সর্বশেষ সংবাদ দেশীয় পণ্য উৎপাদন ও ব্যবহার বৃদ্ধির আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর সেনাবাহিনীর টহলে ফাঁকা ভোলাহাট এবার ভোলাহাটে ২৫ যুবককে রোদে দাঁড় করিয়ে শাস্তি দিলো সেনাবাহিনী করোনা ভাইরাস সন্দেহে গোমস্তাপুরে ১ মহিলাসহ ২ জনের নমুনা সংগ্রহ দায়িত্ব নিয়ে প্যাকেজ ঘোষণা করেছি, কেউ অপব্যবহার করবেন না এপ্রিলের বেতন ৩০ এপ্রিলেই পাবেন পোশাক শ্রমিকরা করোনা: চাঁপাইনবাবগঞ্জে ১০ জনের নমুনা সংগ্রহ স্বাস্থ্য বিভাগের:কোন বাড়ি লকডাউন করা হয়নি নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে নাটকের শুটিং জার্মানির দুই লাখ মাস্ক ‘কেড়ে নিয়েছে’ যুক্তরাষ্ট্র বরিস জনসনের হবু স্ত্রী করোনায় আক্রান্ত

গোমস্তাপুর সীমান্তে অনুপ্রবেশকারী ৬২ সাঁওতাল কে বিএসএফের কাছে হস্তান্তর

নিজস্ব প্রতিবেদক:

চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুর সীমান্তে ৬২ ভারতীয় সাঁওতালকে অবৈধভাবে অনুপ্রবেশের পর পুনরায় ফেরত পাঠিয়েছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ( বিজিবি)।
বৃহষ্পতিবার(১৩ ফ্রেবুয়ারী) দুপুর ২টার দিকে জেলার গোমস্তাপুর বাঙ্গাবাড়ি ইউনিয়নের বাঙ্গাবাড়ি বিওপি’র সীমান্ত পিলার ২০৩ এর নিকট দিয়ে ভারতীয় ৬২ জন সাঁওতাল শিকার করতে করতে বাংলাদেশে অনুপ্রবেশ করিলে বাঙ্গাবাড়ি বিওপি’র বিজিবি সদস্যরা তাদের আটক করে।

পরে নওঁগাস্থ ১৬ বিজিবি ব্যাটালিয়নের পক্ষ থেকে ভারতীয় সীমান্ত রক্ষী বাহিনী( বিএস এফ ) কে জানালে একই দিন  সন্ধ্যা সাড়ে ৫টার দিকে পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে অনুপ্রবেশকারীদের ফেরত পাঠানো হয়। বৈঠকে ভারতের পক্ষে ৪৪ বিএসএফের ইন্সপেক্টর জগদিশের নেতৃত্বে বিএসএফ এর ৮ সদস্যের প্রতিনিধি দল উপস্থিত ছিলেন।অন্যদিকে নওগাঁ ১৬  বিজিবি’র নায়েক সুবেদার রুহুল আমিনের নেতৃত্বে ১৮ বিজিবি সদস্যদের একটি প্রতিনিধি দল পতাকা বৈঠকে অংশ নেয়। পতাকা বৈঠক শেষে অনুপ্রবেশকারী ভারতীয় সেই ৬২  সাঁওতালকে ফেরত পাঠানো হয়।
এ ব্যাপারে নওঁগাস্থ ১৬ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে. কর্নেল আরিফুল ইসলাম অবৈধ অনুপ্রবেশের পর ৬২ সাঁওতালকে ফেরত পাঠানোর বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
প্রসঙ্গত: গত সপ্তাহে ২ দফায় একই সীমান্তে ভারত থেকে ১৭ জন অনুপ্রবেশ করার অভিযোগ রয়েছে। তবে বিজিবির পক্ষ থেকে এ অভিযোগ অস্বীকার করে বলা হয় ১৭ জন ভারতে অবৈধভাবে যাবার সময় বিজিবি তাদের আটক করে পুলিশে দিয়েছে এবং সীমান্তে নজরদারী বৃদ্ধি করা হয়েছে।

প্রযুক্তিভিত্তিক দেশ গঠনে অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত প্রধানমন্ত্রীর

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা প্রযুক্তি নির্ভর জাতি গঠনে তাঁর সরকারের অঙ্গীকার পুণর্ব্যক্ত করে বলেছেন, প্রতিযোগিতামূলক বিশ্বে টিকে থাকতে হলে প্রযুক্তি শিক্ষার কোন বিকল্প নেই।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আজকে যখন বিশ্ব প্রযুক্তিতে এগিয়ে যাচ্ছে এবং বর্তমান যুগটাই প্রযুক্তি নির্ভর হয়ে যাচ্ছে। তখন বাংলাদেশ পেছন থাকবে তা হতে পারেনা।’
‘মুক্তিযুদ্ধে বিজয়ী জাতি হিসেবে আমরা সবসময় এগিয়ে থাকতে চাই, পিছিয়ে নয়। আর সেই চিন্তা-চেতনা থেকেই আমরা বিভিন্œ পদক্ষেপ নিয়েছি। যার সুফল এখন দেশবাসী পাচ্ছেন,’যোগ করেন তিনি।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে রাজশাহীতে শেখ কামাল আইটি ইনকিউবেটর এবং প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের উদ্বোধনকালে একথা বলেন।
তিনি আজ সকালে রাজশাহীর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব হাই-টেক পার্কে শেখ কামাল আইটি ইনকিউবেটর এবং প্রশিক্ষণ কেন্দ্রটির উদ্বোধন করেন।
দেশের ৬৪টি জেলায় সরকারের পরিকল্পনার অংশ হিসেবে ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে জ্ঞান-ভিত্তিক সমাজ এবং আরও কর্মসংস্থান সৃষ্টি করতে এই কেন্দ্রটি স্থাপন করা হয়েছে।
অনুষ্ঠানে শেখ হাসিনা বলেন, ‘আমরা আমাদের নতুন প্রজন্ম যারা তাদেরকে এমনভাবে শিক্ষিত করতে চাই যেন প্রতিযোগিতাময় বিশ্বের সঙ্গে তারা তাল মিলিয়ে চলতে পারে। সেজন্য প্রযুক্তি শিক্ষাটা একান্তভাবে দরকার।’
তিনি বলেন,‘আমাদের কর্মক্ষমতা বাড়াতে বা কর্মসংস্থান বাড়ানোর জন্য নতুন নতুন ক্ষেত্র প্রয়োজন। যে কারণে আমরা বাংলাদেশের প্রায় সব ক্ষেত্র যেগুলো আগে সরকারি ছিল সেগুলো বেসরকারি খাতে উন্মুক্ত করে দিই, যাতে কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়।’
প্রযুক্তির ব্যাপকতা তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘প্রযুক্তিনির্ভর একটা জাতি-গোষ্ঠী গড়ে তুলতে চাই। আমাদের নতুন প্রজন্ম যেন আরও বেশি আগ্রহী হয় সেদিকে লক্ষ্য রেখেই আমরা কম্পিউটার শিক্ষা, মাল্টিমিডিয়া ক্লাসরুম করে দিচ্ছি।’
প্রধানমন্ত্রী তাঁর সরকারের এসব পদক্ষেপের পেছনে যুক্তি তুলে ধরে বলেন, এগুলো শুধু নিজেদের শিক্ষার জন্যই নয়, রপ্তানি খাতেও ডিজিটাল ডিভাইস অনেক বেশি অবদান রাখতে পারে। আমাদের ছেলেমেয়েরাও ঘরে বসে বসে শিখে শুধুমাত্র অনলাইনে এখন আউটসোর্সিংয়ের কাজ করে অনেক অর্থ উপার্জন করতে পারছে। সেই সুযোগটা আমরা সৃষ্টি করেছি।’
১৯৯৬ সালে সরকার গঠনের সময় দেশে মোবাইল ফোনের উচ্চমূল্যের বিষয়টি উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী একে বেসরকারী খাতে উন্মুক্ত করে দেয়ায় তাঁর সরকারের পদক্ষেপেরও উল্লেখ করেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘৯৬ সালে আমরা যখন আসি আমরা দেখেছি এদেশে একটা মোবাইল ফোনের দাম ছিল এক লক্ষ ৩০ হাজার টাকা। ফোন করলে প্রতি মিনিট ১০ টাকা, ধরলেও ১০ করলেও ১০। এই ছিল অবস্থা।
তিনি বলেন,এখন কম্পিটিশনের যুগে খুব অল্পতেই ব্যবহার করা যায়। আমাদের ১৬ কোটি মানুষের দেশে ১৩ কোটি সিম ব্যবহার হয়।
সরকার প্রধান আরো বলেন,এই যে আমরা কথা বলতে পারছি বা আজকে টাকা পাঠানো, ক্রয়-বিক্রয় থেকে শুরু করে সব ধরনের সুযোগ-সুবিধা মানুষ পাচ্ছে। মানুষের জীবনমান উন্নত হচ্ছে। অনলাইনে ব্যবসা-বাণিজ্য থেকে শুরু করে সবকিছু যে হচ্ছে তার ফলে আমরা মনে করি যে দুর্নীতি নিয়ন্ত্রণেরও সুযোগ হচ্ছে। দেশের অর্থনীতিও আরও শক্তিশালী হচ্ছে। একেবারে গ্রাম পর্যায়ের মানুষ যেন কর্মসংস্থানের সুযোগ পায় সেই ব্যবস্থাটাও আমরা করে দিচ্ছি।”
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ৭২ হাজার বর্গফুটের এই আইটি ইনকিউবেটর কেন্দ্রে বহুমুখী প্রশিক্ষণ, উচ্চমানের স্টার্ট-আপস, বৃষ্টির পানি সংগ্রহ এবং নবায়নযোগ্য জ্বালানির সুবিধা রয়েছে। একইসঙ্গে দেশ-বিদেশের বিনিয়োগকারীদের আকর্ষণে এখানে সব ধরনের ব্যবসায়িক পরিবেশ নিশ্চিত করা হয়েছে।
‘শেখ কামাল আইটি ইনকিউবেটর অ্যান্ড ট্রেনিং সেন্টার’ নিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘এখানে তরুণ-যুবকেরা ট্রেনিং নেবে, এর ফলে দেশে বিদেশে কর্মসংস্থানের সুযোগ পাবে, তারা নিজেরা নিজের পায়ে দাঁড়াতে পারবে।’
চাকরির পেছনে না ছুটে উদ্যোক্তা হওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করে শেখ হাসিনা বলেন, ‘উদ্যোক্তা হতে হবে। চাকরি না করে চাকরি দেবো এই চিন্তাটা থাকতে হবে।’
অবহেলিত রাজশাহী অঞ্চলের মানুষের উন্নয়নে আওয়ামী লীগ সরকারের পদক্ষেপের কথা উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, ‘রাজশাহীর লোক ভোট দিচ্ছে অন্য জায়গায়, কিন্তু রাজশাহীর লোক সুবিধা পাচ্ছে যখন আমরা ক্ষমতায় আসি, আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় এলে। যতটুকু উন্নয়ন হয়েছে তা আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে।’
একই অনুষ্ঠান থেকে শেখ হাসিনা সাতটি জেলা ও ২৩টি উপজেলায় শতভাগ বিদ্যুতায়ন এবং ফেনী ১১৪ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ কেন্দ্রের উদ্বোধন করেন।

