ জনের দেহে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। এর আগে জেলার সদর উপজেলায় ২জনের দেহে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়।

সিভিল সার্জন ডা. জাহিদ নজরুল চৌধুরী বলেন- বুধবার (৬ মে) সন্ধ্যা সোয়া ৭টার দিকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল এর পিসি আর ল্যাব থেকে ৮৪ জনের করোনা টেস্টের রিপোর্ট এসেছে। তার মধ্যে ৯ জনের দেহে করোনার উপস্থিতি পাওয়া গেছে।

আক্রান্তরা জেলা সদর, শিবগঞ্জ, নাচোল ও ভোলাহাট উপজেলার বাসিন্দা বলে জানান তিনি।

আক্রান্তদের মধ্যে দুইজন স্বাস্থ্য বিভাগের, গার্মেন্টস কর্মী ও ছাত্র সহ ৯ জন।

এদের মধ্যে ভোলাহাটের ৩ জনের মধ্যে একজন স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মী, বাকি দুইজনের একজন খালে আলমপুর ও সন্ন্যসী তলার। নাচোলে তিনজনের এক এক জন কাজলা এলাকার ও দুইজন আন্দ্রা এলাকার। সদর উপজেলার একজন আমনুরার এবং অপরজন রামচন্দ্রপুর হাট এলাকার বাসিন্দা। এছাড়াও

শিবগঞ্জের একজন আক্রান্ত হয়েছেন ।তিনি কানসাট বালুচর এলাকার এবং শিবগঞ্জ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে কর্মরত।

তিনি আরো জানান, ইতোমধ্যে জেলার সদরে আক্রান্ত ২ ব্যক্তির প্রথম টেস্টে নেগেটিভ রেজাল্ট এসেছে। আশা করা হচ্ছে তারা সুস্থ হয়ে উঠবেন।

তিনি আরো জানান, এখন পর্যন্ত ৪৭৭ জনের নমুনা ল্যাবে পাঠানো হয়। তার মধ্যে ৩৯৫ জনের রিপোর্ট পাওয়া গেল। এর মধ্যে সবমিলিয়ে ১১ জন পজিটিভ এবং ৩৮৪ জন নেগেটিভ। রিপোর্ট পেন্ডিং আছে ৮২ জনের।

চাঁপাইনবাবগঞ্জে নতুন অারো নয়জন করোনা রোগী সনাক্ত।

চাপাইনবাবগঞ্জ
চাঁপাইনবাবগঞ্জ আবারো নতুন করে 9 জনের দেহে করোনা শনাক্ত হয়েছে।এনিয়ে জেলায় মোট করোনা রোগি সনাক্ত হলো এগারো জন। জানা গেছে নতুন আক্রান্তদের মধ্যে চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদরে  ৩,  নাচোলে ৩, ভোলাহাটে ২ ও  শিবগঞ্জে ১ ন সহ মোট নয়জন।


ভোলাহাট উপজেলায় যে ২ জন করোনা পজেটিভ, তারা হলেন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে কমরত ছিলেন উপ সহকারী কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার একজন ও অপরজন খালেআলমপুর গ্রামের ।

চাঁপাইনবাবগঞ্জ সিভিল সার্জন ডাক্তার জাহিদ নজরুল চৌধুরী জানান, চাঁপাইনবাবগঞ্জ থেকে মোট 477 টি নমুনা রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল করোনা ল্যাব এ পাঠানো হয় । এর মধ্যে 384 টি নমুনা পরীক্ষা করে ফলাফল নেগেটিভ পাওয়া গেছে এবং নয় টি নমুনা করণা পজিটিভ পাওয়া যায়। সিভিল সার্জন আরো জানানন, রাজশাহীতে পাঠানো নমুনা গুলোর মধ্যে 82 টি নমুনার ফলাফল এখনো পাওয়া যায়নি ।প্রসঙ্গত এর আগে চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলায় নারায়ণগঞ্জ ফেরত 2 জনের দেহে করোনা সনাক্ত  হয়। যারা বতর্মানে সুষ্ঠের পথে।14 দিন পর তাদের নমুনা পরীক্ষা করে ফলাফল নেগেটিভ অাসায় দ্বিতীয় দফায় তাদের নমুনা পরীক্ষার পর ফলাফল নেগেটিভ অাসলে তাদের করোনামুক্ত ঘোষণা করবে স্বাস্থ্য বিভাগ।

