সর্বশেষ সংবাদ দেশীয় পণ্য উৎপাদন ও ব্যবহার বৃদ্ধির আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর সেনাবাহিনীর টহলে ফাঁকা ভোলাহাট এবার ভোলাহাটে ২৫ যুবককে রোদে দাঁড় করিয়ে শাস্তি দিলো সেনাবাহিনী করোনা ভাইরাস সন্দেহে গোমস্তাপুরে ১ মহিলাসহ ২ জনের নমুনা সংগ্রহ দায়িত্ব নিয়ে প্যাকেজ ঘোষণা করেছি, কেউ অপব্যবহার করবেন না এপ্রিলের বেতন ৩০ এপ্রিলেই পাবেন পোশাক শ্রমিকরা করোনা: চাঁপাইনবাবগঞ্জে ১০ জনের নমুনা সংগ্রহ স্বাস্থ্য বিভাগের:কোন বাড়ি লকডাউন করা হয়নি নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে নাটকের শুটিং জার্মানির দুই লাখ মাস্ক ‘কেড়ে নিয়েছে’ যুক্তরাষ্ট্র বরিস জনসনের হবু স্ত্রী করোনায় আক্রান্ত

বালিয়াঘাট্টা বিসিএলের ফাইনাল ও পুরস্কার বিতরণ

নিজস্ব প্রতিবেদক :  গোদাগাড়ী উপজেলার বালিয়াঘাট্টায়
বিসিএল টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত হয়েছে। ৩১
জানুয়ারি শুক্রবার বালিয়াঘাট্টার কাশিমপুর একে ফজলুল হক উচ্চ বিদ্যালয়
মাঠে এ ফাইনাল ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত হয়।

ফাইনালে বালিয়াঘাট্টা রাইডার্স ১ উইকেটে দুরন্ত বালিয়াঘাট্টাকে হারিয়ে ৮ম
আসরে চ্যাম্পিয়ন হয়। বালিয়াঘাট্টা ইয়াং জেনারেশন আয়োজিত বালিয়াঘাট্টা
ক্রিকেট লীগ (বিসিএল) টুর্ণামেন্টের ফাইনাল খেলা ও পুরস্কার বিতরণী
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন,  ১নং গোদাগাড়ী ইউনিয়নের
চেয়ারম্যান মোঃ রুহুল আমিন।

শাহনেয়ামতুল্লাহ কলেজের উপাধ্যক্ষ শরিফুল আলমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাফিনা পার্ক লিমিটেডের এমডি বিশিষ্ট
ব্যবসায়ী মিজানুর রহমান ফরিদ, অধ্যক্ষ আতিকুল ইসলাম, আওয়ামীলীগ নেতা আহাদ
আলী, শফিকুল ইসলাম, বীর মুক্তিযোদ্ধা  সাংবাদিক গোলাম মোস্তফা মন্টু,
বিশিষ্ট ব্যবসায়ী আখতারুল আলম বাবু, নুর আজহার আহমেদ বড় বাবু, শিক্ষিকা
(অবঃ) নাদিরা বেগম, মাসুদ আলী, যুবলীগ নেতা আমিনুল ইসলাম প্রমুখ।

বিসিএলের ৮ম আসরে ৭টি দলের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত টুর্ণামেন্টের  ফাইনাল
খেলায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে দুরন্ত বালিয়াঘাট্টা ও বালিয়াঘাট্টা
রাইডার্স। দুরন্ত বালিয়াঘাট্টা প্রথমে ব্যাট করে ১১৩ রান সংগ্রহ করে।
জবাবে বালিয়াঘাট্টা রাইডার্স ৯ উইকেটে ১১৪ রান করে চ্যাম্পিয়ন হয়।

ফাইনালে সেরা খেলোয়াড় হয়েছেন  রাইডার্সের নাইম ইসলাম এবং টুর্নামেন্ট
সেরা খেলোয়াড় হয়েছেন দুরন্তের অধিনায়ক আব্দুস সামাদ। খেলা পরিচালনা করেন
জাকারিয়া মাসুম ও তৌহিদুল  ইসলাম। ধারাভাষ্য ও সঞ্চালনায় ছিলেন, তানভির
আহমেদ মাসুম ও সাজু। খেলা শেষে বিজয়ী ও বিজিতদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন
অতিথিবৃন্দরা। –

চাঁপাইনবাবগঞ্জে জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সপ্তাহ এবং বিজ্ঞান মেলার সমাপনী অনুষ্ঠিত

পরিবেশ ও প্রকৃতি সুরক্ষায় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি” এই স্লোগানে ৪১তম জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সপ্তাহ এবং বিজ্ঞান মেলার সমাপনী অনুষ্ঠিত হয়েছে চাঁপাইনবাবগঞ্জে। শুক্রবার বিকেল নবাবগঞ্জ সরকারি কলেজ অডিটোরিয়ামে সমাপনী দিনে প্রধান অতিথি হিসেবে ছিলেন, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্ভিদ বিদ্যা বিভাগের অধ্যাপক মোঃ মনজুর হোসেন।

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি যাদুঘরের সহযোগিতায় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সপ্তাহ এবং বিজ্ঞান মেলার আয়োজন করেছে চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা প্রশাসন। অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) এ. কে.এম. তাজকির-উজ-জামান’র সভাপতিত্বে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের বিশেষ অতিথি ছিলেন, জেলা প্রশাসক এ জেড এম নুরুল হক, নবাবগঞ্জ সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর ড. শংকর কুমার কুণ্ডু।

এসময় উপস্থিত ছিলেন, চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ আলমগীর হোসেন কৃষিবিদ ড. জহুরুল ইসলাম, নামোশংকরবাটী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ আসলাম কবীরসহ বিভিন্ন স্কুল কলেজের শিক্ষকগণ। আলোচনা শেষে বিজয়ীদের পুরস্কার দেয়া হয়। মেলায় ৩টি গ্রুপে ৫ উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ১৮টি স্টল অংশগ্রহণ করেছিল। সমাপনী দিনে অনুষ্ঠান সঞ্চালনায় ছিলেন, সহকারী কমিশনার রওশনা জাহান।

নতুন চেহেরায় হাজির হচ্ছে ফেসবুক


ডেস্ক : চেনা রূপকে বদলে দিয়ে নতুন চেহারায় হাজির হচ্ছে ফেসবুক। মূলত ফেসবুকের ডেস্কটপ সংস্করণে এমন পরিবর্তন আনতে যাচ্ছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমটি।

এনডিটিভি জানায়, এরই মধ্যে ফেসবুক কিছু ইউজারকে নতুন সংস্করণের অ্যাকসেস দিয়েছে। তবে শিগগিরই বিশ্বব্যাপী নতুন চেহারায় দেখা যাবে প্ল্যাটফর্মটিকে।

ফেসবুকের এই নতুন‌ লুকে অনেক পরিবর্তন লক্ষ করা যাবে। এতে বিশেষ গুরুত্ব পেয়েছে সাদা রংটি। শীর্ষে থাকছে হোম, ভিডিও, মার্কেট প্লেস, ফ্রেন্ডস ও অন্য অপশন। বাঁ দিকে ব্যবহারকারীর নাম ও কত ফ্রেন্ড রিকোয়েস্ট রয়েছে তা দেখা যাবে।

ঠিক নিচে থাকবে গ্রুপগুলো সঙ্গে ইভেন্ট, সেভড, পেজেস, ফ্রেন্ডস, সেটিংস, প্রাইভেসি ও সি মোর। এই অপশনগুলো থাকবে পরপর সাজানো। ডানদিকে স্পনসর্ড-এৱ পর বার্থডে ও তার ঠিক নিচে থাকবে কনট্যাক্টস।

নতুন লুকে ফেসবুকের প্রতিটি বিষয় খুব স্পষ্ট দেখা যাবে। এতে বাড়ানো হয়েছে টেক্সটের আকারও। ইউজাররা যেটি খুঁজছেন সেটি সহজেই পেয়ে যাবেন।

দিল্লি গণধর্ষণ: তিহার জেলে পৌঁছেছেন পবন জল্লাদ

কলকাতা প্রতিনিধি

ভারতে তোলপাড় ফেলে দেওয়া নির্ভয়া কাণ্ডে দোষীদের ফাঁসির দড়িতে ঝোলানো হবে পয়লা ফেব্রুয়ারি। ইতিমধ্যেই তিহার জেলে শুরু হয়ে গিয়েছে ফাঁসির প্রস্তুতি। এর দুই দিন আগেই পবন জল্লাদ পৌঁছে গিয়েছেন তিহার জেলে।

শনিবার সকাল ছটায় ফাঁসির দড়িতে ঝোলানো হবে নির্ভয়ার চার দোষীকে। তবে তার আগে প্রাথমিক মহড়া হিসাবে আজ শুক্রবার হবে পুতুলের ফাঁসি।

নির্ভয়া কাণ্ডের চার দোষীর সমান ওজনের পুতুল ফাঁসি কাঠ থেকে ঝুলিয়ে পরীক্ষা করে দেখা হবে। ইতিমধ্যেই ফাঁসির দড়ি নরম রাখার জন্য দড়িতে মাখন ও কলা মাখানো শুরু হয়েছে।

এর আগে ৫৪ বছর বয়েসী পবন জল্লাদ জানান, নির্ভয়ার চার দোষীকে ফাঁসিতে ঝোলানোর কাজটা তার কাছে সৌভাগ্যের। গোটা দেশ যে চারজনকে ফাঁসি কাঠে ঝুলতে দেখতে চায়, তিনি তাদের শাস্তি দিতে চান।

উল্লেখ্য, এই পবন জল্লাদের দাদা ভারতের সাবেক প্রয়াত প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধীর হত্যাকারীকে ফাঁসিতে ঝুলিয়েছিলেন। সেই দাদার কাছেই পবনের হাতেখড়ি। তারপর থেকে পবন জল্লাদ বহু বছর ধরে এই পেশার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন। ইতিমধ্যেই ফাঁসির মঞ্চ থেকে শুরু করে দড়ি, সবই পরীক্ষা করে দেখেছেন পবন জল্লাদ। সব মিলিয়ে এখন মহা ব্যাস্ততায় দিন কাটছে পবন জল্লাদের।

ভারতের আলোচিত এই গণধর্ষণের ঘটনাটি ঘটেছিল দিল্লির মুনিরকা এলাকায়, ২০১২ সালের ১৬ ডিসেম্বর রাতে। ওই রাতে ২৩ বছর বয়সী মেডিকেলের ছাত্রী জ্যোতি সিংহ পান্ডে তার ছেলেবন্ধু অন্দ্র প্রতাপ পান্ডের সাথে সিনেমা দেখে বাসে করে বাড়ি ফিরছিলেন। ওই বাসের চালক ও হেলপারসহ ৬ জন মিলে ওই নারীর ওপর হামলে পড়ে। এসময় প্রতিবাদ করায় তার বন্ধু পান্ডেকে মারধর করা হয়। এরপর হত্যার উদ্দেশ্যে ওই নারীকে খোলা রাস্তায় ফেলে রেখে ধর্ষকরা পালিয়ে যায়। সেখান থেকে পথচারীরা তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করে।

ঘটনার ১৩ দিন পর তাকে জরুরি চিকিৎসার জন্য সিঙ্গাপুরে পাঠানো হয়। সেখানে চিকিৎসারত অবস্থায় দুই দিন পর তিনি মারা যান। এই ঘটনাটি ভারত এবং ভারতের বাইরে ব্যাপক সাড়া জাগিয়েছিল। তখন এ ঘটনার প্রতিবাদ ও ধর্ষকদের শাস্তি দাবি ভারত জুড়ে প্রচুর সভা সমাবেশ ও প্রতিবাদ হতে দেখা যায়। কিন্তু বিচারের নামে চলে কালক্ষেপণ। একে একে পেরিয়ে যায় দীর্ঘ ৭ বছর। অবশেষে সেই ধর্ষকদের চারজনের ফাঁসি কার্যকর হতে চলেছে। এর আগে ২২ জানুয়ারি মুকেশ-অক্ষয়-পবন-বিনয়ের ফাঁসির নির্দেশ জারি হয়েছিল। পরে তা পিছিয়ে ১ ফেব্রুয়ারি হয়।

এর আগেই নিয়ম মতো তিহাড় জেলে এসে হাজির হয়ে গিয়েছেন মেরঠের পবন জল্লাদ। তিহারে কোনও ফাঁসুড়ে না থাকায় পবনকে মেরঠ থেকে ডেকে পাঠানো হয়েছে।

রাতে বন্ধ হচ্ছে যান চলাচল:সিটি কলেজে ভোট দেবেন প্রধানমন্ত্রী

ঢাকার দু সিটি কর্পোরেশন নির্বাচন উপলক্ষে শুক্রবার মধ্যরাত থেকে ঢাকা মহানগরে সব ধরনের গাড়ি চলাচল বন্ধ রাখার নির্দেশনা দিয়েছে কমিশন।ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি) নির্বাচনে রাজধানীর সিটি কলেজ কেন্দ্রে ভোট দেবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এ কেন্দ্রে সকাল ৮টায় ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন তিনি।
|আরো খবর

ছাড়ছে না লঞ্চ, বিপাকে যাত্রীরা

দক্ষিণ সিটির আওয়ামী লীগ সমর্থিত মেয়রপ্রার্থী শেখ ফজলে নূর তাপসের মিডিয়া ও জনসংযোগ সমন্বয়কারী তারেক শিকদার সাংবাদিকদের এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, মেয়র পদপ্রার্থী ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস ভোট দেবেন ড. মালিকা বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ কেন্দ্রে।

প্রসঙ্গত, শনিবার ঢাকার উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশন নির্বাচনের ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। সকাল ৮টায় ভোটগ্রহণ শুরু হয়ে চলবে বিকেল ৪টা পর্যন্ত। ইলেক্ট্রনিক ভোটিং মেশিনের (ইভিএম) মাধ্যমে এবার দুই সিটির ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।

ঢাকায় যান চলাচল বন্ধ থাকবে ১৮ ঘণ্ট ;;ভোটের আগে পরে যান চলাচল বন্ধ ১৮ ঘণ্টা

ইসির নির্দেশনা অনুযায়ী গত মঙ্গলবার এক প্রজ্ঞাপনে ভোটের সময় যান চলাচলে বিধি নিষেধ আরোপ করে সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়।

এতে বলা হয়েছে, ৩১ জানুয়ারি (শুক্রবার) দিবাগত মধ্যরাত ১২টা থেকে ১ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত বাস, বেবি ট্যাক্সি/অটো রিকশা, ট্যাক্সি ক্যাব, মাইক্রোবাস, জিপ, পিকআপ, কার, ট্রাক, টেম্পু, অন্যান্য যন্ত্রচালিত যানবাহন চলাচল বন্ধ থাকবে। আর মোটর সাইকেল চলাচলে নিষেধাজ্ঞা থাকবে ৩০ জানুয়ারি দিবাগত রাত ১২টা থেকে ২ ফেব্রুয়ারি সকাল ৬টা পর্যন্ত।

তবে মোটরসাইকল ও বিভিন্ন যানবাহনে নিষেধাজ্ঞা রিটার্নিং কর্মকর্তার অনুমতিতে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী ও তাদের এজেন্ট, দেশি-বিদেশি পর্যবেক্ষকদের ক্ষেত্রে শিথিলযোগ্য। এক্ষেত্রে পর্যবেক্ষকদের পরিচয়পত্র থাকতে হবে।

ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন ও ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন এলাকায় মহাসড়ক ছাড়াও আন্তঃজেলা বা মহানগর থেকে বাহির হওয়ার জন্য গুরুত্বপূর্ণ সড়ক, মহাসড়ক ও প্রধান প্রধান রাস্তার সংযোগ সড়ক বা উক্তরূপ সব রাস্তায় নিষেধাজ্ঞা শিথিল থাকবে। ভোটের দিন নৌযান চলাচলে নিষেধাজ্ঞা থাকলেও আন্তঃজেলা লঞ্চ চলবে। খোলা থাকবে সদরঘাট।

বিয়ার গ্রিলসের সঙ্গে বনে যাওয়ায় রজনীকান্তকে গ্রেফতারের দাবি

বিয়ার গ্রিলস ও রজনীকান্তদুর্ধর্ষ অভিযাত্র বিয়ার গ্রিলসের সঙ্গে জনপ্রিয় সার্ভাইভাল টিভি শো ‘ম্যান ভার্সেস ওয়াইল্ড’র শুটিং শেষ করেছেন তামিল সুপারস্টার রজনীকান্ত। গ্রিলসের সঙ্গে তার রোমাঞ্চকর বন্য অভিযান দেখতে ইতিমধ্যেই মুখিয়ে রয়েছেন দর্শকরা। তবে রজনীর এই জঙ্গল অভিযানকে মোটেই ভাল চোখে দেখছেন না ভারতের পরিবেশপ্রেমীরা। কর্ণাটকের কিছু পরিবেশপ্রেমী প্রশ্ন তুলেছেন, বান্দিপুরের মতো এক জাতীয় উদ্যানে রজনীর মতো একজন বড় মাপের অভিনেতা কিংবা খ্যাতনামা ব্যক্তিত্ব কীভাবে শুটিং করতে পারেন? এমনকি, এই ঘটনায় রজনীকান্তকে গ্রেফতারের দাবিও তুলেছেন তারা।

পরিবেশপ্রেমীরা জানান, বান্দিপুরের জঙ্গল ব্যাঘ্র সংরক্ষণ প্রকল্প রয়েছে। বাঘ ছাড়াও সেই জঙ্গলে বিলুপ্ত প্রজাতির প্রাণীও রয়েছে। শুটিংয়ের কারণে তাদেরও ক্ষতি হতে পারত! এমনকি, শুটিং টিমের কোনো কার্যকলাপের জন্য জঙ্গলে আগুনও ধরে যেতে পারত! এমনিতেই শীতকাল। শুষ্ক আবহাওয়ার জন্য সহজেই আগুন ছড়িয়ে দাবানলের আকার নিতে পারে। এসব আগপিছ না ভেবে সেখানে গিয়ে কীভাবে দায়িত্ব-জ্ঞানহীন ব্যক্তির মতো শুটিং করলেন রজনীকান্তের মতো একজন সুপারস্টার? প্রশ্ন ছুঁড়ে রজনীর গ্রেফতারের দাবি তুলেছেন কর্ণাটকের পরিবেশপ্রেমীরা।

প্রসঙ্গত, রজনীর পর অক্ষয় কুমারও যোগ দিয়েছেন গ্রিলসের জঙ্গল অভিযান শো ‘ম্যান ভার্সেস ওয়াইল্ড’-এ। পৌঁছেও গেছেন মাইসোর। তার মধ্যেই রজনীকে গ্রেফতারের দাবি উঠল। অক্ষয়ের ক্ষেত্রেও সেই একই প্রশ্ন উঠতে পারে!

বান্দিপুরের ওই জঙ্গলে বাঘসহ অনেক হিংস্র পশুর আনাগোনা রয়েছে। এখানেই বিয়ার গ্রিলসের সঙ্গে শুটিং করেছেন থালাইভা। ২৭ জানুয়ারি থেকে শুরু হয়েছিল ‘ম্যান ভার্সেস ওয়াইল্ড’-এর শুটিং।

রজনীকান্ত যে শুটিংয়ের প্রস্তুতি নিয়েছেন, তার একটি ফুটেজও প্রকাশ পেয়েছে নেটদুনিয়ায়। প্রতিদিন প্রায় ৬ থেকে ৮ ঘণ্টা করে জঙ্গলের মধ্যে শুটিং চলত। সকালে ১১টা থেকে শুরু হত শুটিং। শেষ হত বিকেল ৪টায়। ৪ দিনের জন্য ১০ লাখ টাকা পারিশ্রমিক পেয়েছেন ডিসকভারি চ্যানেল কর্তৃপক্ষের থেকে রজনী আন্না। সেই ‘ম্যান ভার্সেস ওয়াইল্ড’-এর শুটিংয়ের জন্যই জোর সমালোচনার মুখে পড়লেন রজনীকান্ত।

৭৪ বিদেশি পর্যবেক্ষকের মধ্যে ২৮ জন বাংলাদেশি!

বিদেশি দূতাবাসে চাকরি করলেও তারা বাংলাদেশি, অথচ আসন্ন সিটি করপোরেশন নির্বাচন পর্যবেক্ষণে তাদের বিদেশি পর্যবেক্ষক হিসেবে কার্ড দিয়েছে নির্বাচন কমিশন।

নিয়ম ভেঙে ইসির এ পদক্ষেপ নিয়ে প্রশ্ন ওঠার প্রেক্ষাপটে সাবেক নির্বাচন কমিশনার মুহাম্মদ ছহুল হোসাইন বলেছেন, এটা ঠিক হয়নি।

অভিযোগের মুখে সিইসি কে এম নূরুল হুদা বলেছেন, বিদেশি সংস্থার যেসব বাংলাদেশি নির্বাচন পর্যবেক্ষণ করবেন, তাদের কাজে নজর রাখবেন তারা।

আগামী ১ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠেয় ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি নির্বাচন নিয়ে ঢাকায় কর্মরত পশ্চিমা কূটনীতিকরা বেশ তৎপর। ইসি থেকে শুরু করে বিভিন্ন প্রার্থীর সঙ্গেও দেখা করে তারা বলছেন, সুষ্ঠু নির্বাচনের প্রত্যাশা থেকে তাদের এই পদক্ষেপ।

এই নির্বাচন পর্যবেক্ষণে যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্যসহ পশ্চিমা দেশগুলোর দূতাবাসগুলো ইসির কাছে থেকে পর্যবেক্ষক কার্ডও নিয়েছে।

ইসির কাছ থেকে পাওয়া তালিকা বিশ্লেষণে দেখা যায়, ১০টি দেশের মিশনের মোট ৭৪ জন পর্যবেক্ষক কার্ড পেয়েছেন, তবে এর মধ্যে ২৮ জন রয়েছেন বাংলাদেশি, যারা বিভিন্ন দূতাবাসে চাকরি করেন।

বাকি ৪৬ জন বিদেশি পর্যবেক্ষক হিসেবে কার্ড পেলেও বাংলাদেশি ২৮ জনের বিদেশি পর্যবেক্ষক হিসেবে কার্ড দেওয়াটা নির্বাচন পর্যবেক্ষণ নীতিমালার স্পষ্ট লঙ্ঘন।

নির্বাচন পর্যবেক্ষণ নীতিমালায় (ধারা ১২: বাংলাদেশে কর্মরত আন্তর্জাতিক সংস্থার নির্বাচন পর্যবেক্ষণ) বলা হয়েছে- নির্বাচন পর্যবেক্ষণের জন্য বাংলাদেশে কর্মরত আন্তর্জাতিক সংস্থা/কূটনৈতিক মিশনের নির্বাচন কমিশনে নিবন্ধিত হওয়ার বিধান নেই।

আন্তর্জাতিক সংস্থা/কূটনৈতিক মিশনের বিদেশি কর্মকর্তা/কর্মচারী বিদেশি পর্যবেক্ষক এবং স্থানীয় কর্মকর্তারা স্থানীয় পর্যবেক্ষক হিসেবে গণ্য হবে। বিদেশিদের বিদেশি পর্যবেক্ষক নীতিমালা অনুযায়ী এবং স্থানীয়দের স্থানীয় পর্যবেক্ষক নীতিমালা অনুযায়ী আবেদন করতে হবে।

স্থানীয় ১১টি পর্যবেক্ষণ সংস্থার ১ হাজার ১৩ জন বাংলাদেশি দেশি পর্যবেক্ষক হিসেবে ইসির তালিকাভুক্ত হলেও চাকরির সুবাদে দূতাবাসের ওই ২৮ বাংলাদেশি বিদেশি পর্যবেক্ষকের কার্ড করিয়ে নিয়েছেন।

ভোটের দিন বিদেশি পর্যবেক্ষকদের নিরাপত্তার ব্যবস্থা করতে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে চিঠি পাঠিয়েছে ইসি; ফলে বাংলাদেশি হয়েও ২৮ জন পাচ্ছেন বিশেষ সুবিধা, অথচ হাজারের বেশি দেশি পর্যবেক্ষকের জন্য সেই বন্দোবস্তু নেই।

দেশিদের বিদেশি পর্যবেক্ষক কার্ড দেওয়ার বিষয়ে সাবেক নির্বাচন কমিশনার ছহুল হোসাইন বলেন, বিদেশি পর্যবেক্ষণ সংস্থার পক্ষ থেকে বিদেশি পর্যবেক্ষক থাকাটাই শ্রেয়। দূতাবাসে কর্মরত বাংলাদেশি কর্মকর্তাদের বিদেশি পর্যবেক্ষক করা ঠিক হয়নি।

