সর্বশেষ সংবাদ গোমস্তাপুরে মামার বাড়ি বেড়াতে এসে নদীতে ডুবে শিশুর মৃত্যু: উদ্ধার ২ চাঁপাইনাবগঞ্জে র শিবগঞ্জ ও গোমস্তাপুরে নতুন তিন করোনা রোগী সনাক্ত করোনাভাইরাস: ঢাকা শহরে ১৪ হাজার কোভিড-১৯ রোগী, সবচেয়ে বেশি মহাখালীতে এতিম শিশুদের পাশে মানিক শিশুকালের ঈদ বিনোদপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক মরহুম ওবায়দুর রহমান রেনু মাস্টারের জানাযা সম্পন্ন চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুরে ঘূর্ণিঝড়ে লণ্ডভণ্ড দুটি গ্রাম চাপাইনবাবগঞ্জে উদযাপিত হলো পবিত্র ঈদুল ফিতর: জেনে নিন কারা কোথায় ঈদ উদযাপন করলো ঈদের নামাজ পড়ানোর সময় সেজদারত অবস্থায় ইমামের মৃত্যু ২৪ ঘণ্টায় আক্রান্ত শনাক্ত ১৯৭৫ , মৃত্যু আরও ২১ জনের।

করোনাতে প্রাণহানি ঘটলেও সুস্থ হওয়ার পথে ৮০০ আক্রান্ত রোগী

করোনায় আক্রান্ত প্রায় ৮০০ রোগী সুস্থ হওয়ার পথে বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদফতর। প্রতিষ্ঠানটি বলছে, এই ব্যক্তিদের শরীরে এখন আর কোনো লক্ষণ বা উপসর্গ নেই।

শুক্রবার (১ মে) করোনাভাইরাস সংক্রান্ত নিয়মিত হেলথ বুলেটিনে এ তথ্য জানান স্বাস্থ্য অধিদফতরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা।

তিনি বলেন, ‘আমাদের করোনা আক্রান্ত রোগীদের মধ্যে প্রায় ৮০০ জন সুস্থ আছেন। মানে তাদের মধ্যে কোনো লক্ষণ, উপসর্গ নেই। কিন্তু তাদের পরপর দুটি টেস্ট করতে হয়। হয়তো তাদের কারও একটি টেস্ট হয়েছে, আরেকটি হয়নি, এ পর্যায়ে আছে। আবার কারও কারও হয়তো একটিও হয়নি, তবে লক্ষণ নেই। লক্ষণ, উপসর্গ সম্পূর্ণভাবে নিরাময় হওয়ার পরই আমরা পুনরায় টেস্টগুলো করি।’

সুস্থ হওয়ার পথে এই ৮০০ আক্রান্ত ব্যক্তি বাসা ও হাসপাতালে রয়েছেন বলেও জানান নাসিমা সুলতানা।

এর আগে তিনি জানান, দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও দুজনের প্রাণ কেড়ে নিয়েছে মহামারি করোনাভাইরাস। এ নিয়ে ভাইরাসটিতে মৃতের সংখ্যা দাঁড়াল ১৭০ জনে। আক্রান্ত হিসেবে গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে শনাক্ত হয়েছেন আরও ৫৭১ জন। ফলে দেশে করোনা রোগীর সংখ্যা দাঁড়াল আট হাজার ২৩৮ জনে।

এদিকে, এখন পর্যন্ত দেশে ১৭৪ জন করোনা আক্রান্ত রোগী সুস্থ হয়েছেন। এর মধ্যে গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়েছেন ১৪ জন।