নাচোলের বৃষ্টিতে কৃষকের হাসি ম্লান

বাম্পার ফলনের সম্ভাবনা অনিশ্চিত

নাচোল প্রতিনিধি


বরেন্দ্র অঞ্চল চাঁপাইনবাবগঞ্জের নাচোলে গত মঙ্গলবার দিন-রাতে ঝড়ো বৃষ্টিতে তলিয়ে গেছে বোরোর মাঠের পর মাঠ। ধানের বাম্পার ফলনের সম্ভাবনা অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে।কৃষকের স্পপ্ন হয়েছে ম্লান।
উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ বিভাগ ও স্থানীয় কৃষকরা এতে করে ক্ষতির আশংকা করছেন।
এবছর আবহাওয়া অনুকুলে থাকায় ও কৃষি বিভাগের নিবিড় পর্যবেক্ষণ ও সহযোগিতায় বোরো ক্ষেতে কোন রোগ-বালাই আক্রান্ত হয়নি, কিন্তু শেষ সময়ে ক্ষেতের পাকাধান গত মঙ্গলবারের দিন-রাতের ঝড়ো বৃষ্টিতে ধান মাটিতে নুইয়ে পড়ায় বাম্পার ফলনের আশা অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে।
নাচোল এলাকার কৃষক সুরুল হক জানান,এ বছর অনেক কৃষক সরিষা না চাষ করে বোরো ধানের আবাদ করেছেন। তবে যারা সরিষার আবাদ করেছেন তাদের জমিতেও এবছর ভাল ফলন আশা করছেন স্থানীয় কৃষকরা। আমের রাজধানী চাঁপাইনবাবগঞ্জে ধানের জমি তুলনামূলক কম হওয়ায় ও চলমান মহামারী করোনা সংক্রমনের ঝুঁকি নিয়ে ধানকাটা শ্রমিকের এ বছর সংকট তেমন না থাকায় বোরো কাটতে কৃষকদের এবছর তেমন একটা সমস্যা হতো না । আবার অনেকে আদিবাসী নারী-পুরুষদের বিঘাতে ৪মন মজুরী দিয়ে রাজিও করিয়েছেন । কিন্তু গত মঙ্গলবার(০৫মে)’র ঝড়ো বৃষ্টিতে ক্ষেতের পাকা ধান মাটিতে নুইয়ে পড়েছে। তাই কৃষকরা পড়েছেন মহা ্িবপদে। ঝড়োবৃষ্টিরতে উড়ে গেছে কৃষকের বাম্পার ফলনের সোনালী স্বপ্ন। দুঃস্বপ্নে পরিনত হয়েছে বিঘাতে দেড় হাজার খড়ের ।

এদিকে উপজেলা কৃষি অফিসসূত্রে জানা গেছে, এবছর নাচোলে বোরো (জিরাশাইল)আবাদের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছিলো ৯হাজার হেক্টোর ও হাইব্রীড জাতের ৩০ হেক্টোরসহ মোট ৯ হাজার ৩০ হেক্টোর। অর্জিত লক্ষ্যমাত্রা ৮হাজার ১শ’ হেক্টোর। অর্জিত লক্ষ্যমাত্রায় ধানের ফলনের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ৪৫হাজার ১শ’ ৫ মেঃটন। তবে এবছর ফলনের লক্ষ্যমাত্রা ৫০হাজার মেঃ টন ছাড়িয়ে যেতে পারে বলে আশা করছেন কৃষক ও কৃষি বিভাগ।