“এসব কর্মকর্তাদের বিদেশি পর্যবেক্ষক পরিচয়কার্ড করা ঠিক না।”বিদেশি দূতাবাসের কর্মীদের ভোট পর্যবেক্ষণের সামর্থ্য নিয়েও প্রশ্ন তোলেন সাবেক এই নির্বাচন কমিশনার।

“ভোট দেখতে পর্যবেক্ষণ সংস্থাগুলোর লোকজন নানা পরিকল্পনা নিয়ে আসেন, তাদের ট্রেনিংও রয়েছে। কিন্তু দূতাবাসের লোকজন যারা দেশীয়, তারা ভোট দেখতে যাবেন কেন? তাদের পর্যবেক্ষণে ঘাটতি থাকতে পারে।”

এ বিষয়ে সিইসি নূরুল হুদা সাংবাদিকদের বলেছেন, “বিদেশি পর্যবেক্ষকদের জন্য বিধিতে আছে তারা যেতে পারবে, তাদের নিবন্ধন প্রয়োজন হবে না। স্থানীয় পর্যবেক্ষকরা তো বাইরে থেকে আসেনি, তারা এখানকার। বিভিন্ন দূতাবাসে যারা আছেন, তারা এখানকার। তারা তালিকা দিলে আমরা পরীক্ষা করে তাদের অনুমতি দিতে পারি।

“সে অনুমতি আছে, গাজীপুরসহ বিভিন্ন সিটি নির্বাচনেও তারা পর্যবেক্ষণ করেছে। তাদের উপর আমাদের নিয়ন্ত্রণ অবশ্যই থাকবে। তারা যেন বিধির বাইরে কোনো রকম আচরণ করতে না পারে, সে ব্যাপারে আমাদের সতর্কতা থাকবে।”

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত নীতি অনুযায়ী শুধু আন্তঃরাষ্ট্রীয় কোনো সংগঠন ও আন্তর্জাতিক কোনো বেসরকারি সংস্থা নির্বাচন পর্যবেক্ষণ করতে পারে। অথচ বাংলাদেশে দূতাবাস বা বিদেশি রাষ্ট্রদূতরা ভোট পর্যবেক্ষণ করছেন, যার নজির বিশ্বে বিরল।

৬০ হাজার রোহিঙ্গা তরুণ-তরুণীকে প্রশিক্ষণ দেওয়ার সিদ্ধান্ত

ডেস্ক ॥ বাংলাদেশ সরকার ২৯৭ কোটি ১৫ লাখ টাকা ব্যয়ে, ৬০ হাজার রোহিঙ্গা তরুণ-তরুণীকে সামাজিক ও অর্থনৈতিক বিভিন্ন বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

আজ বৃহস্পতিবার রাজধানীর শেরে বাংলা নগরে এনইসি সম্মেলনকক্ষে অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামালের সভাপতিত্বে সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রী কমিটিতে এ ব্যাপারে একটি প্রস্তাবের অনুমোদন দেওয়া হয়।

এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন- প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ বিষয়ক উপদেষ্টা তৌফিক-ই-ইলাহী চৌধুরী, বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মো. এনামুর রহমান।

সভা শেষে বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরেন কেবিনেট ডিভিশনের অতিরিক্ত সচিব মোসাম্মাৎ নাসিমা বেগম।

মোসাম্মাৎ নাসিমা বেগম জানান, এ প্রকল্পের আওতায় ৩২টি কমিউনিটি গ্রুপের মাধ্যমে রোহিঙ্গা তরুণ-তরুণীদের বিভিন্ন প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। ৬০ হাজার রোহিঙ্গা তরুণ-তরুণীকে কমিউনিটি সেবা সম্পর্কিত বিভিন্ন প্রশিক্ষণ দেওয়ার পাশাপাশি ক্যাম্পের ভেতরে ৩ লাখ চারাগাছ লাগানো ও সংরক্ষণের কাজেও লাগানো হবে। সেবাকাজে অংশগ্রহণের মাধ্যমে তাদের আর্থিক সুবিধা দেওয়া হবে বলেও জানানো হয়। এছাড়া ৪০ হাজার রোহিঙ্গাকে কমিউনিটি ওয়ার্ক ফেয়ার কার্যক্রমের মাধ্যমেও বিভিন্ন সুবিধা দেওয়া হবে।

সূত্র আরও জানায়, প্রশিক্ষণপ্রাপ্তদের ২.৪ কিলোমিটার পায়ে চলার পথ ও বাঁশের সাকো নির্মাণ, পুনর্বাসন, সংরক্ষণ ও রক্ষণাবেক্ষণের কাজে লাগানো হবে। এছাড়া ক্যাম্পের ভূমিক্ষয় রোধে ৯০ হেক্টর জমিতে দেশি প্রজাতির ঘাস রোপণ ও সংরক্ষণের কাজেও তাদের যুক্ত করা হবে। এসব কাজে সংশ্লিষ্ট রোহিঙ্গাদের প্রতি ঘণ্টায় ৫০ টাকা করে মজুরি দেওয়া হবে বলেও জানানো হয়।