ডা. নাসিমা সুলতানা জানান, করোনাভাইরাস শনাক্তে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও পাঁচ হাজার ৯৫৮টি নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। এর মধ্যে পরীক্ষা করা হয়েছে পাঁচ হাজার ৫৭৩টি। সব মিলিয়ে নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে ৭০ হাজার ২৩৯টি। নতুন যাদের নমুনা পরীক্ষা হয়েছে, তাদের মধ্যে আরও ৫৭১ জনের দেহে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। ফলে মোট করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন আট হাজার ২৩৮ জন। আক্রান্ত রোগীদের মধ্যে মারা গেছেন আরও দুজন। এদের একজন পুরুষ, একজন নারী; একজন ষাটোর্ধ্ব, একজন পঞ্চাশোর্ধ্ব। ফলে মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৭০ জনে। এছাড়া সুস্থ হয়েছেন আরও ১৪ জন। ফলে মোট সুস্থ হয়েছেন ১৭৪ জন।

উল্লেখ্য, গত বছরের ডিসেম্বরের শেষের দিকে চীনের উহান থেকে ছড়িয়ে পড়া করোনাভাইরাসে বিশ্বব্যাপী এখন পর্যন্ত ৩৩ লাখ ২২ হাজারের বেশি মানুষ আক্রান্ত হয়েছেন। আর প্রাণ গেছে ২ লাখ ৩৪ হাজারের বেশি মানুষের। এদিকে সুস্থ হয়েছেন ১০ লাখের বেশি আক্রান্ত মানুষ।

গোমস্তাপুরে মারামারির মামলায় মহিলা ভাইস চেয়ারম্যানের ভাই গ্রেপ্তার


গোমস্তাপুর (চাঁপাইনবাবগঞ্জ) প্রতিনিধিঃ চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুরে আপন চাচা-চাচি কে মারধর করার মামলায় গ্রেপ্তার হয়েছে গোমস্তাপুর উপজেলা পরিষদের মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান মাহফুজা খাতুনের ভাই ফিরোজ কবির(২৪)। শুক্রবার সকালে থানা পুলিশ গোমস্তাপুর বাস স্ট্যান্ড থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে। শুক্রবার বিকেলে তাকে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।
গোমস্তাপুর থানার অফিসার ইনচার্জ জসিম উদ্দিন জানান, গত সোমবার দুপুরের মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান মাহফুজা খাতুন, তার বাবা, মা ও ভাই কবির তার আপন চাচা-চাচীকে মারধর করে। এ ঘটনায় পরদিন তার চাচী বাদি হয়ে ৪ জনকে আসামী করে গোমস্তাপুর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করে। এ ঘটনার প্রেক্ষিতে শুক্রবার সকালে গোমস্তাপুর বাসস্ট্যান্ড থেকে ভাইস চেয়ারম্যানের ভাই কবির কে আটক করা হয়েছে। উল্লেখ্য, গোমস্তাপুর উপজেলা পরিষদের মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান মাহফুজা খাতুনের বাবা ও চাচার পরিবারের বিরোধের জের ধরে দুই পরিবারের মধ্যে মারামারির ঘটনা ঘটে।

নাচোলে রহস্য জনক ভাবে মৃত কীটনাশক ব্যবসায়ী র মৃত্যু এখনো রহস্যময়,হতাশ নিহতের পরিবার