নাচোলে করোনা রোগী আসায় বাড়ী লগডাউন


নাচোল প্রতিনিধি
চাঁপাইনবাবগঞ্জের নাচোলে করোনা রোগীর অবস্থানের খবর এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে সৃষ্টি হয় আতঙ্কের। খবর পেয়ে বাড়িটি লগডাউন করেছে উপজেলা প্রশাসন। ঘটনাটি ঘটেছে নাচোল পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের পশ্চিম পাশে মৃত আব্দুর রোফ জোয়াদ্দারের ছেলে আবুহেনা মোস্তফা কামাল এর বাড়িতে। কামাল করোনা পজেটিভ এবং তিনি নিজ বাড়িতে আসার খবর পেয়ে বুধবার(৬ মে) দুপুরে উপজেলা নির্বীহী অফিসার সাবিহা সুলতানা বাড়িটি লগডাউন করেন।
ওই বাড়ীটিতে এক চশমাব্যবসায়ী ভাড়া থাকেন বলে নিশ্চিত করেছেন স্থানীয় প্রতিবেশী ও উপজেলা প্রশাসন ।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার সাবিহা সুলতানা জানান, নিয়ামতপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সহকারি স্বাস্থ্য পরিদর্শক আবুহেনা মোস্তফা কামাল করোনায় আক্রান্ত উপসর্গ নিয়ে নিজ বাড়ীতে (৫ মে) মঙ্গলবার ভাড়া সংগ্রহের জন্য নাচোলে এসে কিছ ুসময় অবস্থান করেছিলেন। সেই সাথে তিনি বিভিন্ন দোকানে এবং স্থানীয় একটি মসজিদেও নামাজ আদায় করেছেন বলেও প্রতিবেশীরা জানান।
এদিকে নিয়ামতপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ইউএইচ এন্ড এফপিও তোফাজ্জল হোসেন জানান, তাঁর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ৩ জনের করোনা পজিটিপ রিপোর্ট পাওয়া গেছে। এদের মধ্যে ১ জন স্বাস্থ্য সহকারি পরিদর্শক আবুহেনা মোস্তফা কামাল।

কীভাবে বানাবেন মালাই চা জানুন

এক কাপ “পারফেক্ট মালাই চা” বানাতে হলে আপনাকে জানতে হবে সঠিক পরিমাপ আর নিখুঁত রেসিপি। কেবল তাতেই আপনি উপভোগ করতে পারবেন চায়ের স্বাদ, গন্ধ পুরোপুরি।

উপকরণ
দুধ- ৩ কাপ
চা পাতা- ৪ টেবিল চামচ কিংবা ৪টা টি ব্যাগ
চিনি- স্বাদমত
ডিমের কুসুম- ১টি কুসুমের অর্ধেক
এলাচ- ১ টি (ঐচ্ছিক)
জাফরানের দানা- এক চিমটি (ঐচ্ছিক)
দুধের সর বা মালাই- ইচ্ছামত
এলাচ আর জাফরান দানা ঐচ্ছিক হলেও কখনও ব্যবহার করে দেখবেন। অন্যরকম একটি স্বাদ তৈরি হবে। যারা ডিমের কুসুম দিতে চান না, তারা খুব ভালো কোনও বাটার বিস্কুটের গুঁড়া ব্যবহার করবেন। বিস্কুট যেন একদম টাটকা হয়।

প্রস্তুত প্রণালী
দুধের মাঝে ডিমের কুসুম বা বিস্কুটের গুঁড়া ভালো করে মিশিয়ে দিন। তারপর চুলায় বসিয়ে জ্বাল দিন। দুধ যেন উথলে না ওঠে, বা উপচে না পড়ে। দুধ ফুটে উঠলে এলাচ দানা দিয়ে দিয়ে দিবেন, জাফরান দানা দিতে চাইলে ছড়িয়ে দিবেন সেটাও।

