সর্বশেষ সংবাদ করোনাভাইরাস: ঢাকা শহরে ১৪ হাজার কোভিড-১৯ রোগী, সবচেয়ে বেশি মহাখালীতে এতিম শিশুদের পাশে মানিক শিশুকালের ঈদ বিনোদপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক মরহুম ওবায়দুর রহমান রেনু মাস্টারের জানাযা সম্পন্ন চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুরে ঘূর্ণিঝড়ে লণ্ডভণ্ড দুটি গ্রাম চাপাইনবাবগঞ্জে উদযাপিত হলো পবিত্র ঈদুল ফিতর: জেনে নিন কারা কোথায় ঈদ উদযাপন করলো ঈদের নামাজ পড়ানোর সময় সেজদারত অবস্থায় ইমামের মৃত্যু ২৪ ঘণ্টায় আক্রান্ত শনাক্ত ১৯৭৫ , মৃত্যু আরও ২১ জনের। শিবগঞ্জে ঈদ উদযাপন বিয়ের পাঁচ মাসের মাথায় স্বামী স্ত্রীর আত্মহত্যা!

শেখ হাসিনার নির্দেশনা করোনা প্রতিরোধের বার্তা


প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা মেনে চললে করোনা-দুর্যোগ মোকাবিলা করা সম্ভব হবে। ‘কেউ বাইরে বেরোবেন না। ঘরে থাকুন। অন্যজনের থেকে বিচ্ছিন্ন থাকুন’- এই আহ্বান জানানোর মধ্য দিয়ে পরিস্থিতি মোকাবিলা করা হচ্ছে।বিশ্বের অন্যান্য রাষ্ট্রনায়ক যেখানে তাদের সরকারি লোকের ওপর নির্ভর করে করোনাভাইরাসের মহামারি প্রতিরোধে ব্যবস্থা নিচ্ছেন সেখানে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নিজেই সার্বক্ষণিক ব্যস্ত সময় পার করছেন প্রতিকূল পরিস্থিতি মোকাবিলায়। আমেরিকায় করোনাভাইরাস বেশি ছড়ানো এবং মৃতু্য ৫০ হাজারের অধিক হওয়ার কারণ হিসেবে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন তথা নেতৃত্বের ব্যর্থতাকে দুষছেন বিশিষ্টজনরা। সেখানে ২১ জানুয়ারি প্রথম করোনা রোগী শনাক্ত হয়। ছয় সপ্তাহ পরে কোয়ারেন্টিন, আইসোলেশন ও সামাজিক দূরত্ব ব্যবস্থা শুরু করে সরকার। বর্তমান পরিস্থিতিতে আমরা মিডিয়ার বদৌলতে নিউইয়র্ক সিটির গভর্নরের প্রেস কনফারেন্স দেখেছি কিংবা ইউরোপের অন্য কোনো নেতার বক্তব্য শুনছি কিন্তু ৮ মার্চে বাংলাদেশে প্রথম করোনা রোগী শনাক্তের পর শেখ হাসিনা নিজেই এ দেশের করোনা আক্রান্তের খবর, দ্রম্নত বদলে যাওয়া সারা দেশের মানুষের আচরণ সম্পর্কে খোঁজ নিয়েছেন সবচেয়ে বেশি। করোনা নিয়ে অপপ্রচার ও গুজবের বিরুদ্ধেও তাকে কথা বলতে হয়েছে। তখন থেকে তার দায়িত্ব পালনের কেন্দ্রবিন্দু হয়েছে গণভবন এবং ভিডিও কল থেকে শুরু করে মোবাইল, টেলিফোন, হোয়াটসঅ্যাপ ব্যবহার করে করোনা প্রতিরোধে দিক-নির্দেশনা দিয়ে যাচ্ছেন নিয়মিত। জরুরি প্রয়োজনে মন্ত্রী, সচিব কিংবা দলীয় নেতাদের সঙ্গে স্বাস্থ্যবিধি মেনেই নিজের বাসভবনে মিটিং করছেন। উদ্ভূত নতুন নতুন অবস্থাভেদে তৃণমূল নেতাদেরও ভিডিও কলে নির্দেশ দিচ্ছেন তিনি। শেখ হাসিনার যথাযথ নির্দেশনার কারণেই এ দেশে দ্রম্নত সময়ে আক্রান্তদের চিহ্নিত করা সম্ভব হচ্ছে, চিকিৎসার সুযোগও ক্রমাগত বাড়ছে। বিশ্বজুড়ে যেখানে ২৮ লাখ আক্রান্ত, মৃতু্য ২ লাখ মানুষ সেখানে কেবল তার নেতৃত্বের গুণেই এ দেশের পরিস্থিতি খারাপের দিকে যাচ্ছে না। ৫৫ জেলায় করোনাভাইরাস ছড়িয়ে পড়ায় সরকারি ও বেসরকারি চাকরিজীবীদের সাধারণ ছুটি আগামী ৬ মে পর্যন্ত কার্যকর থাকবে বলে ঘোষণা করা হয়েছে। তবে যে কোনো পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের জন্য সবকিছুকেই পর্যবেক্ষণের আওতায় এনেছেন প্রধানমন্ত্রী। সেখানে সরকারি প্রশাসনের সঙ্গে সেনাবাহিনী ও পুলিশ সদস্যরা এবং চিকিৎসকরা মুখ্য ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়েছেন। বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবর্ষের সূচনা দিন অর্থাৎ ১৭ মার্চ থেকে সর্বস্তরের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছুটি ঘোষিত হওয়ার পর, ২৬ মার্চ থেকে সাধারণ ছুটি শুরু হয়। অর্থাৎ রোগী শনাক্তের ২ সপ্তাহ পরই হার্ডলাইনে চলে যায় সরকার। গত ১ মাসে দেশের আট বিভাগের জেলা প্রশাসক, চিকিৎসক, পুলিশ, সেনাবাহিনীর প্রতিনিধি, জনপ্রতিনিধি ও জেলা আওয়ামী লীগের নেতাদের সঙ্গে ভিডিও কনফারেন্সে ব্রিফিং ও নির্দেশনামূলক বক্তব্য দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। সংকট মোকাবিলার জন্য প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের কাছ থেকে মতামতও নিয়েছেন। খেটে খাওয়া সাধারণ মানুষের জন্য করণীয় ঠিক করে দিয়েছেন। করোনাভাইরাস প্রতিরোধে প্রধানমন্ত্রী ইতোমধ্যে জাতিকে ৩১ দফা নির্দেশনা দিয়েছেন। নির্দেশনার মধ্যে কয়েকটি হলো- ‘১. করোনাভাইরাস সম্পর্কে চিকিৎসাব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। এ ভাইরাস সম্পর্কিত সচেতনতা কার্যক্রম বাস্তবায়ন করতে হবে। ২. লুকোচুরির দরকার নেই, করোনাভাইরাসের উপসর্গ দেখা দিলে ডাক্তারের শরণাপন্ন হোন। ৩. পিপিই সাধারণভাবে সবার পরার দরকার নেই। চিকিৎসা সংশ্লিষ্ট সবার জন্য পিপিই নিশ্চিত করতে হবে। এই রোগ চিকিৎসায় ব্যবহৃত পিপিই, মাস্কসহ সব চিকিৎসা সরঞ্জাম জীবাণুমুক্ত রাখা এবং বর্জ্য অপসারণের ক্ষেত্রে বিশেষ সাবধানতা অবলম্বন করতে হবে। ৪. কোভিড-১৯ রোগের চিকিৎসায় নিয়োজিত সব চিকিৎসক, নার্স, ল্যাব টেকনিশিয়ান, পরিচ্ছন্নতাকর্মী, অ্যাম্বুলেন্স চালকসহ সংশ্লিষ্ট সবার স্বাস্থ্য সুরক্ষায় বিশেষ অগ্রাধিকার প্রদান করতে হবে।’ ৩১টি নির্দেশনার মধ্যে চিকিৎসা এবং স্বাস্থ্যকর্মীদের তিনি সর্বোচ্চ গুরুত্ব প্রদান করেন। আর ওই নির্দেশনাগুলো বাস্তবায়নের জন্য শেখ হাসিনা নিয়মিত যোগাযোগ রাখছেন মাঠপ্রশাসন, সশস্ত্র বাহিনী, এমপি, মন্ত্রী ও দলীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে।
করোনা মোকাবিলায় ও নির্দেশনা বাস্তবায়নে শেখ হাসিনার গত দেড় মাসের কার্যসূচি ছিল নিম্নরূপ (সূত্র দৈনিক পত্রিকা)- ২০২০ সালের জানুয়ারিতে চীন থেকে বিশ্বব্যাপী করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার খবর প্রকাশ হওয়ার পর শেখ হাসিনা গণভবনে দলের কেন্দ্রীয় নেতাদের সঙ্গে বৈঠকে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করেন। ফেব্রম্নয়ারির মধ্যে করোনাভাইরাস বিভিন্ন দেশে ছড়িয়ে পড়লে ২ মার্চ সন্ধ্যায় গণভবনে করোনা প্রাদুর্ভাবের কারণে সম্ভাব্য অর্থনৈতিক প্রভাব উত্তরণের জন্য সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের নিয়ে বৈঠক করেন প্রধানমন্ত্রী। ওইদিন করোনাভাইরাস নিয়ে ৩১টি নির্দেশনা দেন শেখ হাসিনা। ৮ মার্চ প্রথম করোনায় আক্রান্ত ব্যক্তি শনাক্ত হওয়ার খবর পাওয়ার পর থেকে করোনাভাইরাস মোকাবিলায় করণীয় বিষয়ে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের নিয়ে বৈঠক করেন তিনি। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে ২৪ ঘণ্টা নিয়ন্ত্রণ কক্ষ খোলা ও সার্বক্ষণিক মনিটরিংয়ের সূচনা হয়। ১৫ মার্চ সন্ধ্যায় করোনাভাইরাস নিয়ে সার্কভুক্ত দেশগুলোর সঙ্গে ভিডিও কনফারেন্স করেন শেখ হাসিনা। ২৫ মার্চ দেশের মধ্যে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ায় মানুষের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। এ অবস্থায় দেশের সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে জাতির উদ্দেশ্যে ভাষণ দেন। এ সময় দেশের পোশাক খাতসহ রপ্তানিশিল্পের জন্য ৫ হাজার কোটি টাকার বিশেষ প্রণোদনা প্যাকেজ ঘোষণা করেন তিনি। ২৫ মার্চ থেকে সেনাবাহিনী মাঠপর্যায়ে কাজ শুরু করে। ২৬ মার্চ থেকে সড়ক, নৌ, আকাশ পথে সব ধরনের যোগাযোগ বন্ধ রেখে সবাইকে বাড়িতে থাকতে বলা হয়। ৩১ মার্চ সকালে গণভবন থেকে তিনি ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে বিভাগীয় কমিশনার, ৬৪ জেলা প্রশাসক, সিটি মেয়রের সঙ্গে কথা বলেন। দীর্ঘ ৩ ঘণ্টার এই ভিডিও কনফারেন্সে গণভবন থেকে জেলা প্রশাসকদের কাছ থেকে নভেল করোনাভাইরাসের মহামারি সামলাতে মাঠপ্রশাসন কীভাবে কাজ করছে তা জানার পাশাপাশি তাদের পরবর্তী করণীয় সম্পর্কে দিকনির্দেশনা দিয়েছেন শেখ হাসিনা।
৩.
এপ্রিল মাসকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা করোনাভাইরাস বিস্তারের জন্য ‘খারাপ সময়’ হিসেবে উলেস্নখ করে এসময় দলীয় নেতাকর্মী এবং সরকারের সব স্তরে যেমন যোগাযোগ রক্ষা করে চলেছেন, তেমনি দেশের কোথায় কী করতে হবে, কী ঘটছে- যাবতীয় বিষয়ে সার্বিক দিকনির্দেশনা দিচ্ছেন। ৫ এপ্রিল গণভবনে প্রেস কনফারেন্স করেন প্রধানমন্ত্রী। করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবে দেশের সম্ভাব্য অর্থনৈতিক প্রভাব উত্তরণে নতুন করে ৬৭ হাজার ৭৫০ কোটি টাকার প্যাকেজ ঘোষণা করা হয়। নতুন চারটিসহ পাঁচটি প্যাকেজে আর্থিক সহায়তার পরিমাণ ৭২ হাজার ৭৫০ কোটি টাকা, যা জিডিপির প্রায় ২ দশমিক ৫২ শতাংশ। প্রেস কনফারেন্সের পর তিনি ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে গণভবনে ‘প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ ও কল্যাণ তহবিলে’ অনুদান গ্রহণ করেন। ১৩ এপ্রিল বাংলা নববর্ষ ১৪২৭ উপলক্ষে জাতির উদ্দেশ্যে ভাষণ দেন। ১৫ এপ্রিল সারা দেশে ‘ত্রাণ কমিটি’ গঠনের নির্দেশ দেন শেখ হাসিনা। সন্ধ্যায় ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে ধানমন্ডিতে তার রাজনৈতিক কার্যালয়ে অবস্থানরত নেতাকর্মীদের এ বিষয়ে ৩টি নির্দেশনা দেন। প্রধানমন্ত্রী এসময় গরিব, অসহায়, দুস্থ মানুষের পাশে বিত্তবানদের দাঁড়ানোর আহ্বান জানান। ত্রাণ লুটের বিরুদ্ধেও হুশিয়ারি উচ্চারণ করেন তিনি। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২৩ এপ্রিল করোনা মোকাবিলায় সুচিন্তিত নির্দেশনায় ৫ দফা প্রস্তাবনা উপস্থাপন করেছেন।
১৯৮১ সালের ১৭ মে থেকে ১৯৯৫ এবং ২০০১-২০০৭ সাল পর্যন্ত জনগণের ভোট ও ভাতের অধিকার প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে অবতীর্ণ ছিলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তার সেই দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনের অভিজ্ঞতা থেকে তিনি বাংলাদেশের মানুষের অবস্থা সম্পর্কে সচেতন। তিনি শ্রমজীবী মানুষ বা খেটে খাওয়া মানুষের ঘরের খবর জানেন, তিনি মধ্যবিত্তের কথাও ভাবেন। আবার দেশের শিল্প-কলকারখানা বাঁচাতে হবে তাও টের পান। এসব দিকে তিনি খেয়াল রেখেছেন। কিন্তু তিনি সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছেন স্বাস্থ্যসেবায় নিয়োজিত ডাক্তার, নার্স ও সংশ্লিষ্টদের প্রতি। করোনা মোকাবিলায় ফ্রন্টলাইনে থাকা চিকিৎসক, ব্যাংক কর্মকর্তা এবং পুলিশ ও সেনাবাহিনীর সদস্যদের জন্য স্বাস্থ্যবিমা চালু করেছেন তিনি। ডাক্তারদের পিপিই দেয়া হয়েছে, টেস্ট কিট এসেছে। প্রধানমন্ত্রী প্রতিদিন উপজেলা পর্যায় থেকে ১ হাজার টেস্টের নির্দেশ দিয়েছেন। দেশের বড় বড় কোম্পানিগুলো সরকারের পাশে এসে দাঁড়িয়েছে। বসুন্ধরা অস্থায়ী হাসপাতাল বানিয়ে দিয়েছে, বেক্সিমকো, স্কোয়ার, নাভানা, আকিজের মতো বড় বড় কোম্পানি সহায়তার হাত বাড়িয়েছে। অন্যদিকে বিভিন্ন কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়গুলো নিজেদের উদ্যোগে স্যানিটাইজার তৈরি করে জনগণের কাছে বিলিয়ে দিচ্ছে। বড় বড় কোম্পানি করোনা দুর্যোগে মাস্ক ও পিপিই তৈরি করে দেশের চাহিদা মেটাচ্ছে। ইতোমধ্যে সরকারি ব্যবস্থাপনায় দেশের প্রায় বিশের অধিক করোনা-পরীক্ষা কেন্দ্র নির্দিষ্ট করা হয়েছে। যেখানে প্রতিদিন প্রায় ২ হাজার ব্যক্তির করোনা টেস্ট সম্ভব। এভাবে সরকারি ব্যবস্থাপনা ও বেসরকারি উদ্যোগের মহতী আয়োজনের মধ্যে জনগণের দায়িত্ব প্রধানমন্ত্রীকে সহায়তা করা। ছুটিতে গৃহে অবস্থান করে তার নির্দেশনাগুলো বাস্তবায়নে এগিয়ে আসা।
৪.
কোয়ারেন্টিন ও আইসোলেশনের মধ্য দিয়ে করোনাভাইরাস সংক্রমণ প্রতিরোধ করা সম্ভব। এই রোগে মৃতু্যহার মাত্র ৫.২৩ শতাংশ। আক্রান্ত হলেই মৃতু্য হবে এ ধরনের ভাবনা ঠিক নয়।
\হপ্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা মেনে চললে করোনা-দুর্যোগ মোকাবিলা করা সম্ভব হবে। ‘কেউ বাইরে বেরোবেন না। ঘরে থাকুন। অন্যজনের থেকে বিচ্ছিন্ন থাকুন’- এই আহ্বান জানানোর মধ্যদিয়ে পরিস্থিতি মোকাবিলা করা হচ্ছে।