নাচোল(চাঁপাইনবাবগঞ্জ) প্রতিনিধিঃ-

চাঁপাইনবাবগঞ্জের নাচোলে কীটনাশক ব্যবসায়ী আবুল কাসেম (৪৫) এর লাশ উদ্ধারের পর এই ঘটনায় সংশ্লিষ্ট থানায় মামলা হলেও নিহত ব্যক্তির মৃত্যুর কারণ দশ দিনেও উদঘাটন করতে পারেনি পুলিশ। মৃত কীটনাশক ব্যবসায়ী পরিবারের পক্ষ থেকে মামলা দায়ের করা হলেও দায়ের কৃত মামলার আসামিদের  এখন ও পর্যন্ত কাউকে গ্রেফতার করতে পারেনি নাচোল থানা পুলিশ।এ হত্যাকাণ্ডের ১০ দিন পেরোলেও আসামিরা রয়ে গেছে ধরা ছোঁয়ার বাইরে। এ নিয়ে হতাশ নিহতের পরিবার। আসামিরা গ্রেফতার না হওয়ায় পুলিশের আন্তরিকতা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন মৃতের স্ত্রী ফাতেমা খাতুন (ঝর্না),ভাই দিলিপ সহ পরিবারের অন্য সদস্যরা।স্থানীয় এলাকাবাসী সুত্রে জানাগেছে,গত ২১ এপ্রিল মঙ্গলবার দিবাগত রাতের খাবার খেয়ে সাড়ে ৮ টার দিকে বাড়ী থেকে প্রায় আধা কিলো মিটার দুরত্বে আন্ধরাইল মোড়ে নিজের সার ও কীটনাশকের দোকান দেখে আসি বলে বেরিয়ে যায় মৃত আবুল কাসেম। রাতে বাড়ী না ফিরলে ২২ এপ্রিল বুধবার সকালে তার পরিবারের লোকজন খোঁজাখুঁজি করতে থাকে। বুধবার সকালে পশ্চিম লক্ষণপুর গ্রামের মৃত আফসার আলীর ছেলে হাসান আলী তার জমিতে ধান দেখতে গিয়ে জমির আইলের উপর একটি মৃতদেহ উপুড় হয়ে পড়ে থাকতে দেখে চিৎকার শুরু করে। এসময় একই এলাকার দরবেশপুর গ্রামের হোসেন আলীর ছেলে আজাদ ঘটনাস্থলে এসে ওই মৃতব্যক্তিকে আন্ধরাইল গ্রামের ফাইজুদ্দিনের ছেলে আবুল কাশেম বলে সনাক্ত করে এবং তার পরিবারকে খবর দেয়।পরে মৃতের পরিবার নাচোল থানা পুলিশ কে বিষটি অবহিত করলে নাচোল থানার তদন্ত ওসি আব্দুল হান্নান সহ পুলিশ সদস্যরা ঘটনাস্থলে এসে ওই মৃতদেহ উদ্ধার করে সুরতহাল শেষে ময়নাতদন্তের জন্য চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর হাসপাতালের মর্গে প্রেরণ করে।

এ ঘটনায় মৃতের স্ত্রী ঝর্না খাতুন বাদী হয়ে ওইদিনই নাচোল থানায় একটি হত্যা মামলা দ্বায়ের করেন।যাহার মামলা নং-০৬,২২/০৪/২০ইং।

এ ঘটনায় আন্ধরাইল গ্রামের আসলামের ছেলে হাবিব (৪০), মৃত এলাহী মন্ডলের ছেলে বকুল (৪৫), মেশের আলীর ছেলে আসলাম (৫০)কে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করে নাচোল থানা পুলিশ।

এদিকে মৃতের স্ত্রী ফাতেমা খাতুন (ঝর্না) বলেন, আমার স্বামী খুন হয়েছে। তাকে ফিরে পাবোনা জানি, অন্তত; তার খুনীদের গ্রেফতার করা হোক। আইনের আওতায় এনে সঠিক বিচার চাই। আমার স্বামী আবুল কাশেম কে আটককৃতরাই হত্যা করেছে। কিন্তু ঐ দিন নাচোল থানার তদন্ত ওসি হান্নান তাদের কে আটক করার ৫ ঘন্টা পর অঙ্গাত কারনে ছেড়ে দেয়।এমনকি মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা তদন্ত ওসি হান্নান আমার মামলার এজাহারে আটককৃদের নাম এজাহার ভুক্ত না করে কালক্ষেপন করছে। আমাদের ধারনা পূর্বশত্রুতার জের বশত আটকের টর ছেড়ে দেওয়া আসামিরাই আমার স্বামী কে হত্যা করেছে। তাদের পুণরায় আটক করে আদালতের মাধ্যমে রিমান্ডে নিলে হত্যার ঘটনা বেরিয়ে আসবে বলে জানান।