এবার দিয়ে দিন চা পাতা, এবং জ্বাল হতে দিন। জাফরান দানার কারণে সুন্দর একটা গভীর কমলা- বাদামী রঙ আসবে। জাফরান না দিলেও সমস্যা নেই, আপনার চা পাতাটি ভালো হলে সুন্দর রঙ আপনা থেকেই আসবে। পছন্দ মতন রঙ ধরা পর্যন্ত অপেক্ষা করুন, চা যত কড়া খেতে চান তত বেশি সময় জ্বাল দিবেন।

অনেকেই ভাবেন যে চা ঢালার পর মালাই ছড়িয়ে দেয়া উচিত। এটা একেবারে ভুল ধারনা। চা ঢালার আগেই প্রতিটি কাপে অল্প অল্প করে মালাই দিয়ে দিন। এবার চা ঢালুন। তবে একবারে ঝপাস করে অনেকখানি নয়। চায়ের কাপে ফেনা তুলবার পদ্ধতি নির্ভর করবে আপনার ঢালবার কৌশলের উপরে।

ছাঁকনিটা একটু ওপরে ধরুন, তারপর সরু ধারায় চা ঢালুন। সরু ধারায় চা গিয়ে যখন কাপের মালাইয়ের ওপরে পড়বে, আস্তে আস্তে আপনার কাপ ভরে উঠবে কেবল চায়ে নয়… সাথে সুন্দর শুভ্র ফেনায়।

এবার অসাধারণ ফ্লেভারের মালাই চা পান করুন।

জিনাত সুলতানা ,লেখক: ফাউন্ডার, রন্ধন মসলা

কৃষকের মুখে সূর্যমুখী হাসি

চলমান বৈশ্বিক মহামারী করোনার এই দুর্যোগপূর্ণ সময়ে দরিদ্র কৃষকের কপালে যখন দুশ্চিন্তার ভাঁজ, তখন তাদের মুখে হাসি ফুটিয়েছে সূর্যমুখী ফুল। তিন মাস আগে বপন করা বীজ থেকে বর্তমানে মাঠজুড়ে পরিপক্ব বীজ। মাঠে মাঠে শুধু ফুলের সমারোহ। মৌমাছির আনাগোনা চোখে পড়ার মতো। মৌমাছির দল ফুল থেকে নির্যাস নিয়ে মধু সংগ্রহে ব্যস্ত। তাই এখন পরিপক্ব সূর্যমুখীর বীজ ঘরে তোলার পালা। সূর্যমুখী বীজের তেল খুব দামি। মাটি ও আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় ঝালকাঠির রাজাপুরে চলতি মৌসুমে সূর্যমুখীর ভালো ফলন হয়েছে। তেল জাতীয় অন্য ফসলের চেয়ে সহজলভ্য ও উৎপাদন খরচ কম হওয়ায় বেশি লাভের আশায় বুক বেঁধেছেন কৃষকরা। রাজাপুর উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতর সূত্রে জানা যায়, এ বছর উপজেলায় মোট আঠারো হেক্টর জমিতে সূর্যমুখীর চাষ হয়েছে। বাজারে ভালো দাম পাওয়ায় ও ভালো ফলন হওয়ায় ধীরে ধীরে সূর্যমুখী চাষে আগ্রহী হচ্ছেন কৃষক। অধিকাংশ খেতেই এখন পরিপক্ব ফুল। কিছু কিছু খেত থেকে কৃষক ইতিমধ্যেই ফলন ঘরে তুলতে শুরু করেছেন। কৃষকদের সূর্যমুখী চাষে উদ্বুদ্ধ করতে উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতর ও ব্র্যাক বিনামূল্যে প্যাসিফিক হাইসন-৩৩ জাতের সূর্যমুখীর বীজ ও সার সহায়তা দিয়েছে। উপজেলা সদরের পূর্ব চররাজাপুর এলাকার কৃষক মো. সোহরাব হোসেন জানান, হাইব্রিড বীজ থেকে প্রতি একর জমিতে সূর্যমুখীর ফলন হয় ২৫ থেকে ৩০ মণ। যা থেকে তেল পাওয়া যায় ১৫ থেকে ১৮ মণ। শুধু বীজ বিক্রি করলে প্রতি মণ বীজ দেড় হাজার টাকা দরে বিক্রি করা যায়। আর বীজ থেকে তেল বের করলে খৈলসহ প্রতি মণে ২ হাজার থেকে ২২০০ টাকা পাওয়া যায়। প্রতি কেজি তেল ১৫০ থেকে ২০০ টাকা বিক্রি করা যায়। উপজেলার পূর্ব চররাজাপুর কৃষক সমবায় সমিতির সভাপতি আবদুল হক হাওলাদার বলেন, সূর্যমুখীর কোনো কিছু ফেলনা নয়। বীজ থেকে তেল, এরপর মাছ ও পশুখাদ্যের জন্য খৈল ও গাছ শুকিয়ে গেলে জ্বালানি হিসেবে ব্যবহার করা যায়। স্বাস্থ্যকর ও পুষ্টিগুণসম্পন্ন হওয়ায় বাজারে সূর্যমুখী তেলের চাহিদাও দিন দিন বাড়ছে। করোনার এই দুর্যোগের মধ্যেও ভালো ফলন হওয়ায় এ বছর বেশি লাভের আশা করছি। উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা রিয়াজউল্লাহ বাহাদুর বলেন, গত বছরের চেয়ে এ বছর রাজাপুরে প্রায় দ্বিগুণ সূর্যমুখী ফুলের চাষ হয়েছে। ভালো ফলন ও বেশি লাভ হওয়ায় এ উপজেলায় ধীরে ধীরে সূর্যমুখীর চাষ বাড়ছে।