প্রথমবারের মতো টিউলিপ ফুটেছে দেশে

বাংলাদেশের আবহাওয়ায় টিউলিপ ফুল ফোটানো সম্ভব বলে প্রমাণ করেছেন ফুলচাষী দেলোয়ার হোসেন। গাজীপুরের শ্রীপুর পৌরসভার কেওয়া দক্ষিণখন্ড গ্রামে টিউলিপ ফুলের এক হাজার বাল্ব রোপণের ২২ দিনের মাথায় ফুল ফুটেছে।

চাষী দেলেয়োর হোসেন বলেন, ‘আমাদের বাগানে টিউলিপ ফুটেছে দেখে অন্যদের চেয়ে আমরাই বেশি খুশি হয়েছি। প্রায় ১৫ বছর আগে থেকে আমরা ফুল চাষ শুরু করি। প্রথমে বাণিজ্যিকভাবে পরিকল্পনা করিনি। কিন্তু প্রথম বছরেই উৎপাদন ভালো হওয়ায় পরে গ্ল্যাডিওলাস ফুল চাষের মাধ্যমে বাণিজ্যিকভাবে চাষবাস শুরু করি। ওই দেশ থেকেই ফুলের চাষ প্রক্রিয়া, তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণে প্রযুক্তির ব্যবহার, ফুল গাছ রোপন ও পরিচর্যা প্রক্রিয়ায় ব্যবহৃত প্রযুক্তি এবং প্রযুক্তিগত পণ্য সংগ্রহ করি। এবারই প্রথম দেশে এবং আমার বাগানে বিরল প্রজাতির টিউলিপ ফুল ফুটেছে।’

শুরুর কথা

দেলোয়ার হোসেনের সহযোগী ও তার স্ত্রী শেলী চাষবাসে সমানভাবে জড়িত। শেলী বলেন, ‘নেদারল্যান্ড থেকে ২০১৭ সালে রয়েল ভ্যান জেন্টেন নামের একটি কোম্পানি থেকে লিলিয়াম ফুলের ৬০ হাজার বাল্ব এনে চাষ শুরু করি এবং সফল হই। দুই বছর লিলিয়াম উৎপাদন করি। তৃতীয় বছরে লিলিয়ামের বাল্বগুলো সংরক্ষণ করি ও পরে সেগুলো বিক্রি করে ফেলি।’

তিনি আরও বলেন, ‘গত বছরের শেষের দিকে একই দেশ থেকে ফুল গাছ ও বাগানের প্রযুক্তিগত কাঁচামাল সংগ্রহ করি। এসময় সে দেশ থেকে পরীক্ষামূলকভাবে আমাদের টিউলিপ ফুলের এক হাজার বাল্ব ওই কোম্পানি থেকে বিনামূল্যে সরবরাহ করা হয়। রোপণের ২২ দিনের মাথায় টিউলিপ বাল্বগুলো থেকে দুটি পাতা বেরোনোর পরই ফুল ফুটে। জানুয়ারি মাসের শেষ সপ্তাহে ফুলের দেখা মেলে। প্রতিদিনই ফুল ফুটছে।’ফুল চাষি দেলোয়ার হোসেন বলেন, টিউলিপ গাছের পরিচর্যা ও ফুল ফোটার জন্য কমপক্ষে ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে তাপমাত্রার প্রয়োজন। সেখানে আমাদের এলাকায় শীতে সর্বনিন্ম ১৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা থাকে। এর মধ্যেই এই ফুলটি ফুটেছে। অনেকে ৮০ টাকা পিস কিনে নিতে চেয়েছিলেন, বিক্রি করিনি। দেশে যেহেতু এটাই প্রথম ফলন এবং আমার বাগানেই তা ঘটেছে তাই আমি বিক্রি করবো না। অনেক দর্শণাথী এসে ফুলগুলো দেখছেন। এটি আমাদের অর্জন, দেখতে ভালো লাগে, মানুষ আসছে দেখার জন্য। এতেই আমাদের আনন্দ। ফুল না ফুটলে হয়তো এ আনন্দ আমি টাকা দিয়ে কিনতে পারতাম না।’

ভবিষ্যতে টিউলিপের চাষ বাণিজ্যিকভাবে করার পরিকল্পনার কথা জানান তিনি। এই ফুল চাষের বিষয়ে নেদারল্যান্ডস থেকে আরও জ্ঞান নিয়ে বৃহৎ পরিসরে টিউলিপের চাষ করার আশা রয়েছে তার।বাংলাদেশে প্রথম টিউলিপ

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের মহাপিরচালক ড. আব্দুল মুঈদ বলেন, ‘বাংলাদেশে টিউলিপ চাষ সফলভাবে করা সম্ভব। চাষি দেলোয়ার হোসেন তা করে দেখিয়েছেন। বাংলাদেশের মাটিতে টিউলিপ ফুল ফোটা দেখা আমার এটিই প্রথম। সাধারণত বরফপ্রধান দেশগুলো টিউলিপ ফুলের চাষ হয়। ইউরোপের দেশগুলোতে প্রচণ্ড ঠান্ডা থাকায় সেসব দেশে টিউলিপ ভালো ফুটে। কিন্তু বাংলাদেশে টিউলিপ ফুলের চাষ করে চাষি দেলোয়ার হোসেন অবাক করে দিয়েছেন। আমরা এ নিয়ে সরকারের নীতি নির্ধারণী পর্যায়ে কথা বলবো। ভবিষ্যতে বাংলাদেশ রফতানিযোগ্য পণ্য হিসেবে টিউলিপ ফুলের চাষ করতে পারবে।’আরও যা করেন দেলোয়ার

শ্রীপুর উপজেলার কেওয়া দক্ষিণখন্ড এলাকার দেলোয়ার হোসেন দুই একরের বেশি জমিতে ফুলের চাষ করে আসছেন। প্রায় ১৫ বছর যাবত ফুলের চাষ করছেন তিনি। এবার স্ট্রবেরি এবং ক্যাপসিকামের আবাদও করেছেন। তার কাছ থেকে ফুল চাষের পরামর্শ নিয়ে ঝিনাইদহ, কালীগঞ্জ, সাভার, কাপাসিয়াসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় ফুল চাষে এগিয়ে এসেছেন চাষিরা। দেলোয়ার জানান, ফুল চাষে প্রযুক্তিগত কাঁচামাল সরবরাহের ক্ষেত্রে সরকারি সহযোগিতা পেলে ফুল চাষ আরও ছড়িয়ে পড়বে।

নান্দনিক সাজে সাজছে সোহরাওয়ার্দী উদ্যান

বাংলাদেশের স্বাধীনতার গৌরবময় ইতিহাসের সঙ্গে মিশে থাকা মুক্তিযুদ্ধের নানা স্মৃতিবহ স্থান সোহরাওয়ার্দী উদ্যানকে ঢেলে সাজানোর উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। ২৬৫ কোটি ৪৪ লাখ টাকা ব্যয়ে ইতিমধ্যে শুরু হয়েছে এই প্রকল্পের কাজ। যদিও প্রকল্পটির মেয়াদ ধরা হয়েছিল ২০১৮ সালের জানুয়ারি থেকে ২০১৯ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত। প্রকল্পটির কাজ শুরু হয়েছে ২০১৮ সালে। কিন্তু নির্ধারিত সময়সীমায় প্রকল্পের কাজ শেষ না হওয়ায় মেয়াদ বাড়িয়ে তা আগামী বছরের ডিসেম্বর পর্যন্ত করা হয়েছে।

সোহরাওয়ার্দী উদ্যান ও তার আশপাশের এলাকা নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ মহাপরিকল্পনায় শিশুপার্ককে স্বাধীনতা স্তম্ভ প্রকল্পের আওতায় রেখে ‘ঢাকাস্থ সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে স্বাধীনতা স্তম্ভ নির্মাণ’ শীর্ষক তৃতীয় পর্যায়ের মহাপরিকল্পনার অনুমোদন দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এর অংশ হিসেবে নকশাও অনুমোদন করা হয়। মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন ও গণপূর্ত অধিদপ্তরকে কাজটি একসঙ্গে সম্পন্ন করার জন্য দায়িত্ব দেওয়া হয়। প্রকল্পের কাজগুলোর মধ্যে রয়েছে বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণের স্থানে ভাস্কর্য নির্মাণ, ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর আত্মসমর্পণের স্থান ও ইন্দিরা মঞ্চে ভাস্কর্য নির্মাণ। এছাড়া রয়েছে শিশুপার্ককে পুরোপুরি ঢেলে সাজানোর উদ্যোগ। যুক্ত করা হবে নতুন নতুন রাইড ও জলাশয়। নির্মাণ করা হবে শিশুপার্ক থেকে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে যাওয়ার জন্য বিশেষ সংযোগ সড়ক। থাকবে ৫৬০টি গাড়ি পার্কিংয়ের ব্যবস্থা ও সড়ক।

এছাড়া পরিকল্পনায় রয়েছে জনসভার জন্য একটি স্থায়ী মঞ্চ নির্মাণ, আধুনিক টয়লেট সুবিধাসহ খাবারের দোকান, মসজিদ, পাম্প হাউজ, শিশুপার্কের টিকিট কাউন্টার, ফুলের দোকান ও ছবির হাট নির্মাণ। শাহবাগ থেকেও দৃশ্যমান হবে পুরো এলাকা। ইতিহাসের নানা উপাদানে সাজাতে ইতিমধ্যে দুটি পর্যায়ে প্রকল্পের বেশ কিছু কাজ শেষ হয়েছে বলেও জানা যায়। আগের পর্যায়ে গ্লাস টাওয়ার, মুক্তিযুদ্ধের ম্যুরাল, স্বাধীনতা জাদুঘর, শিখা চিরন্তনসহ বেশ কিছু স্থাপনা নির্মাণ করা হয়েছে।

গণপূর্ত অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী মো. আশরাফুল আলম ইত্তেফাককে বলেন, ‘মহান মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিবিজড়িত স্থান ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যান নিয়ে আমরা কাজ করে যাচ্ছি। পুরো প্রকল্পে গণপূর্ত অধিদপ্তরসহ তিনটি প্রতিষ্ঠান উন্নয়নকাজ করছে। এর মধ্যে গণপূর্ত অধিদপ্তরের অংশের কাজের বিষয়ে দক্ষ প্রকৌশলীরা নিয়োজিত আছেন। আমাদের অগ্রাধিকার প্রকল্পের মতো এটিও একটি। আমরা নির্ধারিত সময়ে কাজ শেষ করার জন্য চেষ্টা করে যাচ্ছি।’

গণপূর্তের নির্বাহী প্রকৌশলী (সিটি ডিভিশন) শওকত উল্লাহ বলেন, ‘গণপূর্ত অধিদপ্তর ইতিপূর্বে দুই ধাপের কাজ অত্যন্ত সুচারুভাবে শেষ করেছে। এখন তৃতীয় ধাপের কাজ চলছে। কিছু কারিগরি বিষয়ে সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় আছি। সেগুলো পেলে আমরা কাজে আরো গতি আনতে পারব। এছাড়া মূল মাস্টারপ্ল্যান বাস্তবায়নে যেসব বাধা (স্থাপনা) আছে, তারও অপসরাণ প্রয়োজন।’ ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী (যান্ত্রিক) মো. আনিসুর রহমান বলেন, ‘শিশুপার্কের কাজ এগিয়ে চলেছে। আধুনিক ও অত্যাধুনিক সব রাইড দিয়ে সাজানো হচ্ছে শিশুপার্ক। তবে নতুন করে বেঁধে দেওয়া সময়ে প্রকল্পের কাজ শেষ হওয়া নিয়ে কিছুটা সংশয়ে আছি।’

ধর্ম নিয়ে কেন রেষারেষি থাকবে: প্রধানমন্ত্রী

ঢাকা: আমরা যদি বিশ্বাস করি শেষ বিচার করবেন আল্লাহ রাব্বুল আলামিন, কে বেহেশত যাবে, কে দোজখে যাবে তা তো আল্লাহ নির্ধারণ করবেন। সেই বিচারটা এখন বান্দা কেন করবে। কে মুসলমান, কে মুসলমান না, কে ধর্ম পালন করে, কে ধর্ম পালন করে না সেও তো আল্লাহ বিচার করবেন। যে যা করবে তার ফল তাকেই ভোগ করতে হবে। কারও ফল তো অন্য কেউ ভোগ করে দেবে না। এ অবস্থায় কেন এই রেষারেষিটা থাকবে।বুধবার (১২ ফেব্রুয়ারি) জাতীয় সংসদের অধিবেশনে বাংলাদেশ তরিকত ফেডারেশনের চেয়ারম্যান ও চট্টগ্রাম-২ আসনের সংসদ সদস্য সৈয়দ নজিবুল বশর মাইজভাণ্ডারীর সম্পূরক প্রশ্নের উত্তরে প্রধানমন্ত্রী একথা বলেন।ধানমন্ত্রী বলেন, ধর্মের মধ্যে ভাগ করা, কে ভালো, কে ভালো না আমি জানি না। আমাদের নবী করিমও (সা.) একথা বলেননি। অথবা ইসলাম ধর্মও একথা বলেনি। আমি মনে করি আমাদের ইসলাম ধর্মে যারা বিশ্বাসী তারা যদি ইসলাম ধর্মকেই বিশ্বাস করে এবং নবী করিম (সা.) এর বাণী সেটাও যদি ধারণ করে, সেটাও যদি মেনে চলে তাহলে তো এই বিচারের পথে কেউ যেতে পারে না।‘আমি ভালো মুসলমান না উনি ভালো মুসলমান এটা বলার দায়িত্ব তো আল্লাহ কাউকে দেননি। এই বিচার করার অধিকারও কাউকে দেননি। আল্লাহ তো বারবার বলেছেন, কুরআনেও বলা আছে শেষ বিচার আল্লাহ রাব্বুল আলামিন করবেন। সেই ধৈর্যটা থাকবে না কেন। এখানে আমি বলবো যারা সত্যিকার অর্থে ইসলাম বিশ্বাস করে তারা প্রত্যেকেই যার যার ধর্ম সেই সেই পালন করবে।

তিনি বলেন, কারও ধর্মে আঘাত দিয়ে কথা না বলা, মুসলমান হয়ে মুসলমানকে আঘাত এটা যেন না করে। একই সঙ্গে অন্য ধর্মালম্বীদেরও (এটাও ইসলামের শিক্ষা) আঘাত করা যাবে না। আঘাত করা উচিত না। সুরা কাফে স্পষ্ট বলা আছে। যার যার ধর্ম তার তার কাছে। যার যার ধর্ম সেই সেই পালন করবে। সেই বিশ্বাস নিয়ে চললে এই দ্বন্দ্বটা থাকে না।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ইসলাম শান্তির ধর্ম, পৃথিবীর সর্বশ্রেষ্ঠ ধর্ম হলো ইসলাম ধর্ম। সেই ধর্মে আমাদের শান্তির কথা বলা আছে। জীবনযাত্রা, জীবনমান সবকিছু চমৎকারভাবে বলা আছে। সেখানে জঙ্গিবাদ সমস্যা শুধু বাংলাদেশে না এটা সারা বিশ্বব্যাপী। ধর্মের নামে জঙ্গিবাদ সৃষ্টি হয়ে আমাদের এই ধর্মটাকে মুষ্টিমেয় লোকের জন্য বিশ্বের কাছে ইসলাম ধর্ম প্রশ্নবিদ্ধ হতে থাকে। আমরা সব সময় সেটাতে আপত্তি জানিয়েছি। ধর্মের নামে যেন জঙ্গিবাদ সৃষ্টি না হয়। তার জন্য আমরা আলেম ওলামাদের এক করে (আমাদের ছাত্রছাত্রী যুব সমাজ যেন সচেতন হয় এবং ইসলাম ধর্মের সত্যিকার বাণীটা যেন বুঝতে পারে তার জন্য) সম্পৃক্ত করেছি। তার কিছু ভালো ফলও আমরা পাচ্ছি।

চাঁপাইনবাবগঞ্জে ৩দিনব্যাপী পূষ্টি বিষয়ক প্রশিক্ষক-প্রশিক্ষণ সমাপ্ত


চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি:
চাঁপাইনবাবগঞ্জে খাদ্য ভিত্তিক পূষ্টি (ফলিত পূষ্টি) বিষয়ে ৩ দিনব্যাপী প্রশিক্ষক-প্রশিক্ষণ সমাপ্ত হয়েছে। সদর উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের ব্যবস্থাপনায় ও বাংলাদেশ ফলিত পূষ্টি গবেষণা ও প্রশিক্ষণ ইনিষ্টিটিউট (বারটান),আঞ্চলিক কার্যালয়,সিরাজগঞ্জের বাস্তবায়নে সদর উপজেলা পরিষদ সভাকক্ষে প্রশিক্ষণ শেষ হয়।
বৃহস্পতিবার (১৩’ফেব্রƒযারী) প্রশিক্ষণের শেষ দিনে ৬০ জন উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা,শিক্ষক,ইমাম,পুরোহিত,মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তর,মৎস্য অধিদপ্তর,প্রাণী সম্পদ অধিদপ্তর,স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা,এনজিও কর্মী,কৃষক-কৃষানী সহ অনন্যরা অংশ নেয়।
প্রশিক্ষক ছিলেন জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত উপপরিচালক মঞ্জুর ই মওলা,সদর উপজেলা সিনিয়র মৎস কর্মকর্তা এলিজা খাতুন,সদর উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অফিসার সীমা কর্মকার, বারটান সহকারী বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা মসিউর রহমান ও মো. নুরুন্নবী।
উল্লেখ্য, গত মঙ্গলবার(১১‘ফেব্রুয়ারী) জেলা কৃষি সম্প্রসারণ কার্যালয়ে দুটি ব্যাচে শুরু হওয়া প্রশিক্ষণে মানবদেহে পূষ্টি ও পূষ্টি সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন পূষ্টি বিশেষজ্ঞ,চিকিৎসক,পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা, কৃষি কর্মকর্তা,পশু চিকিৎসক ও মৎস কর্মকর্তা সহ সংশ্লিষ্টরা।

অবশেষে করোনা সনাক্তে সোনামসজিদ বন্দরে থার্মাল স্ক্যানার

নিজস্ব প্রতিবেদক:
গৌড় বার্তা ও একাত্তর টেলিভিশনে ধারাবাহিক করোনা ভাইরাস নিয়ে প্রতিবেদন প্রচারের পর অবশেষে বৃহষ্পতিবার(১৩ ফেব্রুয়ারী)  থেকে থার্মাল স্ক্যানার মেশিনের সাহায্যে সোনামসজিদ বন্দর ব্যবহারকারী যাত্রীদের করোনা ভাইরাস সনাক্তকরণ কার্যক্রম আরম্ভ হয়েছে। সেসাথে ভারতীয় ট্রাক চালক ও তাদের সহকারীদেরও এ পরীক্ষার আওতায় নেয়া হয়েছে। তবে জেলার অপর শুল্ক স্টেশন রহনপুর শুল্ক স্টেশনে এখনও কোন মেডিক্যাল টিম তাদের কার্যক্রম আরম্ভ করেনি।

গৌড়বার্তা কয়েকদফা সংবাদ প্রচারের পর

সোনামসজিদ ইমিগ্রেশন সেন্টারে কর্মরত ডা: ফাহাদ আকিদ রেহমান, জানান, বৃহষ্পতিবার দুপুর পর্যন্ত ৬৩ জন ট্রাক চালক ও তাদের সহকারী এবং পাসর্পোটধারী যাত্রীদের পরীক্ষা করা হয়েছে।বৃহষ্পতিবার পর্যন্ত এ বন্দরে কোন যাত্রীর দেহে এ ভাইরাসের উপস্থিতি পাওয়া যায়নি।
বন্দর দিয়ে ভারত থেকে আসা এক যাত্রী জানান,তিনি মালদা থেকে বাংলাদেশে প্রবেশের সময় ভারতের মোহদীপুর স্থলবন্দরে কোন মেডিক্যাল টিম করোনা ভাইরাস সনাক্তে উদ্যোগ না নিলেও সোনামসজিদ স্থল বন্দরে অধ্যাধুনিক পদ্ধতিতে ভাইরাসটি সনাক্তকরনের উদ্যোগ নেয়ায় খুশি তিনি।
অন্যদিকে সোনামসজিদ সি এ্যান্ড এফ এজেন্ট এ্যাসোসিয়েশনের  সভাপতি হারুন অর রশিদ জানান, আগে ভারতীয় ট্রাক চালক ও তার সহকারীদের এ পরীক্ষার আওতায় না আনা হলেও বৃহষ্পতিবার থেকে সকল ভারতীয় ট্রাক চালক ও এর সহকারীদের ভাইরাস সনাক্তকরন কার্যক্রমের আওতায় আনা হয়েছে।
অন্যদিকে চাঁপাইনবাবগঞ্জ সিভিল সার্জন ডা: জাহিদ নজরুল চৌধুরী জানান, সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী যেসব বন্দর দিয়ে যাত্রী যাতায়াত করবে ,শুধু সেসব বন্দরে মেডিক্যাল টিম কাজ করবে।সে মোতাবেক সোনামসজিদ স্থল বন্দরে আগে ম্যানুয়াল পদ্ধতিতে এবং বর্তমানে থার্মাল স্ক্যানার প্রাপ্তির পর এ স্ক্যানারের সাহায্যে বন্দর দিয়ে যাতাযাতকারী সকলের করোনা ভাইরাস সনাক্তের কার্যক্রম চলছে।
প্রসঙ্গত: সোনামসজিদ বন্দরে কোন টিম না থাকা ও পরে ম্যানুয়াল পদ্ধতিতে শুধু যাত্রীদের পরীক্ষার আওতায় আনার বিষয়ে ধারাবাহিক প্রতিবেদন গৌড়বার্তা ও একাত্তর টেলিভিশনে প্রচার হয়।পরে স্বাস্থ্য বিভাগ সোনামসজিদ বন্দরে শুধু পাসর্পোটধারী যাত্রীদের ম্যানুয়াল পদ্ধতিতে ভাইরাস সনাক্তকরন কার্যক্রম চালুর পর বৃহষ্পতিবার থেকে থার্মাল স্ক্যানারের সাহায্যে যাত্রী সহ বন্দর ব্যবহারকারী সকলের এ পরীক্ষার আওতায় আনা হয়েছে।