এ বিষয়ে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা (তদন্ত ওসি) আব্দুল হান্নানের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান,কাশেম হত্যা মামলার তদন্ত চলছে। সুষ্ঠ তদন্তের মাধ্যমে আসামিদের গ্রেফতার করা হবে।এ বিষয়ে নাচোল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সেলিম রেজা বলেন, পোষ্ট মার্ডাম রিপোর্ট আমাদের হাতে এখনো আসেনি। হত্যার ঘটনার রাতের পারিপার্শ্বিক অবস্থা বিশ্লেষন করে আসামি আটকের চেষ্টা চলছে। আসামি গ্রেফতারে পুলিশের আন্তরিকতার কোনো ঘাটতি নেই।

টেস্ট ও টি-টোয়েন্টি র‍্যাংকিংয়ের শীর্ষে অস্ট্রেলিয়া:বাংলাদেশের রেটিং পয়েন্ট কমল

আইসিসি’র সর্বশেষ র‍্যাংকিংয়ে বড় ধরনের পরিবর্তন এসেছে। বিশেষ করে টেস্ট ও টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটে। বহুদিন পর এই দুই ফরম্যাটের শীর্ষস্থান দখল করেছে অস্ট্রেলিয়া। আর অজিদের জায়গা ছেড়ে দিয়ে নিচে নেমে গেছে ভারত ও পাকিস্তান।২০১৬ সালের অক্টোবর থেকে টেস্টের শীর্ষস্থান দখলে রেখেছিল ভারত। আর টানা ২৭ মাস ধরে টি-টোয়েন্টির শীর্ষে ছিল পাকিস্তান। অন্যদিকে ২০১১ সালে টি-টোয়েন্টি র‍্যাংকিং চালু হওয়ার পর এই প্রথম শীর্ষে আরোহণ করল অস্ট্রেলিয়া।

টেস্টে শীর্ষে থাকা অজিদের রেটিং পয়েন্ট এখন ১১৬। অন্যদিকে দ্বিতীয় স্থানে উঠে আসা নিউজিল্যান্ডের রেটিং পয়েন্ট ১১৫ পয়েন্ট। অর্থাৎ র‍্যাংকিংয়ে ভারতের অবনতি হয়েছে দুই ধাপ। কোহলিদের রেটিং পয়েন্ট ১১৪। মানে শীর্ষে অবস্থানকারী তিন দলের পয়েন্টের ব্যবধান মাত্র ১ পয়েন্ট করে।

শুক্রবার (১ মে) র‍্যাংকিংয়ের সর্বশেষ আপডেট থেকে ২০১৬-১৭ মৌসুম বাদ দেওয়ার কারণে র‍্যাংকিংয়ে এই পরিবর্তন এসেছে। এই সময়ে ভারত ১২টি টেস্ট খেলে মাত্র ১টিতে হেরেছিল। পাঁচটি সিরিজ ঘরে তুলেছিল দলটি, এর মধ্যে অস্ট্রেলিয়া ও ইংল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজও আছে। এছাড়া একই সময়ে অস্ট্রেলিয়া ভারত ছাড়া শুধু দক্ষিণ আফ্রিকার কাছে হারের মুখ দেখেছে।

টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের পয়েন্ট টেবিলে অবশ্য শীর্ষেই আছে ভারত। কোহলিবাহিনীর পয়েন্ট ৩৬০। দ্বিতীয় স্থানে থাকা অজিদের পয়েন্ট মাত্র ৬৪।

টি-টোয়েন্টি র‍্যাংকিংয়ে অস্ট্রেলিয়ার পয়েন্ট ২৭৮। দ্বিতীয় স্থানে থাকা ইংল্যান্ডের পয়েন্ট ২৬৮ এবং ২৬৬ পয়েন্ট নিয়ে তৃতীয় স্থানে ভারত। এরপরই পাকিস্তান। অর্থাৎ শীর্ষস্থান থেকে সোজা চতুর্থ স্থানে নেমে গেছে পাকিস্তান (২৬০)। পঞ্চম স্থানে আছে দক্ষিণ আফ্রিকা (২৫৮)।