মৌসুমীর নামে ‘প্রতারণা’

মৌসুমীর নাম দিয়ে ফেসবুক অ্যাকাউন্ট খুলে সেসইব দিয়ে প্রতারণা করা হচ্ছে বলে অভিযোগ আনলেন চিত্রনায়ক ওমর সানী। মঙ্গলবার নিজের ফেসবুক হ্যান্ডেলে ওমর সানী বেশ কয়েকটি ‘ফেইক’ অ্যাকাউন্টের স্থিরচিত্র প্রকাশ করেছেন। যেগুলো মৌসুমীর নামে খোলা হলেও আসলে নেপথ্যে রয়েছেন অপরিচিত কে, মৌসুমী নন।

এসব অ্যাকাউন্ট থেকে বিভিন্নজনের নিকট থেকে টাকা পয়সাও চাওয়া হচ্ছে বলে জানান ওমর সানী। মৌসুমীর ভাবমূর্তি নষ্ট করতেই এমনটা করা হচ্ছে বলে দাবি ওমর সানীর।

ওমর সানীর প্রকাশ করা স্থিরচিত্রে মৌসুমীর নামে একটি ফেসবুক পেইজ দেখা যায় যেখানে প্রায় ৫৯ হাজার ফেসবুক ব্যবহারকারী লাইক দিয়েছেন। যা সত্যি একজন ব্যক্তির জন্য হুমকির বলে মনে করেন সাইবার ক্রাইমের কর্মকর্তারা।

ওমর সানী বলেন, ‘এর আগে আপনাদেরকে আমি জানিয়েছি, আপনারা যে স্টিল গুলি দেখতে পাচ্ছেন আরো অনেক আছে? এগুলো একটাও মৌসুমির আইডি নয়, পেজ নয়, অসংখ্য কমপ্লেইন আমার কাছে দিচ্ছে ,আমাদের ভক্তরা যে এখান থেকে টাকা চাচ্ছে বাজে মন্তব্য করছে এবং মৌসুমির ভাবমূর্তি নষ্ট করছে, যা কিছু করবেন নিজ দায়িত্বে করবেন ধন্যবাদ সবাই ভাল থাকবেন বাসায় থাকবেন।’

একটি ফেসবুক অ্যাকাউন্ট হ্যাক করা হয়েছে দাবি করে ওমর সানী বলেন, ‘প্রথম আইডিটা একসময় আমাদের কাছে ছিল কিন্তু দুই বছর যাবত আমাদের কাছে নেই এটা হ্যাক হয়েছে।’

ইউরোপ সহ ৪৩টি দেশ থেকে আসছে সবজির চাহিদা

সবজি ও ফলের চাহিদা আসছে ইউরোপ, মধ্যপ্রাচ্যসহ বিভিন্ন দেশ থেকে। তাই আবার পণ্য রপ্তানি শুরু করতে চান এ খাতের উদ্যোক্তারা। তাঁরা বলছেন, ‘আগের বছরের তুলনায় এ বছর সবজি রপ্তানি ভালোই হচ্ছিল। স্বাভাবিক সময়ে প্রতিদিন গড়ে ২৫০ থেকে ৩০০ টন সবজি রপ্তানি হতো। এখনো আমদানিকারক ৪৩টি দেশের মধ্যে প্রায় সব কটিরই চাহিদা আসছে। কিন্তু ফ্লাইট বন্ধ থাকায় আমরা দিতে পারছি না। তবে এসব পণ্য রপ্তানির জন্য আলাদা কার্গো বিমান চালু হলে রপ্তানি করা সম্ভব হবে।’ এ জন্য বিমানসহ বিভিন্ন সংস্থার সঙ্গে আলোচনাও করছেন বলে রপ্তানিকারকরা জানিয়েছেন। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, আবার রপ্তানিতে ফিরতে পারলে দেশের উদ্বৃত্ত সবজি আর নষ্ট হবে না, কৃষক বেঁচে যাবেন এবং দেশের বৈদেশিক মুদ্রাও আয় হবে।

এক্সপোর্ট প্রমোশন ব্যুরোর (ইপিবি) তথ্য অনুসারে জুলাই থেকে মার্চ এই ৯ মাসে মোট ৪৪টি দেশে সবজি রপ্তানি হয়েছে ১৪ কোটি ৬৭ লাখ ১৪ হাজার মার্কিন ডলার বা প্রায় এক হাজার ২৫০ কোটি টাকার। সে হিসাবে প্রতি মাসে সবজি রপ্তানি হয়েছে এক কোটি ৬৩ লাখ কোটি ডলার বা ১৩৮ কোটি ৫৬ লাখ টাকার। দৈনিক হিসাবে যা প্রায় পাঁচ কোটি টাকা। গত বছর মোট ১০ কোটি ডলারের সমপরিমাণ সবজি রপ্তানি হলেও চলতি বছর লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছিল ১৩ কোটি ডলারের। আর ৯ মাসে রপ্তানির লক্ষ্য ছিল ৯ কোটি ৬০ লাখ ডলারের। সে হিসাবে মার্চ পর্যন্ত লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ৫০ শতাংশ বেশি সবজি রপ্তানি হয়েছে। আর গত বছরের তুলনায় ৭৯ শতাংশ বেশি। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি হয়েছে যুক্তরাজ্যে—তিন কোটি ১৫ লাখ ডলার। তারপরই আরব আমিরাত—এক কোটি ১৭ লাখ ডলার। ব্যবসায়ীদের তথ্য মতে, ইউরোপের বাজারগুলোতে প্রতিদিন পাঁচ থেকে সাত টন শুধু কাঁচা মরিচই রপ্তানি হতো।

জানতে চাইলে বাংলাদেশ ফ্রুটস ভেজিটেবল অ্যান্ড অ্যালাইড প্রডাক্টস এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি জাহাঙ্গীর হোসেন কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘চাহিদা বেশি থাকলে স্বাভাবিক সময়ে দেশ থেকে দৈনিক এক হাজার টন শাক-সবজি ও ফলমূল রপ্তানি হয়। তবে গড়ে প্রতিদিন ৩০০ থেকে ৪০০ টন রপ্তানি করা যায়। এর মধ্যে বেশির ভাগই শাক-সবজি। প্রতিদিন গড়ে ২৫০ থেকে ৩০০ টন শাক-সবজি রপ্তানি হতো। এখন সম্পূর্ণই বন্ধ। তবে খাদ্যপণ্য হওয়ায় আমদানিকারক দেশগুলোর চাহিদা সব সময়ই ছিল। আমরা দিতে পারিনি। আমরা সরকারের সঙ্গে আলোচনা করে বিমানের একটি কার্গো ফ্লাইট চালুর চেষ্টা করছি। এ ছাড়া অন্যান্য সংস্থার সঙ্গেও আলোচনা হচ্ছে। কেউ অপারেশনে গেলে, কোন দেশে কী পরিমাণ পণ্য পাঠাব আমরা সে তালিকা দেব। প্রাথমিকভাবে ইউরোপের দেশগুলোতে সবজি রপ্তানির চেষ্টা করছি।’

ঢাবিতে করোনা শনাক্তে ল্যাব উদ্বোধন

করোনাভাইরাসে আক্রান্ত শনাক্ত করতে ল্যাব উদ্বোধন হলো ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে৷ এই ল্যাবে প্রতিদিন ৪০০ নমুনা পরীক্ষা করা যাবে৷ বিশ্ববিদ্যালয়ের সেন্টার ফর অ্যাডভান্সড রিসার্চ ইন সায়েন্সেস (কার্স) ভবনে আজ মঙ্গলবার প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে এই ল্যাব উদ্বোধন ও পরিদর্শন করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক মো. আখতারুজ্জামান৷

বিশ্ববিদ্যালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে৷ বিজ্ঞপ্তিতে বিশেষজ্ঞদের বরাত দিয়ে বলা হয়, উদ্বোধন হওয়া এই ল্যাবটিকে আরও পুনর্বিন্যাস ও সমৃদ্ধ করলে ভাইরোলজিবিষয়ক উচ্চতর গবেষণা পরিচালনা সম্ভব৷ এর আগে গত ১২ এপ্রিল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ দেশের চারটি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়কে করোনা পরীক্ষার অনুমতি দেয় স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রণালয়৷বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ল্যাব উদ্বোধনকালে উপাচার্য মো. আখতারুজ্জামান জাতির বৃহত্তর স্বার্থে মানবিক কাজে যাঁরা ল্যাব প্রতিষ্ঠা ও পরিচালনায় এগিয়ে এসেছেন, তাঁদের আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানান৷ ল্যাব পরিচালনায় সংশ্লিষ্ট সবাইকে সব ধরনের ঝুঁকি নিরসন বা নিরাপত্তা সংরক্ষণের প্রতি যত্নশীল থাকার অনুরোধও জানান উপাচার্য৷

করোনাভাইরাসে আক্রান্ত শনাক্ত করতে ল্যাব উদ্বোধন হলো ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে৷ এই ল্যাবে প্রতিদিন ৪০০ নমুনা পরীক্ষা করা যাবে৷ বিশ্ববিদ্যালয়ের সেন্টার ফর অ্যাডভান্সড রিসার্চ ইন সায়েন্সেস (কার্স) ভবনে আজ মঙ্গলবার প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে এই ল্যাব উদ্বোধন ও পরিদর্শন করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক মো. আখতারুজ্জামান৷

বিশ্ববিদ্যালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে৷ বিজ্ঞপ্তিতে বিশেষজ্ঞদের বরাত দিয়ে বলা হয়, উদ্বোধন হওয়া এই ল্যাবটিকে আরও পুনর্বিন্যাস ও সমৃদ্ধ করলে ভাইরোলজিবিষয়ক উচ্চতর গবেষণা পরিচালনা সম্ভব৷ এর আগে গত ১২ এপ্রিল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ দেশের চারটি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়কে করোনা পরীক্ষার অনুমতি দেয় স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রণালয়৷

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ল্যাব উদ্বোধনকালে উপাচার্য মো. আখতারুজ্জামান জাতির বৃহত্তর স্বার্থে মানবিক কাজে যাঁরা ল্যাব প্রতিষ্ঠা ও পরিচালনায় এগিয়ে এসেছেন, তাঁদের আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানান৷ ল্যাব পরিচালনায় সংশ্লিষ্ট সবাইকে সব ধরনের ঝুঁকি নিরসন বা নিরাপত্তা সংরক্ষণের প্রতি যত্নশীল থাকার অনুরোধও জানান উপাচার্য৷

ল্যাবটি উদ্বোধনের সময় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় করোনাভাইরাস রেসপন্স টেকনিক্যাল কমিটির আহবায়ক অধ্যাপক শরীফ আখতারুজ্জামান, কার্সের পরিচালক অধ্যাপক এম এ মালেক, বিশ্ববিদ্যালয়ের চিকিৎসা অনুষদের ডিন অধ্যাপক শাহরিয়ার নবী, প্রাণরসায়ন ও অণুপ্রাণ বিজ্ঞান বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক জেবা ইসলাম সেরাজ, অণুজীব বিজ্ঞান বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক সাবিতা রিজওয়ানা রহমান, জিন প্রকৌশল ও জীবপ্রযুক্তি বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক মোহাম্মদ নাজমুল আহসান, বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক মো. নিজামুল হক ভূইয়া, প্রাণরসায়ন ও অণুপ্রাণ বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক মামুন আহমেদ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন৷

শিবগঞ্জে বিভিন্ন ইউনিয়নে খাবার বিতরন অব্যাহত উপজেলা চেয়ারম্যানের


শিবগঞ্জ (চাঁপাইনবাবগঞ্জ) প্রতিনিধি:
করোনাভাইরাস পরিস্থিতি মোকাবিলায় খেটে খাওয়া মানুষের দুর্ভোগ লাঘবে পর্যায়ক্রমে চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ উপজেলার ১২টি ইউনিয়নে কর্মহীন ৪ হাজার পরিবারের মাঝে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে।
খাদ্য সামগ্রী বিতনের অংশ হিসেবে বুধবার দুপুরে জিকে ফাউন্ডেশনের অর্থায়নে শাহাবাজপুর উচ্চ বিদ্যালয় প্রাঙ্গনে প্রত্যেক পরিবারকে ১০ কেজি চাল, ১ কেজি ডাল, ১ লিটার তেল ও ৫ কেজি আলুসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করেন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান সৈয়দ নজরুল ইসলাম। এ সময় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আবু আহমেদ নজমুল কবির মুক্তা, সাধারণ সম্পাদক আতিকুল ইসলাম টুটুল খান, মোবারকপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি তোহুর মিয়া, শাহাবাজপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক খাদেমুল ইসলাম, উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক তোসিকুল ইসলাম টিসু, সাংগঠনিক সম্পাদক শরিফুল ইসলাম, উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি রিজভী আলম রানা, সাধারণ সম্পাদক আসিফ আহসানসহ স্থানীয় আওয়ামী লীগ-যুবলীগ ও ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা। এর আগে উপজেলার বিনোদপুর, উজিরপুর, পাঁকা, ছত্রাজিতপুর, নয়ালাভাঙা, ঘোড়াপাখিয়া, দাইপুখুরিয়া, কানসাট, মোবারকপুর, ধাইনগর, চককীর্তি ইউনিয়নে কর্মহীন খেটে খাওয়া পরিবারে ত্রাণসামগ্রী বিতরণ করা হয়। করোনা পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত খাদ্যসামগ্রী বিতরণ কার্যক্রম অব্যহত থাকবে বলে জানান উপজেলা চেয়ারম্যান।