ড. মিল্টন বিশ্বাস: কবি, কলামিস্ট, সাধারণ সম্পাদক, বাংলাদেশ প্রগতিশীল কলামিস্ট ফোরাম এবং অধ্যাপক, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়

সিভিল সার্জনের হাতে ১ হাজার কিট তুলে দিলেন সাংসদ শিমুল

নিজস্ব প্রতিবেদক

নাটোরে সিভিল সার্জনের হাতে ১হাজার করোনা ভাইরাস নমুনা পরীক্ষার কিট তুলে দিলেন সদর আসনের সংসদ সদস্য শফিকুল ইসলাম শিমুল।

সোমবার দুপুরে সিভিল সার্জন কার্যালয়ে গিয়ে সিভিল সার্জন ডাক্তার কাজী মিজানুর রহমানের হাতে এই নমুনা পরীক্ষার কিট তুলে দেন তিনি।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক মোঃ শাহরিয়াজ। দ্রুত করোনাভাইরাস সনাক্তের জন্য নমুনা প্রেরণ করতে যাতে কোন অসুবিধা না হয় সেই জন্যেই নিজ অর্থায়নে তিনি এই নমুনা পরীক্ষার কিট তুলে দিলেন তিনি।

অবশেষে করোনা পরীক্ষার সক্ষমতা দ্বিগুণ হল রামেকে

রাজশাহী: রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজের (রামেক) ভাইরোলজি বিভাগে স্থাপিত ল্যাবে এতদিন এক দিনে ৯৪টি নমুনা পরীক্ষার সক্ষমতা ছিল। এখন থেকে সেখানে এক দিনেই ১৮৮টি নমুনা পরীক্ষা সম্ভব হবে। দুই শিফট চালু হওয়ায় এই ল্যাবের সক্ষমতা বাড়লো দ্বিগুন।