ওয়ানডে র‍্যাংকিংয়ে এখনও শীর্ষেই আছে বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ইংল্যান্ড। তাদের রেটিং পয়েন্ট ১২৭। ১১৯ পয়েন্ট নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে ভারত। তৃতীয় স্থানে আছে নিউজিল্যান্ড (১১৬)। চতুর্থ স্থানে দক্ষিণ আফ্রিকা (১০৮) এবং ১০৭ পয়েন্ট নিয়ে পঞ্চম স্থানে আছে অস্ট্রেলিয়া।

এই মৌসুমে ইংল্যান্ডের মাটি থেকে অ্যাশেজ পুনরুদ্ধার করেছে অস্ট্রেলিয়া। এছাড়া ঘরের মাটিতে পাকিস্তান ও নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে পাঁচ টেস্টে অপরাজেয়। আর টি-টোয়েন্টিতে দক্ষিণ আফ্রিকার মাটিতে ২-১ ব্যবধানে সিরিজ হারার পর ঘরের মাটিতে টানা ৬ ম্যাচে অপরাজেয় ছিল অস্ট্রেলিয়া।

এদিকে টেস্ট র‍্যাংকিংয়ে নবম স্থানে থাকা বাংলাদেশের ৫ রেটিং পয়েন্ট (৫৫) কমেছে। তবে ওয়ানডেতে ১ রেটিং পয়েন্ট যুক্ত হয়েছে। ওয়ানডে র‍্যাংকিংয়ের ৭ম স্থানে থাকা দলটির রেটিং পয়েন্ট এখন ৮৮। তবে টি-টোয়েন্টি র‍্যাংকিংয়ে উন্নতি হয়েছে বাংলাদেশের। ৮ম স্থানে থাকা দলটির রেটিং পয়েন্ট বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২২৯-এ।

অ্যাপসের মাধ্যমে ২২ জেলায় বোরো ধান ক্রয় করবে সরকার: পলক

নাটোর:
তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক বলেছেন, কৃষিকে আধুনিকায়নের মাধ্যমে সরকার কৃষকদের পাশে থেকে কাজ করছে। তাই কৃষকরা যাতে ধানের ন্যায্যমূল্য পায় সেই লক্ষ্যে ২২টি জেলায় অ্যাপসের মাধ্যমে সরাসরি কৃষকদের কাছ থেকে ধান ক্রয় করবে সরকার।শুক্রবার (০১ মে) সকাল ১১টার সময় ধান কাটা ও মাড়াইয়ের জন্য কম্বাইন হারভেস্টার মেশিন বিতরণকালে তিনি এসব কথা বলেন।

এসময় প্রতিমন্ত্রী সিংড়ার কৃষকদের জন্য ১৪টি হারভেস্টার মেশিন ও ১টি রিপার মেশিন বিতরণ করেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, এক সময় চলনবিল অবহেলিত ছিলো, সার তেলের জন্য কৃষকদের হাহাকার করতে হতো, কৃষকদের মার খেতে হয়েছে। কৃষকরা আতঙ্কে ছিলো সন্ত্রাসের জনপদ নামে পরিচিত ছিলো এই এলাকা। বর্তমান সরকারের নিরলস পরিশ্রমে চলনবিল উন্নত জনপদ, শষ্য ভাণ্ডার এবং মৎস্য ভাণ্ডার হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছে।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, চলনবিলে ১০৫ কিলোমিটার খাল খননের মাধ্যমে কৃষিতে প্রাণ ফিরে এসেছে। ১১ বছরে চলনবিলে ফসলে উদ্বৃত্ত বেড়েছে। সাড়ে তিন লাখ ফসল উৎপন্ন হয়। যা দেশের চাহিদা মেটাচ্ছে। প্রায় আড়াই লাখ মেট্রিক টন ফসল উদ্বৃত্ত থাকছে।

তিনি আরো বলেন, জননেত্রী শেখ হাসিনার সরকার বিনামূল্য সার, বীজ দেওয়ার কারণে কৃষিতে কোনো সংকট নাই। চলনবিলে প্রায় ৩৩ শতাংশ ধান কাটা শেষ হয়েছে। বন্যা আসার আগে আল্লাহর রহমতে ধান কাটা সম্পন্ন হবে। প্রায় ২৫ হাজার বাইরের শ্রমিক ও ১০ হাজার স্থানীয় শ্রমিক ধান কাটতে ব্যস্ত।

