সর্বশেষ সংবাদ চোরাচালান ও মাদকপাচার প্রতিরোধে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশে (বিজিবি) যুক্ত হলো অল টেরেইন ভেহিক্যাল (এটিভি)। ২ মাসের বেতনের সমান বিশেষ সম্মানি পাবেন স্বাস্থ্যকর্মীরা চাঁপাইনবাবগঞ্জে আটকে পড়েছে প্রায় ৩ হাজার ভারতীয় ঃ ফেরার আকুতি ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনা ভাইরাসে ৪১ জনের মৃত্যু বদলে যাবে রাজধানী ও আশপাশ এলাকার যোগাযোগ ব্যবস্থা: ১১১ ফুট নিচে চলবে ট্রেন জঙ্গলেও থাবা বসিয়েছে করোনা, প্রাণ বাঁচাতে নিরাপদ আশ্রয়ে ছুটছে আদিবাসীরা চাঁপাইনবাবগঞ্জে নতুন ৬জন সহ করোনায় আক্রান্ত ১২৩ ॥ ঝুঁকিতে জেলা চাঁপাইনবাবগঞ্জে ভাবিকে ধর্ষণের চেষ্টা ॥ আটক ২ ॥ শিবগঞ্জে নৌকাডুবির ঘটনায় সরকারী অনুদান প্রদান চাঁপাইনবাবগঞ্জ শিয়ালমারা সীমান্তে ৫৯ বিজিবি’র ফেন্সিডিল উদ্ধার
Large Add

চাঁপাইনবাবগঞ্জে আনুষ্ঠানিকভাবে আম কেনা বেচার উদ্বোধন হলেও জমে ওঠেনি আমবাজার।

এ কে এস রোকন
চাঁপাইনবাবগঞ্জে এবছর আম পাড়ার কোন সময় সীমা বেধে না দেয়া হলেও অপরিপক্ষ আম পাড়া ও বাজারজাতকরনে রয়েছে নিষেধাজ্ঞা। করোনা পরিস্থিতির কারনে আম কেনাবেচায় উদ্বুদ্ধ করতে এবং অন্য জেলার অপরিপক্ক আম চাঁপাইনবাবগঞ্জের আম বলে বদনাম হবার কারনে প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রথমবার মঙ্গলবার(২ জুন) আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্ধোধনের মাধ্যমে শুরু হয়েছে আম পাড়া,বাজারজাতকরন ও পরিবহন ব্যবস্থার।
কানসাট আমবাজার চত্তরে এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে জেলার আম পাড়া ,পরিবহন ও বাজারজাতকরনের উদ্ধোধন করেন চাঁপাইনবাবগঞ্জ-১ আসনের সংসদ ডা: সামিল উদ্দিন আহম্মেদ শিমুল।
কিন্তু উদ্ধোধনের পরদিন দেশের বৃহত্তম কানসাট আমবাজারটি আম শূন্য লক্ষ্য করা গেছে।তবে মহাসড়কের পাশে ৩ ভ্যানে প্রায় ২০ মণ আম বিক্রি হতে দেখা গেছে।কৃষকরা জানায়,বাচার জমজমাট না হওয়ায় সীমিত আকারে গুটি জাতের গোপালভোগ  সহ কয়েকটি জাতের আম পরিপক্ষ হওয়ায় পাড়া শুরু হয়েছে। তবে কৃষি বিভাগ জানায় খিরসাপাত ও ন্যাংড়া জাতের আম উঠতে এখনও দেরী আছে।আশা করা হচ্ছে জুনের দ্বিতীয় সপ্তাহে ক্ষিরসাপাত ,ন্যাংড়া সহ অন্যান্য আম ওঠলে কানসাট বাজারে কেনাবেচা জমে ওঠবে। এদিকে করোনার কারনে কানসাটের অধিকাংশ আড়ত এখনও প্রস্তুত হয়নি আম কেনাবেচার জন্য।অনেক আড়তে আবার মেরামতের কাজ করতে দেখা গেছে।
সাহাপাড়া এলাকার আম বিক্রেতা শহিদ জানান, তিনি কানসাটের আমবাজার উদ্ধোধনের খবর পেয়ে বুধবার ১০ মন আম এনেছিলেন।কিন্তু বাজার আম শূন্য দেখে হতাশ। তিনি তার আমগুলো দুই হাজার ৫০ টাকা মণ দরে বিক্রি করেন।
অন্যদিকে চককীর্ত্তি এলাকার আমচাষী জাহাঙ্গির আলম বিশ্বাস জানান, তিনি কানসাট আমবাজরের পরিবেশ দেখার জন্য এসেছেন।জেলার বাইরের আম ক্রেতা না থাকায় এবং আড়ৎগুলো এখনও সচল না হওয়ায় তিনি আম পাড়ার সিদ্ধান্ত এখনও নেননি।

কানসাট হাট ও বাজারের লীজগ্রহীতাদের অন্যতম অংশীদার ও কানসাট হাট ও আম বাজার কমিটির সহসভাপতি  মো: রফিকুল ইসলাম বাবু ক্ষোভের সাথে জানান, প্রায় আড়াই কোটি টাকায় কেনা হাটটিতে এবছর আমের বাজার ঠিকমত না লাগলে এবং বর্তমান অবস্থা বিরাজ করলে পুঁজি হারিয়ে তাদেরকে পথে বসতে হবে।
এদিকে শিবগঞ্জ উপজেলা কৃষি অফিসার এস এম আমিনুজ্জান রতন  আমবাজার জমে না ওঠার বিষয়টি স্বীকার করে জানান, অতিবৃষ্টির কারনে এবছর বিলম্বে আম পরিপক্ক হওয়ায় ও আমের উৎপাদন কম হওয়ায় পাশাপাশি করোনার প্রতিক’ল পরিবেশের কারনে সাময়িক এ সমস্যা হয়েছে।তবে আগামী সপ্তাহে এ সমস্যা কেটে যাবে বলে আশা প্রকাশ করেন।
জেলার অন্যান্য বাজার সদর উপজেলার তোহাবাজার,গোমস্তাপুরের রহনপুর এবং ভোলাহাটের আমবাজারেও একই চিত্র লক্ষ্য করা গেছে।

  •  
  •  
  •  
  •  
Add img sm
Add img sm

আরও পড়ুন