সর্বশেষ সংবাদ চাঁপাইনবাবগঞ্জে প্রেমের টানে বাড়ি ছাড়া হিন্দু কিশোরী কে উদ্ধার ঃ প্রেমিক আটক মাহে রমজানের শুভেচ্ছা জানালেন নেইমার-এমবাপ্পেরা নতুন বছরে জঞ্জাল ধুয়ে-মুছে সামনে এগিয়ে যাবো: জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে প্রধানমন্ত্রী ‘নিয়মিত পর্নো ভিডিও দেখতেন রফিকুল মাদানী’: পর্নোগ্রাফি আইনে মামলা দায়ের তাইওয়ানের আকাশপথে চীনের ২৫ যুদ্ধবিমান Abdul Matin Khasru on life support Bangladesh reports 6,028 fresh corona cases, 69 new deaths চাঁদ দেখা গেছে, স্বাগত মাহে রমজান চাঁপাইনবাবগঞ্জে পুলিশের সক্ষমতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে রায়ট ড্রিল ও আর্মস হ্যান্ডেলিং প্রশিক্ষণ  শিবগঞ্জে মাস্ক-খাদ্যসামগ্রী বিতরণ
Large Add

দেশে চালু হলো ‘বঙ্গবন্ধু শিক্ষাবীমা’

মুজিববর্ষের উপহার হিসেবে পরীক্ষামূলকভাবে দেশে প্রথমবারের মতো চালু হয়েছে ‘বঙ্গবন্ধু শিক্ষাবীমা’। সোমবার প্রধানমন্ত্রী বীমা দিবসের এক অনুষ্ঠানে আনুষ্ঠানিকভাবে এ বীমা পলিসির উদ্বোধন করেন। এই বীমা পলিসির প্রিমিয়াম দিতে হবে বছরে ৮৫ টাকা। পলিসির মেয়াদের মধ্যে বীমাগ্রহীতা মারা গেলে বা শারীরিকভাবে পঙ্গু হয়ে পড়লে ১৮ বছর বয়স পর্যন্ত তার সন্তানকে প্রতি মাসে ৫০০ টাকা করে বৃত্তি দেওয়া হবে।

আইডিআরএ সূত্রে জানা গেছে, দুই বছরের জন্য পরীক্ষামূলক ভিত্তিতে চালু করা হচ্ছে বঙ্গবন্ধু শিক্ষাবীমা। এই বীমা পলিসির বীমাকৃত ব্যক্তি হবেন মা, বাবা অথবা আইনগত অভিভাবক। পলিসির মেয়াদের মধ্যে মা, বাবা বা আইনগত অভিভাবক মারা গেলে অথবা দুর্ঘটনাজনিত

\হসম্পূর্ণ বা স্থায়ী অক্ষম হলে অথবা পঙ্গু হয়ে গেলে মাসে ৫০০ টাকা করে বৃত্তি দেওয়া হবে শিক্ষার্থীদের। এ বৃত্তি দেওয়া হবে পলিসির বাকি মেয়াদে অর্থাৎ বীমা পলিসি মেয়াদোত্তীর্ণ হওয়ার আগ পর্যন্ত প্রতি মাসে।

বঙ্গবন্ধু শিক্ষাবীমা চালুর জন্য যে নীতিমালা তৈরি করা হয়েছে, তাতে দেখা যায়, পলিসির মেয়াদ শিশুর বয়সের সঙ্গে সম্পর্কিত। ৩ থেকে ১৭ বছর বয়সি শিক্ষার্থীরা বীমা পলিসির আওতায় আসবে। শিশুর ১৮তম জন্মদিনে পলিসির মেয়াদ শেষ হবে। শিশুর বয়স ৩ বছর হলে পলিসির মেয়াদ হবে ১৮ থেকে ৩ বাদ দিয়ে ১৫ বছর। শিশুর বয়স ১৮ বছর হলে পলিসির মেয়াদ হবে ১৮ থেকে ১৭ বাদ দিয়ে এক বছর।

তবে শিক্ষার্থীদের পক্ষে পলিসি করা মা, বাবা অথবা অভিভাবকদের বয়স হতে হবে ২৫ থেকে ৬৪ বছর। আর প্রিমিয়ামের টাকা নেওয়া হবে ব্যাংকের মাধ্যমে। শিক্ষার্থীর বয়স ১৮ ও বীমাগ্রহীতার বয়স ৬৪ বছর হয়ে গেলেই পলিসিটি মেয়াদোত্তীর্ণ বলে বিবেচিত হবে।

নীতিমালায় বলা হয়েছে, সাধারণত শিক্ষার্থীর মা অথবা বাবা হবেন বীমাগ্রহীতা। তবে মা-বাবা জীবিত থাকা অবস্থায়ও তাদের অনুমোদন সাপেক্ষে অন্য কেউ অভিভাবক হতে পারবেন। আবার মা-বাবার অবর্তমানে শিক্ষার্থীর ভরণপোষণকারীও হতে পারবেন বীমাগ্রহীতা।

বীমাগ্রহীতা মারা গেলে, যে মাসে মারা যাবেন, সে মাসের শেষে বৃত্তি দেওয়া শুরু হবে। শিশুর বয়স ১৮ বছর হওয়া পর্যন্ত মাসে মাসে এ বৃত্তি দেওয়া চলতে থাকবে। তবে কেউ যদি দুর্ঘটনার কারণে পঙ্গু হয়ে যান, তাহলে জীবনবীমা করপোরেশনের অনুমোদিত চিকিৎসকদের সনদ নিয়ে বৃত্তি দেওয়া শুরু করা হবে।

  •  
  •  
  •  
  •  
Add img sm
Add img sm

আরও পড়ুন

%d bloggers like this: