সর্বশেষ সংবাদ গোমস্তাপুরে মামার বাড়ি বেড়াতে এসে নদীতে ডুবে শিশুর মৃত্যু: উদ্ধার ২ চাঁপাইনাবগঞ্জে র শিবগঞ্জ ও গোমস্তাপুরে নতুন তিন করোনা রোগী সনাক্ত করোনাভাইরাস: ঢাকা শহরে ১৪ হাজার কোভিড-১৯ রোগী, সবচেয়ে বেশি মহাখালীতে এতিম শিশুদের পাশে মানিক শিশুকালের ঈদ বিনোদপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক মরহুম ওবায়দুর রহমান রেনু মাস্টারের জানাযা সম্পন্ন চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুরে ঘূর্ণিঝড়ে লণ্ডভণ্ড দুটি গ্রাম চাপাইনবাবগঞ্জে উদযাপিত হলো পবিত্র ঈদুল ফিতর: জেনে নিন কারা কোথায় ঈদ উদযাপন করলো ঈদের নামাজ পড়ানোর সময় সেজদারত অবস্থায় ইমামের মৃত্যু ২৪ ঘণ্টায় আক্রান্ত শনাক্ত ১৯৭৫ , মৃত্যু আরও ২১ জনের।

চাঁপাইনবাবগঞ্জ কারাগার হতে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নির্দেশে ৩ জনকে মুক্তি প্রদান : খাদ্য সামগ্রী বিতরণ

স্টাফ রিপোর্টার
চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা কারাগার হতে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নির্দেশে আজ রবিবার বিকেল পর্যন্ত ৩ জনকে মুক্তি দেয়া হয়েছে।

শনিবার দুপুরে এক মাদক মামলার কয়েদিকে এবং রবিবার বিকেলে আরো দুই কয়েদিকে ছাড়া হয়েছে। কারামুক্তির সময় প্রশাসনের পক্ষ থেকে ১০ কেজি চাল, আলু, তেল, মুড়িসহ অন্যান্য খাদ্য সহায়তা দেয়া হয়েছে।

জেলখানা সূত্রে জানা গেছে, প্রথম ধাপে ৮ জনকে মুক্তি দেয়া হতে পারে ,যাদের মধ্যে ইতিমধ্যেই তিনজনকে মুক্তি দেয়া হয়েছে।

তিনজন মুক্তির বিষয়টি নিশ্চিত করেন চাপাই নবাবগঞ্জ জেলা কারাগারের জেলার মো: ইসমাইল হোসেন।

প্রসঙ্গত চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলখানায় অবস্থানরত ১৩২ জন কয়েদির মুক্তির ব্যাপারে সুপারিশ করা হয়

গোমস্তাপুরে করোনা উপসর্গ নিয়ে যুবকের মৃত্যু: নমুনা সংগ্রহ

গোমস্তাপুর(চাঁপাইনবাবগঞ্জ) প্রতিনিধি

 চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুরে শ্বাসকষ্ট ও কাশি নিয়ে এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে। রোববার দুপুরে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। মারা যাওয়া ওই যুবক ভোলাহাট উপজেলার জামবাড়িয়া ইউনিয়নের ছোট জামবাড়িয়া গ্রামের আন্জার আলীর ছেলে হৃদয়(১৭)। তবে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে অবহিত না করে তার লাশ নিয়ে যায় স্বজনরা। গোমস্তাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক চিকিৎসক সালাউদ্দিন আহমেদ জানান, রোববার দুপুর দেড়টার দিকে অসুস্থ অবস্থায় ওই যুবক চিকিৎসা নিতে এলে জরুরী বিভাগে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে হাসপাতালে ভর্তির কিছুক্ষন পর সে মারা যায়।তবে তার করোনা পরীক্ষার জন্য নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। এদিকে যুবকের সাথে আসা স্বজনের উদ্ধৃতি দিয়ে জরুরী বিভাগে কর্তব্যরত উপ-সহকারী কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার ফারিকুল ইসলাম জানান, ওই যুবক বেশ কিছুদিন থেকে কাশিসহ শ্বাসকষ্টে ভুগছিল। হাসপাতালে তার যক্ষা পরীক্ষা করা হয়। তবে তার যক্ষা ধরা পড়েনি বলে রিপোর্টে জানা গেছে।

যারা বেকার সমস্যা সমাধানে কাজ করছে তাদের নেই কোন আর্থিক সহযোগিতা বা প্রনোদনা

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের কারিগরিশিক্ষা বোর্ডের অধীনে পরিচালিত দেশে প্রায় সাড়ে ৩হাজার প্রশিক্ষণ কেন্দ্র যেখানে কম্পিউটার ও কারিগরি বিভিন্ন কোর্সের উপর প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। ৩/৬ মাস মেয়াদী কম্পিউটার কোর্স ভিত্তিক বিভিন্ন কারিগরি প্রশিক্ষণ নিয়ে বেকারত্বের হাত থেকে বাচঁতে শিখছে অনেক যুবক-যুবতীরা।

যারা নিজ নিজ অর্থায়নে সরকারের কোন সহযোগিতাছাড়াই বাংলাদেশকে একটি ডিজিটাল বাংলাদেশ তথ্যপ্রযুক্তি নির্ভর ও বেকার যুবসমাজকে কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে কম্পিউার ও কারিগরি কোর্স ভিত্তিক বিভিন্ন প্রশিক্ষণ প্রদান করে আসছে। বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে পরিচালিত এই প্রতিষ্ঠান গুলো প্রায় বছরে আড়াই লক্ষ বেকার যুবক-যুবতী ও ছাত্র/ছাত্রীদের প্রশিক্ষণ দিয়েদক্ষ করে তুলছে। তাদের মধ্যে কেউ কেউ প্রশিক্ষণ নিয়েদক্ষ হয়ে বিদেশে যাচ্ছে আবার কেউ কেউ দেশেইক্ষুদ্র উদ্যোক্তা হয়ে উঠছে এবং দেশের বেকার যুবকরা নিজেদের বেকারত্বের হাত থেকে রক্ষা করছে।

এই মহামারী কোভিড–১৯ করোনাভাইরাসে দূঃসময়ে ঐসমস্ত উদ্যোক্তাদের নেই কোন আর্থিক সহযোগিতা বা কোনসরকার ঘোষিত প্রনোদনা।

এমনি একজন উদ্যোক্তা যিনি মান্নান কম্পিউটার ট্রেনিং ইন্সটিটিউট, শিবগঞ্জ চাঁপাইনবাবগঞ্জ এর পরিচালক এম. এ. মান্নান তিনি বলেন, আমার প্রতিষ্ঠানে বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ড অনুমোদিত ৩টি শাখায় মোট ১৩টি ট্রেডে প্রশিক্ষণ প্রদান করি। বাংলাদেশসরকার ও শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের আদেশে কারিগরি শিক্ষাবোর্ডের নির্দেশ মোতাবেক গত ১৭ মার্চ হতে আমার প্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষনা করা হয়। প্রতিষ্ঠান পরিচালনা করতে ১০/১২ জন স্টাফ রয়েছে তাদের বেতন ও প্রতিষ্ঠানের ভাড়াসহ অন্যান্যসব খরচ মিলিয়ে মাসে প্রায় ১ লক্ষ্য ২০ হাজার টাকার মতো হয়। প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় তাদের বেতন ও ভাড়া যোগান দিতে আমাকে হিমশিম খেতে হচ্ছে।

আমি ও প্রতিষ্ঠানে কর্মরত স্টাফসহ প্রায় অনেকগুলোপরিবারই খুব দূর অবস্থায় জীবনযাপন করছি। আর যাই কিছুআয় হয়েছিলে বোর্ডের নির্দেশ মোতাবেক ছাত্র/ছাত্রীদেররেজিস্ট্রেশন ফি বাবদ সব টাকা বোর্ডে জমা দিয়ে দিয়েছি।এখন সরকারের কাছে একটাই দাবী আমার মত প্রতিষ্ঠান চাঁপাইনবাবগঞ্জে ৪০-৪৫ টির বেশি রয়েছে এবং সমগ্র বাংলাদেশে সাড়ে ৩ হাজার প্রতিষ্ঠানের বেশি উদ্যোক্তা আছে।

তাই মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে আমাদের আকুল আবেদনআমাদের এই খাতে সরকারের কিছু সহযোগিতার হাতবাড়িয়ে দেন তা হলে আমার মত এমন প্রতিষ্ঠানের উদ্যোক্তাসহ সংশ্লিষ্ট জড়িত এমন প্রায় ৮ থেকে ১০ হাজার পরিবারপথে বসে যাবে। তা না হলে ভবিষ্যতে আমাদের মত এমন তরুন উদ্যোক্তারাও এভাবে এগিয়ে আসবেনা এমনটিই বলেন এই তরুন উদ্যোক্তা।

তাই দেশের স্বার্থে যারা নিজস্ব উদ্যোগে ছোট ছোট উদ্যোক্তা হয়ে দেশের বেকার জনগোষ্ঠিকে প্রশিক্ষণ দিয়ে দক্ষ করে তোলে দেশ বিদেশে জনশক্তি রপ্তানীর সুযোগ সৃষ্টি করে দিচ্ছে তাদেরকে তাদের এ দুঃসময়ে আর্থিকভাবে সহযোগিতা করা ।

আমনুরায় আদার দাম কমলো-ভোক্তা অধিকারের অভিযানে

স্টাফ রিপোর্টার

চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার আমনুরা ও ঝিলিম বাজারে রবিবার দিনব্যাপী ভোক্তা অধিকার অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা তদারকি কার্যক্রম পরিচালনা করেন। এ সময় হঠাৎ করে আদার দাম কমে যায়।

অভিযানে পেয়াজ, রসুন, আদা ইত্যাদির মূল্য যাচাই করা হয় এবং মূল্যে কারসাজি করছেন কিনা যাচাই করা হয়। কতিপয় ব্যবসায়ীগণ আদার মূল্যে কারসাজি করার প্রমাণ পাওয়া যায়। অনেকেই ক্রয় ভাউচার সংরক্ষণ না করার অভিযোগ পাওয়া যায়

খুচরা ও পাইকারি দোকানগুলোতে দেখা যায় যে, ১৩০ টাকার আদা ২৭০-২৮০ টাকা পর্যন্ত বিক্রি হচ্ছে। পরে বিক্রেতাগণ তাদের ভুল স্বীকার করেন এবং খুচরা পর্যায়ে ১৬০-১৮০ টাকা বিক্রি করবেন বলে ঘোষণা দেন।

ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯ এর ধারা ৩৮ অনুযায়ী মূল্য তালিকা প্রদর্শন না করার অপরাধে আমনুরা ও ঝিলিম বাজারের মোট সাতটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানকে মোট ১৩,০০০(তেরো হাজার) টাকা জরিমানা আরোপ ও আদায় করা হয়।

এছাড়া বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান মালিকদের সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা, ন্যায্য মূল্যে পণ্য বিক্রয় করা ও মূল্য তালিকা প্রদর্শন করা ইত্যাদি বিষয়ে সচেতন হওয়ার আহবান জানানো হয়েছে।

উক্ত অভিযানে সহায়তা করেন জনাব মোঃ কোবাদ আলী, জেলা স্যানিটারি ইন্সপেক্টর ও আমনুরা পুলিশ ক্যাম্পের একটি টিম।

এধরনের অভিযান নিয়মিত পরিচালিত হচ্ছে।

চাঁপাইনবাবগঞ্জে কবর তৈরির কারিগর অসুস্থ স্বেচ্ছাসেবী র চিকিৎসার দায়িত্ব নিলেন ওসি’র সহধর্মিণী

স্টাফ রিপোর্টার: দৈনিক গৌড় বার্তা সহ বিভিন্ন

গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশের পর ৪০ বছর ধরে কবর খুঁড়া অসুস্থ বৃদ্ধ নূর মোহাম্মদ এর চিকিৎসার ব্যয়ভারের দায়িত্ব নিলেন সদর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ ওসি মো. জিয়াউর রহমান পিপিএম এর সহধর্মিণী সালমা আক্তার মনি।

ওসি জিয়াউর রহমান জানান, শনিবার বৃদ্ধ নূর মোহাম্মদ এর খবর গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে প্রচার হয়। খবরটি পাবার পরেই আমার সহধর্মিণী সালমা বৃদ্ধ নূর মোহাম্মদের সকল চিকিৎসার ব্যয়ভার নেবার ঘোষণা দেন।

তিনি আরো জানান, যে মানুষটি স্বার্থহীনভাবে আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য কবর খুঁড়ে গেছেন আজ তিনি অসহায়। কদিনই বা বাঁচবেন। আজ তাই দেখা করে বৃদ্ধ নূর মোহাম্মদ কে নগদ ৫০০০ হাজারটাকাসহ এক মাসের চাল, ডাল, আলু, তেল, আটা, খেঁজুর, সাবান, হ্যান্ড স্যানিটাইজার, চিনি, সেমাই ফলসহ নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্য তুলে দিলাম।

রোববার বিকেল ৩ টার দিকে পৌর এলাকার ১৪ ওয়ার্ড আজাইপুর মহল্লায় নূর মোহাম্মদের বাড়িতে গিয়ে নগদ ৫ হাজার টাকাসহ ৪০ কেজি চাল, ১০ কেজি আলু, ১০ কেজি ডাল, ১০কেজি পেঁয়াজ, ৫ কেজি আটা, ৫ কেজি চিনি, ১ কেজি মুড়ি, ১কেজি লবণ, ২লিটার তেলসহ হ্যান্ড স্যানিটাইজার, সাবান ও বিভিন্ন ধরনের ফলমূল তুলে দেন ওসি জিয়াউর রহমান পিপিএম।

এ সময় ওসি অপারেশন মো. মিন্টু রহমান উপস্থিত ছিলেন।

চাঁপাইনবাবগঞ্জে নমুনা পরীক্ষায় ধীর গতি ঃ ২ করোনা রোগীও সুস্থের পথে


চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি:

চাঁপাইনবাবগঞ্জে করোনার নমুনা পরীক্ষার গতি ধীর হওয়ায় এবং সামাজিক দুরত্ব না মানায় জেলায় করোনা সংক্রামণের ঝঁকি বাড়ছে। জেলার মোট জনগোষ্টী প্রায় ১৭ লাখ।কিন্তু জেলার ৫ উপজেলা থেকে প্রতিদিন সংগ্রহ করা হচ্ছে মাত্র ৪০টি করে নমুনা। আবার এ নমুনার ফলাফল আসতেও বিলম্ব হচ্ছে।তবে আশার কথা হচ্ছে নারায়নগঞ্জ ফেরত যে ২ ব্যাক্তি করোনা পজিটিভ ছিলেন ,তারা সুষ্থ হবার পথে।
চাঁপাইনবাবগঞ্জের বিভিন্ন স্থান ঘুরে দেখা গেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তৎপড়তার মধ্যেও জেলাবাসি মানছেনা সামাজিক দুরত্ব।বিভিন্ন মোড় গুলোতে পুলিশ তৎপর হয়ে অভিযান চালালেও থামানো যাচ্ছে বাজারে অযথা ঘোরাফেরা।বিশেষ করে জেলার বিভিন্ন সোনালি ব্যাংকে ও ইসলামী ব্যাংক শিবগঞ্জ শাখায় গ্রাহকের উপচেপড়া ভীড় সচেতন জনমনে শংকা বাড়ছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে কাঁচা বাজার শহরের স্টেডিয়াম মাঠে স্থানান্তর করা হলেও সেখানেও মানা হচ্ছেনা সামাজিক দুরত্ব।
এ ব্যাপারে সোনালী ব্যাংকে মাকে নিয়ে আসা এক গ্রাহক জানান, তিনি বৃদ্ধ মাকে নিয়ে সকাল ১০ টা থেকে লাইনে দাঁড়িয়ে আছেন বিধবা ভাতার জন্য।কিন্তু এখানে অন্তত ৩ শতাধিক গ্রাহক রয়েছে যারা কোন সামাজিক দুরত্ব মানছেননা।
অন্যদিকে শিবগঞ্জ ¯œাতক মহাবিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক গোলাম মোস্তফা মামুন,নওগাঁর ডিসি,এসপি সহ উর্দ্ধতন কর্মকর্তাদের আক্রান্তের বিষয়টি তুলে ধরে জানান, করোনা পরীক্ষার মাধ্যমে দ্রুত করোনা রোগীর প্রকৃত সংখ্যা বের না করা হলে ভয়াবয় অবস্থা হতে পারে জেলায়।
এ ব্যাপারে চাঁপাইনবাবগঞ্জ সিভিল সাজর্ন জাহিদ নজরুল চৌধুরি জানান,জেলায় ২ জন নারায়নগঞ্জ ফেরত করোনা রোগী সনাক্ত হবার ১৪ দিন পর তাদের প্রথম দফায় করোনা পরীক্ষার ফল নেগেটিভ এসেছে।দ্বিতীয় দফায় পরীক্ষায় রির্পোট নেগেটিভ আসলে তাদের হোম কোয়ারেনটাইন থেকে মুক্ত করে দেয়া হবে।তিনি আরও জানান,বর্তমানে জেলায় হোম কোয়ারেনটাইনে আছেন ২ হাজার ৫শ জন। রবিবার পর্যন্ত জেলায় নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে ৩৭৬ জনের।এর মধ্যে রির্পোট আসেনি ৫৫ টি নমুনার এবং রবিবার বিকেলে রাজশাহীর ল্যাবে পরীক্ষার জন্য পাঠানো হবে ৫০ টি নমুনা।
সিভিল সার্জন জেলায় করোনা পরীক্ষার জন্য নমুনা সংগ্রহ বৃদ্ধি করা খুবই জরুরী মত দিয়ে তিনি আরও জানান, জেলায় ৫ উপজেলার ১৭ লাখ জনগোষ্টীর মধ্য থেকে মাত্র ৪০টি নমুনা সংগ্রহ একেবারেই নগন্য।

গোমস্তাপুরে করোনা নিয়ে কাজ করা সেচ্ছাসেবকদের উৎসাহ দিল প্রশাসন


গোমস্তাপুর(চাঁপাইনবাবগঞ্জ)প্রতিনিধিঃ চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুর উপজেলার বোয়ালিয়া ইউনিয়নে করোনা নিয়ে কাজ করা সেচ্ছাসেবকদের উৎসাহ প্রদান করল উপজেলা প্রশাসন। রোববার দুপুরে তাদের কাজের একমাস পূর্তিতে বোয়ালিয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় প্রাঙ্গনে এ উপলক্ষে আয়োজিত মত বিনিময় সভায় সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের আহবায়ক এম কবির। প্রধান অতিথি ছিলেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার মিজানুর রহমান । এ সময় উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট চন্দন কর, গোমস্তাপুর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জাহিদুর রহমান, করোনা প্রতিরোধে ওই ইউনিয়নের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ও পল্লী সঞ্চয় ব্যাংকের ব্যবস্থাপক ইফতে খাইরুল হক, সাবেক চেয়ারম্যান জিল্লুর রহমান লালু , সংগঠনের সদস্য সচিব তুহিন সহ সেচ্ছাসেবক ও জনপ্রতিনিধিবৃন্দ। সভায় কাজ করতে গিয়ে সেচ্ছাসেবকদের নানা অভিজ্ঞতা তুলে ধরা হয়। উল্লেখ্য, উপজেলা প্রশাসনের পৃষ্টপোষকতায় পরিচালিত ইউনিয়ন পর্যায়ের এ সেচ্ছাসেবক দল অতি অল্প সময়ে উপজেলায় করোনা প্রতিরোধে নানা কাজ করে দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে। তারা গত ১ মাসে এলাকায় বিভিন্ন জেলা থেকে আসা লোকজনকে হোম ও প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টাইন নিশ্চিত করার পাশাপাশি এলাকা জনসচেতনতা সৃষ্টিতে কাজ করে যাচ্ছে। বর্তমানে তাদের প্রচেষ্টায় ওই এলাকার ৮ টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে প্রায় ১’শ জন প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টাইনে রয়েছে।

গোমস্তাপুরে সড়ক দূর্ঘটনায় নিহত-১, আহত-২


গোমস্তাপুর(চাঁপাইনবাবগঞ্জ) প্রতিনিধিঃ চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুরে নিয়ন্ত্রন হারিয়ে মাইক্রোবাস উল্টে ১ জন নিহত ও অপর ২ জন আহত হয়েছে। আজ রোববার সকালে উপজেলার বোয়ালিয়া- চৌডালা সড়কের বসনীটোলা গ্রামে এ দূর্ঘটনা ঘটে। নিহত ব্যক্তি মাইক্রোবাস চালক উপজেলার চৌডালা ইউনিয়নের বসনীটোলা গ্রামের পাতু শেখের ছেলে মোহাম্মদ আলী(৩৫)। এ ঘটনায় তার মা তারা বেগম(৫৫) ও ভাবী নাসিমা বেগম(৪০) আহত হয়েছে।
গোমস্তাপুর থানার উপ-পরিদর্শক কামরুজ্জামান জানান, নিহত মোহাম্মদ আলী তার মা ও ভাবীকে নিয়ে অসুস্থ সন্তানকে দেখতে মাইক্রোবাসযোগে চৌডালার উদয়নগর গ্রামে যাবার সময় নিয়ন্ত্রন হারিয়ে পাশ্ববর্তী খাদে পড়ে যায়। পরে রহনপুর ফায়ার সার্ভিস ষ্টেশনের কর্মীরা গাড়ীতে চাপা পড়া অবস্থায় তার লাশ উদ্ধার করে। এ সময় ফায়ার সার্ভিস সদস্যরা তার মা ও ভাবীকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। তাদের প্রাথমিক চিকিৎসার পর ছেড়ে দেয়া হয়েছে বলে হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে।

করোনা উপেক্ষা করে মানবসেবায় পল্লী বিদ্যুৎ

ভোলাহাট (চাঁপাইনবাবগঞ্জ) প্রতিনিধিঃ অদৃশ্য শত্রু করোনা ভাইরাসের থাবায় কাঁপছে সারা দেশে। জীবন রক্ষার জন্য ধর্মীয় অনুশাসন, বৈজ্ঞানিক নির্দেশনা, স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা, হোম কোয়ারেন্টাইন, প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টাইন, আইসোলেশন, লকডাউন, সামাজিক দূরত্ব মেনে চলার জন্য জন্য তাগিদ আসছে ,ঠিক এ সময় পল্লী বিদ্যুতের কমীূরা ঝুঁকি নিয়ে কাজ করে যাচ্ছে মাঠে ময়দানে।
সমপ্রতি ইফতারের আগ মুহূর্তে বৃষ্টি আর ঝড়। বিদ্যুৎ চলে গেছে। কিছুক্ষণের মধ্যে ইফতার। এটা ভোলাহাট পল্লী বিদ্যুৎ সাব-জোনাল অফিসের কথা। এদিকে করোনা বন্দি মানুষ অপরদিকে মুসলমানদের পবিত্র ইফতার। নিজেদের কথা চিন্তা না করে মানবসেবায় ভোলাহাট সাব অফিসের আলোর গেরিলা বাহিনীর নেতা সহকারী জেনারেল ম্যানেজার রুহুল আমিনের কথা মত ঝড়বৃষ্টিতে ভিজে বিদ্যুৎ সচল করতে ক্ষতিগ্রস্থ লাইন চিহৃত করে ইফতারের পূর্বে বৈদ্যুতিক সেবা দিলেন মানুষকে।
আলোর গেরিলা টিম (ভোলাহাট সাব জোনাল অফিস, চাঁপাইনবাবগঞ্জ পবিস) নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে মহামারী করোনা পরিস্থিতির মাঝে। কৃষি কাজে পানি সরবরাহে গভীর নলকুপে আর গৃহস্থালি কাজে নিরবিছিন্ন বিদ্যুৎ দিতে প্রানান্তকর চেষ্টা। তারপরও কিছু কথা থেকে যায়। এ যোদ্ধারা দেশকে ভয়াবহ মুহূর্তে নিজেদের যখন উৎসর্গ করে করোনা ভাইরাস মোকাবেলায় নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সুবিধা দিয়ে যাচ্ছেন। কিন্তু এদের কপালে জুটেনি করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে নিজেদের সুরক্ষায় প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম।
করোনার ভয়ংকর সময়ে ঘরে বন্দি মানুষেরা বিদ্যুৎ বিহীন কতটা অসহায় বিদ্যুৎ না থাকলে বুঝা যায়। বিদ্যুৎ না থাকলে এ যেন আরেক মৃত্যুপুরি। তাই সচেতনমহলের দাবী আলোর গেরিলা টিমকে সুরক্ষা দিতে প্রয়োজনীয় যা যা করা দরকার তাই করাসহ প্রণোদনা দেয়ার দাবী করেছেন।
এদিকে ভোলাহাট পল্লী বিদ্যুৎ সাব-জোনাল অফিসের সহকারী জেনারেল ম্যানেজার রুহুল আমিন জানান, করোনার ভয়াবহতা আর পবিত্র রমজান মাসে ভোলাহাটে আলোর গেরিলা টিমের মাধ্যমে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সুবিধা অব্যহত রাখা হয়েছে। ভয়কে ভয় পাইনা পল্লী বিদ্যুতের যোদ্ধারা। তিনি বলেন, বিদ্যুৎ না থাকলে ঘরবন্দি ও রমজান মাসে মানুষের অসুস্থ্যতা আরো বেড়ে যেতে পারে। জীবনে সবটুকু দিয়ে সংকট মোকাবেলা করতে প্রস্তুত আছেন তার আলোর গেরিলা টিম বলে তিনি জানান। তিনি সকলকে সরকারি নির্দেশনা মেনে সামাজিক দূরুত্ব বজায় রেখে সুস্থ থাকার ভালো থাকার আহবান জানান।

সাম্য নয়, ষড়যন্ত্রের বীজ বুনতেই নতুন রাজনৈতিক দলের আত্মপ্রকাশ করিয়েছে জামায়াত…ড. কাজী এরতেজা হাসান


পৃথিবীতে যে রাজনৈতিক শক্তি বা দল সে দেশের স্বাধীনতা অর্জনে নূন্যতম ভূমিকা পালন করে, সেই দল বা শক্তির সামনে কঠিন সময় আসতে পারে। কিন্তু সেই রাজনৈতিক দলটি কঠিন সময় পার করে আবারো ঘুরে দাঁড়াতে পারে। কখনো স্বাধীনতার পক্ষের শক্তি বিলীন হয় না। কিন্তু যে শক্তি বা দল কোনও দেশের স্বাধীনতা অর্জনের সময় বিরোধিতা করে, সেই দলের কোনো আদর্শ থাকে না। তাই সেটি বিলীনও হয়ে যায়। বাংলাদেশের সুমহান মুক্তিযুদ্ধের সময় বিরোধিতাকারী রাজনৈতিক শক্তির নাম বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। দলটি ইতিমধ্যেই নিবন্ধন হারিয়ে রাজনৈতিক মাঠ থেকে ছিটকে পরেছে। তাই সুকৌশলে আবারো ষড়যন্ত্রের ঝাল বুনতেই মাঠে নেমেছে।

সারা পৃথিবী যখন করোনা ভাইরাস মোকাবিলায় ব্যস্ত, তখনই জামায়াত থেকে সুকৌশলে বের হয়ে এসে নতুন রাজনৈতিক দল নিয়ে সামনে আসলো দলটির সাবেক নেতারা। জামায়াত থেকে বেরিয়ে আসা ও বহিষ্কৃতদের সমন্বয়ে রাজনৈতিক উদ্যোগ ‘জন আকাঙ্ক্ষার বাংলাদেশ’ নামে সংগঠনটি নতুন রাজনৈতিক দল হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছে।

শনিবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে রাজধানীর বিজয়নগর এলাকায় সংগঠনের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে ‘আমার বাংলাদেশ পার্টি’ বা এবি পার্টি হিসেবে আত্মপ্রকাশ ঘটেছে সংগঠনটির।

‘সাম্য, মানবিক মর্যাদা ও সামাজিক সুবিচার’- স্বাধীনতার ঘোষণাপত্রের এই তিন মূলনীতির ভিত্তিতে দলটির নাম ঘোষণা দেয়া হয়। জামায়াতের কেন্দ্রীয় শুরা সদস্য ও সাবেক সচিব এএফএম সোলায়মান চৌধুরী আহ্বায়ক এবং জামায়াত থেকে বহিষ্কৃত ছাত্রশিবিরের সাবেক সভাপতি মজিবুর রহমান মঞ্জুকে সদস্যসচিব উল্লেখ করে ২২২ সদস্যের আহ্বায়ক কমিটির নাম ঘোষণা করা হয়।

এখানে উল্লেখ করা ভালো যে, সাবেক সচিব এএফএম সোলায়মান চৌধুরী আহ্বায়ক জামায়াতের সাবেক কেন্দ্রীয় শুরা সদস্য। তিনি বিএনপি সরকারের আমলে নানাভাবে পদোন্নতি ভাগিয়ে নিয়েছিলেন শুধুমাত্র জামায়াতের পরীক্ষিত লোক হিসাবে। এছাড়া জামায়াতের ছাত্র সংগঠন বাংলাদেশ ছাত্র শিবিরের সাবেক সভাপতি মজিবুর রহমান মঞ্জুকে খুব সুকৌশলে বহিষ্কার করেছিল দলটি। কেননা, জামায়াত নিষিদ্ধ হলে বিকল্প দল গঠনের জন্য নিজেদের পরীক্ষিত সৈনিকদের দিয়েই কাজ চালানোর জন্যই এই বহিষ্কার করা হয়েছিল। এক্ষেত্রে নিবন্ধন হারানোর পরও জামায়াত নতুন করে রাজনৈতিক চাল চেলেই আমার বাংলাদেশ পার্টি নামে যে রাজনৈতিক দলটির আত্মপ্রকাশ ঘটিয়েছে।

মহান মুক্তিযুদ্ধকে বিতর্কোর্ধ্ব জাতীয় অর্জন আখ্যা দিয়ে মজিবুর রহমান মঞ্জু শনিবার সংবাদ সম্মেলনে বলেন, ‘ধর্ম ও স্বাধীনতাকে সকল বিতর্কের ঊর্ধ্বে রেখে একটি কল্যাণ রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার জন্য কাজ করে যাবে এবি পার্টি। কিন্তু সারাজীবনই বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের চেতনার বিরোধীতাকারী এবং স্বাধীনতা সংগ্রামের সময় প্রত্যক্ষ বিরোধীতাকারী দলের একজন শীর্ষ সাবেক নেতা তার আদর্শকে ভুলে যেতে পারেন না। তাই তিনি মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে শুরুতেই মিথ্যাচার করেছেন।

মূলত, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সুযোগ্য কন্যা, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ আজ বিশ্বের বুকে উন্নয়নের রোল মডেল। এই উন্নয়নের ধারাকে ব্যাহত করতে নতুন করে ষড়যন্ত্রের জাল বুনতেই অত্যন্ত সুকৌশলে করোনা সংকটকালীন সময়ে জামায়াত পুরনো বোতলে নতুন মদ ঢালার মতোই আমার বাংলাদেশ পার্টির আত্মপ্রকাশ ঘটিয়েছে।