এসময়ে উপস্থিত ছিলেন- উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নাসরিন বানু, উপজেলা কৃষি অফিসার সাজ্জাদ হোসেন, সিংড়া মডেল প্রেসক্লাব সভাপতি রাজু আহমেদসহ আরো অনেকে।

আমনুরায় র‌্যাবের অভিযানে চোলাইমদসহ আটক-১

চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি

চাঁপাইনবাবগঞ্জে র‌্যাবের চলমান মাদক বিরোধী অভিযানে দেশীয় চোলাইমদসহ একজনকে আটক করেছে র‌্যাব-5 এর চাঁপাইনবাবগঞ্জ ক্যাম্পের সদস্যরা। শুক্রবার দুপুরে চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার আমনুরা-মালপুকুর নামক জায়গায় বড় ব্রীজের উপরে অভিযান চালিয়ে ১১৮ বোতল দেশীয় তৈরি চোলাইমদসহ তাকে আটক করা হয়।

আটককৃত ব্যক্তি চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার চাঁদলাই জোড় বাগান এলাকার মৃত সাহেদ আলী মোঃ শাহীন আলী (৪৫)।

শুক্রবার বিকেলে র‌্যাব চাঁপাইনবাবগঞ্জ ক্যাম্পের পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে চাঁপাইনবাবগঞ্জ ক্যাম্পের একটি অপারেশন দল শুক্রবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার আমনুরা থেকে চাঁপাইনববাগঞ্জ গামী পাঁকা রাস্তায় মালপুকুর নামক জায়গায় বড় ব্রীজ এর উপরে চেকপোষ্ট পরিচালনা করে ১১৮ বোতল দেশীয় তৈরি চোলাইমদ, ১টি অটোরিকসাসহ মোঃ শাহীন আলীকে হাতেনাতে আটক করা হয়।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আটককৃত দীর্ঘদিন যাবৎ আমনুরা ঘাটি থেকে দেশীয় তৈরি চোলাইমদ নিয়ে এসে খুচড়া বিক্রয় করার কথা স্বীকার করে । এঘটনায় চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর মডেল থানায় ১টি নিয়মিত মামলা রুজু কার হয়েছে।

গণস্বাস্থ্য উদ্ভাবিত কিটের কার্যকারিতা পরীক্ষার জন্য অনুমোদন

গণস্বাস্থ্য উদ্ভাবিত করোনা ভাইরাসের র‍্যাপিড কিটের কার্যকারিতা পরীক্ষার জন্য অনুমোদন দেয়া হয়েছে, তা সরাসরি রোগীর জন্য পরীক্ষার অনুমোদন এখনো দেয়া হয়নি। এ বিষয়ে বেশ কিছু গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদে ভুলের বিষয়টি নজরে আসার পর ওষুধ প্রশাসন এক প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ বিষয়টি নিশ্চিত করে।

ঔষধ প্রশাসনের মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মো. মাহবুবুর রহমান সাক্ষরিত এই বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যম এ মর্মে সংবাদ পরিবেশিত হচ্ছে যে, মেসার্স গণস্বাস্থ্য ফার্মাসিউটিক্যালস লি. কর্তৃক উদ্ভাবিত ‘জিআর কভিড-১৯ র‍্যাপিড ডট বল্ট ইমিউনেসি’ কিটের পরীক্ষার জন্য ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তর কর্তৃক অনুমোদন প্রদান করা হয়েছে। যা সঠিক নয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, প্রকৃত পক্ষে কিটের কার্যকারিতা পরীক্ষা (পারফর্মেন্স ট্রায়েল) করার জন্য নিয়ম মেনে ঔষধ প্রশাসন কর্তৃক অনুমোদিত ‘সিআরও-৩: আইসিডিডিআর’বি’ এবং ‘সিআরও-১০: বিএসএমএমইউ’ কর্তৃক সম্পন্ন করার জন্য গণস্বাস্থ্য ফার্মাসিউটিক্যালস লি.-এর আবেদনের প্রেক্ষিতে অনুমতি প্রদান করা হয়েছে।
এই কিটের কার্যকরী বা ‘পারফর্মেন্স ট্রায়েল শেষে প্রাপ্ত ফলাফলের ভিত্তিতে পরবর্তী প্রয়োজনীয় কার্যক্রম গ্রহণ করা হবে বলেও জানানো হয় বিজ্ঞপ্তিতে।