চাঁপাইনবাবগঞ্জে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকদের সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত


চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি:
চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলায় সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকগদের মাসিক সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার(১৩’ফেব্রুয়ারী) সকালে সদর উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে উপজেলা শিক্ষা অফিস আয়োজিত সভায় সভাপতিত্ব করেন সদর উপজেলা শিক্ষা অফিসার নুর-উন-নাহার রুবিনা।
সভায় অংশ নেন সহকারী উপজেলা শিক্ষা অফিসার পরিমল কুমার কুন্ডু,মনিরা রহমান,তাসেম উদ্দিন,দুরুল হোদা,আল মামুন,কামাল উদ্দিন সহ শিক্ষা কর্মকর্তা,বিভিন্ন প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকগণ ও সংশ্লিষ্টরা।
সভায় মুজিববর্ষ পালন, মাহান একুশে ফেব্রুয়ারী পালনসহ বিভিন্ন কর্মসূচী নিয়ে আলোচনা করা হয় ও প্রয়োজনীয় দিক নির্দেশনা দেয়া হয়।

চাঁপাইনবাবগঞ্জে কৃষিবিদ দিবস পালিত


চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি
“বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবর্ষে কৃষি সমৃদ্ধির উৎকর্ষে উন্নয়নের মহাসড়কে বাংলাদেশ” এ স্লোগানকে সামনে রেখে বৃহস্পতিবার চাঁপাইনবাবগঞ্জে কৃষিবিদ দিবস পালিত হয়েছে। এ উপলক্ষে কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন বাংলাদেশ চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা শাখার আয়োজনে জেলা কৃষি সম্প্রসারণ দপ্তর চত্বর থেকে এক বর্ণাঢ্য র‌্যালী বের করা হয়। র‌্যালিটি শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে একই স্থানে এসে এক আলোচনাসভায় মিলিত হয়। এসময় প্রয়াত কৃষিবিদ আব্দুল মান্নান এমপি’র প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে ১ মিনিট দাঁড়িয়ে নীরবতা পালন করা হয়।
পরে, সংগঠনের জেলা সভাপতি ও কৃষি সম্প্রসারণ দপ্তরের উপ-পরিচালক মোঃ মঞ্জুরুল হুদার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় বক্তব্য রাখেন, জেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা ডা. মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান, কৃষিবিদ মোঃ মোরশেদ আলম, জেলা মৎস্য কর্মকর্তা ড. মোঃ আমিমুল এহসান, কল্যাণপুর হর্টিকালচারের উপ-পরিচালক কৃষিবিদ মোঃ মোজদার হোসেন, কৃষিবিদ মোঃ আফতাব উদ্দিন, সাধারণ সম্পাদক কৃষিবিদ মোঃ আব্দুল্ল¬াহ সোহেল প্রমুখ।
অনুষ্ঠানে শুভেচ্ছা বক্তব্য দেন, জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি মোঃ রুহুল আমিন, জেলা কৃষকলীগের সভাপতি এ্যাডভোকেট মোঃ আব্দুস সামাদ বকুল।
শেষে, কৃষিবিদ আব্দুল মান্নান এমপি’র আত্মার মাগফেরাত কামনা করে দোয়া অনুষ্ঠিত হয়।

নাচোলে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের নব নির্মাণকৃত কার্যালয় প্রস্তুত

নাচোল প্রতিনিধি : চাঁপাইনবাবগঞ্জের নাচোল উপজেলায় ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স কার্যালয়ের নতুন ভবন নির্মাণ কাজ সম্পন্ন হয়েছে। উদ্বোধন করা হতে পারে যে কোন দিন। বৃহস্পতিবার দুপুরে নাচোল ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের ইনচার্জ মো. ইব্রাহিম জানান, ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স এর সকল কাজ ইতোমধ্যেই সম্পন্ন হয়েছে । এ অফিসে ১০ জনের একটি টিম কাজ করবে। তিনি আরো জানান, নতুন ২টি অগ্নিনির্বাপক গাড়িও প্রস্তুত। নাচোলে যে কোন ধরনের দুর্ঘটনার জন্য ০১৩১৫-৫৩৫৩১৫ এ নম্বরে যোগাযোগ করার আহবান জানিয়েছেন নাচোল ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের ইনচার্জ মো. ইব্রাহিম ।