নতুন এই রাজনৈতিক দলটির আদর্শ নিয়ে যতই শ্রুতিমধুর কথা বলা হোক না কেন, আদতে দলটির আশা আকাঙ্ক্ষাই হচ্ছে বর্তমান সরকারের বিরোধিতা করে দেশকে অকার্যকর ও ব্যর্থ রাষ্ট্র হিসাবে বিশ্বের কাছে তুলে ধরা। জঙ্গিবাদ থেকে শুরু করে মানবতা বিরোধী অপরাধে যুদ্ধাপরাধীদের বিচার করে বর্তমান সরকার নতুন প্রজন্মের কাছে অধিক গ্রহণযোগ্য হওয়ায় এবং জামায়াত সরাসরি রাজনীতিতে বিতাড়িত হয়ে নিজেদের এজেন্ডা বাস্তবায়নের জন্যই এই কথিত রাজনৈতিক দল নিয়ে মাঠে নেমেছে।

আমাদের সমাজে বিশেষ করে প্রশাসনের কতিপয় কর্মকর্তা এখনো তাদের বক্তব্যের শেষে জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু বলেন না। তারাও মনেপ্রাণে জামায়াতপন্থী। তারা মুখে মুখে অনেক কথা বললেও, এখনো স্বপ্ন দেখেন একদিন এদেশে জামায়াতে ইসলামীর সরকার ক্ষমতায় আসবে। কিন্তু বাংলাদেশে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আদর্শিক সন্তানরা যতদিন বেঁচে আছেন, তা কোনো দিনই সম্ভব হবে না। জামায়াত বিএনপির মতো বিষধর সাপের ন্যায় রাজনৈতিক শক্তির সাথে কোনো আপোষ হতে পারে না। মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এবং তার কন্যা শেখ হাসিনার সৈনিকরা জামায়াতের সকল ষড়যন্ত্রের ঝাল ছিন্নভিন্ন করে দিবে। এই বাংলাদেশে আর কোনোদিন জামায়াতের মতো রাজনৈতিক শক্তির উত্থান ঘটবে দিবে না বঙ্গবন্ধুর আদর্শিক সন্তানরা। বুকের শেষ বিন্দু দিয়ে হলেও জামায়াতের বিরুদ্ধে লড়াই করে যাবো বলে আমি দৃঢ়ভাবে প্রতিজ্ঞা বহুআগেই করেছি। অনেক ঘাত প্রতিঘাত সহ্য করেই বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা গড়ার জন্য শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী করতে প্রতিনিয়তই কাজ করে যাচ্ছি। এদেশের প্রশাসনে এখনো জামায়াত বিএনপির কিছু লোক আছে যারা মুখে মুখে বাংলাদেশ প্রেমী, কিন্তু অন্তরে পাকিস্তানের প্রতি প্রেম। বাংলাদেশ ব্যাংকের ইতিহাস গ্রন্থে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে অবমাননার দায়ে মহামান্য হাইকোর্টে রিট করেছিলাম। তারপর নানান হুমকি এবং প্রাতিষ্ঠানিকভাবে আর্থিক ক্ষতির পরও লড়াই থেকে সরে আসেনি। আরেকটা কথা বলতেই হয়, হয়তো এখনই এদেশে জামায়াত শিবির মুক্ত করা যাবে না; কিন্তু জামায়াতমুক্ত সরকার গঠন করা খুবই সম্ভব।

দেশপ্রেমিক আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী থেকে শুরু করে গোয়েন্দা সংস্থার সংশ্লিষ্ট সকলের কাছে বিনীত আবেদন এই যে, খোলসবন্দী জামায়াতের নতুন সংস্করণ এই রাজনৈতিক দলটি যেন দেশে নতুন করে কোনো নাশকতা চালাতে না পারে এবং ভিত গড়তে না পারে সেদিকে খেয়াল রেখে তাদের সকল কর্মকাণ্ড ও গতিবিধি নজরদারিতে আনা। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আমলে অর্জিত সুনামগুলো যেন এই অপশক্তির রাজনৈতিক দলের হাতে ভূলুণ্ঠিত না হয় সেদিকেও খেয়াল রাখা জরুরি বলে মনে করি। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আদর্শিক সন্তান হিসাবে জামায়াতের মতো বিষধর রাজনৈতিক শক্তির বিরুদ্ধে আমাদের লড়াই অব্যাহত থাকবে। জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু। বাংলাদেশ চিরজীবী হোক।

লেখক: সম্পাদক ও প্রকাশক, দৈনিক ভোরের পাতা ও ডেইলি পিপলস টাইম। পরিচালক, এফবিসিসিআই