‘বিদেশি পর্যবেক্ষক হিসেবে বাংলাদেশিদের নেওয়া আইনের লঙ্ঘন’

ঢাকা: বিদেশি ১০টি দূতাবাসের বিভিন্ন পদে কর্মরত ২৮ জন বাংলাদেশি ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশন নির্বাচনে বিদেশি পর্যবেক্ষক হিসেবে ভোট পর্যবেক্ষণের অনুমতি পেয়েছে।এ বিষয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড এ কে আব্দুল মোমেন বলেছেন, এ ঘটনা সুস্পষ্ট আইনের লঙ্ঘন। বিদেশি হিসেবে বাংলাদেশের নাগরিকদের ভোট পর্যবেক্ষণে কোনোভাবেই কেন্দ্রে প্রবেশে অনুমতি পেতে পারে না (সুড নট অ্যালাও দেম টু ভিজিট অ্যানি বুথ)।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড এ কে আব্দুল মোমেন শুক্রবার (৩১ জানুয়ারি) বলেন, ‘কোড অব কন্ডাক্ট মেনে চলার জন্য কূটনীতিকদের বলেছি। কেননা বেশকিছু বাংলাদেশি আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষক হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন, এটি কীভাবে ঘটল জানি না। এটি নির্বাচন কমিশন ভালো বলতে পারবে।’এদিকে প্রধান নির্বাচন কমিশনার কে এম নূরুল হুদা বৃহস্পতিবার (৩০ জানুয়ারি) গণমাধ্যমকর্মীদের এ প্রসঙ্গে বলেছেন, বিদেশি সংস্থার যেসব বাংলাদেশি নির্বাচন পর্যবেক্ষণ করবেন, তাদের কাজ নির্বাচন কমিশন নজরে রাখবে।

এ বিষয়ে মন্তব্য জানার জন্য যুক্তরাষ্ট্র এবং যুক্তরাজ্য এর ঢাকা মিশনে বৃহস্পতিবার (৩০ জানুয়ারি) একাধিকবার যোগাযোগ করা হলেও কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড এ কে আব্দুল মোমেন শুক্রবার (৩১ জানুয়ারি) বলেন, নির্বাচন পর্যবেক্ষণের জন্য আমাদের দেশে যারা আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষক হিসেবে আসবে, আইন অনুযায়ী তারা বাংলাদেশের নাগরিক হতে পারে না। কিন্তু আনফরচুনেটলি আমাদের এখানকার বিদেশি মিশন বা সংস্থায় যে সব বাংলাদেশি নাগরিক কাজ করছেন, তাদেরকে মিশন বা সংস্থাগুলো আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষক হিসেবে নিয়োগ দিয়েছে, যা আইনের লঙ্ঘন। এ জন্য আমরা বলেছি যে দে সুড বি রেসপন্সিবল অ্যান্ড দে সুড ফলো দেয়ার কোড অব কন্ডাক্ট।

‘কোড অব কন্ডাক্ট লঙ্ঘনের ঘটনায়’ এখনও কিছু করার আছে কিনা গণমাধ্যমকর্মীদের এমন প্রশ্নের জবাবে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘এটি নির্বাচন কমিশন জানে। নির্বাচন কমিশন সবই জানেন, তাদের কাছে আইন রয়েছে। যে সকল বাংলাদেশি আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষক হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন তারা ভোটকেন্দ্র পরিদর্শনের জন্য অনুমতি পেতে পারে না (সুড নট অ্যালাও দেম টু ভিজিট এনি বুথ)।’

জানা গেছে, ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশন নির্বাচন বিদেশি পর্যবেক্ষকসহ ১ হাজার ৮৭ জন দুই সিটি নির্বাচন পর্যবেক্ষণ করবেন। এদের মধ্যে ২২টি দেশি সংস্থার মাধ্যমে ১ হাজার ১৩ জন স্থানীয় পর্যবেক্ষক রয়েছেন।

অন্যদিকে ১০ দূতাবাসের মাধ্যমে ৭৪ জন বিদেশি পর্যবেক্ষক সিটি নির্বাচন পর্যবেক্ষণ করবেন। এদের মধ্যে ৪৬ জন সরাসরি বিদেশি নাগরিক এবং ২৮ জন বাংলাদেশি নাগরিক। এই ২৮ জন বাংলাদেশি ১০টি দেশের দূতাবাসে বিভিন্ন পদে কর্মরত।

ইসি সূত্র জানিয়েছে, ১০টি দূতাবাসের মধ্যে ইউএস দূতাবাসের মাধ্যমে ২৭ জন পর্যবেক্ষক দুই সিটি নির্বাচন পরিদর্শন করবেন। এ ২৭ জনের মধ্যে ১৮ জন বিদেশি এবং ৯ জন বাংলাদেশি নাগরিক রয়েছেন। এ ছাড়াও ব্রিটেনের দূতাবাসের মাধ্যমে ১২ জন পর্যবেক্ষক নির্বাচন পর্যবেক্ষণ রয়েছেন। এর মধ্যে পাঁচজন বিদেশি নাগরিক এবং সাতজন বাংলাদেশি কর্মকর্তা।

ইউরোপীয় ইউনিয়নের পাঁচজন পর্যবেক্ষকের সবাই ইউরোপের নাগরিক। নেদারল্যান্ডস দূতাবাসের রয়েছেন ৬ জন, এদের মধ্যে ৫ জন বিদেশি। সুইজারল্যান্ড দূতাবাসের ৬ জন পর্যবেক্ষক রয়েছেন। এদের মধ্যে দুইজন বিদেশি নাগরিক। জাপান দূতাবাসের মাধ্যমে পাঁচজন, যাদের মধ্যে তিনজন বিদেশি নাগরিক; ডেনমার্ক দূতাবাসের মাধ্যমে তিনজন, যাদের দুইজন বিদেশি নাগরিক, নরওয়ে দূতাবাসের চারজন, এদের মধ্যে আরও দুইজন বিদেশি, অস্ট্রেলিয়ান হাইকমিশন থেকে দুইজন বিদেশি নাগরিক; কানাডা হাইকমিশন থেকে চারজন, এদের মধ্যে দুইজন কানাডিয়ান নাগরিক সিটি নির্বাচন পর্যবেক্ষণ করবেন।

নির্বাচনে নাশকতার ছক, বিএনপির সশস্ত্র ক্যাডার বাহিনী ঢাকায়, আটক ৩


ঢাকার দুই সিটি করপোরেশন নির্বাচন ঘিরে সন্ত্রাস-নাশকতার ছক কষছে বিএনপি-জামায়াত। অস্ত্রসহ বিভিন্ন জেলা থেকে আনা হয়েছে বিপুল সংখ্যাক ক্যাডার বাহিনী। পুলিশের বিশেষ অভিযানে অস্ত্রসহ আটক করা হয়েছে ৩ জনকে।

নির্বাচনের দিন যত কাছে আসছে ততই উত্তপ্ত হয়ে উঠছে পরিস্থিতি। নির্বাচন বিতর্কিত ও নির্বাচনে সহিংসতা করতে বিএনপি-জামাতের বিপুল সংখ্যাক সশত্র ক্যাডার বাহিনী অবস্থান করছে ঢাকায়। ভাড়া করে এসব ক্যাডারকে বিভিন্ন জেলা থেকে আনা হয়েছে বলছে গোয়েন্দা সূত্র।

আজ সকালে উত্তরা-১১ নম্বর সেক্টর ১৫ নম্বর সড়কের ৭২ নম্বর বাড়ির ৬ তলার একটি ফ্ল্যাটে অভিযান চালিয়ে তিনটি বিদেশি পিস্তল ও একটি ওয়াকিটকিসহ ৩ জনকে আটক করেছে পুলিশ। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এ অভিযান পরিচালনা করে পুলিশ।আটককৃতরা হলেন বগুড়া জেলা ছাত্রদলের সহ সভাপতি আবু জাফর, যুগ্ম সম্পাদক সোহেল রানা ও সাংগঠনিক সম্পাদক রবিউল ইসলাম ওরফে আওয়াল। আটককৃতদের জিজ্ঞাসাবাদে বেরিয়ে এসেছে চাঞ্চল্যকর সব তথ্য।

আটককৃত ছাত্রদল নেতা আবু জাফরের তথ্য মতে, ১২ লাখ টাকার চুক্তিতে তারা ঢাকা এসেছে নির্বাচনে সহিংসতা করা জন্যে। বগুড়া জেলা বিএনপির সভাপতি মো. সাইফুল ইসলামের মাধ্যমে তাদের এই চুক্তি হয়েছে। ঢাকায় আসার পর থেকে তাদের সার্বিক দিক নির্দেশনা দিচ্ছে তাবিথ আউয়ালের ব্যক্তিগত সহকারী মাহমুদুল হাসান।এরই মধ্যে হত্যা মামলার আসামি, সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে জড়িতসহ বিভিন্ন মামলার দাগি শতাধিক আসামির রাজধানীতে অবস্থান শনাক্ত করেছে গোয়েন্দা পুলিশ । নাশকতা চালানোর পরিকল্পনা হিসেবে বিভিন্ন ধরনের আগ্নেয়াস্ত্রও রয়েছে তাদের সঙ্গে।

ঢাকা মহানগর পুলিশ কমিশনার শফিকুল ইসলাম জানান, সার্বিক পরিস্থিতি মোকাবেলায় সতর্ক অবস্থানে রায়েছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। রাজধানীতে বৃহস্পতিবার মধ্য রাত থেকে বিশেষ অভিযানে নামছে তারা। যা ১ ফেব্রুয়ারি ভোটের দিন পর্যন্ত অব্যাহত থাকবে।