করোনাভাইরাস নিয়েও অপপ্রচারে হিযবুত নেতা


করেনাভাইরাস সংক্রমণ ও চিকিৎসা নিয়ে অপপ্রচার ও গুজব ছড়ানোর অভিযোগের মামলায় হিযবুত তাহরীর নেতা এই এম সানাউল্লাহ সবুজকে কারাগারে পাঠিয়েছে আদালত।ঢাকার মহানগর হাকিম ইয়াসমিন আরা বৃহস্পতিবার তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

বুধবার রাত আড়াইটার দিকে মিরপুর ৬ নম্বর এলাকা থেকে সানাউল্লাহকে (৩৩) গ্রেপ্তার করেন র‌্যাব-৪ এর সদস্যরা। পরে তার বিরুদ্ধে মিরপুর থানায় মামলা দায়ের করা হয়।

২০১৭ সালে নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন হিযবুত তাহরীরের সাংগঠনিক কার্যক্রম চালানোর সময় এর আগেও একবার সানাউল্লাহকে গ্রেপ্তার করেছিল পুলিশ। পরে জেল থেকে বেরিয়ে পুনরায় সাংগঠনিক কার্যক্রমে তৎপর হয়ে ওঠেন তিনি।

আদালত পুলিশের সংশ্লিষ্ট সাধারণ নিবন্ধন কমর্কর্তা জানান, মামলার তদন্ত কর্মকর্তা আদালতে পাঠানো প্রতিবেদনে বলেছেন, করোনাভাইরাস পরিস্থিতির কারণে তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য রিমান্ড চাওয়া হয়নি। পরে তাকে রিমান্ডে পাওয়ার জন্য আবেদন করা হবে।

আদালতে আসামিপক্ষে কোনো আইনজীবী ছিলেন না বলে জানান তিনি।

সানাউল্লাহকে কারাগারে আটকে রাখার আবেদনে বলা হয়, গ্রেপ্তারের সময় তার কাছ থেকে হিযবুত তাহরীরের লিফলেট, বিজ্ঞপ্তি, বিভিন্ন লেখা, মতবাদ ও বইয়ের সফট কপি উদ্ধার করা হয়।

“উদ্ধারকৃত মোবাইল ও ল্যাপটপ ব্যবহার করে বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম, অ্যাপ, ইমো, মেসেঞ্জার ও ইউটিউবের মাধ্যমে হিযবুত তাহরীরের পক্ষে বিভিন্ন ধরনের প্রচারণা চালিয়ে আসছিলেন সানাউল্লাহ। অনলাইনে হিযবুত তাহরীরের অন্য সদস্যদের সঙ্গে পরিচিতি, যোগাযোগ রক্ষা ও প্রচার-প্রচারণা চালাচ্ছিলেন তিনি। এছাড়া উদ্ধারকৃত লিফলেটে বর্তমান সরকারবিরোধী বিভিন্ন বক্তব্য, মিথ্যা অপপ্রচার, বিভিন্ন ধরনের গুজব, সাম্প্রতিক করোনাভাইরাস নিয়ে মিথ্যা তথ্য রয়েছে।”

সানাউল্লাহ একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে প্রশিক্ষক হিসেবে কর্মরত। তিনি ছাত্রজীবন থেকেই হিযবুত তাহরীরের সঙ্গে জড়িত বলে পুলিশের প্রতিবেদনে বলা হয়।