রামেক উপাধ্যক্ষ ও মাইক্রো বায়োলজি বিভাগের প্রধান ডা. বুলবুল হাসান জানান, রাজশাহী বিভাগের আট জেলার মধ্যে প্রতিদিন কমপক্ষে পাঁচটি জেলা থেকে তাদের এখানে নমুনা আসে। কিন্তু ল্যাবে এক দিনে ৯৪টির বেশি নমুনা পরীক্ষা করা সম্ভব নয়। এজন্য এত দিন সবগুলো নমুনা পরীক্ষার সক্ষমতা ছিল। ৯৪টির পর যেগুলো বেশি হতো সেগুলো ঢাকায় পাঠিয়ে দেওয়া হতো। এতে রিপোর্ট পেতেও দেরি হচ্ছিল।এ অবস্থায় রাজশাহী সিটি মেয়র এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটন ও সদর আসনের সংসদ সদস্য ফজলে হোসেন বাদশা তাদের ল্যাবের সক্ষমতা বাড়ানোর অনুরোধ জানান। তাদের কথায় সাড়া দিয়ে ল্যাবে এক শিফটের জায়গায় দুই শিফট চালু করা হয়েছে। ৩ মে প্রথমবারের মতো রামেকের এই করোনা শনাক্তকরণ ল্যাবে দুই শিফটে নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে।ডা. বুলবুল হাসান আরও জানান, তারা সকাল ৯টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত কাজ করেন। এর মধ্যে দুই শিফটে ১৮৮টিই নমুনা পরীক্ষার জন্য দেওয়া হয়। তবে ত্রুটি থাকায় ৩৭টি নমুনার রিপোর্ট পাওয়া যায়নি। বাকি ১৫১টি নমুনার মধ্যে শুধু একটি রিপোর্ট পজিটিভ। করোনা সংক্রমিত এই কভিড-১৯ রোগীর বাড়ি পাবনায়।

এর আগে গত ১ এপ্রিল এই ল্যাবে নমুনা পরীক্ষা শুরু হয়। রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে বর্তাল আরও একটি পিসিআর মেশিন দিয়ে করোনা ল্যাব স্থাপনের প্রক্রিয়া চলছে।

রাজশাহীতে গত ১২ এপ্রিল প্রথম করোনা শনাক্ত হয়। এরপর রোববার (৩ মে) পর্যন্ত ১৫ জন শনাক্ত হয়েছেন। এদের মধ্যে একজন মারা গেছেন। তার বাড়ি বাঘা উপজেলায়। তবে মৃত্যুর আগে তার করোনা পজিটিভ আসলেও মৃত্যুর পর নমুনা পরীক্ষায় তার করোনা রিপোর্ট আসে নেগেটিভ। এর পরও কভিড-১৯ আক্রান্তেই তার মৃত্যু হয়েছে বলে রেকর্ড করছে স্বাস্থ্য বিভাগ।

দেশে করোনা ভাইরাসে আরো পাঁচ প্রাণহানি:আক্রান্ত ১০ হাজার ১৪৩

ঢাকা: গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে আরও ৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে মোট মৃত্যু হয়েছে ১৮২ জনের। নতুন করে শনাক্ত হয়েছেন ৬৮৮ জন। সব মিলিয়ে আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১০ হাজার ১৪৩ জনে। 

সোমবার (৪ মে) দুপুরে স্বাস্থ্য বুলেটিনে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা এ তথ্য জানান।

উদীয়মান অর্থনীতির দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান ৯ম


করোনা ভাইরাসের মহামারীতে বিশ্ব অর্থনীতিতে মন্দার আভাস দেখা দিয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে ৬৬ টি উদীয়মান অর্থনীতির দেশের ভবিতব্য বিশ্লেষণ করেছে ব্রিটিশ সাময়িকী দ্য ইকোনমিস্ট। অর্থনৈতিক শক্তির বিবেচনায় সেই তালিকায় বাংলাদেশের অবস্থান ৯ম।

অর্থনীতির চারটি প্রশ্নকে বিবেচনায় নিয়ে ৬৬টি দেশের সবলতা-দুর্বলতা পরীক্ষা করে র‌্যাঙ্কিংটি করা হয়েছে। এগুলো হলো: জনগণের ঋণ হিসেবে জিডিপির শতাংশ, বৈদেশিক ঋণ, ঋণের সুদ, রিজার্ভ। র‌্যাঙ্কিং অনুযায়ী, উল্লেখিত সূচকগুলির মধ্যে বাংলাদেশের অর্থনীতি শক্তিশালী বা তুলনামূলকভাবে শক্তিশালী হিসাবে প্রদর্শিত হয়েছে।

ইকোনমিস্টের প্রতিবেদন অনুযায়ী, করোনা ভাইরাসের ভয়াবহতার মধ্যেই ভারত-চীন কিংবা সংযুক্ত আরব আমিরাতের মতো দেশের চেয়ে তুলনামূলকভাবে নিরাপদে রয়েছে বাংলাদেশের অর্থনীতি। তালিকার শীর্ষে রয়েছে বোটসওয়ানা আর সবচেয়ে ঝুঁকিতে রয়েছে ভেনিজুয়েলা। তালিকায় চীনের অবস্থান বাংলাদেশের ঠিক পরে। তারা রয়েছে ১০ম অবস্থানে। আর সৌদি আরবের অবস্থান ৮এ। অর্থনীতিবিদদের করা ওই তালিকা মতে, প্রতিবেশী দেশ ভারতের অবস্থান ১৮, পাকিস্তান রয়েছে ৪৩ তম অবস্থানে। আর ভারতের কাছেই রয়েছে সংযুক্ত আরব আমিরাত। দেশটির অবস্থান ১৭।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ৬৬টি উদীয়মান অর্থনীতিকে এ বছর তাদের বিদেশি ঋণ পরিশোধ ও যে কোনও বর্তমান অ্যাকাউন্টের ঘাটতি মেটাতে ৪ ট্রিলিয়ন ডলার জোটাতে হবে। চীনের কথা বাদ দিলে এই হিসেব দাঁড়াবে ২.৯ ট্রিলিয়নে। তবে এটি উদীয়মান অর্থনীতির জমে থাকা বাফারগুলিকে মুক্ত করে। আলোচ্য ৬৬টি দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ আট ট্রিলিয়ন ডলারের বেশি। চীনকে বাদ দিলে তা ৫ ট্রিলিয়ন।

ইকোনমিস্ট বলছে, এদের মধ্যে বাংলাদেশসহ তালিকার শুরুর দিকের ৩০টি দেশের বিদেশী ঋণ পরিশোধ এবং যে কোনও বর্তমান অ্যাকাউন্টের ঘাটতি পূরণ করার মতো পর্যাপ্ত মজুদ রয়েছে।

সাঈদীর মুক্তি চাওয়ায় শিবগঞ্জের এক যুবলীগ নেতাকে অব্যাহতি

জামায়াতের কেন্দ্রীয় নেতা ও যুদ্ধাপরাধী মামলায় আমৃত্যু সাজাপ্রাপ্ত আসামি মাওলানা দেলোয়ার হোসেন সাঈদীর মুক্তি চেয়ে পদ হারালেন চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ উপজেলার বিনোদপুর ইউনিয়ন যুবলীগের ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক এ এইচ এম ইব্রাহিম খলিল।

সোমবার (৪ মে) বিষয়টি গণমাধ‌্যমকে জানানো জানানো হয়। এর আগে গত শনিবার (২ মে) বিনোদপুর ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি শরিফুল ইসলাম ডুডু ও সাধারণ সম্পাদক ইসমাইল হোসেন স্বাক্ষরিত দলীয় প্যাডে অব্যাহতির বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়।

সেখানে বলা হয়, গঠনতন্ত্রের ২২ এর ‘ক’ ধারা মোতাবেক বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগের ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক এইচ এম ইব্রাহিম খলিলকে সাময়িক অব্যহতি প্রদান করা হলো এবং সুপারিশসহ চূড়ান্ত শাস্তির জন্য কেন্দ্রীয় প্রেসিডিয়ামের নিকট প্রেরণ করা হবে।

উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক তোসিকুল ইসলাম টিসু বলেন, ‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আদর্শ নিয়ে নাটক করে কেউ বেশিদিন টিকতে পারে না। অনেকেই সুযোগ বুঝে ভোল পাল্টিয়ে দলে ভিড়েছে। কিন্তু একটা সময় তাদের আসল চরিত্র ফুটে ওঠে। সেই রকমই কাজ করেছে ইব্রাহিম খলিল। ফলে তাকে যুবলীগ থেকে থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে এবং চূড়ান্ত বহিস্কারের জন্য সুপারিশ করা হয়েছে।’

আত্মপক্ষ সমর্থন করে এ এইচ এম ইব্রাহিম খলিল বলেন, ‘স্থানীয় কয়েকজন আলেম আমাকে বলেন- দেশের সব ধর্মীয় নেতারা এক হয়ে সাঈদীর মুক্তি চাচ্ছে সেখানে আপনি কেন চাইছেন না? আপনি সাঈদীর মুক্তি চেয়ে কিছু বলেন। পরে তাদের কথামত আমি ফেসবুকে দেলোয়ার হোসেন সাঈদীর মুক্তি চেয়ে একটি ভিডিও দিই। কিন্তু পরে বিষয়টি স্থানীয় যুবলীগ নেতাদের চোখে পড়লে তারা আমাকে ভিডিওটি ডিলিট করতে বললে আমি সাথে সাথে সেটা রিমুভ করে ফেলি।’

এব্যাপারে উপজেলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক অ‌্যাডভোকেট আসাদুল হক আসাদ বলেন, ‘ইব্রাহিম খলিল দলীয় শৃঙ্খলা ও নীতি অবমাননা করে জামায়াত নেতা দেলোয়ার হোসাইন সাঈদীর কারামুক্তি চেয়ে ফেসবুকে পোস্ট দেন। যা নীতি-আদর্শ ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনার পরিপন্থী। তাই তার যুবলীগের সঙ্গে সম্পৃক্ততা থাকা সংগঠনটির জন্য লজ্জাজনক।’

২৯তম স্প্যানে দৃশ্যমান পদ্মা সেতুর ৪৩৫০ মিটার

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ প্রতিরোধে সারাদেশে চলছে সরকার ঘোষিত সাধারণ ছুটি। এমন পরিস্থিতেও থেমে নেই স্বপ্নের পদ্মা সেতুর কাজ। এরই ধারবাহিতকায় আজ সোমবার সকাল ১০টা ৪৫মিনিটে সেতুর মুন্সীগঞ্জ প্রান্তে ১৯ ও ২০নং পিলারে বসানো হয়েছে ২৯তম স্প্যান। এর ফলে দৃশ্যমান হলো সেতুর ৪৩৫০ মিটার অংশ। ২৮তম স্প্যান বসানোর ২৩দিনের মাথায় ২৯তম স্প্যানটি বসানো হলো। স্প্যান বসানো বাকি এখন ১২টি।

পদ্মা সেতুর নির্বাহী প্রকৌশলী (মূল সেতু) দেওয়ান মো. আব্দুল কাদের জানান, রোববার সকালে মুন্সীগঞ্জের মাওয়া কুমারভোগ কন্সট্রাকশন ইয়ার্ড থেকে ‘তিয়ান-ই’ ভাসমান ক্রেনে স্প্যানটি নির্ধারিত দুটি পিয়ারের কাছে নোঙর করে রাখা হয়েছিল। আবহাওয়া অনুকূল থাকায় সোমবার নির্ধারিত সময় সকাল ৮টায় স্প্যানটি বসানোর কার্যক্রম শুরু হয়। প্রকৌশলী ও নির্মাণ শ্রমিকদের প্রচেষ্টায় সকাল ১০টা ৪৫মিনিট স্প্যান বসানোর কাজ শেষ হয়। অর্থাৎ ২৯তম স্প্যানটি বসাতে সময় লাগে ২ঘন্টা ৪৫ মিনিট।

গোমাস্তাপুরে মহানন্দায় গোসল করতে গিয়ে কিশোরের মৃত্যু

চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার গোমাস্তাপুরে মহানন্দা নদীতে গোসল করতে গিয়ে এক কিশোর মারা গেছে ।

মৃত কিশোর ,গোমাস্তাপুর ইউনিয়নের রাজারামপুর এলাকার আনোয়ার হোসেনের ছেলে আকাশ আলী জীবন(১৫)।

৪ মে পৌনে ১২টায় এ দূর্ঘটনা ঘটে

স্থানীয় সুত্রে জানা যায়,জীবন নদীতে গোসল করতে নামে।পরে সাঁতার কাটতে কাটতে একপর্যায়ে পানিতে তলিয়ে যায়। পরে স্থানীয়দের সহায়তায় মৃত্যু কিশোরীর পরিবার লাশ উদ্ধার করে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছে গোমস্তাপুর থানা পুলিশ।

হুমায়ুন ফরীদির চশমার মূল্য ৩ লাখ ২৫ হাজার ১২ টাকা

নিলামে তোলার পর হুমায়ুন ফরীদির ব্যবহৃত নির্বাচিত চশমাটির সর্বোচ্চ মূল্য উঠেছে ৩ লাখ ২৫ হাজার ১২ টাকা।

বৃহস্পতিবার দিনগত রাত ১২টার দিকে বিষয়টি চূড়ান্ত হয় নিলাম উদ্যোক্তাদের ফেসবুক লাইভের মাধ্যমে। যেখানে উপস্থিত ছিলেন হুমায়ুন ফরীদির মেয়ে শারারাত ইসলাম, অভিনেত্রী আফসানা মিমি, অভিনেতা তারিক আনাম খান, মিশা সওদাগর, ইরেশ যাকের, নিলাম আয়োজক প্ল্যাটফর্ম ‘অকশন ফর অ্যাকশন’-এর দুই প্রধান আরিফ আর হোসেন ও প্রীত রেজা।
হুমায়ুন ফরীদির বহুল ব্যবহৃত বস ব্র্যান্ডের এ চশমাটি তার মেয়ে শারারাত ইসলাম আয়োজকদের দিয়েছেন নিলামে তোলার জন্য। #HF001 এই কোড নিয়ে চশমাটির সর্বনিম্ন মূল্য ১ লাখ টাকা ধরে নিলামে তোলা হয়। এরপর বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) সারা দিন ‘অকশন ফর অ্যাকশন’-এর ফেসবুক পেজে নিলাম চলতে থাকে। রাত ১২টা নাগাদ সর্বোচ্চ মূল্য ওঠে ৩ লাখ ২৫ হাজার ১২ টাকা। তবে নিলামজয়ী ব্যক্তি গোপন রেখেছেন তার নাম ও পরিচয়।
জানা গেছে, এই নিলামজয়ী ব্যক্তি বিদেশে থাকেন।

আয়োজক আরিফ আর হোসেন জানান, ধারাবাহিকভাবে দেশের কিংবদন্তি মানুষগুলোর মূল্যবান জিনিসগুলো তারা নিলামে তুলতে চান। তিনি বলেন, ‘সত্যি বলতে ফরীদি ভাইয়ের চশমাটি নিলামে তোলার আগে খুব ভয়ে ভয়ে ছিলাম। কারণ, তিনি অনুপস্থিত। যেমন সাকিব ছিলেন তার ব্যাট নিলামের জন্য, তাহসান ছিলেন তার অ্যালবাম নিলামের সময়। আমরা জানতাম না, মৃত কিংবদন্তির প্রতি মানুষের আবেগ আসলে কতখানি কাজ করে। তো আমরা শেষ পর্যন্ত মুগ্ধ হলাম। সাহস পেলাম। এখন থেকে জীবিত আর মৃত বলে কিছু থাকবে না। আমরা সব গুণী মানুষকে নিয়ে এই উদ্যোগ এগিয়ে নিয়ে যাবো।’
হুমায়ুন ফরীদির চশমাটি নিলামে তোলা প্রসঙ্গে ‘অকশন ফর অ্যাকশন’ সংশ্লিষ্টদের অভিব্যক্তি এমন, ‌‘আমরা ভাগ্যবান, আমাদের সময়ে হুমায়ুন ফরীদিকে পেয়েছিলাম। এই ক্ষণজন্মা মানুষটি এখন আমাদের মাঝে না থাকলেও তার কালজয়ী কাজগুলো যুগ যুগ ধরে টিকে থাকবে আমাদের অনেক পরের জেনারেশন পর্যন্ত। করোনাভাইরাসের দাপটে অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানোর এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে তার পরিবার এগিয়ে এসেছে। আমরা কৃতজ্ঞ তার পরিবারের সদস্যদের প্রতি। আমরা কৃতজ্ঞ নিলামে অংশ নেওয়া প্রতিটি মানুষের প্রতি।’

নিলাম সমাপনী অনুষ্ঠানে হুমায়ুন ফরীদিকে নিয়ে স্মৃতিচারণায় মেতে ওঠেন অতিথিরা। যারা প্রত্যেকে নিজ নিজ বাসা থেকে যুক্ত হন অন্তর্জালের মাধ্যমে।

নিলামের সমাপনী পর্ব:

করোনাকালে অসহায় ও আক্রান্ত মানুষের পাশে দাঁড়ানোর প্রত্যয়ে সম্প্রতি গঠিত হয় ‘অকশন ফর অ্যাকশন’। গড়ে তোলেন চিশতী ইকবাল, আরিফ আর হোসেন ও প্রীত রেজা।
২২ এপ্রিল প্রথম নিলামে তোলা হয়েছিল ক্রিকেটার সাকিব আল হাসানের বিশ্বকাপের ব্যাট। যেটি বিক্রি হয়েছিল ২০ লাখ টাকায়। এরপর নিলামে ওঠে তাহসানের প্রথম অ্যালবামের ডেট টেপ ও ‘ঈর্ষা’ গানের হাতে লেখা লিরিক্স। সাত লাখ ৫০ হাজার টাকায় বিক্রি হলো সেটি।

চাঁপাইনবাবগঞ্জে ৫৯ বিজিবি’র ত্রাণ বিতরন

চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার শিবগঞ্জ উপজেলায় -৫৯ বিজিবির উদ্দ্যেগে ৯ টি বিওপির দায়িত্বপূর্ণ এলাকায় বিওপির কমান্ডারদের নেত্ত্বতে সামাজিক দুরুত্ব বজায় রেখে গরিব, অসহায় ও হত দরিদ্রদের মাঝে ত্রাণ বিতরন করা হয়।

আজ(৪ই মে)সকাল সাড়ে ১০টায় শিবগঞ্জ উপজেলার ০৯টি বিওপিতে ত্রান সামগ্রী দেওয়া হয়।

প্রতিটি পরিবারকে চাল ৬ কেজি, আটা ২ কেজি, সুজি ২৫০ গ্রাম, ডাল ১ কেজি, তেল ৫০০ গ্রাম, বিস্কুট ১ টি, লবণ ৫০০ গ্রাম করে মোট ৪০৬ টি পরিবারের মধ্যে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করা হয়।

প্রতিনিধির সরজমিনের সংবাদের ভিত্তিতে,চাকপাড়া ও আজমতপুর বিওপির ত্রাণ বিতরণে উপস্হিত ছিলেন শাহাবাজপুর ইউপি চেয়ারম্যান অধ্যাপক তোজাম্মেল হক,ওয়ার্ড সদস্য জিন্নুর রহমান ,চাকপাড়া বিওপির নায়েক সুবেদার তোফাজ্জল হক এবং আজমতপুর বিওপির নায়েব সুবেদার রেনু মিয়া প্রমূখ।