সর্বশেষ সংবাদ করোনাভাইরাস: ঢাকা শহরে ১৪ হাজার কোভিড-১৯ রোগী, সবচেয়ে বেশি মহাখালীতে এতিম শিশুদের পাশে মানিক শিশুকালের ঈদ বিনোদপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক মরহুম ওবায়দুর রহমান রেনু মাস্টারের জানাযা সম্পন্ন চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুরে ঘূর্ণিঝড়ে লণ্ডভণ্ড দুটি গ্রাম চাপাইনবাবগঞ্জে উদযাপিত হলো পবিত্র ঈদুল ফিতর: জেনে নিন কারা কোথায় ঈদ উদযাপন করলো ঈদের নামাজ পড়ানোর সময় সেজদারত অবস্থায় ইমামের মৃত্যু ২৪ ঘণ্টায় আক্রান্ত শনাক্ত ১৯৭৫ , মৃত্যু আরও ২১ জনের। শিবগঞ্জে ঈদ উদযাপন বিয়ের পাঁচ মাসের মাথায় স্বামী স্ত্রীর আত্মহত্যা!

চিকিৎসকদের করতালিতে বাড়ি ফিরলেন করোনাজয়ীরা


প্রতিদিনই যখন করোনা শনাক্ত রোগীর মৃত্যুর সংখ্যা বাড়ছে, তখন তারা সুস্থ হয়ে হাসপাতাল ছাড়ছেন। শুধু তাই নয়, করোনাকে জয় করে হাসপাতাল ত্যাগ করা রোগীদের করতালির মাধ্যমে বিদায় জানাচ্ছেন চিকিৎসকরা। দিনটা তাই নিঃসন্দেহে অন্যরকম। শনিবার (২ মে) বেলা সাড়ে ১২টার দিকে এমন দৃশ্যের অবতারণা হয় রাজধানীর মুগদা জেনারেল হাসপাতালে। চিকিৎসা নিয়ে সুস্থ হওয়া ৯ ব্যক্তিকে করতালি দিয়ে বিদায় জানিয়েছেন চিকিৎসক ও অন্যান্য কর্মকর্তা। করোনা থেকে বেঁচে ফেরার পর এমন মুহূর্তের মুখোমুখি হতে পেরে রোগীরাও বেশ আনন্দিত।

শনিবার বেলা সোয়া ১২টার দিকে মুগদা জেনারেল হাসপাতালের গেটের সামনে জড়ো হতে থাকেন চিকিৎসকরা। সুস্থ হয়ে বাড়ি ফেরা রোগীদের একটু ভিন্নভাবে বিদায় জানাতেই তাদের এই আয়োজন। এরপর গেটের সামনে আসেন হাসপাতালটির অধ্যক্ষ ও ভারপ্রাপ্ত পরিচালক অধ্যাপক শাহ গোলাম নবী এবং করোনার ফোকালপারসন অধ্যাপক মাহবুবুর রহমানসহ অন্যান্য চিকিৎসক।বেলা সাড়ে ১২টার দিকে বের হতে থাকেন সুস্থ হওয়া রোগীরা। তাদের মধ্যে ছিলেন দুজন চিকিৎসকও। এভাবে একে একে ৯ ব্যক্তি চিকিৎসকদের করতালির মাধ্যমে হাসপাতাল ত্যাগ করেন। এর আগে, শুক্রবারও মুগদা জেনারেল হাসপাতাল থেকে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ১১ জন। হাসপাতালটিতে এখন ভর্তি আছেন ২৮৯ জন।

হাসপাতাল থেকে বাড়ি ফেরার সময় নিজেদের অভিজ্ঞতার কথা জানান কয়েকজন। দৈনিক প্রথম আলোর সাংবাদিক শওকত হোসেন মাসুম বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘এই হাসপাতালে এসেছি ২০ এপ্রিল। আমি হাসপাতালের দ্বিতীয় রোগী। ওয়ার্ডে ছিলাম দুদিন। স্বাভাবিকভাবে ওয়ার্ডে থাকা সহজ না। পরে আস্তে আস্তে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ সবকিছু গুছিয়ে এনেছেন, আমিও কেবিনে গিয়েছি। আইসিইউতেও ছিলাম। সব মিলিয়ে ডাক্তাররা আমাকে অনেক সহায়তা করেছেন। এখন ভালো আছি। দুবার করোনা পরীক্ষায় ফলাফল নেগেটিভ এসেছে।’এদিকে ইসলামিক বিশ্ববিদ্যালয় ছুটি হলে ঢাকার টিকাটুলির বাসায় আসেন শিক্ষার্থী মো. জায়েদ। দুদিন ত্রাণ বিতরণের কাজে বের হন তিনি। সেখান থেকেই করোনায় আক্রান্ত হন বলে আশঙ্কা তার। নিজের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে মো. জায়েদ বলেন, ‘আমাদের পরিবারের তিন জন করোনা আক্রান্ত হয়েছেন। আমরা ২১ এপ্রিল এখানে ভর্তি হই। আমি আমার ভাই এবং আমার দাদু। আমার ছোট ভাই শুক্রবার (১ মে) সুস্থ হয়ে বাসায় গেছে। আমি আজকে যাচ্ছি। আমার দাদু এখনও হাসপাতালে আছেন, তবে তিনি আগের চেয়ে ভালো আছেন। এখানে যতদিন ছিলাম, চিকিৎসকরা আমাদের যথেষ্ট লক্ষ রেখেছেন। তারা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে আমাদের চিকিৎসা করেছেন, আমি তাদের জন্য দোয়া করি। আসলে ভয়ের কোনও কারণ নেই, মানসিকভাবে ফিট থাকতে হবে। মনের শক্তিটাই বড় শক্তি।’

করোনা পজিটিভ রোগীকে সেবা দিতে গিয়ে আক্রান্ত হন মুগদা হাসপাতালের মেডিক্যাল অফিসার বনি আমিন। তিনি বলেন, ‘আমি আক্রান্ত হয়েছি ১২ এপ্রিল। এরপর কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি ছিলাম ১৩ থেকে ২৩ এপ্রিল। পরে মুগদা জেনারেল হাসপাতালে স্থানান্তরিত হই। আমার অভিজ্ঞতা খুবই ভালো। ডাক্তাররা কো-অপারেটিভ। যদিও ডিসটেন্স ম্যানটেইন করে রোগী দেখছেন, এটা খুব স্বাভাবিক বিষয়। জনসচেতনতা খুবই জরুরি।’

করোনা আক্রান্ত মায়েরা তাদের শিশু সন্তানদের দুধ পান করাতে পারবে

ঢাকা: করোনা ভাইরাস (কোভিড-১৯) সংক্রমণে সম্ভাব্য বা আক্রান্ত মায়েরা তাদের শিশু সন্তানদের দুধ পান করানো বিষয়ক তথ্য বার্তার অনুমোদন দিয়েছে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়।

এখন কোভিড-১৯ দুর্যোগকালীন সাধারণ মানুষের পুষ্টির ব্যাপারে ভ্রান্ত ধারণা দূরীকরণসহ সঠিক তথ্য দেওয়ার উদ্দেশ্যে বাংলাদেশ জাতীয় পুষ্টি পরিষদ সংশ্লিষ্ট সব অংশীজনের সমন্বয়ে শিশুখাদ্যের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।সম্প্রতি অনুমোদিত এই পুষ্টিবার্তা জনস্বার্থে প্রচার করবে বাংলাদেশ জাতীয় পুষ্টি পরিষদ।তথ্য বার্তায় বলা হয়েছে, কোভিড-১৯ সংক্রমণে সম্ভাব্য/শনাক্তকৃত মায়েরা শিশুকে বুকের দুধ পান করাতে পারবেন। জন্মের এক ঘণ্টার মধ্যে মায়ের দুধ দেওয়া শুরু করবেন এবং জন্মের ৬ মাস পর্যন্ত শুধুমাত্র মায়ের দুধ পান করাবেন।

হাঁচি-কাশিজনিত শিষ্টাচার মেনে চলুন এবং মাস্ক পরুন। শিশুকে দুধ পানের আগে-পরে এবং শিশুকে স্পর্শ করার আগে হাত ভালো করে সাবান ও পানি দিয়ে কমপক্ষে ২০ সেকেন্ড ধুয়ে অথবা অ্যালকোহল যুক্ত হ্যান্ড স্যানিটাইজার দিয়ে পরিষ্কার করে নিন। যেসব স্থানে কোভিড-১৯ এ আক্রান্ত মায়ের সংস্পর্শে এসেছে সেসব জায়গা বা ব্যবহৃত আসবাবপত্রের উপরিতল নিয়মিতভাবে পরিষ্কার ও জীবাণুমুক্ত করুন।

গুরুতর অসুস্থতার কারণে মায়ের দুধ পান করানো, বের করা সম্ভব না হলে দাই-মা বা কোনো স্তন্যদানকারী নারীকে খুঁজে বের করে দুধ পান করাতে উৎসাহিত করুন। এগুলোর কোনোটি সম্ভব না হলে রেজিস্ট্রার্ড চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী মায়ের দুধের যথাযথ কোনো বিকল্প ব্যবহারের সম্ভাব্যতা খুঁজে বের করুন এবং পরবর্তী সময়ে মা সুস্থ হলে শিশুকে পুনরায় মায়ের দুধ খাওয়ানো শুরু করুন।

শিশু যদি কোভিড-১৯ আক্রান্ত হয় এবং মায়ের দুধ পানে সমর্থ হয় তবে শিশুকে তার চাহিদা অনুযায়ী বারে বারে মায়ের দুধ পান করতে দিন। এক্ষেত্রে সংক্রমণে রোধে মা দরকারি পদক্ষেপ ও প্রয়োজনে রেজিস্ট্রার্ড চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ব্যবস্থা নিন।

আরো একবার ছড়াবে করোনা, হবে ভয়ানক!

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ইংল্যান্ডের প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা এবং সে দেশের সরকারের চিকিৎসা বিষয়ক উপদেষ্টা প্রফেসর ক্রিস হোয়াইটি সতর্ক করে দিয়ে বলেছেন, করোনাভাইরাস দ্বিতীয়বার ছড়িয়ে পড়তে শুরু করলে তা প্রথমবারের তুলনায় তীব্র হতে পারে এবং শীতকালে এটির সংক্রমণ শুরু হলে দ্রুত ছড়িয়ে পড়তে পারে। যার ফলে ভয়ঙ্কর আকার হতে পারে।

প্রফেসর ক্রিস হোয়াইটি আরো বলেন, প্রতিটি দেশই লকডাউন ব্যবস্থা শিথিল করার উপায় খুঁজছে। কিন্তু মহামারিটি নিয়ন্ত্রণে রাখতে অত্যন্ত কঠিন ভারসাম্য রক্ষা আইন চালু করতে হবে।

তিনি আরো বলেন, এই ভাইরাসে আক্রান্ত একজন ব্যক্তি থাকলেও তিনি অন্যদেরকে সংক্রমিত করতে পারেন। এটা নিশ্চিত করা দরকার যে- এই ভাইরাসে আক্রান্ত একজনও নেই। যদি এটা করা সম্ভব না হয়- তাহলে আমরা দ্বিতীয়বার করোনাভাইরাসের তাণ্ডব প্রত্যক্ষ করতে বাধ্য হবো।

ক্রিস হোয়াইটি আরো বলেন, ভাইরাসটি থেকে আমরা সম্পূর্ণরূপে নিরাময় না হতে পারলে প্রথমবারের চেয়ে বেশি অক্রান্ত ও মৃত্যু দেখতে হবে। আর এটা হবে আগের তুলনায় কম সময়ে এবং বেশি বিধ্বংসী আকারে।

তবে তিনি এও বলেছেন, করোনাভাইরাস থেকে মুক্তি লাভের পথ অনেক লম্বা এবং এই রোগ চিরতরে নির্মূল করা প্রযুক্তিগতভাবে অসম্ভব। সূত্র: ওয়ালেস অনলাইন

স্টেশনের প্লাটফর্মে ঝুলছে বৃদ্ধের মরদেহ

ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি

ব্রাহ্মণবাড়িয়া রেলওয়ে প্লাটফর্মের নিরাপত্তা বেষ্টনীর গ্রিলে ঝুলন্ত অবস্থায় অজ্ঞাত এক বৃদ্ধের মরদেহ উদ্ধার করেছে রেলওয়ে পুলিশ। শনিবার দুপুর দেড়টার দিকে ১ নং প্লাটফর্মের পশ্চিম দিক থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া রেলওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ উপ-পরিদর্শক (এসআই) সেতাফুর রহমান জানান, দুপুরের দিকে বৃষ্টির পর পথচারীরা মরদেহটি ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পায়। ট্রেন চলাচল বন্ধ থাকায় ষ্টেশনের প্লাটফর্ম এলাকা অনেকটা নীরব। বৃদ্ধের বয়স আনুমানিক ৬০ বছর হবে। মাফলারে ফাঁস দেয়া ঝুলন্ত অবস্থায় তার মরদেহটি ছিল। মরদেহের পাশে দুইটি ব্যাগ পাওয়া যায়, যার একটিতে জ্যাকেট, কম্বল ও অপরটিতে কাপড় ছিল।

তিনি আরও বলেন, ধারণা করা হচ্ছে বৃদ্ধ গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছে। তবে তদন্ত শেষে বিস্তারিত জানা যাবে। তার পরিচয় শনাক্ত করার চেষ্টা চলছে।

আবারও এমপিও নিয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নতুন নির্দেশনা

জার্নাল ডেস্ক

আড়াই হাজারের বেশি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের এমপিওভুক্তিকরণ কার্যক্রম সম্পন্ন করতে নির্দেশনা দিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদফতর (মাউশি) থেকে দ্রুত সময়ের মধ্যে যাচাই-বাছাই শেষে প্রতিষ্ঠান ও শিক্ষকদের ব্যক্তিগত কোড নম্বর যুক্ত করে প্রজ্ঞাপন জারি করা হবে।

গত ২২ এপ্রিল বেসরকারি শিক্ষকদের একাধিক সংগঠনের পক্ষ থেকে প্রধানমন্ত্রীর কাছে আবেদন জানানোর পর এ কার্যক্রম নতুন করে শুরু করা হয়েছে।

প্রায় এক দশক পর গত বছরের ২৩ অক্টোবর একযোগে দুই হাজার ৭৩০টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে এমপিওভুক্ত করে তালিকা প্রকাশ করে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। এরপর ওই বছরের ১২ নভেম্বর ছয়টি এবং ১৪ নভেম্বর একটি প্রতিষ্ঠানকে এমপিওভুক্ত করা হয়। নতুন এমপিও পাওয়া এসব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-কর্মচারীদের গত বছরের (২০১৯) জুলাই থেকে নির্ধারিত বেতন-ভাতা পাওয়ার কথা। কিন্তু এখনো এমপিও তালিকা প্রকাশ করলেও বেতন ছাড়ের আদেশ জারি করেনি শিক্ষা মন্ত্রণালয়।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব মো. মাহবুব হোসেন জানান, চলমান করোনা পরিস্থিতির কারণে সাধারণ ছুটি থাকায় এমপিওভুক্তি কার্যক্রম বন্ধ রাখা হয়। শিক্ষামন্ত্রীর নির্দেশে বন্ধের মধ্যে চলমান এ কার্যক্রম সম্পন্ন করতে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদফতরকে নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, নতুন এমপিওভুক্তি করতে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের তালিকা প্রকাশ করার পর তা যাচাই-বাছাই কার্যক্রম শুরু করা হয়। একটি উচ্চ পর্যায়ের কমিটির গঠনের মাধ্যমে এ কার্যক্রম চলমান রয়েছে। বর্তমানে সকল তথ্য যাচাই-বাছাই করে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও শিক্ষকদের ব্যক্তিগত কোড নম্বর দেয়া হবে। কাজ শেষে আলাদা দুটি প্রজ্ঞাপন জারি করা হবে। বন্ধের মধ্যেও এ কার্যক্রম শেষ করতে নতুনভাবে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।

গত বছরের জুলাই থেকে এসব শিক্ষক-কর্মচারীদের বেতন-ভাতা সুবিধা প্রদান করা হবে বলেও জানান তিনি।

২০১৮ সালে এমপিওভুক্তির জন্য প্রায় ৯ হাজার নন-এমপিও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান অনলাইনে আবেদন করে। এই আবেদন যাচাই-বাছাই শেষে ২০১৯ সালের ২৩ অক্টোবর ২ হাজার ৭৩০টি নন-এমপিও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে এমপিওভুক্তির জন্য তালিকা প্রকাশ করা হয়। এসব প্রতিষ্ঠানে দীর্ঘ ছয় মাস ধরে প্রায় ৩০ হাজার শিক্ষক-কর্মচারীদের সরকারি অংশের বেতন-ভাতা চালু না হওয়ায় বেসরকারি শিক্ষক সংগঠনগুলোর পক্ষ থেকে প্রধানমন্ত্রীর কাছে মানবিক আবেদন করা হয়। তারপর এ কার্যক্রম আবারও শুরু করার সিদ্ধান্ত নেয় শিক্ষা মন্ত্রণালয়।

নতুন করে এমপিওভুক্তি কার্যক্রম শুরু করায় বেসরকারি শিক্ষক সমিতির সভাপতি মো. নজরুল ইসলাম রনি জানান, প্রধানমন্ত্রীর কাছে আবেদনের পর এ কার্যক্রম আবারও শুরু হয়েছে। এতে করে সারাদেশে প্রায় ৩০ হাজার শিক্ষক-কর্মচারীদের কষ্ট মোচন হবে। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এ উদ্যোগকে সাধুবাদ ও কতৃজ্ঞতা জানিয়েছেন শিক্ষক নেতৃবৃন্দ।

টেংরাটিলা: বাংলাদেশকে ক্ষতিপূরণ দিতে নির্দেশ

জার্নাল ডেস্ক

২০০৫ সালে সুনামগঞ্জের ট্যাংরাটিলা গ্যাস ক্ষেত্রে বিস্ফোরণের মামলায় হেরে গেছে কানাডার বহুজাতিক তেল-গ্যাস কোম্পানি নাইকো। বাংলাদেশকে ক্ষতিপূরণ দেয়ার নির্দেশ দিয়েছে বিশ্বব্যাংকের বিশেষ আদালত।

বিস্ফোরণের ঘটনায় নাইকো বাংলাদেশের আদালতের রায় না মানায় ২০১৫ সালে বিশ্বব্যাংকের বিশেষ আদালতে যায় বাংলাদেশ। সম্প্রতি এ বিষয়ে রায় দিয়েছে বিশ্বব্যাংকের ইন্টারন্যাশনাল সেন্টার সেটলমেন্ট অব ইনভেস্টমেন্ট-ইকসিড।

চুক্তি ভঙ্গ করে অতিরিক্ত গ্যাস উত্তোলন করায় বিষ্ফোরণ হয়েছে, এমন প্রমাণ মেলায় কোম্পানিকে দায়ী করে বাংলাদেশকে ক্ষতিপূরণ দেয়ার নির্দেশ দেয়া হয়েছে। আগামী সেপ্টেম্বরে শুনানিতে ক্ষতিপূরণের পরিমাণ নির্ধারণ হবে।

বাংলাদেশের প্রায় ১০০ কোটি ডলার ক্ষতিপূরণ পাওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ তৈল, গ্যাস ও খনিজ সম্পদ করপোরেশন (পেট্রোবাংলা)। রোববার সংবাদ সম্মেলনে আদালতের রায় নিয়ে বিস্তারিত জানাবেন বিদ্যুৎ ও জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী।

প্রসঙ্গত, ২০০৫ সালের ৭ জানুয়ারি ও ২৪ জুন সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজার উপজেলার ছাতক (টেংরাটিলা) গ্যাসক্ষেত্রে পরপর দু’টি বিস্ফোরণ ঘটে। এ বিস্ফোরণের জন্য ক্ষেত্রটির ইজারাদার ও পরিচালনার দায়িত্বে থাকা কানাডার কোম্পানি নাইকো রিসোর্সকে দায়ী করে দেশীয় ও আন্তর্জাতিক আদালতে বাংলাদেশ সরকার ও বাপেক্সের বিরুদ্ধে দুটি মামলা করে।

এই মামলা ছাড়াও নাইকোর সঙ্গে অস্বচ্ছ চুক্তির মাধ্যমে রাষ্ট্রের বিপুল পরিমাণ আর্থিক ক্ষতিসাধন ও দুর্নীতির অভিযোগে ২০০৭ সালের ৯ ডিসেম্বর খালেদা জিয়াসহ পাঁচজনের বিরুদ্ধে তেজগাঁও থানায় আরেকটি মামলা করেন দুদক। ওই চুক্তির মাধ্যমে রাষ্ট্রের প্রায় ১৩ হাজার ৭৭৭ কোটি টাকা ক্ষতির অভিযোগ আনা হয়।

১৯৫৯ সালে আবিষ্কৃত গ্যাসক্ষেত্রটির প্রাক্কলিত মজুদ ৪৭৪ বিলিয়ন ঘনফুট (বিসিএফ) গ্যাস থেকে উত্তোলন করা হয়েছে মাত্র ২৬ দশমিক ৪৬ বিলিয়ন ঘনফুট। এতে এখনও উত্তোলনযোগ্য ৪৪৭ বিসিএফ ঘনফুট গ্যাস থাকার কথা। কিন্তু বিস্ফোরণের সময় ও পরে ক্ষেত্রটিতে বিপুল পরিমাণ গ্যাস পুড়ে যাওয়ায় এবং উদগিরণের ফলে এই গ্যাসক্ষেত্রে উত্তোলনযোগ্য গ্যাস নেই বলে আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা। একইসঙ্গে ওই এলাকার পরিবেশ, জনস্বাস্থ্য ও কৃষিক্ষেত্র দীর্ঘস্থায়ী ক্ষতির শিকার হয়েছে।

এবার করোনায় আক্রান্ত কারাখানার পোশাক শ্রমিক : জরুরি বৈঠক

সাভারে

সাভার (ঢাকা): সাভারে করোনা ভাইরাসে পোশাক শ্রমিক আক্রান্ত হওয়ার ঘটনায় এক জরুরি বৈঠক করেছে উপজেলা প্রশাসন।শনিবার (০২ মে) দুপুরে সাভার উপজেলা পরিষদ ভবনের হল রুমে এ জরুরি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

সাভার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) পারভেজুর রহমান জানান, সাভারে করোনা ভাইরাসের সংক্রমণরোধে বৈঠক থেকে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, আগামীকাল থেকে পোশাক কারখানাগুলোকে বিশেষ নজরদারির আওতায় আনা হবে। সরকার বা বিজিএমইএ নির্দেশনা মোতাবেক কারখানাগুলোতে শিল্পাঞ্চলের শ্রমিক দিয়ে স্বাস্থ্যবিধি মেনে উৎপাদন চালাতে হবে। অন্যথায় উর্ধ্বতনদের সঙ্গে আলাপ-আলোচনা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

জরুরি বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন-সাভার উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মঞ্জুরুল আলম রাজিব, উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. সায়েমুল হুদা ও পুলিশ কর্মকর্তাসহ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানরা।

জানা যায়, সাভারে গতকাল শুক্রবার (০১ মে) ৫০ জনের নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষার জন্য সাভারের প্রাণিসম্পদ গবেষণা ইনস্টিটিউটের ল্যাবে পাঠানো হয়। পরীক্ষায় আট জনের দেহে করোনা ভাইরাসের উপস্থিত পাওয়া যায়। এই আট জনের সাতজনই সাভারের উলাইলের তিন পোশাক কারখানার শ্রমিক বলে জানা গেছে।

রাজধানীতে পেন্সিলে আঁকা স্কেচে ধর্ষক ধরলো পুলিশ

অনলাইন রিপোর্টার ॥ রাজধানীর কদমতলী এলাকায় ছয় বছরের এক শিশুকে ধর্ষণের ঘটনায় ধর্ষককে গ্রেফতারে সিসিটিভির সহায়তা নেয় পুলিশ। ১৬টি সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করে একজনকে শনাক্ত করা গেলেও মাস্ক পরিহিত থাকায় তার চেহারা চেনার উপায় নেই।

এবার একটু ভিন্ন পন্থা অবলম্বন করলেন পুলিশের এক কর্মকর্তা। চিত্রশিল্পীর সহায়তায় মাস্ক পরিহিত ওই ব্যক্তির স্কেচ আঁকিয়ে নেন তিনি। পরে স্কেচের ওপর ভিত্তি করেই টুটুল (২০) নামে ওই ধর্ষককে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয় পুলিশ। শুক্রবার (০১ মে) দিনগত রাতে কদমতলী এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতার টুটুলের বাসা মুগদা এলাকায়। তবে তিনি মাঝে মধ্যে কদমতলীতে তার নানা ও খালার বাসায় ঘুরতে আসতেন।

ঘটনার বিবরণে জানা যায়, গত ২৫ এপ্রিল কদমতলীর মুরাদনগর এলাকায় ছয় বছরের একটি শিশু ধর্ষণের শিকার হন। এরপর পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে শিশুটিকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে পাঠান। এ ঘটনায় শিশুটির বাবার দায়েরকৃত মামলার ভিত্তিতে কয়েকদিনের টানা প্রচেষ্টায় ধর্ষককে গ্রেফতার করা হয়।

ডিএমপির শ্যামপুর জোনের সহকারী কমিশনার (এসি) শাহ আলম বলেন, শিশুটি ধর্ষণের ঘটনার পর থেকেই ধর্ষককে ধরতে তৎপরতা শুরু করে পুলিশ। ঘটনাস্থল ও তার আশপাশের বিভিন্ন ভবনের ১৬টি সিসিটিভি ক্যামেরার গত ২০ থেকে ২৫ এপ্রিলের ফুটেজ আমরা সংগ্রহ করি। ঘটনাস্থলের কাছেই একটি বাসার সিসিটিভির ফুটেজে মাস্ক পরিহিত এক যুবককে ওই শিশুটির হাত ধরে যেতে দেখা যায়।

পরে যুবকটি ওই এলাকার কিনা বিষয়টি নিশ্চিত হতে আমরা অন্য ফুটেজগুলোও বিশ্লেষণ করি। কোনো ফুটেজে গত কয়েকদিনে এলাকার কারো সঙ্গে তার যোগাযোগ হয়েছে কিনা বিষয়টি যাচাই করি। ফুটেজে দেখা মাস্ক পরিহিত ওই যুবকের ছবি এলাকার লোকজনকে দেখালেও কেউ শনাক্ত করতে পারছিলেন না। একেতো ভিডিও ফুটেজে চেহারা স্পষ্ট দেখা যায় না, তার মধ্যে করোনার সময়ে মাস্ক পরিহিত থাকায় কোনোভাবেই বোঝা যাচ্ছিল না।

এসি শাহ আলম বলেন, মাস্ক পরিহিত থাকায় ওই যুবককে শনাক্ত করা যাচ্ছিল না। তখনই কোনো চিত্রশিল্পীর সহায়তা নিয়ে তার স্কেচ আঁকানোর বিষয়টি মাথায় আসে। এমন ভাবনা থেকেই আমার পূর্ব পরিচিত প্রফেশনাল আর্টিস্ট সাখাওয়াত তমালের শরণাপন্ন হই। তাকে মাস্ক পরিহিত ছবিটি পাঠালে তিনি আমাকে একটি স্কেচ এঁকে দেন।

স্কেচটি পাবার পর শুক্রবার সকালে প্রিন্ট করিয়ে সেটি পুরো এলাকায় ছড়িয়ে দিলাম। স্কেচ থেকে স্থানীয় কয়েকজন ওই ধর্ষককে শনাক্ত করতে সক্ষম হন। এরপর কদমতলী এলাকায় টানা ছয় ঘণ্টার চিরুনী অভিযানের পর আমরা আসামি টুটুলকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হই।

গ্রেফতার টুটুল প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ধর্ষণের বিষয়টি স্বীকার করেছে উল্লেখ করে এসি শাহ আলম বলেন, স্কেচটি এতো সুন্দর হয়েছে যে আসামির চেহারার সঙ্গে প্রায় হুবহু মিলে গেছে। এর ফলে আমরা দ্রুতই আসামিকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়েছি। তার বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।

আর্থিক সহায়তা পেয়ে প্রধানমন্ত্রীকে কৃতজ্ঞতা জানালেন কওমি মাদ্রাসার নেতৃবৃন্দ

অনলাইন রিপোর্টার ॥ পবিত্র রমজান উপলক্ষে কওমি মাদ্রাসাগুলোকে ৮ কোটি ৩১ লাখ টাকা আর্থিক সহায়তা দেয়ায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভূয়সী প্রশংসা করেছেন কওমি মাদরাসার নেতৃবৃন্দ।

‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, আগের বারের মতো, করোনা ভাইরাস পরিস্থিতির মধ্যে এবারো দেশের মাদ্রাসাগুলোর জন্য সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন, যা আমাদের মনোবলকে চাঙ্গা করেছে বলে জানিয়োছেন কওমি মাদ্রাসার রংপুর বিভাগীয় সমন্বয়কারী ও আল জামিয়াতুল কারিমিয়া নুরুল উলুম মাদ্রাসার সহ-অধ্যক্ষ মাওলানা মো. ইউনুস আলী।

অনুদান পাওয়ার পরে তিনি বলেন, রংপুর বিভাগের মোট ৭০৩ টি মাদ্রাসা ইতোমধ্যে ইলেকট্রনিক ফান্ড ট্রান্সফারের মাধ্যমে অনুদান পেয়ে গেছে। আমরা প্রধানমন্ত্রীর দীর্ঘজীবন ও সুস্বাস্থ্য কামনা করছি এবং প্রার্থনা করি যাতে দ্রুত কোভিড-১৯ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে।

কওমি মাদরাসাগুলোকে আর্থিক সহায়তা দেয়ায় প্রধানমন্ত্রীর প্রশংসা করে খুলনা দারুল উলুম মাদ্রাসার সিনিয়র মুহাদ্দিস ও খুলনা কওমি উলামা পরিষদের সিনিয়র সহ-সভাপতি মাওলানা নাসির উদ্দিন কাসেমী বলেন, মাদ্রাসার শিক্ষার মান উন্নয়নের জন্য এটি প্রধানমন্ত্রীর এক মহৎ দৃষ্টিভঙ্গি।

তিনি আরও বলেন, ‘এটি কেবল বাংলাদেশ নয়, সমগ্র বিশ্বের জন্য একটি অনন্য উদাহরণ হয়ে থাকবে।’

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ইসলামের সেবায় নিজেকে নিবেদিত করেছেন উল্লেখ করে কাসেমী বলেন, অতীতে যারা রাষ্ট্র ক্ষমতায় ছিলেন তাদের কেউই বর্তমান প্রধানমন্ত্রীর মতো ইসলামের সেবা করেননি।

তিনি প্রধানমন্ত্রীর দীর্ঘায়ূ ও সুস্বাস্থ্য কামনা করে বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী তাঁর পিতা জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের পদচিহ্ন অনুসরণ করে ইসলামের সম্প্রসারণের জন্য বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়েছেন।’

খুলনা মহানগরীর আল মাহাদ আস-সালাদী মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাওলানা আবদুল্লাহ আল মামুন বলেন, প্রধানমন্ত্রীর এই উদ্যোগ (আর্থিক সহায়তা প্রদান) কওমি মাদ্রাসায় জড়িত সবাইকে অনুপ্রাণিত করবে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ইসলামী স্টাডিজ ও আরবি স্নাতকোত্তর ডিগ্রির মর্যাদার সঙ্গে কওমি মাদ্রাসায় দাওরা-ই হাদীস সনদকে স্বীকৃতি দিয়ে মাদ্রাসা শিক্ষায় বৈষম্যের অবসান করেছেন।

মাওলানা মামুন আরও বলেন, তিনি (প্রধানমন্ত্রী) ইসলামের বিস্তারের জন্য নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। এই বিপদের দিনে কওমি মাদ্রাসাগুলোর জন্য ৮ কোটি ৩১ লাখ টাকা বরাদ্দ দেয়ায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রশংসা করে রাজশাহীর জামেয়া ইসলামিয়া শাহ মুখদুমের অধ্যক্ষ মুফতি শাহাদাত আলী বলেন, এটি দেশের কোন সরকারের কওমি মাদরাসার জন্য আর্থিক সহায়তা নিয়ে এগিয়ে আসার ক্ষেত্রে ইতিহাসে প্রথম ঘটনা।

তিনি বলেন, ‘এ কারণেই কওমি মাদ্রাসাগুলোর পক্ষ থেকে আন্তরিকভাবে স্বীকৃতি ও প্রশংসা পাওয়ার জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সঠিক ব্যক্তি।’

মুফতি আলী বলেন, ‘আমরা ইতোমধ্যে আমার মাদ্রাসার জন্য ২০ হাজার টাকা বরাদ্দ পেয়েছি এবং যা আমরা শিক্ষার্থীদের কল্যাণে অর্থ ব্যয় করব।

কেবল দরিদ্র ও অসহায় শিশুরা প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার জন্য কওমি মাদ্রাসায় আসে উল্লেখ করে মুফতি আলী বলেন, ‘সুতরাং, এই সহায়তা তাদের শিক্ষার ক্ষেত্রে আরো উৎসাহিত করবে।’

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের অধ্যাপক বরকুল্লাহ বিন দুরুল হুদা বলেন, প্রধানমন্ত্রীর আর্থিক সহায়তা কওমি মাদ্রাসা শিক্ষাকে এক ধাপ এগিয়ে নিয়ে যেতে সহায়তা করবে।

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় (পিএমও) সূত্রে জানা গেছে, পবিত্র রমজান উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশের ৬,৯৫৯ টি কওমি মাদ্রাসাকে ৮ কোটি ৩১ লাখ ২৫ হাজার টাকা আর্থিক সহায়তা দিয়েছেন।

সূত্র জানায়, মাদ্রাসাগুলোর মধ্যে ৭০৩ টি রংপুর বিভাগে, রাজশাহী বিভাগে ৭০৪, খুলনা বিভাগে ১,০১১, বরিশাল বিভাগে ৪০২, ময়মনসিংহ বিভাগে ৩৯৭, ঢাকা বিভাগে ১,৭৮০, চট্টগ্রাম বিভাগে ১,৪৮১ এবং ৪৮১ টি সিলেট বিভাগে অবস্থিত।

৪ হাজার কবর খননকারী সেই স্বেচ্ছাসেবী কারিগরের বাঁচার আকুতি

স্টাফ রিপোর্টার:
যিনি গত ৪০ বছর জীবন যাপনে কোনো কিছুর বিনিময় ছাড়া ৪ হাজার মৃত মানুষের কবর খুঁড়েছেন , সেই মানুষটি আজ অসুস্থ হয়ে সাহায্যের আবেদন জানালেন। তিনি চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌরসভার ১৪ নং ওয়ার্ডের আজাইপুর গ্রামের বাসিন্দা নূর মোহাম্মদ (৭৫)। যিনি মানুষের মৃত্যুর খবর মসজিদে মাইকে শুনলেই সকল কাজ ফেলে কোঁদাল হাতে ছুটে যান গোরস্থানে।

নিজ দায়িত্ব ভেবে শত্রু-মিত্র,আত্নীয়-স্বজন,পাড়া-প্রতিবেশী অথবা অপরিচিত, যেই হোক না কেন, সেটা কোনো বিষয় নয়, মুসলমান হিসেবে আল্লাহ তায়ালা’র সন্তুষ্টির জন্যই তিনি কাজ করেন।
বিগত এক বছর যাবৎ তিনি ভীষণ অসুস্থ। তার ভালো চিকিৎসার প্রয়োজন।

এ ব্যাপারে তিনি বলেন, বিগত ৪০ বছরে প্রায় ৪ হাজার মানুষের কবর খুঁড়েছি। কথা বলার একপর্যায়ে উনি কেঁদে বলেন আমি সারাজীবন এত মানুষের কবর খুঁড়েছি ,না জানি আমার কবরটি কে খুঁড়বে এমন আবেগের কথা বলেন নূর।

তার অসুস্থতায় চিকিৎসার জন্য টাকা প্রয়োজন যা তার পক্ষে জোগাড় করা সম্ভব না।

তিনি সমাজের বিত্তশালী লোকজনের কাছে সহযোগিতা কামনা করে বলেন আপনাদের অবস্থান অনুযায়ী আমাকে সাহায্য করুন।

সাহায্য পাঠানোর জন্য যোগাযোগ করুন
০১৭৭৬৮৫০৫২৬ নূর মোহাম্মদের ছেলে আব্দুল মালেক ০১৭০৫৬৬২৪৩১ বিকাশ পার্সোনাল নাতি( সহযোগী )।